Sex education মানেই নগ্নতা নয় (যৌন শিক্ষা)

Sex education মানেই নগ্নতা নয় (যৌন শিক্ষা)

Share

Health and Sex Tips (Male / Female)
Do you have any problem in your body/sex life? inbox us.we will hide your name. Thank you

Please like/comment our post for appreciate us. This is not porn page.So please don't post/comment with bad word.Hope you'll respect each other.which are don't choose,then please leave silently.But please don't be make any noise.Hope we will be help each other with tips/knowledge.

29/08/2025

ঐতিহ্যগতভাবে, বিরিয়ানির হাঁড়ির ওপর লাল কাপড় ব্যবহার করা হয় পরিবেশনের আগে হাঁড়ির মধ্যে তাপ ধরে রাখার জন্য। বিরিয়ানিকে দমে রান্না করা হয়, যার জন্য প্রয়োজন হয় তাপ ধরে রাখা। লাল কাপড় তাপ ধরে রাখতে সাহায্য করে, এবং দীর্ঘ সময় ধরে বিরিয়ানিকে গরম রাখে।
এছাড়াও, এর একটি নান্দনিক বা প্রতীকী কারণও আছে। লাল রং আভিজাত্য, জাঁকজমক এবং উৎসবের প্রতীক। তাই ঐতিহ্যগতভাবে এই লাল কাপড় ব্যবহার করা হয় যেন খাবারটি দেখতে আরও আকর্ষণীয় ও রাজকীয় লাগে। অনেক সময়, এই লাল কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় যেন বিরিয়ানির সুঘ্রাণ বাইরে না ছড়িয়ে যায় এবং পরিবেশনের সময় ঢাকনা খোলার পর সেই সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।

28/08/2025

থাইরয়েড নিয়ে কিছু কথা:-

থাইরয়েড দুই প্রকার হয়। হাইপো ও হাইপার। এটি এমন একটি সমস্যা, যেটা বাইরে থেকে দেখা যায় না, কিন্তু ভেতর থেকে জীবনটাকে নষ্ট করে দেয়। ঘন ঘন মুড সুইং হয়, হঠাৎ করেই মানুষ রেগে যায়।
শরীরে অনেক ক্লান্তি থাকে অথচ ঘুম ঠিকমতো হয় না। অনেক সময় মাথা ঘোরায়, হাত পা থর থর করে কেঁপে উঠে। চোখে অন্ধকার দেখা, শরীরে হুটহাট ব্যাথা অনুভব করা। মাথা কাজ করে না, ভুলে যাওয়া, এক রকম উপস্বর্গ দেখা দেয়। কখনও ওজন বাড়ে, আবার কমে। খাওয়ার অভ্যাসেও পরিবর্তন আসে।
চুল পড়ে, ত্বক শুকিয়ে যায়, কিন্তু সবাই ভাবে হয়তো নিজের যত্ন নেয়া হচ্ছেনা।
মন খারাপ থাকে, কিছুতেই আনন্দ লাগে না, কিন্তু কেউ ভাবে না এটা হরমোনাল ইম্বব‍্যালেন্স কারণেও হতে পারে।
অন্যরা ভাবে “অলস”, অথচ প্রতিদিন নিজের শরীরের বিরুদ্ধে কতটা লড়াই করে চলতে হয়।
যাদের থাইরয়েডের সমস্যা নেই সেই মানুষ গুলো সামাজিকভাবে বুঝতে পারে না বা বুঝতে চায় না যে এটা কতটা কষ্টদায়ক। তারা ভাবে,
“হাঁটা চলা, খাওয়া দাওয়া সবইতো ঠিকঠাক আছে!!!
“তোমার কষ্ট কিসের?”
“কম খাও, বেশি হাঁটো, সব ঠিক হয়ে যাবে!”
এরা জানে না যে, হাইপোথাইরয়েডিজমে মেটাবলিজম স্লো হয়ে যায়, ঘুমের চক্র নষ্ট হয়ে যায়, এমনকি মনের শক্তিও কমে যায়।।
এটা ঠিক যে, বাইরে থেকে মানুষ না বুঝলেও, হাজার হাজার মানুষ এই অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য যে- বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে থাইরয়েডের রোগী যে পরিবারে থাকে সেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কাউন্সিলিং করানো হয়। রোগীর সাথে কেমন আচরন করলে তারা স্বাভাবিক থাকবে সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়। কি খেতে পারবে কি খাবে না সব॥অথচ আমাদের বাঙ্গালী বেশীরভাগ পরিবারই এই মুডসুইং,ডিপ্রেশনকে ঢং বলে উড়িয়ে দেয়, মানুষ না জেনে নানান ভাবে জাজ করে।এরজন‍্য রোগীর আশেপাশের শুভাকাঙ্খী এবং পরিবার পরিজন সবার সচেতনতা দরকার ॥




23/08/2025

মানবদেহ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
১। হাড় সংখ্যা - ২০৬
২। পেশী সংখ্যা - ৬৩৯
৩। কিডনি সংখ্যা - ২
৪। দুধ দাঁতের সংখ্যা - ২০
৫। পাঁজড় সংখ্যা - ২৪ (১২ জোড়া)
৬। হৃদয়ের চেম্বার সংখ্যা - ৪
৭। স্বাভাবিক রক্তচাপ - ১২০/৮০
৮। রক্তের PH - ৭.৪
৯। মেরুদন্ড মেরুদন্ডের সংখ্যা - ৩৩
১০। নেক মধ্যে সংখ্যা - ৭ টি
১১। মাঝারি কানের হাড়ের সংখ্যা - ৬
১২। মুখে হাড় #সংখ্যা - ১৪
১৩। স্কাল মধ্যে হাড় সংখ্যা - ২২
১৪। বুকে হাড় সংখ্যা - ২৫
১৫। অস্ত্র হাড় সংখ্যা - ৬
১৬। মানুষের প্রতিটি কানের ভিতরে ৩টি করে হাড় থাকে। এগুলোর নাম হলঃ ম্যালিয়াস, ইনকাস, স্টেপিস (কানের বাহির থেকে ভিতরের দিকে সিরিয়াল অনুযায়ী। মনে রাখার সূত্র: MIS।)
২ কানে মোট ৬ টি হাড় থাকে। এগুলোর মধ্যে স্টেপিস হল মানব দেহের ক্ষুদ্রতম হাড়।
১৭। মানুষের বাহুতে পেশীর সংখ্যা - ৭২
১৮। হৃদয়ের পাম্প সংখ্যা - ২
১৯। বৃহত্তম #অঙ্গ - চামড়া
২০। বৃহত্তম গ্রান্তি - লিভার
২১। ছোট কোষ - রক্তের কোষ
২২। বৃহত্তম #কোষ - ডিম সেল (ডিম্ব)
২৩। ছোট হাড় - স্ট্যাপ
২৪। সর্বাধিক #ধমনী - বারোটাবারোটা
২৫। আমাদের দেহের রক্তে একটি সমুদ্রের সম পরিমাণ লবন রয়েছে।
২৬। দৈনিক আমাদের হৃদপিণ্ড ১০০বার করে আমাদের দেহে রক্ত ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্রবাহিত করে।
২৭। আমাদের চোখের একটি পাপড়ি ১৫০ দিন বেঁচে থাকে। এর পর নিজে থেকেই ঝড়ে পড়ে।
২৮। আমাদের চোখের ওপর ভ্রুতে তে ৫০০ টি লোম আছে।
২৯। ১০০ বিলিয়ন এর অদিক নার্ভ সেল নিয়ে আমাদের দেহ গঠিত।
৩০। মানুষ চোখ খুলে হাঁচি দিতে পারেনা।
৩১। পাথর থেকে মানুষের দেহের হাড় ৪ গুণ বেশি শক্তিশালী।
৩২। আমরা যখন খাবার খাই আমাদের মুখে সে খাবারের স্বাদ ১০ দিন পর্যন্ত থাকে।
৩৩। মানুষ হাঁটুর ক্যাপ ছাড়া জন্মগ্রহণ করে এবং তা ২ থেকে ৬ বছর পর্যন্ত দেখা যায়না।
৩৪। মানব শিশু বসন্ত কালে দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
৩৫। আমাদের চোখ সবসময় একই রকম থাকে কিন্তু কান ও নাক বৃদ্ধি পাওয়া কখনোই থেমে থাকেনা।
৩৬। আমরা জন্মগ্রহণ করি ৩০০ হাড় নিয়ে কিন্তু প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর আমাদের দেহে ২০৬ টি হাড় থাকে।
৩৬। আমাদের মাথার খুলি ২৬ ধরণের ভিন্ন ভিন্ন হাড় দিয়ে তৈরি।
৩৮। আমাদের হাতের নখে যেই পদার্থ আছে ঠিক সেই পদার্থ দিয়ে আমাদের চুল তৈরি হয়ে থাকে, ফলে হাত এবং চুল উভয়ই একই জিনিস তবে দুইটির ঘনত্ব আলাদা।
৩৯। অবাক হবেন না, আমরা যখন হাঁচি দেই তখন আমাদের শরীরের

23/08/2025

🩺 রোগ অনুযায়ী কোন ডাক্তার দেখাবেন

🔹 মাথা, মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর সমস্যা

মাথা ব্যথা, খিঁচুনি, পক্ষাঘাত, স্নায়ুর ব্যথা → নিউরোলজিস্ট (Neurologist)

মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচার, টিউমার → নিউরোসার্জন (Neurosurgeon)

---

🔹 চোখের সমস্যা

চোখের ঝাপসা, লাল হওয়া, ছানি, গ্লুকোমা → চক্ষু বিশেষজ্ঞ (Ophthalmologist)

---

🔹 কান, নাক ও গলার সমস্যা

কানে কম শোনা, কানে পুঁজ পড়া, টনসিল, সাইনাস, নাক দিয়ে রক্ত পড়া → ইএনটি বিশেষজ্ঞ (ENT Specialist)

---

🔹 দাঁত ও মুখের সমস্যা

দাঁতের ব্যথা, মাড়ির সমস্যা, দাঁত তোলা/ব্রেস → ডেন্টিস্ট (Dentist)

---

🔹 হৃদরোগ ও রক্তচাপ

বুক ধড়ফড়, হার্ট ব্লক, হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ/নিম্ন রক্তচাপ → কার্ডিওলজিস্ট (Cardiologist)

হার্টের অপারেশন লাগলে → কার্ডিয়াক সার্জন (Cardiac Surgeon)

---

🔹 শ্বাসকষ্ট / ফুসফুস

হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, কাশি, যক্ষ্মা → মেডিসিন / চেস্ট বিশেষজ্ঞ (Pulmonologist)

---

🔹 পেট ও হজমের সমস্যা

গ্যাস্ট্রিক, পেট ব্যথা, লিভারের সমস্যা, আলসার → গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট (Gastroenterologist)

---

🔹 কিডনি / প্রস্রাবের সমস্যা

কিডনির পাথর, প্রস্রাবে জ্বালা, ইউরিন ইনফেকশন → নেফ্রোলজিস্ট (Nephrologist)

অপারেশন লাগলে → ইউরোলজিস্ট (Urologist)

---

🔹 হাড়, জয়েন্ট ও মেরুদণ্ড

কোমর ব্যথা, হাঁটু ব্যথা, হাড় ভাঙা, বাত → অর্থোপেডিক সার্জন (Orthopedic Doctor)

---

🔹 ত্বক ও যৌন রোগ

চুলকানি, চুল পড়া, ফুসকুড়ি, যৌন রোগ → ডার্মাটোলজিস্ট (Skin & VD Specialist)

---

🔹 নারী রোগ

মাসিকের সমস্যা, গর্ভাবস্থা, সন্তান জন্ম → গাইনোকলজিস্ট (Gynecologist & Obstetrician)

---

🔹 শিশু রোগ

শিশুদের জ্বর, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া → পেডিয়াট্রিশিয়ান (Child Specialist)

---

🔹 মানসিক রোগ

দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশন, ঘুম না আসা, সিজোফ্রেনিয়া → সাইকিয়াট্রিস্ট (Psychiatrist)

---

🔹 সাধারণ অসুখ

সর্দি, কাশি, জ্বর, ডায়রিয়া, শরীর ব্যথা → মেডিসিন বিশেষজ্ঞ (Medicine Specialist)

জরুরি বা ছোটখাটো সমস্যা → MBBS ডাক্তার (General Physician)

18/08/2025

একতরফা বন্ধুত্ব বেশি দিন টেকে না। আপনার বন্ধু যদি আপনাকে নিজের বন্ধু মনে না করেন, তাহলে তাঁর আচরণ আপনার মনে কষ্ট দেবে। তাই একতরফা বন্ধুত্ব চিনে তা থেকে সরে আসাই বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করেন মার্কিন স্নায়ুবিজ্ঞানী ও চিকিৎসক সানাম হাফিজ। একতরফা বন্ধুত্বের ১২টি লক্ষণ উল্লেখ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান কমপ্রিহেন্ড দ্য মাইন্ডের এই পরিচালক।
লক্ষণগুলো হলো:

১। সব সময় আপনিই তাঁকে ফোন করেন। তিনি নিজে কখনোই আপনার খোঁজ নেন না।

২। দেখা করার উদ্যোগটা সব সময় আপনিই নেন।

৩। আপনি তাঁর জন্মদিন বা যেকোনো বিশেষ দিন মনে রাখলেও, তিনি আপনারটা মনে রাখেন না।

৪। সাধারণ একটা মেসেজের জবাব দিতেও তিনি অনেক সময় নেন।

৫। মাঝেমধ্যে তিনি একেবারে উধাও হয়ে যান। কিছুদিন পর এমনভাবে ফিরে আসেন, যেন কিছুই হয়নি।

৬। আপনার সাফল্যে তিনি আন্তরিকভাবে খুশি হন না।

৭। প্রয়োজন ছাড়া যোগাযোগ করেন না।

৮। প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা পালন করেন না।

৯। আপনার ব্যক্তিগত জীবন বা কাজের খোঁজ নেন না।

১০। তাঁর সঙ্গে সময় কাটালে আপনি আনন্দিত না বরং ক্লান্ত বোধ করেন।

১১।আপনি তাঁর সঙ্গে খোলামেলা কথা বলতে ভয় পান।

.১২। উপকার করলে, তার কৃতজ্ঞতা বা উপকার ফেরত পাওয়ার আশা করতে পারেন না।

**ওপরের প্রায় সব লক্ষণই কি মিলে গেছে?

উত্তর ‘হ্যাঁ’ হলে যা করতে পারেন—

নিজে থেকে ফোন বা মেসেজ দেওয়া কমিয়ে দিন এবং দেখুন বন্ধুটি উদ্যোগ নেয় কি না।

দেখার করার উদ্যোগ নেওয়া বন্ধ করুন। বন্ধুকে বলুন, তুমি যেদিন দেখা করতে চাইবে, সেদিন দেখা হবে। এরপর অপেক্ষা করুন। তিনি উদ্যোগ নিলে নেবেন, না নিলে দুঃখ পাওয়ার কিছু নেই।

তিনি আপনার জন্মদিন বা বিশেষ কোনো দিন মনে না রাখলে তাঁকে আগে থেকেই জানিয়ে দিন যে আপনার বিশেষ দিনটি সামনেই আসছে। এরপরও তিনি যদি কোনো উদ্যোগ না নেন বা আপনাকে সামান্য শুভেচ্ছা না জানান, তাহলে এমন বন্ধুত্ব না থাকাই ভালো।

তাঁর ছোটখাটো প্রয়োজনে পাশে থাকা কমিয়ে দিন। একদিন তাঁকে ‘না’ বলেন দেখুন। এরপর তাঁর আচরণ লক্ষ করুন। তিনি যদি দূরে সরে যান, তাহলে বুঝে নেবেন তিনি আপনাকে বন্ধু মনে করেন না। এমন একতরফা বন্ধুত্ব থেকে নিজেই সরে আসুন।

16/08/2025

পেঁপের 12 স্বাস্থ্য উপকারিতা

হজমের স্বাস্থ্য: পেপেন এনজাইমের উপস্থিতির কারণে হজমে সাহায্য করার ক্ষমতার জন্য পেঁপে বিখ্যাত। এই এনজাইম প্রোটিন ভেঙ্গে ফেলতে সাহায্য করে, ফুলে যাওয়ার সম্ভাবনা কমায়, কোষ্ঠকাঠিন্য, এবং অন্যান্য গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা।

ইমিউন সিস্টেম সাপোর্ট: পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। এই ভিটামিনটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে, শরীরের সংক্রমণ এবং অসুস্থতার বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা বাড়ায়।

অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য: পেঁপেতে রয়েছে অনন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যেমন লাইকোপিন এবং বিটা-ক্যারোটিন, যা শক্তিশালী প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। এই বৈশিষ্ট্যটি দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনক অবস্থার সাথে যুক্ত লক্ষণগুলি উপশম করতে সহায়তা করতে পারে।

কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য: পেঁপের ফাইবারের সংমিশ্রণ, পটাসিয়াম, এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে, সর্বোত্তম রক্তচাপের মাত্রা বজায় রাখতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ: গবেষণায় দেখা গেছে যে ক্যারোটিনয়েড এবং ফ্ল্যাভোনয়েড সহ পেঁপেতে থাকা ফাইটোকেমিক্যালগুলি ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করার বৈশিষ্ট্য ধারণ করতে পারে, সম্ভাব্যভাবে নির্দিষ্ট ধরণের ক্যান্সারের সম্ভাবনা হ্রাস করে।

ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনা: পেঁপে ডায়াবেটিসের জন্য ভালো। এটির কম গ্লাইসেমিক সূচক রয়েছে, এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য একটি উপযুক্ত ফল করে তোলে। উচ্চ ফাইবার সামগ্রী রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।

ত্বকের স্বাস্থ্য: পেঁপেতে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং এ অবদান রাখে সুস্থ ত্বক কোলাজেন উত্পাদন প্রচার করে। এগুলি সূক্ষ্ম রেখা এবং বলিরেখার বিকাশও হ্রাস করে এবং সূর্যের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

ক্ষত নিরাময়: পেঁপেতে পাওয়া এনজাইম Papain এর ক্ষত নিরাময়ের বৈশিষ্ট্য দেখানো হয়েছে। এই এনজাইম ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু মেরামত করতে সাহায্য করে এবং দ্রুত পুনরুদ্ধারের প্রচার করে।

চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি: পেঁপেতে থাকা ক্যারোটিনয়েড (লুটেইন এবং জেক্সানথিন) চোখকে বয়স-সম্পর্কিত ম্যাকুলার অবক্ষয় এবং ছানি থেকে রক্ষা করতে পারে।

হাড় স্বাস্থ্য: পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন কে রয়েছে। এই দুটি পুষ্টিই শক্তিশালী, সুস্থ হাড় বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্ব

15/08/2025

পেপে খাওয়ার উপকারিতা : ১
পেঁপে একটি পুষ্টিকর ফল, যাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি হজমশক্তি বাড়াতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে এবং ত্বক ও চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। পেঁপেতে ক্যালোরি ও ফ্যাট কম থাকে, তাই ওজন কমাতেও এটি সহায়ক।

পেঁপের প্রধান পুষ্টি উপাদানগুলো হলো:

ভিটামিন এ:

চোখের স্বাস্থ্য এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

ভিটামিন সি:

একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

ভিটামিন বি৯ (ফোলেট):

কোষের বৃদ্ধি ও উন্নয়নে সাহায্য করে।

ফাইবার:

হজমক্ষমতা বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।

প্যাপেইন:

একটি প্রোটিওলাইটিক এনজাইম যা প্রোটিন হজমে সাহায্য করে।

13/08/2025

কাঠবাদামের যত উপকারিতা-

খাবার হিসেবে কাঠবাদামের জনপ্রিয়তা দিনদিন বেড়েই চলেছে। অবশ্য এর পেছনে যুক্তিসঙ্গত কারণও রয়েছে। এ প্রসঙ্গে ইউনিভার্সিটি অব আলাবামার ডিপার্টমেন্ট অব হিউম্যান নিউট্রিশন অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক ক্রিস্টি ক্রো-হোয়াইট বলেন, ‘কাঠবাদাম হলো একটি ফ্যান্টাসটিক সুপার ফুড, যেখানে ১০টিরও বেশি ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্টস ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস রয়েছে। এসব পুষ্টি হার্ট ও রক্তনালীর স্বাস্থ্যকে উন্নত করে।’

আসুন জেনে নেই কাঠ বাদামের উপকারিতা সর্ম্পকে –

কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে:
শরীরে বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় বাদাম। প্রতিদিনের ডায়েটে বাদামের অন্তর্ভুক্ত করলে হার্টের স্বাস্থ্য নিয়ে আর চিন্তায় থাকতে হবে না। আসলে বাদামে উপস্থিত বেশ কিছু কার্যকরী উপাদান শরীরে অন্দরে ভাল কোলেস্টরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। এছাড়া বাদামে প্রচুর পরিমাণ মনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, থাকে ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিডও। কিন্তু কোনওরকম ট্রান্স ফ্যাট থাকে না। ফলে হার্ট অ্যাটাক কিংবা স্ট্রোকেরও আশঙ্কা কম থাকে।

হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে:
গবেষণায় দেখা গেছে, বাদামে উপস্থিত ফসফরাস শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু কাজ করে যার প্রভাবে হাড়ের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। তাই প্রতিদিন বাদাম খাওয়া শুরু করলে হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম থাকবে।

মস্তিস্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়:
আমেরিকার অ্যান্ড্রস ইউনিভার্সিটির গবেষকদের করা এক পরীক্ষায় দেখা গেছে বাদামে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই পরীক্ষার আগে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ম করে বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়:
বাদামে রয়েছে প্রায় ৩.৫ গ্রাম ফাইবার, ৬ গ্রাম প্রোটিন, ১৪ গ্রাম ফ্যাট সহ ভিটামিন ই, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন বি২, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম। এই সবকটি উপাদানই শরীরকে সুস্থ রাখতে বিশেষ প্রয়োজনে লাগে।

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে:
পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলেন, বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই মৌল। তাই ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ সঠিক থাকলে ইনসুলিনের সঠিক কার্যকলাপ বজায় থাকে।

ওজন নিয়ন্ত্রণের সহায়ক:
বাদাম খাওয়ার পর ক্ষিদে একেবারে কমে যায়।

12/08/2025
09/08/2025

#মাসিক পিরিয়ড সমস্যা: ০২....
রোগীর লক্ষণ : ডিসমেনোরিয়া ব্যথার একটি নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা অন্য রোগের ব্যথা থেকে আলাদা। এই ব্যথা মাসিক শুরু হবার কয়েক ঘণ্টা আগে শুরু হয় ও ১২ থেকে ১৪ ঘন্টা স্থায়ী হয়। কখনও পুরো একদিনও স্থায়ী হতে পারে। ব্যথা প্রথমে পেটের দিকে থাকে এবং পরে উরুর ভিতরের দিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ব্যথার তীব্রতায় চেহারা ফ্যাকাসে দেখায়, ঘাম নির্গত হয়। বমি বমি ভাব তীব্র ব্যথায় বমি অবশ্যই হবে। পাতলা পায়খানাও হতে পারে। কখনও কখনও পায়খানা/প্রস্রাব করতে কষ্ট হতে পারে। প্রতিরোধ : ১. স্বাস্থ্যহীনতা ভগ্নস্বাস্থ্য বা অপুষ্টির শিকার হয়ে থাকলে তা দূর করা হবে। ২. বিষণ্ণতায় মানসিক কষ্ট, কুসংস্কার, ভুল ধারণা দূর করতে হবে। ৩. আক্রান্ত তরুণীদের বোঝাতে হবে যে মাসিক বা ঋতুস্রাব কোন রোগ নয় বরং প্রত্যেক নারীরই শরীরবৃত্তিক প্রক্রিয়া। ৪. ঘরে-বাইরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দূর করতে হবে। চিকিৎসা : মাসিক শুরু হলে ও স্বল্প ব্যথা হলে রোগীকে বুঝিয়ে আশ্বস্ত করতে হবে। উপশম না হলে প্যারাসিটামল বা এসপিরিন বড়ি, বেশি ব্যথায় আইবোপ্রতফেন সাথে এনাস্লোজমোডিফ ট্যাবলেট খেতে দিতে হবে। তীব্র ব্যথায় প্রয়োজনে ইনজেকশন প্রয়োগ করা যেতে পারে। এ ধরনের চিকিৎসায় কাজ না হলে জন্মনিয়ন্ত্রণ জাতীয় বড়ির ব্যবহারে এক্ষেত্রে ভাল কাজ করবে। তবে ডিসমেনোরিয়া স্থায়ী সমাধান হলে বিয়ে এবং সন্তান প্রসবের পর এ সমস্যা আর থাকে না। তবে দাম্পত্য জীবন অসুখী হলে এই সমস্যা থেকে যেতে পারে। এতসব ব্যবস্থার পর যদি সমস্যা থেকেই যায় ওষুধের পাশাপাশি সার্জিকেল ট্রিটমেন্টেরও প্রয়োজন হতে পারে- সম্পূর্ণ যন্ত্রণামুক্ত হবার জন্য। দ্বিতীয় আরেকটি সমস্যার কথা বলবো আর তাহল অনিয়মিত পিরিয়ড- এই সমস্যাটিকে অনেক নারী গুরুত্বের সাথে নেন না। কিন্তু অনেক সময় পলিসিসটিক ও ভারী সিনট্রামের জন্য পিরিয়ড অনিয়মমত হতে পারে অথবা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। একমাসে একাধিক মাসিক হতে পারে। ক্রমাগত বিল্ডিংয়ের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাছাড়া ওজন বেড়ে যাওয়া, শরীরের বিভিন্ন স্থানে অবাঞ্ছিত লোম দেখা দিতে পারে। মনের অস্থিরতা হতে পারে। প্রেগনেন্ট অবস্থায় অনিয়মিত ঋতুচক্র ক্ষতিকারক এমনকি গর্ভপাতও হতে পারে। তাই এ সময়ে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। জীবন ধারার পরিবর্তন আনতে পারেন উপরিল্লিখিত সিনড্রোমকে প্রতিরোধ করার জন্য। সুষম ডায়েট ও এক্সারসাইজ খুব জরুরি বিধান। পলিসিমটি ওভারি সিনড্রোম চিকিৎসায় করতে হবে।

09/08/2025

#মাসিক পিরিয়ড সমস্যা::০১...
বয়ঃসন্ধিকালে তথা যৌবন আগমনের শুরুতে প্রত্যেক নারীরই মাসিক বা ঋতুস্রাব হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই মাসিক সবার ক্ষেত্রে নিয়মমত নাও হতে পারে। আবার নিয়মিত হলেও সমস্যাযুক্ত হতে পারে। আমাদের আজকের এই ফার্স্ট লাইফে স্টেস বা টেনশন জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলশ্রুতিতে প্রবল স্নায়ু চাপ, হরমোনের অসমতা ইত্যাদির ফলে মহিলাদের মাসিক সংক্রান্ত বিবিধ সমস্যার প্রকোপ আগের তুলনায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজকের আলোচনায় তাই মাসিক সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যায় কারণ ও প্রতিকারের আলোচনা করার চেষ্টা থাকবে। প্রথমেই আলোচনা করছি যন্ত্রণাদায়ক মাসিক বা ঋতুস্রাব নিয়ে। এ ধরনের সমস্যাকে ডাক্তারী পরিভাষায় ডিসমেনোরিয়ার বলা হয়। শতকরা ৫০ থেকে ৭০ ভাগ মহিলার যন্ত্রণাদায়ক ঋতুস্রাব বা ডিসমেনোরিয়ার সমস্যা হতে পারে। পৃথিবীব্যাপী তরুণীদের এটি একটি প্রধান সমস্যা। ডিসমেনোরিয়া সমস্যাকে সাধারণত দু'ভাগে ভাগ করা যায় ১. প্রাইমারী ২. সেকেন্ডারি। প্রাইমারী ডিসমেনোরিয়া সাধারণত মেয়েদের প্রথম মাসিকের দু'তিন বছর পর শুরু হয়। ১৫-২৫ বছর বয়সের মেয়েদেরই সাধারণত এই সমস্যা বেশি হয়ে থাকে। ২৫ বছরের পর থেকে এ সমস্যা কমে আসতে শুরু করে। বিশেষ করে বিয়ের পর সাধারণত এই সমস্যা আর দেখা যায় না। প্রাইমারি ডিসমেনোরিয়া সত্যিকার কারণ আজো নির্ণয় করা যায়নি তবে এর সাথে যুক্তিযুক্ত কিছু সমস্যার সহাবস্থান বের করা সম্ভব হয়েছে। যেমন : ১. এই সমস্যা প্রধানত ১৫ থেকে ২৫ বছর বয়সের তরুণীদের মাঝেই দেখা যায়। ২. যে সকল তরুণী মাসিকের আগে ও পরে টেনশনে ভোগের তাদের সমস্যা দেখা দেয়। ৩. বিষণ্ণতা বা ডিপ্রেশনজনিত মানসিক সমস্যায় ডিসমেনোরিয়া বেশি হয়। ৪. মানসিক ও শারীরিকভাবে দুর্বল তরুণীদেরও এই সমস্যা হয় ৫. অস্বস্তিকর, অশান্তিপূর্ণ ও কোলাহলময় পারিবারিক পর্যবেশে জীবনযাপনে অভ্যস্ত তরুণীদেরও এই সমস্যা থাকতে পারে। ৬. রোগাটে, স্বাস্থ্যহীন বা রোগাক্রান্ত মেয়েদের এই সমস্যা বেশি হয়। ৭. মা-বাবার আদরের মেয়ে অথবা যে সকল মায়েরও এই সমস্যা ছিল তাদের মেয়েদেরও এই সমস্যা হতে পারে।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka
1203