সুফফাহ একাডেমি

সুফফাহ একাডেমি

Share

সুফফাহ একাডেমি, বিশুদ্ধ ইসলামি জ্ঞান

11/01/2025

কি হবে এত ওয়াজ নসিহত করে?
এখনো শারিয়াহ বুঝানো বাকি, তাকওয়ার মাহাত্ম বুঝানো বাকি, এমন কত কিছু বাকি!!!
আমার তো মনে হয় একাডেমিকালি দ্বীনি ইল্মের চর্চা বাড়ানো উচিৎ ।

Send a message to learn more

02/07/2024

বেগানা নারী-পুরুষ হতে সাবধান!!🛑🤚
একজন বাইরের বেগানা মহিলার অথবা পুরুষের হাত সহ অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ স্পর্শ করার আগে হাদিস টা মনে রাখেন..

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করার পর অবৈধভাবে কোন মহিলার সাথে সহবাস করার মত বড় পাপ আর নাই”।[আহমদ, তাবারানী]

“মানুষ তার সমগ্র ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে জিনা করে। দেখা হচ্ছে চোখের জিনা,ফুঁসলানো কণ্ঠের জিনা, তৃপ্তির সাথে কথা শোনা কানের জিনা, হাত দিয়ে স্পর্শ করা হাতের জিনা, কোনো অবৈধ উদ্দেশ্যে পথ চলা পায়ের জিনা, এভাবে ব্যভিচারের যাবতীয় ভূমিকা যখন পুরোপুরি পালিত হয়, তখন লজ্জাস্থান তার পূর্ণতা দান করে অথবা পূর্ণতা দান থেকে বিরত থাকে” -বুখারি, মুসলিম ও আবু দাউদ) ”

” নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য কারো মাথায় লোহার পেরেক ঠুকে দেওয়া ঐ মহিলাকে স্পর্শ করা থেকে অনেক ভালো, যে তার জন্য মোটেই হালাল নয়।” – ত্বাবারানী ২০/২১২
রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেন “আমি মেয়েদের সাথে মুসাফাহা করিনা।” – (আহমাদ-৬/৩৫৮)

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ” তোমাদের কারো মাথায় যদি লোহা দিয়ে আঘাত করা হয়, তবু এটা তার জন্যে ঐ মহিলাকে স্পর্শ করা থেকে উত্তম – যে তার জন্যে বৈধ নয়। “( তাবরানি, সহীহুল জামে-৪৯২১ )

“আমি মেয়েদের হাত স্পর্শ করিনা।” – (সহীহুল জামে হাদীস নং ৭০৫৪)

এ প্রসংগে মা আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, “আল্লাহর শপথ, রসুল (সঃ) এর হাত কখনোই কোন বেগানা নারীর হাত স্পর্শ করেনি। তিনি কথার মাধ্যমে তাদেরকে বায়’আত করাতেন।” – (মুসলিম ৩/১৪৭৯)

কিন্তু আজকে সেই নবীর উম্মত হিসেবে আমরা তো মূলত প্রতিযোগিতাই নেমেছি তাইনা? আজকে কেউ কারো যদি গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড না থাকে তাহলে মনে হয় জীবনটাই বৃথা! আবার কেউ যদি দ্বীনকে পরিপূর্ণ ভাবে মেনে চলে হারামকে-হারাম এবং হালালকে- হালাল হিসেবে গ্রহণ করে তাহলে তাঁকে বলে ব্যাকডেটেড বা মধ্যযুগীয়,, আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়াতুবু ইলাইহি। আল্লাহ আমাদের এইসমস্ত বেহায়াপনা থেকে মুসলিম নারী-পুরুষ সমাজকে আল্লাহ হেফাজত করুক,,আমীন।

01/07/2024

খুব মনোযোগ লেখা টা কয়েকবার পড়ি।

এক ছাত্র তার শাইখকে বললেন, "শাইখ, আমরা আল্লাহর কত অবাধ্য হই, অথচ তিনি আমাদেরকে শাস্তি দেন না"।
শাইখ জবাব দেন, " আল্লাহ তা'আলা তোমাকে কত যে শাস্তি দেন অথচ তুমি টের পাও না"!

তিনি কি তোমার কাছ থেকে তাঁর কাছে মুনাজাতের স্বাদ তুলে নেন নি....!!
আর একজন ব্যক্তির জন্য তার অন্তর কঠিন হয়ে যাওয়ার চেয়ে বড় বিপদের পরীক্ষা আর নেই।

নিশ্চয়ই তুমি সবচেয়ে বড় যে শাস্তির মুখোমুখি হতে পারো তা হল সৎকাজের তাওফিক কমে যাওয়া।

পবিত্র কুর'আন তিলাওয়াত ছাড়া তোমার কি দিন অতিবাহিত হয়নি?
বরং কখনো কখনো তুমি আল্লাহর বাণী لو أنزلنا هذا القرآن على جبل لرأيته خاشعاً متصدعاً من خشية الله}- শোন অথচ তুমি কোনপ্রকার প্রভাবান্বিত হও না, যেন তুমি তা শোনই নি...!!!

তোমার কি অসংখ্য রাত অতিবাহিত হয় নি যে রাতগুলোতে তুমি নৈশ ইবাদাত থেকে মাহরুম ছিলে..?

তোমার সামনে কি কল্যাণের মওসুমগুলো : রমজান, শাওয়ালের ছয় রোযা, জিলহজ্জের প্রথম দশদিন শারুল্লাহ মুহাররাম- অতিবাহিত হয় নি অথচ তুমি এসবের যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারো নি?

এরচেয়ে বেশি শাস্তি আর কী হতে পারে?!

তোমার কি ইবাদতকে ভারি মনে হয় না?!

তুমি কি আল্লাহর জিকর থেকে তোমার জিহবাকে গাফিল দেখো না?!

তুমি কি প্রবৃত্তির সামনে দূর্বলতা অনুভব করো না?

তুমি কি তোমার অন্তরকে সম্পদ, সম্মান এবং খ্যাতির ভালোবাসায় পূর্ণ পাও নি?

উত্তম আদর্শের ব্যক্তিত্ব যাদের অনুসরণ তোমার পূণ্য বৃদ্ধি করে, তাদেরকে বাদ দিয়ে নষ্ট মডেল আর সেলিব্রিটিদের সংবাদ ফলো করতে গিয়ে কি তুমি সময় কাটাও নি???

এরচেয়ে বেশি শাস্তি আর কী হতে পারে?!

গীবত, চোগলখোরি আর মিথ্যাকে কি তোমার জিহবায় জিকরের চেয়ে বেশি সহজ মনে হয় নি?!

অনন্ত আখিরাতে কোন কাজে আসবে না এরকম অনর্থক বিষয়ে কি তুমি নিজেকে ব্যস্ত করো নি?!

আখিরাতকে ভুলে দুনিয়াকে কি তুমি তোমার সমস্ত চিন্তার কেন্দ্রে পরিণত করো নি?!

এসব অবনতি আল্লাহর শাস্তির বিভিন্ন রূপ বৈ আর কিছু নয়..।

বৎস, তুমি সতর্ক হও। মনে রাখবে, আল্লাহর সবচেয়ে হালকা শাস্তি হচ্ছে সম্পদ, সন্তান কিংবা স্বাস্থ্যের ব্যাপারে ' বাস্তববাদী বা অনুভূতিশীল' হওয়া।

আর সবচেয়ে বড় শাস্তি হলো, ক্বলবের ব্যাপারে 'অনুভূতিহীন' হওয়া।

আমরা মহান আল্লাহর কাছে সকলের নিরাপত্তা প্রার্থনা করি।
(ড. আলী আসসাল্লাবীর পেইজ থেকে অনুদিত)

30/06/2024

⭕ কখন বুঝবেন আপনি দুনিয়ার প্রতি অধিকতরহারে আকৃষ্ট হয়ে যাচ্ছেন?
আসুন মিলিয়ে দেখি আমাদের কার সাথে কয়টা মিলে যায়।
📌১) দুনিয়াবি ব্যস্ততায় নামাজের জন্য আপনার সময় হবে না।
📌২)পুরো একটা দিন অতিক্রান্ত হয়ে যাবে অথচ একটি বারের জন্য ও আপনি কুর'আন খুলে বের করে পড়বেন না।
📌৩) লোকজন আপনার সম্পর্কে কি ভাববে এই ব্যাপারে আপনি খুব কনসার্ন থাকবেন।
📌৪) আপনার উদ্দেশ্যই থাকবে কিভাবে আরো থেকে আরো ধন সম্পদ অর্জন করতে পারবেন।
📌৫) আপনি অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে অযথা তর্ক করে সময় কাটাতে পছন্দ করবেন।
📌৬) আপনি ভালো কাজ করতে বিলম্ব করবেন। অর্থাৎ আগামীকাল,আগামী সপ্তাহ, আগামী মাস কিংবা আগামী বছরের জন্য ভালো কাজ রেখে দিবেন।প্রকৃতপক্ষে এই আগামীকাল কখনোই আপনার জীবনে আসবে না।
📌৭) দুনিয়ার সেলিব্রেটিদের লাইফ স্টাইল আপনাকে আকৃষ্ট করবে।
📌৮) ধনীদের জীবন যাপনে আপনি আকৃষ্ট হবেন এবং মনে প্রাণে নিজের জন্য সে জীবন কামনা করবেন।
📌৯) আপনি সব সময় এটেনশান পেতে চাইবেন। সবাই আপনাকে বাহবা দিক, ফলো করুক এটা থাকবে আপনার মূল উদ্দেশ্য।
📌১০) দুনিয়াবী জিনিস নিয়ে আপনি এক চরম প্রতিযোগীয় লিপ্ত হবেন।
📌১১) অর্থ সম্পদ আর ক্ষমতার অর্জনের তৃষ্ণা আপনার উত্তরোত্তর বৃদ্ধিই পেতে থাকবে।
📌১২) আপনি অধিকাংশ সময় ডিপ্রেশনে ভুগবেন যখন আপনার কাঙ্ক্ষিত বস্তু আপনি অর্জন করতে ব্যর্থ হবেন কিংবা ছোটখাটো বিষয় নিয়েই আপনি প্রায়ই হতাশ হয়ে পড়বেন।
📌১৩) পাপ আপনার কাছে তখন পাপ মনে হবে না।
📌১৪) আপনি তাওবাহ করতে চাইলে ও অদৃশ্য কারণে তাওবাহ করতে পারবেন না। পাপ কাজ ছেড়ে বের হয়ে আসা আপনার জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।
📌১৫) আল্লাহকে খুশি করতে মানুষকে অখুশি করতে আপনি প্রস্তুত থাকবেন না। অর্থাৎ আল্লাহর সন্তুষ্টির চাইতে ও মানুষের সন্তুষ্টি আপনি প্রায়োরিটি দিবেন।
📌১৬) আপনি দুনিয়াবি যা কিছু অর্জন করতে চান তার ব্যাপারে খুব সিনসিয়ার থাকবেন অথচ পরকালের পাথেয় যোগাড় করার ব্যাপারে আপনি বেখায়াল থাকবেন।
📌১৭) পুরো একটি দিন আপনার অতিক্রান্ত হয়ে যাবে একবারের জন্যে ও আপনি মৃত্যুর কথা স্মরণ করবেন না।
📌১৮) আল্লাহর ইবাদত করা আপনার জন্য কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে পড়বে।
📌২০)আপনি বাহ্যিক, শারীরিক সৌন্দর্যের প্রতি অধিকতর মনোনিবেশ করবেন আর আত্মার যত্নের ব্যাপারে উদাসীন।
📌২১) আপনি বিশ্বাস করবেন শেষ সময় অর্থাৎ কিয়ামত এখনো অনেক দূরে।
📌২২) আপনি মৃতদেহ কবর দিবেন কিন্তু আপনার মধ্যে মৃত্যু চিন্তা আসবে না!
colected

Send a message to learn more

29/06/2024

(বেশি ব্যস্ত হলে শেষের অর্ধেক হলেও বুঝার ট্রাই করেন। খুবই খুবই ইম্পর্ট্যান্ট কিছু কথা বলেছি আপনাকে। একটা খোলা চিঠি বলতে পারেন।)

আচ্ছা, সূরা কাহাফের ঘটনাগুলো মনে আছে?

দেখেন, সবাই আপনাকে চারটা ঘটনার কথা বলে শুধু। যেটা আমরা খেয়াল করতে ভুলে যাই, সেটা হচ্ছে ঘটনাগুলো কেন বলা হচ্ছে? প্রত্যেকটা ঘটনা আমার কাছ থেকে কী চাইছে? আজ থেকে শুরু করে আমার মৃত্যু পর্যন্ত আমার কাছে কী দাবী করছে ঘটনাগুলো? কোন পথের নির্দেশ দেখাচ্ছে বিস্তারিতভাবে, যেন আমি সেই পথে হাঁটি, না থামি? পরিপূর্ণ আনুগত্যের সাথে যেন আমি গাইডেন্সগুলো অনুসরণ করি। গাইডেড থাকি। মিসগাইডেড যারা, চিরশত্রুর পূজারী যারা, তাদের সাথে যেন আমার কিছুতেই না মিলে যায়।

কেন প্রতি সপ্তাহে জুমু’আর দিনে নবিজী (সা) এটা পড়তে বললেন? দাজ্জালের বিরুদ্ধে, ম্যাটেরিয়ালিজমের বিরুদ্ধে কী ওষুধ লুকানো আছে এর মাঝে? প্রতিটা ওষুধ, প্রতিটা পদক্ষেপ কি খুঁজে খুঁজে বের করেছি? ম্যাটেরিয়ালিজম ঈমানকে ভুলিয়ে দেয়, ভুল করিয়ে দেয়, আর এই সূরা কাহাফ কিভাবে সেই ভাঙ্গা ফাটা ঈমানে ঔষধের কাজ করে সারিয়ে তোলে? কিভাবে আরোগ্যের দিকে নিয়ে যায়? জানি কী? খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ভেবে ভেবে পড়ি তো?

নাকি না বুঝে, এই কুরআনকে জাস্ট মন্ত্রপাঠের বস্তু বানিয়ে নিয়েছি পথহারা নির্বোধদের মতো? না বুঝলে, না ভাবলে, না ঘাটলে সত্যিই কি পথনির্দেশ জানা যায় কখনো? অনুসরণ করা যায়? সম্ভব? এই কুরআন কি পথের বিস্তারিত নির্দেশ দিতেই আসেনি? আরোগ্যের পথ বুঝিয়ে বলে দিতে আসেনি? আচ্ছা, না বুঝে প্রেসক্রিপশান পড়লে বহুত ফায়দা দূরে থাকুক, নূন্যতম ফায়দাও কি পাওয়া যায়? আর না বুঝে পড়াকে কি কেউ কখনো “পড়া” বলে?

আচ্ছা, এতো উৎসাহী হওয়ার পরেও সেই সাহাবীকে নবিজি (সা) তিনদিনের কমে কুরআন পড়ে ফেলতে নিষেধ কেন করেছেন, ভেবেছি কি? উত্তরটা কি নবিজি (সা) নিজেই পরিস্কারভাবে বলে দেননি? যেন বুঝে বুঝে পড়া হয়। না বুঝে যেন পড়া না হয়। তাও কথাগুলো তিনি (সা) একজন আরবকে বলেছেন! একজন আরবকে!! আরবীতে যাদের দক্ষতা আর গভীর বুঝের কথা বলে শেষ করা যাবে না। কথাগুলো তিনি (সা) একজন সাহাবীকে বলেছেন, যিনি ঈমান এনেছেন নিজে নবিজিকে (সা) সরাসরি দেখে। ঈমানের পাঠ শিখেছেন রাসূলুল্লাহ’র (সা) কাছ থেকেই। এতো দক্ষতা, এতো গভীর জ্ঞান আর বুঝের পরেও তিনি (সা) আলোচনা শুরুই করেছেন এইভাবে যেন ত্রিশ দিনে একবার পড়া হয়। সেইখান থেকে অতি উৎসাহ আর জোরাজুরিতে দশদিন আর সাতদিনে এসেছেন।

কেন?

ভাবার আছে। ভাবতে হবে।

আচ্ছা, আরেকটা জিজ্ঞাসা। প্রেসক্রিপশান শুধু পড়লেই আর বুঝলেই কি হয়ে যায়, নাকি ওষুধ কিনতে যাওয়া লাগে? ওধুধের দোকান থেকে কিনে খাওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে নির্দিষ্ট কিছু কাজ যথাযথভাবে করা লাগে? নিয়মিত করা লাগে? একটু ভাবিয়েন, প্লিজ।

যারা বুঝে বুঝে খেয়াল করে পড়েন, তারা জানেন, সূরা কাহাফের চার ঘটনার ঠিক সেন্টারে কিছু কথা বলেছেন আল্লাহ। এই মহাগুরুত্বপূর্ণ কথাগুলোর আগে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা দুইটা ঘটনা বুঝিয়েছেন। আবার কথাগুলো বলার পরে আরো দুইটা ঘটনা বুঝিয়েছেন।

ম্যাটেরিয়ালিজমের এগেইন্সটে ফাইট করার জন্য দরকার সঠিক স্পিরিচুয়ালিটি, রাইট? সেই স্পিরিচুয়াল আন্ডারস্ট্যান্ডিং’র সারাংশ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সুরা কাহাফের ঠিক মাঝখানে। প্রায় কেন্দ্রে।

ইয়েস, সেন্টারে! এতোটাই ইম্পর্ট্যান্ট এই স্পিরিচুয়াল রিয়েলাইজেশান এন্ড এসিমিলেশান (assimilation, আত্তীকরণ)! একে গভীরভাবে বুঝে, অনুভব করে করে হৃদয়ে প্রোথিত করে না নিলে, দাজ্জাল আর শাইত্বান বাদ দিলাম, দুনিয়ার সাধারণ ফাইটেই আপনি টিকতে পারবেন না। প্রতিদিন হেরে যাবেন। দুনিয়াকে, নিজের জব কিংবা বিজনেসকেই আর-রাজ্জাক্ব মনে করা শুরু করবেন ভালভাবে বুঝে উঠার আগেই। ঈমান খুইয়ে বসবেন, কিন্তু বুঝবেনও না।

ট্রাস্ট মি, সূরা কাহাফের সেন্টারে থাকা এই স্পিরিচুয়াল রিয়ালাইজেশান নিয়ে আল্লাহ’র বলা পয়েন্টসগুলা আসলেই ডীপ! অনেক অনেক বেশি ডীপ! আর তাই, সূরা কাহাফের (১৮: ৪৫-৫৯) কেন্দ্রে থাকা এই আয়াতগুলোর প্রতিটা কথাকে, প্রতিটা শব্দকে আপনাকে রিয়ালাইজ করতে হলে ঘাটতে হবে, ভাবতে হবে। নিজের ভিতরে নাড়াচাড়া করে অনুভব করে নিতে হবে। ভেবে, চিন্তা করে করে বের করে আনতে হবে আল্লাহ’র প্রতিটা কথা আপনার কাছে, আপনার অন্তরের কাছে কী আবেদন করছে? কী চাইছে? কী ডিমান্ড করছে?

দেখেন, এই দুনিয়ার রিয়েলিটি বুঝে নিতে হবে সরাসরি দুনিয়ার ক্রিয়েটরের কাছ থেকে। দুনিয়ার পরীক্ষার স্বরূপও আল্লাহ’র কাছ থেকেই আপনার বুঝে নেয়া লাগবে। সুরা কাহাফের কেন্দ্রে দেখবেন এই বিষয়গুলোর দিকে আপনার ভাবনাকে, আপনার বুঝকে ধাক্কা মেরে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।

আর বনী আদমকে চ্যালেঞ্জ করে আসা, বনী আদমের সরাসরি স্পিরিচুয়াল শত্রুর ব্যাপারে আপনাকে আবারও সিরিয়াস রিমাইন্ডার দেয়া হচ্ছে। ইবলিসের ঘৃণ্য আর নীচ মানসিকতার এই শত্রুতাকে খুবই সিরিয়াসলি বুঝে নেওয়ার দিকে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।

একটু খেয়াল করলেই আপনি বুঝবেন, ম্যাটেরিয়ালিজম হচ্ছে দাজ্জালি সিস্টেমের মূল হাতিয়ার। আপনার-আমার চিরশত্রু ইবলিসও বস্তুবাদ আর ভোগবাদ দিয়েই আপনাকে, আপনার ইন্দ্রিয়গুলোকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ডাকতে থাকে, আক্রমণ করতে থাকে অবিরাম। বলা বাহুল্য, ২০২৩-২৪ এ এসে এই আক্রমণ সাঁড়াশি অভিযানে রূপ নিয়েছে। এক্সটার্নাল এবং ইন্টার্নাল, ম্যাটেরিয়াল এবং স্পিরিচুয়াল, সবদিক থেকেই এই আক্রমণ এখন চরমতম তীব্রতায় রূপ নিচ্ছে, যেটা মানব ইতিহাসে আগে কখনো ঘটেনি।

আর এতো কিছুর পরেও মুসলিমরা এতোটা গাফিল আর ভোঁতা হয়ে আর কখনো থাকেনি। বিশ্বব্যাপী, স্পেশালি প্যা লে স্টা ই নে ফিজিক্যাল আক্রমণ থেকে শুরু করে আপনার ঘরে এসে, আপনার অন্তর আর মস্তিষ্কে ভয়াবহ আঘাত করে করে আপনাকে ভোঁতা করে দিতে চাইছে, আর আপনিও শত্রুর সাথে গলা মিলিয়ে নিজের সর্বোচ্চ ক্ষতিটা করতে দিচ্ছেন, নিজেই নিজের ক্ষতি করছেন, বুঝে শুনেও করছেন, এমনকি ভাবনা-চিন্তার শক্তিটুকুও আপনার এতোটাই লোপ পেয়েছে যে সব বুঝেও...

এমন অবস্থায় সত্যিই কি আপনি সুরা কাহাফ পড়েন? এটাকে কি পড়া বলে? আসলেই কি পড়তে পারেন? ভাবতে পারেন? বুঝতে পারেন? নিজেকে বাঁচানোর জন্য পথের নির্দেশনা খুঁজে নিয়ে অনুসরণ করেন প্রেসক্রিপশানটাকে? বুকে হাত দিয়ে বলেন তো, নূন্যতম সেন্সটুকু, ইমার্জেন্সিটা যে কোন ভয়াবহ লেভেলে চলে গেছে, সেটা অনুভব করার মতো হৃদয়টা আপনার আর আছে কিনা? ছটফট করে কাঁদে কিনা?

Anything for You O Master! Ya Allah, anything for You!
এভাবে কি আর ভাবতে পারেন? ভাবেন? চলেন এই ভাবনা অনুযায়ী? ভেবে দেখুন তো!

নাকি অলরেডি বিক্রি হয়ে গেছেন?

ফেরার রাস্তা এখনো খোলা। কিন্তু ফেরার ইচ্ছেটুকু কি আছে?

নাকি শত্রুর কাছে বিক্রি হয়ে যাওয়ার আনন্দেই মাতাল আর বিভোর থাকতে ভালো লাগছে?
collected

05/06/2024
19/05/2024

আল্লাহ আমাদের আমল করার তাওফিক দিন

15/05/2024

আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আস কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অবশ্যই আল্লাহ তোমাদেরকে যে ইলম দান করেছেন তা তোমাদের নিকট থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার মত তুলে নেবেন না। বরং ইলম-ওয়ালা (বিজ্ঞ) উলামা তুলে নিয়ে ইলম তুলে নেবেন। এমতাবস্থায় যখন কেবল জাহেলরা অবশিষ্ট থাকবে, তখন লোকেরা তাদেরকেই ফতোয়া জিজ্ঞাসা করবে। ফলে তারা নিজেদের রায় দ্বারা ফতোয়া দেবে, যাতে তারা নিজেরা ভ্রষ্ট হবে এবং অপরকেও ভ্রষ্ট করবে।

عن عبد اللهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللهَ لاَ يَقْبِضُ الْعِلْمَ انْتِزَاعًا يَنْتَزِعُهُ مِنَ النَّاسِ وَلَكِنْ يَقْبِضُ الْعِلْمَ بِقَبْضِ الْعُلَمَاءِ حَتَّى إِذَا لَمْ يَتْرُكْ عَالِمًا اتَّخَذَ النَّاسُ رُءُوسًا جُهَّالاً فَسُئِلُوا فَأَفْتَوْا بِغَيْرِ عِلْمٍ فَضَلُّوا وَأَضَلُّوا

عن عبد الله بن عمرو بن العاص قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان الله لا يقبض العلم انتزاعا ينتزعه من الناس ولكن يقبض العلم بقبض العلماء حتى اذا لم يترك عالما اتخذ الناس رءوسا جهالا فسىلوا فافتوا بغير علم فضلوا واضلوا
(বুখারী ১০১, ৭৩০৭, মুসলিম ৬৯৭১)

03/05/2024

আবু দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট বের হয়ে আসেন, তখন আমরা দারিদ্র্য সম্পর্কে আলাপরত ছিলাম এবং আমরা সে বিষয়ে শংকিত ছিলাম। তিনি বলেন: তোমরা দারিদ্র্যকে ভয় করছো? সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! অবশ্যই তোমাদের উপর পৃথিবী প্রবল বেগে প্রবাহিত হবে (প্রভাব বিস্তার করবে), এমনকি পৃথিবী তোমাদের অন্তর কেবল তার দিকেই আকৃষ্ট করে ফেলবে। আল্লাহ্‌র শপথ! আমি তোমাদেরকে পরিচ্ছন্ন অবস্থায় ছেড়ে গেলাম, যার রাত-দিন ঔজ্জ্বল্যে সমান। আবূ দারদা (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্যই বলেছেন। আল্লাহ্‌র শপথ! তিনি আমাদের পরিচ্ছন্ন অবস্থায়ই ছেড়ে গেছেন, যার রাত ও দিন ঔজ্জ্বল্যে সমান।

بَاب اتِّبَاعِ سُنَّةِ رَسُولِ اللهِ

حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ سُمَيْعٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَفْطَسُ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجُرَشِيِّ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَنَحْنُ نَذْكُرُ الْفَقْرَ وَنَتَخَوَّفُهُ فَقَالَ ‏ "‏ آلْفَقْرَ تَخَافُونَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَتُصَبَّنَّ عَلَيْكُمُ الدُّنْيَا صَبًّا حَتَّى لاَ يُزِيغَ قَلْبَ أَحَدٍ مِنْكُمْ إِزَاغَةً إِلاَّ هِيَهْ وَايْمُ اللَّهِ لَقَدْ تَرَكْتُكُمْ عَلَى مِثْلِ الْبَيْضَاءِ لَيْلُهَا وَنَهَارُهَا سَوَاءٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ صَدَقَ وَاللَّهِ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ تَرَكَنَا وَاللَّهِ عَلَى مِثْلِ

01/05/2024

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, ইসলামের স্তম্ভ হচ্ছে পাঁচটি।
১. আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই এবং নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রসূল-এ কথার সাক্ষ্য প্রদান করা।
২. সলাত কায়িম করা।
৩. যাকাত আদায় করা।
৪. হাজ্জ সম্পাদন করা এবং
৫. রমযানের সিয়ামব্রত পালন করা

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Dhaka