Innovation Explorer

Innovation Explorer

Share

This page is defined as searching innovation of universe where any kinds of good newness activities could be included as well educational tutorial

30/11/2024

What's your openion about Iskon?

Ten Unknown Facts About

1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was founded in 1916 in Munich, Germany, initially producing aircraft engines. The company transitioned to motorcycle production in the 1920s and eventually to automobiles in the 1930s.

2. Iconic Logo: The BMW logo, often referred to as the "roundel," consists of a black ring intersecting with four quadrants of blue and white. It represents the company's origins in aviation, with the blue and white symbolizing a spinning propeller against a clear blue sky.

3. Innovation in Technology: BMW is renowned for its innovations in automotive technology. It introduced the world's first electric car, the BMW i3, in 2013, and has been a leader in developing advanced driving assistance systems (ADAS) and hybrid powertrains.

4. Performance and Motorsport Heritage: BMW has a strong heritage in motorsport, particularly in touring car and Formula 1 racing. The brand's M division produces high-performance variants of their regular models, known for their precision engineering and exhilarating driving dynamics.

5. Global Presence: BMW is a global automotive Company

6. Luxury and Design: BMW is synonymous with luxury and distinctive design, crafting vehicles that blend elegance with cutting-edge technology and comfort.

7. Sustainable Practices: BMW has committed to sustainability, incorporating eco-friendly materials and manufacturing processes into its vehicles, as well as advancing electric vehicle technology with models like the BMW i4 and iX.

8. Global Manufacturing: BMW operates numerous production facilities worldwide, including in Germany, the United States, China, and other countries, ensuring a global reach and localized production.

9. Brand Portfolio: In addition to its renowned BMW brand, the company also owns MINI and Rolls-Royce, catering to a diverse range of automotive tastes and luxurys Cultural



10. Cultural Impact: BMW's vehicles often become cultural icons, featured

28/11/2024
Photos from Innovation Explorer's post 28/11/2024
07/11/2016

ফেসবুকে অ্যাড দেয়ার ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

ফেসবুক হচ্ছে অনলাইনে ব্যবসায় প্রচার করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম। বাংলাদেশের প্রায় ২+ কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে। বর্তমান এ নতুন কোন পণ্য বা তথ্য পৌঁছে দেয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে ফেসবুক। খুব দ্রুত এবং খুব সহজেই ফেসবুকে প্রচারণা সম্ভব ।

যেকোন ছোট বা বড় ব্যবসায় তাদের প্রচারের জন্য এখন ফেসবুককে বড় একটি প্লাটফর্ম হিসেবে বেছে নিচ্ছে। ফেসবুক ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে অল্প খরচে ব্যবসায় সম্পর্কিত যেকোন তথ্য টার্গেটেড কাস্টমারদের কাছে পৌছে দেয়া যায়। যেমন আপনি যদি চান কোন নির্দিষ্ট এলাকার নির্দিষ্ট বয়সের মানুষের কাছে আপনার অ্যাড পৌছে দিতে তা দেয়া সম্ভব। শুধু তাই নয়, টার্গেট টা আরো নিখুঁত সম্ভব , যেমন – আপনি এমন কাউকে টার্গেট করতে চাচ্ছেন যিনি iPhone user (বুজতেই পারছেন টার্গেট অনেক নিখুঁত করা সম্ভব)। এই বিষয়গুলো সম্পর্কে ভালো ধারনা রাখলে একটি লাভজনক অ্যাড ক্যাম্পেইন করা সম্ভব। তবে অ্যাড থেকে ভালো রেজাল্ট পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে প্রোফেশনাল অ্যাড তৈরি করতে হবে।

কিভাবে একটি কার্যকরী লাভজনক ফেসবুক অ্যাড তৈরি করতে হয় তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এখন কথা বলবোঃ

১। উদ্দেশ্যকে জানাঃ

আপনি যখনি ফেসবুকে কোন একটি অ্যাড দিতে যাবেন আপনাকে অবশ্যই অ্যাড ক্যাম্পেইন এর নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নির্ধারন করতে হবে। উদ্দেশ্য বলতে বোঝানো হয়, আপনি কি কারণে ফেসবুকে অ্যাড দিতে চাচ্ছেন, সেই বিষয়ে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে । যেমন – আপনি কি আপনার ফেসবুক ব্যবসায়িক পেজ এর জন্য অ্যাড দিতে চান নাকি আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য অ্যাড দিতে চান, আপনি শুধু ব্রান্ড পরচিতির জন্য অ্যাড দিতে চান নাকি লাইক বৃদ্ধির জন্য অ্যাড দিতে চান ইত্যাদি।

ফেসবুকে অ্যাড দেয়ার ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় -

২। আপনার মার্কেটকে জানুনঃ

আপনি যদি আপনার মার্কেটকে খুব ভালো ভাবে জানতে পারেন তাহলে আপনি একটি ভালো অ্যাড ক্যাম্পেইন তৈরি করতে পারবেন। ভালো এবং লাভজনক ক্যাম্পেইন তৈরি করতে আপনাকে অবশ্যই কিছু বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা থাকতে হবে। যেমনঃ

>> কাস্টমারদের বয়স।

>> কাস্টমার ছেলে না মেয়ে?

>> তারা কোথায় বসবাস করে?

>> তারা কি সিঙ্গেল নাকি কোন সম্পর্কে আবদ্ধ?

>> তাদের পছন্দ-অপছন্দ।

>> তারা কিভাবে ফেসবুক ব্যবহার করে থাকে?

>> তারা কিভাবে আপনার পণ্যকে গ্রহণ করতে পছন্দ করতে পারে ইত্যাদি ।

ফেসবুকে অ্যাড দেয়ার ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

এই বিষয়গুলি সম্পর্কে আপনি যত ভালো জানতে পারবেন আপনার অ্যাড ক্যাম্পেইন তত ভালো হবে এবং লাভজনক হওয়ার সম্ভবনা বৃদ্ধি পাবে। এই তথ্যগুলো না জেনে অনেকে অ্যাড ক্যাম্পেইন তৈরি করে এবং সেই অ্যাড ক্যাম্পেইন থেকে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পায় না।

৩। শিরোনাম বা হেডলাইনঃ

একটি ভালো ক্যাম্পেইনের অবশ্যই আকর্ষনীয় শিরোনাম বা হেডলাইন থাকতে হবে। এই শিরোনাম একজন কাস্টমারকে আপনার অ্যাড এর দিকে মনোযোগী হতে অনেক সাহায্য করে। তাই সবসময় শিরোনামটি এমন হওয়া উচিত যেন কোন একটি বিশেষ বিষয় সম্পর্কে একটা ধারনা পাওয়া যায়।তবে ২৫ অক্ষর এর বেশি শিরোনাম লেখা যাবে না। হেডলাইন লেখার ক্ষেত্রে যে বিষয় গুলো সম্পর্কে লিখতে পারেন তা হলঃ

>> আপনার মার্কেট যা চায়।

>> কিভাবে সমস্যার সমাধান করা যায়।

>> কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

>> বিশেষ আকর্ষনীয় কিছু শব্দ যেমনঃ ফ্রী, প্রমানিত, শর্টকাট, গোপন, শব্দগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

>> একটি নাম্বার যুক্ত করে দিতে পারেন। যেমন – সুস্থ্য থাকার ১০টি পদ্ধতি ইত্যাদি।

ফেসবুকে অ্যাড দেয়ার ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় -

৪। কন্টেন্টঃ

কন্টেন্ট একটি অ্যাড এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই আপনাকে কন্টেন্ট লেখার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। সবাই প্রথম অ্যাড দেখার পড়ে সেই অ্যাড এর কন্টেন্ট পড়ে। কারণ কন্টেন্ট পড়েই জানা যায় অ্যাডটি কি সম্পর্কে দেয়া হয়েছে। কন্টেন্টটি অবশ্যই প্রাসঙ্গিক হতে হবে। কন্টেন্টে লেখার ক্ষেত্রে যে বিষয় গুলোর দিকে গুরুত্ব দিতে হবে তা হচ্ছে –

>> আপনি কি অফার করছেন?

>> আপনার পণ্য বা সেবার সাথে কি আপনার অ্যাড মিল রয়েছে কি না?

>> কাস্টমার কেন ক্লিক করবে?

>> ক্লিক করতে আগ্রহ তৈরি করে এমন call-to-action দেয়া হয়েছে কি না?

৫। ছবিঃ

একটি ফেসবুক অ্যাড এর সফলতা অনেকটাই ছবির উপর নির্ভর করে। যদি আপনার অ্যাড এর ছবিটি আকর্ষনীয়, সহজে চোখে পড়ে এবং যারা অ্যাড দেখে তাদের কে ক্লিক করতে প্রলোভিত করে তাহলে আপনি ক্লিক বেশি পাবেন যা আপনার পণ্য বিক্রয়ে অনেক সাহায্য করবে।

অ্যাড এর জন্য একটি ছবি নির্বাচন করতে যা যা বিবেচনা করতে হয় তা হল –

>> এটা কি মনোযোগ আকর্ষন করবে?

>> ছবিটি তথ্য বহুল কিনা?

>> এটা কি সত্যি আপনার অফারকে তুলে ধরছে কি না?

>> কোন বিশেষ মূল্য থাকলে তাকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে কি না ডিজাইন এর মধ্যে ?

মনে রাখবেন, ছবির মধ্যে ২০% এর বেশি লেখা থাকলে আপনি ভালো রেসপন্স পাবেন না ।

ফেসবুক অ্যাড হচ্ছে একটি বিনিয়োগ। সুতরাং আপনাকে বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই কোথায় করছেন, কিভাবে করছেন তা সম্পর্কে সব ধারনা থাকতে হবে। তাহলে আপনি আপনার বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত পাবেন। তাই এই বিষয় গুলো বিবেচনায় রেখে ফেসবুক অ্যাড তৈরি করতে হবে। তাহলেই সেই অ্যাড অনেক কার্যকরী হবে এবং আপনার জন্য লাভজনক হবে।

Dev Skill - Online Contest Platform for software developers 16/10/2016

সফটওয়্যার ডেভেলপাররা যে কমন ভুলগুলো করে থাকেন
BY MD. JALAL UDDIN · OCTOBER 15, 2016

আমাদের দেশের বেশিরভাগ সফটওয়্যার কোম্পানিতে আমরা বিদেশি ক্রেতাদের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করে থাকি। এই কাজটি করতে গিয়ে আমাদের প্রতিনিয়ত ক্লায়েন্ট এর সাথে যোগাযোগ করতে হয়। এই যোগাযোগের দক্ষতা অনেক সময় সফলতা ও ব্যার্থতার মদ্ধে পার্থক্য করে দিতে পারে। অভিজ্ঞতা এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই নতুনদের জন্য আমার নিজের পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে কিছু জিনিষ শেয়ার করছি যাতে কিছু কমন ভুল আমরা এড়িয়ে চলতে পারি-

১) ক্লায়েন্ট যদি কোন লিংক বা ক্রেডেনশিয়াল (লগ ইন ইউজার নেম/ পাসওয়ার্ড) দেয় (ইমেইল অথবা চ্যাট এ) তা তৎক্ষণাৎ পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে যে সেটা কাজ করছে।

বেশ কয়েকবার আমি নিজে এবং আমার বিভিন্ন টিম মেম্বার এই ঝামেলায় পরেছে। দেখা যায় ক্লায়েন্ট আর আমাদের টাইম জোন ভিন্ন। আমরা যখন কাজ করি তখন ক্লায়েন্টের জন্য রাত, আর আমাদের যখন রাত তখন তাদের দিন। কাজেই ক্লায়েন্টের সাথে আমাদের যোগাযোগের জন্য অল্প কমন সময় থাকে। সাধারণত ক্লায়েন্ট আমাদের যখন নতুন কোন জরুরি লিংক বা লগ ইন তথ্য পাঠায় আমরা তখন কোডিং করতে ব্যাস্ত, মনে হয় যে হাতের কাজটা শেষ করে নেই, তারপর চেক করে দেখা যাবে। আসলে আমরা ধরেই নেই যে ক্লায়েন্ট যখন পাঠিয়েছে তখন সেটা কি আর ভুল হবে? আমাদের মনের অজান্তে আমরা ধরে নেই সবকিছু ঠিক আছে। বিশেষ করে ডেডলাইনের সময় এটা বেশি হয়, কাজের প্রেসারে ক্লায়েন্টের পাঠানো তথ্য চেক করে দেখা, হাতের কাজ শেষ করার থেকে কম গুরুত্ব পায়।

কিন্তু বিপত্তি হয় যখন ক্লায়েন্ট ঘুমাতে চলে যায়, আর আমরা হাতের কাজ শেষ করে প্রোজেক্ট আপলোড করতে গিয়ে দেখি যে পাঠানো তথ্য ভুল। অনেক সময় এটা ক্লায়েন্টের নিজের ভুল নাও হতে পারে। যেমন আমাদের হয়ত হোস্টে কিছু বিশেষ পারমিশন লাগবে যেটা দেয়া হয়নি। তখন আমাদের বসে থাকতে হয় কাজ বন্ধ করে। আর অপেক্ষা করতে হয় ক্লায়েন্টের জন্য। ক্লায়েন্ট যখন আসবে তখন আমাদের অফিস বন্ধ করার সময়। তখন রাত জেগে কাজ শেষ করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। অনেকে হয়ত বলবেন যে এটা তো ক্লায়েন্টের ভুল। আসলে বাস্তবতা হল ক্লায়েন্টের ভুল এখানে সেভাবে গণ্য হবে না যেভাবে আমদের ভুল গণ্য হবে যে আমরা কেন তখনই চেক করে আগেভাগে তাকে জানাইনি। এটা চেক করতে ২ মিনিট সময় লাগে, সেটা চেক না করার জন্য আমাদের একটা দিন নষ্ট হয়ে গেল। ক্লায়েন্ট আমাদের এর জন্য বকাঝকা না করলেও অনেক বড় সমস্যা হয়ে যেতে পারে। যেমন ঐ দিন হয়ত ঐ সফটওয়্যারটি নিয়ে ক্লায়েন্ট কোন ইভেন্টে যাচ্ছে, এখন কি হবে? মনে রাখতে হবে, ক্লায়েন্টের সমস্যাকে সব সময় আমাদের সমস্যা মনে করতে হবে, তা না হলে আমরা এই কাজে সফলতা পাব না।

২) ক্লায়েন্টকে সন্তুষ্ট করতে অসম্ভব কোন কমিটমেন্ট করবেন না।

ক্লায়েন্টের সব সময় সব কিছু পারলে আজকেই লাগবে। এটা ছোট বড় সব ক্লায়েন্টের ক্ষেত্রেই সত্য। আসলে আমরা সবাই এই পৃথিবীতে খুব প্রতিযোগিতার মধ্যে জীবন যাপন করি। ক্লায়েন্টকেও তার বিজনেস আইডিয়া নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব মার্কেটে আসতে হবে। প্রবলেম হল ক্লায়েন্টকে সন্তুষ্ট করার জন্য আমরা অনেক সময় অনেক চাপের মুখে অসম্ভব কোন লক্ষ্য মেনে নেই ও কথা দেই যে এটা আমরা করে দিব। কিন্তু পরে আমরা সেই কথা রাখতে পারি না। কিন্তু আমরা পরের কথা চিন্তা করি না। আমরা তৎক্ষণাৎ ক্লায়েন্টকে খুশি করার জন্য রাজি হয়ে যাই।

সমস্যা হল, পরে যখন আমরা কথা রাখতে পারি না, তখন ক্লায়েন্টও অন্যদের কাছে তার কথা রাখতে পারেন না। আমাদের ওয়াদা ভঙ্গের কারণে আরও অনেক মানুষের ওয়াদা ভঙ্গ হয় যেটা আমরা দেখি না বা জানি না। এর ফলে অনেক তিক্ত সম্পর্ক ও অনাস্থা তৈরি হয়, যেটা অনেক ক্ষতিকর। পরবর্তীতে ক্লায়েন্ট আমাদের সব ওয়াদা নিয়েই প্রশ্ন তুলতে থাকে এবং সেটা শুনতে আমাদেরও ভালো লাগবে না। তাই এরকম ভুল থেকে আগেভাগেই বেঁচে থাকতে হবে।

৩) দেশের সমস্যা বা নিজের পার্সোনাল সমস্যা দিয়ে ক্লায়েন্টের কাছে অজুহাত দিবেন না।

আমরা অনেক সময় না বুঝে ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলার সময় দেশকে ছোট করি। আমরা আমাদের দেশের বিভিন্ন সমস্যা তাদের কাছে এমনভাবে তুলে ধরি যেন তারা আমাদের স্কুলের বন্ধু। কিন্তু আসলে এর মাধ্যমে আমরা তাদের কাছে আমাদের দেশের একটা ভীতিকর ছবি তুলে ধরি। আদতে এই ক্লায়েন্ট আমাদের দেশে কাজ দিতে ভয় পাবে, অথবা টাকা কমিয়ে দিবে রিস্ক চিন্তা করে। এই ক্লায়েন্ট আবার এই কথা তার পরিচিতদের বলবে, এভাবে ছড়াতে ছড়াতে তা আমাদের দেশের একটা বাজে ছবি বিদেশী ক্লায়েন্টদের কাছে তুলে ধরবে এবং আমাদের দেশের বাজার নষ্ট হবে। আর বাজার নষ্ট মানেই আমাদের সবার জন্য সমস্যা।

নিজের বিভিন্ন সমস্যা দিয়ে অজুহাত দেয়াও অনেকটা একি রকম কাজ করে। যদি আপনার কোন সমস্যা হয়, সেটা আপনাকে আগেভাগেই জানাতে হবে। কোন ওয়াদা ভঙ্গ করে তারপর অজুহাত দিলে চলবে না। যেমন আপনি যদি অসুস্থ হন, দিনের শুরুতে আগেভাগেই জানিয়ে দিন যে আপনি আজকে কাজ করতে পারছেন না। কিন্তু অনেকে ডেডলাইনের দিন অসুস্থ বলে ডেডলাইন পিছানোর চেষ্টা করেন। যেকোনো বুদ্ধিমান ক্লায়েন্ট এটা বুঝতে পারেন এবং এরপর থেকে আপনার ব্যাপারে তার দৃষ্টিভঙ্গি খারাপ হয়ে যাবে। আপনার সব কথাই সে অবিশ্বাস করতে শুরু করবে।



8) ক্লায়েন্টের কাছে পুরো প্রোজেক্টের রিকুয়ারমেন্ট ডকুমেন্ট না চেয়ে বরং প্রশ্ন করে খুঁটিনাটি জেনে নিন।

এটা তাদের জন্য বেশি প্রয়োজন যারা ছোট ক্লায়েন্টের কাজ করেন। বেশিরভাগ ক্লায়েন্ট বাজেট কম থাকায় রিকুয়ারমেন্ট ডকুমেন্ট তৈরি করার জন্য কোন কন্সালটিং কোম্পানিকে ভাড়া করতে পারেন না। তাদের নিজেদের জন্যও এটা নিখুতভাবে তৈরি করা কঠিন। আপনি যেটা করতে পারেন, তাহল তাকে একটা মোটামুটি খসড়া দার করাতে বলতে পারেন। তারপর আপনি বিভিন্ন প্রশ্ন করে ভুল ও গ্যাপগুলো বের করবেন। তারপর আপনি আরও নিখুঁতভাবে রিকুয়ারমেন্ট ডকুমেন্টটি এডিট করে তাকে দেখাবেন ও তার কাছ থেকে স্বীকৃতি নিবেন যে সব ঠিক আছে।

কিন্তু আমরা অনেকেই আমাদের সফটওয়্যার তৈরিতে ভুলের অজুহাত হিসাবে ক্লায়েন্ট রিকুয়ারমেন্ট ডকুমেন্ট দেয়নি এটা বলে দায় এড়াতে চাই। মনে রাখবেন কাজটা করতে না পারলে, অজুহাত দিয়ে তো আসলে কারও কোন উপকার হচ্ছে না।

৫) অসম্ভব লক্ষ্য অর্জন করার জন্য অতিরিক্ত শ্রমের উপর জোর না দিয়ে আগেভাগেই ক্লায়েন্টকে জানিয়ে লক্ষ্য ঠিক করে নিন।

অনেক সময় কাজের মাঝ পথে গিয়ে আমরা বুঝতে পারি যে আমরা আসলে সময়মত কাজ শেষ করতে পারব না। এক্ষেত্রে আমরা যেটা করি তা হল রাত দিন কাজ করতে শুরু করি, ক্লায়েন্টকে কিছু বলি না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যখন আর শেষ করতে পারিনা তখন ডেডলাইনের দিন ক্লায়েন্টকে জানাই যে আমরা শেষ করতে পারিনি। এটা আসলে খুবই খারাপ। এটা করে আমরা আসলে ক্লায়েন্টকে পানিতে ফেলে দেই।

আমাদের সব সময় ক্লায়েন্টকে সাথে সাথে জানানো উচিৎ যে আমাদের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না। এতে ক্লায়েন্ট যথেষ্ট সময় পাবে প্ল্যান করার। আর আমাদের কথার উপর তাদের ভরসা বাড়বে।

৬) ক্লায়েন্টকে প্রশ্ন করতে ভয় পাবেন না।

আমরা বেশিরভাগ সময় ক্লায়েন্টকে প্রশ্ন না করে, নিজের যা মনে হয় সেই মত কাজ শেষ করে রেখে দেই। এর একটা কারণ আমরা আগেভাগে প্রশ্ন করি না। পরে যখন মনে হয় এখন প্রশ্ন করলে ক্লায়েন্ট রাগ করতে পারে বা ভাবতে পারে এতদিন যা করেছি সব ভুলভাল করেছি তখন আর প্রশ্ন না করে যেভাবে চলছে সেভাবেই কাজ করে যাই। শেষ পর্যন্ত ক্লায়েন্ট যখন দেখেন যে আমরা তাকে তার আশা অনুযায়ী জিনিষ ডেলিভারি দেইনি, তখন সে রেগে যায়।

এধরনের ভুল বুঝাবুঝি এড়াতে হলে সব সময় ক্লায়েন্টের কাছে প্রশ্ন করে খুঁটিনাটি জেনে নিতে হবে। প্রশ্ন করার সময় একটু বুদ্ধি করে প্রশ্ন করতে হবে, যাতে ক্লায়েন্ট ঠিকমত প্রশ্ন বুঝতে পারেন এবং আপনি যা জানতে চাচ্ছেন তা সহজে জানা যায়। অনেক সময় আমরা গুছিয়ে প্রশ্ন না করায় অনেক প্রশ্ন করার পরও যা জানতে চাচ্ছি তা জানা হয়না, তাই ক্লায়েন্ট বিরক্ত হন। কিন্তু এখানে সমস্যা ছিল যে আমরা গুছিয়ে প্রশ্ন করিনি। কিন্তু একারণে প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকলে হবে না।

৭) লক্ষ্য অর্জনের জন্য শেষ সময়ে অতিরিক্ত লোক প্রজেক্টে যোগ করবেন না।

আমরা অনেক সময় মনে করি যে আরও কিছু ডেভেলপারকে কাজে লাগিয়ে দিলেই সময়মত প্রোজেক্ট শেষ হবে এবং ডেডলাইন মিট করা সম্ভব হবে। কিন্তু এটা আসলে ভুল। নতুন যারা যোগ হবে, তারা প্রোজেক্ট বুঝতে বুঝতে এবং কি করতে হবে তা বুঝে উঠতে অনেক সময় নষ্ট হবে। আর এই সময় তারা প্রোজেক্টের মূল ডেভেলপারদের বিভিন্ন জিনিষ শেখার জন্য ডাকাডাকি করতে থাকবে। মুলত তারা নিজেরাও কিছু করতে পারবে না, উলটো যারা কাজ করছিল তাদের কাজের গতি কমিয়ে দিবে। তাই শেষ সময়ে অতিরিক্ত লোক কোন কাজেই লাগবে না।

কিন্তু যদি আগেভাগেই বুঝা যায় যে বেশি লোক লাগবে তাহলে লোক বাড়ানো যেতে পারে, তবে মনে রাখতে হবে, লোক যত বাড়বে, সিস্টেম লস তত বাড়বে। ৫ জন লোক যদি কোন কাজ ১০ মাসে শেষ করতে পারে, তবে ১০ জন কিন্তু ৫ মাসে শেষ করতে পারবে না। ৬-৭ মাস বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে।

৮) টিমমেটদের কাছে বস বা ক্লায়েন্টের ব্যাপারে আজেবাজে কথা বলবেন না।

আমরা অনেক সময় টিমমেটদের সাথে বস বা ক্লায়েন্টদের নিয়ে ফাজলামি করি, হাসাহাসি করি, তাদের ব্যাপারে আজেবাজে মন্তব্য করি। আপাত দৃষ্টিতে এগুলো নির্মল রসিকতা মনে হতে পারে। কিন্তু দিন দিন এগুলো গাড় হতে থাকে এবং বস ও ক্লায়েন্টের ব্যাপারে বিরূপ দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে পারে। এটা আপনাকে ও আপনার টিমমেটদের লক্ষ্য থেকে দূরে সরিয়ে দিবে। কাজ করতে ইচ্ছা করবে না। বিরক্তি তৈরি করবে। এক সময় পুরো টিমের টিম স্পিরিট বলতে আর কিছুই বাকি থাকবে না।

মনে রাখবেন, আমরা নিজেদের অবস্থান থেকে অনেক সময় অন্যদের সমস্যাগুলো বুঝতে পারি না। বস বা ক্লায়েন্টের উল্টাপাল্টা কাজের প্রতি আমরা বেশি মনোযোগী না হয়ে যদি আমরা নিজেদের কাজে মন দেই এবং নিজেদের দক্ষতা দিয়ে একের পর এক সফলতা অর্জন করতে থাকি, তাহলে দিন দিন বস ও ক্লায়েন্ট টিমকে গুরুত্ব দিতে শুরু করবেন এবং সবকিছু ধিরে ধিরে ভালো হতে থাকবে। মনে রাখবেন সফলতা ও টাকা সব কিছুই বদলে দিতে পারে।

৯) প্রোজেক্টের শুরুতে বেশি সময় নষ্ট করবেন না।

আমরা বিগত প্রোজেক্টটা চাপের মধ্যে শেষ করে, নতুন প্রোজেক্টে একটু গা এলিয়ে দেই। সব কিছু শুরুতে ধিরে চলতে থাকে। আমরা এবার খুব গুছিয়ে কাজ করব এই বলে খুব ধিরে ধিরে সব সাজাতে থাকি। তারপর যখন আবার অনেক চাপ চলে আসে তখন আবার দৌড়াতে থাকি। তাই আমাদের সব সময় দৌড়ের উপরই থাকতে হয়।

প্রোজেক্টের শুরুর দিকে তাই খুব দ্রুত সব কিছু করতে হবে। আগের ভুল শুধরানো ও আগের থেকে কিভাবে ভালো ভাবে কাজ করা যায় তা অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে, কিন্তু তা করতে যেন বেশি সময় না লাগে। নয়ত আমরা আবার চাপের মধ্যে পরে গিয়ে আবার উল্টাপাল্টা কাজ করেই কাজ শেষ করতে বাধ্য হব।

১০) শেষ দিনের জন্য কাজ রেখে দিবেন না।

আমরা সব সময় মনে করি যে আমাদের ডেডলাইনের দিন পর্যন্ত আমাদের হাতে সময় আছে। এটা আসলে ভুল। শেষদিন যে কোন বড় ভুল ধরা পরবে না, এটা আপনি বলতে পারেন না। কাজেই হাতে যথেষ্ট সময় রেখে কাজ শেষ করতে হবে। যদি অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়, অথবা ডেডলাইন পরিবর্তন করতে হয়, তাহলে সেটা আগেভাগেই করতে হবে। শেষ দিনের মধ্যে ঠিকমত কাজ শেষ হবে এই ভুল আশায় থাকা একদম ঠিক নয়। যারা শেষ দিনের আশায় থাকেন, তারা কখনই তা করতে পারেন না।

১১) একবারে বড় ডেমো না দিয়ে রেগুলার ছোট ছোট ডেমো দিন।

আমরা একটা বড় ভুল করি যে অনেক কাজ শেষ করে তারপর একটা বড় ডেমো দেখাতে যাই। বিশেষ করে প্রথম ডেমোর ক্ষেত্রে এটা বেশি হয়। কিন্তু তখন অনেক কিছুই কাজ না করতে পারে। আর আমাদের কাজের মধ্যে অনেক ভুল ধরা পরতে পারে। তার থেকে ভালো বুদ্ধি হল অল্পদিন পর পর ছোট ছোট ডেমো দেখানো। এতে আমাদের বুঝার মধ্যে কোন ভুল থাকলে তা আগেভাগেই ধরা পরবে এবং আমাদের ঠিক করতে কম পরিশ্রম করতে হবে। আর বড় ডেমো টেস্ট করে সেটা ঠিক মত রেডি করা এক বিরাট টেনশনের ব্যাপার। তাই ছোট ছোট ডেমো দিলে আপনি সময়মত টার্গেট মিট করতে পারার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

১২) নিজের ভুল স্বীকার করার ক্ষেত্রে সবসময় সততা বজায় রাখুন।

মানুষ মাত্রই ভুল করে। ভুল করলে কিছু বকাঝকা শুনতে হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কখনো কখনো আমরা নিজেদের ভুল স্বীকার করতে এত ভয় পাই যে মিথ্যা কথা বলে তা ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করি। কিন্তু আসলে কি তা সম্ভব? সাময়িকভাবে সম্ভব হলেও একদিন সেটা ধরা পরবেই আর তখন আরও বড় সমস্যা তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে আমরা যদি মিথ্যা কথা বলি তাহলে সেটা ক্লায়েন্ট ঠিকই বুঝতে পারবে আর তখন আমাদেরকে মিথ্যাবাদি মনে করবে। বেশিরভাগ সময় ক্লায়েন্ট এটা বুঝতে পারলেও বলেন না তাই আমরা ভাবি যে সে কিছু বুঝতে পারেনি। কিন্তু আসলে সে সব বুঝতে পারে কিন্তু কিছু না বলে বরং আমাদেরকে সন্দেহ করতে থাকে ও আমাদের কাজের উপর নজরদারি কিভাবে বাড়ানো যায় সেটা খুজতে থাকে। এর ফলে উভয়পক্ষের জন্য কাজ করা খুব কঠিন হয়ে দারায়।

তবে ভুল স্বীকার করার ক্ষেত্রে বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন। প্রয়োজনে অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিন। ক্লায়েন্ট যেন অযথা আতঙ্কিত না হয় সেটা মাথায় রাখবেন। কিভাবে আপনি ভুলটি খুব সহজে ঠিক করে দিবেন, সেই প্ল্যানটি ক্লায়েন্টকে জানিয়ে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করুন।

১৩) ছুটিছাটার ব্যাপারে ক্লায়েন্টের সাথে সমঝোতায় থাকুন।

আমি কখন ছুটিতে যাব, কখন অফিস বন্ধ থাকবে ইত্যাদি যেন ক্লায়েন্টের কাছে পানির মত পরিষ্কার থাকে। ক্লায়েন্ট যে আমার ইমেইল পেয়েছেন এবং আমার ছুটি মেনে নিয়েছেন এব্যাপারে একদম নিশ্চিন্ত হতে হবে। অনেক সময় ক্লায়েন্ট বেস্ততার কারণে আপনার ইমেইল নাও পড়তে পারেন। সেক্ষেত্রে ছুটির মাঝে বিপত্তি তৈরি হবে। হয় আপনাকে ছুটির মাঝে কাজ করতে হবে, নয়ত ক্লায়েন্ট নাখোশ হবেন ও বিপদে পরবেন। কাজেই ভালোভাবে নিশ্চিত হন যে আপনার ছুটি সম্পর্কে ক্লায়েন্ট অবগত। তবে যদি আপনার অফিসের বস এই দায়িত্ব নিতে চান, তবে সেটা তার উপর ছেড়ে দিন। তবে এব্যাপারে লুকোছাপা না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

১৪) সকালে প্রথমেই ক্লায়েন্টের ইমেইল চেক করুন।

যেহেতু ক্লায়েন্টের সাথে আমাদের সময়ের বেবধান অনেক বেশি, তাই সকালে প্রথমেই ক্লায়েন্টের সব ইমেইল পড়ে নিবেন। পরে হয়ত আপনি ক্লায়েন্টকে পাবেন না এবং আপনার একটা পুরো দিন নষ্ট হতে পারে বা আপনি হয়ত ভুল কজে সময় নষ্ট করবেন। হয়ত ক্লায়েন্ট রাতেই ইমেইল করে বলেছেন যে গতকালের কাজটি আমরা আর করব না, সেক্ষেত্রে পরে ইমেইল পরলে আপনার পুরো শ্রমটি বৃথা যাচ্ছে। আর আপনার ভুলটি ঢাকার জন্য হয়ত আপনি আরও কিছু মিথ্যা কথার আশ্রয় নিবেন। তাই এগুলো থেকে আমাদের বেঁচে থাকতে হবে।

সকলের জন্য সফল ক্যারিয়ারের শুভকামনা রইল।

মোঃ জালাল উদ্দিন

চীফ আর্কিটেক্ট ও সিইও – ডেভস্কিল

এ স্টল ১০ থেকে এমন আরও কিছু বিশেষ টিউটোরিয়াল জিতে নিন।

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ www.devskill.com
ও ইভেন্ট পেজঃ https://www.facebook.com/events/370477716676291

আমাদের পোস্টগুলো যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে কমেন্টে আমাদের জানান, আর শেয়ার করে আপানার বন্ধুদের পড়ার সুযোগ করে দিন।

Dev Skill - Online Contest Platform for software developers Skill improvement and Contesting platform for software developers of Bangladesh

30/09/2016

পি এল সি সম্পর্কে জানুন [পর্ব-০১]
পি এল সি এর প্রাথমিক ধারনাঃ
পি এল সি (PLC) হল প্রোগ্রামএবল লজিক কন্ট্রোলার (Programmable Logic Controller)। পি এল সি একটি ডিভাইস যার মাধ্যমে অতি সহজেই অন্যান্য যন্ত্র কন্ট্রোল করা যায়, কোনও কোনও ক্ষেত্রে এটি মাইক্রোকন্ট্রোলার বিকল্প হিসাবে কাজ করে। মাইক্রোকন্ট্রোলার এবং পি এল সির মধ্যে পার্থক্য হল, মাইক্রোকন্ট্রোলার জন্য প্রোগ্রাম লেখার প্রয়োজন হয় কিন্তু পি এল সিতে লেডার ডায়াগ্রামের মাধ্যমে কাজটি অতি সহজেই করা যায়।

কিভাবে কাজ করেঃ
এটি এক প্রকার মাইক্রোপ্রসেসর বেইজ কন্ট্রোল সিস্টেম। এতে একটি প্রোগ্রামেবল মেমরি থাকে এই মেমরিতে বিভিন্ন প্রকার ইন্সট্রাকশন স্টোর করা থাকে, যার মাধ্যমে গানিতিক লজিক্যাল, টাইমিং, সিকুয়েন্সিং ইত্যাদি কার্যাবলী সম্পাদন করা হয়। এটি মূলত মাইক্রোকন্ট্রোলারের অনুরূপ কাজ করে কিন্তু মাইক্রোকন্ট্রোলারের সাথে এর মূল পার্থক্য হল এটি ইন্ডাস্ট্রিতে হাই পাওয়ার কন্ট্রোলিং সিস্টেমকে কন্ট্রোল করতে ব্যবহৃত হয় অন্যদিকে মাইক্রোকন্ট্রোলার লো পাওয়ার এবং সুক্ষ কন্ট্রোল সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।

পি এল সি কাজ নির্ভর করে প্রথম ধাপে যে ইনপুট সিগন্যাল দেয়া হবে তা লেডার ডায়াগ্রামের মাধ্যমে প্রোসেসিং হয়ে দ্বিতীয় ধাপে কাঙ্ক্ষিত আউটপুট সিগন্যাল পাওয়া যাবে,যার মাধ্যমে অতি সহজে অন্যান্য ডিভাইস কন্ট্রোল করা যায়।

পি এল সির প্রয়োজনীয়তাঃ
যে কোন মেশিন আটোমেশন, রাসায়নিক শিল্পকারখানা, নেওক্লিয়ার পাওয়ার জেনারেশন প্লান্ট, হোম অটোমেশন, অটোম্যাটেড শিল্পকারখানাতে ব্যবহার করা হয়।

পি এল সি কিভাবে কাজ করেঃ
পি এল সি গঠিত হয়েছে তিনটি সেকশন নিয়ে।

১.সেন্ট্রাল প্রোসেসিং ইউনিট।
২. ইনপুট/আউটপুট।
৩. পাওয়ার সাপ্পালাই।

29/09/2016

এক বাড়িতে চুরি
হয়ে
গেছে...

পুলিশ এসে বল্টুকে
জিজ্ঞাসা
করলো,"How does this
happened?"

বল্টু ভাবলো আমিও
একটা ইংরেজি
বলি...

তো বল্টু
বলল,"কাটিং দ্যা
বাঁশের বেড়া ঢুকিং দ্যা
চোর, টেকিং দ্যা
জিনিসপত্র, গোয়িং দ্যা
ডোর!!"
পুলিশ বলল,"What is
বাঁশের বেড়া?"



বল্টু বলল," লিটিল
ব্যাম্বু খাড়া খাড়া, তার
উপরে পেরেক মারা।
ইট ইজ দ্যা বাঁশের
বেড়া!!"
পুলিশ বেহুশ!!

29/09/2016

সম্প্রতি স্যামসাংয়ের নোট ৭ স্মার্টফোনের ব্যাটারি বিস্ফোরণের ঘটনার পর লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি নিয়ে অনেকেই উদ্বেগে রয়েছেন। আধুনিক অনেক স্মার্টফোন ও প্রযুক্তিপণ্যে এই ব্যাটারির ব্যবহার দেখা যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। এ ব্যাটারিতে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা কম। নিয়ম মেনে চার্জ দিলে ফোনের ব্যাটারি ভালো রাখতে পারবেন এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কাও কমবে।
চার্জ ধরে রাখুন
আপনার মোবাইল ফোনে বেশি করে চার্জ রাখুন। লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারিতে অধিকাংশ সময় ৫০ শতাংশ বা তার বেশি চার্জ রাখবেন। বেশি চার্জ ধরে রাখলে ব্যাটারি ভালো থাকবে বেশি দিন।
চার্জশূন্য করবেন না
ব্যাটারির চার্জ একেবারে নিঃশেষ করে আবার শতভাগ পূর্ণ করার অভ্যাস বদলে ফেলুন। এতে ব্যাটারির আয়ু কমে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শূন্য থেকে ১০০ রিচার্জ করাকে ‘চার্জ সাইকেল’ বলে। মাসে একবার চার্জ সাইকেল পূর্ণ করতে পারেন। এতে ব্যাটারির কার্যকারিতা বাড়বে।
চার্জার ব্যবহারে সতর্ক থাকুন
যে ফোনের জন্য যে চার্জার নির্ধারিত, সেটিই ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। চার্জার সঙ্গে না থাকলে অন্য চার্জার ওই ফোনের জন্য অনুমোদিত কি না, তা দেখে নিন। নকল চার্জার ব্যবহারে সতর্ক থাকুন।
ফোন ঠান্ডা রাখুন
ফোন যতটা সম্ভব ঠান্ডা রাখুন। লি-আয়ন ব্যাটারি বেশি চার্জ হলেও কোনো সমস্যা হয় না। তবে ফোনটি যেখানে চার্জ দিচ্ছেন বা রাখছেন, সে জায়গা যেন অতিরিক্ত গরম না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। এতে ফোন অতিরিক্ত গরম হতে পারে। ফোন আবার অতিরিক্ত ঠান্ডা জায়গায় রাখাও ঠিক নয়। খুব বেশি ঠান্ডা বা অতিরিক্ত গরম ব্যাটারির কার্যক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলে।
ব্যাটারি খুলে রাখলেও চার্জ রাখুন
ব্যাটারি যদি খুলে রাখতে চান, তবে তাতে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ রেখে দিন। কোনো ফোন শূন্য চার্জে বেশি দিন রাখবেন না। লি-আয়ন ব্যাটারি অব্যবহৃত অবস্থাতেও প্রতি মাসে ৫ থেকে ১০ শতাংশ চার্জ শেষ করে। এটি অবশ্য তৈরির ওপর নির্ভর করে কিছুটা। বেশি দিন চার্জশূন্য রাখলে ব্যাটারি আর চার্জ ধরে রাখার অবস্থায় না-ও থাকতে পারে।
সারা রাত চার্জে সতর্কতা
সারা রাত চার্জার মোবাইল ফোনে লাগিয়ে রাখলেও তেমন ক্ষতি নেই। তবে সতর্ক থাকা ভালো। এখনকার অধিকাংশ ফোনে এমন প্রযুক্তি থাকে, যাতে চার্জ পূর্ণ হলে আবার কিছুটা চার্জ শেষ করে ফেলে ব্যাটারি। আবার চার্জ নিতে শুরু করে। এভাবে চলতে থাকে। তাই সারা রাত চার্জ দিলেও সমস্যা হয় না। কিন্তু কিছু ফোন এতে অতিরিক্ত গরম হতে পারে। তথ্যসূত্র : গিজমোডো।

28/08/2016

Battery Charging Time and Current Formula
Charging Time of battery = Battery Ah / Charging Current
T = Ah / A

For Example,
120 Ah battery

First we have to calculate charging current for 120 Ah battery. As we know that charging current should be 10% of the Ah rating of battery.
so charging current for120Ah Battery = 120 x (10/100) = 12 Amperes.
Source: electricaltechnology.org
batteryuniversity.com

but due to losses, we can take 12-14 Amps for charging purpose.
for example we took 13 Amp for charging purpose, then charging time for 120Ah battery = 120 / 13 = 9.23 Hrs. but this was an ideal case. Practically, this is noted that 40% of losses ( in case of battery charging)
then 120 x (40 / 100) = 48 …..(120Ah x 40% of losses) therefore, 120 + 48 = 168 Ah ( 120 Ah + Losses) Now Charging Time of battery = Ah/Charging Current 168 / 13 = 12.92 or 13 Hrs ( in real case)

Therefore, an 120Ah battery would take 13 Hrs for completely charging (with 13A charging current

12/08/2016

EEE Formula (Part-1)
EEE Formula. ইলেকট্রিক্যাল এর সুত্রগুলি সাজানো থাকছে , এখানে পার্ট-১ দেয়া হল।
Sinusoidal Voltages and Currents:
Effective Value = 0.707 × Peak Value
Average Value = 0.636 × Peak Value
Peak Value = 1.414 × Effective Value
Effective Value = 1.11 × Average Value
Peak Value = 1.57 × Average Value
Average Value = 0.9 × Effective Value
Form Factor = Effective Value/ Average Value = 1.11
Peak Factor = Maximum Value/ Effective Value = 1.414
Effective Value = R.M.S Value
Speed Vs Poles Formula:
f = NP/120
N = 120f/P
P = 120f/N
Here, f = Frequency, N = Speed of Rotation (RPM), P = Number of Poles, 120 = Time constant.
Power Factor (PF):
PF = Actual Power/Apparent Power
= Watt / (Volts × Amperes)
= kW / kVA
= R/Z
= Cosφ
Ohm’s law:
R = V/I = V2 /P = P/I2
V = P/I = IR = √(RP)
I = V/R = P/I = √(P/R)
P = VI = V2/R = I2R
AC Circuit:
Inductive Reactance, XL = 2πfL = ωL (ohm)
Capacitive Reactance, XC = 1/2πfC = 1/ωC (ohm)
Impedance, Z = R+jXL (R-L Series ckt)
Impedance, Z = R- jXC (R-C Series ckt)
Impedance, Z = R+j(XL – XC) = R2+(XL – XC)2 [R-L-C Series ckt]
Q-Factor = 1/R√(L/C)
Resonance Condition, XL = XC Power Factor = 1
V = IZ
I = V / Z = YV
Admittance, Y = 1/Z = 1/R + j (1/XC– 1/XL) = 1/R + j (ωC – 1/ωL)
Y = G + j B (Here, conductance G = 1 / R represents the real (conductive) component and B = ( BC – BL ) is the imaginary (reactive) part)
Inductive Susceptance, BL = 1 / XL = 1/ωL
Capacitive Susceptance, BC = 1/ XC = ωC
Power:
1 kW = 1.341Hp
1Hp = 0.746 kW
Hp= Horsepower, kW = Kilowatt
VA = VxI
Watt = VICosφ
VAR = VISinφ
Single Phase power:
kVA = VxI/1000, kW = VxIxPF/1000, I = kWx1000/VxPF, V = kWx1000/IxPF
Three Single Phase Power:
kVA =√3x VxI/1000, kW = √3xVxIxPF/1000, (P = 1.732VICosφ)
VL = √3xVP VP = VL/√3, IL = IP (Star Connection)
IL = √3xIP IP = IL/√3 , VL =VP (Delta Connection)
Collected

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Dhaka
1216