Madrasah Edu

Madrasah Edu

Share

মাদরাসা শিক্ষা ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের মুখপত্র।

মাদরাসা শিক্ষা ব্যাবস্থা নিয়ে লিখুন। আপনার সুচিন্তিত মতামত পৌঁছে দিন অপরের কাছে। আওয়াজ তুলুন এদেশের বৃহৎ ইসলামী জনগোষ্ঠীর প্রাণের স্পন্দন মাদরাসা শিক্ষাকে নিয়ে। আপনার পরামর্শ, উৎসাহ ও সমালোচনা কাজে দেবে শিক্ষা-ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট সকলকে।

03/11/2018

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০১৮ সালের জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার আরবি ২য় পত্র, বিষয় কোড: ১০৪ অনিবার্য কারণবশত: ০৪ নভেম্বর ২০১৮খ্রি: তারিখের পরিবর্তে আগামী ০৯ নভেম্বর ২০১৮খ্রি: তারিখ রোজ: শুক্রবার সকাল ৯.০০ ঘটিকা হতে অনুষ্ঠিত হবে।

02/11/2018

The , in association with goBDgo.com and Daily Star News , presents : the creative writing competition" - for students of Class 5 to 10. Write how you imagine Egypt, and email it to [email protected] by December 31, 2018. Best write-ups get published in , and the lucky winner to fly to in a full paid trip

30/05/2018

আমার জন্মের কিছুদিন পরেই আমাকে ওমান চলে যেতে হয়। বাবা ছিলেন ওমানের এক মসজিদের ইমাম। আমার শৈশবের প্রথম ৪টি বছর ওমানেই কাটে। আমার শিক্ষার হাতে খড়ি বাবার হাত ধরে। বাবা একবার হজ্বে গিয়ে পবিত্র কাবা শরীফের গিলাফ ধরে মনে মনে দোয়া করেছিলেন আমি যাতে কুরআনের হাফেজ হতে পারি। আল্লাহ বাবার সেই দোয়া কবুল করেছেন। আমার জীবনের সেরা অর্জনের কথা যদি কেউ জিজ্ঞেস করে আমি নির্দ্বিধায় বলব পবিত্র কুরআন শরীফ স্মৃতিতে এবং হৃদয়ে ধারণ করার যোগ্যতা অর্জন করা।

আমার একাডেমিক লাইফের শুরুটা একদমই মসৃণ ছিল না। ৫ বছর বয়সে ওমান থেকে দেশে ফিরে আসি। এর মাঝে ঘটে যায় আমার জীবনের সবচেয়ে ট্র‍্যাজিক ঘটনা। গলায় হাড় বিঁধে, ভুল চিকিৎসায় আমার জীবনের ২ টি মূল্যবান বছর যায় নষ্ট হয়ে। আমার ক্লাস ১-৪ এর বিষয়গুলি পড়িয়েছিলেন আমার বাবা। মাদরাসায় একেবারে ভর্তি হই ক্লাস ফাইভে। হঠাৎ করে ক্লাস ফাইভে ভর্তি হয়ে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল আমাকে। কিন্তু তারপরেও আল্লাহর অশেষ মেহেরবানি তে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বরিশাল বোর্ডে প্রথম স্থান অর্জন করি। এরপর ভর্তি হই নেছারাবাদ মাদ্রাসার জামাতে তাহেলীতে । সেখানে ৬ষ্ঠ,৭ম,৮ম-তিন ক্লাসের পড়া ১ বছরে পড়ানো হত। সেখানেও বেশ পরিশ্রম করতে হয় আমাকে এবং আল্লাহর মেহেরবানিতে জুনিয়র বৃত্তিতেও অর্জন করি প্রথম স্থান। আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এরপর এসএসসি,এইচএসসিতে ভাল ফল অর্জনের পর প্রথমবারের চেষ্টাতেই টিকে যাই ঢাকা মেডিকেল কলেজে। এখানেও প্রথম পেশাগত পরীক্ষায় অর্জন করি তৃতীয় স্থান।

আমি যখন হাফেজী মাদ্রাসায় ভর্তি হই, ওখানকার নিয়ম অনুযায়ী ভোর চারটায় পড়া দিতে হত। কিন্তু ছোটবেলায় আমার ছিল ইউরিনারি ইনকন্টিনেন্স এর সমস্যা । রাতে নাপাক হয়ে যাওয়ায় বাবা প্রতিদিন ভোর ৪টার আগে আমাকে বাসায় নিয়ে গোসল করিয়ে নিয়ে আসতেন। আমার হেফজ করার পুরো সময়টা বাবার যে সাহায্য পেয়েছিলাম সেটা ছাড়া আমার হাফেজ হওয়া প্রায় অসম্ভব ছিল। এসব কষ্ট দূর হয়ে যায় যখন বাবা আমার ইমামতিতে রমজানের তারাবি আদায় করতেন। ২০০৬ থেকে ২০১৩, পুরোটা সময় প্রত্যেক রমজানে বাবার ইমামতিতে আমি আদায় করতাম এশার সালাত।এরপর আমার ইমামতিতে বাবা তারাবির সালাত আদায় করতেন। আমার তিলাওয়াত ছিল বাবার খুব পছন্দের। নামাজের মাঝে মাঝে পিছনে ফিরে দেখতাম বাবা কাঁদছেন। বাবা নামাজের বিরতিতে প্রায়ই খুশিতে আমাকে জড়িয়ে ধরতেন। এটা সন্তান হিসেবে আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া। মেডিকেলে আসার পর থেকে আর নামাজ পড়ানো হয় না। সেই সময়গুলোর কথা খুব মনে পড়ে।

মাদ্রাসায় পড়ার সময় আমি প্রথমদিকে ইংরেজিতে খুব দুর্বল ছিলাম। আমার একটা চ্যালেঞ্জ ছিল যে করেই হোক ইংরেজিতে ভাল করতে হবে। তাই সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ত শুরু হত আমার নতুন যুদ্ধ। একটা সময় এতটাই প্রোগ্রেস করি যে কলেজে ওঠার পর সবাই আমাকে ইংরেজির জোবায়ের বলে ডাকা শুরু করল। আর ক্যাম্পাসে যত প্রোগ্রাম হত,যেমন-গান, নাটক, ডিবেট; প্রতিটার ইংরেজি সেগমেন্টে আমার অংশগ্রহণ আর পুরস্কার পাওয়া নিয়ম হয়ে গিয়েছিল। ইংরেজি ছাড়াও বাংলা ডিবেট করতাম। পুরস্কার পেয়েছিলাম বরিশাল জেলা ডিবেটিং সোসাইটি থেকে "The most promising debater of the year" হিসেবে। এছাড়া গানও গাইতাম টুকটাক। একবার রবীন্দ্র সংগীত প্রতিযোগিতায় পেয়েছিলাম প্রথম পুরস্কার। বন্ধুরা এজন্য আমাকে মাঝেমধ্যে ডাকে 'মডার্ন হুজুর' বলে। এতকিছু করলেও আমি যে হাফেজ এই সম্মানজনক অবস্থানের কোন অসম্মান জ্ঞাতসারে কখনো করিনি আমি।

একজন মেডিকেল স্টুডেন্ট হিসেবে যখন ওয়ার্ডে যাই, আমার পোশাকের কারণে দেখি রোগীর লোক আমাকে খুব শ্রদ্ধা করে এবং আমার কথা মন দিয়ে শুনে। বন্ধু মহলেও সবাই আমাকে খুব ভালবাসে। এসব কিছুর জন্য আমি কৃতজ্ঞ সৃষ্টিকর্তার প্রতি। আমার মনে হয় আমার অন্তরে কুরআনের যে আলো প্রবেশ করেছে সেটাই আমাকে আত্মিকভাবে অনেক শান্তি এবং সম্মান দিয়েছে। একজন ডাক্তার সাধারণত রোগীকে কেবল দাওয়া দিতে পারেন, কিন্তু একজন হাফেজ হিসেবে দোয়া এবং দাওয়া এই দুইয়ের সমন্বয় ঘটানোর সক্ষমতা মহান আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন।

I had to leave for Oman after a few days of my birth. My father was the Imam of a mosque there. I spent the first four years of my life in Oman. My father himself taught me how to read and write. Once on Hajj, my father held the Ghilaf of the Holy Kaaba and prayed for his son to become a Hafiz. Almighty granted his wishes. If anyone asked me what's my greatest achievement in life, undoubtedly it'll be to be able to memorize the Holy Quran.

My academic life didn't go so smoothly at first. I returned home when I was five. But I had to go through a tragic incident. A bone got stuck in my throat and due to wrong treatment, I had to take a break from studies for two years. I was homeschooled by my father on the subjects that were taught in classes one to four. I was directly admitted in class five in a madrasa. It took quite a while to adopt to this new environment. But by the grace of Almighty, I secured the first place in primary scholarship exams under Barisal Board. Then I went to Nesarabad Madrasa. There we were taught the topics of classes six,seven and eight all in a year. I had to work hard there too but again I managed to secure first place in Junior Scholarship Exam in class eight. Then I didn't have to look back any more. After doing well in my SSC and HSC exams, I got chance in DMC on my first attempt. I placed third in the first professional exam too.

When I was in the Hafezi Madrasa, I had to wake up on four in the morning and give tests. I suffered from urinary inconsistency in my childhood. So my father would take me home every night, bathed me and dropped me back before four in the morning. It would have been impossible to become a Hafiz without the constant support of my father. But all the hardships seemed worth it when every Ramadan my father would stand in the Taraweeh prayer and I would be his Imam. From 2006 to 2013, every Ramadan my father stood as my Imam in the Isha prayer and me his during Taraweeh. My father loved my recitation of the Holy Quran. Many a times I had seen tears in his eyes. During namaz breaks, he hugged me on many occasions. As a son, I could ask for nothing more. But after coming to medical, I haven't stood Imam yet. I really miss those times.

In my madrasa days, I was very weak in English. So I took it as a challenge to excel in English. So when everyone went to sleep I started a new campaign. I progressed so much that at one time everyone in college used to call me English Jubair. Furthermore, all the events that took place in the campus like- singing, drama and debate; I used to participate in the English segment of each of these events and won prizes regularly. I also used to debate in Bangla besides English. Once I won the "Most promising debater of the year" award from Barisal Debating Society. I used to sing too. I have a first prize in a Tagore Song singing competition. Sometimes my friends address me as the "Modern Hujur". Despite all these, I've never done anything in my knowledge that would taint my reputation as a Hafiz.

When I go to hospital wards as a medical student, patients respect me very much and heed my words due to my attire. I'm loved in my friend circle too. I'm grateful to my creator for all of it. I think because of my learning of the Holy Quran, I've attained inner peace and respect from others. A doctor generally prescribes his patients with medicine but as a Hafiz, Almighty has blessed me with the opportunity to give my patients both medicine and blessings.

Jubair Bin Mesbah
DMC K-71

Photo Courtesy - Shadrukh Kabir Shad (DMC K-71)

07/02/2018

ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন রচনা প্রতিযোগিতা ২০১৮

"আর মাত্র ৩৫ দিন বাকী"

আপনিও হতে পারেন ভাগ্যবান ও গর্বিত বিজয়ীদের একজন। লুফে নিতে পারেন বিজয়ী সনদ, সার্টিফিকেট এবং নগদ টাকা। আর দেরী নয়; লিখতে শুরু করুন আজই।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন :

জাওহার ইকবাল - ০১৯১১৫৫৪২৮১
সাইফুল্লাহ খান. - ০১৭১৬৯৭৯৯৪০

01/02/2018

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ!!

(দাখিল পরীক্ষা ২০১৮ এর সময়সূচি)

২০১৮ সালের সকল দাখিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জানাই শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন।

পরীক্ষা শুরু হওয়ার ৩০ মিনিট পূর্বেই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে।।

**All Canditate Must Enter Exam Hall Before 30 Minutes of Exam's Start**

মহান আল্লাহ তায়ালা সকলের সহায় হোন, আমীন।

12/12/2017

২০১৯ সালের (২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষ) আলিম পরীক্ষার শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত জরুরী বিজ্ঞপ্তি।

10/12/2017

দাখিল পরীক্ষা ২০১৮ এর সময়সূচি।

মাদরাসা ছাত্রদের প্রতি বৈষম্য আর কত? 08/11/2016

"শুধু মাদরাসা ছাত্র বলেই ঠেকানোর বর্ণবাদী মানসিকতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বেমানান। সমমানের পরীক্ষায় পাস করে আসার পরও মেধা অনুযায়ী তারা তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকবে, এটি খুবই দুঃখজনক।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষায় তাদের সাফল্য চমৎকৃত হওয়ার মতো। প্রথম স্থান অধিকার করে তারা পছন্দের বিষয়টি পাবে না, ইংরেজিতে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েও ইংরেজি পড়তে পারবে না ‘অচ্ছুত’ বলে, এমন মানসিকতা একবিংশ শতাব্দীতেও আমরা লালন করছি তাও প্রগতি ও আধুনিকতার নামে, এর চেয়ে দুর্ভাগের বিষয় আর কী হতে পারে?

এইচএসসি পাসের মতো আলিম পাস ছাত্ররাও কেবল মেধার ভিত্তিতেই উচ্চতর শিক্ষার সুযোগ পাবে, এটা জাতির প্রত্যাশা।

মাদরাসা ছাত্র বলে তারা কোটা বা অনুগ্রহ চায় না, বরং সুবিধাভোগীদের সাথে প্রতিযোগিতা করেই অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়।"

-ব্যারিস্টার তুহিন মালিক।

মাদরাসা ছাত্রদের প্রতি বৈষম্য আর কত?

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka