Online School "অনলাইন স্কুল"

Online School "অনলাইন স্কুল"

Share

Freedom of Learning and getting information.

Photos from Online School "অনলাইন স্কুল"'s post 06/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ।
এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান প্রধান সহ সকল শিক্ষকদের সংশোধিত বদলি নীতিমালা জারি!!

24/04/2026

🔵আমি হাসিমুখে ক্লাস নিতে ভালোবাসি… কিন্তু এখন আর পারছি না

২৪ বছরের শিক্ষকতা জীবনে আমি সবসময় বিশ্বাস করেছি—ভালোবাসা দিয়েই শেখানো যায়।
গল্প করতে করতে, হাসতে হাসতে, ছোট ছোট আনন্দের ভেতর দিয়ে বাচ্চাদের নতুন কিছু শেখানো—এটাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।

কিন্তু আজকাল ক্লাসে দাঁড়িয়ে নিজেকে চিনতে পারি না…

🔵একটা অদ্ভুত পরিবর্তন চোখের সামনে ঘটছে

একটা ক্লাস শেষ করে আরেকটা ক্লাসে যেতে মাত্র ২–৩ মিনিট সময় লাগে।
এই সামান্য সময়ের মধ্যেই পুরো বারান্দা ভরে যায় অস্থিরতা, চিৎকার, দৌড়াদৌড়িতে।
ধাক্কাধাক্কি, মারামারি—কেউ কাউকে শুনছে না।

যে বাচ্চারা আগে চুপচাপ বসে থাকত, ক্লাস ক্যাপ্টেন সবাইকে সামলে রাখত—
আজ তারা চোখের দিকে তাকায় না, ডাকে সাড়া দেয় না।

🔵সবচেয়ে কষ্টের জায়গাটা কোথায় জানেন?

ওদের মধ্যে যেন “সংযোগ” নেই।
না চোখের ভাষা বোঝে, না আদর বোঝে, না ধমক কাজ করে।

মোবাইলের গেম, স্ক্রিনের জগৎ—ওদের মনটাকে এমনভাবে নিয়ে গেছে,
বাস্তব মানুষ, বাস্তব সম্পর্ক—সব যেন দূরের কিছু।

🔵শাসন করবো? সেটাও আজ আর সহজ না

আমরা ছোটবেলায় শুনতাম—
“শিক্ষক যা ঠিক মনে করেন, সেটাই করবেন।”

আর এখন?
সামান্য কিছু বললেই অভিভাবকরা প্রশ্ন তোলেন, বিচার করেন, চাপ তৈরি করেন।
শিক্ষক যেন পড়ানোর আগে হাজারবার ভাবেন—“এটা বলা ঠিক হবে তো?”

🔵তাই এখন ক্লাসে কী করি জানেন?

হাসিমুখে ঢুকি,
আর কিছুক্ষণ পর নিজেকে দেখি কপাল কুঁচকে, দাঁতে দাঁত চেপে কথা বলছি…

এটা আমি না।
এটা আমি হতে চাইনি।

🔵একটা কথা বলতে চাই—অভিভাবকদের কাছে

আপনার সন্তান শুধু বইয়ের পড়া শিখলেই মানুষ হবে না।
শিখতে হবে—
• শ্রদ্ধা
• শোনার অভ্যাস
• নিয়ম মেনে চলা
• অন্যকে বুঝতে পারা

এই জিনিসগুলো বাড়ি থেকে শুরু হয়। স্কুল শুধু সেটাকে গড়ে তোলে।

🔵আর আমার প্রিয় ছাত্রছাত্রীদের জন্য

তোমরা খারাপ না…
কিন্তু তোমাদের মনটা খুব অস্থির হয়ে গেছে।

একটু থামতে শিখো,
একটু শুনতে শিখো,
একটু চোখে চোখ রেখে কথা বলতে শিখো।

🔵শেষ কথা

শিক্ষকতা শুধু পেশা না—এটা একটা অনুভূতি।
কিন্তু সেই অনুভূতিটা যদি প্রতিদিন ভেঙে যায়,
তাহলে একসময় দাঁড়িয়ে ভাবতেই হয়—
“আমি কি সত্যিই পারছি?”

হয়তো এখন সময় এসেছে আমরা সবাই একটু থামি—
শিক্ষক, অভিভাবক, আর ছাত্রছাত্রী—
এবং নতুন করে ভাবি—
আমরা আসলে কোথায় যাচ্ছি…

Rahima Khanam Parul থেকে কপিকৃত
Monira Islam হতে কপিকৃত।

Photos from Online School "অনলাইন স্কুল"'s post 22/04/2026

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন !!!

04/04/2026

১৮ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রধান ও সহ প্রধান নিয়োগ এর মাধ্যমে বিদ্যালয়ের ডিজিটাল কার্যক্রম এর কবর রচনা করা হলো কিনা , ভেবে দেখার অনুরোধ রইলো মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের প্রতি !

26/03/2026
20/03/2026

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।

দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর এই পবিত্র ঈদ আমাদের জীবনে নিয়ে আসে সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ভ্রাতৃত্ববোধের মহিমান্বিত বার্তা। ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্ত হোক সকল ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হওয়ার এক নতুন প্রেরণা।

আসুন, এই ঈদে আমরা সবাই সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং ভালোবাসা ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে তুলি একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।
মহান আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা—এই পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের সবার জীবনে বয়ে আনুক অফুরান সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

15/03/2026

কোনোভাবে শিক্ষকদের হৃদয়ভাঙ্গা কথাগুলো সংসদে পৌঁছানোর এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করানো জরুরি, তিনি হয়তো বিষয়টা জানেনইনা, তিনি জানলে আশা করি আমাদের নিরাশ করবেননা। যদি কারো সুযোগ থাকে অবশ্যই পৌঁছাবেন, বেশি বেশি শেয়ার প্রচারের মাধ্যমেও তার দৃষ্টিতে নেওয়া সম্ভব।

* গত ফেব্রুয়ারিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহপ্রধান ( প্রধান শিক্ষক, সহপ্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার, সহসুপার) নিয়োগের জন্য এবারই প্রথম এনটিআরসিএ এর অধীনে সার্কুলার ছাড়ে।

যা এর আগে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ হতো।

সার্কুলারে পদ ভেদে অভিজ্ঞতা ১০ বছর, ১২ বছর, ১৫ বছর বা ১৭ বছর চাওয়া হয়। ২৬/০২/২৬ তারিখ আবেদনের শেষ তারিখ ছিল। বিভিন্ন পদের বিপরীতে মোট ৮৬ হাজার আবেদন পরেছে। ১৮ এপ্রিল সম্ভাব্য পরীক্ষার তারিখ নির্ধারন হয়েছে। সবাই প্রস্তুতি নিয়েছে।

হঠাৎ করে কোনো কারন ছাড়াই কয়েকদিন আগে নিয়োগ নীতিমালা সংশোধন করেছে। যেখানে সকল পদের জন্য অর্থাৎ প্রধান শিক্ষক, সহপ্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ সকলের জন্য অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করে ১৮ বছর করেছে।

যেহেতু আবেদনের পর নতুন শর্ত সকলের জন্য ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, সেহেতু ৮৬ হাজার আবেদনের প্রায় সবগুলোই বাতিল হয়ে যাচ্ছে।

তাহলে এই আবেদনকারীদের অপরাধ কি?
সবাই তো নীতিমালা দেখেই আবেদন করেছে।

নতুন কালো নীতিমালা বাতিল করে সকল আবেদনকারীকে পরীক্ষার সুযোগ দিতে হবে। মেধার প্রতিযোগিতায় নিয়োগ দিতে হবে।

যদি নীতিমালা পরিবর্তন করতে হয় তাহলে এই নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পর যা ইচ্ছে তাই পরিবর্তন করুক।
একেকজন আবেদনকারীর ফি, গাইড, প্রস্তুতি কোচিং, সহ নোট পিডিএফ সব মিলিয়ে ৮/১০ হাজার টাকা খরচ হয়ে গেছে।

নিয়োগ পরীক্ষার পূর্ব মুহূর্তে এসে সকল নিয়োগ পরীক্ষার্থীকে বঞ্চিত করে, শিক্ষকদের মানসিক আঘাত দেওয়া এই সরকারের কাছে মোটেও কাম্য নয়।

কোনো দলীয় লেজুরবৃত্তি নয়, আমরা মেধার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে, যোগ্যতা নিয়ে নিয়োগ পেতে চাই। কিন্তু কার পরামর্শে কান ভারি করে কিংবা কোনো কারন ছাড়াই মেধাবীদের পথ রোধ করে মাঝখানে আটকে দেওয়া হচ্ছে। যা এই সরকারের সুনাম নষ্ট করা সহ অন্যান্য ভাল কাজগুলোকে বিতর্কিত করার সুযোগ করে দিবে।

স্বাধীনতা পরবর্তী থেকে এখন পর্যন্ত কখনোও প্রতিষ্ঠান প্রধান সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছর অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়নি। ৮/১০/১২/১৫ বছর অভিজ্ঞতা চেয়েছে বিভিন্ন পদ ভেদে। তাহলে হঠাৎ কেন পরীক্ষার পূর্ব মুহূর্তে এই কালো সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদেরকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

15/03/2026

যেহেতু, প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বলেছেন শিক্ষাকে দলীয়করণ করা যাবে না, আর শিক্ষামন্ত্রী চাচ্ছেন দলীয়করণ করে নিজেদের লোক নিয়োগ দেওয়ার পায়তারা করে নীতিমালা চেঞ্জ করেছে।
তাই, অবিলম্বে এই নীতিমালা পুনরায় সংশোধন করতে হবে।
আমাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে....

বিস্তারিত.....
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষা কারো ব্যক্তিগত বা দলীয় বিষয় নয়, বরং এটি সবার মৌলিক অধিকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে সম্পূর্ণভাবে দলীয়করণের বাইরে রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন।
রবিবার (১৫ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিক্ষা দলীয়করণ নয়, এটা সবার অধিকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও শিক্ষাকে দলীয়করণের বাইরে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তার এটা নির্দ্বাধায় বলা যায়, শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে কোনো বৈষম্য হবে না।’

13/03/2026

📢 মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর নিকট খোলা চিঠি:
৮০ হাজার শিক্ষকের স্বপ্ন কি ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বেড়াজালে আটকে যাবে?

মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী মহোদয়,
আপনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হিসেবে এই খোলা চিঠি লিখছি।

আমরা জানি আপনি শিক্ষার মানোন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন, তাই আমাদের একটি দীর্ঘশ্বাস আপনার কান পর্যন্ত পৌঁছানো জরুরি মনে করছি।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান (প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ) ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্ব NTRCA-এর হাতে ন্যস্ত করার সিদ্ধান্তটি ছিল ঐতিহাসিক। এই স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে সারা দেশ থেকে প্রায় ৮০,০০০ (আশি হাজার) যোগ্য শিক্ষক আবেদন করেছেন। আমরা আশায় বুক বেঁধেছিলাম যে, এবার মেধার ভিত্তিতে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালীন বা বিজ্ঞপ্তি পরবর্তী সময়ে হঠাৎ করে অভিজ্ঞতার শর্ত বাড়িয়ে ১৮ বছর করার একটি প্রজ্ঞাপন আমাদের স্তম্ভিত করে দিয়েছে। বিগত এমপিও নীতিমালা (২০১৮ ও ২০২১) অনুযায়ী যেখানে ১০ থেকে ১২ বছরের অভিজ্ঞতায় এই পদগুলোতে আবেদনের সুযোগ ছিল, সেখানে হঠাৎ এই পরিবর্তন হাজার হাজার মেধাবী শিক্ষককে অযোগ্য ঘোষণা করেছে।

আমাদের কিছু যৌক্তিক প্রশ্ন:
১. নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর এবং হাজার হাজার শিক্ষক আবেদন করার পর মাঝপথে শর্ত পরিবর্তন করা কি প্রশাসনিকভাবে সংগতিপূর্ণ?
২. ১০-১৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষকরা কি প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অযোগ্য? আধুনিক ও ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থা গড়তে এই মধ্যম সারির অভিজ্ঞ শিক্ষকদের উদ্যম কি প্রয়োজন নেই?
৩. ১৮ বছরের এই কঠিন শর্তের ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানে যোগ্য প্রার্থী খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হবে, যা সরাসরি শিক্ষা কার্যক্রমকে ব্যাহত করবে না কি?

আমাদের আকুল আবেদন:
মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, ৮০ হাজার আবেদনকারীর ভবিষ্যৎ এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রশাসনিক গতিশীলতা বজায় রাখতে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার এই শর্তটি পুনর্বিবেচনা করুন। বিগত নীতিমালার আলোকে ১০-১২ বছরের অভিজ্ঞতা বহাল রেখে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

আমরা বিশ্বাস করি, আপনি মেধাবী ও বঞ্চিত শিক্ষকদের এই আর্তনাদ আমলে নেবেন এবং একটি ন্যায্য সমাধান দেবেন।

বিনীত,
মাসুদ ইউনুস
বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষক সমাজের পক্ষে
(৮ম NTRCA আবেদনকারী শিক্ষকবৃন্দ)।

11/03/2026

৭নং ও ৮নং গ্রেড, কোন যু্ক্তিতে ১৮ বছর?
একজন শিক্ষক ১৬ বছর চাকরি করার পর ৮নং গ্রেডে বেতন পান এবং তাঁর পদবি সিনিয়র শিক্ষক। তিনি যদি সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে পরীক্ষা দিতে চান তাহলে তার মোট অভিজ্ঞতা লাগবে ১৮ বছর। কিন্তু সহকারী প্রধান শিক্ষক পদের জন্য আলাদা কোনো বেতন গ্রেড নাই। সিনিয়র শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের বেতন গ্রেডে একই, মানে ০৮ নং গ্রেড। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক পদে পরীক্ষা দেয়ার জন্য সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে চাকরি করার কোনো অভিজ্ঞতাও দরকার নাই।
তাহলে যে পদের জন্য আলাদা বেতন স্কেলে নাই, প্রধান পদ পাওয়ার জন্য যে পদের কোনো অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই, সেই পদের জন্য শিক্ষকেরা পরীক্ষা দিবে কেন?

বয়সের ভারে নূজ:
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদের প্রবেশের জন্য বয়স সীমা ৩৫ বছর। সকল চেষ্টা শেষে অতি সম্মানের আসনে আসতে আসতে বয়স ৩৫ এর ১-২ মাস বাকি থাকে! যদি কেউ ৩৫ বছর শেষে এমপিওভুক্ত হোন তাহলে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা পূর্ণ হলে সে শিক্ষকের বয়স হবে ৫৩ বছর। ৫৩ বছর বয়সে একজন শিক্ষক প্রধান শিক্ষক হলে তাঁর দৈহিক, মানসিক, চিন্তা শক্তি আর কতটৃকৃ থাকবে? আবার মাস্টার মানুষ!
যুক্তি : এ যুগে প্রধান শিক্ষক পদ মানে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাস্তব দক্ষতা। একজন ৫৩-৫৪ বছরের শিক্ষকের কি সেই ধৈর্য্য ও দক্ষতা থাকবে? তিনি কি প্রতিষ্ঠান নিয়ে ভাববেন নাকি অবসরের চিন্তা করবেন?
অন্যদিকে যদি ৫৩ বছর বয়সেই সহকারী প্রধান শিক্ষক হওয়া লাগে তাহলে প্রধান শিক্ষক হবে কততম বয়সে?

অভিজ্ঞতা গণনায় যুক্তি নেই:
এমপিওভু্ক্ত শিক্ষকের প্রধান শিক্ষক হওয়ার খায়েশ থাকলে তাঁকে মোট ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে কেউ যদি ২০ বছরও চাকরি করেন কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই সরকার এমপিওভু্ক করলো না এবং এমপিওভুক্তির বয়স হলো ১০ বছর তাহলে বৈধ নিয়োগে শিক্ষকতা করলেও তাঁর মোট অভিজ্ঞতা গণনা বরা হবে মাত্র ১০ বছরই।

প্রথম জনবল কাঠামো নীতিমালা প্ররণয়ন হয়েছিল ১৯৯৫ সালে এবং সর্বশেষ ২০২৫ সালে।
চলুন পেছন থেকে অভিজ্ঞতা নিই।অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতা কোন নীতিমালায় কেমন ছিল?

জনবল কাঠামো-১৯৯৫
(২৪ অক্টোবর, ১৯৯৫ প্রকাশিত)
প্রধান শিক্ষক-১৫ বছর।
সহকারী প্রধান শিক্ষক- ১২ বছর।

এমপিও নীতিমালা-২০১০
(৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১০ প্রকাশিত)
প্রধান শিক্ষক-১২ বছর।
সহকারী প্রধান শিক্ষক- ১০ বছর।

এমপিও নীতিমালা-২০১৮
(১২ জুন, ২০১৮ প্রকাশিত)
প্রধান শিক্ষক-সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ সহকারী শিক্ষক পদে ১২ বছরে অভিজ্ঞতা।
সহকারী প্রধান শিক্ষক- ১০ বছর।

এমপিও নীতিমালা-২০২১
(২৮ মার্চ, ২০২১ প্রকাশিত)
প্রধান শিক্ষক-সহকারী প্রধান পদে ৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ ১৫ বছর।।
সহকারী প্রধান শিক্ষক- ১০ বছর।

এমপিও নীতিমালা-২০২৫
(৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ প্রকাশিত)
প্রধান শিক্ষক-সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে ৩ ববছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।
সহকারী প্রধান শিক্ষক- ১০ বছর।

৩১-৩২ বছরের ৫টি নীতিমালার ধারাবাহিকতার সাথে বর্তমানে সংশোধনীর(১১/০৩/২০২৬) কি কোনো মিল আছে?
বিগত কোনো নীতিমালায়ই। সহকারী প্রধান শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকের অভিজ্ঞতার বালাই এক ছিল না। এখন কোনো যুক্তি ভিন্ন দুটি বেতন গ্রেডের পদে অভিন্ন অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে?

মোহাম্মদ মহসিন মিয়া
শিক্ষক।

11/03/2026

একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য শুধু মেধা ও যোগ্যতা থাকলেই যথেষ্ট নয়, এর পাশাপাশি শারীরিক সক্ষমতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানের ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলো আরও বেশি প্রযোজ্য। কারণ একটি প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে দিকনির্দেশনা প্রদান এবং আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য উদ্যমী ও কর্মক্ষম নেতৃত্ব প্রয়োজন।
কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে বয়সের বিষয়টি বিবেচনা না করেই প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। ফলে প্রতিষ্ঠান চললেও তা আগের আমলের গরুর গাড়ির মতো ধীরগতিতে এগিয়ে চলে এবং কাঙ্ক্ষিত উন্নতি অর্জন করা সম্ভব হয় না।
এ কারণে সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবি—প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাবী, যোগ্য এবং উদীয়মান শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হোক, যাতে তারা নতুন চিন্তা-ভাবনা ও কর্মউদ্দীপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও উন্নত করতে পারেন।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অনেক শিক্ষক আছেন যারা বিভিন্ন কারণে দেরিতে এমপিওভুক্ত হয়েছেন বা বয়সের শেষ দিকে চাকরিতে প্রবেশ করেছেন। ফলে এমপিওভুক্ত হওয়ার পর তাদের পক্ষে ১৮ বছর চাকরির শর্ত পূরণ করা অনেক সময় সম্ভব হয় না। তাই সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ, এই বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করা হোক।
যদি এই শর্তে কিছুটা নমনীয়তা আনা হয়, তাহলে মেধাবী, দক্ষ এবং উদীয়মান শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান প্রধান বা সহকারী প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে। এর ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান উন্নয়ন হবে এবং শিক্ষাব্যবস্থা আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ হবে।
আমরা আশা করি, সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, যাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে ওঠে এবং দেশের শিক্ষার মান আরও উন্নত হয়।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Dhaka
1000