স্মোকিং মানে ফ্যাশন, আর্ট বা দুশ্চিন্তা করা নয় স্মোকিং মানে হলে নিজেকে সময় দেয়ার কথা স্বাধীন ভাবে ভাবে চিন্তা করা। যতক্ষণ পর্যন্ত সিগারেট হাতে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত নিজেকে কিভাবে সময় দেয়া যায় সেই চিন্তাভাবনা ই করা হয় কিন্তু আগুন নিভে গেলে আবার অন্যের মধ্যে হারিয়ে যায় তা ক্রমাগত বাড়তেই থাকে নিজেকে আর সময় দেয়া হয়না৷ পরিকল্পনার মাঝে পরি উড়ে যায় শুধু কল্পনা এক পরে থাকে।
বাস্তবিক ও মানবিক চিন্তা
Sometimes upload Mind thought
22/06/2025
এক রাতের জন্য প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা বাজি রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র—ইসরায়েলের জন্য!
আমরা অনেক সময় ভাবি যুদ্ধ শুধু পলিসি বা স্ট্র্যাটেজির ব্যাপার। কিন্তু বাস্তবতা হলো—এটা বিশুদ্ধ "বিনিয়োগ"। এবং যুক্তরাষ্ট্র সেই বিনিয়োগ করেছে ইসরায়েলকে টিকিয়ে রাখতে, মুসলিম শক্তিকে ধ্বংস করতে।
চলুন একটু হিসাব করি:
💣 একটি বাংকার ব্ল্যাস্টার বোমা = প্রায় ৬০০ কোটি টাকা
➡️ ৬টি ব্যবহৃত হয়েছে = ৩৬০০ কোটি টাকা
🚀 একটি টমাহক ক্রুজ মিসাইল = ২০ কোটি টাকা
➡️ ৩০টি ব্যবহার = ৬০০ কোটি টাকা
💥 মোট ব্যবহৃত বোমার আনুমানিক মূল্য = ৪,২০০ কোটি টাকা
✈️ B-2 স্টিলথ বোমারু বিমান = একটির দাম ২৪,০০০ কোটি টাকা
➡️ ৬টি বিমান অংশ নেয় হামলায় = ১,৪৪,০০০ কোটি টাকা
🛠️ যন্ত্রপাতি, ফুয়েল, অপারেশন, স্যাটেলাইট সাপোর্ট, সাইবার নিরাপত্তা, মানব রিসোর্স—সব মিলিয়ে আনুষঙ্গিক খরচ ধরলে
➡️ মোট খরচ দাঁড়ায় প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা!
👉 প্রশ্ন হচ্ছে—কে এই খরচ দিয়েছে?
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলের জন্য।
কারণ তারা তাদের ধর্মীয়-জাতিগত বন্ধনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়।
তারা জানে—"আমার গোষ্ঠীই আগে",
তারা জানে—"আমার মিত্র দুর্বল হলে, আমি নিজেও দুর্বল হয়ে যাবো।"
🎯 অন্যদিকে মুসলিম উম্মাহ?
আমরা শুধু বলে যাই—
“তুই হক না বাতেল?”
“তুই শিয়া, তুই সুন্নি”
“তুই মুরতাদ, তুই মুনাফিক”
“তোর ফিকহ ঠিক না, তুই কাফের!”
এই বিভাজন, এই কাদা ছোড়াছুড়ির ফাঁকেই
আমাদের দেশে বোমা পড়ে,
আমাদের শিশুরা শহীদ হয়,
আমাদের রাষ্ট্রগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে।
🔔 যুক্তরাষ্ট্রের ঐক্য জুড়ে রাখা হয়েছে উপনিবেশিক স্বার্থ আর ইহুদি লবির স্বার্থে।
আর মুসলিমদের একতা ভেঙে দেয়া হয়েছে মাযহাব, দল, রাষ্ট্র ও ভাষার নামে।
আমরা যদি না জাগি আজ, তবে কবে?
আমরা যদি না জোট বাঁধি আজ, তবে কে বাঁধবে?
তারা যেখানে ‘এক জাতি, এক লক্ষ্য’,
আমরা সেখানে ‘তুই হক না আমি?’ এই নিয়ে ব্যস্ত!
🛑 সময় এসেছে—মুসলিম উম্মাহর একটি ‘গ্লোবাল ঐক্য ফ্রন্ট’ গঠনের।
না হলে ইতিহাস আবার আমাদেরই রক্ত দিয়ে লেখা হবে।
---
কপি পোস্ট
বুড়ি মরে গেল।😭
বুড়োটা ভাঁজ হয়ে থাকা চামড়ার মাঝে ছোট্ট বসে যাওয়া চোখখানা দিয়ে দেখলো...
কিছু জল চোখের কোণ থেকে ঝরে পড়লো...
'লোক দেখানো শোক'
চললো কিছুদিন, তারপর যেন এক নাটকের সমাপ্তি ঘটলো...
তার ব্যবহৃত শাড়ি নিয়ে মেয়েদের ভাগাভাগি চললো।
কেউ বালিশের কভার বানাবে, কেউ কাঁথা বানাবে,কেউ বিছানার চাদর হিসেবে ব্যবহার করবে,
কেউ কানের দুল নেবে, কেউ বালাজোড়া......
যার যার নিজের সংসারে যেন একটা বোঝা নেমে গেল...
বুড়ো একা বসে বসে দেখে তাদের কান্ডকারখানা...
মনের বাজারে স্মৃতির দর'কষাকষি করতে করতে সেটাও একসময় বিক্রি হয়ে যায় মস্তিকের কোন এক ফাঁক ফোকরে...
যে যার কাজে ব্যস্ত হয়ে যায়,
বুড়ো একা হয়ে পড়ে,
হাতের লাঠিখানায় ভর করে এদিক সেদিক পায়চারী করে...
সেদিন ছোট নাতনী এসে বলে গেল
"দাদু দাদু, তুমি মরে গেলে কিন্ত এই লাঠিখানা আমার, আমি খেলবো.!"
এদিক থেকে বৌমা দৌড়ে আসে
"দাঁড়া, তোকে আজ মেরে ফেলবো।
এসব কথা বলতে নেই, বলেছি না.?
বুড়ো হাসে...
যে বৌমার এমন শাসন সেও গোপনে প্রতিবেশির কাছে গল্প করে বুড়োটার খালি কষ্ট, মরে গেলেই বাঁচে...
সেদিন নাতি তার বন্ধুদের নিয়ে তার ছোট ঘরে আড্ডা দিচ্ছে আর বলছে
"দাদুর অবস্থাও বেশি ভাল না।
কিছুদিনের মধ্যে উইকেট পড়ে যেতে পারে। তখন ওই ঘর আমার,
তখন জমিয়ে আড্ডা হবে.!"
বুড়ো শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে...
দুই ছেলের মাঝে তো প্রায়দিন ঝগড়া লেগেই থাকে,
বুড়ো কার কাছে ক'দিন খাবে এই নিয়ে...
বুড়োটা আজ কারো বাবা নয়,
আজ কারো শ্বশুর নয়,
কারো দাদুও নয়,
সে আজ শুধুই এক বোঝা...
আজ বুড়োর জন্মদিন।
গত বছর বুড়িটা বেঁচে ছিল,
তাও একটু পায়েশ রেঁধে খাইয়েছিলো...
আজ সারাটা দিন গেল,
কেউ কিছুই বললো না...
কিই বা বলবে.!
যার মৃত্যুর জন্য সকলে মুখিয়ে আছে,
কি বা দরকার তাকে সেই জন্মের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার.!
অথচ কিছুদিন আগে কত লোক খাইয়ে নাতনীর জন্মদিন পালন করা হলো...
বুড়োর হিসেব টা জমা পড়ে আছে,
কারণ তার মৃত্যুর পরেও তো অনেক মানুষকে খাওয়াতে হবে...
সেখানেও দুই ভাইয়ের ঝগড়া হবে খরচ করা নিয়ে...
বুড়িটার বেলা তে তো তাই হয়েছিল...
বুড়ো ভাবে, কিসের এ জীবন.?
কাদের জন্য এতকিছু.!
বুড়ো চশমাটা চোখ থেকে নামিয়ে একটু মুছে নেয়।
কেমন যেন ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে...
আকাশের দিকে তাকিয়ে বুড়ো একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো,
মনে মনে এটাই বললো
"পৃথিবীর সমগ্র বাবা যেন বাবা হয়েই বাঁচে, বোঝা হয়ে নয়...!
(Collected)
নষ্টদের গল্প
নষ্টের দল নষ্টামি করার জন্য অনেক পথ পাড়ি দিয়ে নির্জন স্থানে যায় নষ্টামি করতে । প্রতিদিনের মতো তারা দল বেধে একদিন নষ্টামির উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে তাড়া দেখতে পেলো একটি মটর সাইকেলের সাথে একটি সিএনজির মুখোমুখি দুর্ঘটনায় চালক ও যাত্রীরা আহত অবস্থায় পড়ে আছে রাস্তায় তাদের লক্ষ্য যেটা ছিলো সেটার চিন্তা মাথায় না রেখে কিভাবে তাদের সহায়তা করবে সেই চিন্তায় মগ্ন হয়ে গেলো।
রাস্তায় অনেক ভালো মানুষের চলার ফেরা ও উপস্থিতি থাকার সত্যে ও দায়িত্ব নিতে হলো নষ্টদের। তারা আহতের নিরাপদে পাঠানোর লক্ষ্যে অন্যদের সাথে খারাপ ব্যাবহার করে জোর করে অন্য সিএনজি চালক কে বাধ্য করে তাকে দিয়ে হাসপাতালে পাঠালো এবং পরে নষ্টদের কাছে খবর আসে সিএনজি চালকের চিকিৎসার জন্য অর্থ সহায়তার প্রয়োজন সকল নষ্টের দলের সদস্যদের চাঁদার বিনিময়ে আহত চালক সুস্থ হয়ে তার পরিবারে ফিরলো। সত্যিকার অর্থে নষ্টরা নিজে নষ্ট হলে ও অন্যের উপকারে তারা প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে থাকে।
(চলবে)
১. বন্ধুত্ব চিরস্থায়ী নয় – জীবনের পথে অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুও সময়ের সঙ্গে দূরে সরে যায়।
2. নিজের সঙ্গে সম্পর্কই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ – আত্মসম্মান ও মানসিক শান্তি বিশ্বের সব সম্পর্কের চেয়ে মূল্যবান।
3. কেউ পরিশ্রম দেখে না, সবাই শুধু ফলাফল দেখে – সফল হলে প্রশংসা, ব্যর্থ হলে সমালোচনা। তাই নিজের জন্যই পরিশ্রম করুন।
4. হৃদয়ভঙ্গ ও ব্যর্থতা জীবনেরই অংশ – এগুলো এড়ানো নয়, বরং শেখার সুযোগ হিসেবে দেখাই শ্রেয়।
5. বাড়ির মতো আপন কোনো জায়গা নেই – দুনিয়ার যেখানেই যান, মানসিক শান্তির ঠিকানা একটাই—নিজের ঘর।
6. পরিবার ও অর্থই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ – বন্ধু, গ্ল্যামার বা সামাজিক মর্যাদা ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু পরিবার ও অর্থ দীর্ঘমেয়াদে আপনাকে আগলে রাখে।
7. বই-ই সত্যিকার বন্ধু – বই কখনো প্রতারণা করে না, বরং জ্ঞানের আলো দিয়ে পথ দেখায়।
8. শারীরিক ব্যায়াম চাপ কমায় – শুধু ফিটনেসের জন্য নয়, মানসিক প্রশান্তির জন্যও ব্যায়াম জরুরি।
9. অনুশোচনা ও কান্নায় সময় নষ্ট নয় – যা হয়ে গেছে, তা আর ফিরে আসবে না। সামনে এগোনোর দিকেই নজর দিন।
10. আজ যা চাইছেন, কাল হয়তো তার মূল্যই থাকবে না – মানুষের চাহিদা বদলায়, তাই আবেগের বশে সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভালো।
11. আপনার সিদ্ধান্তই জীবন গড়ে দেয়, ভাগ্য নয় – ভাগ্য নির্ধারিত নয়, বরং আপনার সিদ্ধান্তই ভবিষ্যৎ তৈরি করে।
12. শৈশবই জীবনের সেরা সময় – দায়িত্বহীন, নির্মল আনন্দের সেই দিনগুলো আর কখনোই ফিরে আসে না।
(সংগৃহীত)
মনুষ্য শহরে নিজের চোখ আর নিজের মন কে সহজ সরল ভাবা যায় অন্য কে ভাবা দায়😜
ডাকাতি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় পাবলিকের হাতে ডাকাত আটক।
জিবন পরিচালনা করার কিছু উপদেশ
১।
যারা তোমার জীবনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ভালোবাসায় ও আশীর্বাদে রেখেছে, তাঁদের সময় দিও, না পারলে মনে মনে কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা দিও।
২।
জীবনে যত মানুষের সাথে দেখা, কথা ও কাজ হবে, তাদের সাথে স্বতস্ফুর্ত হইয়ো, হৃদ্যতা ও সহমর্মিতার সাথে ইতিবাচক প্রভাব ফেলিও। যেন তাঁদের অন্তরে তোমার জন্য দোয়া তৈরি হয়। পদ ও ক্ষমতা অনেকেই পায়, মানুষের মনে স্থান পায় খুব কম লোকে- সেই কথাটা মনে রেখো।
৩।
নিজের প্রতি যত্ন নিও। নিজেকে ভালোবেসো। জেনে রাখো, তুমি ছাড়া তোমাকে আর কেউ ভালোবাসে না। এ পৃথিবী ভালোবাসতে জানে না! নিজেকে ভালোবাসো প্রমাণ কী?কীভাবে ভালোবাসবে? তিনভাবে-
ক. শরীরের যত্ন নিও। যেমন হাঁটা, দৌঁড়ানো, সাঁতার, খেলাধুলা, শারীরিক কসরত করিও। সুষম খাদ্য, ঘুম, গোসল, মিনি/পিডিকিউর, মাসাজ... যা লাগে নিও।
খ. নিজের মানসিক যত্ন নিও। যেমন পড়া, লেখা, সৃষ্টি, নতুন কিছু শেখা, ঘুম, পছন্দের পেশা, রোজগার ও খরচে ব্যালেন্স করিও। মুভি দেখা, অবাধ আড্ডা, সুখসঙ্গে থাকা, যা করতে ভালো লাগে তাই করিও।
গ. আত্মিক যত্ন নিও। যেমন, সৃষ্টিকর্তা ও রাসুলের দেখানো পথে প্রার্থনায় থেকো, যোগব্যায়াম, পাঠ, ধ্যান, প্রজ্ঞা ও চিন্তায় থেকো। নিজ-পেশা ও কাজের প্রতি প্যাশন/ ভালোবাসা রেখো। আধ্যাত্মিকতায় মাঝে মাঝে ডুবে থেকো।
সর্বোপরি, দেশ, মানুষ ও সৃষ্টির কল্যাণে সদা সচেষ্ট থেকো। .
(সংগ্রহীত)
সুখের নদীর পাড় হয়ে যখন দুঃখের নদী বাইতে হয় তখন দুঃখের বুঝা দ্বিগুণ হয় কিন্তু দুঃখের নদী পেরিয়ে সুখের নদী বাইতে সুখ টা হাজার গুণ হয়।
15/08/2024
অন্যায়ের সাথে আপোষহীন নেতা, বাঙালীর ১৯৬৬ সালে ৬ দফা অর্থাৎ মুক্তির সনদের বা ম্যাগনাকার্টার প্রণেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার আসামী ও১৯৭১ সালে ৭ ই মার্চে ঘরকুনো জাতিকে বীরের জাতিতে রুপান্তরিত করেছিলেন।
উনাকে Fidel castro ঠিকই চিনেছিলেন এবং বলেছিলেন,I have never seen himalays but i have seen sheikh mujib..উনার শাহাদাৎ বার্ষিকীতে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
25/06/2024
" বউমা,এতো বেলা হয়ে গেলো এখনো ঘুমাচ্ছো? "
শ্বাশুড়ির কথায় ধরপর করে বিছানা ছেড়ে ওঠার চেষ্টা করলাম। উঠে বসতেই শরীর দুর্বলতায় চারদিকটা অন্ধকার হয়ে আসলো।vখাটের পায়া চেপে ধরে বসে রইলাম। মায়ের আবারো কর্কষ স্বর ভেসে এলো,
" বউমা এতো বেলা পর্যন্ত শুয়ে থাকলে হবে? "
দেয়াল ধরে ধরে বের হয়ে মাকে বললাম " মা আমার শরীরটা একটু খারাপ লাগছে, তাই শুয়ে ছিলাম।"
" রান্নাবান্না করবে না? অসুস্থ হয়ে শুয়ে থাকলে তো চলবে না। সংসার সামলাতে হবে। ছেলেটা ফিরে এসে না খেয়ে থাকবে? "
" মা আমি রান্নাঘরে যাচ্ছি। ঠিকি তো, আমার সংসার আমাকেই সামলাতে হবে। "
রান্নাঘরে গিয়ে দেয়াল ধরে কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইলাম। মায়ের স্বর ভেসে এলো,
" বউমা, চা তুলে দাও তো, মাথাটা ধরেছে। "
চায়ের পাতিলটা চুলায় তুলে দিয়েই গা গুলিয়ে মাথাটা চক্কর দিয়ে উঠলো। তবুও নিজেকে সামলিয়ে আগুনের সামনে দাঁড়িয়ে রান্না করলাম।
বিকেলে ভিষণ অসুস্থ হয়ে পড়লাম। গা পুড়ে যাচ্ছে জ্বরে। স্বামী ফিরে এসে বললো " এই অসময়ে শুয়ে আছো কেন? "
কাঁপা স্বরে বললাম " জ্বর এসছে বোধহয়। কপালে হাত দিয়ে দেখবে একটু্? "
স্বামী শার্ট খুলতে খুলতে বললো " কপালে হাত দিয়ে দেখার কি আছে। জ্বর হলে তো বোঝাই যায় "। মন ভার করে আর কিছু বললাম না ।
রাত হতে হতে আরো অসুস্থ হয়ে পড়লাম। সন্ধায় ট্যাবলেট খেয়েও কোনো কাজ হলো না। শ্বাশুড়ি মা ঘরে এলে স্বামী বললো,
" ওর তো খুব জ্বর! "
শ্বাশুড়ি মা বললো " ওর বাড়িতে ফোন করে বল মেয়ে অসুস্থ।ওর মাকে আসতে বল "
স্বামী ফোন বের করতেই বললাম " না থাক। আমায় কাউকে সেবা করতে হবে না। তোমরা ব্যস্ত হইও না, "
শ্বাশুড়ি মা চলে গেলেন। স্বামী বেলকনিতে গিয়ে সিগারেট ধরিয়ে ফোন চালাচ্ছে।
মনে মনে ভাবলাম, এই শ্বাশুড়ি, স্বামীর সামান্য অসুস্থ হলে আমার রাতের ঘুম উড়ে যেত। সেবা যত্ন করে সুস্থ করে তুলতাম। আর আজ আমি অসুস্থ, সেবা করার জন্য আমার মাকে আসতে বলা হলো।
সুস্থ হয়ে স্বামীকে ডিভোর্স পেপার পাঠালাম। সাথে একটা চিরকুট " অসুস্থতায় যদি নিজের মায়ের প্রয়োজন হয়, তাহলে সুস্থ অবস্থায় পরের মা ছেলেকে কেন পালবো? অকৃতজ্ঞের দল।"🥺🥺
প্রতিটা নারীর জীবন এ সংসারের সপ্ন থাকে।।
Bt কেউ সুখী হয় কেউ অসুখি হয়।।
সব সংসারি দের জন্য শুভকমনা রইলো।।❤️🥀
Azizen
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka