রমজান শুধু রোজা রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি আমাদের চরিত্র ও নৈতিকতাকে উন্নত করার একটি প্রশিক্ষণ। রমজানে আমরা যে উচ্চমানের চরিত্র ও আচরণ বজায় রাখার চেষ্টা করি, তা সারা বছর ধরে বজায় রাখাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।
হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) বলেছেন:
“যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা বলা ও খারাপ কাজ পরিত্যাগ করে না, তার খাদ্য ও পানীয় ত্যাগ করার (অর্থাৎ রোজা রাখার) কোনো প্রয়োজন আল্লাহর নেই।”
— সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: ১৯০৩, কিতাব: ৩০, হাদিস: ১৩।
Hadis Everyday- হাদিস পাঠ
প্রতিদিন কমপক্ষে একটি হাদিস পাঠ করে তা ব্যক্তি জীবনে বাস্তবায়নের লক্ষ্য স্থির করা মুসলমান হিসেবে প্র্রত্যেকের উচিত।
হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সা.)-কে রমজান সম্পর্কে বলতে শুনেছি—
“যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং আল্লাহর নিকট সওয়াবের আশায় রমজান মাসে রাতের নামাজ (তারাবিহ/কিয়ামুল লাইল) আদায় করবে, তার পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।”
— সহীহ আল-বুখারী, হাদিস নং: ২০০৮, কিতাব: ৩১, হাদিস: ১।
18/02/2026
আল্লাহ আমাদের সকলকে সেই দরজাগুলো দিয়ে প্রবেশ করার তাওফিক দান করুন—আমিন!
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন:
“যখন রমজান শুরু হয়, তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়।”
(সহিহ আল-বুখারি ১৮৯৮, কিতাব ৩০, হাদিস ৮)
Mahmud Hasan #হাদিস #রমজান #জান্নাহ
মানুষের উপর জুলুম করবেন না।
#হাদিস #জুলুম #জাহান্নাম
কেয়ামতের দিন অবশ্যই হকদারদের হকগুলো আদায় করা হবে। এমনকি শিং ওয়ালা বকরি থেকে শিংহীন বকরির প্রতিশোধও আদায় করা হবে। #আল হাদিস।
19/01/2026
হযরত আবু যর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন—
রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাকে বললেন:
“আমি কি তোমাকে জান্নাতের ধনভাণ্ডারগুলোর মধ্য থেকে একটি ধনভাণ্ডারের কথা জানাবো না?”
আমি বললাম: “জি হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল।”
তিনি বললেন: সেটি হলো- “লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ”
(অর্থ: আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো ক্ষমতা নেই, কোনো শক্তিও নেই)।
— সুনান ইবনু মাজাহ, খণ্ড ৫, কিতাব ৩৩, হাদিস ৩৮২৫
وَ مِنَ النَّاسِ مَنۡ یَّشۡرِیۡ نَفۡسَهُ ابۡتِغَآءَ مَرۡضَاتِ اللّٰهِ ؕ وَ اللّٰهُ رَءُوۡفٌۢ بِالۡعِبَادِ ﴿۲۰۷﴾
মানুষের মধ্যে এমন আছে যে, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে নিজের প্রাণ দিয়ে থাকে, বস্তুতঃ আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যধিক দয়ালু। সুরা বাকারা-২০
হজরত আবু সাঈদ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তোমাদের কেউ যেন নিজেকে অপমানিত না করে। সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের কেউ নিজেকে কিভাবে অপমানিত করতে পারে? তিনি বলেন, সে কোন বিষয়ে আল্লাহর বিধান অবহিত থাকা সত্ত্বেও তার পরিপন্থী কিছু হতে দেখেও সে সম্পর্কে কিছুই বললো না। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তাকে বলবেন, অমুক অমুক ব্যাপারে কথা বলতে তোমাকে কিসে বাধা দিয়েছিলো? সে বলবে, মানুষের ভয়। তখন আল্লাহ বলবেন, আমাকেও তো তোমার ভয় করা উচিত ছিলো। (সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪০০৮)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka