02/10/2014
JnU Mymensingh student welfare association
Help the students of Mymensingh who are reading in Jagannath University.
02/10/2014
July 10, JnU mymensingh zila will be arrange ramadan iftar party and new committee will be form that day.JnU all student of mymensingh must be attend and successful our iftar of the holy Ramadan. Please every person of mymensingh inform each other above information and promotional activities our organization work inform our mymensingh people.
হুমায়ূন আহমেদ স্যারের উক্তির মেগা কালেকশন .........
প্রয়োজন মনে করলে শেয়ার আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে সেইভ রাখুন
▬▬▬▬۩۞۩▬▬▬▬
“যখন মানুষের খুব প্রিয় কেউ তাকে অপছন্দ, অবহেলা কিংবা ঘৃণা করে তখন প্রথম প্রথম মানুষ খুব কষ্ট পায় এবং চায় যে সব ঠিক হয়ে যাক । কিছুদিন পর সে সেই প্রিয় ব্যক্তিকে ছাড়া থাকতে শিখে যায়। আর অনেকদিন পরে সে আগের চেয়েও অনেকবেশী খুশি থাকে যখন সে বুঝতে পারে যে কারো ভালবাসায় জীবনে অনেক কিছুই আসে যায় কিন্তু কারো অবহেলায় সত্যিই কিছু আসে যায় না।”
―
“মিথ্যা হলো শয়তানের বিয়ের মন্ত্র। মিথ্যা বললেই শয়তানের বিয়ে হয়। বিয়ে হওয়া মানেই সন্তান-সন্ততি হওয়া। একটা মিথ্যার পর আরো অনেকগুলি মিথ্যা বলতে হয় এই কারণেই।পরের মিথ্যাগুলি শয়তানের সন্তান।”
― এই মেঘ, রৌদ্র-ছায়া
“মানুষের স্বভাব হলো, কেউ যখন ভালোবাসে তখন নানান কর্মকাণ্ড করে সেই ভালোবাসা বাড়িয়ে দিতে ইচ্ছে করে, আবার কেউ যখন রেগে যায় তখন তার রাগটাও বাড়িয়ে দিতে ইচ্ছা করে।”
― , আঙ্গুল কাটা জগলু
“শিকল দিয়ে কাউকেই বেঁধে রাখা হয় না । তারপরেও সব মানুষই কোনও - না - কোনও সময় অনুভব করে তার হাত - পায়ে কঠিন শিকল । শিকল ভাঙতে গিয়ে সংসার - বিরাগী গভীর রাতে গৃহত্যাগ করে । ভাবে ,মুক্তি পাওয়া গেল । দশতলা বাড়ির ছাদ থেকে গৃহী মানুষ লাফিয়ে পরে ফুটপাতে । এরা ক্ষণিকের জন্য শিকল ভাঙার তৃপ্তি পায় ।”
― , মৃন্ময়ী
“বিবাহ এবং মৃত্যু এই দুই বিশেষ দিনে লতা-পাতা আত্মীয়দের দেখা যায়। সামাজিক মেলামেশা হয়। আন্তরিক আলাপ আলোচনা হয়।”
― একজন হিমু কয়েকটি ঝিঁ ঝিঁ পোকা
“কেও কারও মত হতে পারে না। সবাই হয় তার নিজের মত। তুমি হাজার চেষ্টা করেও তোমার চাচার বা বাবার মত হতে পারবে না। সব মানুষই আলাদা।”
― অপেক্ষা
“ভালবাসার মানুষের সাথে বিয়ে না হওয়াটাই বোধ হয় ভাল।বিয়ে হলে মানুষটা থাকে ভালবাসা থাকে না।আর যদি বিয়ে না হয় তাহলে হয়ত বা ভালবাসাটা থাকে,শুধু মানুষটাই থাকে না। মানুষ এবং ভালবাসা এই দুয়ের মধ্যে ভালবাসাই হয়ত বেশি প্রিয়।”
― কোথাও কেউ নেই
“হাসিতে খুব সহজেই মানুষকে চেনা যায় ।সব মানুষ একই ভঙ্গিতে কাঁদে কিন্তু হাসার সময় একেক জন একেক রকম করে হাসে”
― , ময়ূরাক্ষী
“বড় বোকামিগুলি বুদ্ধিমান মানুষরাই করে।”
― , আঙ্গুল কাটা জগলু
�
“যে মানব সন্তান ক্ষুদ্র কামনা জয় করতে পারে সে বৃহৎ কামনাও জয় করতে পারে।”
― দরজার ওপাশে
“দিনকাল পাল্টে গেছে, এখন আর মানুষ আগের মতো নাই।মওলানা ধরনের মানুষের দিকে এখন আর আগের মতো ভয়-মিশ্রিত শ্রদ্ধার চোখে কেউ তাকায় না। মওলানাও যে বিবেচনায় রাখার মতো একজন, কেউ তাও বোধহয় মনে করে না। ছল্টুফল্টু ভাবে।”
― এই মেঘ, রৌদ্র-ছায়া
“আমি কখনো অতিরিক্ত কিছুদিন বাঁচার জন্য সিগারেটের আনন্দ ছাড়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। আমি ভেবে রেখেছিলাম ডাক্তারকে বলব, আমি একজন লেখক। নিকোটিনের বিষে আমার শরীরের প্রতিটি কোষ অভ্যস্ত। তোমরা আমার চিকিৎসা করো, কিন্তু আমি সিগারেট ছাড়ব না। তাহলে কেন ছাড়লাম? পুত্র নিনিত হামাগুড়ি থেকে হাঁটা শিখেছে। বিষয়টা পুরোপুরি রপ্ত করতে পারেনি। দু-এক পা হেঁটেই ধুম করে পড়ে যায়। ব্যথা পেয়ে কাঁদে। একদিন বসে আছি। টিভিতে খবর দেখছি। হঠাৎ চোখ গেল নিনিতের দিকে। সে হামাগুড়ি পজিশন থেকে উঠে দাঁড়িয়েছে। হেঁটে হেঁটে এগিয়ে আসছে আমার দিকে। তার ছোট্ট শরীর টলমল করছে। যেকোনো সময় পড়ে যাবে এমন অবস্থা। আমি ডান হাত তার দিকে বাড়িয়ে দিতেই সে হাঁটা বাদ দিয়ে দৌড়ে হাতের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বিশ্বজয়ের ভঙ্গিতে হাসল। তখনই মনে হলো, এই ছেলেটির সঙ্গে আরও কিছুদিন আমার থাকা উচিত। সিগারেট ছাড়ার সিদ্ধান্ত সেই মুহূর্তেই নিয়ে নিলাম।”
―
“মেয়েদের অনেক গুণের মধ্যে বড় গুণ হলো এরা খুব সুন্দর করে চিঠি লিখতে পারে। কথাবার্তায় নিতান্ত এলোমেলো মেয়েও চিঠি লেখায় গোছানো। মেয়েদের চিঠিতে আরেকটা ব্যাপার থাকে - বিষাদময়তা। নিতান্ত আনন্দের সংবাদ দিয়ে লেখা চিঠির মধ্যেও তারা জানি কী করে সামান্য হলেও দুঃখ মিশিয়ে দেয়। কাজটা যে তারা ইচ্ছা করে করে তা না। প্রকৃতি তাদের চরিত্রে যে বিষাদময়তা দিয়ে রেখেছে তাই হয়তো চিঠিতে উঠে আসে।”
― সে আসে ধীরে
�
“চট করে কারো প্রেমে পড়ে যাওয়া কাজের কথা না। অতি রূপবতীদের কারও প্রেমে পড়তে নেই। অন্যেরা তাদের প্রেমে পড়বে, তা-ই নিয়ম।”
― দেয়াল
“বিপদ যখন আসে একটার পর একটা আসে। বিপদরা পাঁচ ভাইবোন। এদের মধ্যে খুব মিল। এই ভাইবোনরা কখনো একা কারো কাছে যায় না। প্রথম একজন যায়, তারপর তার অন্য ভাইবোনরা উপস্থিত হয়।”
― এই মেঘ, রৌদ্র-ছায়া
“প্রেমে পড়া মানে নির্ভরশীল হয়ে পড়া। তুমি যার প্রেমে পড়বে সে তোমার জগতের একটা বিরাট অংশ দখল করে নেবে। যদি কোনো কারণে সে তোমাকে ছেড়ে চলে যায় তবে সে তোমার জগতের ঐ বিরাট অংশটাও নিয়ে যাবে। তুমি হয়ে পড়বে শূণ্য জগতের বাসিন্দা”
― Humayun Ahmed
“হিমু কখনও জটিল পরিস্থিতিতে পড়ে না। ছোটখাট ঝামেলায় সে পড়ে। সেই সব ঝামেলা তাকে স্পর্শও করে না। সে অনেকটা হাসেঁর মত। ঝাড়া দিল গা থেকে ঝামেলা পানির মত ঝরে পড়ল।
আমার খুব শখ বড় রকমের ঝামলায় পড়লে সে কি করে। কাজেই হিমুর জন্য বড় ধরনের একটা সমস্যা আমি তৈরি করেছি। এবং খুব আগ্রহ নিয়ে তার কান্ড-কারখানা দেখেছি।”
― একজন হিমু কয়েকটি ঝিঁ ঝিঁ পোকা
“গল্প-উপন্যাস হলো অল্পবয়েসী মেয়েদের মাথা খারাপের মন্ত্র।”
― দেয়াল
“সঙ্গে সঙ্গে আমার মনে হলো, আসাদুল্লাহ সাহেবের নীলপদ্ম থিউরি ঠিক আছে. এই তরুণী তার সমস্ত নীলপদ্ম হিমু নামের এক ছেলের হাতে তুলে দিয়ে তীব্র কষ্ট ও যন্ত্রণার ভেতর বাস করছে। এই যন্ত্রণা, এই কষ্ট থেকে তার মুক্তি নেই.”
― হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম
“যে ভালোবাসা না চাইতে পাওয়া যায়, তার প্রতি কোনো মোহ থাকে না”
―
“মেয়েরা ভয়ঙ্কর দুর্যোগেও সাজ ঠিক রাখতে ভোলে না।”
― হিমুর আছে জল
“ঝর বৃষ্টির রাত হলেই এলিটা আমার সঙ্গে পক্খিমানবের সন্ধানে বের হয়.
মানব জাতির সমস্যা হচ্ছে তাকে কোনো না কোনো সন্ধানে জীবন কাটাতে হয়. অর্থের সন্ধান, বিত্তের সন্ধান, সুখের সন্ধান, ভালবাসার সন্ধান, ইশ্বরের সন্ধান।
আমি আর এলিটা সন্ধান করছি সামান্য পক্খিমানবের।”
― Humayun Ahmed, হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী
“ওর কিছু নিজস্ব বিচিত্র লজিক আছে। সে ঐ লজিকে চলে । অন্য কারো কথাই শোনেনা । আমার কথাও শুনবেনা ।”
― Humayun Ahmed, একজন মায়াবতী
“আমার সমস্যার কথা রুপাকে কি আমি বলতে পারি? আমি কি বলতে পারি - আমার বাবার স্বপ্ন সফল করার জন্য সারাদিন আমি পথে পথে ঘুরি। মহাপুরুষ হবার সাধনা করি. যখন খুব ক্লান্তি অনভব করি তখন একটি নদীর স্বপ্ন দেখি। যে নদীর জল ছুয়ে ছুয়ে এক জন তরুনি ছুটে চলে যায়. এক বার শুধু থমকে দাড়িয়ে তাকায় আমার দিকে। তার চোখে গভীর মায়া ও গাঢ় বিষাদ। এই তরুনীটি আমার মা. আমার বাবা যাকে হত্যা করেছিলেন।
এই সব কথা রুপাকে বলার কোনো অর্থ হয় না. বরং কোনো-কোনো দিন তরঙ্গিনী স্টোর থেকে টেলিফোন করে বলি - রুপা, তুমি কি এক্ষুনি নীল রঙের একটা সারি পরে তোমাদের ছাদে উঠে কার্নিশ ধরে নিচের দিকে তাকাবে? তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে। একটুখানি দাড়াও। আমি তোমাদের বাসার সামনের রাস্তা দিয়ে হেটে চলে যাব.
আমি জানি রুপা আমার কথা বিশাস করে না, তবুও যত্ন করে সারি পরে. চুল বাধে। চোখে কাজলের ছোয়া লাগিয়ে কার্নিশ ধরে দাড়ায়। সে অপেক্ষা করে. আমি কখনো যাই না.
আমাকে তো আর দশটা ছেলের মত হলে চলবে না. আমাকে হতে হবে অসাধরণ।আমি সারাদিন হাটি। আমার পথ শেষ হয় না. গন্তব্যহীন যে যাত্রা তার কোনো শেষ থাকার তো কথাও নয়.”
― Humayun Ahmed, ময়ূরাক্ষী
�
“আমার সঙ্গে কি আছে জানিস? পদ্ম। নীলপদ্ম। পাচটা নীলপদ্ম নিয়ে ঘুরছি। কি অপূর্ব পদ্ম। কাউকে দিতে পারছিনা। দেয়া সম্বব নয়. হিমুরা কাউকে নীলপদ্ম দিতে পারে না.”
― Humayun Ahmed, হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম
“কয়েক মুহুর্তের জন্যে আমার ভেতর এক ধরনের বেভ্রম তৈরী হল. মনে হল আমার আর হাটার প্রয়োজন নেই. মহাপুরুষ না, সাধারণ মানুষ হয়ে মমতাময়ী এই তরুনিতির পাশে এসে বসি. যে নীলপদ্ম হাতে নিয়ে জীবন শুরু করেছিলাম, সেই প্দ্ম্গুলি তার হাতে তুলে দেই. তারপরেই মনে হলো - এ আমি কি করতে যাচ্ছি! আমি হিমু - হিমালয়।”
― Humayun Ahmed, হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম
“হিমু ভাই!'
'বল'
'যাবার আগে আপনি কি বলে যাবেন আপনি কে?'
আমি বললাম, 'মারিয়া, আমি কেউ না. I am nobody.'
আমি আমার এক জীবনে অনেককে এই কথা বলেছি - কখনো আমার গলা ধরে যায়নি, বা চোখ ভিজে অঠেনি। দুটা ব্যাপারী এই প্রথম ঘটল.”
― Humayun Ahmed, হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম
“তুমি আমাকে যে চিটি লিখেছিলে আমি তার জবাব লিখে এনেছি। সাংকেতিক ভাষায় লিখে এনেছি।'
মারিয়া হাত বাড়াল। তার চোখে চাওয়া কৌতুক ঝকমক করছে। মনে হচ্ছে যে কোনো মুহুর্তে হে খিলখিল করে হেসে ফেলবে. যেন সে অনেক কষ্টে হাসি থামাচ্ছে।
'সাংকেতিক চিঠিটাই কি লেখা পড়তে পারছ?'
'পারছি। এখানে লেখা I hate you.'
'I Love you - ও তো হতে পারে।'
'সংকেতের ব্যাখ্যা সবাই তার নিজের মত করে করে, আমিও তাই করলাম। আপনার আটটা তারার অনেক মানে করা যাই, যেমন -
I want you.
I miss you.
I lost you.
আমি আমার পছন্দ মত একটা বেছে নিলাম।”
― Humayun Ahmed, হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম
“পৃথিবীতে অসংখ্য খারাপ মানুষ আছে, কিন্তু একজনও খারাপ বাবা নেই।”
― Humayun Ahmed
“চানসোনা জবাব দিলো না. যেভাবে বসেছিল সেভাবেই বসে রইল. কতকাল আগে এক শ্রাবণ মাসে তের বছরের চানসোনা এই গ্রামে এসেছিল্. লম্বা ঘোমটার ফাঁকে অবাক হয়ে দেখেছিল ভাটি অচ্ঞল. অজানা এই জায়গাটার জন্য কেমন এক ধরনের মমতা জন্মেছিল্. আজ এই মমতা বহুগুণে বেড়ে তাকে ভাসিয়ে নিতে চাইছে. এতটুকু মাত্র শরীর মানুষের এই মমতা সে কোথায় ধারণ করে?”
― Humayun Ahmed
“চাঁদের বিশালতা মানুষের মাঝেও আছে, চাঁদ এক জীবনে বারবার ফিরেআসে...ঠিক তেমন মানুষ প্রিয় বা অপ্রিয় যেই হোক,একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসে”
― Humayun Ahmed
“জোছনা দেখতে দেখতে, আমার হটাৎ মনে হলো, প্রকৃতির কাছে কিছু চাইতে নেই, কারণ প্রকৃতি মানুষের কোনো ইচ্ছাই অপূর্ণ রাখে না.”
― Humayun Ahmed, দরজার ওপাশে
আসলে দুই ধরনের মানুষ আছে। এক ধরনের মানুষ যারা কোনো কিছুতেই তৃপ্ত নয়। কিন্তু আমি খুব অল্পতেই তৃপ্ত। অতৃপ্তি ব্যাপারটা আমার মধ্যে নেই। আর যখন যে কাজটা করি সেটাতেই আমি সবচেয়ে বেশি তৃপ্ত হই। আমি যে ছবিটা বানালাম আমার কাছে মনে হয় এটাই আমার সেরা কাজ। সেরা বইয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটা নতুন কাজ আমার কাছে শ্রেষ্ঠ মনে হয়। আমার অতৃপ্তি নেই। মেবি আমি ক্রিয়েটিভ লোক না। কারণ শুনেছি ক্রিয়েটিভ লোকদের তৃপ্তি থাকতে হয় না, অতৃপ্তি থাকতে হয়।০০০০০০
বাংলা সাহিত্যে অনেক বড় বড় জাদুকর তৈরি হয়েছে। আমাকে বাংলা সাহিত্যের একজন দীন সেবক বলা যেতে পারে। সেবা করে যাচ্ছি। সেবা করার যে সুযোগটা পেয়েছি এতেই আমি খুশি। লোকজন আগ্রহ নিয়ে আমার বই পড়ছে, এটাই আমার জীবনের পরম প্রাপ্তি। আর কতটুকু দিতে পেরেছি না পেরেছি সেটি ভাববে সমালোচকরা, সমাজবিদরা। আমার কাজ হচ্ছে, শুধু লেখালেখি করা।
০০০০০০০০
আসলে সবাই আতঙ্কগ্রস্ত হয়। আমি চিন্তা করে দেখলাম আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে লাভ কী! আতঙ্কগ্রস্ত হলেও মরতে হবে, না হলেও মরতে হবে। তাই অতঙ্কগ্রস্ত না হয়ে মরাটাই ভালো না? আমি ও লাইনে গেছি। আর ভয় তো পেয়েছি বটেই। আমার দুইটা ছোট বাচ্চা। আমি যদি সামান্য ভয় পাই, তাহলে এরা এর চেয়ে অনেক বেশি ভয় পাবে। আমি তাদেরকে এই ভয়টা দেখাতে চাচ্ছি না। তাদের মনটাকে ছোট করে আমার কী লাভ? বরঞ্চ তারা যদি দেখে আই অ্যাম ভেরি স্ট্রং, তারাও এক ধরনের স্ট্রেংথ পায়। ভয় পাব না, এমন সাহসী মানুষ আমি নই।
০০০০০০
শেষ রিয়েলাইজেশন হচ্ছে ‘জীবন অনেক, অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার’। তারা শঙ্করের কবির মতো মাঝেমধ্যে আমার বলার ইচ্ছা করে, ‘জীবন এত ছোট ক্যানে?’ ওই যে একটু আগে বললাম, একটা কচ্ছপ কেন সাড়ে তিনশ বছর বাঁচে, মানুষ কেন বাঁচে না! জীবনটা আমার খুব ছোট মনে হয়।
০০০০০০০০
আমি মজা পাই। আবার দুঃখও পাই আরেক সেন্সে। আমাদের এখানে সাইকিয়াট্রিস্টরা অনেক ওয়ার্ড ব্যবহার করে। আর সেখানে একটি ওয়ার্ড আছে ‘হিমু’ ওয়ার্ড। তার মানে হিমু হইয়া পাগল হইয়া গেছে। আমার একবার যাইতে হইছিল ওদের কাছে। বাচ্চারা যারা হিমু হইয়া পাগল হইয়া গেছে তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য। ওদেরকে বুঝানোর জন্য যে, এতে পাগল হওয়ার কিছু নেই। আমি মনে খুবই কষ্ট পেলাম এদেরকে দেখে। এরা হিমু সেজে পাগল হয়ে বসা। আমি ওদেরকে বুঝাইয়া বলতে গেলাম, শোনো এই হিমুগুলি আমার লেখা। কাজেই আমি জানি, এটা ফিকশন। এটা গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার কিছু নেই। এরা আমার দিকে এমনভাবে তাকালো যেন আমি কিছু বুঝি না। কিছু জানি না।
তথ্যসূত্রঃ ইন্টেরনেটের বিভিন্ন সাইট ।
▬▬▬▬۩۞۩▬▬▬▬
এই পেইজের প্রত্যেক পোস্ট নিয়মিত আপনার ফেসবুক ওয়ালে পেতে চাইলে ...
কষ্ট আমাকে ফলো করে রাখুন ...
সালাম প্রদানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সব আদব – কায়দা ( Manners ) আপনার ও আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য খুব প্রয়োজনীয় একটা পোস্ট ............
* সালাম দাতা ও উত্তর দাতা উভয়ই সালাম উচ্চ স্বরে স্পষ্ট ভাবে দিবেন। যাতে করে উভয়ে শুনতে পান।
* এমন আস্তে সালাম দিবেন না যা শুনা যায় না আবার এও দেখা যায় যে, সালাম মুখে না বলে শুধু হাতের দ্বারা ইশারা করে বুঝাতে চায় যে, তিনি সালাম দিয়েছেন। এতে করে সালাম গ্রহীতা বিভ্রান্ত হন। তাই অনেক সময় সালামের উত্তর থেকে নিজেকে বিরত রাখেন। তখন হতে পারে সালাম দাতা মনে মনে রাগ করেছেন অথবা ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে খারাপ ধারণা পোষণ করেন। অপর দিকে যদি জবাব দাতা উচ্চ স্বরেও স্পষ্ট ভাবে জবাব না দেন তখনও সালাম দাতা ভুল ধারণা পোষণ করতে পারেন। আবার সালাম দাতা ও জবাব দাতা উভয় যদি এত বেশী উচ্চস্বর ব্যবহার করেন তখন তারা উভয় বিরক্ত বোধ করতে পারেন । অথবা উচ্চ আওয়াজের কারণে আশে পাশের লোক বিরক্ত বোধ করতে পারে বা তাদের কোন প্রকার ক্ষতি হতে পারে । এর কোনটাই ইসলাম ধর্ম সাপোর্ট বা পছন্দ করে না। কাজেই এহেন কাজ থেকে মুক্ত থাকা সকলের জন্য আবশ্যক।
* সালাম প্রদানের ক্ষেত্রে আরো একটি আদব হলো আগে সালাম দেয়ার চেষ্টা করা বা আগে সালাম দেয়ার জন্য প্রতিযোগিতা করা। অন্যে সালাম দিবে তার জন্য অপেক্ষা না করা । কারণ রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যিনি প্রথমে সালাম দেন তিনি আল্লাহর কাছে উত্তম ব্যক্তি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো আমরা অনেকেই সালাম পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করি অথবা অহংকার করে নিজেকে সালাম পাওয়ার অধিকারী বলে দাবী করে। যেমন অফিসের বসকে অধিনস্ত কর্মচারী সালাম দিবে। ছাত্র-শিক্ষককে দিবে, ভারাটিয়া বাড়ীর মালিককে সালাম দিবে, গরীব ধনীকে সালাম দিবে এটাই বর্তমানে আমাদের সমাজে সাধারণ চিত্র হিসেবে পরিগণিত। এ ধরনের অহংকার বোধ একজন মুসলমানের কখনই কাম্য হতে পারে না। মানুষ হিসাবে আল্লাহর কাছে সবাই সমান ।
* সালাম প্রদানের আর একটি আদব হলো ছোটরা বড়দের সালাম দিবে। চলমান বা দাড়ানো ব্যক্তি বসা লোককে সালাম দিবে। বাহনে চড়া ব্যক্তি পায়ে হেটে চলা ব্যক্তিকে সালাম দিবে। সংখ্যা লগিষ্ট দল সংখ্যা গরিষ্ট দলকে সালাম দিবে।
* সালাম প্রদানের আর একটি আদব হল সকল মুসলমান পরস্পরকে সালাম দিবে। চাই সে দেশী হউক কিংবা বিদেশী, শ্বেত হউক কিংবা কালো হউক, পরিচিত হউক অথবা অপরিচিত হউক, আত্মীয় হউক অথবা অনাত্মীয়।
* অনেক সময় আমাদের সমাজে দেখা যায় দাড়ি টুপি ও লম্বা জামাওলাকে মানুষ বেশী -বেশী সালাম দেয় । প্যান্ট, শার্ট পড়লে তেমন একটা সালাম দেয় না। অন্য দিকে আলেমগণ অনেক সময় মনে করে আমরাই সালামের হকদার তাই মানুষ আমাদেরকে সালাম দিবেন। এ সবই সালামের আদবের খেলাপ। এর মাধ্যমে মানুষের দাম্ভিকতা ও অহংকার বোধের পরিচয় মিলে। কারণ আল্লাহ পাক মানুষের চেহারা সুরাতের দিকে তাকান না বরং আল্লাহ পাক মানুষের অন্তর (কলব) ও আমলের দিকে তাকান।
* সালামের ব্যাপারে আমাদের সমাজে আর একটি ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়। তাহলো মহিলাদের মধ্যে পরস্পরে সালাম বিনিময় খুবই কম হয় । পক্ষান্তারে সালামের হুকুম পুরুষের জন্য যেমন মহিলাদের জন্যও তেমন।
তাছাড়া আমাদের মা বোনদের মাঝে অহংকার বোধ ও ইসলামের অনুশীলন সস্পর্কে উদাসীনতা অনেক ক্ষেত্রে বেশী অনুভূত হয়।
* সালামের শিষ্টাচার ও ভদ্রতার মধ্যে আর একটি হল আগন্তক ব্যক্তি যখন কোন বাড়ির দরজায় এসে সালাম দিয়ে প্রবেশের অনুমতি চাইবে তখন সে অবশ্যই দরজার ডান পার্শে¦ অথবা বাম পার্শে¦ দাড়াবে। সরাসরি দরজার সম্মুখে দাড়াবে না। যাতে করে অনাকাঙ্খিত কোন বস্তু যার দিকে নজর করা জায়েয নেই তার প্রতি নজর পরে যায়।
* সালাম প্রদানের ক্ষেত্রে আর একটি আদব হলো একই মজলিসে যদি জাগ্রত ও ঘুমন্ত লোক থাকে, তখন সালাম প্রদানকারী আস্তে স্বরে সালাম দিবেন ও সালামের উত্তর দাতাও আস্তে স্বরে জবাব দিবেন । যাতে করে ঘুমন্ত ব্যক্তির ঘুমের ব্যাঘাত না ঘটে।
* যাকে সালাম দিবে তিনি যদি বধির হন তবে ইশারায় সালাম দিবে।্
* সালামের সাথে মুসাফাহা (কর মর্ধন) করা ভাল। কারণ এর মাধ্যমে বিনয় ও নম্রতা প্রকাশ পায়। যার কারণে রাসূল (সাঃ) নিজে করেছেন এবং সাহাবাদের করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
* সালামের সাথে মোলাকাত অর্থাৎ কোলাকুলি বা বুকে বুক মেলানো যাবে। বিশেষ করে কেহ দীর্ঘ সফর থেকে আসলে কোলাকুলি করা ভাল তবে শরিয়া মোতাবেক।
* যে কোন মুসলমান সালাম প্রদান করিলে তার সালামের জবাব দিতে হবে। বিশেষ বিশেষ লোক বেচে সালামের জবাব দিবে না।
* কেহ বার বার সালাম দিলে জবাবও বারবার প্রদান করতে হবে। এ ব্যাপারে কোন প্রকার কৃপণতা বা বিরক্তি বোধ করা যাবে না।
* কারো মাধ্যমে যদি কেহ সালাম প্রেরণ করে, যেমন কেহ যদি এসে বলেন , অমুক ব্যক্তি আপনাকে সালাম জানিয়েছেন তখন এ ক্ষেত্রে সালামের উত্তর হবে ওয়ালাইহেস সালাম ওয়া রহমত “অর্থাৎ
তার ওপরেও আল্লাহর পক্ষ থেকে সালাম ও রহমত”
তথ্যসূত্রঃ ইন্টেরনেটের বিভিন্ন সাইট ।
▬▬▬▬۩۞۩▬▬▬▬
সুদ-কষা গাণিতিক সমস্যা সমাধানের বিভিন্ন (সংক্ষিপ্ত) নিয়মাবলী
মূলত সুদ কষা অংকের মাত্র দুইটি সূত্র দিয়েই সকল সমস্যার সমাধান করা যায়
(a) I= Crt/100.
(b) P= C (1+rt/100)
Here, I= Interest, C= Capital, r= rate of interest, t= time (in year) &
P= Capital+Interest
Details Formulas:
সূত্রঃ ১
যখন মুলধন অথবা আসল, সময় এবং সুদের হার সংক্রান্ত মান দেওয়া থাকলে তখন সূত্র হবে-
সুদ অথবা মুনাফা = (মুলধন x সময় x সুদের হার) / ১০০
অর্থাৎ, I=Crt/100, here, I= Interest, C= Capital, r= rate of interest, t= time (in year)
প্রশ্নঃ ১০% হারে সরল সুদে ৫০০ টাকার ৩ বছরের সুদ কত?
সমাধানঃ
সুতারং, I=Crt/100 অর্থাৎ, সুদ / মুনাফা = (৫০০ x ৩ x ১০) / ১০০ = ১৫০ টাকা
প্রশ্নঃ শতকরা বার্ষিক কত টাকা হার সুদে ৫ বছরের ৪০০ টাকার সুদ ১৪০ টাকা হবে?
সমাধানঃ
একইভাবে, I=Crt/100
Or, r= (I X 100)/ (C x t)
সুদের হার = (১৪০ x ১০০) / (৪০০ x ৫) = ৭ টাকা
প্রশ্নঃ শতকরা বার্ষিক ৪ টাকা হার সুদে কত টাকার ৬ বছরের সুদ ৮৪ টাকা হবে?
সমাধানঃ
একইভাবে, I=Crt/100, or, C= (100 x I)/(r x t)
সুতারং, মূলধন = (৮৪ x ১০০)/ (৬x ৪)= ৩৫০ টাকা
সূত্রঃ ২
যখন সুদ, মুলধন এবং সুদের হার দেওয়া থাকে তখন –
সময় = (সুদ x ১০০) / (মুলধন x সুদের হার)
অর্থাৎ, মূল সূত্র একটি মনে রাখলে সকল প্রশ্নের সমাধান করা সহজ।
I=Crt/100, here, I= Interest, C= Capital, r= rate of interest, t= time (in year)
Or, t = (100 X I)/ (C x r)
প্রশ্নঃ ৪% হারে কত সময়ে ৬০০ টাকার মুনাফা ১২০ টাকা হবে?
সমাধানঃ
t = (100 X I)/ (C x r)
অর্থাৎ, সময় = (১২০ x ১০০) / (৬০০ x ৪)= ৫ বছর
সূত্রঃ ৩
যখন সুদে মূলে গুণ হয় এবং সুদের হার উল্লেখ থাকে তখন –
সময় = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সুদের হার x ১০০
আমরা জানি, মূল সূত্র I=Crt/100, here, I= Interest, C= Capital, r= rate of interest, t= time (in year)
নতুন একটি টার্ম আসল-সুদ অথবা সুদাসল অথবা সুদে-মুলে= P টাকা
তাহলে, P= C+I= C +Crt/100
Or, P= C (1+rt/100)
এই সূত্র মনে থাকলেই যাবতীয় গাণিতিক সমস্যার সমাধান দেওয়া সম্ভব।
প্রশ্নঃ বার্ষিক শতকরা ৫ টাকা হার সুদে কোন মূলধন কত বছর পরে সুদে আসলে দ্বিগুণ হবে?
সমাধানঃ
সরাসরি করলে, সময় = (২– ১) /৫ x ১০০ = ২০ বছর
সূত্র প্রয়োগের ফলে, P= C (1+rt/100)
এখানে, P=2C, r=5, সুতারং, 2C=C (1+5 x t/100)
Or, 2= 1+ t/20, or, 1= t/20
Or, t= 20 yrs
সূত্রঃ ৪
যখন সুদে মূলে গুণ হয় এবং সময় উল্লেখ থাকে তখন
সুদের হার = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সময় x ১০০
প্রশ্নঃ সরল সুদের হার শতকরা কত টাকা হলে, যে কোন মূলধন ১০ বছরে সুদে আসলে তিনগুণ হবে?
সমাধানঃ
সরাসরি করলে, সুদের হার = (৩ – ১) / ১০ x ১০০ = ২০%
সূত্র প্রয়োগের ফলে, P= C (1+rt/100)
এখানে, P=3C, t=10, সুতারং, 3C=C (1+10 x r/100)
Or, 3= 1+ r/10, or, 2= r/10
Or, r= 20%
সূত্রঃ ৫
যখন দুটি আসল এবং দুটি সময়ের সুদ দেওয়া থাকে তখন –
সুদের হার = (মোট সুদ x ১০০)/ {(১ম মূলধন x ১ম সময়) + (২য় মূলধন x ২য় সময়) }
প্রশ্নঃ সরল হার সুদে ২০০ টাকার ৫ বছরের সুদ ও ৫০০ টাকার ৬ বছরের সুদ মোট ৩২০ টাকা হলে সুদের হার কত?
সমাধানঃ
সুদের হার = (৩২০x ১০০)/ {(২০০ x ৫) + (৫০০ x৬) } = ৮ টাকা
নতুনভাবে সূত্র মনে রাখতে না চাইলে প্রথম সূত্র প্রয়োগ করেও সমাধান করা যায়।
যেমন, সরল সুদের ক্ষেত্রে আমরা জানি, I=Crt/100
1st case, I1= C1 x r x t1/100= 200 X r X 5/100=1000r/100----(a)
2nd Case, I2= C2 x r x t2/100= 500 x r x 6/ 100=3000r/100----(b)
According to Question,
I1 + I2= 320
Or, 1000r/100 + 3000r/100= 320
Or, 4000r/100= 320
Or, 40r= 320
So, r= 8%
সূত্রঃ ৬
যখন সুদের হার, সময় এবং সুদে-মূলে উল্লেখ থাকে
মূলধন/আসল = (১০০ xসুদআসল) / {১০০ + (সময় x সুদের হার)}
এটি মূলত সূত্র ৩ এর সমস্যা। যেমন P= C (1+rt/100) সূত্রে মূলধন, সুদাসল, সুদের হার অথবা সময় যে কোন কিছু চাওয়া হতে পারে। সূত্রটি মনে রাখলেই সব সমস্যার সমাধান সহজতর হবে।
প্রশ্নঃ বার্ষিক ৮% সরল সুদে কত টাকা ৬ বছরের সুদে-আসলে ১০৩৬ টাকা হবে?
সমাধানঃ
সরাসরি, মূলধন/আসল = (১০০ x১০৩৬) / {১০০ + (৬ x ৪৮)} = ৭০০ টাকা
অথবা সূত্র প্রয়োগের মাধ্যমে P= C (1+rt/100)
এখানে P= 1036, r= 8, t= 6 সব দেওয়া আছে, বসিয়ে দেখুন কি আসে।
C= P/ (1+ rt/100)
সূত্রঃ ৭
যখন দুটি সুদের হার থাকে এবং সুদের হার ও আয় কমে যায় তখন,
আসল = হ্রাসকৃত আয় x ১০০ / {(১ম সুদের হার – ২য় সুদের হার) xসময়}
প্রশ্নঃ সুদের হার ৫% থেকে কমে ৪% হওয়ায় এক ব্যক্তির বাতসরিক আয় ১০ টাকা কমে গেল। তার আসলের পরিমাণ কত?
সমাধানঃ
আসল = ১০ x ১০০ / {(৫ – ৪) x১ = ১০০০ টাকা
প্রথম দর্শনে আপনি আপনার যে ইমেজ তৈরি করবেন তার উপরই নির্ভর করবে আপনার চলার পথ সুগম না দুর্গম হবে। কিভাবে আপনি প্রথম দর্শনের মাধ্যমে আপনার একটি ভালো ইমেজ তৈরি করতে পারেন, নিচে তার বিষয়ে বলা হল
ভাল পোশাক পরিধান করুন
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
আপনার বাহ্যিক দিকটিই সবার আগে অন্যদের চোখে পড়বে। যদি আপনার আউটলুক ঠিক না থাকে তাহলে মানুষজন আপনার ব্যাপারে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করবে। ভাল দেখার জন্য আপনাকে বেশি অর্থ খরচ করতে হবে তা কিন্তু নয়। প্রতিটি শহরেই কম খরচে নিজেকে সাজিয়ে নেওয়ার কোন না কোন ব্যবস্থা থাকে। তবে নিজেকে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে সময় ব্যয় করতে হবে। স্টাইলিশ হওয়ার জন্য আপনাকে নামী-দামি ব্র্যান্ডের পোশাক পরার প্রয়োজন নেই তবে আপনাকে বুঝতে হবে কোন জিনিসগুলো আপনাকে ভাল মানায়। সব ক্ষেত্রেই কোন না কোন লুক প্রয়োজনীয় আর আপনাকে সেই লুকে নিজেকে উপস্থাপন করতে হবে আপনি যে পদেই থাকুন না কেন। পায়ের জুতা থেকে শুরু করে মাথার চুল পর্যন্ত সবকিছুতে রুচিবোধ ফুটিয়ে তুললে অন্যরা আপনাকে লক্ষ্য করবে এবং সেই সাথে সম্মান করবে।
আপ টু ডেট থাকুন
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
দুনিয়ায় কী ঘটছে তা জেনে নেওয়া এখন অনেক সহজ। আপনি যদি দুনিয়া সম্পর্কে জ্ঞান না রাখেন তাহলে অন্যরা আপনাকে অজ্ঞ ভাববে। সবাই ব্যস্ত থাকে এটাই স্বাভাবিক, তবে যারা একটু সময় নিয়ে সাম্প্রতিক বিষয় সম্পর্কে জানা থেকে ব্যর্থ তাদেরকে ধরে নেওয়া হয় যে তারা সমসাময়িক ঘটনাবলী নিয়ে কেয়ার করে না। তবে এই অবস্থা থেকে সহজে উত্তরণ সম্ভব। আপনার ওয়েব ব্রাউজারের একটি ট্যাবে যেকোন খবরের ওয়েবসাইট খোলা রাখুন। যখনই সময় পান, তখনই তাতে চোখ বুলিয়ে নিন। ১০-১৫ মিনিট সময় নিয়ে একবার খবরাখবঅরে চোখ বুলিয়ে নিলেই যথেষ্ট। দুনিয়ার খবরাখবর জানা থাকলে আপনি অন্যদের সাথে কথা বলার সময় পছন্দের বিষয়ে আলাপ চালিয়ে নিতে পারবেন।
ব্যবহার শিখু্ন
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
উপযুক্ত ব্যবহার সংস্কৃতি অনুযায়ী পরিবর্তনশীল, তাই আপনি যেখানেই যান না কেন সঠিক ব্যবহার জেনে নেওয়া আবশ্যক। শুরু থেকেই আপনি যদি সম্মান, বিনয় এবং সৌজন্যতাবোধ প্রদর্শন করে থাকেন, তাহলে অন্যদের চোখে আপনার একটা বিশেষত্ব তৈরি হবে। সাধারণ ব্যবহার – যেমন দৃঢ়ভাবে হাত মেলানো, প্লীজ এবং থ্যাং ইউ বলা, প্রবেশ ও যাওয়ার সময় অনুমতি চেয়ে নেওয়া – অন্যদের মনে আপনার ব্যাপারে ইতিবাচক ধারণা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
ভাষা রপ্ত করুন
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
সোশ্যাল মিডিয়া আর ইমেইলের দরুন আজকাল লেখার মাধ্যমেই প্রথম পরিচয় বেশি হয়ে থাকে। কারো কারো জন্য এটি সুবিধাজনক তবে তা সবার জন্য নয়। অনেকের ভাষাগত দক্ষতা ভাল না থাকায় প্রথম দর্শনে তাদের কথা শোনা বা পড়া অন্যদের কাছে বিরক্তি সৃষ্টি করতে পারে। প্রথম পরিচয়ে সবাই আপনার কাছ থেকে ভাল ও ভদ্র ভাষাই আশা করে। াপনার ভাষাগত দক্ষতা বাড়িয়ে নিন। লেখা এবং কথা বলার আগে ভেবে নিন আপনি কী বলতে চাইছেন।
বেশি বেশি পড়ুন
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
যে শিখতে পছন্দ করে তাকে অন্য সবাই সমীহ করে। যারা স্মার্ট তারা চায় তাদের থেকেও স্মার্ট কারো সান্নিধ্য পেতে। বই পড়ে অনেক কিছু জানা যায় আর এখন বই ছাড়াও আরো অনেক শেখার সরঞ্জাম রয়েছে। কারো সাথে নতুন ধারণা বিনিময় করা আনন্দের খোরাক যোগায়। প্রতি মাসেই যেকোন নতুন বই বা আর্টিকেল পড়ার চেষ্টা করুন। এরপর যারা আগ্রহী তাদের সাথে তথ্য আদান প্রদান করুন। এভাবে আপনি নিজেকে শাণিত করবেন এবং অন্যরাও আপনার জ্ঞানের ভান্ডার দেখে অভিভূত হবে।
অন্যদের প্রতি মনযোগ দিন
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অন্যদের সাথে প্রথম বার কথা বলার আগে তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করে নিন। জানার চেষ্টা করুন তারা কেমন মানুষ। তারপর সেই অনুযায়ী তাদের সাথে মেশার চেষ্টা করুন। এছাড়াও অন্যদের সাথে কথা বলার সময় তাদের বক্তব্যের প্রতি গুরুত্ব দিন এবং তারা যা জানতে চায় তার সঠিক উত্তর দিন।
আপনার অনলাইন উপস্থিতি উপযুক্ত করে তুলুন
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে যদি কারো সাথে আপনার পরিচয় না হয়ে থাকে, তাহলে অনলাইনে পরিচয় হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। আপনার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার পূর্বে অন্যরা আপনার ওয়েবসাইট, লিংকড ইন বা ফেইসবুক প্রোফাইল দেখে নেবে। যদি তারা অনলাইনে আপনার ব্যাপারে ভুল বা পুরনো তথ্য পায়, বা আপনার বিব্রতকর কোন ছবি বা পোস্ট দেখে নেয় তাহলে শুরু থেকেই তারা আপনার ব্যাপারে অত ভাল ধারণা লাও রাখতে পারে। বর্তমান সময়ে সবকিছুই আপ টু ডেট রাখতে হয় আর তাই অনলাইনে আপনার তথ্য হালনাগাদ করে নিন এবং সবকিছু যথাসম্ভব সঠিকভাবে তুলে ধরুন।
তথ্যসূত্রঃ ইন্টেরনেটের বিভিন্ন সাইট ।
JnU mymensingh zilla students association has called second annual convention on 25-06-2014 at old business studies building in first floor at 1.00 pm . New committee will be form in this meeting .Every member must present this meeting and inform other students who study in jagannath university.
Md. Sikandar Ali
বাংলাদেশের সংবিধান(Constitution-of-Bangladesh) এর বাংলা বই [পঞ্চম সংশোধনী] + বাংলাদেশের সংবিধানের এন্ড্রয়েড আপস + বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য সংবিধান মনে রাখার কিছু উপায় (শর্টকাট মেথড)...
বিসিএস (প্রিলি + লিখিত), ব্যাংক জব , যে কোন ভর্তি বা জব পরীক্ষা ও যে কোন জবের ভাইবার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ...
শেয়ার আপনার ও আপনার বন্ধুর প্রয়োজনেই করুন কারন এই পোস্ট বর্তমানে ও ভবিষ্যতে আপনার দরকার হবে ...।।
▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬
বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। এটি একটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান দলিল। আমাদের দেশের সংবিধান মূলত লিখিত ধরনের সংবিধান।১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এই সংবিধান প্রণীত হয়, এবং একই সালের ১৬ই ডিসেম্বর হতে এটি কার্যকর হয়।
আমাদের অনেকেরই বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা নেই।
কিন্তু দেশের এই সংবিধান সম্পর্কে সকলেরই ধারনা থাকা উচিত ...
দেশের একজন নাগরিক হিসাবে এইটা আমদের কর্তব্য...
বাংলাদেশের সংবিধানের বাংলা ই-বুকঃ [পঞ্চম সংশোধনী সহ]
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
মোট বই দুইটাঃ
পড়ার সুবিধার্থে দুইটাই জিপ করে দিয়ে দিলাম
মোট সাইজঃ ৩ এমবি
সরাসরি ডাউনলোড লিঙ্কঃ
http://sourceforge.net/projects/tanbir/files/Update/Constitution-of-Bangladesh.zip/download
বাংলাদেশের সংবিধানের এন্ড্রয়েড আপসঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
সাইজঃ ১এমবি
ডাউনলোড লিঙ্কঃ
http://sourceforge.net/projects/tanbir/files/Update/Bangladesh%20Constitution%20%28Bangla%29%20%5Bfb-tanbir.cox%5D.apk/download
বাংলাদেশ সংবিধানের অনলাইন লিংকঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
http://bdlaws.minlaw.gov.bd/bangla_pdf_part.php?id=957
▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬
সংবিধান _ মনে রাখার কিছু উপায় ও শর্টকাট টেকনিক
▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬
☼ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আপনার করনীয়ঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
১। প্রথমেই সংবিধান প্রনয়ন সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য মনে রাখুন যেমন-কবে সংবিধান প্রনয়ন কমিটি গঠন করা হয়, কতজন সদস্য ছিলেন, একমাত্র মহিলা সদস্যের নাম, তখনকার আইনমন্ত্রী এবং সংবিধান প্রনয়ন কমিটির সভাপতি, কতটি মীটিং করেছিলেন তারা, কতদিন লেগেছিল সংবিধান প্রনয়ন করতে, কবে এটি কার্যকর হয়, কে এতে সাক্ষর করেন নি ইত্যাদি। এই তথ্য গুলো আপনি রচনামূলক বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে ব্যবহার করতে পারবেন।
২। এরপর জেনে নিন সংবিধানের ভাগ গুলো এবং এই ভাগের মধ্যকার অনুচ্ছেদ গুলো। যেমন-
প্রথম ভাগ- প্রজাতন্ত্র (অনুচ্ছেদ- ১ থেকে ৭)
দ্বিতীয় ভাগ- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (অনুচ্ছেদ- ৮ থেকে ২৫)
এইভাবে আপনি ১১টি ভাগের অনুচ্ছেদগুলো মনে রাখুন। এই তথ্য গুলো আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। কোন কারনে যদি ভুলে যান, সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ এ কি আছে তখন কমপক্ষে ধারনা করতে পারবেন কোন ভাগে এটি পড়েছে।
৩। এরপর প্রত্যেক অনুচ্ছেদ এর শিরোনাম গুলো মুখস্ত করুন।
৪। এরপর অনুচ্ছেদ গুলো ভালভাবে পড়ুন। বার বার পড়ুন। কোন বন্ধুর সাথে আলাপ করুন “বলতো আইনের দৃষ্টিতে সমতা এটি কোন অনুচ্ছেদ এ আছে?” প্রথম বার না পারলেও সমস্যা নেই। আস্তে আস্তে দেখবেন আপনি ঠিকই বলতে পারছেন।
৫। নিজে নিজে একাকী মনে করার চেষ্টা করুন কোন অনুচ্ছেদ এ কি আছে। ভুলে গেলে ভাববেন না সব শেষ। বরং চিন্তা করবেন আরো ভালো ভাবে পড়তে হবে!! সব সময় হাতের কাছে পকেট এডিশনের সংবিধান সাথে রাখুন। গল্পের বই (!!!!!!) মনে করে পড়ুন।।
কী পড়তে হবে- এই বিষয়ে অনেক কিছু বললাম। এই বার আসি মূল আলোচনায়।
আমি হুবহু মুখস্ত করার জন্য প্রথমেই বলব প্রস্তাবনাটাকে। কারন এই প্রস্তাবনা অনেক বার সংশোধিত হয়েছে। আবার, সংবিধান নিয়ে প্রশ্ন আসলে চেষ্টা করবেন ভূমিকা হিসেবে কোটেশন আকারে এটি ব্যবহার করতে। যেহেতু মুখস্ত করেছেন সেহেতু কোটেশন হিসেবে দেয়ার সময় অবশ্যই নীল রঙের কালি ব্যবহার করবেন। পরীক্ষক কে বুঝান যে সংবিধান টা আপনি পড়েছেন বেশ ভালো (!!!) করে।
☼ তো চলুন মুখস্ত করে ফেলি-
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
“আমরা, বাংলাদেশের জনগন, ১৯৭১ খ্রীস্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষনা করিয়া জাতীয় মুক্তির (স্বাধীনতা) জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের (যুদ্ধের) মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি”
[আগ্রহী পাঠকগন হয়ত খেয়াল করবেন আমি বন্ধনীর মধ্যে ২টি শব্দ ব্যবহার করেছি। কারন সংবিধান সংশোধন করে এই শব্দ গুলো একবার যোগ হয়েছে ও একবার প্রতিস্থাপিত হয়েছে]
☼ আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগনকে জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের (স্বাধীনতার) জন্য যুদ্ধে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রানোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল সর্বশক্তিমান আল্লাহের উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্র অর্থাৎ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিচারের সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে। [আমার কাছে এই মুহূর্তে ১৫তম সংশোধনীর পরের সংবিধান টা নাই বলে আগ্রহী পাঠকরা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে এটা ঠিক করে নিবেন। এই রকম হবার কথা- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা-সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে।]
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
সংবিধানের ১১টি ভাগ মনে রাখার উপায়ঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
☼ প্র রা মৌ নি আ বি নি ম বাং জ সং বি
আসুন, মিলিয়ে নেই-
১। প্র- প্রজাতন্ত্র
২। রা-রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
৩। মৌ- মৌলিক অধিকার
৪। নি- নির্বাহী বিভাগ
৫। আ- আইন সভা
৬। বি- বিচার বিভাগ
৭। নি- নির্বাচন
৮। ম- মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
৯। বাং- বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
৯ক। জ- জরুরী বিধানাবলী
১০। সং-সংবিধান সংশোধন
১১। বি- বিবিধ
চলুন, এইবার আলাদা ভাবে অনুচ্ছেদ গুলোর দিকে দৃষ্টি দেই।
☼ অনুচ্ছেদ ১-১২
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ১-১২ মোটামুটি এমনি মনে থাকে। এই অনুচ্ছেদ গুলোর মধ্যে গুরুত্তপূর্ন অনুচ্ছেদ গুলো হল-
২- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা
২ক- রাষ্ট্রধর্ম ( মনে রাখবেন কোন সংশোধনীর মাধ্যমে এটি হয়েছে)
৪ক- প্রতিকৃতি (১৫ তম সংশোধনীতে পরিবর্তন হয়েছে এখানে)
৬- নাগরিকত্ব
৭- সংবিধানের প্রাধান্য
৮- মূলনীতিসমূহ ( সংবিধান সংশোধন হয়েছে এইখানে)
৯- স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান সমূহের উন্নয়ন ( সংবিধান সংশোধন হয়েছে এইখানে)
১০- জাতীয় জীবনে মহিলাদের অংশগ্রহন
১১- গনতন্ত্র
১২- ধর্মনিরপেক্ষতা ( সংবিধান সংশোধন হয়েছে এইখানে)
☼ অনুচ্ছেদ ১৩-২৫
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ১৩ থেকে অনুচ্ছেদ ২৫ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ মালি কৃষককে মৌ গ্রামে নিয়ে গিয়ে অবৈতনিক জনস্বাস্থ্যের জন্য সুযোগের সমতা সৃষ্টি করে। এতে অধিকার ও কর্তব্য রূপে নাগরিকরা নির্বাহী বিভাগ থেকে জাতীয় সংস্কৃতি ও জাতীয় স্মৃতি নিদর্শনের জন্য আন্তর্জাতিক শান্তির অংশীদার হলেন।
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
১৩-মালি- মালিকানার নীতি
১৪-কৃষক- কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
১৫- মৌ- মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
১৬- গ্রাম- গ্রামীন উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব
১৭- অবৈতনিক- অবৈতনিক ও বাধ্যতা মূলক শিক্ষা
১৮। জনস্বাস্থ্য- জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
১৯। সুযোগের সমতা- সুযোগের সমতা
২০- অধিকার ও কর্তব্য রূপে- অধিকার ও কর্তব্য রূপে কর্ম
২১- নাগরিক- নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
২২- নির্বাহী বিভাগ থেকে- নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরন
২৩- জাতীয় সংস্কৃতি- জাতীয় সংস্কৃতি
২৪- জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন -জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি
২৫-আন্তর্জাতিক শান্তি- আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন
এইখানে একটি কথা বলতেই হবে। যদি পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি গুলো সংবিধানের আলোকে আলোচনা করুন অনেকেই শুধু অনুচ্ছেদ-৮ এর “মূলনীতি সমূহ” দিয়ে আসে। মনে রাখতে হবে দ্বিতীয় ভাগে বর্নিত অনুচ্ছেদ- ৮ থেকে অনুচ্ছেদ-২৫ সব –ই রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি। অনুচ্ছেদ ৮ এ বর্নিত “মূলনীতি সমূহ” আসলে সংবিধানের মূলনীতি যা প্রস্তাবনায় বলা আছে। আরেকটি কথা এখানে বলব ঝেহেতু এই প্রশ্নটির উত্তর অনেক বড় হবে সেহেতু, আপনি অনুচ্ছেদ ৮ এ বর্নিত মূলনীতি সমূহ একটু বেশী আলোচনা করে অন্য অনুচ্ছেদ গুলো শুধু নাম লিখে ১ /২ লাইনের মধ্যে লেখা শেষ করবেন। সময়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। একটি ভালো পারেন দেখে শুধু সেই প্রশ্নের উত্তর অনেক বড় করে দিবেন, সেটা করলে দেখবেন আপনি সব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার মতো পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছেন না। আর যাদের হাতের লেখা একটু স্লো, তাদের তো এটা আরো ভাল করে মনে রাখতে হবে।
☼ অনুচ্ছেদ- ২৬ থেকে ৩১
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে অনুচ্ছেদ ৩১ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ মৌলিক অধিকার আইনের দৃষ্টিতে ধর্ম , সরকারী নিয়োগ ও বিদেশী খেতাব গ্রহনে সকলের আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার রয়েছে
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
২৬-মৌলিক অধিকার- মৌলিক অধিকারের সহিত অসামঞ্জস্য আইন বাতিল
২৭-আইনের দৃষ্টিতে - আইনের দৃষ্টিতে সমতা
২৮- ধর্ম- ধর্ম প্রভৃতি কারনে বৈষম্য
২৯- সরকারী নিয়োগ- সরকারী নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা
৩০- বিদেশী খেতাব গ্রহনে- বিদেশী খেতাব প্রভৃতি গ্রহন নিষিদ্ধকরন
৩১। আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার - আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার
☼ অনুচ্ছেদ- ৩২ থেকে ৩৫
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৩২ থেকে অনুচ্ছেদ ৩৫ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ জীবনে ১বার গ্রেপ্তার হলে জবরদস্তি বিচার হয়
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৩২-জীবনে- জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ
৩৩-গ্রেপ্তার – গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ
৩৪- জবরদস্তি- জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধকরন
৩৫- বিচার- বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ
৩০- বিদেশী খেতাব গ্রহনে- বিদেশী খেতাব প্রভৃতি গ্রহন নিষিদ্ধকরন
৩১। আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার - আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার
☼ অনুচ্ছেদ- ৩৬ থেকে ৩৯
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৩৬ থেকে অনুচ্ছেদ ৩৯ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ চসমা সংবা(দ)ক
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৩৬-চ-চলাফেরার স্বাধীনতা
৩৭-সমা – সমাবেশের স্বাধীনতা
৩৮- সং- সংগঠনের স্বাদহীনটা
৩৯- বাদ(ক)- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতা
☼ অনুচ্ছেদ- ৪০ থেকে ৪৩
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৪০ থেকে অনুচ্ছেদ ৪৩ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ পেধসগৃ
চলুন দেখি ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৪০-পে-পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
৪১-ধ – ধর্মীয় স্বাধীনতা
৪২- স- সম্পত্তির অধিকার
৪৩- গৃ- গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ
☼ অনুচ্ছেদ- ৪৮ থেকে ৫৪
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৪৮ থেকে অনুচ্ছেদ ৫৪ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ রাষ্ট্রপতি তার ক্ষমার মেয়াদে দায়মুক্তি পেতে অভিসংশন ও অপসারনের ক্ষমতা স্পীকার কে দিলেন।
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৪৮-রাষ্ট্রপতি -রাষ্ট্রপতি
৪৯-ক্ষমার –ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
৫০- মেয়াদে- রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ
৫১- দায়মুক্তি- রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি
৫২-অভিসংশন –রাষ্ট্রপতির অভিসংশন
৫৩-অপসারনের – অসামর্থ্যের কারনে রাষ্ট্রপতির অপসারন
৫৪- স্পীকার- অনুপস্থিতি প্রভৃতির কালে রাষ্ট্রপতি পদে স্পীকার
☼ অনুচ্ছেদ- ৫৫ থেকে ৫৮
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৫৫ থেকে অনুচ্ছেদ ৫৮ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিগণ প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ ঠিক করেন।
চলুন দেখি ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৫৫-মন্ত্রিসভায়- মন্ত্রিসভা
৫৬-মন্ত্রিগণ- মন্ত্রিগণ
৫৭- প্রধানমন্ত্রী- প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ
৫৮-অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ- অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ
☼ অনুচ্ছেদ- ৬৫ থেকে ৭৯
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৬৫ থেকে অনুচ্ছেদ ৭৯ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ সংসদ সদস্যগন শুন্য পারিশ্রমিকে অর্থদন্ড ও পদত্যাগের কারনে দ্বৈত অধিবেশেনে ভাষনের অধিকার স্পীকার কে দিলেন। কিন্তু কোরাম না থাকায় স্থায়ী কমিটি ন্যায়পাল নিয়োগে বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি পেতে সচিবালয় গঠন করেন।
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৬৫-সংসদ –সংসদ প্রতিষ্ঠা
৬৬-সদস্যগন –সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা
৬৭- শুন্য- সদস্যদের আসন শুন্য হওয়া
৬৮- পারিশ্রমিকে- সংসদ সদস্যদের পারিশ্রমিক প্রভৃতি
৬৯-অর্থদন্ড– শপথ গ্রহনের পূর্বে আসন গ্রহন বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদন্ড
৭০-পদত্যাগের কারনে – পদত্যাগ ইত্যাদি কারনে আসন শূন্য হওয়া
৭১- দ্বৈত- দ্বৈত সদস্যতায় বাঁধা
৭২-অধিবেশেনে –সংসদের অধিবেশেন
৭৩-ভাষনের –সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী
৭৩ক-অধিকার- সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার
৭৪- স্পীকার- স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার
৭৫-কোরাম– কার্যপ্রনালী বিধি, কোরাম প্রভৃতি
৭৬-স্থায়ী কমিটি – সংসদের স্থায়ী কমিটি সমূহ
৭৭- ন্যায়পাল- ন্যায়পাল
৭৮-সচিবালয়- সচিবালয়
এতক্ষন ধরে পড়ার পর যারা চিন্তা করছেন এই কবিতাই তো মনে থাকবে না, তাদের জন্য বলছি আর কোন কবিতা বা ছন্দ আমি তৈরি করি নি!!! কিন্তু তারপরেও আমি বলব, আরো বেশ কিছু অনুচ্ছেদ আপনাদের নিজেদের প্রয়োজনে পড়তেই হবে। সেগুলো হলঃ
§ অনুচ্ছেদ-৪৬- দায়মুক্তি বিধানের ক্ষমতা
§ অনুচ্ছেদ-৬৩- যুদ্ধ
§ অনুচ্ছেদ- ৬৪- অ্যাটনী জেনারেল
§ অনুচ্ছেদ- ৮১- টীকা হিসেবে অনেকবার এসেছে, টীকা হিসেবে তাই খুব ই গুরুত্বপূর্ণ
§ অনুচ্ছেদ-৮৩-অধ্যাদেশ প্রনয়নের ক্ষমতা
§ অনুচ্ছেদ- ১১৭-প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল
§ অনুচ্ছেদ- ১২২-ভোটার তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
§ অনুচ্ছেদ-১৪১ ক, খ, গ- জরুরী অবস্থা
§ অনুচ্ছেদ- ১৪২-সংবিধান সংশোধন
§ ১৪৫ক- আন্তর্জাতিক চুক্তি
§ ১৪৮- পদের শপথ
ইন্টারনেট হতে সংগ্রহীত
▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬
এইরকম অসংখ্য শিক্ষণীয় ও কম্পিউটার বিষয়ক বাংলা বই একসাথে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন ...
http://tanbircox.blogspot.com/2013/07/My-DVD-Collection-4-U.html
জাস্ট সংগ্রহে রেখে দিন ...আপনার ও আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাজে লাগবে
▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬
[ ফাইল ওপেন জাতীয় সকল সমস্যার সমাধান]
▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬
জিপ ও রার ফাইল ওপেন
▬▬▬▬۩۞۩▬▬▬▬
কম্পিউটারের জন্যঃ
▬▬▬▬▬▬▬
zip & rar file extract 5.0 beta 6 (x64) .exe
Download Link:
http://www.solidfiles.com/d/0c6a71a42a/
অথাবা
http://www46.zippyshare.com/v/59677769/file.html
zip & rar file extract 5.0 beta 6 (x86) 32 .exe
Download Link:
http://www.solidfiles.com/d/34a26c1278/
অথাবা
http://www71.zippyshare.com/v/95337306/file.html
এন্ড্রোয়েড মোবাইল
▬▬▬▬▬▬▬
Easy Unrar Unzip .apk
Download Link:
http://www.solidfiles.com/d/948d09746f/
অথাবা
http://www13.zippyshare.com/v/31274353/file.html
▬▬▬▬۩۞۩▬▬▬▬
ভালো লাগলে আপনাদের কষ্ট করে কমেন্ট করা লাগবে না ...
আপনারা লাইক বা শেয়ার দিলেই আমি বুঝব যে এই ধরনের বইগুলো আপনাদের ভাল লাগছে ...
তাছাড়া আপনার সামান্য একটা লাইক বা শেয়ারের ফলে আপনার ফ্রেন্ড সার্কেলের কোন কোন ফ্রেন্ডের অনেক উপকারে আসতে পারে ...
সে হয়তো অনেক দিন ধরে এই ধরনের বই খুজতে ছিল ...
আপনার মাধ্যমে তা পেয়ে গেল
আশা করি আপনারা শেয়ার করে আপনার ফেসবুক বন্ধুদের উপকার করবেন ...
▬▬▬▬۩۞۩▬▬▬▬
সীমিত ইন্টারনেট প্যাকেজের ও নেটের স্লো স্পিড়ের জন্য যারা এই ফাইল গুলো অথাবা আমার অন্যান্য ফাইল ডাউনলোড করতে পারছেন না ...!
অথবা যারা ব্যস্তাতার জন্য ডাউনলোড করার সময় পাচ্ছেন না……
অথবা এতগুলো ফাইল একটা একটা করে ডাউনলোড করতে যাদের বিরক্তিকর মনে হয় …
তারা নিচের লিংকে দেখুন …আশা করি আপনারা আপনাদের সমাধান পেয়ে যাবেন......
https://www.facebook.com/notes/জিরো-গ্রাভিটি/complete-solution-of-your-computer-all-genuine-windows-xclusive-software-bangla-/10152049959232103
অথাবা এক মেগাবাইটের এই বইটি ডাউনলোড করে দেখুন ...
http://sourceforge.net/projects/tanbir/files/Complete%20Computer%20Solutions%20%28Just%20read%20it%20once%29.pdf/download
http://sourceforge.net/projects/tanbir/files/Update/Constitution-of-Bangladesh.zip/download PK G VDH1ۙ|: �þ D Constitution-of-Bangladesh 2014[Songbidhan] (5m Songsodoni soho).pdfì|\SÉ·¿ Aì(VÐkC!·H€Š$@ $˜„&* ¢®ŠQ×.²ØÀ†ŠŠ ¨(*öŠØ{Wà›¹I •Ýu÷½ÿoßÿ}vùÌN¹gΜ9gæ{Ï™¹¦×H;{sÌ‚j®ßkÝ®cW›ëcŠÈLJ4×8Pà.Øú«ü¥ò ÁHÿ ±ÁÁãÑ_qò‘G¨ [¹4"L&a;R!+T±ô¶i„B$VýÖ®BP)–©qä*’+b„|ÕÏÒ²úñH…D¦ªõœ¯×&.WÔ¦P7¨I¾ã[{ȶC•BÇ~ ß“«‡ùF...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Sadar Ghat
Dhaka