মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থ》রসায়ন》জীব》বিজ্ঞান এবং《গণিত নিয়ে আলোচনা

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থ》রসায়ন》জীব》বিজ্ঞান এবং《গণিত নিয়ে আলোচনা

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থ》রসায়ন》জীব》বিজ্ঞান এবং《গণিত নিয়ে আলোচনা বিজ্ঞান বিষয়ক যে কোন সমস্যা আমাদের কে বলতে পারেন।

28/05/2025

অসীম দূরত্ব থেকে একটি একক ধনাত্মক আধানকে তড়িৎক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে যে পরিমান কার্য করতে হয় তাকে তড়িৎক্ষেত্রের ওই বিন্দুতে তড়িৎবিভব (Electric Potential) বলে।

মনে করা যাক, তড়িৎক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে বিভব V ।

সুতরাং, অসীম দূরত্ব থেকে ধনাত্মক আধানকে ওই বিন্দুতে আনতে কৃত কার্য = W । অতএব অসীম দূরত্ব থেকে q পরিমান আধানকে ওই বিন্দুতে আনতে কৃত কার্য,

W = V×q
অর্থাৎ, সম্পাদিত কার্য = বিভব × আধান

বিভব পার্থক্যঃ

একটি পজিটিভ চার্জকে একটি বিন্দু হতে অন্য বিন্দুতে আনতে,আনয়নকারি যে কাজ সম্পন্ন করে তাকে বিভব পার্থক্য বলে।

v পরিমান চার্জ কে বর্তনীর এক বিন্দু থেকে অপর বিন্দুতে নিতে যে কাজ সম্পন্ন হয় ঐ পরিমাণ চার্জ কে ঐ বর্তনীর বিভব পার্থক্য বলে।

বিভব পার্থক্য বিদ্যুৎ প্রবাহের সমানুপাতিক,

I ∝ V

28/05/2025

✪অ্যাসিডঃ

যেসব যৌগের মধ্যে এক বা একাধিক হাইড্রোজেন পরমাণু থাকে, ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে লবণ ও জল উৎপন্ন করে সেই যৌগকে অ্যাসিড বলে।

বৈশিষ্ট্যঃ

➤অম্ল বা টক হয়।
➤নীল লিটমাসকে লাল করে।
➤ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়ায় লবণ ও জল উৎপন্ন ।
➤অ্যাসিড এর প্রকারভেদ

ক. উপাদান অনুযায়ী

জৈব অ্যাসিড: অ্যাসিটিক অ্যাসিড, ফরমিক অ্যাসিড ইত্যাদি।

অজৈব অ্যাসিড: হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড, সালফিউরিক অ্যাসিড ইত্যাদি

খ.তীব্রতা অনুযায়ী

✪ তীব্র অ্যাসিড: নাইট্রিক অ্যাসিড, হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ইত্যাদি।

✪ মৃদু অ্যাসিড: অ্যাসিটিক অ্যাসিড , কার্বনিক অ্যাসিড ইত্যাদি।

28/05/2025

✔ মাইটোসিস হলো একটি কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি মাতৃকোষ দুটি অপত্য কোষ তৈরি করে। এই অপত্য কোষগুলির জিনগতভাবে মাতৃকোষের সাথে অভিন্ন এবং তাদের ক্রোমোজোম সংখ্যাও মাতৃকোষের সমান।

মাইটোসিসের বিভিন্ন পর্যায়:

➤ ইন্টারফেজ: এটি মাইটোসিসের প্রথম এবং দীর্ঘতম পর্যায়। এই পর্যায়ে, কোষ বৃদ্ধি পায় এবং DNA অনুলিপি করে।
প্রোফেজ: এই পর্যায়ে, ক্রোমোজোমগুলি ঘনীভূত হয় এবং নিউক্লিয়ার মেম্ব্রেন দ্রবীভূত হয়।

➤ মেটাফেজ: এই পর্যায়ে, ক্রোমোজোমগুলি কোষের কেন্দ্রে সারিবদ্ধভাবে সাজানো হয়।

➤ অ্যানাফেজ: এই পর্যায়ে, ক্রোমোজোমের দুটি সেন্ট্রোমিয়ার বিভক্ত হয় এবং ভগিনী ক্রোমাটিডগুলি বিপরীত দিকে টানা হয়।

➤ টেলোফেজ: এই পর্যায়ে, দুটি নতুন নিউক্লিয়ার মেম্ব্রেন তৈরি হয় এবং কোষপ্লাজম বিভক্ত হয়, যার ফলে দুটি অপত্য কোষ তৈরি হয়।

27/05/2025

➤আউটপুট ডিভাইস

কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস সমূহের মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত হলো মনিটর এবং সাউন্ড সিস্টেম ( সাউন্ডবক্স/হেডফোন ইত্যাদি)। আরও রয়েছে প্রিন্টার, প্লটার, প্রজেক্টর ইত্যাদি।

এছাড়া এক্সটারনাল হার্ডড্রাইভ, পেনড্রাইভ, ডিজিটাল ক্যামেরা, টাচস্ক্রিন মনিটর, এগুলো ইনপুট এবং আউটপুট দুই হিসেবেই ব্যবহার করা হয়।

27/05/2025

কোষ বিভাজন:

কোষ বিভাজন হলো একটি জৈবিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি মাতৃকোষ দুটি বা ততোধিক অপত্য কোষে বিভক্ত হয়। এটি জীবের বৃদ্ধি, বিকাশ, প্রজনন এবং টিস্যুর মেরামতের জন্য অপরিহার্য।

➤মাইটোসিস
মাইটোসিস কোষ বিভাজনের একটি ধরণ যেখানে একটি মাতৃকোষ দুটি অপত্য কোষে বিভক্ত হয় যাদের জিনগতভাবে মাতৃকোষের সাথে অভিন্ন। এটি চারটি পর্যায়ে ঘটে:
১. প্রোফেজ:

এই পর্যায়ে ক্রোমোজোমগুলি সংকুচিত হয় এবং দৃশ্যমান হয়।
নিউক্লিয়ার ভেসিকেল বিলীন হয় এবং সেন্ট্রিওল জোড়া বিপরীত মেরুতে চলে যায়।
মাইটোটিক স্পিন্ডল তৈরি হয়।
২. মেটাফেজ:

এই পর্যায়ে ক্রোমোজোমগুলি কোষের কেন্দ্ররেখায় সারিবদ্ধ হয়।
মাইটোটিক স্পিন্ডলের ফাইবারগুলি ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ারের সাথে সংযুক্ত হয়।
৩. অ্যানাফেজ:

এই পর্যায়ে ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ার বিভক্ত হয় এবং ভগিনী ক্রোমাটিডগুলি আলাদা হয়।
মাইটোটিক স্পিন্ডলের ফাইবারগুলি ভগিনী ক্রোমাটিডগুলিকে বিপরীত মেরুতে টেনে নিয়ে যায়।
৪. টেলোফেজ:

এই পর্যায়ে দুটি নতুন নিউক্লিয়ার ভেসিকেল তৈরি হয়।
ক্রোমোজোমগুলি ডিকন্ডেন্স হয় এবং দৃশ্যমানতা হারায়।
সাইটোকাইনেসিসের মাধ্যমে কোষপ্লাজম দুটি অংশে বিভক্ত হয়, যার ফলে দুটি অপত্য কোষ তৈরি হয়।
মাইটোসিসের গুরুত্ব:

মাইটোসিস জীবের বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য অপরিহার্য।
এটি টিস্যুর মেরামত ও প্রতিস্থাপনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
মাইটোসিস অযৌন প্রজননের মাধ্যমে নতুন জীব তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

27/05/2025

✪✪✪জৈব যৌগ✪✪✪

☞ কার্বন ও হাইড্রোজেন গঠিত যৌগ এবং এদের উদ্ভূত যৌগকে জৈব যৌগ বলে। কার্বন দ্বারা গঠিত যে যৌগগুলো কার্বন পরমাণুর ক্যাটনেশন ধর্ম, সমাণুতা প্রভৃতি ধর্ম প্রদর্শন করে, তারাই জৈব যৌগ। বহুসংখ্যক কার্বন পরমাণু নিজেদের মধ্যে বন্ধনের সাহায্যে যুক্ত হওয়ার কারণে জৈব যৌগ ক্যাটনেশন ধর্ম প্রদর্শন করে। জৈব যৌগে অবশ্যই কার্বন
থাকবে। বেশিরভাগ জৈব যৌগ কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অন্য দু'চারটি মৌলের সংযোগে গঠিত।

☞ ফ্রেডারিক উইলারকে জৈব রসায়নের জনক বলা হয়।

☞ কার্বন শিকলের প্রকৃতি অনুযায়ী জৈব যৌগসমূহকে প্রধানত দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অ্যালিফেটিক যৌগ এবং অ্যারোমেটিক যৌগ।

12/03/2021

আজকে রাতে ইন শা আল্লাহ উচ্চ মাধ্যমিক এর পদার্থ বিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় থেকে সৃজনশীল এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ টপিক আলোচনা করা হবে।

29/12/2020

২০২০-২০২১ এডমিশন নিয়ে কারো কোন সমস্যা/জানার হলে বলতে পারো।

15/09/2020

অনেক দিন হলো পেইজে কিছু লেখা হয় না। অনেকে পেইজে মেসেজ দিচ্ছেন আপনাদের সাহায্য করতে পেরে আমাকে স্বার্থক মনে হচ্ছে, করোনার জন্য অনেকে লেখা পড়া থেকে অনেক দূরে এসে পরেছেন অনেক কিছু হয়তো ভুলেও গেছেন। পেইজে লিখার মত মন মানসিকতা এই করোনাভাইরাস এর জন্য গড়ে উঠছে না। তাই কারো কোন সমস্যা থাকলে পেইজে ইনবক্স করতে পারেন অথবা আমাকে ব্যাক্তিগত ভাবে নক করতে পারেন। ধন্যবাদ 😊

02/01/2020

আজ থেকে ইনশাআল্লাহ প্রতিদিন পোষ্ট করা হবে,
কার কোন অধ্যায় এ সমস্যা তা তা আমাদের কমেন্টের মাধ্যমে জানাও।

27/08/2019

কারো যদি সায়েন্সের কোন বিষয়ে সাহায্য দরকার হয় তবে ইনবক্সে সমস্যাটা বলুন।

19/06/2019

পদার্থবিজ্ঞানে কারো কোন সমস্যা আছে, যে একটু শিখিয়ে দিলে ভাল পারবেন?
ছোট খাটো সমস্যা থাকলে পেইজে মেসেজ দিন অথবা কমেন্ট করুন।
উত্তর দিবো আমি S Mansur

Address

Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থ》রসায়ন》জীব》বিজ্ঞান এবং《গণিত নিয়ে আলোচনা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category