Motix Academy

Motix Academy

Share

Motix Academy - Learn Motion. Earn with Creation | #MotixAcademy Earn with Creation.

Motix Academy একটি অনলাইন ভিত্তিক ক্রিয়েটিভ লার্নিং ইনস্টিটিউট, যেখানে আপনি মোশন গ্রাফিক্স, এনিমেশন এবং ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির স্কিল শিখে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।

আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক গাইডলাইন, বাস্তবভিত্তিক শেখানো, এবং মার্কেট-ফোকাসড স্কিলই একজন ক্রিয়েটিভ তরুণের সাফল্যের চাবিকাঠি। তাই আমাদের কোর্সে শেখানো হয় After Effects ব্যবহার করে কিভাবে মোশন গ্রাফিক্স ও স্টক এনিমেশন তৈরি করে আন্তর্জাতিক

23/11/2025

Earning proof, My today income proof, online earning proof

14/06/2025

💸 আজকের ইনকাম প্রুফ!

আপনার স্কিলই হতে পারে আপনার আয়ের চাবিকাঠি।
Motix Academy থেকে শেখার পর এমন ইনকাম আপনিও করতে পারবেন!🔥

🧠 শুধু শেখা নয়, শেখা থেকে আয় — এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি।








13/06/2025

🎉 শুরু হলো আমাদের নতুন যাত্রা!

📢 Introducing: Motix Academy – Learn Motion. Earn with Creation

স্বপ্ন, সৃজনশীলতা আর দক্ষতার এক অনন্য মিশেল এভাবেই যাত্রা শুরু করলো Motix Academy।

আমরা বিশ্বাস করি, একজন তরুণ যখন মোশন গ্রাফিক্সের মতো ক্রিয়েটিভ স্কিল আয়ত্ত করে, তখন তার সামনে খুলে যায় স্বাধীনতার দরজা জীবন গড়ার নতুন পথ।

🔧 শেখা হবে Adobe After Effects দিয়ে
🎥 তৈরি হবে প্রফেশনাল এনিমেশন
💰 আয় হবে স্টক মার্কেটপ্লেসে
📈 আর এগিয়ে যাবে আপনার ক্যারিয়ার!

আজ থেকে শুরু—তোমার স্কিল, তোমার স্বাধীনতা।
আমরা আছি পাশে, শেখানো থেকে আয়ে পৌঁছে দিতে।

✅ আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
✅ এই যাত্রায় আমাদের সঙ্গী হোন!

14/06/2024

টার্গেটেড কাস্টমারের কাছে পৌঁছাতে ল্যান্ডিং পেজ কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

টার্গেটেড কাস্টমারের কাছে পৌঁছাতে ল্যান্ডিং পেজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর কয়েকটি মূল কারণ হল:

প্রথম ইমপ্রেশন: ল্যান্ডিং পেজ হলো একটি ব্যবসা বা পণ্যের সাথে প্রথম সংযোগ স্থাপনের স্থান। একটি আকর্ষণীয় এবং আকর্ষণীয় ল্যান্ডিং পেজ কাস্টমারের মনে পজিটিভ ইমপ্রেশন তৈরি করতে পারে।

কনভার্সন রেট বৃদ্ধি: ল্যান্ডিং পেজে সরাসরি ক্রয় করার জন্য একটি নির্দিষ্ট কল-টু-অ্যাকশন (CTA) থাকে, যেমনঃ অর্ডার করতে চাই, কিনুন, বা অর্ডার করুন। একটি ভাল ডিজাইন করা ল্যান্ডিং পেজ কনভার্সন রেট উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে পারে।

টার্গেটেড কাস্টমার: ল্যান্ডিং পেজে নির্দিষ্ট টার্গেট গ্রুপের জন্য কাস্টমাইজড কনটেন্ট থাকে। এতে করে কাস্টমাররা তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য সহজেই পেতে পারে এবং তাদের আগ্রহ ও বিশ্বাস আরও বৃদ্ধি পায়।

SEO সুবিধা: একটি অপ্টিমাইজড ল্যান্ডিং পেজ সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে আরও বেশি ট্র্যাফিক আনতে পারে। এর ফলে টার্গেটেড কাস্টমারদের কাছে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

ডাটা সংগ্রহ: ল্যান্ডিং পেজের মাধ্যমে কাস্টমারদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা যায়, যা পরবর্তী রি- টার্গেট মার্কেটিং অনেক সহায়তা করে।

পরীক্ষা ও অপ্টিমাইজেশন: ল্যান্ডিং পেজের পারফরমেন্স বিশ্লেষণ করে এবং A/B টেস্টিং এর মাধ্যমে তা আরও উন্নত করা যায়। এর ফলে কাস্টমারদের রেসপন্স এবং ব্যবহারের ধরন বুঝে আরও কার্যকরী মার্কেটিং কৌশল গ্রহণ করা সম্ভব হয়।

এইসব কারণে, একটি ব্যবসার জন্য একটি কার্যকর ল্যান্ডিং পেজ তৈরি করা কাস্টমারের সাথে কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপন এবং তাদের কনভার্ট করার জন্য অপরিহার্য।

12/06/2024

বিজনেস অটোমেশন কি?

বিজনেস অটোমেশন হল ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া এবং কাজগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য প্রযুক্তি এবং সফটওয়্যার ব্যবহার করার প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে বিভিন্ন পুনরাবৃত্তিমূলক এবং সময়সাপেক্ষ কাজগুলো দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পন্ন করা যায়। বিজনেস অটোমেশনের কিছু উদাহরণ হল:

ডাটা এন্ট্রি: ম্যানুয়াল ডাটা এন্ট্রির পরিবর্তে স্বয়ংক্রিয় ডাটা এন্ট্রি।
ইমেল মার্কেটিং: স্বয়ংক্রিয় ইমেল প্রচারণা।
ক্লায়েন্ট ম্যানেজমেন্ট: ক্লায়েন্ট সম্পর্ক ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার (CRM) ব্যবহার।
ফাইন্যান্স এবং অ্যাকাউন্টিং: স্বয়ংক্রিয় বিল প্রদান এবং ইনভয়েস জেনারেশন।

বিজনেস অটোমেশনের মাধ্যমে সময় এবং খরচ বাঁচানো যায়, কাজের মান বাড়ানো যায়, এবং মানবসম্পদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা যায়। এটি ব্যবসার প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে সহায়ক।

10/06/2024

ওয়েবসাইট বা ল্যান্ডিং পেজ তৈরি করতে কি কি লাগে?

ওয়েবসাইট বা ল্যান্ডিং পেজ তৈরি করতে নিম্নলিখিত উপাদান গুলো প্রয়োজন:

প্রয়োজনীয় উপাদান

ডোমেইন নেম:
আপনার ওয়েবসাইটের ঠিকানা (যেমন: www.yourwebsite.com)।
ডোমেইন নেম কিনতে পারেন Namecheap, GoDaddy, বা অন্য ডোমেইন রেজিস্ট্রার থেকে।

ওয়েব হোস্টিং:
আপনার ওয়েবসাইটের ফাইল এবং ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য সার্ভার স্পেস।
হোস্টিং প্রোভাইডার যেমন: Bluehost, SiteGround, HostGator ইত্যাদি।
ওয়েবসাইট বিল্ডার বা CMS:

ওয়েবসাইট তৈরির জন্য প্ল্যাটফর্ম যেমন WordPress, Wix, Squarespace, বা জুমলা।

টেমপ্লেট বা থিম:
ওয়েবসাইটের লেআউট এবং ডিজাইন নির্ধারণ করার জন্য টেমপ্লেট বা থিম। WordPress এর জন্য বিভিন্ন ফ্রি এবং পেইড থিম পাওয়া যায়।

কন্টেন্ট:
ওয়েবসাইটের জন্য প্রয়োজনীয় লেখা, ইমেজ, ভিডিও, এবং অন্যান্য মিডিয়া।

প্লাগইন এবং এক্সটেনশন:
অতিরিক্ত ফিচার এবং ফাংশনালিটি যোগ করার জন্য প্লাগইন।
যেমন: যোগাযোগ ফর্ম, ই-কমার্স ফিচার, এসইও টুলস ইত্যাদি।

10/06/2024

ডোমেইন কত প্রকার ও কি কি ?

ডোমেইন নাম বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে এবং বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। প্রধানত, ডোমেইন নামের প্রকারভেদকে দুটি বড় শ্রেণীতে ভাগ করা হয়:

১. শীর্ষ স্তরের ডোমেইন (Top-Level Domains - TLDs)

১.১ সাধারণ শীর্ষ স্তরের ডোমেইন (Generic Top-Level Domains - gTLDs)
এগুলো সাধারণত সব ধরনের ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণভাবে পরিচিত। যেমন:
com (commercial)
org (organization)
net (network)
info (information)
biz (business)
name (personal names)
edu (education institutions, USA only)
gov (government entities, USA only)

১.২ দেশ ভিত্তিক শীর্ষ স্তরের ডোমেইন (Country Code Top-Level Domains - ccTLDs)এগুলো নির্দিষ্ট দেশের জন্য নির্ধারিত। যেমন:
bd (Bangladesh)
us (United States)
uk (United Kingdom)
ca (Canada)
in (India)

২. দ্বিতীয় স্তরের ডোমেইন (Second-Level Domains - SLDs)
দ্বিতীয় স্তরের ডোমেইনগুলো শীর্ষ স্তরের ডোমেইনের নিচে থাকে। উদাহরণস্বরূপ:

example.com - এখানে "example" দ্বিতীয় স্তরের ডোমেইন এবং ".com" শীর্ষ স্তরের ডোমেইন।

৩. তৃতীয় স্তরের ডোমেইন (Third-Level Domains)
তৃতীয় স্তরের ডোমেইন সাধারণত দ্বিতীয় স্তরের ডোমেইনের সাবডোমেইন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন:

blog.example.com - এখানে "blog" তৃতীয় স্তরের ডোমেইন, "example" দ্বিতীয় স্তরের ডোমেইন এবং ".com" শীর্ষ স্তরের ডোমেইন।

৪. স্পন্সরড শীর্ষ স্তরের ডোমেইন (Sponsored Top-Level Domains - sTLDs)এগুলো বিশেষ কিছু প্রতিষ্ঠান বা কমিউনিটি দ্বারা ব্যবহৃত হয়। যেমন:
gov (government)
edu (education)
mil (military)

প্রতিটি ডোমেইন প্রকারের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও ব্যবহারের ক্ষেত্র আছে এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এই ডোমেইন নামগুলো নির্বাচন করা হয়।

09/06/2024

BDIX হোস্টিং কি ?
BDIX হোস্টিং এর সুবিধা কি ?

BDIX (Bangladesh Internet Exchange) হোস্টিং একটি বিশেষ ধরনের ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস যা বাংলাদেশ ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জ (BDIX) নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত। এর মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে হোস্ট করা ওয়েবসাইটগুলো বাংলাদেশের ভেতরে দ্রুত এবং নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট অ্যাক্সেস প্রদান করে। BDIX হোস্টিং এর কিছু সুবিধা নিম্নরূপ:

দ্রুত লোডিং টাইম: যেহেতু BDIX হোস্টিং সার্ভারগুলি বাংলাদেশে অবস্থিত, স্থানীয় ব্যবহারকারীরা দ্রুতগতিতে ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে পারেন।

লো ল্যাটেন্সি: স্থানীয় নেটওয়ার্কের কারণে ল্যাটেন্সি বা বিলম্বতা কম হয়, যা দ্রুত সার্ভার রেসপন্স টাইম নিশ্চিত করে।

ব্যান্ডউইথ খরচ কম: আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের প্রয়োজন না হওয়ার ফলে ব্যান্ডউইথ খরচ কমে যায়।

উন্নত ইউজার এক্সপেরিয়েন্স: স্থানীয় ব্যবহারকারীদের জন্য ভালো ইউজার এক্সপেরিয়েন্স প্রদান করে, বিশেষত ই-কমার্স, মিডিয়া স্ট্রিমিং, এবং অন্যান্য সাইটগুলির জন্য।

ডাটা সিকিউরিটি: যেহেতু ডাটা স্থানীয়ভাবে সংরক্ষিত হয়, তাই ডাটা সিকিউরিটি উন্নত হয়।

BDIX হোস্টিং প্রধানত স্থানীয় ব্যবসা, ব্লগার, এবং ওয়েবসাইট মালিকদের জন্য উপযোগী যারা বাংলাদেশী ভিজিটরদের টার্গেট করেন।

08/06/2024

ল্যান্ডিং পেজে সেলস ফানেল এর ধাপ গুলো কি কি ?

ল্যান্ডিং পেজে সেলস ফানেলের ধাপগুলি সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট স্টেপ অনুসরণ করে থাকে। সেলস ফানেল হল একটি মার্কেটিং মডেল যা পটেনশিয়াল কাস্টমারদের (গ্রাহকদের) বিভিন্ন ধাপের মাধ্যমে কনভার্ট (রূপান্তর) করার প্রক্রিয়া বর্ণনা করে। ল্যান্ডিং পেজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই প্রক্রিয়ায়। এখানে সেলস ফানেলের ধাপগুলি বর্ণনা করা হলো:

১. সচেতনতা (Awareness)
এই ধাপে, পটেনশিয়াল কাস্টমাররা আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কে জানতে পারে। ল্যান্ডিং পেজের লক্ষ্য হলো তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করা এবং তাদেরকে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে সচেতন করা।

২. আগ্রহ (Interest)
এখন যখন তারা আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানে, তাদের আগ্রহ সৃষ্টি করতে হবে। ল্যান্ডিং পেজে আকর্ষণীয় কন্টেন্ট, যেমন: প্রোডাক্টের সুবিধা, ইউজার টেস্টিমোনিয়াল, বা প্রোডাক্ট ডেমো ভিডিও রাখা যেতে পারে, যা তাদের আগ্রহ জাগাবে।

৩. বিবেচনা (Consideration)
এই ধাপে, পটেনশিয়াল কাস্টমাররা বিকল্পগুলো বিবেচনা করে। আপনার ল্যান্ডিং পেজে বিভিন্ন অফার, ডিসকাউন্ট, বা অতিরিক্ত সুবিধা প্রদান করে তাদেরকে আপনাকে বেছে নিতে উৎসাহিত করুন।

৪. উদ্দেশ্য (Intent)
এখন পটেনশিয়াল কাস্টমাররা ক্রয় করার কথা ভাবছে। এই ধাপে, আপনার ল্যান্ডিং পেজে স্পষ্ট কল-টু-অ্যাকশন (CTA) যেমন "অর্ডার করুন" বা "ডাউনলোড করুন" বাটন রাখা জরুরি, যা তাদেরকে ক্রয় করতে উৎসাহিত করবে।

৫. মূল্যায়ন (Evaluation)
এখানে কাস্টমাররা শেষবারের মতো আপনার প্রোডাক্টের মান এবং প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন করে। ল্যান্ডিং পেজে প্রোডাক্ট রিভিউ, সাফল্যের কাহিনী, এবং গ্রাহক সহায়তা তথ্য প্রদান করতে পারেন, যা তাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।

৬. ক্রয় (Purchase)
এটি ফানেলের শেষ ধাপ, যেখানে পটেনশিয়াল কাস্টমার ক্রেতায় রূপান্তরিত হয়। আপনার ল্যান্ডিং পেজে একটি সহজ এবং নিরাপদ ক্রয় প্রক্রিয়া থাকা উচিত, যাতে কাস্টমাররা সহজেই ক্রয় করতে পারে।

৭. রি-টার্গেট (Re-Target )
এটি সেলস ফানেলের পরবর্তী ধাপ, যেখানে আপনি বর্তমান কাস্টমারদের পুনরায় লক্ষ্য করবেন এবং তাদেরকে আবার ক্রয় করতে উৎসাহিত করবেন।

ল্যান্ডিং পেজের প্রতিটি ধাপ পটেনশিয়াল কাস্টমারদের একটি পর্যায় থেকে অন্য পর্যায়ে নিতে সহায়তা করে, যা শেষ পর্যন্ত তাদেরকে কাস্টমারে রূপান্তরিত করে।

07/06/2024

ওয়েবসাইট এবং ল্যান্ডিং পেইজ এর মধ্যে পার্থক্য কি?

আজ আমরা আলোচনা করবো ওয়েবসাইট এবং ল্যান্ডিং পেইজ কি এবং এদের মাঝে কি কি পার্থক্য কড়াভাবে উপলব্ধি করা যায় সে সম্পর্কে। চলুন বিস্তারিত জেনে নিই।

ওয়েবসাইট কি?
ওয়েব পৃষ্ঠা, ছবি, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যের সমষ্টিকে ওয়েবসাইট বলা হয়। যা ওয়েব সার্ভারে থাকে।

ওয়েব পেইজ কি?
এক ধরনের এইচটিএমএল ডকুমেন্টকে সাধারণত ওয়েব পেইজ বলা হয়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এবং ওয়েব ব্রাউজার এর সাহায্যে এটি সহজেই ব্যবহার করা যায়। আজকের দিনে বেশিরভাগ মানুষই ইন্টারনেট ব্যবহার করায় এর মাধ্যমে তারা বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট এবং ওয়েব পেইজ ভিজিট করে। অনেকগুলি ওয়েব পেইজের সমষ্টির দ্বারা তৈরিকৃত ওয়েবসাইটের মূল ভিত্তি হলো এই ওয়েব পেইজ। আলাদা আলাদা ইউ আর এল অ্যাড্রেসের মাধ্যমে যে কেউ নির্দিষ্ট ওয়েব পেইজট গ্রাহকেরা ব্যবহার করতে পারে।

প্রতিটি ওয়েব পেইজে বিভিন্ন ধরনের ইনফরমেশন, এইচটিএমএল ডকুমেন্ট লেখা থাকে। যার কারণে এটিকে এইচটিএমএল ডকুমেন্টও বলা হয়। এক্ষেত্রে অনেকসময় অন্যান্য প্রোগ্রামিং ভাষাও ব্যবহার হতে পারে। প্রতিটি ওয়েব পেইজকে ইউজারের সামনে প্রদর্শন করানোর জন্য পেইজটিকে সার্ভারের সাথে কানেক্ট করতে হয়। মূলত সেখানেই নির্দিষ্ট ওয়েবপেজের সমস্ত ডাটা জমা হয়। যার কারণে কোন ভিজিটর নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের ওয়েব পেইজে আসার পর সকল ডাটা দেখতে সক্ষম হয়।

ল্যান্ডিং পেইজ কি?
মার্কেটিং অথবা অ্যাডভার্টাইজিং ক্যাম্পেইন পরিচালনার উদ্দেশ্যে তৈরি করা একটি স্ট্যাটিক ওয়েব পেইজকে সাধারণত ল্যান্ডিং পেইজ বলা হয়। গুগল, বিং, ইউটিউব এবং ফেসবুক পেইজ থেকে ভিজিটরদের লিড কালেক্ট করার জন্য এই ল্যান্ডিং পেইজ ব্যবহৃত হয়। যে পেইজে ‘অ্যাড’ এর মাধ্যমে ভিজিটরদের ল্যান্ড করানো হয় সেই পেইজ এই ল্যান্ডিং পেইজের আওতাধীন। লিড ক্যাপচার পেইজ, সিঙ্গেল প্রোপার্টি পেইজ, স্ট্যাটিং পেইজ এবং ডেসটিনেশন পেইজ হলো ল্যান্ডিং পেইজের পরিচিত সিনোনিম।

এবার চলুন প্রাতিষ্ঠানিক সংজ্ঞার পাশাপাশি বিস্তারিত জানতে কন্টিনিউ করি। একটি ল্যান্ডিং পেইজ সাধারণত অনেকটা ওয়েব পেইজের মতোই হয়। পাশাপাশি এটি ওয়েব সাইটেরই একটি অংশও বটে।

নির্দিষ্ট কোন টপিককে টার্গেট করা হয় ল্যান্ডিং পেইজ ডিজাইন করার উদ্দেশ্যে। কনভার্সন রেট বাড়ানোর এবং ওয়েব সাইটের সেলস বাড়ানোর মতো বড় বড় উদ্দেশ্যে হাসিলের ক্ষেত্রে এই ল্যান্ডিং পেইজ ব্যবহৃত হয়। সাথে ‘লিড/কাস্টমারের ডাটা’ এর মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারগুলি। যা পরবর্তীতে টার্গেটেড অডিয়েন্সে পরিনত হতে খুব একটা সময় নেয় না। এটি সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো পন্যের মার্কেটিং এর জন্য তৈরি করা হয়।

রেডি ই-কমার্স
ওয়েবসাইট এবং ল্যান্ডিং পেইজ এর মধ্যে পার্থক্য কি?
উপরের আলোচনা থেকে আপনি বুঝতেই পারছেন ল্যান্ডিং পেজ এবং ওয়েবসাইট দুটি ভিন্ন ভিন্ন দুটি অংশ। চলুন ব্যাপারটা সম্পর্কে খোলাসা ধারণা তৈরি করা যাক।

ল্যান্ডিং পেইজের ক্ষেত্রে তথ্যের দিক দিয়ে অফার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা দেওয়া থাকে। অন্যদিকে ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে আপনার ব্যবসার ধরন সম্পর্কে সাধারণ আলোচনা থেকে শুরু করে অফারসহ পুরো কোম্পানি বা বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কিত বিস্তারিত আলোচনা করা হয়ে থাকে।

ল্যান্ডিং পেইজে অডিয়েন্স হিসেবে থাকে শুধু অফার সম্পর্কে আগ্রহী ব্যাক্তিরা। এর বাইরে কেউই তেমন একটা ল্যান্ডিং পেইজের অডিয়েন্স হিসেবে থাকে না। অন্যদিকে ওয়েবসাইটে সাধারণ বিষয় নিয়ে আগ্রহী ব্যাক্তিরাও অডিয়েন্সের কাতারে পড়তে পারে। হতে পারে তারা সাইটে জানার জন্য এসেছে কিংবা কোনো সার্ভিস বা পণ্য কেনার সিদ্ধান্ত নিতে এসেছে।

ল্যান্ডিং পেইজের নেভিগেশনের ক্ষেত্রে লিমিটেড নেভিগেশনকে সবসময় প্রাধান্য দেওয়া হয়। অর্থ্যাৎ এতে নেভিগেশনের সংখ্যা একেবারেই কম থাকে। অন্যদিকে ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে সকল নেভিগেশনই গ্রহণযোগ্য। এক্ষেত্রে এর সংখ্যা অনেকও হতে পারে।

ল্যান্ডিং পেইজের উদ্দেশ্য থাকে শুধুমাত্র অফারের পণ্য সেল করা। আবার ওয়েবসাইটের উদ্দেশ্য থাকে কোম্পানি বা সার্ভিস সম্পর্কে সকলকে জানানো।

উপরে আলোচনাটি পড়ে নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন দুটি একেবারেই আলাদা অংশ এবং দু’টোর উদ্দেশ্যই আলাদা আলাদা। আপনার ওয়েবসাইটের দর্শক হলো তারাই যারা আপনার ব্যবসার ধরন এবং আপনার দেওয়া পণ্য এবং সার্ভিসের প্রতি আগ্রহী৷ উদাহরণস্বরূপ, আপনার ফ্যাশন সম্পর্কিত সাইটে ফ্যাশনের দিকে আগ্রহী ব্যাক্তিরা বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে আরো জানতে বা আপনার অনলাইন স্টোর ব্রাউজ করতে আপনার ওয়েবসাইটে যেতে পারে।

অপরদিকে একটি ল্যান্ডিং পেইজ আপনাকে আরো লক্ষ্যযুক্ত গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করে থাকে। এই দলে উক্ত বিষয় সম্পর্কে ইতিমধ্যেই জানা ব্যাক্তিরাই বেশি থাকে।

অর্থ্যাৎ তারা আগেভাগেই সেই সার্ভিস, সেই প্রোডাক্ট, সেই অফার সম্পর্কে জানে কিংবা জেনে এসেছে। বর্তমানে ল্যান্ডিং পেইজে ভিজিট করার মূল উদ্দেশ্য হলো অফারটি সম্পর্কে আরেকটু নিশ্চিত হয়ে নেওয়া এবং প্রোডাক্ট বা সার্ভিসটি কিনে নেওয়া।

ধরুন, কেউ একজন তাদের এলাকায় ওয়েব ডিজাইনার খুঁজছেন। সার্চ রেজাল্টে তারা ল্যান্ডিং পেইজ খুঁজছেন এবং খুঁজে পেয়েছেনও বটে। পূর্বে থেকেই জানার কারণে পরবর্তীতে তারা উক্ত অফার সম্পর্কে আরেকটু নিশ্চিত হয়ে অর্ডারটি প্লেইস করে দিলেন।

আশা করি আপনি একটি ল্যান্ডিং পেইজ এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলি সম্পর্কে ইতিমধ্যেই জানতে পেরেছেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Rangpur
Dhaka