Chatro Jonota

Chatro Jonota

Share

Learn ICT by strong way.

29/03/2025

"আজ তোমাদের জন্য সমস্ত ভালো ও পবিত্র বস্তু হালাল করা হয়েছে। আহলে কিতাবদের খাদ্য তোমাদের জন্য হালাল, এবং তোমাদের খাদ্য তাদের জন্য হালাল। এবং আহলে কিতাবদের অবিবাহিত নারীদের সাথে বিবাহ করাও তোমাদের জন্য বৈধ, যদি তোমরা তাদের মোহর (মহরানা) দাও এবং বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হও – ব্যভিচার বা গোপন প্রণয়ে লিপ্ত হওয়ার উদ্দেশ্যে নয়।"

28/03/2025

Eid Mubarak! 🌙✨

On behalf of Knowledge IT Institution, we extend our heartfelt Eid greetings to all our friends and family members. May this joyous occasion bring peace, happiness, and prosperity to you and your loved ones.

Wishing you a wonderful Eid filled with love, laughter, and blessings! 🌟🕌🎉

Eid Mubarak! 💖

21/03/2025

জুলাই ২০২৪-এর আন্দোলন, যা শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনার পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, এর পেছনে বেশ কয়েকটি গভীর ও জটিল কারণ কাজ করেছে। এই আন্দোলন প্রাথমিকভাবে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবি নিয়ে শুরু হলেও, পরবর্তীতে এটি একটি গণ-অভ্যুত্থানে রূপান্তরিত হয়, যা তার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটায়। নিচে মূল কারণগুলো বিশ্লেষণ করা হলো:

1. **কোটা আন্দোলনের সূত্রপাত ও সরকারের প্রতিক্রিয়া**:
আন্দোলনের সূচনা হয় জুন-জুলাই ২০২৪-এ, যখন শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে। তারা মনে করত, এই ব্যবস্থা যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের পরিবর্তে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের পক্ষপাতমূলক সুবিধা দিচ্ছে। শেখ হাসিনার সরকার এই আন্দোলনের প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের দাবিকে গুরুত্ব না দিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, এমনকি তাদের "রাজাকার" বলে আখ্যা দেয়। এই অবমাননাকর মন্তব্য আন্দোলনকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

2. **দমনমূলক পদক্ষেপ ও সহিংসতা**:
সরকার আন্দোলন দমনে পুলিশ, আধাসামরিক বাহিনী এবং আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর (যেমন ছাত্রলীগ, যুবলীগ) মাধ্যমে কঠোর শক্তি প্রয়োগ করে। জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে বিক্ষোভে গুলি, টিয়ার গ্যাস এবং সরাসরি হামলার ঘটনায় শত শত মানুষ নিহত হয় (সরকারি হিসেবে ৮০০+, অনানুষ্ঠানিক সূত্রে ১৫০০+), এবং হাজার হাজার আহত হয়। এই নৃশংসতা জনগণের মধ্যে ক্ষোভকে চরমে তুলে দেয় এবং আন্দোলনকে কোটা সংস্কারের দাবি ছাড়িয়ে সরকারের পতনের একক দাবিতে রূপ দেয়।

3. **দীর্ঘদিনের জন অসন্তোষ**:
শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনকালে (২০০৯-২০২৪) অর্থনৈতিক উন্নয়ন হলেও, দুর্নীতি, অর্থ পাচার (প্রায় ১৫০ বিলিয়ন ডলার), যুব বেকারত্ব, মুদ্রাস্ফীতি এবং ব্যাংকিং অনিয়মে জনগণের মধ্যে অসন্তোষ জমা হয়েছিল। এছাড়া, একাধিক বিতর্কিত নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮, ২০২৪) এবং বিরোধীদের দমন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা কমিয়ে দেয়। এই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ আন্দোলনে সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণের পথ তৈরি করে।

4. **সরকারের জনবিচ্ছিন্নতা ও অতি আত্মবিশ্বাস**:
শেখ হাসিনার একগুঁয়েমি এবং অতি আত্মবিশ্বাস তাকে জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। তিনি বিরোধী মত শুনতে অপারগ ছিলেন এবং আন্দোলনের সময়ও আলোচনার পরিবর্তে শক্তি প্রয়োগের পথ বেছে নেন। এমনকি সেনাবাহিনী নামিয়ে কারফিউ জারি করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। তার দল আওয়ামী লীগও রাজনৈতিকভাবে একাকী হয়ে পড়ে।

5. **সেনাবাহিনীর ভূমিকা**:
আগস্টের শুরুতে, যখন বিক্ষোভ চরমে পৌঁছে, সেনাবাহিনী শেখ হাসিনাকে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানায়। সাধারণত তার শাসনে সেনাবাহিনী সরকারের পক্ষে থাকলেও, এবার জনগণের ব্যাপক চাপ এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি (যেমন জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে প্রভাব) তাদের নিরপেক্ষ থাকতে বাধ্য করে। এটি তার পতনের চূড়ান্ত ধাক্কা হিসেবে কাজ করে।

6. **ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট**:
শেখ হাসিনার সরকার ভারতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল ছিল, যা বাংলাদেশে জনগণের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং চীনের সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষার ব্যর্থতা তাকে ভূরাজনৈতিকভাবে দুর্বল করে ফেলে। আন্দোলনের সময় ভারত ছাড়া অন্য কোনো বড় শক্তির সমর্থন না পাওয়া তার পতন ত্বরান্বিত করে।

**ফলাফল**:
৫ আগস্ট ২০২৪-এ শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান। তার পতনের পেছনে শুধু কোটা আন্দোলন নয়, বরং দীর্ঘদিনের অপশাসন, জনগণের ক্ষোভ, সরকারের অহংকার ও দমননীতি এবং সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতার সমন্বয় কাজ করেছে। এই ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

21/03/2025

আমি Grok, xAI দ্বারা সৃষ্ট। শেখ হাসিনা সম্পর্কে আমার মন্তব্য হলো, তিনি একজন জটিল এবং প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনি সবচেয়ে দীর্ঘসময় ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ এবং আবার ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত। তার শাসনকালে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক ক্ষেত্রে কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে, যেমন দারিদ্র্য হ্রাস এবং শিক্ষার প্রসার।

কিন্তু তার নেতৃত্বের সমালোচনাও কম নয়। অনেকে মনে করেন, তার শাসন কর্তৃত্ববাদী ছিল—নির্বাচনে কারচুপি, বিরোধী দলকে দমন, এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে উঠেছে। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে তাকে ক্ষমতা ছাড়তে হয় এবং ভারতে চলে যেতে হয়, যা তার জনপ্রিয়তা এবং প্রভাবের একটা বড় পরীক্ষা ছিল।

আমার মনে হয়, তিনি এমন একজন নেত্রী যিনি উন্নয়নের জন্য প্রশংসা পেয়েছেন, কিন্তু গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এখন, ২০২৫ সালে, তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভূমিকা অনিশ্চিত। তুমি তার সম্পর্কে কী ভাবো?

21/03/2025

শেখ হাসিনাকে কেন মানুষ ভয় পেত?
এর পেছনে একাধিক কারণ ছিল, যা তার দীর্ঘ শাসনকাল (২০০৯-২০২৪) এবং তার শাসনপদ্ধতির সাথে জড়িত। তবে, এটা মনে রাখা জরুরি যে সবাই তাকে ভয় পেত না—কেউ কেউ তাকে সমর্থন করতেন তার উন্নয়ন কাজের জন্য। ভয়ের কারণগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

১. **কঠোর শাসন ও দমননীতি**: শেখ হাসিনার সরকার বিরোধী মত দমনের জন্য পরিচিত ছিল। বিক্ষোভ, আন্দোলন বা সমালোচনার বিরুদ্ধে পুলিশ, র‌্যাব এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রায়ই কঠোর ব্যবস্থা নিত। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে চাকরির কোটা নিয়ে আন্দোলনের সময় সরকারি বাহিনী ব্যাপক শক্তি প্রয়োগ করে, যাতে শত শত মানুষ নিহত হয়। এ ধরনের ঘটনা মানুষের মনে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করেছিল।

২. **মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ**: তার শাসনামলে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং রাজনৈতিক বন্দীদের নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো, যেমন জাতিসংঘ ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, এসব ঘটনার সমালোচনা করেছে। এর ফলে অনেকে সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পেত, কারণ তারা নিজেরা বা তাদের পরিবার ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে মনে করত।

৩. **গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার হ্রাস**: নির্বাচনে কারচুপি, বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেপ্তার এবং মিডিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ শেখ হাসিনার শাসনের বৈশিষ্ট্য হিসেবে দেখা যায়। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনকে অনেকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। এতে মানুষের মনে একধরনের অসহায়ত্ব ও ভয় কাজ করত যে, তাদের মত প্রকাশের ক্ষমতা ক্রমশ কমে যাচ্ছে।

৪. **সাইবার নিরাপত্তা আইন ও নজরদারি**: সাইবার সিকিউরিটি আইনের মতো কঠোর আইনের অধীনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের সমালোচনা করলে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটি সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি ধারণা তৈরি করেছিল যে, তারা সবসময় নজরদারিতে আছে, ফলে তারা নিজেদের মতামত প্রকাশে ভয় পেত।

৫. **রাজনৈতিক প্রতিহিংসা**: বিরোধী দল, বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা, নির্যাতন ও কারাদণ্ডের ঘটনা ঘন ঘন ঘটত। এমনকি সাধারণ সমর্থকরাও মনে করতেন যে, তারা সরকারের বিরোধিতা করলে প্রতিশোধের শিকার হতে পারেন।

তবে, এর বিপরীতে শেখ হাসিনার সমর্থকরা বলেন যে, তিনি দেশে স্থিতিশীলতা এনেছিলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন করেছিলেন এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন। তাদের মতে, যারা তাকে ভয় পেত, তারা হয়তো তার কঠোর নীতির ভুল বোঝাবুঝি করত।

সুতরাং, মানুষের ভয়ের মূলে ছিল তার শক্ত হাতে শাসন, বিরোধীদের দমন এবং গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার উপর নিয়ন্ত্রণ—যা অনেকের কাছে স্বৈরাচারের ছাপ ফেলেছিল।

07/02/2025

সংস্কার সংস্কার বলতেছে কিন্তু সংস্কার গুলো প্রতিমান হচ্ছে না!! আমরা যারা রাজপথে জীবন বাজি রেখে #স্বৈরাচারী শেখ হাসিনাকে বিতাড়িত করেছি তাদের যে উদ্দেশ্য ছিল সেটা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি!! আমাদের উদ্দেশ্য ছিল দুর্নীতি মুক্ত বৈষম্য হীন দেশ যেখানে মানুষ তার ন্যায্য অধিকার পাবে, স্বাধীনভাবে তার মতামত প্রদান করতে পারবে, সরকারি কোষাগারের টাকা পুঙ্খানুপুঙ্খানু ভাবে হিসাব-নিকাশ রাখা হবে এবং জনগণের কাছে তা প্রদান করতে হবে। জনগণ প্রজাতন্ত্রের মালিক। ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করবে। যে সকল অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে তা ফিরিয়ে আনা হবে, পুলিশকে জনগণের বন্ধু বানানো হবে, চিকিৎসা খাতে উন্নয়ন করা হবে, শিক্ষা বিজ্ঞানে ভরে যাবে বাংলাদেশ জনশক্তিকে কাজে লাগাতে হবে, জনসংখ্যা কে জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হবে, বৈদেশিক সম্পর্ক ন্যায্যতার ভিত্তিতে তৈরি হবে। ধনীদের বেশি বেশি ট্যাক্স প্রদান করতে হবে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে ধনীদেরকে এগিয়ে আসতে হবে বেশি বিলাসিতা করা যাবে না বিলাসিতার দিন এখনো আমাদের আশে নাই। কিন্তু সেই সংস্কারের কিছুই দেখতে পারলাম না এখনো!!

হাসিনা সরকার তার দলের স্বার্থে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে: শহিদুল আলম | Shahidul Alam | BDR 14/01/2025

https://youtu.be/_u2mDDxDurQ?si=tOd8UcOJmz4Cl8pJ

হাসিনা সরকার তার দলের স্বার্থে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে: শহিদুল আলম | Shahidul Alam | BDR হাসিনা সরকার তার দলের স্বার্থে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে: শহিদুল আলম | Shahidul Alam | BDRWelcome...

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Uttara
Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00