10/08/2025
আমার স্ত্রী দেখতে অপূর্ব, অথচ জানো—কী আশ্চর্য! এখন আর ওকে আগের মতো ভালো লাগে না।
শুধু আমি না, এমন সমস্যায় ভুগছে অনেকেই।
আমাদের বিয়ে আট বছর পার করেছে। একটা ছোট্ট মেয়ে আছে, ওর বয়স পাঁচ। অথচ আমি এখন সন্ধ্যা হলে বাসায় ফিরতে চাই না। অফিস থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, ঘোরাঘুরি—সবই করছি, শুধু যেন স্ত্রীর মুখটা না দেখতে হয়। অথচ আগে কেমন ছিল?
ওর একটু হাসি, একটু ছোঁয়ার জন্য সারাদিন অপেক্ষা করতাম। অফিস থেকে বেরিয়েই বাসার পথ ধরতাম।
এখন? ওর ফোন এলে ধরি না। চোখে চোখ পড়লে ঝগড়া হয়। ওর কথায় বিরক্তি লাগে, ওর ছোঁয়ায় ক্লান্তি আসে।
নিজেকে প্রশ্ন করলাম, কেন এমন হল?
বন্ধুদের বললাম, "এই টান ফুরিয়ে যাওয়াটা কি স্বাভাবিক?"
জবাব পেলাম, "এক জিনিস কি আর সারাজীবন ভালো লাগে?"
এই উত্তর মানতে মন চাইল না।
কারণ, আমার স্ত্রী তো আমায় এখনও আগের মতোই ভালোবাসে।
ও তো বদলায়নি! তাহলে আমি কেন বদলে গেলাম?
অসহায় মনে একদিন গেলাম এক মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে। ওনার সামনে গিয়ে সব খুলে বললাম।
ডাক্তার শান্তভাবে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন,
"আপনি কি আল্লাহর ওপর বিশ্বাস রাখেন?"
আমি বললাম, "জ্বি, অবশ্যই।"
ডাক্তার বললেন,
"তাহলে কোরআনের একটা আয়াত মনে রাখুন।
সুরা নূর-এ বলা হয়েছে—
‘পুরুষদের বলো, তারা যেন দৃষ্টিকে সংযত করে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে।’
এই একটি আদেশ পালন করুন। এক মাস।
কোনো ওষুধ লাগবে না। কেবল এটুকুই করুন—আপনার সমস্যা দূর হয়ে যাবে।"
আমি ভেবেছিলাম, এত সহজ কোনো সমাধান হয় নাকি?
তবু কথা দিলাম। চেষ্টা করবো।
চেষ্টা শুরু করলাম। চোখ নামিয়ে হাঁটলাম, রাস্তায় মেয়েদের দেখেও দৃষ্টি ফিরিয়ে নিলাম।
যেদিন প্রথম একজন আকর্ষণীয় মেয়েকে দেখে চোখ রাখতে চেয়েছিলাম,
ঠিক তখনই মনে পড়ল আল্লাহর আদেশ।
দৃষ্টি সরিয়ে নিলাম।
একদিন রাতে প*র্ন দেখতে মন চাইল।
মোবাইল হাতে নিয়েই বুকটা ধড়ফড় করতে লাগল।
"না, এটা করব না,"
নিজেকে বোঝালাম।
দিন যেতে লাগল।
পনেরো দিন পর…
এক বিকেলে অফিস থেকে বের হয়ে বন্ধুরা ফোন করল আড্ডায় যেতে।
কী জানি কী হল, আমি ওদের ‘না’ বলে বাসার দিকে ছুটলাম।
প্রথমবার, দীর্ঘদিন পর।
বাসায় ঢুকেই চিৎকার করে ডাকলাম,
"আকলিমা, কোথায় তুমি?"
স্ত্রী রান্নাঘর থেকে ছুটে এলো।
আমি ঝট করে ওকে কোলে তুলে নিলাম।
সেই পুরোনো দিনের মতো।
ও বিস্ময়ে বলল,
"কি হলো তোমার? ছেলে ঘুমাচ্ছে!"
আমি কিছু না বলে বললাম,
"ভালোবাসি তোকে, আকলিমা… অনেক অনেক ভালোবাসি।"
পরদিন গেলাম ডাক্তারের কাছে।
ডাক্তার হেসে বললেন,
"এখনো তো এক মাস হয়নি।"
আমি বললাম,
"হয়েছে ডাক্তার সাহেব, সব বদলে গেছে।
আমি আবার আমার স্ত্রীকে ভালোবাসতে শিখেছি।"
আজ আমি বুঝি—
আমরা আসলে নিজেদেরই হারিয়ে ফেলি।
আমাদের দৃষ্টি, মন আর লজ্জার সীমানা ঠিক রাখতে পারলেই,
আমাদের হৃদয়ে ফিরে আসে সেই পুরোনো প্রেম।
সব পুরুষের প্রতি একটাই অনুরোধ—
একবার চেষ্টা করে দেখুন।
আপনার সংসার, আপনার ভালোবাসা, সব কিছু নতুন হয়ে উঠবে।
#Collected
13/07/2025
যে জিনিসগুলো মহিলারা সবসময় জোরে বলে না

1. মহিলারা প্রায়ই ইঙ্গিত বোঝে, কিন্তু না ভান করে।
2. মহিলারা এমন একজনের প্রতি অনুভূতি তৈরি করতে পারে যিনি দূরত্ব বজায় রাখেন।
3. মহিলারা ফ্লার্টিং উপভোগ করতে পারে, কিন্তু এর জন্য বিচার করতে চায় না।
4. প্রেমে পড়া মহিলারা তাদের সঙ্গীর চারপাশে কৌতুকপূর্ণ বা শিশুসুলভ আচরণ করতে পারে।
5. একজন মহিলা যিনি আপনাকে ভালোবাসেন যদি অন্য পুরুষরা তার সাথে ফ্লার্ট করে তবে আপনাকে বলবে।
6. কারো জন্য রান্না করা দেখায় একজন মহিলা যত্নশীল।
7. একজন মহিলা একজন পুরুষের চরিত্রের উপর ভিত্তি করে ঘনিষ্ঠতা বেছে নিতে পারেন।
8. বিশ্বাসের সমস্যাযুক্ত মহিলারা তাদের পিতার দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ!
8.1 হা বার দেখা হয়েছে
60টি আপভোট দেখুন
1টি শেয়ার দেখুন
আপভোট
60
1
1
আভাস দুর্জয়
-এর থেকে 1টি মন্তব্য
বিজ্ঞাপন

আহমেদ সৌমিক
·
অনুসরণ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার অব ফার্মেসী (2026-এ আশা করা হচ্ছে)30 জুন
প্রতিবার বীর্যপাতে প্রায় ৩০-৫০ কোটি শুক্রানু নারীর যোনিতে প্রবেশ করে। যেহেতু শুক্রাণুগুলো নারীর দেহের কোনো অংশ নয়, কাজেই নারীদেহ এসব শুক্রাণুগুলোকে বহিরাগত হিসেবে চিহ্নিত করে। আর এসব শুক্রানুকে হত্যা করার জন্য তার ইমিউন সিস্টেমকে এক্টিভ করে দেয়। ইমিউন সিস্টেম এক্টিভ হবার সাথে সাথেই শরীরে থাকা B-cell একধরণের অ্যান্টিবডি প্রস্তুত করতে থাকে। এবং পরবর্তীতে এই অ্যান্টিবডি একে এক সকল শুক্রাণুদের হত্যা করা শুরু করে দেয়। এই বিশাল হত্যাযজ্ঞকে অতিক্রম করে কেবল কয়েকশো শুক্রাণু নারীর জরায়ুতে পৌছাতে পারে। পরবর্তীতে এই কয়েকশো শুক্রাণু থেকে কেবল একটি শুক্রাণু ডিম্বানুর ভিতর প্রবেশ করে ও নিষেক সম্পন্ন করে জাইগোট গঠন করে। এই জাইগোটই হচ্ছে মানব জীবনের প্রথম কোষ।
এই জাইগোটে যেমন মায়ের জিন আছে, তেমনি বাবার জিনও আছে। আর বাবার জিন মানেই তো বহিরাগত। কাজেই একে হত্যার জন্য পুণরায় ইমিউন সিস্টেম এক্টিভ হবে— এমন সময় নারীদেহ সিগন্যাল পাঠায়, “এরা কেউ আমার শত্রু নয়।” এই সিগন্যাল পাবার সাথে সাথেই ইমিয়ুন সিস্টেম তার কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে পরবর্তী ১০ মাস নারীর গর্ভে পরম যত্নে লালিত হতে থাকে মানব ভ্রুণটি।
যে নারীদেহ শুক্রানুগুলোকে হত্যার জন্য ইমিয়ুন সিস্টেমকে নির্দেশ দিয়েছিলো, নিষেক সম্পন্ন হবার পর সেই একই নারীদেহ মানব সন্তানের প্রতিটি কোষে মাতৃত্বের প্রতিটি নিঃশ্বাস ঢেলে দেয়।
সুতরাং আপনিই বলুন, আপনি আপনার প্রতিপালকের কোন অবদানকে অস্বীকার করবেন?
14/01/2025
⚕️ যৌন রোগের সু-চিকিৎসা করা হয়ঃ♀️
১। যে সকল ভাইয়ের দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায়
২।যাদের লিঙ্গ ছোট ও নিস্তেজ হয়ে গেছে
৩।হস্তমৈথুন বা হাত দিয়ে সব শেষ করে দিয়েছেন
৪।বীর্য কি পানির মত পাতলা হয়ে গেছে
৪।স্ত্রীকে কি আপনি সন্তুষ্ট করতে অক্ষম,
৫।প্রসাবে জ্বালাপোড়া হয়
৬।বিবাহ করতে ভয় পাচ্ছেন ,
৭।পুরুষলিঙ্গ ১-২ ইঞ্ছি লম্বা/মোটা, স্ট্রং করতে চান
৮।যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে এক রাতে ২-৩ বার মিলন করতে চান,
৯। অল্প উত্তেজনায় যাদের লিঙ্গের মাথায় লালা চলে আসে
১০।বীর্য পাত, লিঙ্গের আগা মোটা গোরা চিকন
রোগের সঠিক সমাধান পেতে নক করুন ,
🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿
🟪আমাদের মেডিসিন সম্পুর্ন ভাবে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত এবং 99% সুচিকিৎসা দেওয়া হয়।
22/10/2024
শুধুমাত্র শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করা ও বাচ্চার জন্ম দেওয়ার জন্য মানুষ সংসার করে না।
সংসার একটা অভ্যেস, যা একসাথে থাকতে থাকতে গড়ে ওঠে, একে অপরের সাথে কথা বলতে বলতে, একে অপরকে সহ্য করতে করতে এই অভ্যেস গড়ে ওঠে।
সংসার মানে হলো একসাথে থাকতে থাকতে একে অপরের গায়ের গন্ধটা আত্মস্থ করে নেওয়া। সংসার মানে হলো মানুষটা মুখের সামনে এসে দাঁড়ালেই মানুষটার মনের ভেতর কি চলছে, সেটা বুঝে ফেলা।
সংসার মানে হলো বর অফিস থেকে ফিরলে এক গ্লাস জল রোজই মুখের সামনে তুলে ধরা।
সংসার মানে হলো ছেঁড়া বোতাম সেলাই করতে করতে নিজেদের ভেতর ভুল বোঝাবুঝি গুলো মাঝেমধ্যে সেলাই করে নেওয়া।
সংসার মানে হলো এডজাস্টমেন্ট, "তোমার আমার" থেকে আমাদের হয়ে ওঠা। সংসার মানে মাছের ঝোলে নুন বেশি হলেও চুপচাপ হাসিমুখে খেয়ে ফেলা, সংসার মানে হলো রোজই বিছানার উপর রাখা নিজের পার্টনারের ভেজা টাওয়ালটা মেলে দেওয়া।
সংসার মানে হলো বিয়ের ডেট, একে অপরের জন্মদিনের তারিখ ভুলে গেলেও মানিয়ে নেওয়া।
সংসার মানে গাঢ় নীল রং নিজের পছন্দ না হওয়া সত্ত্বেও পার্টনারের পছন্দ বলে একদিন নীল রঙের পাঞ্জাবিটা পরে ফেলা, আবার তেমনি শাড়ি পরতে একটুও ভালো না লাগলেও এক দুটো দিন নিজের পার্টনারের পছন্দকে গুরুত্ব দিয়ে একটা লাল টকটকে শাড়ি পরে পার্টনারের সামনে এসে দাঁড়ানো।
সংসার হলো একটা প্রতিজ্ঞা, যার ভেতর মান, অভিমান, রাগ, ক্ষোভ, দুঃখ, ব্যথা সবই থাকবে, কিন্তু দিনের শেষে একে অপরের মুখের সামনে ভাতের থালা তুলে দেওয়ার প্রতিজ্ঞাটা একে অপরকে করতে হবে।
সংসার মানে হলো মাসের শেষে টাকাপয়সার হিসেব করতে করতে একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে বলা "আজ তোমার কোলে মাথা রেখে ঘুমাবো, আজ আমায় একটু ঘুম পাড়িয়ে দাও"
সংসার মানে হলো মাঝরাতে বরকে ঘুম থেকে তুলে শিশির ভেজা রাস্তায় হাঁটতে যাওয়ার বায়না ধরা।
সংসার করা সহজ, কিন্তু একটা সংসারকে প্রতি মুহূর্তে যাপন করা সহজ নয়
সংসার মানে হাজারো ব্যস্ততার মধ্যেও একবার অন্তত ফোন করে জিজ্ঞেস করা "খেয়েছো"
সংসারে ওঠানামা, ভাঙাগড়া থাকবেই, কিন্তু হাঁপিয়ে গেলে চলবে না, একে অপরকে মানিয়ে নিতে হবে, একে অপরের সমস্যায় পাশে থাকতে হবে, একে অপরকে সাহস যোগাতে হবে
সংসারে কেউ কারোর থেকে ছোট বা বড় হয় না, দুজনেই দুজনের পরিপূরক হয়, তাই সংসার করতে গেলে একে অপরকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করা বড্ড জরুরি
19/10/2024
সেক্সের সময় মহিলারা যেসব ভুল করেন, জানুন কী কী এবং কীভাবে ঠিক করবেন
*************************************************************
মহিলারাও সেক্সে পুরুষদের মতোই আনন্দ উপভোগ করেন। তবে অনেক সময় মহিলারা কিছু ভুল করে ফেলেন, যার কারণে তারা সেক্সের পূর্ণ আনন্দ নিতে পারেন না। এই ধরনের ভুল এড়িয়ে গেলে সম্পর্ক আরও গভীর হতে পারে এবং যৌন জীবনের উন্নতি ঘটে।
আসুন জেনে নিই সেসব ভুল কী কী এবং কীভাবে সেগুলো ঠিক করা যায়।
************************************************************
১. সঙ্গীকে ইচ্ছা এবং পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কে না জানানো
আপনার সঙ্গীকে জানানো জরুরি যে আপনার পছন্দ-অপছন্দ কী, কীভাবে আপনি যৌনতা উপভোগ করতে চান। যদি এক বা দুইবার বলার পরেও তিনি বুঝতে না পারেন, তাহলে আবারও বলা দরকার। পুরুষরা অনেক সময় উত্তেজনার মুহূর্তে বিষয়গুলো ভুলে যেতে পারেন, কিন্তু সঙ্গী যদি আবারও মনে করিয়ে দেন, তবে সেটা সম্পর্ককে আরও গভীর করতে পারে।
২. উদ্যোগ না নেওয়া
অনেক সময় মহিলারা যৌনতায় প্রথম পদক্ষেপ নিতে পিছপা হন, যা ভুল হতে পারে। লজ্জাবোধ থাকা ভালো, তবে যৌনতায় প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। শুধু পুরুষদেরই যৌনতা শুরু করতে হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই। আপনার সঙ্গীর কাছে আপনার চাহিদা প্রকাশ করুন। চুম্বন বা শরীরে স্পর্শের মাধ্যমে আপনার ইচ্ছা প্রকাশ করতে পারেন।
৩. নিজের শরীরের খুঁত নিয়ে বেশি চিন্তা করা
যদি কেউ আপনাকে ভালোবাসেন এবং আপনার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করতে চান, তবে তারা আপনার শরীরের খুঁতগুলোর দিকে তাকাবেন না। বরং আপনার শরীরের উষ্ণতা অনুভব করবেন। নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস রাখুন এবং আপনার শরীরকে ভালোবাসুন। অনেক সময় যা আপনি খুঁত মনে করেন, তা আপনার সঙ্গীর কাছে আকর্ষণীয় হতে পারে।
৪. নিজেকে নিয়ে অস্বস্তি বোধ করা
যৌনতার সময় নিজেকে নিয়ে বেশি চিন্তাভাবনা করা উচিত নয়। যদি আপনি ক্রমাগত ভাবেন, “আমি কি সঠিক কাজ করছি?” তাহলে সেই অস্বস্তি আপনার যৌনতার আনন্দকে নষ্ট করতে পারে। যৌনতাকে স্বাভাবিকভাবে উপভোগ করুন, এতে আপনার সঙ্গীও আনন্দিত হবেন।
৫. বিছানায় অতিরিক্ত লাজুক থাকা
সেক্সের সময় নিজেকে প্রকাশ করতে ভয় পাবেন না। লাজুক হওয়া অনেক সময় যৌনতার আনন্দকে ম্লান করে দেয়। নিজেকে স্পর্শ করুন, সঙ্গীকে স্পর্শ করুন, এবং যৌনতাকে আবিষ্কার করুন। যৌন জীবনে খোলামেলা থাকা সম্পর্ককে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে।
19/10/2024
স্তন স্পর্শে কি আদৌ যৌন সুখ আসে? পুরুষরা নারীদের এই গোপন খবর জেনেনিন'
------------------------
কালিদাস তাঁর কাব্যের উত্তরমেঘ পর্যায়ে এসে যক্ষবধূর কথা যখন লিখলেন, তার মধ্যে বিশেষ করে নজর কাড়ে নায়িকার উত্তমাঙ্গের বর্ণনা, নরেন্দ্র দেব যার তর্জনা করেছেন- কুচ চা'পে নত যুবতী- যেন বা বিধাতা প্রথম সৃজিল তারে! নারীর শা'রীরিক সৌন্দর্য ব্যাখ্যায় স্ত'নের প্রসঙ্গ আসাটাই স্বাভাবিক, এর মধ্যে পুরুষতান্ত্রিকতা খোঁজা অবান্তর!
অন্য দিকে, ওই সংস্কৃত কাব্যের যত্র-তত্র, যেখানে ছড়িয়ে রয়েছে নায়ক-নায়িকার যৌ'ন মিলনের কথা, সে প্রসঙ্গে কবিরা, সবাই যদিও নয়, এক বিশেষ দিক কখনওই উল্লেখ করতে ভোলেন না।
তাঁরা লেখেন, নায়কের নখের আ'ঘাতে নায়িকার স্ত'নবৃন্তের চারপাশে যে দাগ পড়েছে, তা যেন র'ক্তচন্দনের আলপনা! সে না হয় হল! বুঝে নিতে অসুবিধা নেই প্রাপ্তবয়স্কদের- নারীর এই অঙ্গ কীভাবে পুরুষকে উতলা করে তোলে। কিন্তু স্ত'নস্পর্শে কি মেয়েরা আদৌ যৌ'ন সুখ লাভ করেন? স্ত'নকে কি যৌ'নাঙ্গ হিসাবেই চিহ্নিত করতে হবে এই দিক থেকে?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে সংস্কৃত কাব্যের যুগ থেকে আমরা বেশ অনেকটা নিচে নামব, সরাসরি চলে আসব ১৯৬০ সালে, প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্যে। সেই সময়ে ডা. উইলিয়াম মাস্টারস আর ভার্জিনিয়া জনসন (Virginia Johnson) এক সমীক্ষা চা'লিয়েছিলেন। তাঁরা বুঝতে চেয়েছিলেন স্ত'ন নারীর যৌ'নসুখের পথ প্রশস্ত করে কি না, করলে এর শারীরবৃত্তীয় র'হস্য কী!
সমীক্ষা শেষে তাঁরা বলেছেন যৌ'ন উদ্দীপনার মুহূর্তে স্ত'নের আকার এবং স্ত'নবৃন্তের চারপাশের বৃত্তাকার অংশ আয়তনে স্ফীত হয়; যোনিসুখের মুহূর্তে কঠিন হয়ে ওঠে স্ত'নবৃন্ত। বাদ যায়নি স্ত'ন্যদানের প্রসঙ্গও। তাঁদের সমীক্ষায় না কি ধরা দিয়েছিল স্ত'ন্যদান নারীদের যৌ'নসুখের চ'রম সীমাতেও নিয়ে যেতে পারে, এই সময়ে মস্তিষ্কে অক্সিটোসিন নামে এক ধরনের হরমোনের ক্ষরণ হয়, যা কি না যোনিমিলনের সময়েও ঘটে, অতএব দুইয়ে দুইয়ে চারে আসতে ডাক্তারদের কোনও অসুবিধাই হয়নি!
অসুবিধাটা হল সমাজের! অনেকেই বললেন- এই সমীক্ষা পক্ষপাতদুষ্ট, তা নির্ভু'ল হতে পারে না। ফলে আরও পরে, ১৯৮৩ সালে যখন ১২১ জন নারীকে নিয়ে আরও একটি সমীক্ষা চা'লানো হল, সেবার ফলাফল এল বিপরীত। এই সমীক্ষায় ভাগ নিয়ে স্ত'ন্যদাত্রীদের ৬২.৬৫ শতাংশই বললেন স্ত'ন্যদানের সময়ে তাঁরা একেবারেই যৌ'ন আনন্দ লাভ করেন না! অনেকের মতে, স'ন্তানের জন্মের পর বেশ কিছু দিন নারীরা যৌ'ন মিলনে আগ্রহী থাকেন না, সে কারণেও হয় তো তাঁদের এই উক্তি! অবশ্য তাঁদের মধ্যে ১১.৩ শতাংশ সোজাসাপটা বলতে ছাড়েননি স্ত'ন্যদানে ব্রেস্ট স্টিমুলেশন বা স্ত'নদেশে উদ্দীপনার অভিজ্ঞতা তাঁদের আছে বইকি!
কিন্তু এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলা গেল না! তাই ২০০৬ সালে এসে সমীক্ষার নারীদের সংখ্যা বাড়ানো হল, এবারে ১৫৩ জনের দল নিয়ে চলল পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ। এবার আর স'ন্তানজন্মের পরের অনীহার কথা ভেবে ওই দিকে গেলেন না গবেষকরা, সরাসরি বি'ষয়টাকে সীমাবদ্ধ রাখলেন যৌ'ন পরিসরে। ৮২ শতাংশ নারী তাতে বললেন যৌ'ন মিলনের সময়ে পুরুষের স্পর্শে তাঁদের কুচযুগে উ'ত্তেজনা জাগে, ৬০ শতাংশ আরও স্পষ্ট করে বললেন এই জন্যেই তাঁরা যৌ'ন মিলনের সময়ে পুরুষদের বার বার তাঁদের স্ত'ন নিয়ে খেলা করতে বলেন।
তাহলে সিদ্ধান্তটা কী দাঁড়াল? সত্যি বলতে কী- কিছুই না! কে কীভাবে যৌ'ন সুখ লাভ করেন, তা সব শেষে গিয়ে বলতে হয় একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার! এখানে সার্বজনীন মতগ্রাহ্য সূত্র কাজ করে না। অতএব, যাঁদের স্ত'নস্পর্শ করলে তাঁরা আনন্দ পান, তাঁদের উ'ত্তেজনা জাগে। যাঁদের জাগে না, তাঁরা বির'ক্ত হন, স্ত'ন নিয়ে পুরুষের কল্পনাবিলাস দেখে অবাকও হন হয় তো বা!
14/10/2024
যেসব কারনে একজন নারী মা হতে পারে না/-
১/সঠিক নিয়মে যৌন মিলন না করলে,
২/জরায়ুতে পলিসিস্টিক ওভারি থাকলে,
৩/যৌনিতে চকলেট সিস্ট হলে,
৪/অধিক ওজন থাকলে,
৫/পিরিয়ড ঠিকমতো না থাকলে,
৬/জরায়ু ছোট থাকলে,
৭/জরায়ু ক্ষতিগ্রস্থ থাকলে,
৮/যৌন মিলনে অর্গাজম না হলে,
৯/মহিলাদের বন্ধ্যত্ব জনিত সমস্যা থাকলে,
১০/পুরুষের যৌন মিলনে অক্ষমতা অথবা বন্ধ্যাত্ব জনিত সমস্যার কারনে।
06/10/2024
নারীর যৌন তৃপ্তির লক্ষণঃ
১) দেহ নুইয়ে পড়ে ।
২) সারাটা দেহে যেন অবসান আসে ।
৩) দ্রুত হৃদস্পন্দন হতে থাকে ।
৪) আবেশে চোখ বুজে থাকে ।
৫) যোনি থেকে রসস্রাব ক্রমাগত নির্গত হয় ।
৬) নারীর সারা দেহে পুনঃপুনঃ শিহরণ হতে থাকে ।
৭) ধীরে ধীরে গোঁ গোঁ বা প্রাণীর অনুরূপ শব্দবের হতে পারে ।
৮) সে পুরুষকে জোর করে বুকে চেপে ধরে রাখতে পারে ।
৯) সারা শরীর কাঁপা দিয়ে উঠতে পারে ।
১০) সব শেষে অনেকে জোরে জোরে হাসে আবার অনেকে মুচকি হাসি দিতে দিতে চোখ বুজে ঘুমিয়ে পরে।
S*x Education (গোপন সমস্যা সমাধানের পরামর্শ)
S*x Education
04/10/2024
একজন ভাই প্রশ্ন করেছেন, সহবাসের পদ্ধতি নিয়ে।
উত্তর :-সহবাস এর ৩ টা পদ্ধতি
১/_ স্ত্রী নিচে শুয়ে থাকবে এবং স্বামী তার স্ত্রী এর উপরে আলতো ভাবে শুবে। তারপর সহবাস করতে হবে।
( এই পদ্ধতি টা হলো সবচেয়ে উত্তম ও প্রধান নিয়ম )
২/_ স্বামী স্ত্রী পরস্পরের দিকে মুখ করে বিছানায় শুবে। তারপর স্ত্রী নিজের রান স্বামী কোমরের উপর রাখতে হবে।
এবং স্বামী আরও কাছে আসে স্ত্রীর সাথে সহবাস করবে।
৩/_ স্বামী বিছানায় শুবে,, এবং স্ত্রী নিজের স্বামীর উপর আলতো ভাবে শুবে। এবং সহবাস করবে।
01/10/2024
কোন রোগের জন্য কি টেষ্ট করা হয়ঃ
🔴CBC যে যে রোগে করা হয়ঃ
⏩জ্বর হলে কি কারণে হচ্ছে তার ধারণা নেয়ার জন্য।অনেক সময় blood culture করতে হয়।
⏩শরীরে রক্তের পরিমাণ কেমন আছে জানার জন্য।
⏩রক্তের ঘাটতি থাকলে সেটা আয়রণ বা ভিটামিনের অভাবে হচ্ছে কিনা জানার জন্য।
⏩শরীরে এলার্জি কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়।
⏩রক্তে ইনফেকশন বা প্রদাহ কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়।
⏩রক্ত জমাট বাধার উপাদান কি পরিমাণ আছে তা জানা যায়।
⏩ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে কিনা তার ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।
🔵Urine R/E প্রস্রাব টেস্ট যে যে কারনে করা হয়ঃ
👉ইনফেকশন আছে কিনা,থাকলে সিভিয়ারিটি কতটুকু
👉ডায়াবেটিস আছে কিনা
👉প্রোটিন যায় কিনা
👉রক্ত যায় কিনা
👉কিডনীতে পাথর আছে কিনা
🔴RBS-Random Blood Sugar: ডায়াবেটিস আছে কিনা তার ধারণা করার জন্য প্রাথমিক টেস্ট।
🔵Serum Creatinine:যেইসব রোগীর কিডনীর সমস্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হয় এ টেস্ট তাদের করা হয়।(প্রেশার ও ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বাধ্যতামূলক টেস্ট। ব্যথার ঔষধ দেয়ার আগেও এটেস্ট করা উচিত)
🔴Lipid profile: রক্তে চর্বির পরিমাণ বুঝার জন্য এটা করা হয়।হার্টের ও প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগীর জন্য এটা খুব জরুরি।
🔵Serum Bilirubin: জন্ডিস আছে কিনা দেখা হয়।একদম প্রাথমিক টেস্ট।জন্ডিস হয়ে গেলে আরো টেস্ট করতে হয়।
🔴SGPT/SGOT: লিভারের কন্ডিশন বুঝার জন্য এটা করা হয়।লিভার কতটুকু এনজাইম উৎপন্ন করছে তা দেখা হয়।
🔵Serum Electrolyte: রক্তে খনিজের পরিমাণ জানার জন্য এটা করা হয়।শরীর দূর্বল লাগলে,বেশীবমি, ডায়রিয়া এসব ক্ষেত্রে এ পরীক্ষা করা হয়।
🔴HBsAG: জন্ডিস এবং লিভার কন্ডিশন বুঝার জন্য এ পরিক্ষা করা হয়।
🔵HBA1c: ডায়বেটিস বা রক্তে গ্লুকোজ নির্ণয়ের জন্য করা হয়।
🔴S. Uric Acid: কিডনির কার্যক্ষমতা নির্ণয় করারা জন্য এ পরিক্ষা দেওয়া হয়।
🔵LFT: লিভারের সমস্যা বুঝতে এ পরিক্ষা করা হয়।
🔴BT CT: রক্তরােগের ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।
🔵Via Test: সার্ভিক্সের ইনফেকশন বা ক্যান্সার নির্ণয়ের জন্য এ পরিক্ষা করা হয়।
🔴TSH: Thyroid stimulating hormone এই পরিক্ষা হরমন নির্ণয়ের জন্য করা হয়।
🔵EcG: হৃদরােগের অবস্থা বুঝার জন্য প্রাথমিক টেস্ট।
🔴chestX-ray: বুকের ও হার্টের কন্ডিশন বুঝার জন্য।