Amol Corner

Amol Corner Daily Amol | Zikir | Doa | Sunnah | Quran Tafsir | Hadish | Story of Prophets

05/08/2026

তোমরা ভূপৃষ্ঠে সফর কর এবং অবলোকন কর কেমন হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম। -সূরা ইউসুফ ১০৯

05/08/2026

এবং তিনি পৃথিবীতে পর্বতমালা স্থাপন করেছেন যেন তা তোমাদেরকে নিয়ে দুলতে না থাকে এবং তিনি নদ-নদী ও রাস্তাসমূহ বানিয়েছেন যেন গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে পার, এবং পথ নির্ণয়কারী চিহ্ন সমূহও। আর তারা নক্ষত্রের সাহায্যেও পথের নির্দেশ পায়। -সূরা নাহল ১৫-১৬

05/08/2026

‘তারা কি দৃষ্টিপাত করে না উটের প্রতি, কীভাবে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে? দৃষ্টিপাত করে না আকাশের প্রতি, কীভাবে তাকে উচ্চতা প্রদান করা হয়েছে? দৃষ্টিপাত করে না পর্বতমালার প্রতি, কীভাবে সেগুলোকে স্থাপন করা হয়েছে? দৃষ্টপাত করে না ভূমির প্রতি, কীভাবে তাকে বিছানো হয়েছে? -সূরা গাশিয়াহ ১৭

05/08/2026

‘আল্লাহ তাআলা ওই সব মানুষকে অনেক গুণ মর্যাদা দান করেন যারা ঈমান এনেছে এবং ইলমপ্রাপ্ত হয়েছে।’ -সূরা মুজাদালাহ ১১

05/08/2026

‘যারা জানে আর যারা জানে না তারা কি কখনো সমান হতে পারে?’ -সূরা যুমার ৯

05/08/2026

সুরা ইখলাস কেন ব্যতিক্রম? ১২ টি বৈশিষ্ট্য নিজে জানুন। অন্যকে জানিয়ে দিন।

১. এই সূরায় আল্লাহর এমন দুটি নাম এসেছে যা কুরআনের অন্য কোথাও আসেনি। আর তা হলো 'আহাদ' ও 'সামাদ'। (তাফসীরে কুরতুবি)

২. এই সূরাতে আল্লাহর এমন চারটি পরিচয় এসেছে, যার দ্বারা মাখলুক থেকে আল্লাহকে আলাদা করা যায়।

৩. এই সূরার প্রতিটি আয়াতে, ঈমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তাওহীদের আলোচনা হয়েছে।

৪. বিভিন্ন সূরার নাম সূরার ভিতরে থাকলেও এই সুরার নাম সুরার ভেতরে নেই। আর তা হলো ইখলাস।

৫. হাদিসে এই সূরাকে সম্পূর্ণ কুরআনের তিন ভাগের এক ভাগ বলা হয়েছে। (সহিহ বুখারী)

৬. তিনবার তেলাওয়াত করলে সম্পূর্ণ এক খতমের সওয়াব পাওয়া যায় মর্মে বলেছেন অনেক মুহাদ্দিস। (আব্দুল্লাহ বিন বায রহ.)

৭. দশবার যে ব্যক্তি তেলাওয়াত করবে জান্নাতে তার জন্য একটি প্রাসাদ নির্মাণ করা হবে। (সহিহ জামে)

৮. এই সূরাকে যে ব্যক্তি ভালবাসবে ও অধিক পরিমাণে তেলাওয়াত করবে সে আল্লাহ তায়ালার ভালোবাসা লাভ করবে। (সহিহ বুখারী)

৯. এই সুরা পাঠ করতে দেখে, এক ব্যক্তিকে রাসুল বলেছেন তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেলো।
(সহিহ বুখারী)

১০. এই সূরা রুকইয়ার অন্তর্ভুক্ত। যার দ্বারা যেকোনো অসুস্থ মানুষকে ঝাড়ফুঁক করা যায়। (আবু দাউদ)

১১. রাসুল ﷺ নিয়মিত ফজরের ও মাগরিবের সুন্নত নামাজের দ্বিতীয় রাকাতে এই সুরা তিলাওয়াত করতেন। (সহিহ মুসলিম)

১২. রাসুল ﷺ বিতিরের তৃতীয় রাকাতে ও তাওয়াফের দ্বিতীয় রাকাতে এই সুরা তিলাওয়াত করতেন।
(সুনান নাসায়ি)

Collected

03/08/2026

যেকোনো জটিল কাজ বা ব্যবসায়িক বাধার মুখে এই আমল গুলো করতে পারেন।

সূরা কাহাফ এর ১০ নং আয়াত পড়া।
আসহাবে কাহাফ এই দু'আ টি পড়েছিলেন যখন তারা কঠিন বিপদে ছিলেন। এটি পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে।

সূরা ত্বহা এর ২৫ থেকে ২৮ নং আয়াত পর্যন্ত পড়া
মুসা আঃ. যখন ফেরাউন এর নিকট যাচ্ছিলেন, তখন এই দোয়া টি করেছিলেন। এটি মানুষের সামনে কথা বলা বা যে কোন চ্যালেঞ্জিং কাজে সাহস জোগায়।

আমল: কাজে বের হওয়ার আগে বা দোকানে/অফিসে গিয়ে এই আয়াত গুলো ৩ বার করে পাঠ করুন।

মোটকথা হলো—জটিল কাজ বা গুরুত্বপূর্ণ কাজের আগে এই আয়াতগুলো পড়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া উত্তম। আল্লাহ চাইলে কাজ সহজ করে দেন।

Collected

31/07/2026

একদা হযরত ঈসা (আঃ) কোথাও সফরে যাচ্ছিলেন। এমন সময় এক ইহুদী আরজ করল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনার সফরের সঙ্গী হতে চাই। হযরত ঈসা (আঃ) বললেন, ঠিক আছে; তুমি যখন আমার সাথে যেতে চাচ্ছ তাহলে চল। অতঃপর দু'জনে মিলে হাঁটতে শুরু করল। অনেক দূর যাওয়ার পর তারা ক্লান্ত হয়ে গেল এবং পেটে ক্ষিধে অনুভব করল। তাই এবার কোথাও বসে নাস্তা করার মনস্থ করল।

দু'জনের নিকট মোট ৩টি রুটি ছিল। দুটি রুটি দু'জনে খাওয়ার পর হযরত ইসা (আঃ) বললেন, ভাই! তুমি একটু বস। আমি আসছি। একথা বলে তিনি চলে গেলেন।

এদিকে ইহুদীর মনে লোভের তীব্র বাসনা জেগে উঠলো। সে ভাবলো, যদি আমি তৃতীয় এই রুটিটি লুকিয়ে রাখি তাহলে অন্য সময় একা খেয়ে নিতে পারবো। তাই সে উহাকে তার ব্যাগের মধ্যে লুকিয়ে রাখলো।

একটু পরে হযরত ঈসা (আঃ) ফিরে এসে প্লেটে রুটি না দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, ভাই! তৃতীয় রুটি কোথায়? সে অকপটে জবাব দিল "আমি জানি না"।

হযরত ঈসা (আঃ) কথা না বাড়িয়ে বললেন, ঠিক আছে, চল আমরা সামনে অগ্রসর হই।

তারা পুনরায় হাঁটতে লাগলো। কিছুদূর যাওয়ার পর হযরত ঈসা (আঃ) তিনটি হরিণ দেখতে পেলেন। তিনি হাত দিয়ে ইশারা করে একটি হরিণকে ডাকলেন। সাথে সাথে উহা তার সামনে এসে উপস্থিত হলো।

অতঃপর তিনি উহাকে জবাই করে নির্দেশ দেওয়া মাত্র মুহূর্তের মধ্যেই উহার গোস্ত ভূনা হয়ে গেল। এবার তারা অত্যন্ত পরিতৃপ্তির সাথে উহা ভক্ষণ করলেন। খাওয়া শেষে হযরত ঈসা (আঃ) হরিণটিকে উদ্দেশ্য করে বললেন, আল্লাহর হুকুমে আবার জিন্দা হয়ে যাও। তৎক্ষণাত উহা জিন্দা হয়ে বনের দিকে চলে গেল। এদিকে ইহুদী বেচারা অত্যন্ত আশ্চর্যের সাথে তার সামনে সংঘটিত বিস্ময়কর এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করছিল। এবার হযরত ঈসা (আঃ) তাকে লক্ষ্য করে বললেন, যে আল্লাহ আমাকে এরূপ অলৌকিক কাজ দেখানোর ক্ষমতা দান করেছেন তার কসম দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি, সত্য করে বল, তৃতীয় রুটি কোথায়? ইহুদী এবারও বলল 'আমি কিছুই জানি না।'

হযরত ঈসা (আঃ) বললেন, ঠিক আছে সামনে চল। কিছু দূর সামনে যাওয়ার পর তাদের সামনে একটি নদী পড়ল। কিন্তু নদী পার হওয়ার মত নৌকা, লঞ্চ, স্টীমার কিছুই সেখানে ছিল না।

হযরত ঈসা (আঃ) এবারও আরেকটি অলৌকিক ঘটনা ইহুদীকে দেখালেন। তিনি তার হাত ধরে পানির উপর দিয়ে স্বচ্ছন্দে ওপারে চলে গেলেন। এতে ইহুদী পূর্বের তুলনায় আরো বেশী আশ্চার্যান্বিত হল। কিন্তু এবারও যখন হযরত ঈসা (আঃ) তাকে বললেন, যে আল্লাহ তোমাকে এতবড় অলৌকিক কান্ড দেখালেন তাঁর নামের কসম খেয়ে বলছি, তৃতীয় রুটি কোথায়? কিন্তু এবারও সে পূর্বের মতই জবাব দিল। বলল, আমি কিছুই জানিনা।

হযরত ঈসা (আঃ) বললেন, ঠিক আছে সামনে অগ্রসর হও। কিছুদূর যাওয়ার পর তিনি কতগুলো বালি একত্রিত করে সেগুলোকে লক্ষ্য করে বললেন, স্বর্ণে পরিণত হয়ে যাও। সাথে সাথে বালিগুলো সোনায় পরিণত হয়ে গেল। অতঃপর তিনি এগুলোকে তিনভাগে ভাগ করে বললেন, একভাগ তোমার, একভাগ আমার। আর তৃতীয় ভাগ ঐ ব্যক্তির যার নিকট তৃতীয় রুটি রয়েছে।

এবার ইহুদী স্বর্ণের লোভে সত্য কথা বলে দিল। বলল, তৃতীয় রুটি আমার কাছেই আছে। হযরত ঈসা (আঃ) তাকে বললেন, সত্য কথাই যখন বললে, তবে লও এই সকল সোনা তোমারই। একথা বলে তিনি সবগুলো স্বর্ণ তার হাতে সোপর্দ করে অন্যদিকে চলে গেলেন।

ঘটনাক্রমে সে পথে দুই ডাকাত কোথাও যাচ্ছিল। তারা স্বর্ণ নিয়ে এক ব্যক্তিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে অত্যন্ত আনন্দিত হল। ভাবলো, আজকে আর কষ্ট করে দূরে যেতে হলো না। এখানেই শিকার পাওয়া গেল।

তারা প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বর্ণের মালিক ইহুদীকে মেরে ফেলতে উদ্যত হলো এবং পরে যাবতীয় স্বর্ণ নিয়ে যাওয়ার মনস্থ করলো। কিন্তু ইহুদী অত্যন্ত কাকুতি মিনতি করে বললো, ভাই, তোমরা আমাকে হত্যা করো না। চল, আমরা তিনজনে এই স্বর্ণগুলো ভাগ করে নেই। তারা এ প্রস্তাবে রাজী হলো।

অতঃপর ইহুদীর পরামর্শক্রমে সেই দু'ডাকাতের একজন খাদ্য দ্রব্য ক্রয়ের উদ্দেশ্যে বাজারে গেল। সে বাজার থেকে ভাল ভাল খাবার ক্রয় করল। কিন্তু ফিরার পথে লোভ নামক মহা ব্যাধি তাকে আক্রান্ত করলো। চকচকে এই স্বর্ণের সবগুলো একাই পাওয়ার জন্য তার হৃদয় মন ব্যাকুল হয়ে উঠলো। এই স্বর্ণে অন্যেরা ভাগ বসাবে একথা কিছুতেই তার মন মেনে নিতে পারল না। তাই সে সিদ্ধান্ত নিল, যেভাবেই হোক তাদেরকে হত্যা করে যাবতীয় স্বর্ণের মালিক সে একাই হবে।

যা হোক, এ সিদ্ধান্তকে বাস্তবায়নের জন্য সে খাবারের সাথে বিষ মিশিয়ে দিল। ভাবলো, এ খাবার খেয়ে তারা মরে গেলে আমি স্বাচ্ছন্দে সবগুলি স্বর্ণ একাই লাভ করতে পারবো।

এদিকে স্বর্ণের কাছে রয়ে যাওয়া দুই ব্যক্তির মনেও লোভের তীব্র আকাঙখা জাগ্রত হলো। তারা পরামর্শ করলো, সে খাবার নিয়ে আসার সাথে সাথে আমরা তাকে হত্যা করে ফেলবো এবং তার স্বর্ণগুলোও আমরা দুজনে ভাগ করে নিব। একদিকে তারা খাবার নিয়ে আগমনকারী ব্যক্তিকে হত্যার উদ্দেশ্যে খঞ্জর হাতে নিয়ে সম্পূর্ণ প্রস্তুত; আর অন্যদিকে সেও বিষ মিশ্রিত খাবার খাওয়ায়ে তার দুই সাথীকে দুনিয়া থেকে চির বিদায় দিয়ে যাবতীয় স্বর্ণ লাভ করার অদম্য আগ্রহ ও লোভী মন নিয়ে সামনে অগ্রসর হচ্ছে।

যা হোক, লোকটি যখন খাবার নিয়ে তাদের নিকট উপস্থিত হল তখন পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুজন একত্রে হামলা করে তাকে হত্যা করে ফেলল। এবার তাদের খুশি দেখে কে? কারণ এখন তো যাবতীয় স্বর্ণ তাদের ভাগ্যেই জুটবে। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, বিষ মিশ্রিত খাবার খাওয়ার সাথে সাথে তারাও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল। আর স্বর্ণ তার আপন স্থানেই পড়ে রইল। অতি লোভের কারণে কারো ভাগ্যে স্বর্ণতো জুটলোই না উপরুন্তু সকলকে প্রাণও দিতে হল। তাই বলা হয়- লোভে পাপ পাপে মৃত্যু।

পরবর্তী সময়ে হযরত ঈসা (আ.) ঐ পথে যাওয়ার সময় দেখলেন, স্বর্ণগুলোর তিনদিকে তিনটি লাশ পড়ে আছে। লাশগুলি দেখে তিনি সবকিছুই বুঝতে পারলেন। তাই আপনা আপনিই তার মুখ থেকে বেরিয়ে এল "হে দুনিয়া! আফসোস! শত আফসোস তোমার জন্য তোমার লোভে পড়ে কত মানুষ তাদের জিন্দেগী বরবাদ করল!"

প্রিয় পাঠক! এ ঘটনা থেকে আমাদের এ শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত যে, অতি মাত্রায় ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার ধন-দৌলত কামাই করার বাসনা মানুষকে বরবাদ ও ধ্বংস করে ছাড়ে। তাই আল্লাহ আমাদেরকে যা কিছু দিয়েছেন তার উপর সন্তুষ্ট থেকে মৃত্যুর পরবর্তী জীবনের জন্য। সকলকেই তৈরী নেয়া উচিত।

31/07/2026

আল কুরআনের বাণী যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে ব্যয় করে আল্লাহ তাকে উত্তম বিনিময় দান করেন। তাই আল্লাহর পথে খরচ করলে খরচকারীরই উপকার হয়। তবে তা অবশ্যই ইখলাসের সঙ্গে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হতে হবে।
আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَ مَا تُنْفِقُوْا مِنْ خَیْرٍ فَلِاَنْفُسِكُمْ ؕ وَ مَا تُنْفِقُوْنَ اِلَّا ابْتِغَآءَ وَجْهِ اللّٰهِ ؕ وَ مَا تُنْفِقُوْا مِنْ خَیْرٍ یُّوَفَّ اِلَیْكُمْ وَ اَنْتُمْ لَا تُظْلَمُوْنَ.

“তোমরা যা কিছু (আল্লাহর পথে) ব্যয় করবে তা তোমাদেরই উপকারে লাগবে। তোমরা শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যেই ব্যয় করবে। তোমরা যা কিছু ব্যয় কর তার পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে, কম দেওয়া হবে না।” -সূরা বাক্বারা ২৭২

ভদ্রতা ও শিষ্টাচার

* বড়দেরকে সম্বোধন করার সময় শ্রদ্ধা প্রকাশক শব্দ ব্যবহার করা উচিত। যেমন- আব্বাজান, আম্মাজান, ভাইজান ইত্যাদি।

* সমবয়সীদের সঙ্গে কথা বলার সময়ও তাদের মর্যাদার প্রতি লক্ষ রাখা উচিত। যেমন, ভাই বলে সম্বোধন করা কিংবা যে নামে সম্বোধিত হতে সে পছন্দ করে সেই নামে তাকে সম্বোধন করা।

* সাধারণ পেশাজীবী মানুষদেরকেও তাচ্ছিল্য করা উচিত নয়; বরং তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা উচিত। যেমন, রিক্সাচালক বয়সে বড় হলে তাকে আপনি বলে সম্বোধন করা, সমবয়সী বা বয়সে ছোট হলেও তুই-তুকারি না করা।

* কাজের ছেলে-মেয়েদের প্রতিও সদয় ব্যবহার করা উচিত।

যে প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই জানতে হবে

প্রথম প্রশ্ন হল, তোমার রব কে?
এর উত্তর, আমার রব আল্লাহ।

দ্বিতীয় প্রশ্ন, তোমার দ্বীন কী?
এর উত্তর, আমার দ্বীন ইসলাম।

তৃতীয় প্রশ্ন, তোমাদের প্রতি যিনি প্রেরিত হয়েছেন তাঁর পরিচয় কী?
এর উত্তর, তিনি হলেন আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

আমাদের নবীজী

একদিন আমাদের নবীজী দেখতে পেলেন, একটি উট ক্ষুধার কারণে খুব কষ্ট পাচ্ছে। অনাহারে উটটির পেট পিঠের সঙ্গে লেগে গেছে। এ দৃশ্য দেখে রহমতের নবীর প্রাণ কেঁদে উঠল এবং তিনি উটের মালিককে ডেকে রাগতস্বরে বললেন, ‘তোমরা এই অবলা পশুগুলির ব্যাপারে আল্লাহর শাস্তিকে ভয় করবে। তোমরা এই পশুগুলিতে আরোহন করবে সেগুলো সুস্থ-সবল অবস্থায় এবং এগুলোকে ভক্ষণও করবে সুস্থ-সবল থাকা অবস্থায়।

অর্থাৎ পর্যাপ্ত খানাপিনা দিয়ে এদেরকে সুস্থ-সবল রাখতে হবে। আল্লাহ তাআলা এগুলোকে আমাদের উপকারের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তাই এগুলোকে ব্যবহার করা যাবে কিন্তু তাই বলে এগুলোর প্রতি অন্যায়-অবিচার করা যাবে না। পশু-পাখির প্রতি অবিচার করলে আশরাফুল মাখলুকাত মানুষকেও আল্লাহ তাআলা শাস্তি প্রদান করবেন।

31/07/2026

নির্জন ধ্যানমগ্নতার প্রচুর প্রভাব রয়েছে। অনেক মুমিন ব্যক্তি ধ্যানের এই প্রভাব অনুধাবন করতে পারে। মুমিন তখন তার অনেক অবৈধ কামনা ও বাসনা বর্জন করার ব্যাপারে প্রতিজ্ঞ হয়, আল্লাহর শাস্তির ভয়ে কিংবা তাঁর পক্ষ থেকে পুরস্কারের আশায় অথবা তার বড়ত্বের প্রতি অনুগত হয়ে। এভাবেই সে পূত-পবিত্র হয়ে ধূপদানিতে যেন এক 'হিন্দুস্তানি সুগন্ধি উদ'-এ পরিণত হয়। চারদিকে তার সুবাস ও সৌরভ ছড়িয়ে পড়ে। লোকজন তার ঘ্রাণ অনুভব করে- কিন্তু কেউ জানতে পারে না বস্তুটি কোথায়!

এভাবে গোনাহ বর্জনের প্রচেষ্টার পরিমাণ অনুপাতে প্রভুর প্রতি তার ভালোবাসাও বাড়তে থাকে। একই সাথে দুনিয়ার কোনো 'প্রিয়তম' কিংবা 'প্রিয়তমা'র আহ্বান উপেক্ষার কষ্টের পরিমাণ অনুযায়ী তার সম্পর্কের সুঘ্রাণ ছড়াতে থাকে।

Address

Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amol Corner posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share