29/03/2020
এতো এতো নেগেটিভিটির মাঝে অারো একটি অাশা জাগানিয়া খবর। ছবিতে যাকে সেলাই করতে দেখছেন, তিনি আসলে দর্জি নন। তিনি বুয়েটের মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্ট এর প্রফেসর ডঃ মাকসুদ হেলালী স্যার। তিনি এই দূর্যোগকালীন সময়ে ডাক্তারদের জন্য পিপিই সেলাই করছেন।
উনি আরেকটি শিক্ষা দিলেন, তুমি যতই বড় হও তুমি ততই বিনয়ী হবে।।
ছবিঃ সংগৃহীত।।
28/08/2019
Thanks to our Title Sponsor and Kh Malek sir for being with us. Without your support it was completely impossible. Also thanks to Wattson Group Navana Group Pragoti Industries Limited An Enterprise of BSEC - Ministry of Industries for sponsoring our team!
Our powertrain partner Tanguar Racing helped us a lot!
The team is chillin on the track!
And FYI, our Faculty Advisor is much cooler than you are expecting!
We are having a good time here. It could've been great if we could share the moment with you!
Share the photo with your friends and tell them what we are doing there.
So far so good!!
Pray for us !
29/07/2019
মুল লিখাঃ Sayedur R Chowdhury
২০১১ সালে কানাডার ম্যানিটোবা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারের গনস্বাস্থ্য বিভাগ এবং আইসিডিডিআরবি-র যৌথ উদ্যোগে ঢাকার ডেঙ্গু ঝুঁকি নিয়ে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা হয়েছিলো। আমিও অংশ নিয়েছিলাম একজন রিসার্চ অ্যাসোশিয়েট (ম্যাপিং) হিসাবে।
ছবির এই মশাটি অ্যাডিস ইজিপ্টাই - ডেঙ্গুর ভাইরাস বহনকারী মশার প্রজাতি। এরা নগরের আবর্জনা ও ড্রেনে হয় না। প্রকৃতপক্ষে কোন নোংরা পানিতেই এরা বাঁচেনা, এদের প্রজননস্থল আপনারই বাসার ফ্রিজের পানি, গাছের টবে বা বাথরুমে জমা পানি, রাস্তায় ডাবের খোসা বা পরিত্যাক্ত টায়ারে থাকা পরিস্কার পানি। ছবিতে আমরা একটি খালি হাউজিং প্লটে জন্মানো কচু গাছের ডগায় জমা পানি থেকে, আরেকটি নির্মানাধীন বাড়ির নির্মান সামগ্রীতে জমা পানি থেকে অ্যাডিস মশার ডিম সংগ্রহ করছি। এরকম ১৪টি ওয়ার্ড থেকে আমরা নমূনা সংগ্রহ করেছি। এই ডিম পরে পরীক্ষাগারে ফুটিয়ে বাচ্চা বড় করে নিশ্চিত হয়েছিলাম এরা অ্যাডিস মশাই।
তখন সেই গবেষণার অনেক উপসংহারের মধ্যে একটা কথা বলা হয়েছিলো Dhaka is sitting on a Dengue time-bomb। সেই টাইম-বম হয়তো এবছরই বিস্ফোরিত হয়েছে। বা আদৌ এখনো পুরোপুরি বিস্ফোরিত হয় নি।
সবার মনে রাখতে হবে সিটি কর্পোরেশান একা কোনদিন ডেঙ্গু নির্মূল করতে পারবে না, যদি সবাই যার যার বাসা-বাড়ির অ্যাডিস নির্মূল না করেন।
পূনশ্চ:
আপনি হাজার তেলাপোকা মারলেও আপনার প্রতিবেশি মারে না, তাই আপনার বাসায় তেলাপোকা নির্মূল হয় না। অ্যাডিসও তাই, আপনি মারবেন, কেউ না কেউ মারবে না। তাই দিনের বেলায়ও বিশ্রাম নিতে মশারির নিচে বিশ্রাম নিন।
আরেকটি কথা: অ্যাডিস মশা প্রধানত দিনে কামড়ায়, রাতে আলোকিত কক্ষে কামড়াতে পারে।
#ডেঙ্গু #মশা #ঢাকা
04/04/2018
আপনি হয়তো জানেনই না যে, আপনার প্রিয় বাসাটি একটি বড় 'গ্যাস চেম্বার বা বোমায়' পরিণত হয়ে আছে। এই বোমাটি একটি ইলেক্ট্রিক স্পার্কিং কিংবা যুতসই থার্মাল সোর্স (আগুন) পেলেই বিস্ফোরিত হয়ে কেড়ে নিতে পারে আপনার পুরো পরিবার।
অবাক হচ্ছেন?
না, অবাক হবেন না। কারণ, এদেশের বর্তমান ত্রুটিপূর্ণ নগর ব্যবস্থার অসংখ্য বাসা-বাড়ির ক্ষেত্রেই এই কথাটি প্রযোজ্য। ইদানিং কয়েকটি বিস্ফোরণের ঘটনা থেকে বিষয়টি হয়তো অনেকের নজরে এসেছে। কিন্তু, আমরা (বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সিটিটিসি, ডিএমপি) দীর্ঘ ১০ বছর যাবত এই ঢাকা শহরেই প্রায় অর্ধশত বাসা, দোকান এবং অফিস কক্ষে এই ধরণের বিস্ফোরণ ঘটতে দেখেছি। এসব ঘটনায় মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়ে নিহত এবং আহত মানুষের সংখ্যা এই শহরের সন্ত্রাসী বোমা হামলায় হতাহতদের মোট সংখ্যার থেকেও অনেক বেশী।
েকদিন_আগে পল্লবীতে একটি বাসার পানির আন্ডারগ্রাউন্ড রিজার্ভ ট্যাঙ্কে একটি বিশাল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয় একই পরিবারের ৫ জন সদস্য। ইতিমধ্যে এই ৫ জনের মধ্যে একজন নারী ও ০১ জন শিশু মারা গেছে। রাত ২টার সময় মোমবাতির আগুনে পানির মটর নষ্ট হয়েছে কিনা তা দেখতে গেলে পানির রিজার্ভারে (ট্যাঙ্কে) জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরিত হয়। দিয়াশলাই দিয়ে মোমবাতি জ্বালাতে যাওয়া মাত্রই গ্যাস প্রজ্বলিত (Ignited) হয়ে এই বিস্ফোরণ ঘটায়
#উপরের ঘটনার আগের রাতে ভালুকা মাস্টার বাড়ি এলাকায় একটি বিল্ডিং-এর তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে ভয়াবহ একটি বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়ে নিহত হয় একজন মেধাবী ছাত্র এবং হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে একই ফ্ল্যাটের আরও ৩জন ছাত্র। বাসায় বিস্ফোরক (Explosives)-এর কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। ধ্বংসের আলামত থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, বিস্ফোরণটি গ্যাস থেকেই হয়েছে।
[আহত ০৩ জনও পরবর্তীতে মারা যায়। এতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ায় ৪]
#২০০৯ সালে গুলাশানের একটি বাসায় এরূপ একটি বিস্ফোরণের ফলে বিল্ডিং -এর একটি দেয়াল প্রায় ১০/১২ফুট দূরে গিয়ে একটি গাড়ির উপর পড়ে। টয়লেটে গিয়ে সিগারেট ধরাতেই এই ঘটনাটি ঘটে। এতে সেই ধূমপায়ী মারাত্মকভাবে দগ্ধ হওয়ার পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেয়ার পথে মারা যায়।
#২০১১ সালের দিকে কোতোয়ালি এলাকায় একটি সেলুনে এরূপ একটি বিস্ফোরণ ঘটে
#২০১১ সালে এলিফ্যান্ট রোডের একটি শোরুমে
#২০১২ সালে মিরপুরের একটি বাসায়
# ২০১৩ সালে ভুতেরগলির একটি বাসায়
#২০১৪ সালে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অফিসে
#২০১৫ সালে হাজারিবাগে একটি টয়লেটে বসে সিগারেট ধরাতে গেলে একটি বিস্ফোরণ ঘটে। অনুসন্ধান করে দেখা যায় যায় যে, বাসার টয়লেটের লাইনের একটি ছিদ্র গ্যাস লাইনের একটি ছিদ্রের সাথে কাকতালীয়ভাবে একটি জায়গায় মিশে গেছে। সেই ছিদ্র দিয়ে গ্যাস প্রবেশ করায় দু'তলার ঐ টয়লেটটি একটি 'গ্যাস চেম্বার'-এ পরিণত হয়। ব্যস, যা হবার তাই ঘটে যায়।
………..
#২০১৮ সালে ভালুকা এবং পল্লবী ছাড়াও কুমিল্লায় একটি ঘটনা ঘটেছে।
এভাবে গত ১০ বছরে প্রায় একশ'টি ঘটনা বা বিস্ফোরণ ঘটেছে।
গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের ত্রুটিপূর্ণ চুলা বা সরবরাহ লাইনের ত্রুটির কারণে গ্যাস লিকেজ হয়ে ঘরের আনাচেকানাচে তা জমে থাকে। জমে থাকা এই গ্যাস কোন আগুন কিংবা ইলেক্ট্রিক শর্টসার্কিটের সংস্পর্শে আসা মাত্র প্রজ্বলিত (Ignited) হয়ে প্রচুর তাপ, চাপ ও শব্দের উৎপত্তি করে বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে। এভাবেই কিছু বুঝে উঠার আগে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে অগণিত শহুরে মানুষের প্রাণ।
এযাবত ঘটে যাওয়া প্রতিটি ঘটনাই সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে প্রকাশ পেলেও ত্রুটিবিচ্যুতি নির্ণয় করে পুরোপুরি সচেতন করা সম্ভব হয়নি। সেই সাথে কোন সমন্নিত উদ্যোগও চোখে পড়েনি। গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা ত্রুটিবিচ্যুতিগুলো তুলে ধরায় কিছু কিছু মানুষ জানলেও তা মোট নগরবাসীর তুলনায় অপ্রতুল। ফলে অনেকের অগোচরেই একেকটি বাসা একটি 'বৃহত গ্যাস বোমা'য় পরিণত হয়ে রয়ে যাচ্ছে। এতে মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মধ্যে পরে যাচ্ছে আমাদের আধুনিক, তবে ত্রুটিপূর্ণ নগর সভ্যতার অসংখ্য বাসা-বাড়ি, অফিস-আদালত এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। শুধুমাত্র একটু সচেতন হলেই সবাই সপরিবার সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ।
আমি কাউকে আতংকিত করছি না, আবার একেবারে নিরাপদ আছেন তাও বলছি না। বরং সচেতন হতে পরামর্শ দিচ্ছি। আর করণীয় সম্পর্কে একটু ধারণা দিচ্ছি:
১. ত্রুটিমুক্ত গ্যাসের চুলা এবং মানসম্মত গ্যাস পাইপ ব্যবহার করে তা নিয়মিতভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে
২. বাসার আর্কিটেকচারাল ডিজাইন প্রস্তুত করার সময় নিশ্চিত রাখতে হবে যেন পুরো বাসার আনাচ কানাচে বাতাস আবিরাম যাতায়াত (Constant Flow-CF) করতে পারে।
৩. বাসা দীর্ঘ সময় ধরে বদ্ধ থাকলে দরজা জানালা খুলে এয়ার ফ্লো নিশ্চিত করে বিদ্যুতের সূইচ চাপতে হবে, কিংবা চুলায় আগুন জ্বালাতে হবে।
৪. রান্নাঘরে সর্বোচ্চ পরিমাণ ভেন্টিলেশন সিস্টেম নিশ্চিত করতে হবে
৫. বাসার ভিতর কোন গ্যাস সিলিন্ডার রাখা যাবে না। পাইপের মাধ্যমে দূর থেকে চুলায় গ্যাস সংযোগ নিতে হবে
৬. বাসার ইলেক্ট্রিক ওয়ারিং-এ ভাল মানের তার ব্যবহার করতে হবে। তারের মধ্যে কোন প্রকার জোড়াতালি থাকা যাবে না। ত্রুটিমুক্ত সূইচ ব্যবহার করতে হবে।
৭. বাসায় ত্রুটিপূর্ণ কোন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস না রাখাই ভাল। কেননা, ইলেক্ট্রিক এবং থার্মাল - এই দু'টা ইগনিশন সোর্সই যেকোন ত্রুটিপূর্ণ ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস থেকে সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি ক্ষোদ ডিভাইসটিও বিস্ফোরিত হতে পারে। ২০১০ সালে রামপুরায় একটি মাইক্রোওয়েভ ওভেন বিস্ফোরিত হয়ে ব্যবহারকারী দগ্ধ হয়ে মারা যায়।
৮. বাসার ভিতর আবদ্ধ জায়গায় মোমবাতি জ্বালানো এবং ধূমপান করা থেকে বিরত থাকাই উত্তম
৯. বাসার ভিতর জমে থাকা গ্যাসের অস্তিত্ব নিশ্চিত করার জন্য স্বল্প মূল্যের এক ধরণের 'গ্যাস ডিটেকশন ডিভাইস' পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে।
আপনারা সবাই সপরিবারে সুস্থ্য থাকুন এবং অন্যদের সুস্থতাও নিশ্চিত করুন।
- (সানী সানোয়ার)
মোহাম্মদ সানোয়ার হোসেন বিপিএম, পিপিএম(বার)
অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার
বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট
স্পেশাল অ্যাকশন ডিভিশন
কাউন্টার টেরোরিজিম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম
ডিএমপি, ঢাকা।
25/03/2018
'I bought hepatitis C cure from Bangladesh'
Zoe Sharam bought a hepatitis C cure, deemed too expensive for her by the NHS, online from Bangladesh. She speaks to the BBC's Victoria Derbyshire programme.
06/12/2017
কিছু কিছু জিনিষ DU/BUET/DMC/IBA/HARVARD/MIT তে শিখায় না। কিন্তু যেইগুলা শিখায় না সেইগুলা আপনার কোর্স, ক্রেডিট, জিপিএ, বেতন, র্যাংক সবকিছু থেকে উপরে।
1. Being Humble/ Humility - আপনি সুন্দরি? ২০০০ সালের মিস ইউনিভার্স এর নাম মনে আছে? কেউ মনেও রাখে নাই তারে। আপনি CEO? কন দেখি মাল্টি বিলিয়ন ডলার Honda কোম্পানির ৪ নাম্বার CEO কে? কোন খবরই নাই বেচারার! আপনে বিসিএস/ মিলিটারি? হাহাহাহা ভাইরে! Gulf War 1 জয় করা আমেরিকান জেনারেল শোয়ার্জকফ এর কথা মনে আছে!??? ও কইছিলো, যুদ্ধের সময় ৫০ দেশের ৫০০,০০০ সৈনিক আমার কথায় নাচছে আর ১ বছর শেষে রিটায়ার করার পরে বাসার কাজের জন্য একটা প্লাম্বার ও পাই না! অহংকার করার অধিকার তো দূরের কথা, সেটার কোন যোগ্যতাও কোনদিনও আপনি অর্জন করতে পারবেন না! দুনিয়াতে বহু চ্যাম্পিয়ন দেখছি - আজ তার ৮০% মাটির তলে আর ২০% হাসপাতালে! অহংকার করার অধিকার শুধুমাত্র উপরের উনার - এইটারে যে টান দিছেন সে মরছেন। Humble থাকা মানে পাপোষ হইয়া থাকা না, Humble মানে বিশ্ব ব্রম্মান্ডের সামনে নিজের non existence কে হাসি মুখে মাইনা নেওয়া আর এইটা বোঝা যে যে মূহুর্তে আপনি অক্কা পাইছেন সেই মূহুর্তেই আপনার বিছানাতেও আপনার rotting co**se এর জায়গা নাই। সৃস্টিকর্তা এইজন্যই অধিকাংশ নবী রসুলদের অনাথ বানাইছেন, দুম্বা চড়াইছেন, গরীবিত্ব দান করছেন যাতে তারা humility আর humbleness এর শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হন। তাছাড়া গান্ধী কে দেখেন, মার্টিন লুথার কিং কে দেখেন। শেখেন।
2. Being Thankful. আজ আমার বয়স ১৭,৯৪৮ দিন। প্রতিদিন গড়ে ৫ বেলা খাবার ধরলে আমি ৫০,০০০ এর বেশী meal খাইছি, কোন চিন্তা ছাড়া, কোন ধরনের দুশ্চিন্তা ছাড়া যে খাবার কোন্থেকে আসবে। ৭ বিলিয়ন লোকের মধ্যে আমি Top 5% এ। আমার বাবা মা এখনো আছেন একটা সুন্দর পরিবার আছে এবং যা যা চাইছি বা চাই নাই তাও আছে। আমি হাসপাতালে নাই, সুস্থ আছি। আমি দুনিয়ার Top.0.1% এ। কিন্তু এই খাবার এর জন্য, এই সুখের জন্য কয়বার সৃস্টিকর্তাকে ধন্যবাদ বলছি জানিনা। তাও আমি পাইয়াই যাইতাছি। অন্যদিকে আমি কারো কোন উপকার কইরা ধন্যবাদ না পাইলে মাথা গরম হইয়া যায়!!! ভাইরে, Thankful হইতে পয়সা লাগে না। Feel the awesome free gifts you get from God, affection from your parents, love from your family, the smile of your child - feel and appreciate EVERYTHING. শুধু মুখে থ্যাংক্স বইলেন না, mean it from the core of your heart.
3. Not Looking Back - মাছির চোখ কয়টা জানেন তো। হাজারখানেক! এই জন্যই ব্যাটারা চারদিকে দেখতে পারে। একটা মাছি মাইরা দেইখেন তো?! খুব চালাক! কিন্তু মানুষের মাত্র দুইটা চোখ-তাও আবার সামনে!!! পিছনে দেখতে পারেন না। এর কিন্তু একটা মর্তবা আছে। You were made to look forward, not back. যেইটা অতিত হইয়া গেছে, সেইটা শেষ হইয়া গেছে। তাকে ফিরানোর কোন scope বা power মানুষের নাই। সেইটা এখন সৃস্টিকর্তার কাছে। উনি ছাড়া তা আর বদলানোর কেউ অধিকার রাখেন না। তাই যে জিনিষ আপনার আর নয়, তা নিয়া চিন্তা করা পুরা বোকামি। মনে করেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট মারা গেছে! আপনে কি কাঁদবেন? কখনোই না। কারন ওই ব্যাটা আপনের কিছুই লাগে না। ঠিক তেমনি অতিতের ভুল, অতিত সম্পর্ক সব ভুইলা যান। সামনে চোখ। সামনেই তাকান। কে জানি বলছিলো, অতিত এর কথা চিন্তা কইরা অনেক বোকাই মরছে। অতিত কে এখনই Control-Alt-Delete মারেন।
পৃথিবীতে টাকা পয়সা বানানো, successful হইতে চাওয়া, ভালো পড়াশুনা বা ক্যারিয়ার গড়া তে কোন পাপ নাই। পাপ হইতেছে যখন শ্রেষ্ঠত্বর মাথায় আমি তখন Humility ভুইলা যাওয়া,Thankful না হওয়া আর নিজের খারাপ অতিত নিয়া মন দূষণ করা!
এ সব জিনিষ কোনদিন ও কোন Ivy League এ শেখানো possible না। কারন আপনের বিবেকের চেয়ে বড় Ivy League বানানো একটা অসম্ভব ব্যাপার।
আসল লিখা থেকে কপি করা।
লেখক: Sabbir Ahsan
28/09/2017
*** সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ***
যদি কারো পরিচিত কেউ থাকে যে তার হাটুর উপরে অথবা নিচে দিকে পা কাটা আছে,তাকে অবশ্যই পংগু হাসপাতাল, ৩য় তলায় ( শ্যামলি,,ঢাকা)এসে যোগাযোগ করতে বলবেন।সেখানে কৃত্রিম পা লাগানো হবে।বিদেশ থেকে এক্সপার্টরা আসছেন।তারা ১৫ দিনের মত মতো থাকবে।।যদি কারো পরিচিত জনের এই সমস্যা থাকে আজকেই চলে আসুন।যা সম্পুর্ন বিনামূল্য সেবা প্রদান করা হবে!
অক্টোবর এর ১৫ তারিখ পর্যন্ত থাকতে পারেন উনারা।
রেজিস্ট্রেশন সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১টা।
যোগাযোগ করুন যত দ্রুত সম্ভব।
একজন শারীরিক প্রতিবন্ধকতাযুক্ত মানুষ কে সহযোগীতা করতে এটা "শেয়ার" করুন (কপি পেস্ট করলে সবচে ভাল হয়) আপনি অন্তত সঠিক ব্যাক্তির কাছে পৌঁছাতে সবাইকে জানিয়ে দেয়ার কাজটি করুন....!
** প্রাইভেসি সেটিংস "Public" করে পোস্ট করুন **
~ সংগৃহীত
11/08/2017
এই রাত জাগা পাখিরা আকাশের সীমা ছুঁতে চায়, লাল সবুজের পতাকা উড়িয়ে দিতে চায়।
তারা দূর্বার, তারা অদম্য,তারা লাল সবুজের মত স্বাধীন।আঘাতের পর আঘাতে তারা আরো তুখোড় হয়ে ওঠে,শাণিয়ে নেয় আরেকবার নিজের অস্ত্রটাকে।
আরেকবার গর্জে উঠুক বাংলাদেশ!
Captured By : Team Member Iftekhar Anam