18/04/2023
ঈদ মোবারক !!!
SCHOLARSHIP PROGRAM in CHINA
18/04/2023
ঈদ মোবারক !!!
23/01/2023
'ধর্মেও আছি, জিরাফেও আছি'-এই প্রবাদটির অর্থ কী? এর উৎপত্তিই বা কীভাবে হয়েছিল?
জয়পুরের মহারাজ একবার জাহাজে করে আফ্রিকা থেকে একটি জিরাফ আনান তার চিড়িয়াখানার জন্য। এইরকম অদ্ভুত দর্শন বিশাল আকৃতির জীব জয়পুর কেন আশেপাশের কেউ কখনও শোনেনি দেখা তো দূরের কথা। জয়পুর এবং আশপাশ থেকে দলে দলে সেই চিড়িয়াখানায় ভিড় জমাতো অদ্ভুত দর্শন সেই জন্তু দেখতে।
আশেপাশের দেশীয় রাজারা সম্ভবতঃ ঈর্ষান্বিত হয়েই কিছু মানুষ ধর্মের দোহাই দিয়ে রটিয়ে দিল যে এই রকম অদ্ভুত দর্শন জন্তুর উল্লেখ হিন্দু , মুসলমান বা ঈশাহী ধর্মগ্রন্থে কোথাও নেই তাই এই জন্তুটি ঈশ্বরের সৃষ্টি না, শয়তানের সৃষ্টি। একে দেখাও পাপ। জিরাফ দেখলে তাকে নরকে বা দোজখে যেতে হবে।
এই ফতোয়াতে দর্শনার্থী প্রথম চোটে অনেকটা কমে গেলেও আস্তে আস্তে আবার দুয়েক জন করে আসতে লাগল। মানুষের কৌতুহলের জোর ধর্মীয় ফতোয়ার জোরের থেকেও শক্তিশালী মনে হচ্ছিল।
তখন জয়পুরের মহারাজ একটু চালাকি করে রাতের দিকেও অনেকক্ষণ চিড়িয়াখানা খোলা রাখার ব্যবস্থা করলেন। ক্রমশঃ দেখা গেল যেসব ধর্মের ধ্বজাধারী দিনের বেলায় জিরাফ বিরোধী ফতোয়ার কথা ধর্মস্থানে ভক্তদের বোঝায় তারাই আবার অন্ধকার হলে চুপিচুপি সপরিবারে জিরাফ দেখতে চিড়িয়াখানায় যায়। এসব ভন্ড মৌলবাদীদেরই জয়পুরের লোকেরা বলত এই ব্যাটারা দিনের বেলায় ধর্মে আছে রাতের বেলায় জিরাফে।
30/12/2022
রাজারহাট গ্রামের একজন ধনী ব্যক্তি, ঠিক করলেন, তিনি কিছু সম্পত্তি ঈশ্বরের নামে দান করবেন। তার পরিকল্পনা মতে, তিনি সেখানে একটি মন্দির বানাবেন, তারপর সেখানে একটি ফুলের বাগান লাগাবেন। কিছু চাষের জমি সেখানে থাকবে, আর সেখানে সারাবছর ধরে চাষাবাস হবে। আর সেই দিয়েই যেন মন্দিরের খরচা চলে যায়। তিনি ঠিক করলেন যে, তিনি সেখানে একটি বিশ্রামালয় বানাবেন। দুরদিগন্ত থেকে আসা পুণ্যার্থীরা সেখানে চাইলেই দুই-তিন দিন থাকতে পাড়বেন। তাদের খাওয়ার যেন সু-বন্দবস্ত হয় সেই দিকেও তিনি খেয়াল দেওয়ার কথা ভাবলেন। তার পরিকল্পনা সব কিছুই তিনি ঠিক করে রেখেছিলেন। কিন্তু তিনি কিছুতেই নিজের মনের মত একটি লোককে খুঁজে পাচ্ছেন না, যার উপর তিনি এই সব কাজের ভাঁড় দিবেন।
তার এমন পরিকল্পনার কথা শুনে, অনেক মানুষই তার কাছে এলেন, এটা ভেবে যে, কোনো মতে সেখানে ঢুকে গেলে, আর পয়সার অভাব হবে না। কিন্তু সেই ধনী ব্যক্তিটি কিছুতেই কাউকে দায়িত্ব দিলেন না। কারণ তার কাউকেই পছন্দ হল না।
এরপর তিনি নিজেই মন্দির নির্মাণ কাজে দেখাশোনা করতে লাগলেন। কিন্তু এত ব্যস্ততার মধ্যে তিনি এদিকে সময় দিতে পাড়েন না। তাই আবারও তিনি একজন ভালো মানুষের খোঁজ শুরু করলেন। এবারও অনেক মানুষ তার কাছে এল, কিন্তু ব্যক্তিটির কাউকেই পছন্দ হল না। আগন্তুক লোকগুলি ব্যক্তিটিকে পাগল বলে গালাগালি দিতে দিতে চলে গেল।
প্রতিদিন সেই ব্যক্তিটি মন্দিরের সামনের বিশ্রামাগারে বসে আগন্তুক মানুষদের দিকে দেখে থাকত। তার চোখ এমন কোনো ব্যাক্তিকে খুঁজছে , যে সাধারণ হবে, দায়িত্ব পরায়ণ হবে। এত মানুষের ভিড় উপেক্ষা করে, তার চোখ একজন মানুষের দিকে গেল, যার পায়ে কোনো জুতো নেই, শরীরের বস্র স্থানে স্থানে ছিঁড়ে গেছে।
এই মানুষটিকেই তার পছন্দ হল। এরপর সেই মানুষটি যাওয়ার রাস্তা ধরতেই, ধনী ব্যাক্তিটি তাকে কাছে ডেকে বললেন- “আমি তোমাকে এই বিশাল মন্দিরটির দায়িত্বভাঁড় দিতে চাই। তুমি এই মন্দিরটির দায়িত্বভাঁড় গ্রহণ করতে রাজী আছো কি নেই?” সেই লোকটি অবাক হয়ে বলল- “বাবু, আমি পড়তে জানিনা লিখতে জানিনা, কিভাবে এত সুবিশাল মন্দিরের দায়িত্বভাঁড় পালন করব বলুন।“ ধনী ব্যক্তিটি বললেন- “আমি আপনাকেই এই মন্দিরের দায়িত্ব দিতে চাই। আপনার সাধারণ স্বভাব দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। আমি দেখছিলাম, যখন আপনি মন্দির থেকে নীচে নামছিলেন, সামনে থাকা একটা পাথরে সবাই ধাক্কা খাচ্ছিল, কিন্তু কেউই সেটাকে সেখান থেকে উঠিয়ে ফেলছিল না। আমি আপনাকেই দেখলাম, পাথরটিকে সেখান থেকে সরিয়ে ফেললেন। এরপর সেখানাকার মাটিও আপনি সমান করে দিলেন। আপনার সিধে-সাধা গুনে আমি মুগ্ধ।“
সেই মানুষটি বলল- “বাবু এটা তো প্রতিটা মানুষের কর্তব্য। রাস্তায় পড়ে থাকা পাথর, ডাল, কাটা ইত্যাদি যাতে অন্য কোনো মানুষের বাঁধা ন হতে পাড়ে, যার নজরে সেই বাঁধাটি আসবে সেইই সেখান থেকে নিরাপদ জায়গায় সেটিকে রেখে দিবে।“
শুধুমাত্র একজন নাগরিক হলেও হয় না, হতে হয় একজন দায়িত্ববান নাগরিক। এমন নাগরিক হতে হবে যেন প্রত্যেকের কাজে আসতে পাড়ি। মানুষকে যতই আপনার গুনের কথা বলুন না কেন, সবথেকে বড় প্রমান হল আপনার সাধারণ মানের স্বভাব। এটিই আপনার সামনে থাকা ব্যাক্তিকে মুগ্ধ করে, এটিই আপনার সামনে থাকা ব্যাক্তিকে আপনার দিকে আকর্ষিত হতে বাধ্য করে। তাই নিজের চরিত্রের মাধুর্যতা এবং নিজের মুক্ত মনোভাব বজায় রাখুন। দেখবেন মানুষ নিজে থেকেই আপনার দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে।
22/12/2022
শিবরাম চক্রবর্তী প্রায়ই বলতেন, "একটা ট্যাক্সি পেলেই চলে যাব।"
বেশ কিছুদিন ধরে বুঝতে পারছিলেন শরীরটা কিন্তু সত্যিই ঠিক যাচ্ছিল না। স্মৃতি কমে আসছিল। কথাবার্তা অসংলগ্ন। শেষ জীবনে প্রায় কপর্দকহীন।
প্রায়ই বলতেন, ‘‘জিনিসপত্র সব বাঁধা হয়ে গেছে এবার একটা ট্যাক্সি পেলেই চলে যাব।’’
চিরকাল লোককে বিশ্বাস করেছেন আর বারবার ঠকেছেন। অনেক প্রকাশক ঠকিয়েছে।এমনকী শেষদিকে সেই সময়ের রাজ্য সরকার এবং কয়েকটি সংস্থা মিলে তাঁর চিকিৎসা ও ভরণপোষণের জন্য যে মাসিক ছ’শো টাকা তারই এক পাড়াতুতো পরিচিতের কাছে পাঠাত, সেই টাকারও সঠিক ব্যবহার হত না।
শুকনো-রিক্ত চেহারা। অথচ কেমন আছেন জিজ্ঞাসা করলেই উত্তর ‘‘খাসা আছি। ফাইন আছি।’’
কোনও দিন কোনও অভিযোগ নেই কারও কাছে। তারমধ্যে আবার একদিন ঘরে চোর ঢুকে শেষ পাঞ্জাবিটাও নিয়ে গেছিল, গেঞ্জি পরেই থাকতেন। মুখে বলতেন, ‘‘দরকার কী? এই তো দিব্বি চলে যাচ্ছে গেঞ্জিতে।’’
হঠাৎ কয়েক দিনের প্রবল জ্বর। দুর্বল শরীরে টলতে টলতে বাথরুমে ঢুকেই সংজ্ঞা হারালেন। সারারাত পড়ে রইলেন ওখানেই। পরদিন বেলায় খবর জানাজানি হতে ভর্তি করা হল হাসপাতালে।
১৯৮০ সালের ২৮ অগস্ট সকাল। হাসপাতালের বেডে আচ্ছন্ন বাড়ি থেকে পালিয়ে’র নায়ক।ডাক্তারবাবু জিজ্ঞাসা করলেন, ‘‘শিবরামবাবু, এখন কেমন লাগছে শরীর?’’
'‘ফার্স্টক্লাস।’’ জড়ানো গলায় তখনও একই উত্তর। তার ঠিক পাঁচ মিনিট পরেই সেই অপেক্ষার অচেনা ট্যাক্সিতে চেপে বসলেন শিবরাম। রেডিয়োতে সন্ধেবেলায় যখন সেই খবর ঘোষণা হচ্ছে, তখন হয়তো হর্ষবর্ধন আর গোবর্ধনের সঙ্গে চাঁদে জমি কেনা নিয়ে তুমুল ব্যস্ত তাঁদের স্রষ্টা..!
জন্মদিবসে আমাদের পক্ষ থেকে রইলো বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি..
লেখা ও ছবি: সংকলিত
16/12/2022
শুভ রাত্রি
18/08/2022
ক্রিকেট বিষয়ক আপডেট পেতে যোগ দিন:
https://www.facebook.com/GOLNCricket
13/08/2022
Strong people forgive. Intelligent people ignore." - Albert Einstein.
This post is Sponsored by
05/08/2015
in
For Details call:
017 90 500 999
019 70 500 999