Sadek Hossain

Sadek Hossain

Share

আমি একজন মুসলিম হিসেবে ইসলাম ধর্মকে সঠিক ভাবে জানার চেষ্টা করি।

13/09/2025

মানুষের ভয় কেবল মানুষ কে নিয়েই।

12/09/2025

“প্রত্যেকে নিজের মধ্যে ডুবে যাওয়া উচিত,
নিজের খোঁজে, হৃদয়ের গভীরে।
সেখানে কোনো ভয় বা সংশয় থাকে না,
এবং প্রতিটি মুহূর্ত প্রেমের আলো ঝলমল করে।

ভালোবাসা হলো সাগর, আর আমরা তার বিন্দু।
যে নিজেকে চিনে, সে স্বাধীন।
প্রতিটি বেদনা, প্রতিটি আনন্দ, প্রতিটি মুহূর্ত
আমাদের সত্যিকারের অস্তিত্বের দিকে নিয়ে যায়।

নেতা সেই, যে হৃদয়ের অন্ধকারে আলো দেখে,
যে নিজের অস্তিত্ব চিনে, সে সবকিছু চেনে।”

12/09/2025

“জ্ঞান মানুষকে স্বাধীন করে।”
আল্লামা ইকবাল

11/09/2025

"প্রত্যেকটা দীর্ঘ শ্বাসে হৃদয়ের টুকরো বেরিয়ে আসে"
মির্জা গালিব

15/05/2025

একজন মুসলিম এর আল্লাহ কে নিয়ে করা অভিযোগ তুলে ধরলাম। যার উপলব্ধিকৃত জ্ঞান আপনার ইমান কে মজমুত করার পাশাপাশি সমগ্র মুসলিম জাতি কে এক হতে সাহায্য করবে।

কেন আামি পরাজিতদের মত থাকবো, কেন আমি চাইবো না যা আমারও হতে পারতো আমি কেন ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাববো না, কেন অতীত এর পরাজয় নিয়ে শুধু শোক পালন করব। কেন বুলবুলের বিলাপ শুনবো,কেন নিশ্চুপ হয়ে থাকবো। আমার সাথী আমি তো কোন ফোল না যে চুপ করে থাকবো, আমার কবিতার জোর আমার বলতে সাহস দিচ্ছে, আমার ধ্বংস হোক আমার অভিযুক্ত আমার আল্লাহকে নিয়ে যা জবান দিয়ে আজ বের হচ্ছে। এটা সত্য যে, আমাদের প্রসিদ্ধি আমরা কর্মপরায়ণ এবং অনুগত, তবে এখন কষ্ট আর দুর্ভাগ্যের গল্প শোনাচ্ছি কারন আমরা নিপীড়িত আর নির্যাতিত। যদিও আমরা নিশ্চুপ আছি তবে আমাদের অভিযোগ আছে শোনাবার, যদি কোন অভিযোগ আমাদের ঠোঁটে এসে পাড়ি জমায়ও আমরা অক্ষম তা প্রকাশ করতে, আছে অনেক কিছু জানাবার। হে আমার খোদা, তোমায় নিয়ে আমার অভিযোগ। আমার খোদা তোমার অনুগত গোলামদের এই অভিযোগ শুনো, তোমার বান্দাদের সামান্য অভিযোগ তুমি শোনো।
তোমার অসীম অস্তিত্ব তো অনন্তকাল ধরেই মজুদ ছিল বাগানে ফুল ছিল তবে তার পবিত্র সৌরভ তখনো প্রকাশ পায়নি, আড়াল ছিল। ও বিশ্বজনীন দয়াময় ন্যায় বিচার তো তোমারই দেওয়া একটি শর্ত। কি ভাবে ফুলের সৌরভ ছড়াবে? যদি মিষ্টি মৃধু বাতাস এই ধরায় না থাকে। নিজেদের নিয়ে আত্মতুষ্টি আমাদের একমাত্র বিপদ ছিল। তা না হলে এই উম্মা আপনার মেহবুবের দিবাণী ছিল। আমাদের পূর্বে তোমার এ জাহানের মানজার আজব ছিল,কোথাও সেজদা হতো পাথরের আর কোথাও গাছ মাবুদ ছিল আর তোমার সৃষ্ট ইনসানদের উপলব্ধি তাদের সীমিত দৃষ্টি পর্যন্তই আটকে ছিল। তবে কেন কেউ অদৃশ্য খোদাকে বিশ্বাস করত, কিভাবে? সবার এই একই প্রশ্ন ছিল।
আপনি তো সবই জানেন, কেউ কি আপনার নাম নিতো ? মুসলমানদের বাহুর শক্তি আপনার কাজ করে দিয়েছে। হে খোদা এর পরেই পৃথিবী আপনার নাম নিলো।
এখানেই একসময় সেলযোগরা ছিল,তুরাণিরাও ছিল, চিনে আহলে চীনরা, আর ইরানে ছাছানিরা ছিল, আর অন্যত্র গ্রীকদের বাস ছিল , আপনার এই বিশাল দুনিয়ায় ইহুদীরাও তো ছিল, খ্রিস্টানরাও তো ছিল কিন্তু আপনার নামের পবিত্র তলোয়ার কারা উঠিয়েছিল? এই দূষিত পৃথিবীকে কারা আপনার নামে পুনর্নির্মাণ করেছিল? শুধু আমরাই ছিলাম আপনার যোদ্ধাদের মধ্যে। কখনো ভুমিতে লড়তাম আবার কখনো সমুদ্রে, কখনো আজান দিয়েছি ইউরোপের গির্জা থেকে আবার কখনো আফ্রিকার সে উত্তপ্ত মরুভূমিতে,কখনো রাজা-বাদশাদের ঝাক জমকের না তামান্না করতাম, তলোয়ারের ছায়ার নিচে আপনার কালিমা পড়তাম। আমরা বেঁচে থাকতাম শুধু যুদ্ধের মুসিবতের জন্য আর মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতাম আপনার নামের আজমতের জন্য, নিজেদের হুকুমতের জন্য কখনো তলোয়ার চালায়ই নি। আমরা কি নির্ভয়ে দেশ বিদেশ ঘুরেছি দৌলতের জন্য? যদি আমরা প্রাচুর্যের লোভী হতাম তাহলে মূর্তি কেন ভেঙেছি? মূর্তির বিক্রেতাই হতাম। যুদ্ধে দাঁড়িয়ে গেলে ময়দানে অনড় হয়ে যেতাম। সিংহ তো ময়দান ছেড়ে পালাতো, আমরা দেখতাম। আপনার বিরুদ্ধে কে বিদ্রোহ করলে আমরা ক্রুধ্য হয়ে যেতাম, তলোয়ার তো ছিলই আমরা কামানের সাথেও লড়তে যেতাম। তাওহীদের ছবি প্রত্যেক হৃদয়ে বসিয়েছি আমাদের হাতের খঞ্জর দিয়েও এ বার্তা পৌঁছেয়িছি। আপনিই বলুন কে খাইবারের ফটোক উপরে ফেলেছিল যা কাইস্যারের ছিল। সেই শহর আপনার জন্য কারা বিজয় করেছিল, সেই সৃষ্ট মিথ্যা খোদাদের কারা ধ্বংস করেছিল, আপনার দুশমনদের বাহিনীদের কারা পরাজিত করেছিল, ইরানের অভিম মন্দিরের উত্তপ্ত আগুনকে কারা ঠান্ডা করেছিল, কে আবার ইয়াজদানকে মনে করিয়ে দিয়েছিল, কোন সে জাতি যারা আপনার অন্যেসে ছিল, আপনার জন্য কারা সকল মুশকিল কে মাথায় নিয়েছিল, কাদের বিশ্বজয়ী তলোয়ার বিশ্ব শাসন করেছিল, কাদের তাকবীরে বিশ্ব আলোকিত হয়েছিল, কাদের ভয়ে জমিনি খোদাদের মুর্তি গুলো শঙ্কিত থাকতো, মুখের উপর পড়ে তাড়া হু আল্লাহু আহাদ বলতো। যদি যুদ্ধের ময়দানেও বলা হতো নামাজ কেবলামুখী হয়ে জমিনে সেজদায় পড়ে যেত কওমে হিজাজ। একই কাতারে দাঁড়িয়ে যেত মাহমুদ আর আয়াজ, না থাকলো কোন মুনিব না কেউ গোলাম ছিল আজ, গোলাম আর মনিব ধনি আর গরিব মিশে একাকার আপনার শাহী দরবারে হাজির হয়ে সবাই এক আর একই আওয়াজ। সারা বিশ্বময় আমরা অবিরাম ঘুরে ফিরেছি মদের পেয়ালার মত তাওহীদ নিয়ে আমরা সবখানে ঘোরেছি, আপনার বার্তা নিয়ে পর্বত আর সাহারাতে গিয়েছি, আপনি তো জানেন কখনো ফিরেছি ব্যর্থ হয়ে, মরুভূমি তো মরুভূমি আমরা সাগরকেও ছাড়িনি, সমুদ্রের অন্ধকারে উঠিয়ে দিয়েছি গোর ছাওয়ার কে, পৃথিবীর উপর থেকে বাতিলকে আমরা মিটিয়ে দিয়েছি, মানব জাতিকে দাসত্বের শিকল থেকে আমরা মুক্ত করেছি, আপনার কাবা কে সেজদায় পূর্ণ আমরা করেছি, আপনার কোরআনকে সিনার সাথে আমরা লাগিয়েছি, তারপরও আমাদের নিয়ে অভিযোগ আমরা অনুগত নই, আমরা অনুগত না কিন্তু আপনিও তো সেই দয়াময় না। উম্মা তো আরো আছে তাদের মধ্যে গুনাগারও আছে তাদের মধ্যে বিনয়ী আছে, আছে অহংকারী ব্যক্তিও তাদের মধ্যে অলস আছে গাফেল আছে হুশিয়ার ব্যক্তি ও আছে এমন হাজারও আছে যারা আপনার নামের উপর বিরাগ, অথচ আপনার রহমত হয় তাদের ঘরে তাদের উপর, আর বাজ পড়ে ত বেসাহারা আমরা মুসলমানদের উপর, মন্দিরের মূর্তিগুলো এখন বলছে মুসলমান শেষ, তারা আজ খুশি যে, কাবার পাহারাদার শেষ, যাদের কোরআন হাতে তারা আজ শেষ, কুফুর আজ তামাশা করছে, হে খোদা আপনি কি দেখছেন, না দেখছেন না, তবে কি সত্যিই সব শেষ, খোদা আপনার তাওহীদেরও কি আপনি পরোয়া করেন না এই অভিযোগ এইজন্য নয় যে, তাদের ভরপুর খাজানা, কেন আপনার আগের সেই অনুগ্রহ নেই, কি হয়েছে আগের সেই দয়া থেকে বঞ্চিত, আজ কোন কিছুই আগের মতো নেই। আপনার কুদরত তো এমন যার না কোন সীমা আছে না হিসাব। আপনি চাইলে তো মরুভূমির বুক চিরে প্রস্রবণ ও জেগে ওঠে।
এখন এই দুনিয়া অন্যের প্রিয়তম আর আমাদের জন্য রয়ে গেছে এক খেয়ালি দুনিয়া। আমরা তো এখন অতীত হয়েছি অন্যরা এখন এর দায়িত্ব নিয়েছি। আবার যেন আপনি বলবেন না যে, তাওহীদ থেকে এই দুনিয়া খালি হয়েছে, আমরা তো বেঁচে থাকি যেন দুনিয়াতে আপনার নাম বাকি থাকে। এটাও কি সম্ভব যে মদ পরিবেশকরা নেই অথচ মদের পেয়ালা আছে।
সংগীত অস্থির হয়ে আছে তার থেকে বের হবার অপেক্ষায়, সৌরভ অস্থির হয়ে আছে ফুল ফুটার অপেক্ষায়, তুর অধীর হয়ে আছে আবার আগুনে পোড়ার জন্য, দুর্লভ ভালবাসাকে প্রতুল করে দাও সবার বেচা কেনার জন্য, গোলাপের সৌরভ তার বাগানের রহস্যকে বাহিরে প্রকাশ করেছে, কি কেয়ামত বাগানের ফুল তার বাগানের বিশ্বাসঘাতক হয়েছে। ঘুমন্ত হৃদয় আবার জেগে উঠোক মৃত হৃদয় আবার জীবিত হোক, করুক নতুন চুক্তি নতুন অঙ্গীকার হয়তো আবার এই নতুন হৃদয় গুলো সেই পুরনো মদের তৃষ্ণা পাবে, আমার পেয়ালা হয়তো আজমের কিন্তু আমার মদ সেই হিজাজের, আমার সংগীত হয়তো হিন্দের
তবে আমার সুর হিজাজের।

অভিযোগকারি ও লেখক : আল্লামা ইকবাল

বি.দ্র: খোব শীঘ্রই অভিযোগের জবাব পোষ্ট করা হবে।

15/12/2024

আল্লাহর কাছে কোটি কোটি শুকরিয়া যে আল্লাহ আমাকে মুসলিমদের একজন করে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Chaitankanda, Araihazar, Narayanganj
Dhaka