ইনস্টিটিউট অফ হেলথ টেকনোলজি —আই এইচ টি, ঢাকা
This Institute was making for create more & more Medical Technologist.
ইনিস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আই, এইচ, টি) ১৯৬৩ সালে ঢাকার প্রাণকেন্দ্র মহাখালীতে প্রতিষ্ঠিত হয়। সু-চিকৎসার পূর্ব শর্ত হল সঠিক রোগ নির্ণয়। আর সঠিক রোগ নির্ণয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়িত্বটি পালন করছেন মেডিকেল টেকনোলজিস্টগণ। এই মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের উৎপত্তিস্থল হল ইনিস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আই, এইচ, টি)।
মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ৬টি আলাদা আলাদা বিভাগ রয়েছে:-
১। মেডিকেল টেকনোলজি (প্যাথলজি)
২।
07/01/2021
Medical Technologist (All Department) Circular-2020
Written Exam Result,
05/07/2020
চলছে অবস্থান ধর্মঘট।
30/06/2020
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক নিয়োগ বিঞ্জপ্তি
১। পদের নামঃ মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ল্যাবরেটরী)
পদের সংখ্যাঃ ৪৯৭ টি
২। পদের নামঃ মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (রেডিওগ্রাফি)
পদের সংখ্যাঃ ১১৫ টি
৩। পদের নামঃ মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ডেন্টাল)
পদের সংখ্যাঃ ১১১ টি
৪। পদের নামঃ মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ফিজিওথেরাপি)
পদের সংখ্যাঃ ১১৩ টি
৫। পদের নামঃ মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (রেডিওথেরাপি)
পদের সংখ্যাঃ ৫৩ টি
Online এ আবেদন শুরু ০৫/০৭/২০২০ ইং
online এ আবেদনের শেষ তারিখঃ ২০/০৭/২০২০ইং
মেডিকেল টেকনোলজিষ্টদের নিয়োগ প্রদানের নির্দেশ দেওয়ার জন্য গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট এসোসিয়েশন (বিএমটিএ) এর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
ধন্যবাদান্তে,
মো: আলমাস আলী খান
সভাপতি
বাংলাদেশ মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট এসোসিয়েশন (বিএমটিএ)
মো: মোশারফ হোসেন খান
মহাসচিব
বাংলাদেশ মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট এসোসিয়েশন (বিএমটিএ)
সারা দেশে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দরকার দেড় লক্ষ। কিন্তু এই মুহূর্তে আছে মাত্র ৫ হাজার। ১২ বছর ধরে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ হয়না।
"করোনার এই দূর্যোগ মুহূর্তে ১৫ হাজার মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ দেয়া জরুরী। "---- স্বাস্হ্য অধিদপ্তরের এডিজি ডা. আবু ইউসুফ ফকির।
সব ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেও আড়ালেই মেডিকেল টেকনোলজিস্টরাllll
I
I
করোনা মহামারীতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের অবদান রয়ে যাচ্ছে অনেকটা আড়ালেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, অদক্ষ কর্মী দিয়ে পরীক্ষা করালে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে। আক্রান্ত হতে পারেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।
বিশ্বে যখন করোনার মহামারী, তখন তা মোকাবেলায় করোনা যোদ্ধা হয়ে সবচেয়ে বেশি সাহসী ভূমিকা রাখছেন ডাক্তার ও নার্সরা। তাদের পাশাপাশি মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তারা পাচ্ছেন না স্বীকৃতি, পাচ্ছেন না প্রাপ্য সম্মান।
করোনা রোগী সনাক্তে, নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার মূল কাজটা করে থাকেন মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা। সবার আগে করোনা উপসর্গের রোগীদের কাছেও যাচ্ছেন তারা, তাই বেশি ঝুঁকিও তাদেরই।
সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ সহকারী অধ্যাপক ডা. জাহিদুর রহমান বলেন, নমুনা সংগ্রহ বা প্রস্তুতে এই দুটোর সাথেই মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা যুক্ত থাকে।
বিশেষজ্ঞেদের মতে, অদক্ষ কর্মী দিয়ে করোনার পরীক্ষা করালে যেমন নির্ভুল তথ্য পাওয়া যাবে না, তেমনি রয়েছে ভয়াবহ ঝুঁকি। ছড়িয়ে যেতে পারে পুরো হাসপাতালেও।
ডা. এ কে এম শামসুজ্জামান তোষার বলেন, শ্বাসতন্ত্রের ভেতর থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে পারাটা হচ্ছে করোনা শনাক্ত করারা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সেবক-সেবিকার পরে এই জ্ঞ্যান তো মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের আছে। তাই তারাই উপযুক্ত এই কাজের জন্য।
দ্রুততম সময়ে নির্ভুল পরীক্ষা নিশ্চিতে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি যোগ্য সম্মান ও স্বীকৃতি দেয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
IPH Road, Mohakhali(Beside ICDDR'B
Dhaka
1212