The Beauty of DU campus

The Beauty of DU campus

Share

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ফ্যান পেইজ ।

28/03/2026

Donald Delulu Trump. 😂

27/03/2026

ভালোবাসার TSCর আকাশ! 🖤

©ওমর ফারুক ইমন

26/03/2026

বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ সালাহউদ্দিন, তথ্য বের করতে না পারে পাকিস্থানি সৈন্যরা যাঁকে ছেড়ে দিয়েছিল বাঘের খাঁচায়।

১৯৭১ সালের ১১ নভেম্বর। ঠাকুরগাঁওয়ের ইস্ট পাকিস্থান রাইফেলস (ইপিআর) ক্যাম্প। ভয়ংকর নির্যাতনের পর পাকিস্থানি সেনারা ক্যাম্পের বাঘের খাঁচায় ছুড়ে ফেলল এক তরুণকে। হুংকার দিয়ে দুটো বাঘ ঝাঁপিয়ে পড়ল তাঁর ওপর। টেনে ছিন্নভিন্ন করে খেয়ে ফেলল তাঁকে। ওই তরুণের নাম সালাহউদ্দিন। তিনি ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ঠাকুরগাঁও ছিল দিনাজপুর জেলার একটি মহকুমা। এই মহকুমার পীরগঞ্জ থানার কোষারানীগঞ্জ শহিদ সালাহউদ্দিনের গ্রাম।

শহিদ সালাহউদ্দিনের পরিবার, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও প্রামাণ্য সালাহউদ্দিন (বাঘের খাঁচায় মুক্তিযোদ্ধার প্রাণোৎসর্গ) গ্রন্থ থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে পাকিস্থান সেনাবাহিনী দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকায় চরম গণহত্যা চালায়। তারা ১৮ এপ্রিল পীরগঞ্জে গণহত্যা চালাতে গিয়ে ব্যাপক অগ্নিসংযোগ-লুটপাট ও নারী নির্যাতন করে। গণহত্যার ভয়ে অনেকেই গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান। আবার অনেকেই যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধে। সে সময়ের দিনাজপুর সুরেন্দ্রনাথ কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র সালাহউদ্দিনও সীমান্ত পাড়ি দিয়ে চলে যান ভারতে। প্রশিক্ষণ শেষ করে যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধে। অস্ত্র হাতে অপারেশন শেষে ছুটতে থাকেন একের পর এক এলাকায়।

১৯৭১ সালের ১০ নভেম্বর। সহযোদ্ধাদের সঙ্গে সালাহউদ্দিন পীরগঞ্জের জাবরহাট ক্যাম্পে অবস্থান করেছিলেন। সে সময় একটা দুঃসংবাদ এল। সালাহউদ্দিনের বাবাকে পাকিস্থানি সেনারা ধরে নিয়ে গেছে ইপিআর ক্যাম্পে। ভেঙে পড়লেন সালাহউদ্দিন। গভীর রাতে একজন সহযোদ্ধাকে জানিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিলেন তিনি। ১১ থেকে ১২ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে সালাহউদ্দিন পৌঁছে গেলেন বাড়ি। ‘মা, মা...’ বলে ডাকতেই খুলে গেল ঘরের দরজার কপাট। পরিবারের সদস্যরা সালাহউদ্দিনকে দেখে আত্মহারা।

এদিকে সালাহউদ্দিন যখন গ্রামে ঢুকছিলেন, তখন রাজাকাররা তাঁকে দেখে ফেলে। খবর চলে যায় পাকিস্থানি সেনা সদর দপ্তরে। সকাল ১০টার দিকে সালাহউদ্দিনের বাড়ি ঘিরে ফেলে পাকিস্থানি সেনারা। টের পেয়ে সালাহউদ্দিন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেও পারলেন না। সালাহউদ্দিনের মা নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও পাকিস্থানি সেনাদের কাছে ছেলের প্রাণভিক্ষা চেয়েও ব্যর্থ হন। তবে তিনি ঘর থেকে কোরআন শরিফ এনে ক্যাপ্টেনের হাতে দিয়ে বললেন, ‘আমার বাবাকে মারবে না, শুধু এটুকু কথা বলে যাও।’ কোরআন ছুঁয়ে ক্যাপ্টেন বলে যান, ‘নেহি মারুঙ্গা উনকো।’

এরপর পাকিস্থানি সেনারা সালাহউদ্দিনকে বন্দী করে নিয়ে যায় ঠাকুরগাঁওয়ের ইপিআর ক্যাম্পে (বর্তমান বিজিবি ঠাকুরগাঁও সদর দপ্তর)। সেখানেই পাকিস্থানি সেনাদের সদর দপ্তর। সেখানে এনে তাঁর কাছ থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের তথ্য বের করার চেষ্টা চালায় পাকিস্থানি সেনারা। কিন্তু সালাহউদ্দিন তাদের প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর তাঁর ওপরে ভয়ংকর নির্যাতন চালাতে শুরু করে সেনারা। প্রথমে ভয়ভীতির পর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে নির্যাতনের মাত্রা। চোখের মণিতে বড়শি বিঁধিয়ে নিষ্ঠুরভাবে টানাটানি করা হল। তবু অনড় সালাহউদ্দিন। নির্যাতনের একপর্যায়ে কেটে নেওয়া হলো হাতের আঙুল। হাতে-পায়ে পেরেক ঠুকে তাঁকে ঝুলিয়ে রাখা হলো। তারপরও বিন্দুমাত্র টলানো গেল না সালাহউদ্দিনকে।

শেষ পর্যন্ত সালাহউদ্দিনকে ঘিরে এক বর্বর সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্থানি সেনারা। শহরজুড়ে মাইকে প্রচারণা চালিয়ে মানুষজনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ১২ নভেম্বর শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে পাকিস্থানি সেনারা তাঁর হাত বেঁধে ক্যাম্পে থাকা বাঘের খাঁচায় ছেড়ে দেয়। একটি বাঘ একপলকেই সালাহউদ্দিনের বুক ও মুখে থাবা বসিয়ে দিল। সালাহউদ্দিন ‘মা, মা...’ বলে চিৎকার দিতেই খাঁচার দুই বাঘ মিলে ছিঁড়ে ছিঁড়ে খেতে লাগল তাঁর দেহ। আর এ দৃশ্য দেখে উপস্থিত রাজাকার ও পাকিস্থানি সেনারা উল্লাস করতে লাগল।

সালাহউদ্দিনের চাচাতো ভাই মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, বিশ্বের ইতিহাসে কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে এভাবে হত্যার বর্বরতা আর আছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এ ঘটনা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক নির্মম ঘটনা। দেশের স্বাধীনতার জন্য সালাহউদ্দিন বাঘের খাঁচায় নিজের জীবন উৎসর্গ করলেও আজ সে ঘটনার খুব একটা আলোচনা নেই। বাঘের খাঁচায় সালাহউদ্দিনের জীবন উৎসর্গের ঘটনাটি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তি এবং ১২ নভেম্বর শহিদ সালাহউদ্দিন দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবি করেন তিনি।

পীরগঞ্জ উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইব্রাহিম খান বলেন, ‘শহিদ সালাহউদ্দিনের বীরত্ব নিয়ে অনেক কিছু করার ছিল। কিন্তু আমরা তেমন কিছুই করতে পারলাম না। এটা আমাদের কষ্ট দেয়।

তথ্যঃ প্রথম আলো।
সংগ্রহ: শেখ ফরিদ (বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র)

26/03/2026

পৃথিবী তাকে ধরে রাখতে পারল না,
জান্নাত হয়তো তার জন্যই অপেক্ষায় ছিল…

ছবি: দেশকাল নিউজ

26/03/2026

একটুকরো বাংলাদেশ 💕
মল চত্বর, ঢাবি।
::স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা::
© M I Momin

25/03/2026

"The death of one man is a tragedy, the death of millions is a statistic." - Joseph Stalin.

খেয়াল করলে দেখবেন, এখন আর আপনার আশেপাশের মৃত্যুর খবরগুলো খুব বেশি অস্বাভাবিক লাগে না। সড়ক দূর্ঘটনা, ভূমিধ্বস, নির্মাণাধীন দালানের সাথে সম্পৃক্ত দূর্ঘটনা, বন্যা কিংবা প্রাকৃতিক কোনো দূর্যোগে মারা পরা কিছুই আর সেভাবে তাড়িত করে না আমাদের। এর মানে এই না যে আমরা মৃত্যুকে সহজভাবে মেনে নিতে শিখে গেছি। বরং এর কারণ বেশ ডিস্টার্বিং।

যখন একজন মানুষ মারা যায়, তখন আমরা তার জীবন, পরিবার, গল্প—সবকিছু কল্পনা করতে পারি। বিষয়টা ব্যক্তিগত মনে হয়, অনেক বেশি রিলেট করতে পারি আর আমাদের সহানুভূতি জাগে। কিন্তু যখন বিপুল সংখ্যক মানুষ মারা যায় (যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে), তখন সেই সংখ্যা এত বড় হয়ে যায় যে আমরা তা অনুভব করতে পারি না। তখন এটি শুধু সংখ্যা বা ডেটা হিসেবে মনে হয়।

মনস্তাত্ত্বিকভাবে আমাদের সহানুভূতির সীমাবদ্ধতা আছে। মানুষ স্বাভাবিকভাবে একজন বা অল্প কয়েকজনের প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল হয়। কারো জায়গায় নিজেকে রেখে দেখতে পারলে আমরা যতটা সহানুভূতি অনুভব করি, না রাখলে তা সম্ভব নয়। আবার, বিশাল সংখ্যার দূর্ঘটনায় আমাদের অনেকের Psychic numbing বা মানসিক অবশতা চলে আসে। প্রসেস ই করতে পারিনা যে বাস্তবে এমন কিছু সামনে ঘটাও সম্ভব (যদিও ঘটনা সত্য)। এইটা অনেকে স্বচক্ষে একটা বাইক, রিকশা বা সিএনজি এক্সিডেন্ট দেখে থাকলে বুঝবেন। ঘটনার সাথে সাথে ইমেডিয়েটলি কি করা উচিত এটা ভেবে পায় না অনেকেই। ভুক্তভোগীর সংখ্যা যত বাড়ে, আমাদের আবেগীয় প্রতিক্রিয়া তত কমে যায়। বড় সংখ্যার দূর্ঘটনা মানুষের বাস্তব পরিচয় মুছে দেয়—তারা তখন শুধু “সংখ্যা” হয়ে যায়। একদল দূর্ঘটনার শিকার মানুষকে আমরা তখন আর আলাদা আলাদা ভাবে এক একটা ক্ষুদ্র পরিবারে সদস্য হিসেবে বিবেচনাই করি- আসে না মাথায় সেই হিসেব।

এজন্য দেখবেন দূর্ঘটনাগুলো এখন যেটুকুও সাড়া ফেলতেছে, যুদ্ধ সে-রকম ভাবায় না আমাদের। যুদ্ধ বাঁধলে হাজার হাজার মানুষ মরবে, এ তো জানা কথা। কিছুদিন এভাবে চললে অবশ্য এই ইনসিডেন্ট গুলোও আমাদের ভাবাবে না। "রাস্তায় চললে এমন হবেই" একটা বুঝ আমাদের মাথায় ঢুকে যাবে।

25/03/2026

The current war situation:

Trump 🇺🇸: You have 48 hours to meet our demands
Iran 🇮🇷: ইসস...সখ কত..!

Trump 🇺🇸: Then let’s take five days and negotiate
Iran 🇮🇷: মারা খা..

Trump 🇺🇸: How about a one-month ceasefire
Iran 🇮🇷: দূরে গিয়া মর..

Trump 🇺🇸: Then we’ll send U.S. troops
Iran 🇮🇷: 🎶 কাছে এসো, কাছে এসো, কাছে এসো না....🎵🎶

All in the span of a week.

25/03/2026

বাংলাদেশ ত নরমাল ডেলিভারিতে জন্ম নিতেই পারছিল না, ইন্ডিয়া অপারেশন করে জন্ম দিয়েছে!
বাংলাদেশ তো আমাদের, এইটা যেকোন সময় আমাদের করে নিতে পারবে আমাদের আর্মি, কেউ বাধা দিবে না, যেমন ইসরায়েল গাজা দখল করে নিয়েছে, কেউ বাধা দিচ্ছে?
- খান স্যার!

একটা সময় ছিল যখন এই মানুষটাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক সম্মান করতাম। কারণ, তিনি নামমাত্র মূল্যে গরিব স্টুডেন্টদের পড়াতেন, তাদের স্বপ্ন দেখতে শেখাতেন।

কিন্তু রাজ শামানির পডকাস্টে তার সাম্প্রতিক কথাবার্তা শোনার পর বুঝতে পারলাম সস্তা হাততালি আর ভিউ কামানোর নেশায় একজন ভালো শিক্ষকও কীভাবে Hyper-nationalism সস্তা ক্যানভাসার হয়ে যেতে পারেন!

তার কথা শুনলে মনে হয় দেশ দখল করাটা যেন Age of Empires গেম খেলা! সকালে নাশতা করতে করতে ৩০ মিনিটে মিয়ানমার দখল করে নেবেন, আফগানিস্তান গিলে খাবেন, আর বেলুচিস্তান তো নাকি অলরেডি পকেটে!(ইন্ডিয়ার মেঘা প্রজেক্ট নাকি এইটা) এই লেভেলের গাঁজাখুরি অ্যানালাইসিস যদি সত্য হতো, তাহলে লাদাখ আর অরুণাচলে চীনের দখল করে রাখা নিজেদের জমিগুলো তারা ৩০ মিনিটে উদ্ধার করতে পারছে না কেন?

একদিকে তিনি জ্ঞান দিচ্ছেন যে পাকিস্তানের কারণে সারা বিশ্বে মুসলিমদের ইমেজ খারাপ হচ্ছে, অন্যদিকে তিনি নিজেই ইসরায়েলের এই নির্বিচার গণহত্যা, হাজার হাজার শিশু মারা যাওয়া নিয়ে তার কোনো মাথাব্যথা নেই, কারণ এটা তার উগ্র জাতীয়তাবাদী অডিয়েন্সকে স্যাটিসফাই করে।

উনি বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গর্ধব বললেন, নেপালের প্রধানমন্ত্রী (সাবেক) গাধা বললেন, শ্রীলংকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বললেন ওরা হচ্ছে ব্রেইনলেস, কিম জং উন কে বললেন বার্গার, পাকিস্তানকে উনি গুনাই ধরেন না, কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে চা ওয়ালা তথা ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে উনি কিছু বলেনি!

আখ্যা দেশের মানুষ এই ডিক্টেটরকে নিয়ে বিরক্ত হয়ে আছে, কিন্তু এই মানুষটা তোতা মোদিকে নিয়ে একটা কথা বলেনি!

© Tufayel Ahmed Neil

25/03/2026

::ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করার জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকার ইরান দূতাবাসের মিম পোস্ট::

25/03/2026

::Iran is now literally dictating the terms against Trump:: ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে যে তারা আগের প্রতিনিধিদের সাথে আর আলোচনায় বসবে না এবং ভবিষ্যতের আলোচনায় তারা শুধুমাত্র ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাথে কথা বলতে চায়।

ট্রাম্প ভেবেছিল ইরানের রেজিমি চেঞ্জ ঘটাবে, কিন্তু এখন উলটো ইরানের কুটনৈতিক চাল এবং সাহসিকতাপূর্ণ অবস্থানের প্যাঁচে পড়ে ট্রাম্প রেজিমির অবস্থা নড়ে বড়ে।

Geopolitics isn’t about who shouts louder, it’s about who holds leverage. And right now, the script isn’t going the way Donald Trump expected.

"চিল্লাই কি মার্কেট পাওন যাইবো..!"

25/03/2026

বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানের ম্যাচের চিত্র আসলে এই ৩টা ছবিই। যেখানেই আসলে পুরো ম্যাচের গল্প বলা যায়!

১ম ছবি হচ্ছে আমাদের ফুটবল সংস্কৃতির চিরাচরিত নোংরামির প্রতিচ্ছবি। সিনিয়র দল কিংবা জুনিয়র, এই সিন্ডিকেটে ব' লি সকলেই। এমন ফাঁকা জায়গায় থেকেও রোনানকে বল দেওয়া হয়নি। যারা ম্যাচ দেখেছে, তারা জানে প্রথম হাফ কিংবা এরপর, রোনানকে সঠিকভাবে পাস দিলে এই ম্যাচ বাংলাদেশ দারুণভাবে জিততো। কিন্তু, রোনানকে যেভাবে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে, তা মারাত্মক দৃষ্টিকটু লেগেছে!

২য় ছবি হচ্ছে ডেক্লাইন ও ইব্রাহিমকে একাদশে না রাখা। যে দলে মুর্শিদ-নাজমুলদের মতো ফুটবলার নিয়মিত খেলে যায়, সেখানে এরা সুযোগ পায় না। এ যেনো বড়দের সোহেল রানার গল্প!

আর ৩য় ছবিটাই হচ্ছে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত! দুর্দান্ত এক ফ্রিকিকে গোলের পর অবিশ্বাস্য ক্ষীপ্রতায় হেডে জোড়া গোল! সতীর্থদের কাছ থেকে বল না পেয়েও একক প্রচেষ্টায় জোড়া গোল করা, এ যেনো বড়দের দলেরই কাহিনী। সোহেল রানাদের মতো এক ঝাক গরু-ছাগলদের নিয়ে গড়া একাদশে হামজার লড়াই, আর জোড়া গোলে দলকে জয়ী করা!

এভাবে আসলে দুয়েকটা ম্যাচ জেতা যায়, টুর্নামেন্ট জিততে হলে সবার আগে এই সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে, না হলে রক্ষে নেই!

[© ফুটবল মানেই বেঞ্জেমার দুই পায়ের যাদু]

24/03/2026

মেটা যা ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ পিছনে থাকা কোম্পানি, সম্প্রতি এমন একটি এআই সিস্টেমের জন্য পেটেন্ট এনেছে যা ব্যবহারকারীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কার্যক্রম নকল করতে সক্ষম। এই পেটেন্ট অনুসারে, একটি শক্তিশালী ভাষা মডেল (LLM) ব্যবহারকারীর পূর্বের পোস্ট, রিঅ্যাকশন, মন্তব্য ও পার্সোনাল মেসেজের উপর ভিত্তি করে প্রশিক্ষিত একটি বড় ভাষার মডেল ব্যবহার করবে। যেটি ব্যবহারকারীর অনলাইন আচরণ নকল করতে সক্ষম হবে। যদি ব্যবহারকারী পোস্ট করা বন্ধ করে/সামাজিক মাধ্যম ছেড়ে চলে যায় এমনকি যদি মারাও যায় তাহলে একাকী এআই পোস্ট করতে সক্ষম হবে। যা দিয়ে অন্যের পোস্টে লাইক বা কমেন্ট করা, ইনবক্সের মেসেজের উত্তর এবং ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর ও ভাবভ‌ঙ্গি অনুযায়ী অডিও বা ভিডিও নকল করতে সক্ষম হবে। মেটার মতে, এই প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো অচল অ্যাকাউন্টগুলো সক্রিয়তা বজায় রাখা, বিভিন্ন সেলিব্রেটিদের অনুসারীদের বার্তা প্রদান যেন তারা চলে গেলেও তার শূন্যতা অনুভব না করে। প্রযুক্তিতে এটির অনেক নাম আছে যেমন: Death bots, Ghost bots, Grief Tech। যার লক্ষ্য হলো প্রিয়জনদের ডিজিটাল সংস্করণের মাধ্যমে মানুষকে তাদের হারানোর শোক মোকাবিলায় সাহায্য করা। ইউজেনিয়া কুয়ডা তার বন্ধুকে হারানোর শোকে "রেপ্লিকা" নামক চ্যাটবট প্রতিষ্ঠা করে।

এই প্রযুক্তিতে মৃত ব্যবহারকারীর অনলাইন উপস্থিতি বজায় রাখার সম্ভাবনা দেখা যাবে। এক‌ই সঙ্গে নৈতিকতা এবং গোপনীয়তার গুরুতর উদ্বেগও নিয়ে আসে। মৃত ব্যক্তিদের পরিচয় এআই দ্বারা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে সম্মতি, পরিচয় এবং বন্ধু ও পরিবারের উপর আবেগগত প্রভাবের‌ও প্রশ্ন উঠেছে। পেটেন্টটি অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও, মেটা জোর দিয়ে বলেছে যে তারা বর্তমানে এই প্রযুক্তি সরাসরি ব্যবহার করার কোনো পরিকল্পনা করেনি। পেটেন্ট প্রায়ই ভবিষ্যতের ধারণাগত উদ্ভাবনের জন্য দেওয়া হয়, যা কখনোও জনসাধারণের কাছে আসতে নাও পারে, এবং এই সিস্টেমটিও ভবিষ্যতের সম্ভাবনার উদাহরণ হিসেবেই থাকতে পারে।

©Tanzem Monir Ahmed
Team Science Bee

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Our Journey ...

The University of Dhaka(DU) is one of the best universities in Bangladesh. It has a large as well as a beautiful campus. So stay with us & share the photos of DU campus.

Location

Address


University Of Dhaka
Dhaka
1000