03/12/2025
একটি নির্ভরযোগ্য হিফজ-স্পেশাল মাদরাসা ও ইসলামি কিন্ডারগার্টেন। এখন সাভার ক্যাম্পাসে ভর্তি চলছে।
একটি নির্ভরযোগ্য হিফজ স্পেশাল মাদরাসা ও ইসলামি কিন্ডারগার্টেন।
দু’আ ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক স্কুল (মাদরাসাতুদ দু'আ) ধর্মীয় এবং আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান । এটির লক্ষ্য হল প্লে থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদান করা। শিক্ষার্থীরা এখানে হিফজুল কুরআন এবং ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষায় সমানভাবে দক্ষতা অর্জন করবে। এছাড়া আরবি ও ইংরেজি ভাষায় বিশেষ পারদর্শিতা লাভ করবে, যাতে তারা
03/12/2025
একটি নির্ভরযোগ্য হিফজ-স্পেশাল মাদরাসা ও ইসলামি কিন্ডারগার্টেন। এখন সাভার ক্যাম্পাসে ভর্তি চলছে।
30/06/2025
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের ১ম বই পাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৫ গত ২৬ জুন, বৃহস্পতিবার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। একাডেমিক ব্যস্ততার কারণে এর আপডেট জানাতে লেইট হল। আফওয়ান।
প্রতিযোগিতায় পুরষ্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হচ্ছে যথাক্রমে:
১ম স্থান: তানজীলুর রহমান তাওয়াফ ( মাদানী নেসাব ১ম বর্ষ)
২য় স্থান: আব্দুল্লাহ মৃধা ( মাদানী নেসাব ২য় বর্ষ)
৩য় স্থান: আব্দুল্লাহ জোবায়ের ( হিফজ বিভাগ)
৪র্থ স্থান: সিফাতুল্লাহ সা‘দ ( মাদানী নেসাব ২য় বর্ষ)
৫ম স্থান: আরেফীন ইবনে আলী ( মাদানী নেসাব ২য় বর্ষ)
এছাড়াও বেশ ক‘জন শিক্ষার্থীরা ভালো প্রতিযোগিতা করেছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা তাদের সহ যারা সাহস করে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে তাদেরকে কামিয়াব করুন। যারা অংশগ্রহণ করতে পারেনি, তাদের আগ্রহ দান করুন এবং মাদরাসাতুদ দু‘আকে তার মানজিলে মাকসাদে পৌঁছার তাওফিক দান করুন। আমীন।
#মাদরাসাতুদ_দু_আ #বইপাঠ_প্রতিযোগিতা
#শিক্ষা #যোগ্যতা #দক্ষতা #প্রতিযোগিতা
23/06/2025
📖 আলোয় ভরা হাতে মোবাইল নয়, থাকুক একটি বই—
মাদরাসাতুদ দু’আ মনে করে—জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হতে শুধু ভালো পাঠ্যক্রম নয়, প্রয়োজন একটি ভালো পাঠাভ্যাস। আর পাঠাভ্যাস গড়ে উঠে বইয়ের সাহচর্যে, কল্পনার ডানায় ভর করে—notification-এর শব্দে নয়।
আমরা চাই, আমাদের শিক্ষার্থীরা হোক এমন এক প্রজন্ম—
যারা মোবাইল স্ক্রিনে নয়, কুরআন সুন্নাহ‘র আলো, সাহাবীদের জীবনী আর জ্ঞানীদের গল্পে জীবনের অর্থ খুঁজে পাবে। তাদের হৃদয়ে গড়ে উঠবে পাঠের প্রতি ভালোবাসা, চিন্তার প্রতি অনুরাগ এবং তৈরি হবে নৈতিক শক্তির ভিত।
🎉 ১ম বই পাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৫
📆 তারিখ: ২৬ জুন, ২০২৫, রোজ বৃহস্পতিবার। বাদ জোহর।
📚 যারা পড়েছে, লিখেছে, ভাবতে শিখেছে—তাদের জন্যই এই ময়দান।
একজন ভালো পাঠকই একদিন জাতির পথপ্রদর্শক হয়ে উঠার সবচে বেশি সম্ভাবনা রাখে।
আসুন, সন্তানদের হাতে তুলে দিই একটি বই— আর ফিরিয়ে নিই মোবাইল ডিভাইসের এমন জগৎ থেকে,যেখানে সময়, স্বপ্ন এবং জীবন সবই ধ্বংস হয়ে যায়।
#মাদরাসাতুদ_দু_আ #বইপাঠ_প্রতিযোগিতা #আলোকিত_প্রজন্ম
22/06/2025
আমাদের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আরমান হাসান (বর্তমান শিক্ষাথী: ঢাকা আলিয়া) এর তত্তাবধানে গত চারদিন ধরে মাদরাসাতুদ দু’আ-র মিরপুর ১২ শাখার শিক্ষার্থীরা লেখায় ঢেলেছে পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও সৃজনশীলতা। চলছিল আরবি ‘সুন্দর হাতের লেখা প্রশিক্ষণ’ আজ ছিল তার গৌরবময় সমাপ্তি দিবস।
🔹 শিক্ষার্থীদের চেষ্টা, শৃঙ্খলা ও ধৈর্যের এই চর্চা আমাদের নতুন করে আশাবাদী করে তুলেছে।
🔹 হাতে কলমে শেখা সেই চর্চা আজ রূপ নিয়েছে চোখ জুড়ানো প্রদর্শনীতে।
🔹 সেরা লেখকদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। আর বাকিদের মনে জাগানো হয়েছে আগামীর আগ্রহ।
📸 আমাদের গ্যালারিতে যুক্ত হয়েছে আজকের দিনের কিছু স্থিরচিত্র।
🎉 সাথেই ঘোষণা করছি—
📖 ঈদ পরবর্তী বইপাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে আগামী বৃহস্পতিবার ইনশাআল্লাহ!
✅ যেসব শিক্ষার্থী বই পড়েছে, তারা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে।
আসুন, আমরা সবাই মিলে শিশুর স্বপ্নকে একটু রঙ দেই—
হাতে কলমে, মনে আলোর বার্তা জাগিয়ে। 🌟
আল্লাহ তা’আলা আরমান হাসানকে ভরপুর কামিয়াবি দান করুন এবং তার পুরো পরিবারকে উত্তম জাযা দিন। আমিন।
#শিক্ষারআলো
26/05/2025
ছুটির নোটিশ
10/04/2025
মাদরাসাতুদ দু'আ আপনাদেরকে স্কুল ও কওমি মাদরাসা শিক্ষার সম্বয়ে এমন একটি কিতাব বিভাগ উপহার দিতে যাচ্ছে যা আপনার সন্তানকে একবিংশ শতাব্দীর অবাধ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সেরাদের মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ হতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে ইনশাআল্লাহ। এটির মিশন ও ভিশন এক কথায় বলতে গেলে— সুশিক্ষা ও চর্চার মাধ্যমে এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তোলা, যারা হবে শ্রেষ্ঠতম নবী মুহাম্মাদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শ্রেষ্ঠ ওয়ারিস ইনশাআল্লাহ৷ সভ্যতা, সংস্কৃতি ও শিক্ষা-দীক্ষার সমস্ত গণ্ডি পেরিয়ে তারা হয়ে উঠবে গ্লোবাল মুসলিম সিটিজেন। সর্বাবস্থায় দীনে ইসলামের একনিষ্ঠ খাদেম৷
১ম ও ২য় বর্ষে ভর্তি চলছে। আপনার সন্তানের আসন নিশ্চিত করতে শীঘ্রই যোগাযোগ করুন।
08/04/2025
হোয়াটসঅ্যাপ: 01907436883
যোগাযোগ : 01773386247
গুগল ফর্ম: https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeTrDhv_2jl_TRqaWbgfwHxWXtoZmjKqHnhhCRi-BiclSCvmg/viewform?usp=header
ছাত্র গড়ার কারিগর কারা?
আমার মাদরাসাজীবনের সূচনা হয় গাজীপুরের বরমী মাদরাসায়। মকতব থেকে তাইসীর পর্যন্ত পড়েছি। তাইসীরে ৩৫/৪০ জন ছাত্র ছিল। বেফাক পরীক্ষায় খুব সম্ভবত এক বিষয়ে ফেল করেছিলাম।
আমাদের সাথে ইরশাদুল্লাহ নামে একজন ছাত্র পড়ত। নেত্রকোনার মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সাহেবের সাথে সে বরমী এসেছিল। সে হাফেজ ছিল এবং মোটামুটি বয়স ছিল তার। আর আমি ছিলাম বাচ্চা পোলাপান। তাইসীর পড়ে সে চলে যায় মাদানীনগর, আমি চলে যাই বনানী মাদরাসায়।
মাঝখানে আর দেখা হয়নি। ২০০৬ সালে দারুল উলুম দেওবন্দ গিয়ে দাখেলা হল, আলহামদুলিল্লাহ। পড়াশোনা শুরু করলাম। কিছু দিন পর আমাদের রুমে একজন ছাত্রের সাথে ইরশাদুল্লাহ আসল। রুমে ঢোকার পর আমি তাকে চিনি ফেলছি। কিছু ক্ষণ পর বললাম, আপনার নাম এটা, আপনার বাড়ি ওখানে?
আশ্চর্য হল। তারপর পরিচয় দিলাম। সে বলল, তুই এখানে কেমনে? আমি তো ভাবছি তোর পড়ালেখা হবে না। হওয়ার কথা না। প্রচণ্ড দুষ্ট আর পড়ালেখায় উদাসীন ছিলে। সে বড় হওয়ার কারণে আমি কেমন ছিলাম এটা তার কাছ থেকে জেনেছি।
মীযান থেকে মেশকাত পর্যন্ত লাগাতার ৭ বছর বনানী কড়াইল মাদরাসায় পড়েছি। আমি মেধাবী না, এমনকি পরিশ্রমীও ছিলাম না। জালালাইনের বছর থেকে পড়ালেখা কিছুটা বুঝতে শুরু করেছিলাম। যতটুকু পড়ালেখা হয়েছে, সবটুকু আল্লাহর খাস রহমত এবং আমার উস্তাযগণের পরিশ্রমের ফসল।
মীযানের বছর দীর্ঘ অসুস্থ ছিলাম। এসে দেখি কিতাব প্রায় শেষ। বড় হুজুর বললেন, ছুটে যাওয়া সবক আমার কাছে ধরে নিবি। হুজুর মীযান ও ইলমুস সরফ পড়াতেন।
এরপর নাহুমীরের বছর। মোটামুটি পড়াশোনা হয়েছে। বেফাক পরীক্ষায় সম্ভবত জায়্যিদ জিদ্দান হয়েছিলাম। নাহুমীর শেষ হলেও ইবারত পড়তে ঝামেলা হতো। তারপর হেদায়াতুন্নাহুর বছর বড় হুজুর যাদুত তালেবীন পড়াতেন। কিতাব শুরু করার আগে ইবারত পড়ার জরুরি বিষয়গুলো আবার ইজরা করালেন। এর দ্বারা বিরাট উপকার হল।
তখন থেকে ইবারতে আর কোনো ঝামেলা হয়নি। শরহেবেকায়ার বছর পালিয়ে বাড়ি চলে গেছিলাম। উস্তাদগণের মাধ্যমে আবার ফেরত আসি। তবে বেফাক পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট হয়নি।
প্রত্যকে উস্তায কঠিন পরিশ্রম করে আমাদের পড়াতেন, ক্লাসের বাহিরে নেগরানি করতেন, পড়া বলে দিতেন, হাতের লেখা শেখাতেন। বানান শেখাতেন। আমার স্পষ্ট মনে আছে, শরহেবেকায়ার বছর কিশোরগঞ্জী হুজুর পর্দার আড়ালে কিতাব নিয়ে বসে থাকতেন। সামান্য ভুল হলেই সতর্ক করতেন।
হবিগঞ্জী হুজুর পাঠাগারের দায়িত্বে ছিলেন। আমাকে হুজুরের সঙ্গে রেখে পাঠাগারের দায়িত্ব পরিচালনা করতেন। ফলে ছাত্রদের বক্তৃতা লেখা, বই পড়া ইত্যাদির সুযোগ হয়। সম্ভবত এ কারণে এক-দুই অক্ষর লেখার সুযোগ পেয়েছি এখন।
মেশকাতের শারহুত তীবী, মিরকাত এবং তালিকুস সাবী ইত্যাদি কিতাব বড় হুজুর ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। সিলেটী হুজুর দিয়েছিলেন বায়যাবীর শরাহ শেখযাদাহ। কোনো কিতাব না বুঝলে সিলেটী হুজুর ছিলেন ভরসা। এভাবে সকল উস্তাদ আমাদের পেছনে মেহনত করতেন।
আমার মনে হয়, আমি বড় মাদরাসায় পড়লে কিছুই হতে পারতাম না। ভালো ছাত্রদের ভীড়ে হারিয়ে যেতাম। দারুল উলুম দেওবন্দে প্রথম বছর দাখেলা পাওয়া ছিল সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয়। ঠিক একইসময় জানতে পারি বেফাকে মেধাতালিকায় নাম এসেছে। আলহামদুলিল্লাহ।
বনানী কড়াইল মাদরাসা ছিল তখন ছোট্ট মাদরাসা। ভালো ভালো ছাত্র এসে বেশি দিন থাকত না। ওরা বড় বড় মাদরাসায় চলে যেত। তখন রাহমানিয়া ও জামেউল উলুমের সুনাম ছিল বেশি। আমাকেও ওরা বলত, চল তোকে ভর্তি করিয়ে দেবো। আমার যাওয়া হয়নি। যেতে পারিনি। এক মায়ার বন্ধনে উস্তাযগণ আটকে ফেলেছিলেন।
আমার মনে হয় ছাত্র গড়ার আসল কারিগর ছোট্ট মাদরাসা। তার মানে এই না যে, বড় মাদরাসার অবদান নেই। বড় মাদরাসা তো শুধু ভালো ভালো ছাত্র ভর্তি করে, খারাপ ছাত্রদের সুযোগই দেয় না।
আমার উদ্দেশ্য হল, উস্তাদ ভালো হলে ছোটো মাদরাসায় পড়লেও সমস্যা নেই।
লিখেছেন: মুফতি মহিউদ্দীন কাসেমী হাফিজাহুল্লাহ
সফলতার মূল চাবিকাঠি মেধা নয়, পরিশ্রম। আপনি যদি চান আপনার সন্তান অধ্যবসায়ী হয়ে শিক্ষা ও জীবন উভয় ক্ষেত্রে সফল হোক, তবে মাদরাসাতুদ দু’আকে বেছে নিতে পারেন। এখানে আমরা আপনার সন্তানকে শেখাব কিভাবে পরিশ্রম করে শ্রেষ্ঠ নবীজির শ্রেষ্ঠ ওয়ারিস হিসাবে বিশ্বের বুকে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা যায় বিতাওফীকিল্লাহ।
04/04/2025
ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল সকাল ৯:০০ টা থেকে আমাদের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। যারা আসবেন, তাদের জন্যে যাতায়াত তথ্য দেওয়া হল—
১. মিরপুর ১২ তে নেমে যেকোনো অটো রিকশা করে ইস্টার্ন হাউজিং এম-ব্লকে আসবেন। সেখানে রিকশাওয়ালাকে বলবেন মৃত মোখলেস মোল্লার বাড়িতে নিয়ে যেতে। প্রথমে মোখলেস মোল্লার বাড়ি বললে ওরা ভাড়া বেশি চাইবে।
২. গাবতলী থেকে ইস্টার্ন হাউজিং বেড়িবাঁধ, সেখান থেকে অটোরিকশা করে ইস্টার্ন হাউজিং বিদ্যুৎ অফিসে আসবেন। সেখানে এসে বলবেন মৃত মোখলেস মোল্লার বাড়ি। মাদরাসাতুদ দু'আ।
29/03/2025
আলহামদুলিল্লাহ, বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে। আগামীকাল পবিত্র ঈদুল ফিতর।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদের ঈদকে আনন্দময় করুন । আমাদের পরিবারে বারাকাহ দান করুন। তাকাব্বালাল্লাহু মিননা ওয়া মিনকুম। ঈদুল ফিতর মোবারক।