St.Patrick's Grammar School- Rahul Gomez.

St.Patrick's Grammar School- Rahul Gomez. St. Patrick's Grammar School , Established in 1967. Still it is running .

Alexander Rozario and Helen Rozario they are the founder principal and Headmistress of this renowned School.

16/09/2026

Annual Prize-Giving Ceremony ❤
Video: Sneha Rosario
(Eldest daughter of Alexander Rosario and Helen Rozario)
Restoration, colorization, and editing: Rahul Gomez (Eldest grandson)

04/09/2026

আমাদের স্কুলের সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাত্র-ছাত্রীদের সহ সকল'কে জানাই "শুভ জন্মাষ্টমী'র শুভেচ্ছা" 💝💐🙏🌼🌌💙

২০১০ সালে ছবিটা তোলা, তবে ২০০১ সাল থেকে এই দু'জন প্রেমিক বন্ধু, তারা ইতিহাসের পাতায় নাম লিখে গিয়েছে। মগবাজারের সেই চেনা ...
04/09/2026

২০১০ সালে ছবিটা তোলা, তবে ২০০১ সাল থেকে এই দু'জন প্রেমিক বন্ধু, তারা ইতিহাসের পাতায় নাম লিখে গিয়েছে। মগবাজারের সেই চেনা অলিগলি, বিকেলের নরম রোদ আর সেন্ট প্যাট্রিক্সের প্রাঙ্গণ—সবকিছু যেন আজও এক সোনালী স্মৃতির ফ্রেমে বাঁধা। সেই দিনগুলোর প্রাণভোমরা ছিল দুই নাম: লিও ও জয়। বন্ধুত্বের সংজ্ঞা যদি কোথাও নিখাদ মায়ায় লেখা হয়ে থাকে, তবে তা ছিল এই দুজনের অমায়িক হাসিতে আর দরদভরা মনের পরশে।
তারা শুধু সহপাঠী বা পথচলার সাথী ছিল না; সেন্ট প্যাট্রিক্সের প্রতিটি কোণে তারা ছড়িয়ে দিয়েছিল নিঃস্বার্থ ভালোবাসার এক অনন্য সুরভী। তাদের খুনসুটি, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলা আর যে কাউকে আপন করে নেওয়ার সহজাত ক্ষমতা পুরো ক্যাম্পাসকে মুখরিত রাখত এক অদ্ভুত আনন্দের উচ্ছ্বাসে। বন্ধুত্ব যে স্বার্থের অনেক ঊর্ধ্বে দাঁড়িয়ে আজীবন মানুষের হৃদয়ে দাগ কেটে যেতে পারে, লিও আর জয় ছিল তারই জীবন্ত প্রমাণ।
সময় নদীর স্রোতের মতো বয়ে গেছে, বদলে গেছে মগবাজারের পরিচিত দৃশ্যপট। আজ যখন সেই ফেলে আসা দিনগুলোর কথা মনে পড়ে, বুক চিরে শুধু দীর্ঘশ্বাস নামে—আহা অতীত! সেন্ট প্যাট্রিক্সের সেই উৎসবমুখর দুপুরগুলো আজ কেবলই শূন্যতায় ভরা এক নীরব হাহাকার। স্মৃতিগুলো যেমন মিষ্টি, তেমনি বুকের ভেতর এক গভীর বেদনার মেঘ জমিয়ে চোখ ভিজিয়ে দেয়।
মানুষ চলে যায়, দিন ফুরিয়ে যায়, কিন্তু নিখাদ ভালোবাসার সৌরভ কখনো ম্লান হয় না। ২০১০-এর সেই মায়াবী মগবাজারে লিও আর জয়ের বোনা বন্ধুত্বের গল্প আজও মানুষের হৃদয়ের গহীনে এক চিরসবুজ আখ্যান হয়ে বেঁচে আছে—অমলিন, চিরভাস্বর।

"যখন বাটনযুক্ত মুঠোফোনের দুনিয়াটা ছিলো তখন স্কুল জীবনে ছিলো যেন এক নতুন স্বপ্ন, তখন এই ৩০০ টাকার গ্রামীণ সিম কার্ডটি ছিল...
23/08/2026

"যখন বাটনযুক্ত মুঠোফোনের দুনিয়াটা ছিলো তখন স্কুল জীবনে ছিলো যেন এক নতুন স্বপ্ন, তখন এই ৩০০ টাকার গ্রামীণ সিম কার্ডটি ছিল তারুণ্যের প্রথম পছন্দ। আর সেই সোনালী দশকে সেন্ট প্যাট্রিক্সের প্রতিটি ভবন মুখরিত থাকত হাজারো শিক্ষার্থীর প্রাণচাঞ্চল্যে।
সময়ের পালাবদলে প্রযুক্তির রূপ বদলালেও, ৩০০ টাকার এই কার্ডটির সাথে জড়িয়ে আছে আমাদের সেন্ট প্যাট্রিক্সের ভরা যৌবনের এক সোনালী অতীত ও অমলিন স্মৃতি..."
ঐ সময়ে কোন ব্যাচগুলো আমাদের ছাত্র ছাত্রী ছিলো? তারা হাত তুলে জানাও আর কমেন্টে লিখে নিজেদের আবেগ অনুভূতি প্রকাশ করবে অবশ্যই !

যখন বাংলাদেশের বাজারে গ্রামীণফোনের সিমের যাত্রা শুরু হলো, তখন এই ৩০০ টাকার সিম কার্ডটি কেবল যোগাযোগের মাধ্যম ছিল না, বরং এটি ছিল এক দারুণ উন্মাদনা ও জনপ্রিয়তার প্রতীক। ঠিক সেই সোনালী সময়ে সেন্ট প্যাট্রিক্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের আঙিনাও ছিল প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর। হাজারো শিক্ষার্থী আর তাদের উচ্ছ্বাসে মুখরিত থাকত এই প্রিয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি ভবন।

২০০০ বা তার আশপাশের দশকগুলোতে—যখন আজকের মতো এত আধুনিক ফোনের ছড়াছড়ি বা আকর্ষণীয় অফার ছিল না—তখন যোগাযোগের এই মাধ্যমটিই ছিল আমাদের তরুণ প্রজন্মের এক অন্যতম ভরসা। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই ৩০০ টাকার গ্রামীণ সিম কার্ডটির কদর ছিল সবার ওপরে।

আজকের ব্যস্ত যান্ত্রিকতার ভিড়ে সেই দিনগুলো হারিয়ে গেলেও, ৩০০ টাকার এই সিম কার্ডটির সাথে সেন্ট প্যাট্রিক্সের সোনালী অতীত, তারুণ্যের উচ্ছ্বাস আর এক বুক নস্টালজিয়া ও গভীর আবেগ ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।
সেন্ট প্যাট্রিক্স ইতিহাস - ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ !

প্রিয় সেন্ট প্যাট্রিক্সের ছাত্র-ছাত্রীগণ ❤ কখনও কি আমরা ভেবে দেখেছি, যদি আমাদের প্রিয় দিলু মামা বাংলা কমিক্সের পাতার একজ...
04/08/2026

প্রিয় সেন্ট প্যাট্রিক্সের ছাত্র-ছাত্রীগণ ❤

কখনও কি আমরা ভেবে দেখেছি, যদি আমাদের প্রিয় দিলু মামা বাংলা কমিক্সের পাতার একজন নায়ক হয়ে উঠতেন, তাহলে কেমন হতো? আজ Artificial Intelligence-এর সৃজনশীল ভুবনে তিনি যেন সত্যিই এক কমিক্স নায়ক হয়ে আমাদের সামনে হাজির হয়েছেন!

আমাদের নব্বই দশকের ছেলে-মেয়েদের কাছে বাংলা কমিক্স ছিল শৈশবের এক অন্যরকম ভালোবাসা। তখন হাতে মোবাইল ছিল না, ইন্টারনেট ছিল না, আধুনিক প্রযুক্তির এত আয়োজনও ছিল না; তবু আমাদের কল্পনার জগৎ ছিল অনেক বড়। আমরা অনুভব করতাম গল্পকে, চরিত্রকে, হাসিকে, সরল আনন্দকে।

আমাদের শৈশব রঙিন হয়ে উঠেছিল নন্টে-ফন্টে, হাঁদা-ভোঁদা, আর গুরু পদ্মশ্রী প্রাণের কালজয়ী সৃষ্টি চাচা চৌধুরী, বিল্লু, পিংকী, শ্রীমতীজি, রমনসহ অসংখ্য দুর্দান্ত কমিক্স চরিত্রের মাধ্যমে। সেইসব চরিত্র শুধু বিনোদন দেয়নি, আমাদের কল্পনা, হাসি, সরলতা আর শৈশবের নির্মল আনন্দকে আজও বাঁচিয়ে রেখেছে।

কমিক্সের পাতাগুলো তখন শুধু গল্পের বই ছিল না; ছিল কল্পনার দরজা, সাহসের পাঠশালা এবং আনন্দে ভরা এক ছোট্ট পৃথিবী। আজ দিলু মামাকে সেই পাতার নায়ক হিসেবে দেখে মনে হচ্ছে, হারিয়ে যাওয়া শৈশব যেন আবার রঙিন হয়ে আমাদের সামনে দাঁড়িয়েছে।
সময় বদলায়, বয়স বাড়ে—কিন্তু শৈশবের সেই প্রিয় নায়করা আমাদের হৃদয়ে কখনো পুরোনো হয় না।

আজ দিলু মামাকে কমিক্সের নায়ক হিসেবে ভাবতে গিয়ে তাই মনে হয়, আমাদের শৈশব যেন আবার একবার ফিরে এসেছে—পুরনো দিনের সেই কাগজের পাতায়, রঙিন ছবিতে, আর মনভরা হাসির ভুবনে।
শুভসকাল সকল'কে 🥰😍💙💚💛

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সেন্ট প্যাট্রিক্সের-এর দল হয়ে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে পারছি—এটাই আমাদের জন্য এক অসাধারণ সৌভা...
19/07/2026

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সেন্ট প্যাট্রিক্সের-এর দল হয়ে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে পারছি—এটাই আমাদের জন্য এক অসাধারণ সৌভাগ্য। ফুটবলপ্রেম, পরিবার আর আবেগে ভরা এই রাত যেন আজীবন স্মৃতিতে থেকে যায় !
Vamos এর সেই সেন্ট প্যাট্রিক্স কালজয়ী অফিস ঘরের Argentina! 💙🤍💙
স্বপ্ন, আবেগ আর ভালোবাসার নাম—আর্জেন্টিনা। 🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷🇦🇷🏆🇦🇷

সেদিন সেমিফাইনালের খেলা দেখতে দেখতে আমরা যেন হারিয়ে গিয়েছিলাম বাংলাদেশের জনপ্রিয় সেন্ট প্যাট্রিক্সের গৌরবময় ঐতিহ্যের ভেত...
17/07/2026

সেদিন সেমিফাইনালের খেলা দেখতে দেখতে আমরা যেন হারিয়ে গিয়েছিলাম বাংলাদেশের জনপ্রিয় সেন্ট প্যাট্রিক্সের গৌরবময় ঐতিহ্যের ভেতর। ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার সেই স্মৃতি আজও আমার কাছে এক অসাধারণ আনন্দের অধ্যায়।
ফিফা বিশ্বকাপ এলেই আমরা বারবার ফিরে যাই ম্যারাডোনা আর রোনালদোর স্মৃতিতে। তাদের ফুটবল, তাদের জাদু—সবকিছুই যেন আজও আমাদের মনে জীবন্ত হয়ে আছে।
সেদিন ১৫ই, জুলাই, ২০২৬ সালে গভীর রাতে দিলু মামা'র সাথে ছিলো তার প্রিয় আদরের ভাগিনারা — লালন, রাহুল ও অভি— আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের খেলা উপভোগ করেছিলো, সেন্ট প্যাট্রিক্সের সেই পুরোনো অফিসঘরে, একটি ছোট্ট টেলিভিশনের সামনে বসে আমরা যেন শুধু আর্জেন্টিনার খেলা দেখছিলাম না; দেখছিলাম আমাদের অতীত, আমাদের স্মৃতি এবং ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য আবেগ।
মেসিকে দেখলে বারবার মনে পড়ে ম্যারাডোনার কথা। যেন মেসির মাঝেই ফিরে আসে ম্যারাডোনার সেই চিরচেনা জাদু।
ফুটবল আমাদের একত্রিত করুক, স্মৃতিগুলো চিরকাল বেঁচে থাকুক—আর সেন্ট প্যাট্রিক্সের জয় হোক সবসময়।—

Address

140 Bara Moghbazer
Dhaka
1217.

Telephone

+8801911404737

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when St.Patrick's Grammar School- Rahul Gomez. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to St.Patrick's Grammar School- Rahul Gomez.:

Shortcuts

Share