29/11/2017
Team 49 register quickly.
16th January, 18- Convocation.
3rd December, 17- last date of registration.
Stamford University Bangladesh Dhanmondi Campus ( Batch - 49 )
Address : 744, Satmosjid Road/star kabab, Dhanmondi Dhaka-1209, Bangladesh.
29/11/2017
Team 49 register quickly.
16th January, 18- Convocation.
3rd December, 17- last date of registration.
30/07/2017
ম্যানশন করোন আপনার সেই ফ্রেডকে, যে ভাল সিজিপিএ নিয়া ভাব নেয় :-P ;-)
বিশ্বের সেরা এক হাজার
ইউনিভার্সিটির মধ্যে বাংলাদেশের কোন ইউনিভার্সিটির নাম নেই।
কি হচ্ছে বুয়েট. ঢাবি. রাবি. শাবি. জাবি আর ইবি গুলোতে।
--------------------------
এবারের তালিকায় মালোয়েশিয়ার আছে, ব্রাজিলের আছে, আর্জেন্টিনার মত গরিব দেশ আছে, কোরিয়া আছে, তুরস্কের আছে, ভারতের আছে এমনকি
পাকিস্তানেরও একাধিক
ইউনিভার্সিটি এই তালিকায় আছে। আসুন এবার কারনগুলো দেখি।
এ ব্যাপারে একজন
স্যারের লেখা পড়লাম।
নোবেল বিজয়ী 'মালালা ইউসুফ জাঈ' আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড
ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির জন্য
আবেদন করেছিলেন।
ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ বলেছে
তাকে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েই
উত্তীর্ন হতে হবে, নোবেল কোটা কোন কাজে আসবে না।
এখন আমাদের দেশের কথা চিন্তা
করুন।
উপজাতি কোটা, খেলোয়াড় কোটা, মুক্তিযোদ্ধা কোটা, পোষ্য কোটা, নারী কোটা।
আমি এমনও জানি, এক মেয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ফেল করেও,
শুধুমাত্র টিচারের মেয়ে হওয়ায়
সে এখন কম্পিউটার
ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ে!লেখক বলেন :
বিদেশের ইউনিভার্সিটি গুলোর
লাইব্রেরীতে গেলে মনে হয় এটা
কোন গুরুস্তান, পিনপতন নীরবতায় সবাই যার
যার পড়াশোণা করছে। আর আমাদের দেশের ইউনিভার্সিটি গুলোর লাইব্রেরী তো একেকটা 'ক্যাফেটেরিয়া'। বাদাম বিক্রি থেকে আাইসক্রিমের ব্যবসাও লাইব্রেরীতে চলে।
রাত দশটার পর কেন হলের বাইরে থাকতে পারবে না, এর
প্রতিবাদে আমাদের মেয়েরা মিছিল করে।
(সম্ভবত রাত দশটার পর তারা
বাইরে গিয়ে গ্রুপ স্টাডি করতে চায়)। ভার্সিটি কর্তৃপক্ষের এরকম
অমানবিক সিদ্ধান্তের আমিও নিন্দা জানাই।
আমদের সোনার ছেলেরা ভার্সিটির পবিত্র জমিনে দাড়িয়ে দাড়িয়ে প্রশ্রাব করা, মদের বোতল আর গাঁজার পুটলি কিংবা তাবলা আর ঢোল নিয়ে গাছ তলায় বা বট তলায় টাইমপাস করাকে ভার্সিটি কালচার বুজেন । মাথায় টুপি আর গায়ে বোরকা দেখলেই সোনার ছেলেদের গাঁয় জ্বালা পোড়া করে।
শিক্ষক পেটানো আর প্রতিপক্ষ পটানো যেন ভার্সিটি গুলোর দৈনন্দিন রুটিন ওয়ার্কে পরিনত হচ্ছে।এবার আসি উচ্চশিক্ষায় গবেষণা
প্রসঙ্গেঁ। বিদেশের ইউনিভার্সিটি গুলোতে গবেষণা খাতে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়। আর আমাদের ইউনিভার্সিটিগুলোতে এ
খাতে কোন বরাদ্দ নেই। বলবেন,
আমরা গরীব রাষ্ট্র?
না জনাব। কোটি টাকা খরচ করে
জাতীয় সংগীত গাওয়া যায়
(যেখানে দেশাত্মবোধ মুখ্য নয়,
উদ্দেশ্য গিনেস বুকে নাম
তোলা),লাখ লাখ টাকা খরচ করে
আলপনা (রোড পেইন্টিং) আঁকার
মতো কাজ করা যায়, সাকিব আল
হাসানদের কোটি টাকা দেওয়া যায়, কিন্তু উচ্চশিক্ষায়
গবেষনাকাজে টাকা নেই।
ইউনিভার্সিটিকে এগিয়ে নিতে
হলে, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে
ইউনিভার্সিটির রিসার্চের বিকল্প
নেই।
শিক্ষকদের অবস্থা দেখুন।
ফাইভ পাশ করা কাউকে যদি
প্রাইমারী স্কুলের টিচার বানানো
হয় কিংবা এসএসসি পাশ করার
পরদিনই যদি কাউকে হাইস্কুলের টিচার বানিয়ে দেওয়া হয়, অবস্থা
কেমন হবে?
বর্তমানে অনার্স শেষ
করতেই অনেকে ইউনিভার্সিটির টিচার হয়ে পড়েন।
না আছে কোন মৌলিক
গবেষনাগ্রন্থ,বিশেষ প্রবন্ধ, না আছে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষন!
আর ব্যাক্তিত্বহীনতা তো
আছেই। এরা স্টুডেন্টদের কী
শিখাবেন? আর যারা
অপেক্ষাকৃত ভালো তারা
বিদেশ চলে যান। সিএনজি
ড্রাইভারের মত বেতনে কে
চাকরি করতে চায়?
বছরে কয়েকবার শিরোনামহীন,
জেমস, আইয়ুব বাচ্চুকে এনে
কনসার্ট করানো যায় (ভার্সিটি
কর্তৃপক্ষের অনুদান থাকে),
কিন্তু বিদেশের বিখ্যাত কোন
প্রফেসর/বিজ্ঞানী/গবেষক এনে
বক্তৃতা দেওয়ানো যায় না!
স্টুডেন্টরা শিখবে কীভাবে?
যেমন কর্তৃপক্ষ, তেমন স্টুডেন্ট!
সবচেয়ে বড় কথা হলো এ নিয়ে
কারো মাথাব্যাথা নেই।
শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় কিংবা শিক্ষাবিদরা এ নিয়ে চিন্তাই করেন না।
দরিদ্র রাষ্ট্র হওয়ার পরও বুয়েন্স
আয়ার্স কিংবা কায়েদে আজম
ইউনিভার্সিটি পারলে আমরা
পারবো না কেন? এটা "ধর তক্তা, মার পেরেক" টাইপের কিছু না। প্রয়োজন ৫০/১০০ বছর মেয়াদী মাস্টার প্লান। ভুলে গেলে চলবে না,একটা দেশের উন্নতি জাতীয় সংগীত গাওয়া, ক্রিকেট খেলা কিংবা সুন্দরবনকে ভোট দেওয়ার উপর নির্ভর করে না, নির্ভর করে সে দেশের শিক্ষার উপর।
(সংগৃহীত)
19/02/2017
It has been decided by the authority that Convocation -2017 will be held in the 1st week of October 2017. The exact date, time and venue will be confirmed on getting necessary approval from the Office of the Honorable President of the People’s Republic of Bangladesh and Chancellor of the University.
The Controller of Examinations and the Admission Office will decide the registration date of the graduates for convocation as early as possible.
Muhammad Abdul Matin
Registrar(Acting)
Stamford University Bangladesh
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে যে ১৫টি উপদেশ মেনে চলা উচিত!
(For the student of 1st semister)
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে নানা মানুষের কাছ থেকে হাজারো উপদেশ শুনবে। এটা করো, সেটা করো না ইত্যাদি শুনতে শুনতে তুমি হয়তো কনফিউজড হয়ে যাও। এখানে তাই ১৫টি উপদেশ দেয়া হলো যা সবার জীবনেই বাস্তবায়ন করা উচিত:
১। বিশ্ববিদ্যালয় কেবল ক্যারিয়ার গড়ার জায়গা না; জীবনকে উপভোগ করতে শেখার সেরা স্থান। তাই, লক্ষ্য রেখ যেন চার বছর পর একটা সার্টিফিকেটই তোমার একমাত্র অর্জন না হয়।
২। ক্লাস ছুটির পর বাসায় গিয়ে পড়তে বসা/ টিউশনিতে না গিয়ে কিছুটা সময় বন্ধু-বান্ধবদের সাথে আড্ডা দিবে। তাস খেলা শিখবে। বুড়ো বয়সে গিয়ে এটাই সবচেয়ে মিস করবে!
৩। নিজ বিভাগের শিক্ষার মান, ল্যাবের সুবিধা নিয়ে কমেন্ট করার আগে চিন্তা করবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগ গুলোর তুলনায় আমাদের অবস্থান কতটুকু ভালো! বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টুডেন্টরা সার্কিট, পেট্রি ডিসও ধরার সুযোগ পায় না। MIT/ Harvard-এর আশা এখান থেকে না করাটাই ভালো। এই সত্য যত তাড়াতাড়ি বুঝবে তত ভালো। প্রথম বর্ষে সবাই অনেক আশা নিয়ে আসে। সত্য এবং আকাঙ্ক্ষার মাঝের ব্যবধান নিজেকেই ঘুচিয়ে আনতে হবে।
৪। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নির্দেশক। তাদের কাছ থেকে নোট/ স্লাইড পাওয়ার আশা করে বসে থাকা উচিত না। এটা কোচিং সেন্টার না। এখানে তুমি কতটুকু পড়বে সেটা সিলেবাসে থাকে না। তুমি চাইলে নিজে নিজে পড়ে তোমার শিক্ষকের থেকেও ডীপ নলেজ পেতে পারো। তাই, নিজের জানার পরিধি কেবল ক্লাসের লেকচারে বেঁধে রেখো না। এমনকি কেবল নিজের সাবজেক্টে আটকে রেখো না। সব সায়েন্সের ব্রেক থ্রোর কথাই পড়বে। দিন শেষে যাতে একজন জ্ঞানী মানুষ হতে পারো।
৫। বিভাগের প্রত্যেক অনুষ্ঠানেই আয়োজক/ পারফরমারের ভূমিকা পালন করবে। লক্ষ করলেই দেখবে, কেউই আহামরি নাচ-গান-অভিনয় পারে না। সবাই তোমার মত! তাই, লজ্জা না পেয়ে সবাই যা করছে তাতে অংশগ্রহণ করো। বিভাগের প্রতি তাহলে একটা ভালোবাসা তৈরি হবে।
৬। মানুষ দুই রকমের– কেউ গ্লাসের অর্ধেক ভর্তি দেখে (optimistic), আর কেউ দেখে একটা গ্লাসের অর্ধেক খালি(Pessimistic)। বড় ভাইদের কাছে উপদেশ নেয়ার সময় দ্বিতীয় গোত্রের কাছ থেকে দূরে থাকবে। এখন কথা হলো, কীভাবে বুঝবে কে কোন গোত্রের? লক্ষ্য করে দেখ, কোন সিনিয়ররা বিভাগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ করে. এরাই দ্বিতীয় গোত্রের। প্রথম গোত্রের ছাত্ররা কিছু না থাকলেও সেখানে কিছু আছে তা দেখানোর চেষ্টা করবে।
"নিজের জানার পরিধি কেবল ক্লাসের লেকচারে বেঁধে রেখো না"
৭। বিভাগে পড়ে ভবিষ্যতে কি চাকরী করবে তা নিয়ে প্রথম বর্ষে চিন্তা করে আনন্দ মাটি করবে না। মক্কা বহুত দূর। প্রথম বর্ষে যত পারো চিল করো।
৮। ক্লাসের একদল সহপাঠী থাকবে যারা সব অজুহাতে পরীক্ষা পেছানোর ধান্দায় থাকবে। নিজে সেই দলের অংশ হয়ে যেয়ো না। পরীক্ষা কালকে সকালে হোক আর অগাস্ট মাসে হোক, তুমি পড়বে সেই আগের রাতেই। তাই, সময়ে সময়ে সব মিডটার্ম দিয়ে দাও।
৯। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রেম না করলে ফাল্গুন, বৈশাখ, বর্ষাবরণের অনুষ্ঠানের একটা বিশেষ স্বাদ হারাবে। তাই, এখন যৌবন যার, প্রেম করার সময় তার।
১০। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে কিছু কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে শিখবে। সেটা যত ছোট ইনকামই হোক না কেন। বাবা-মার কাছ থেকে আর কতদিন হাত খরচ নিবে?
১১। CGPA এর পেছনে দৌড়ালে জীবনে Excellency আসবে না। তাই, Excellency অর্জনের জন্য দৌড়াও। CGPA দেখবে ফ্রিতে চলে আসবে।
১২। যত বেশি মানুষের সাথে পারো নিজের ব্যক্তিগত যোগাযোগ সৃষ্টি করো। চাকরির বাজারে তোমার CGPA দিয়ে কাজ হবে না। সবাই চায় পরিচিত যোগ্য মানুষকে নিতে। তাই, শুধু যোগ্য হয়ে লাভ নেই।
১৩। জীবনের সুখ নামক ব্যাপারটাকে সফলতা/ CGPA দিয়ে সংজ্ঞায়িত করো না। সুখ পরিমাপ করবে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে কতগুলো স্মৃতি তৈরি করেছো তা দিয়ে।
১৪। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে জীবনের কাছে যখন হেরে যাবা তখন কীভাবে ঘুরে দাড়াতে হবে সেটা শেখা। ব্যর্থতা অবশ্যই থাকবে। ফেল পরীক্ষায় না করলেও ব্যক্তিগত জীবনে তুমি অবশ্যই করবে। সেটা থেকে বের হয়ে আসার শিক্ষা অর্জন করতে পারলেই গর্ব করে নিজেকে শিক্ষিত বলে দাবি করো।
১৫। সিনিয়রদের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখলে অনেক সুবিধা (এমনি চাকরি-বাকরি) পাওয়া যায়। টিপস হলো, কোন সিনিয়রকে রাস্তায় একা পেলে ট্রিট চেয়ে বসবা। তবে, তোমার সাথে যদি আরো 10-12 জন থাকে তাইলে কোন লাভ নেই। সর্বোচ্চ 4-5 জন খাওয়ানো যায়।
2011 সালে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হই। এই বছর বিশ্ববিদ্যালয় আমার শেষ বছর। এই কয়েক বছরে আমি যে পরিমাণ স্মৃতি তৈরি করেছি সেটা রোমন্থন করেই বাকি জীবন পার করে দেয়া যাবে। তোমাদের সবার বিশ্ববিদ্যালয় জীবন সুন্দর হোক!
29/03/2016
শ্রদ্ধেয় ফখরুল ইসলাম স্যারের জন্মদিনে 49(A) ব্যােচর সকলের পক্ষথেকে শুভেচ্ছা।
শুভ জন্মদিন :-)
13/08/2015
Last class of our honorable favorite teacher Farhana Rahman.
(a little arrangement of her farewell by 49-A)
.এযুগের খেলা পাগল মেয়েদের মনের কথাঃ
সৌম্য সোনার গেটআপ কী যে, তাশকু বেবির ফিগার;
ভায়রা রিয়াদ আর কারো না, আমার জান-এ-জিগার।
রুবেলটাও কম কি কিউট? ব্ল্যাক নাহয় কালার;
শাকিবটা ক্যান করল বিয়ে? হইশেটা কি শালার?
ইচ্ছা করে শিশিরটাকে মাইরা করি টাইট;
লিসেন বাডিজ কেয়ারফুলি— শাকিব আমার, রাইট?
হইশে কী যে কিউট ভুঁড়ি আমার তামিম খানের,
হাঁটার ধরন দেখশো মাঠে জিগরি জানেমানের?
তোমরা কেন হাসছ, বাডিজ, বোঝো ঘোড়ার ডিমও?
উম্মা, মুশি; চুম্মা, মুশি; নিয়ো হাজার ইমো!
মুশি বেবির হাসি দেখে পুরাই আমি শ্যাষ;
ওএমজি, ক্যামনে তাকায় আমার দিকে ম্যাশ!
ম্যাশও আমার, দ্যাশও আমার; অর্নি ডাজেন্ট কেয়ার;
অর্নি আমি, হর্নি এখন দেইখা ম্যাশের হেয়ার!
মুস্তাফিজকে দাও না এনে, করব কোলে ক্যারি;
তাশকু-তামিম— সব কটাকে করব আমি ম্যারি।
জানগুলারে বিয়ে করে ভরব আমার গ্যারেজ;
তোদের সবার রইল দাওয়াত, নেক্সট ইয়ারে ম্যারেজ।
করব ম্যারেজ, ভরব গ্যারেজ; খাইমু বসে কফি;
লিশেন টু মি, বিল্লি বাডিজ— আয়্যাম লেডি শফি!
রাইমটা পড়ে হাসলে কেহ ব্লক তোরা খাবি;
বিডি টিমের সাতটা বিএফ, চারটা আমার হাবি।
চল না সবাই প্রে করি, হাতটা প্লিজ তোল;
পরের ম্যাচে ম্যাশ যেন দেয় এত্তগুলা গোল!
posted by Rishat