আলহামদুলিল্লাহ সবার রেজাল্ট পাবলিশড হয়েছে, সবাই রেজাল্ট দেখতে পারবেন।
এপ্রোন নার্সিং ভর্তি কোচিং, নিয়োগ কোচিং ও গাইড
এপ্রোন অনলাইন নার্সিং ভর্তি কোচিং
👉বিএসসি
👉ডিপ্লোমা
👉মিডওয়াইফারি
👉সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ
এপ্রোন-নার্সিং ভর্তি কোচিং
�বিএসসি ইন নার্সিং
�ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি
�ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি
�সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ
�মিডওয়াইফ নিয়োগ
যোগাযোগ: 01713-661911
কেন পড়বেন নার্সিং❓❓❓
✅উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর আমরা সবাই হতাশ হয়ে পরি কোথায় ভর্তি হবো, কোন সাবজেক্ট এ পড়বো সেই দুশ্চিন্তায়। কোন স্থির সিদ্ধান্ত নিতে পারিনা এবং যথারীতি সব বিশ্ববিদ্যালয় এর ফরম কেনা শুরু করি এবং পাগলা ঘোড়ার মত দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত ছুটি পরীক্ষা দিতে। ফলে যা হওয়ার তাই হয়। অল্প সংখ্যক বাদে বাকি সবাই কে ফিরে আসতে হয় খালি হাতে। হতাশা আর বিষন্নতায় ডুবে যায় মন। পাবলিক ভার্সিটিতে তো চান্স পাইলাম না বন্ধুদের মুখ দেখাই কি করে। এই কথাগুলো ভেবে সবার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে ঘরে বসে থাকি। অথচ এই সময় আমাদের শিক্ষার্থীদের সঠিক নির্দেশনা দিলে তারা প্রত্যেকেই তাদের কাঙ্খিত সাবজেক্ট এ পড়াশুনা করে এক জন সফল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। আমরা বেশীর ভাগই জানিনা আমরা যে সাবজেক্ট এ পড়তেছি সেই সম্পর্কিত বিষয়ে চাকরি পাবো কি না?! কিন্তু এমন কিছু বিষয় আছে যে বিষয় গুলোতে পড়াশুনা করলে বিশ্বব্যাপী আমরা গ্লোবাল ক্যারিয়ার গড়তে পারবো। আর সেটা ডিপ্লোমা/বিএসসি নার্সিং এ পড়ার মাধ্যমে সম্ভব। সর্বোপরি নার্সিং এমন একটি পেশা, যার চাহিদা স্থান, কাল ও পাত্রে সীমাবদ্ধ নয়।
🔯পেশাগত মর্যাদা ও কর্মপরিধি:
সরকারি হাসপাতালগুলোতে একজন ডিপ্লোমা নার্স/মিডওয়াইফ শুরুতেই নন ক্যাডার ২য় শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে পাবলিক সার্ভিস কমিশন এর মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। যাহা বর্তমানে ১০ম গ্রেড ভুক্ত । শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা বাড়ার সাথে সাথে একজন নার্স নিন্মের বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।
✅ ক্লিনিক্যাল নার্সিং সার্ভিস
✅ নার্সিং প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা
✅ নার্সিং শিক্ষা ও গবেষণা সার্ভিস
✅ পাবলিক হেলথ বা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ নার্সিং
🔽 ক্লিনিক্যাল নার্সিং সার্ভিস: ক্লিনিক্যাল নার্সিং সার্ভিস এর চাহিদা সারা বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে হাসপাতালে রোগীর সেবার জন্য একজন ডাক্তার এর বিপরীতে তিনজন দক্ষ নার্স দরকার। বিশেষ করে ক্রিটিকাল কেয়ার সেকশন যেমন- আইসিইউ, সিসিইউ, ওটি, এনআইসিইউ ইত্যাদি বিভাগ গুলোতে ১ জন রোগির জন্য একজন নার্স দরকার। ক্লিনিক্যাল নার্সিং এ বর্তমানে আমাদের দেশে উল্লেখযোগ্য স্থানগুলো হলো:
🔵 ইমারজেন্সি ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার নার্স
🔵 ইনটেনসিভ কেয়ার ( আই সি ইউ) নার্স
🔵 ওটি নার্স
🔵 কার্ডিয়াক নার্সিং
🔵 সাইকিয়াট্রিক নার্সিং
🔵 পেডিয়াট্রিক নার্সিং
🔵 মেটারন্যাল হেলথ নার্সিং
🔽 নার্সিং প্রশাসন ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা:
ক্লিনিক্যাল নার্সিং এর পাশাপাশি সরকারী হাসপাতাল ও সেবা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার জন্য গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এই পদগুলো সরকারের ১ম শ্রেণীর কর্মকর্তা মানের। সেগুলো হলো :
🔵 মহাপরিচালক
🔵 পরিচালক (প্রশাসন)
🔵 পরিচালক (নার্সিং শিক্ষা)
🔵 পরিচালক (মিডওয়াইফারি শিক্ষা )
🔵 পরিচালক (শৃঙ্খলা )
🔵 উপ-পরিচালক ( প্রশাসন,নার্সিং শিক্ষা, মিডওয়াইফারি শিক্ষা, শৃঙ্খলা )
🔵 সহকারী পরিচালক ( প্রশাসন, নার্সিং শিক্ষা , মিডওয়াইফারি শিক্ষা, শৃঙ্খলা )
🔵 বিভাগীয় পরিচালক নার্সিং ( ৮ টি বিভাগীয় অফিস)
🔵 জেলা পাবলিক হেলথ নার্স ( ৬৪ টি জেলা সিভিল সার্জন অফিসে)
🔵 সেবা তত্ত্বাবধায়ক (সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল)
🔵 উপ সেবা তত্ত্বাবধায়ক ( সকল স্পেশালাইজড ও সদর হাসপাতাল)
🔵 নার্সিং সুপারভাইজর
🔵 ইনচার্জ (সকল বিভাগ)
🔽 নার্সিং শিক্ষা ও গবেষণা সার্ভিস: একজন ডিপ্লোমা নার্স ১০ম গ্রেডের নন ক্যাডার কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করার পরে তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার আলোকে নার্সিং শিক্ষা সার্ভিস এ যেতে পারেন। সরকারী ভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীনে জাতীয় নার্সিং উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান , বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ এর সাথে ১১ টি বেসিক বিএসসি নার্সিং কলেজ, ৪ টি পোস্ট বেসিক বি এস সি নার্সিং কলেজ এবং ৪৩ নার্সিং ইন্সটিটিউট এর বিভিন্ন পদে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। অনুরূপ ভাবে বেসরকারি নার্সিং কলেজ গুলোতেও নার্সিং শিক্ষা সার্ভিস এ কাজ করার সুযোগ রয়েছে। পদগুলো হল :-
🔵 প্রিন্সিপাল
🔵 ভাইস-প্রিন্সিপাল
🔵 অধ্যাপক- ( বিভিন্ন বেসিক, ক্লিনিক্যাল, এবং প্যারা ক্লিনিক্যাল বিষয়)
🔵 সহযোগী অধ্যাপক
🔵 সহকারী অধ্যাপক
🔵 লেকচারার
🔵 ইন্সট্রাক্টর
🔵 ডেমনেস্ট্রেটর
🔽পাবলিক হেলথ বা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ নার্সিং: দেশের ৬৪ টি জেলা সিভিল সার্জন অফিসে ১ম শ্রেণীর পদমর্জাদায় পাবলিক হেলথ নার্স হিসেবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর বাইরেও সরকারের বিভিন্ন দপ্তর যেমন- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর সুরক্ষা বিভাগ, বাংলাদেশ আর্মি এর অধীন আর্মড ফোর্সেস নার্সিং সার্ভিস এ সরাসরি লেফটেন্যান্ট, সমাজসেবা অধিদপ্তর, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, সহ বিভিন্ন বিভাগে কাজের সুযোগ রয়েছে।
🔯বেসরকারি চাকুরীর ক্ষেত্রেঃ
আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে বিবেচনা করলে দেখা যায়, গত কয়েক বছরে দেশে হাসপাতাল সহ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়গনষ্টিক সেন্টারের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। চিকিৎসা সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট এসব প্রতিষ্ঠানে নার্স বা সেবিকাদের চাহিদাও দিনদিন বেড়ে চলেছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিও, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি স্কুল ও কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় , গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি, শিল্প কারখানা, এমনকি পর্যটন কর্পোরেশনেও ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে।
🔘 উচ্চ শিক্ষার সুযোগঃ
বিএসসি ইন নার্সিং তথা নার্সিংয়ের ওপর গ্রাজুয়েশন বা স্নাতক পর্যায়ের পড়ালেখা করার সুযোগ কিছুদিন আগেও আমাদের দেশে ছিল না। এই বিষয়ে কেবল ডিপ্লোমা এবং প্রাইমারি কোর্সই চালু ছিল। তবে বর্তমানে এই বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে নার্সিংয়ের ওপর স্নাতক কোর্স চালু হয়েছে। ৩ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন নার্সিং/মিডওয়াইফারি কোর্স শেষ করার পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী, চট্রগ্রাম ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীনে বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ২ বছর মেয়াদী বিএসসি নার্সিং ডিগ্রী অর্জন করতে পারবেন। পরবর্তিতে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএসসি ইন নার্সিং, এমএস, এমপিএইচ, এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রী অর্জনের সুযোগ রয়েছে।
🔰 বিদেশে উচ্চ শিক্ষা, চাকুরী এবং স্থায়ী ভাবে বসবাস:
আমাদের অনেকেরই ইচ্ছা থাকে পড়াশুনা শেষে বিদেশে উচ্চ শিক্ষা , চাকুরী এবং স্থায়ী ভাবে বসবাস করার। বিশেষ করে আমেরিকা, কানাডা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশে সেটেল হওয়া। আপনার যদি এই রকম প্রচন্ড ইচ্ছা থাকে তবে নিশ্চিন্তে আপনি এই সাবজেক্ট এ ভর্তি হতে পারেন। আপনাকে নির্দ্বিধায় বলতে পারি অন্য যে কোন সাবজেক্ট থেকে এখানে পড়াশুনা করলে আপনাকে চাকুরীর জন্য হন্যে হয়ে ঘুরতে হবেনা। আর যদি আপনার কেউ বিদেশে চাকুরী করে থাকে তার মাধ্যমে আপনি জেনে নিতে পারেন আমেরিকা, কানাডা বা ইউরোপে একজন গ্রাজুয়েট /ডিপ্লোমা নার্স এর স্যালারি কত হাজার ডলার এবং কত সহজেই গ্রিন কার্ড পাওয়া যায়।
🙋 কোথায় পড়বেন নার্সিং?
সেবা পরিদপ্তরের অধীনে নার্সিং কলেজ ও ইনিস্টিটিউটে নার্সিং পড়তে পারেন। সারা দেশের সরকারি ৩৪ টি ও বেসরকারি ১৫৪ টি নার্সিং কলেজ ও সরকারি ৪৯ টি নার্সিং ও বেসরকারি ৩৫২ টি ইনিস্টিটিউটে তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি ও ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি এবং চার বছর মেয়াদী ব্যাচেলর অফ সায়েন্স ইন নার্সিং কোর্সে পড়ানো হয়।
কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নার্সিং বিষয়ক ডিপ্লোমা পড়ানো হয়। এছাড়া অর্থোপেডিকস, সাইকিয়াট্রিক, পেডিয়াট্রিক, সিসিইউ, আইসিইউ ও কার্ডিয়াক নার্সিংসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর এক বছর মেয়াদী কোর্স চালু আছে।
নার্সিংয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে কোর্সের শেষে ছয় মাসের ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করার পর বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল আয়োজিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। এতে উত্তীর্ণ হবার মাধ্যমে নিবন্ধিত হলেই পেশা হিসাবে নার্সিং নিতে পারবেন।
▶ কোর্সের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো :
বিদেশী কারিকুলামের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই দেশের বিএসসি ইন নার্সিংয়ের কারিকুলাম তৈরি করা হয়েছে। এ কোর্সের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো ইনট্রোডাকটরি অব নার্সিং, হিউম্যান এনাটমি, কমিউনিটি নার্সিং, সেমিনার অ্যান্ড রিসার্চ ইন নার্সিং, হিউম্যান ফিজিওলজি, কনসেপ্ট অব হেলথ অ্যান্ড ইলনেস, মেন্টাল হেলথ নার্সিং, পপুলেশন কন্ট্রোল অ্যান্ড ফ্যামিলি প্লানিং, ইনট্রোডাকটরি অব ফার্মাকোলজি, ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড নার্সিং, নার্সিং অ্যাডমিনিস্ট্রেশন প্রভৃতি।
📛 ভর্তির নতুন নীতিমালা💢💢
নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে নার্সিং ভর্তির নতুন নীতিমালা-
-
১. সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। এখানে ন্যূনতম 40 নম্বর পেতে হবে।
২. ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা:
-
⏩ বিএসসি ইন নার্সিং :
SSC: minimum-3.00 (বিজ্ঞান বিভাগ),
HSC: minimum-3.00 (বিজ্ঞান বিভাগ),
SSC+HSC total: minimum: 7.00
-
⏩ ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স :
SSC: minimum - 2.5 (সব বিভাগ),
HSC: minimum -2.5 (সব বিভাগ),
SSC+HSC total: minimum: 6.00
-
⏩ ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি:
SSC : minimum - 2.5 (মেয়ে)
HSC : minimum - 2.5 (মেয়ে)
SSC+HSC total: minimum : 6.00
✅সরকারি নার্সিং এ মোট আসন সংখ্যা-
-
⏬ ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি (3 বছর) : মোট আসন - 2880 টি।
-
⏬ ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি (3 বছর) : মোট আসন -1825 টি।
-
⏬ বিএসসি ইন নার্সিং (৪ বছর) : মোট আসন - 2100 টি।
☑ নার্সিং ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন :💢💢
🔃 ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি :
✴️বাংলা ----------------- 20 নম্বার
✴️ইংরেজী -------------- 20 নম্বার
✴️সাধারন বিজ্ঞান --- 25 নম্বার
✴️সাধারন জ্ঞান ------ 25 নম্বার
✴️সাধারণ গণিত ---- 10 নম্বার
-------------------------------------
মোট---------------১০০ নাম্বার।
🔃 ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি :
✴️বাংলা ----------------- 20 নম্বার
✴️ইংরেজী -------------- 20 নম্বার
✴️সাধারন বিজ্ঞান --- 25 নম্বার
✴️সাধারন জ্ঞান ------ 25 নম্বার
✴️সাধারণ গণিত ---- 10 নম্বার
-------------------------------------
মোট---------------১০০ নাম্বার।
🔃 বিএসসি ইন নার্সিং :
✴️বাংলা --------------------------------------- 20 নম্বার।
✴️ইংরেজী------------------------------ 20 নম্বার।
✴️বিজ্ঞান (পদার্থ, রসায়ন ও জীব) --- 30 নম্বার।
✴️সাধারন জ্ঞান ----------------------------- 20 নম্বার।
✴️গণিত --------------------------------------- 10 নম্বার।
----------------------------------------
মোট ---------------- ১০০ নম্বার।
কালেক্টেড©️
25/09/2024
২০২৫ সালে নার্সিং এ ভর্তির যোগ্যতা সম্পর্কিত তথ্য?
⭕ এসএসসি: ২০২০/২০২১/২০২২
⭕ এইচএসসি: ২০২২/২০২৩/২০২৪
⭕ বিএসসি: SSC + HSC (মোট GPA 7), কোনোটি 3.00 এর কম না, বায়োলজিতে কমপক্ষে জিপিএ 3.00 পেতে হবে।
⭕ ডিপ্লোমা/মিডওয়াইফারী: SSC + HSC (মোট GPA 6.00), কোনোটি 2.50 এর কম না।
✅ পরীক্ষার মানবন্টন সম্পর্কিত তথ্য।
🔴 বিএসসি নার্সিং
🔆 ভর্তি পরীক্ষা- মোট ১০০ নম্বর
☑️ বাংলা-২০
☑️ ইংরেজি- ২০
☑️ গণিত- ১০
☑️ সাধারণ বিজ্ঞান (পদার্থ+রসায়ন+জীববিজ্ঞান)- ৩০
☑️ সাধারণ জ্ঞান- ২০
🔴 ডিপ্লোমা ও মিডওয়াইফারী
🔆 ভর্তি পরীক্ষা- মোট ১০০ নম্বর
☑️ বাংলা-২০
☑️ ইংরেজি- ২০
☑️ গণিত- ১০
☑️ সাধারণ বিজ্ঞান- ২৫
☑️ সাধারণ জ্ঞান- ২৫
🔆 একাডেমিক নাম্বার (৫০ নম্বর)
☑️ SSC এর জিপিএর ৫ গুণ
☑️ HSC এর জিপিএর ৫ গুণ
🔴 মোট ১০০+৫০ = ১৫০ নম্বর
✅ দেশে সরকারী নার্সিংয়ে আসন সংখ্যা?
🟣 বিএসসি- ১২৮০ টি, প্রতিষ্ঠান ১৫ টি
🟣 ডিপ্লোমা- ২৮৮০ টি, প্রতিষ্ঠান ৪৯ টি
🟣 মিডওয়াইফারী- ১৮২৫ টি, প্রতিষ্ঠান ৬২ টি
✅ কোটা সম্পর্কিত তথ্য।
☑️ মুক্তিযোদ্ধা কোটা- ২%
☑️ মেধা কোটা ৯৬%
☑️ উপজাতি কোটা ২%
🟣 ছেলেদের জন্য বরাদ্দঃ
১০% (সরকারীতে), ২০% (বেসরকারীতে)
✅ আবেদন সম্পর্কিত তথ্য ।
🟣 আবেদন ফি:
☑️ Nursing (700/-)
☑️ Diploma & Midwife (500/-)
✅ কারা কিসে আবেদন করবে?
☑️ BSC : শুধু সায়েন্সের স্টুডেন্টরা আবেদন করবে।
☑️ Diploma & Midwifery: Science, Arts & Commerce , উন্মুক্ত, ভোকেশনাল , সবাই আবেদন করতে পারবে।
☑️ মিডওয়াফারীতে শুধুমাত্র মেয়েরা আবেদন করতে পারবেন ।
(যে কোন সময় তথ্য পরিবর্তন হতে পারে)
25/09/2024
হাতের লেখা ভালো করার ৭ কৌশল! 🖊️
১. সঠিক উপাদান নির্ধারণ করা :
লেখা শুরু করার আগে সেই জিনিসগুলো নির্বাচন করুন যেগুলো ব্যবহার করে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। অনেকেই মনে করে থাকেন সুন্দর হাতের লেখার জন্য ‘ফাউন্টেন পেন’ অত্যাবশকীয়। আসলে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এমন একটি কলম বা পেন্সিল বেছে নিন যা আপনার আঙুলের সঙ্গে সহজে মানিয়ে যাবে এবং লেখার সময় কাগজের ওপর যাকে জোরে চাপ দিতে হবে না। আর কাগজ হিসেবে ‘নোটবুক’ জাতীয় লাইন টানা কাগজ ব্যবহার করা যেতে পারে।
২. হাত এবং কবজি নমনীয় করা :
লেখা শুরুর আগে আমি আমার হাত হালকা করে নিই এবং কবজি দুটোকে হালকা মুচড়ে নিই যাতে এগুলো লেখার জন্য নমনীয় হয়’- হুপার বলেন। ‘বিশেষ করে যদি আপনি একটানা বেশ কয়েকদিন ধরে না লিখেন তাহলে অন্যান্য মাংসপেশীর মতো কবজি বা হাতেও একধরনের জড়তা অনুভব করবেন।’
৩. অঙ্গবিন্যাস ঠিক করা :
সোজা হয়ে বসুন এবং আপনার অনভ্যস্ত হাতটিকে (যেমন ডানহাতিদের ক্ষেত্রে বাঁ হাত) কাগজ বা খাতাটিকে ধরে রাখার জন্য ব্যবহার করুন। হুপার বলেন, ‘লেখার সময় আমি আমার অনভ্যস্ত হাতটিকে সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ব্যবহার করি। এটা আমাকে স্থির থাকতে এবং ডান হাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে সাহায্য করে।’ তবে এজন্য অবশ্যই চেয়ার-টেবিল ব্যবহার করা উত্তম।
৪. কলম ধরা :
কলম বা পেন্সিল নিব এর কাছাকাছি ধরে লিখুন, তবে শক্তভাবে ধরে নয়। যদি নিবের কাছাকাছি ধরে লিখতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করেন, তাহলে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। কারণ কলম বা পেন্সিল ধরার আসলে নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। এটা সম্পূর্ণই আপনার হাতের গড়নের ওপর নির্ভর করে।
৫. বাহু এবং কবজির অবস্থান :
বেশিরভাগ মানুষই লেখার সময় শুধু আঙুল ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু হস্তাক্ষরবিদরা আঙুল দিয়ে কলম-পেন্সিল আঁকড়ে ধরেন মাত্র এবং লেখার সময় নিজেদের বাহু এবং কবজিকে সমান অবস্থানে রেখে লিখে থাকেন। হুপার বলেন, ‘এটি রপ্ত করার জন্য আপনি একটি কলম ধরে কল্পনায় (বাতাসের ওপরে) বড় বড় অক্ষর লিখতে পারেন।’
৬. তুলনামূলক ধীরগতি অবলম্বন করা :
বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে যত দ্রুত পারা যায় লেখা শেষ করার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। হুপার বলেন, ‘লেখা কোনো দৌড় প্রতিযোগিতা নয়। কত দ্রুত তা শেষ করবেন এটাকে গুরুত্ব না দিয়ে, প্রতিটি অক্ষর কিভাবে সুন্দর করবেন সেটাকে গুরুত্ব দিন। একটু ধীরে লিখুন এবং অক্ষরকে তার শ্রেষ্ঠ চেহারায় রূপ দিন।’ অক্ষরকে সুন্দরভাবে রূপ দিতে প্রথমে বড় বড় করে লেখার অভ্যাস করুন। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক লেখার স্টাইল ছোট আকারে হ্রাস করুন।
৭. অনুশীলন, অনুশীলন এবং অনুশীলন : হাতের লেখা ভালো করার জন্য অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই। উপরোক্ত নিয়মগুলো মেনে আপনি যত বেশি অনুশীলন করবেন ততই দক্ষতা বাড়বে।
কালেক্টেড©️
📍 এক নজরে #নার্সিং এ পড়ার সকল তথ্য -
সরকারি কলেজ সংখ্যা -
▪️ডিপ্লোমা - ৪৯ টি
▪️মিডওয়াইফারি - ৬২ টি
▪️বিএসসি- ২০ টি
সরকারি কলেজে আসনসংখ্যা -
▪️ডিপ্লোমা - ২৮০০+
▪️মিডওয়াইফারি- ১৮০০+
▪️বিএসসি - ১৫০০+
সরকারি কলেজে পড়ার খরচ-
▪️ভর্তির সময় কলেজ ভেদে ৬ - ১০ হাজার টাকা লাগবে।
▪️ফরম ফিল আপ ২০০০ - ৬০০০ টাকা
▪️বই কিনা বাবদ - ২ হাজার টাকা
▪️ হোস্টেল থাকা ফ্রি, খাওয়া খরচ তোমার দিতে হবে।
কলেজে তুমি স্টাইপেন্ড পাবে-
▪️প্রতি মাসে ১৭০০ - ২০০০ টাকা
▪️গড়ে ৩ বছরে - ১৮৫০×৩×১২= ৬৬,৬০০ টাকা। কারণ প্রথম বছরে পাবে ১৭০০ টাকা। দ্বিতীয় বছরে পাবে ১৮০০ টাকা। তৃতীয় বছরে পাবে প্রতিমাসে ১৯০০ টাকা। চতুর্থ বছরে পাবে প্রতিমাসে ২০০০ টাকা ।
ট্রেইনিং/ইন্টার্নশীপ চলাকালীন প্রতিমাসে পাবে ৬০০০ টাকা।
৬ মাসে পাবা ৩৬০০ টাকা।
🔥 বেসরকারিতে পড়ার খরচ-
▪️কলেজে খরচ - ৩ বা ৪ লাখ টাকা।(তিন বছরে)
▪️থাকা ও খাওয়া খরচ ৫০০০×১২= ৬০ হাজার। তিন বছরে ১লাখ ৮০ হাজার টাকা।
▪️ট্রেইনিং/ইন্টার্নশীপ করার সময় তোমাকে ৬ মাসের জন্য মিনিয়াম আরো ৩৬০০০ টাকা লাগবে হবে। বিভিন্ন কলেজে বিভিন্ন রকমের টাকা নেয়।
এখন সিদ্ধান্ত তোমার, তুমি কোথায় পড়তে চাও।
08/08/2024
আজকাল Gen Z সম্পর্কে চারিদিকে অনেক কথা হচ্ছে। কিন্তু Gen Z কী? চলো জেনে নিই এই প্রজন্ম সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
Gen Z
Gen Z হল সেই প্রজন্ম যারা ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছে। তারা ডিজিটাল যুগে জন্মানো প্রথম প্রজন্ম, যারা আধুনিক প্রযুক্তির সাথে বেড়ে উঠেছে।
প্রজন্ম পরিচিতি:
আমাদের বা আমাদের বাবা-দাদাদের প্রজন্মের বিভিন্ন নাম রয়েছে। চলো দেখে নিই তাদের পরিচিতি।
1. Baby Boomers: ১৯৪৬ থেকে ১৯৬৫ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্মকে বলা হয় 'Baby Boomer'। তারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে জন্মেছেন।
2. Generation X: ১৯৬৫ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্মকে বলা হয় 'Generation X'। এরা প্রযুক্তির শুরুতে বেড়ে উঠেছে।
3. Millennials: ১৯৮০ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্মকে বলা হয় 'Millennials'। এরা ইন্টারনেট এবং মোবাইল ফোনের বিস্তার কালে বড় হয়েছে।
4. Gen Z: ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্মকে বলা হয় 'Gen Z'। এরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, স্মার্টফোন এবং উন্নত প্রযুক্তির মধ্যে বেড়ে উঠেছে।
5. Generation Alpha: ২০১৩ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত যারা জন্মগ্রহণ করেছে তাদের বলা হচ্ছে 'Generation Alpha'। এরা আরও উন্নত প্রযুক্তির যুগে জন্মেছে, যেখানে AI এবং অন্যান্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠছে।
এভাবে বিভিন্ন প্রজন্মের নাম ও বৈশিষ্ট্য জানলে আমাদের চারপাশের সমাজ ও সংস্কৃতিকে ভালোভাবে বোঝা সহজ হয়।
01/08/2024
স্থগিত হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সময়সূচি।
১১ আগস্ট থেকে নতুন সূচিতে শুরু হবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা।
২৮, ২৯, ৩১ এ জুলাই ও ১লা আগস্ট এর এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
11/07/2024
নার্সিং লাইফের সবচেয়ে গোল্ডেন টাইম থাকে প্রথম আর দ্বিতীয় বর্ষে,এসময় চারপাশে অসংখ্য বন্ধু পাবেন,প্রাণ খুলে আড্ডা দেওয়ার মানুষ পাবেন,অনেক চিল করার সময়ও পাবেন ।
এরপর থেকে যত সিনিয়র হবেন,বন্ধুদের পরিধি কমতে থাকবে,একাকিত্ব ভয়ংকরভাবে বাড়তে থাকবে,এমনও সময় আসবে একটু আড্ডা দেওয়ার মানুষ ও সময় কোনোটাই সহজে পাবেন না। সবাই যার যার ব্যাক্তিগত লাইফ,ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যস্ত,এই রেসে টিকে থাকতে পারলে ভবিষ্যতে সমাজে আপনার মূল্য আছে,আর না টিকতে পারলে আপনার দৌঁড় আর অর্জনগুলো ওখানেই পরিসমাপ্ত ।
ঘড়ির কাঁটা যত উল্টে যায়,মানুষের জীবনের স্বাদ আহ্লাদের পরিধি তার চেয়ে বেশি উল্টে যায়🙃।
Collected
22/06/2024
কয়টা পার্থক্য দেখতে পান?🤔
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1200