26/06/2024
Buet+Kuet+Ruet+Cuet & Medical+University Admission Preparation
Whoever we are our plan is to help you in your education related problem in every possible ways...
we Just do it.
26/06/2024
জীবনে খুব কমই ইন্টারভিউ আমাকে দিতে হয়েছে।
পাশ করার পর এক বিশাল কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিতে গেছি, একবার ইন্টারভিউয়ের পর ফাইনাল ইন্টারভিউ। সবকিছু প্রায় ঠিকঠাক, মনে হচ্ছিল আমাকে তাদের পছন্দ হয়েছে। কথাবার্তা প্রায় শেষ তখন এইচ-আর এর হেড একটু হেসে দিয়ে এক বেশ বুড়া লোকের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, যদি হয়, আপনি ওনার আন্ডারে কাজ করবেন। একটু কেয়ারফুল থাকবেন, উনি কিন্তু কড়া লোক, একটু শর্ট টেম্পার্ড।
যেই লোকের কথা বলছিল তার দিকে তাকিয়ে দেখি উনি হাসতেছেন। যেন এগুলা তার খুব ভালো কোয়ালিটি।
আমি তখন জিজ্ঞাসা করলাম, উনি শর্ট টেম্পার্ট এবং বদরাগী, এই দায়িত্ব আমার নিতে হবে কেন?
আমার পাল্টা প্রশ্ন শুনে এইচ-আর’ এর লোকটা থতমত খেয়ে গেল। আমতা আমতা করে বলল, না মানে লিডারশিপের কথা বলছিলাম, হি ইজ এ টাফ লিডার।
আমি বললাম, আপনাদের উচিৎ তাকে ডাক্তার দেখানো।
তখন আরেক লোক ছিল সম্ভবত মালিকদের পক্ষ থেকে কেউ। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, একথা বললেন কেন?
আমার তখন চাকরি করার ইচ্ছা নাই সেখানে। আমি বললাম, মানুষের টেম্পারমেন্টের সমস্যা থাকতে পারে কিন্তু ওনাকে দেখে মনে হচ্ছে উনি বদরাগী শুধু না, নিজের এই বদরাগ নিয়ে তিনি বেশ প্রাউড। তাকে তো মানসিক ডাক্তার দেখানো দরকার। এইচ-আর থেকে আপনারাও দেখি সেটা বেশ রসিয়ে রসিয়ে বলছেন। ইউ শুড টেইক একশন।
সেই লোকের হাসিমুখ কালো কুচকুচে হয়ে গেল। সম্ভবত তিনি কেবল সম্মান আর জি স্যার পেয়ে অভ্যস্থ।
তখন সেই কম কথা বলা লোকটা জিজ্ঞাসা করল, আপনার যদি এখানে হয়, আপনি জয়েন করবেন না?
আমি দুই’দিকে মাথা নাড়িয়ে বললাম, আলবৎ না। আমি মন দিয়ে কাজ করব কোম্পানি আমাকে টাকা দেবে। এর বাইরে যদি কোম্পানি বলে তোমার বস আনপ্রেডিক্টেবল,বদরাগী, তার দায়িত্ব তোমাকে নিতে হবে, সেটা তো আমি করতে পারব না, সরি।
সেই বদমেজাজি ভদ্রলোক একটা কথাও বলেন নাই সেখানে। আমি যখন বেরিয়ে যাই, তখন তার দিকে একবার তাকিয়েছিলাম। তার চেহারা দেখে মনে হয়েছিল তিনি জীবনেও ভাবতে পারেন নাই, এই ধরনের কথা কেউ বলতে পারে।
এই গল্পের অবতারণার কারন হল, আমার এই ক্ষুদ্র জীবনে আমি দেখেছি কিছু কিছু মানুষ প্রচন্ড রকম শর্ট টেম্পার্ড, বদরাগী এবং বদমেজাজী। তাদের ব্যবহার অত্যন্ত খারাপ এবং বিশ্রি। মানুষের সাথে সুযোগ পেলেই তারা দুর্ব্যবহার করে বসে।
নিজেরদের বদ মেজাজ নিয়ে তাদের আবার বিরাট গর্ব। আড্ডায়-টাড্ডায় আবার বলেও বসে, আমি তো এই করেছি সেই করেছি, **ল ছিঁড়ে তাল গাছে তুলে দিয়েছি, ইত্যাদি। চিন্তাশক্তি বলে যে একটা জিনিস আছে সেটা তাদেরকে দেখলে বোঝা যায় না।
কেউ কেউ আছে তাদের দুর্ব্যবহারকেও আবার ডিফেন্ড করে। যেমন বলে, আমার মুখে যা আসে আমি বলে ফেলি,আমার মুখে যা মনেও তা, আমি তোমাদের মত সুগার কোট করতে পারি না, ইত্যাদি। মনে যা তা মুখে বলতে হবে কেন? মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের না করে অন্তত চুপ যে থাকা যায়, সেটা বিদ্যা তাদের পেটে নাই। ‘আর মনে যা মুখে তা’- এই ফালতু আলাপ তারা করে যারা তাদেরকে সহ্য করে তাদের সাথে। মানে আপনার একটা বদমেজাজী বন্ধু/আত্মীয় আছে, আপনি তাকে সহ্য করে চলেন, আপনার লাইফ মোটামুতি হেল।
বহু বদমেজাজী লোক আমাকে অনেক পছন্দ করেছে জীবনে, সবসময়ই তাদেরকে আমি এভয়েড করে চলেছি। যে মানুষ তার মেজাজের দাস, সে আসলে মূর্খ, তার জানাশোনা, লেখাপড়া সব ব্যর্থ। মেজাজে চলতে চিন্তার দরকার হয় না, একটা বেড়াল কিংবা কুকুরও নিজ মেজাজ অনুযায়ি রিএক্ট করে। আর জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে না, সে অভিশপ্ত। তার ভেতরকার ভালোবাসা, অনুরাগ ইত্যাদি সবকিছু মোটামুটি জীবন্ত লাশের মত। তার জিহ্বা পেরিয়ে সেগুলো মানুষের কাছে পৌঁছায় না।
এই দেশে একটা কালচার আছে, বদমেজাজি মানুষের সবকিছু মেনে নেয়া, তাকে একটু ভয় পাওয়া, তার কথায় একটু গুরুত্ব দেয়া, ইত্যাদি। এটা কেন হয়েছে জানি না।
তবে মনে রাখবেন, অতিরিক্ত বদমেজাজি মানুষ বেসিক্যালি পাগল, মানসিক ভাবে অসুস্থ্য। তাকে গুরুত্ব দেবেন না। তার কথাকে পাত্তাই দেবেন না। সবচেয়ে ভালো হয় তাকে এড়িয়ে চলুন। এমন একটা সমাজ তৈরি করবেন না, যেখানে পাগল তার পাগলামি নিয়ে গর্ব বোধ করতে থাকে।
Akhtarujjaman pranto
19/05/2024
Azmain Estiak
আমি যখন আমার বাড়িতে থাকি, যে-কোন যায়গা গেলে জিজ্ঞেস করবেই তুমি কি আলম এর ছেলে! এই জিনিস টা শুনলে আমার অত্যন্ত ভাল লাগে! তারা সন্মান দেই! বসতে বলে। আজকে ৭ বছর ৬ মাস চলে যাচ্ছে প্রায় বাবা যাওয়ার তারপরের যে পরিচিতি আমাকে দিয়ে গিয়েছে তার জন্য আমার নিজের প্রতি শান্তি দেই!
A person who has that regret after doing something wrong, he/she is the best person in your life!! In an aggressive mood he/she did something wrong but after sometime feel guilty that's humanity. We should respect each other-dont do bad behaviour with people. Politeness is the best point of your personality.
26/04/2024
ক্যাম্পাস লাইফে মানুষ ছাড়া যে জিনিষটা সবথেকে বেশি স্মৃতিপটে দাগ কেটে থাকে সেটা হচ্ছে ভার্সিটির এই বছরগুলো কাটানো হলের রুমটা!!!
এখনো ক্যাম্পাস থেকে পাশ করা অনেক বড় ভাইয়ের সাথে দেখা হলে জিজ্ঞেস করে "সালাম বরকত হলের ঐ রুমটায় এখন কারা থাকে বলতে পারিস।ঐ রুমটায় কিন্তু আমি থাকতাম!" :O
একবার রাতে ভাসানী হলে এক বন্ধুর রুমে ঘুমাইছিলাম।খুব সকালে এক অপরিচিত বড় ভাই দরজা নক করলেন।সে আমাদের চেয়ে কয়েক ব্যাচ সিনিয়র পরিচয় দিয়ে রুমে প্রবেশ করলেন।পুরা রুমটাকে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখতে লাগলেন।যাবার সময় বললেন ৬ বছর আগে তিনি এই রুমে থাকতেন।কেন যেন আমার কাছে তখন তার চোখটা ছলছল করছিল বলে মনে হচ্ছিল!
হয়ত এই রুম জুড়েই তার শত শত অতীত স্মৃতি জুড়ে রয়েছে।সেসবেরই দু একটা মনে পড়ে গেছে আজ! :(
গনরুমের পর রুমে ওঠার সময়ে যে উত্তেজনা আর জল্পনা কল্পনা তা কে না জানে?
রুমের জন্য স্যার কিংবা বড় ভাইদের সাথে যোগাযোগ, রুমমেট সিলেকশন, বেড-টেবিল-চেয়ার পাওয়া, মহাসমারোহে নতুন রুম পরিষ্কার, দেয়ালে পছন্দের পোস্টার কিংবা লেখালেখি আরো কত যে কি! :)
কেউ বা আবার রুমের একটা নামও জুড়ে দেয়!
রুমে ওঠার পরের কয়েকদিন বেশ মজায়ই কাটে। কিন্তু কিছুদিন পরে বাধ সাধে রুমমেটদের এতদিনের অপ্রকাশিত স্বভাব।কেউ হয়ত একটু শব্দ করে পড়ে,কেউ সিগারেট খেয়ে ফ্লোরেই ছাই ফেলায়,কেউবা সারারাত লাইট জ্বালিয়ে রাখে,কেউ স্পিকারে হাই ভলিউমে গান বাজায়,কেউ দরজার ছিটকানি না লাগিয়ে চলে যায়।এ নিয়েও চলে হালকা পাতলা খোঁচাখুঁচি!
অবশ্য পরে ব্যাপারটা রক্ত মাংসের সাথে মিশে যায়।
মাঝেমধ্যে রুমে রান্নাবান্না হয়।আশেপাশের রুমের লোকজন চলে আসে ঘ্রাণের টানে।তাদের রেখে খাওয়াও যায় না।সবাই মিলে ভাগেযোগে খাওয়া হয় অবশেষে। :D
হল লাইফে কার্ড খেলা একটা সচরাচর চিত্র।প্রায় রুমেই সন্ধ্যার পরে কার্ড খেলার ধুম পরে যায়।যে রুমে কেউ কার্ড খেলতে পারে না, তাদের সিজিপিএ থাকে আবার সেই লেভেলের!
প্রায় প্রত্যেক রুমেই একজন আদর্শ ছাত্র আর একটা কলঙ্কিত ছাত্র পাওয়া যায়! আদর্শ ছাত্র পরীক্ষার রুটিন পাওয়ার আগে থেকেই শিট গোছানো, দাগানোসহ পড়াশোনা শুরু করে দেয়।ওদিকে কলঙ্কিত ছাত্রের পরীক্ষার আগের রাতেও ঘুম কমে না। শেষমেশ আদর্শ ছাত্রের শরণাপন্ন হয়ে কিছু সাজেশন নিয়ে কোনরকম পাশ করে! :D
বিকেলবেলা একসাথে বের হওয়ারা বেশিরভাগই থাকে রুমমেট !মাঝেমাঝে এরা আবার একই গেঞ্জি কিংবা শার্ট কিনে আরো ভালভাবে বুঝিয়ে দেয় আমরা কিন্তু রুমমেট!
ছোট একটা কক্ষ।তার ভিতরেই এত হাসি, এত কোলাহল, এত আয়োজন। ভিন্ন পরিবার,পরিবেশ, অঞ্চল থেকে আগত ছেলেগুলোই যেন হয়ে ওঠে ঠিক একটা পরিবারের মত।একটা ছাদ আর চারটা দেয়াল এদের একত্রিত করেছে!
সবচেয়ে আবেগঘন পরিবেশ হয় পিএল,শীতকালীন কিংবা গ্রীষ্মের ছুটির শেষে !
বাড়ি থেকে আবার রুমমেটদের আসরে ফিরে আসা।এসেই রুমমেটদের সাথে কোলাকুলি, হাসাহাসি ,অভিজ্ঞতা বর্ননা। কেউ কেউ এসময় মায়ের বানানো পিঠা কিংবা নিজেদের গাছের ফলমূল নিয়ে আসে।এতদিন পরে মানুষহীন জরাজীর্ণ রুমটা যেন আবার প্রাণ ফিরে পায়!
রুমে তখন উৎসব উৎসব ভাব।
প্রতিটা রুমে প্রতি বছর গড়ে ৩/৪টা কেক কাটা হয়ই।রাত ১২ টার পর রুমমেট বন্ধুরা বার্থডে বয়কে চমকে দিতে চেষ্টা করে।কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই আয়োজন সে টের পেয়ে যায়!
সেমিস্টার যত বাড়তে থাকে সবার মধ্যে ম্যাচিউরিটিও বাড়তে থাকে ।শেষ দিকে রুমে আর বেশি কোলাহল হয় না।সবাই সিজিপিএর টেনশনে ব্যস্ত।
দেখতে দেখতে সময়টা শেষ হয়ে যায়। কোমরের রশিতে টান পরে। ভার্সিটি লাইফের সমাপ্তি টেনে চাকুরীর সন্ধানে চলে যায় সবাই।যোগাযোগটা আর আগের মত হয় না।সপ্তাহে কিংবা মাসে দু একবার।
এদিকে একই রুমে নতুন অধিবাসীর আগমন ঘটে! শুরু হয় আবার নতুন পথচলা,নতুন বন্ধুত্বের গল্প,নতুন স্মৃতি গড়া! :O
অজস্র স্মৃতি লেগে থাকে রুমের দেয়াল গুলোতে।রুমের নতুন অধিবাসীদদের কাছে এগুলা মূল্যহীন আঁকিবুঁকি আর লেখা ছাড়া কিছুই না!
পুরনো দাগের উপর জায়গা করে নেয় নতুন কোন লেখা,নতুন কোন রুমমেটের গোপন নিক নেইম যা শুধু রুমমেটরাই জানে ,যার পিছনে থাকে অন্য কোন মজার গল্প! :(
এ গল্পগুলো খুবই কমন।প্রতিটা হলের প্রতিটা রুমে এই একই ঘটনাগুলোর পুনরাবৃত্তি ঘটে!
হলে থাকা প্রতিটা ছাত্র এই গল্পের নায়ক। একই দৃশ্যপট আর কাহিনীতে শুধু যুক্ত হয় নতুন অভিনেতা! :(
Akhtarujjaman pranto
30/03/2024
মহাগ্রন্থ আল কুরআন নাযিল হওয়ার কারণে অন্যসব মাসের চেয়ে রমজান মাস বেশি ফজিলত ও বরকতময় হয়েছে। আর রমজানের রাতগুলোর মধ্যে কোরআন নাযিলের রাত লাইলাতুল ক্বদর সবচেয়ে তাৎপর্যমণ্ডিত একটি রাত।
এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আমি একে নাযিল করেছি কদরের রাতে। তুমি কি জান ক্বদরের রাত কি? কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। (সূরা: কদর, আয়াত: ১-৩)।
এ আয়াতের ব্যাখায় মুফাসসিরকুল শিরোমণি হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, ‘এ রাতের ইবাদত অন্য হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম’। (তানবিরুল মিকবাস মিন তাফসিরে ইবনে আব্বাসঃ ৬৫৪ পৃষ্ঠা)।
তাবেয়ি মুজাহিদ (র.) বলেন, এর ভাবার্থ হলো, ‘এ রাতের ইবাদত, তেলাওয়াত, দরুদ কিয়াম ও অন্যান্য আমল হাজার মাস ইবাদতের চেয়েও উত্তম। ’
মুফাসসিররা এমনই ব্যাখ্যা করেছেন। আর এটিই সঠিক ব্যাখ্যা। (ইবনে কাসির: ১৮ খণ্ড, ২২৩ পৃষ্ঠা)।
শবে কদরের আমল
সুতরাং লাইলাতুল কদর পেলে এ আমল ও দোয়া রাত অতিবাহিত করা জরুরি। তা হলো-
১. নফল নামাজ পড়া।
২. মসজিদে ঢুকেই ২ রাকাত (দুখুলিল মাসজিদ) নামাজ পড়া।
৩. দুই দুই রাকাত করে (মাগরিবের পর ৬ রাকাত) আউওয়াবিনের নামাজ পড়া।
৪. রাতে তারাবির নামাজ পড়া।
৫. শেষ রাতে সাহরির আগে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া।
৬. সম্ভব হলে সালাতুত তাসবিহ পড়া।
৬. সম্ভব হলে তাওবার নামাজ পড়া।
৭. সম্ভব হলে সালাতুল হাজাত পড়া।
৮. সম্ভব হলে সালাতুশ শোকর ও অন্যান্য নফল নামাজ বেশি বেশি পড়া।
৯. কুরআন তেলাওয়াত করা। সুরা কদর, সুরা দুখান, সুরা মুয্যাম্মিল, সুরা মুদ্দাসির, সুরা ইয়াসিন, সুরা ত্বহা, সুরা আর-রাহমান, সুরা ওয়াকিয়া, সুরা মুলক, সুরা কুরাইশ এবং ৪ কুল পড়া।
১০. দরূদ শরিফ পড়া।
১১. তাওবাহ-ইসতেগফার পড়া। সাইয়্যেদুল ইসতেগফার পড়া।
19/01/2024
সব অযুহাত মিথ্যা, যে চায়... সে পারে!! ❤️
দীর্ঘ আশ্বাস দিয়ে যাওয়া মানুষগুলোই দিনশেষে খুব বাজেভাবে দীর্ঘশ্বাসে পরিণত হয়।
আর তাতে দীর্ঘ আশ্বাস মুখ থুবড়ে পড়ে, আশাহত মানুষটি দীর্ঘশ্বাসকে সঙ্গী করে ডুবে মরে জীবনের চোরাবালিতে।
একদিন যার গল্পে আপনি ঝাঁ চকচকে রোদ্রজ্জল সকাল দেখতেন, যার গল্পের আয়নায় নিজের রঙিন ভবিষ্যতের ছায়া খুঁজে পেতেন,
ঠিক সে একই গল্পে মানুষটি একদিন আপনার জন্য বিভীষিকাময় সন্ধ্যা বয়ে নিয়ে আসবে... যে বিভীষিকার তল খুঁজে নিতে গিয়ে আপনি অতল গহ্বরে হারিয়ে যাবেন।
মজার বিষয় হচ্ছে...
সে গল্প বলা মানুষটি তখন অন্য কোথাও গল্প বলে বেড়ায়, স্বীয় সার্থে... ঠিক একই রকমভাবে।
সে রঙিন গল্পের কুশীলব তখন আপনি নন, অন্য কেউ... সে গল্পের আয়নায় আপনার বদলে ঘুরে বেড়ায় অন্য কারো রঙিন ভবিষ্যৎ...
জীবনে যে মানুষটি প্রতি মুহুর্তে আপনার জন্য বেঁচে থাকতে চেয়েছে, মরে যেতে চেয়েছে আপনার তরে...
একটি সূর্য ডোবার ব্যবধানে সে মানুষটিই হয়ত আপনার মরার কারণ হয়ে গেছে... যেখানে সে জিয়নকাঠি হয়ে উঠেছে অন্যকারো
সম্পর্কগুলো এমনি, যেখানে স্বার্থটাই মেইন ফ্যাক্ট। এর বাইরে সব ই কাব্য, কবিতা, মুখরোচক গল্প... আর কিছুনা।
আফসোস হল...
এই চিরনতন সত্যটা বুঝতে কেউ কেউ অনেক দেরী করে ফেলে, কেউ আবার জীবন দিয়ে দেয়, কাউকে আবার মরে গিয়েও শ্বাস নিয়ে যেতে হয়...।
প্রতিটা মানুষ ই আসলে এক একটা স্বর্ণকার,
স্বর্ণকার যেমন মায়ের গহনা থেকেও নিজ স্বার্থ খুঁজে নেয়, তেমনি এখানকার মানুষগুলোর প্রতিটি কদমে থাকে স্বীয় সার্থের নোংরা হিসেব নিকেশ... আর কিছুনা
স্বার্থপর মানুষদের জন্যই প্রথিবীটা। সো, স্বার্থপর হোন... যত আগেভাগে এ বিদ্যা অর্জন করতে পারবেন, ততই এ পৃথিবীতে থাকার যোগ্য হয়ে উঠবেন আপনি।
#প্রান্ত
জাবি
জিপি কোম্পানি জনগণের সাথে ফাজলামো শুরু করেছে।
তারা প্রথম এ ৩০ টাকা রিসার্জ সিস্টেম আনলো এরপরে সবাই যখন বয়কট এবং সিম ব্যবহার না করার চিন্তা করা শুরু করলো।
তখনই তারা ৩০ টাকার কান্ড থেকে পিছনে সরে এলো এরপরে তারা নতুন নাটক শুরু করলো এখন তারা ২০ টাকা লোড করলে মেয়াদ ১০ দিন দিলো।
তাহলে মাসে ২০ টাকা করে ৬০ টাকা ৩ বার ভরতে হবে তানা হইলে টাকার মেয়াদ থাকবে না।
আমাদের সকলের উচিৎ এদের একটা চরম লেভেলের শিক্ষা দেওয়া।
তারা যদি পরবর্তীতে নেওয়া এই "মেয়াদের সিদ্ধান্ত" থেকে দ্রুত না সরে আসে সবাই আমরা MNP করে অপারেটর পরিবর্তন করে নিবো।
MNP মানে বুঝে নাই অনেক এ - এটার মানে হচ্ছে আপনি ধরেন যে সিম ব্যবহার করছেন 017799999 # # # এই নম্বর হুবহু থাকবে।
জাস্ট অপারেটর মানে কোম্পানি পরিবর্তন হবে।
এরা জনগণকে জিম্মি করে যা মন চায় সিদ্ধান্ত নেওয়া শুরু করেছে।
সবাই পোস্টটি শেয়ার , কপি করে ছড়িয়ে দিন।
Post by : Al Jaber(Founder of Cyber Security 71)
09/01/2024
Ridiculous & Insane!!!! 👀
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
1100