04/11/2024
ThE SufI - সূফী
প্রতিটা নর-নারীর জন্য এলেম শিক্ষা ফরজ? *খোদাকে পাইবার অনেক পথ আছে,কিন্তু আমি গানকে বেছে নিয়েছি।
-হযরত মাওলানা জালালুদ্দীন রুমি (র:)
04/11/2024
04/11/2024
Free Medical Camp. https://kmrf.org/health/ #KMRF #sadka_e_zaria #FreeTreatment #Bangladesh
17/07/2024
আশুরার দিন (১০ই মহররম) ইমাম হুসাইন (রাঃ) প্রতিপক্ষের কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম ধরে উচ্চস্বরে সম্বোধন করে বললেন : ‘হে শাবাছ্ বিন্ রাব্‘ঈ! হে হাজ্জার্ বিন্ আব্জার্! হে কায়স্ বিন্ আশ্‘আছ! হে ইয়াযীদ বিন্ হারেছ্! তোমরা কি আমাকে এ বলে পত্র লিখনি যে, ‘ফল পেকে গেছে এবং যমিন সবুজে ঢেকে গেছে; আপনি যদি আসেন, তাহলে আপনার খেদমতে একটি সুসজ্জিত বাহিনী দেখতে পাবেন?’…‘তোমরা আমার নসবের (বংশ পরম্পরার) বিষয়টি স্মরণ কর, ভেবে দেখ, আমি কে। তোমাদের হুঁশ হোক; তোমরা নিজেদের ধিক্কার দাও এবং ভেবে দেখ যে, আমাকে হত্যা করা এবং আমার মর্যাদা বিনষ্ট করা কি তোমাদের জন্য জায়েয? আমি কি তোমাদের রাসূলের কন্যার পুত্র নই? আমি কি তাঁর (রাসূলের) স্থলাভিষিক্ত ও চাচাত ভাইয়ের পুত্র নই- যিনি সকলের আগে ঈমান এনেছিলেন এবং রাসূলুল্লাহ্ (সা.) যা এনেছিলেন তার সত্যতা স্বীকার করেছিলেন?’ ‘সাইয়্যেদুশ্ শুহাদা হামযাহ্ কি আমার চাচা নন?’ ‘জা‘ফর তাইয়ার- আল্লাহ্ তা‘আলা যাঁকে কারামতস্বরূপ দু’টি পাখা দিয়েছেন যাতে তিনি তা দিয়ে বেহেশ্তের ভিতরে উড়তে পারেন, তিনি কি আমার চাচা নন?’ ‘তোমরা কি জান না যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা.) আমার ও আমার ভাই সম্পর্কে এরশাদ করেছেন : ‘এ দু’জন হচ্ছে বেহেশ্তে যুবকদের নেতা।’?’…-(হায়াতুল ইমামিল হুসাইন, ৩য় খন্ড, পৃ. ১৮৪)
ইমাম হুসাইন (রাঃ) শিমারকে বললেন : ‘তোমার কি এ ব্যাপারেও কোন সন্দেহ আছে যে, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর কন্যার সন্তান? আল্লাহর শপথ, এ বিশ্বে পূর্ব ও পশ্চিমের দুই প্রান্তের মধ্যবর্তী ভূখন্ডে রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর কন্যার পুত্র আমি ছাড়া আর কেউ নয়। তোমার জন্য পরিতাপ! আমি কি তোমার কাউকে হত্যা করেছি যে, আমার কাছ থেকে তার রক্তের বদলা আদায় করতে চাচ্ছ? আমি কি তোমার কোন সম্পদ বিনষ্ট করেছি, নাকি আমার কাঁধে কারও কেসাসের দায় রয়েছে যা তুমি কার্যকর করতে চাচ্ছ?
ইমাম হুসাইন (রাঃ) এরপর ইয়াযীদী বাহিনীর সামনে দাঁড়িয়ে নিজের সম্বন্ধে বলতে লাগলেন : ‘হে কুফাবাসী! তোমাদের মায়েরা তোমাদের শোকে ক্রন্দন করুক। তোমরা আল্লাহ্ তা‘আলার এ নেক বান্দাহ্কে দাওয়াত করেছিলে এবং বলেছিলে : আমরা আপনার পথে জীবন বিলিয়ে দেব। কিন্তু এখন তোমরা তার বিরুদ্ধে তোমাদের তলোয়ারগুলোকে উন্মুক্ত করেছ এবং তাকে সকল দিক থেকে অবরুদ্ধ করে ফেলেছ। তোমরা তাকে এ বিশাল পৃথিবীর যেখানে ইচ্ছা চলে যাবার জন্য সুযোগ দিচ্ছ না। এখন সে বন্দীর মতো তোমাদের হাতে আটকা পড়ে আছে। তোমরা তাকে এবং তার পরিবারের নারী ও কন্যাদের ফোরাতের পানি পান করতে বাধা দিয়েছ, অথচ ইহুদী ও খ্রিস্টান গোত্রসমূহের লোকেরাও সেখান থেকে পানি পান করছে। এমনকি পিপাসায় আমাদের পশুগুলোর প্রাণও ওষ্ঠাগত হয়েছে এবং সেগুলো ছটফট করছে ও গড়াগড়ি দিচ্ছে। তোমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর বংশধরদের ব্যাপারে তাঁর বর্ণিত মর্যাদার সীমারেখাকেও রক্ষা করনি। মহাপিপাসার দিনে আল্লাহ্ তোমাদের পরিতৃপ্ত না করুন।’ (কিতাবুল ইরশাদ : শেখ মুফিদ, ২য় খন্ড, পৃ. ৯৭)
হযরত ইমাম হুসাইন (রাঃ) তাদেরকে সম্বোধন করে পুনরায় বলেন : ‘হে লোকসকল! ধ্বংস ও দুঃখ তোমাদের ঘিরে ফেলুক; কারণ, (মনে করে দেখ,) কেমন বর্ণনাতীত আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস সহকারে তোমরা আমাকে দাওয়াত করেছিলে! আর এ কারণেই আমি এখানে এসেছি। আমি খুব দ্রুত তোমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে এখানে এসেছি। কিন্তু আমরা তোমাদের হাতে যে তলোয়ার অর্পণ করেছিলাম তা-ই আমাদের বিরুদ্ধে কোষমুক্ত করেছ। আর আমরা আমাদের দুশমন ও তোমাদের দুশমনদের বিরুদ্ধে যে অগ্নি প্রজ্বলিত করেছিলাম তোমরা তাকেই আমাদের বিরুদ্ধে প্রচন্ডতর করে তুলেছ। তোমরা তোমাদের বন্ধুদের বিরুদ্ধে ও দুশমনদের সপক্ষে যুদ্ধের জন্য দাঁড়িয়ে গিয়েছ, যদিও তারা না তোমাদের সাথে ইনসাফ ও সুবিচারের সাথে আচরণ করেছে, না তাদের দ্বারা তোমাদের কোন কল্যাণ হবে বলে আশা করা যায়, আর না আমরা এমন কোন কাজ করেছি যে কারণে আমাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের শত্রুতা ও আগ্রাসনের সঙ্গত কারণ থাকতে পারে।…আমি বলছি, তোমরা আল্লাহ্কে ভয় কর এবং আমাকে হত্যা কর না। কারণ, আমাকে হত্যা করা বা অবমাননা করা তোমাদের জন্য জায়েয নয়। আমি তোমাদের রাসূলের কন্যার সন্তান, আর আমার নানী খাদীজাহ্ তোমাদের রাসূলের স্ত্রী। হয়ত রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর সেই কথা তোমাদের কাছে পৌঁছে থাকবে যে, তিনি এরশাদ করেছেন : ‘হাসান ও হুসাইন হচ্ছে বেহেশতবাসী যুবকদের দুই নেতা।’ হ্যাঁ, আল্লাহর শপথ, ওয়াদা ভঙ্গ করা, বিশ্বাসঘাতকতা ও চুক্তি ভঙ্গ করা তোমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তোমাদের (তোমরা হচ্ছ এমন বৃক্ষতুল্য যার) মূল ধোঁকা, প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার সাথে মিশে গেছে। তোমাদের শাখা-প্রশাখাসমূহ এর ওপর ভিত্তি করেই প্রসারিত হয়েছে। তোমরা হচ্ছ সর্বাধিক নোংরা- নিকৃষ্টতম ফল; তাই তোমরা স্বীয় বাগান-মালিকের গলায় আটকে যাও এবং আত্মসাৎকারী ও লুণ্ঠনকারীদের জন্য সুস্বাদু ও সুখাদ্য হয়ে যাও। (তুহাফুল উকূল, ৪র্থ খন্ড, পৃ. ১৭৪; আল-ইহতিজাজ, ২য় খন্ড, পৃ. ৯৯; মাকতালুল হুসাইন : খারাযমী, ২য় খন্ড, পৃ. ৬)
আমাদের রব অত্যন্ত মহান। কিন্তু তোমরা অত্যন্ত খারাপ বান্দাহ্। তাই তাঁর আনুগত্যের অঙ্গীকার করেও এবং তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনলেও রাসূলের পরিবার-পরিজন ও বংশধরদের ওপর চড়াও হয়েছ এবং তাদের হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছ। শয়তান তোমাদের ওপর বিজয়ী হয়েছে, তাই তোমরা মহান আল্লাহর কথা ভুলে গিয়েছ। তোমরা ধ্বংস হও। তোমরা যা চাচ্ছ সে ব্যাপারে আমি বলছি : ইনণা লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজি‘উন্। এরা হচ্ছে এমন একটি জনগোষ্ঠী যারা ঈমান আনার পরে কাফের হয়েছে। দূর হোক আল্লাহ্র রহমত যালেমদের কাছ থেকে।’ (বিহারুল আনওয়ার, ৪৫তম খন্ড, পৃ. ৫)
(সংগৃহীত)
06/06/2024
পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে উত্তম কাজ
খাদ্য মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোর একটি। এ কারণেই ইসলাম ধর্মে মানুষের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করাকে উত্তম ইসলাম বলা হয়েছে।
আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, জনৈক ব্যক্তি আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করল, ইসলামে কোন জিনিসটি উত্তম? তিনি বলেন, তুমি তোমার রিজিক অনুজাই সু খাদ্য খাওয়াবে এবং চেনা-অচেনা সবাইকে সালাম দেবে।
(সহীবুখারি, হাদিস নং : ১২)
যারা অনাহারির খাবারের ব্যবস্থা করে, নিজের অভাব থাকা সত্ত্বেও একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় সাধ্যমতো অন্যের মুখে আহার তুলে দেয়, তাদের জন্য ইহকালীন ও পরকালীন কল্যাণ রয়েছে।
মহান আল্লাহ জান্নাতে তাদের রাজকীয় মেহমানদারি করবেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই সৎকর্মশীলরা পান করবে এমন পানপাত্র থেকে, যার মিশ্রণ হবে কাফুর। এমন এক ঝরনা, যা থেকে আল্লাহর বান্দারা পান করবে, তারা এটিকে যথা ইচ্ছা প্রবাহিত করাবে। তারা মানত পূর্ণ করে এবং সে দিনকে ভয় করে, যার অকল্যাণ হবে সুবিস্তৃত।
তারা খাদ্যের প্রতি আসক্তি থাকা সত্ত্বেও মিসকিন, এতিম ও বন্দিকে সু খাদ্য দান করে। তারা বলে, ‘আমরা তো আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তোমাদের খাদ্য দান করি। আমরা তোমাদের থেকে কোনো প্রতিদান চাই না এবং কোনো শোকরও না। আমরা আমাদের রবের পক্ষ থেকে এক ভয়ংকর ভীতিপ্রদ দিবসের ভয় করি।
সুতরাং সেই দিবসের অকল্যাণ থেকে আল্লাহ তাদের রক্ষা করলেন এবং তাদের প্রদান করলেন উজ্জ্বলতা ও উৎফুল্লতা।’
(সুরা : দাহর, আয়াত : ৫-১১)
উপরোক্ত আয়াতে মহান আল্লাহ মানুষকে খাওয়ানোর নীতিমালা জানিয়ে দিয়েছেন। সেগুলো হলো—
১. মানুষকে খাওয়াতে হবে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।
২. এর বিনিময়ে কখনো তাদের কাছে কোনো প্রতিদানের আশা করা যাবে না।
৩. এবং এই আশাও করা যাবে না যে তারা আমার গুণগান গাইবে।
৪. মানুষকে খাওয়ানোর ক্ষেত্রে পরিপূর্ণ তাকওয়া থাকতে হবে। আল্লাহভীতি থাকতে হবে। তবেই আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দান করবেন।
কিন্তু আমরা যদি মানুষকে সামান্য কিছু খাইয়ে খোঁটা দেওয়া আরম্ভ করি, তাদের থেকে বিভিন্ন সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করি বা এটি ব্যবহার করে বিদেশি অর্থ বা কোনো সুযোগ-সুবিধার আশা করি, তাহলে বুঝতে হবে, এই ইবাদতকে শয়তান বানচাল করে দিতে সক্ষম হয়েছে। তাই সব সময় মানুষকে খাওয়ানোর পাশাপাশি এই বিষয়গুলোতে সতর্ক থাকতে হবে।
যারা অভাব ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির দিনেও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করে, পবিত্র কোরআনে তাদের সৌভাগ্যবান বলা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ সৌভাগ্যবানদের গুণাবলি বর্ণনা করতে গিয়ে ইরশাদ করেন, ‘অথবা খাদ্য দান করা দুর্ভিক্ষের দিনে। এতিম আত্মীয়-স্বজনকে। অথবা ধূলি-মলিন মিসকিনকে। অতঃপর সে তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়, যারা ঈমান এনেছে এবং পরস্পরকে উপদেশ দেয় ধৈর্যধারণের, আর পরস্পরকে উপদেশ দেয় দয়া-অনুগ্রহের। তারাই সৌভাগ্যবান।’
(সুরা : বালাদ, আয়াত : ১৪-১৮)
তাই আমাদের উচিত সাধ্যমতো মানুষের আহারের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা। উপার্জনের একটি নির্দিষ্ট অংশ এই কাজের জন্য বরাদ্দ রাখার চেষ্টা করা, যারা নিয়মিত আল্লাহর রাস্তায় দান করে, আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় তাঁর মাখলুকদের সেবা করে, তারা তাদের জীবনে বরকত অনুভব করে।
মহান আল্লাহ আমাদের আমল করার তাওফিক দান করুন।
"copy by আব্দুল আল হাদী"
02/06/2024
কিতাবের মাধ্যমে যদি খোদাকে পাওয়া যেতো, তবে আমার দয়াল নবী ( সাঃ) হেরা গুহায় যেতেন না।
ধ্যান ছাড়া খোদাকে পাওয়া সম্ভব নয়।
মুর্শীদ ছাড়া ধ্যান করা অসম্ভব হয়।
মোমিনের ভেবে দেখা উচিৎ কোনটার প্রয়োজন প্রথমে দরকার।
-শেখ মেহেদী হাসান।
29/07/2023
♥ওরছ♥
সেথায় বাতাস ছিল উষ্ণ,
জমীন ছিল শুস্ক,
শুধু ধুধু বালী।
ওরছ করিবে কারবালাতে,
হুসাইন ইবনে আলী।
ভূমন্ডল হতবাক ছিলো স্তব্ধ,
বাতাসের ছিলো না কোনো শব্দ।
বাসর সাজান দ্বীনের নবী,
ওরছ করিবে হুসেন ইবনে আলী।
জমীন পাইল কাহার খুন,
লজ্জায় জমীন তৃণমুল,
ভাসাল নয়ন অস্রু ধারায়ে, ফাতেমাতুজ জোহুরী।
ওরছ করিবে কারবালাতে হুসাইন ইবনে আলী।
নবীর কলিজায়ে কড়িল আঘাত,
কারবালাতে ঘটাইল রক্তপাত,
মুসলমান হইয়েও ইয়াজেদী।
ওরছ করিবে হুসাইন ইবনে আলী।
আহলে বাইয়াতের উপর নিয়ে ঈমান।
কারবালা সাক্ষী ইহাকে বলে মুসলমান।
তবে-ই মুসলীম হবে তুমি হুসাইনী,
ওরছ করিবে কারবালাতে হুসাইন ইবনে আলী।
ওরছ বলিবার একটাই কারন,
আকা হুসাইন করিলো নবী সাথে মিলন।
মিশিল নূরের সাথে নূর, মুর্শিদী-ই জগত স্বামী,
ওরছ করিলো কারবালাতে হুসাইন ইবনে আলী।
ইয়া আল্লাহ, ইয়া রাহীম, হে জাল্লে জালালী,
মুর্শিদী-ই মেরে আকা, আমি মুসলিম ইয়া হুসাইনী।
♦-শেখ মেহেদী হাসান।♦
মানুষের মূল কার্জ হলো, নিজেকে সংশোধন করা।
অমানুষের মূল কার্জ হলো, অপরের দোষ ধরা।
শানে বাবা আমির ভান্ডার,,,
07/05/2021
মাজার শরিফ জিয়ারত-৩ (শেষ পর্ব)
৫।এছাড়া আরো অসংখ্য দলীল রয়েছে ,
যার দ্বারা প্রমানিত হয় মাজার শরীফ
বা কবর যিয়ারত করা সুন্নত !
এখন বর্তমানে কিছু মাজারে শরীয়ত
বিরোধী কাজ দেখা যায় ! যেমন- গান-
বাজনা, নারী পুরুষ অবাধ
মেলামেশা ,বিভিন্ন
নেশা করা ইত্যাদি !!
এগুলো মোটেই জায়িয নেই ,
এগুলা প্রতিরোধ করতে হবে |
কিন্তু তাইবলে যিয়ারত ত্যাগ
করা যাবে না |
যেটা ইবনে হাজার
আসকালানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন--
" সেখানে যদি শরীয়ত বিরোধী কাজ
পরিলক্ষিত হয়, যেমন মহিলা পুরুষ একত্র
মিশ্রন, তথাপি কবর যিয়ারত ত্যাগ
করা যাবে না |বরং মানুষের নব
উদ্ভাবিত( বিদয়াত) কাজকে দূর
করতে হবে |"
দলীল--
√ দুররুল মোখতার ২য় খন্ড ২৪২ পৃষ্ঠা !
আর মহিলাদের যিয়ারতের
ব্যাপারে বিভিন্ন মত আছে | যেহেতু
মহিলাদের ব্যাপারে বেপর্দা হওয়ার
সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে , এছাড়া তাদের
দ্বারা বিভিন্ন বিলাপ , ক্রন্দন
ইত্যাদি হয়ে থাকে তাই এদের
ব্যাপারে ইমাম মুস্তাহিদ গন মাকরুহ
ফতোয়া দিয়েছেন !
তবে যদি পর্দার খেলাপ না হয়
এবং অন্যান্য শরীয়তের খিলাপ কিছু
না হয় তবে মহিলারাও যিয়ারত
করতে পারবে !
দলীল--
√ শামী
√ মারাকিউ ফালাহ
√ শরহে সুন্নাহ
উপরোক্ত দলীল
আদিল্লা দ্বারা যিয়ারত সুন্নাত প্রমান
হলো | এখন এই
সুন্নতকে যারা পূজা বলে কটাক্ষ
করবে নিঃসন্দেহে সেটা কুফরী হবে !
কারন সুন্নতকে অবজ্ঞা করা কুফরী !
07/05/2021
মাজার শরিফ জিয়ারত-২
৩।হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু
তায়ালা আনহু বলেন, একদিন নবী করিম
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
মদীনা শরীফের কিছু কবরের নিকট
গেলেন অতঃপর তাদের দিকে মুখ
ফিরিয়ে বললেন, সালাম হোক
তোমাদের প্রতি হে কবরবাসী !"
দলীল-
√ তিরমীযি শরীফ
√ মিশকাত শরীফ ১৬৭৩
হাদীস শরীফে আরো এরশাদ হয়েছে--
হযরত ইবনে নোমান রদ্বিয়াল্লাহু আনহু
বর্ননা করেন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
যে ব্যাক্তি প্রত্যেক জুমুয়ার দিন নিজ
পিতা-মাতা অথবা তাদের
মধ্যে একজনের কবর যিয়ারত
করবে তাকে মাফ করে দেয়া হবে |"
দলীল--
√ শুয়াইবিল ঈমান লিল বায়হাক্বী
√ মিশকাত ১৬৭৬
এছাড়া আরো অসংখ্য সহীহ হাদীস
শরীফে কবর যিয়ারত করার
ব্যাপারে বলা হয়েছে | এসকল হাদীস
শরীফের ব্যাখ্যায় বিখ্যাত মুহাদ্দিস ,
হাফিযে হাদিস ,
আল্লামা ইবনে হাজার
আসকালানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন,
ﺍﻋﻠﻢ ﺍﻥ ﺍﺳﺘﺤﺒﺎﺏ ﺯﻳﺎﺭﺓ ﺍﻟﻘﺒﻮﺭ ﻗﺪ ﺛﺒﺖ ﺑﻬﺬﻩ ﺍﻻ ﺣﺎﺩﻳﺚ ﺍﻝ
ﺟﺎﻝ ﻭﺍﻟﻨﺴﺎﺀ ﺟﻤﻴﻌﺎ ﻭﻗﺪ ﺍﺧﺘﻠﻔﻮﺍ ﻓﻲ ﺍﻟﻨﺴﺎﺀ
অর্থ : জেনে রাখুন পুরুষ ও মহিলাদের জন্য
কবর যিয়ারত এ সকল হাদীসের রায়
অনুযায়ী মোস্তাহাব প্রমানিত,
তবে মহিলাদের ব্যাপারে মতানৈক্য
আছে | "
দলীল-
√ ফতহুল বারী ফি শরহে বোখারী ৩য় খন্ড
১১৮ পৃষ্ঠা |
বিখ্যাত ইমাম আল্লামা ইবনে আবেদীন
শামী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন,
ﻭﺑﺰﻳﺎﺭﺓ ﺍﻟﻘﺒﻮﺭ ﺍﻱ ﻻ ﺑﺎ ﺑﺎ ﺀﺱ ﺑﻬﺎﺑﻞ ﺗﻨﺪﺏ
অর্থ- কবর যিয়ারত এতে কোন
অসুবিধা নেই, বরং এটা মোস্তাহাব!
দলীল-
√ ফতোয়ায়ে শামী ২/২৪২
৪।শুধু তাই নয় ওহুদ যুদ্ধে শহীদ গনের মাজার
শরীফ যিয়ারত করার জন্য স্বয়ং হুজুর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
তিনি নিজেই প্রতি বছর ওহুদ
প্রঙ্গনে যেতেন !
যেটা বর্নিত আছে --
ﻭﻓﻴﻪ ﻳﺴﺘﺤﺐ ﺍﻥ ﻳﺰﻭﺭ ﺷﻬﺪﺍﺀ ﺟﺒﻞ ﺍﺣﺪ ﻟﻤﺎﺭﻭﻱ ﺍﺑﻦ ﺍﺑﻲ
ﺷﻴﺒﺔ " ﺍﻥ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻛﺎﻥ ﻳﺎﺀ ﺗﻲ ﻗﺒﻮﺭ
ﺍﻟﺸﻬﺪﺍﺀ ﺑﺎﺣﺪ ﻋﻠﻲ ﺭﺃﺱ ﻛﻞ ﺣﻮﻝ ﻓﻴﻘﻮﻝ ﺍﻟﺴﻼ ﻋﻠﻴﻜﻢ ﺑﻤﺎ
ﺻﺒﺮﺗﻢ ﻓﻨﻌﻢ ﻋﻘﺒﻲ ﺍﻟﺪﺍﺭ
অর্থ : ওহুদ পাহাড়ের শহীদগনের ( কবর)
যিয়ারত করা মোস্তাহাব |
ইবনে আবী শায়বা হতে বর্নিত আছে ,
হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম
প্রতি বৎসরান্তে ওহুদের শহীদগনের কবর
যিয়ারত করতে আসতেন | অতঃপর বলতেন,
তোমাদের প্রতি সালাম , যেমন
তোমরা ধৈর্য ধারন
করেছিলে তেমনি পরকালে উত্তম বাস
স্থান লাভ করেছ |"
দলীল--
√ ফতোয়ায়ে শামী ২য় খন্ড ২৩৪ পৃষ্ঠা !
সেটার ব্যাখ্যায় ইমাম ইবনে আবেদীন
শামী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন,
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
ঢাকা বাংলাদেশ
Dhaka
04/11/2024