Easy English

Easy English ইংরেজি,সাধারণ জ্ঞান ও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষণীয় তথ্য পেতে পেইজটি ফলো করে রাখুন❣️
(3)

21/08/2026

ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা যাচাইয়ের অন্যতম স্বীকৃত পরীক্ষা IELTS। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিষ্ঠান ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষ এই পরীক্ষার স্কোরকে গুরুত্ব দেয়। আর সেই পরীক্ষাতেই Overall Band Score 9.0 অর্জন করা মানে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছানো। বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে এমন স্কোর অর্জন নিঃসন্দেহে বিরল। সেই অসাধারণ অর্জন করেছেন রাইসা শাম্মা।

IELTS-এর স্কোর ০ থেকে ৯-এর মধ্যে নির্ধারিত হয়। যেখানে ৯ হলো সর্বোচ্চ Band Score এবং এর অর্থ হলো পরীক্ষার্থী ইংরেজি ব্যবহারে ‘Expert User’ পর্যায়ের দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন। Listening, Reading, Writing ও Speaking—চারটি অংশের সমন্বিত ফলাফলের ভিত্তিতে Overall Band Score নির্ধারণ করা হয়। রাইসা শাম্মার Overall 9.0 অর্জন তাই শুধু একটি পরীক্ষার ফল নয়; এটি ইংরেজি বোঝা, লেখা, পড়া ও বলার অসাধারণ সক্ষমতার স্বীকৃতি।

রাইসার একাডেমিক যাত্রাও তাঁর এই অর্জনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের Institute of Statistical Research and Training (ISRT) থেকে Applied Statistics বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। একাডেমিক জীবনে ভালো ফলাফলের পাশাপাশি গবেষণার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেছেন এবং পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান International Food Policy Research Institute (IFPRI)-এর বাংলাদেশ কার্যালয়ে Research Analyst হিসেবে কাজ করেছেন।

তাঁর কাজের ক্ষেত্রও বেশ বিস্তৃত। কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা, পুষ্টি, দারিদ্র্য, স্বাস্থ্য ও উন্নয়ননীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত তিনি। বাংলাদেশের কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণায় তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। অর্থাৎ IELTS-এর মতো আন্তর্জাতিক মানের ইংরেজি দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি গবেষণাক্ষেত্রেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি।

তবে IELTS-এ ৯ পাওয়া সহজ কোনো বিষয় নয়। পরীক্ষাটির চারটি অংশেই পরীক্ষার্থীকে অত্যন্ত উচ্চমানের ভাষাগত দক্ষতা দেখাতে হয়। Listening-এ দ্রুতগতির কথোপকথন বা বক্তব্য বুঝে সঠিক উত্তর দেওয়া, Reading-এ জটিল ও দীর্ঘ লেখা বিশ্লেষণ করা, Writing-এ সুসংগঠিত ও নির্ভুলভাবে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করা এবং Speaking-এ সাবলীলভাবে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলার সক্ষমতা—সব মিলিয়েই তৈরি হয় IELTS-এর চূড়ান্ত ফল।

বিশেষ করে Writing ও Speaking-এ সর্বোচ্চ ব্যান্ড পাওয়া অনেক পরীক্ষার্থীর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ এখানে শুধু ইংরেজি জানা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন শব্দচয়ন, ব্যাকরণ, coherence, pronunciation, fluency এবং যুক্তি উপস্থাপনের দক্ষতার সমন্বয়। তাই Overall 9.0 অর্জন একজন পরীক্ষার্থীর দীর্ঘদিনের ভাষা অনুশীলন, একাডেমিক প্রস্তুতি এবং যোগাযোগ দক্ষতার প্রতিফলন।

রাইসা শাম্মার গল্পের বিশেষ দিক হলো—IELTS তাঁর সাফল্যের একমাত্র পরিচয় নয়। বরং আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে কাজ করার পাশাপাশি তিনি ইংরেজি ভাষায় এমন একটি দক্ষতার মানদণ্ড স্থাপন করেছেন, যা উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করতে পারে।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য IELTS দিতে যাওয়া বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের কাছে ৬.৫, ৭ বা ৭.৫ ব্যান্ড অনেক সময় বড় লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। সেখানে রাইসা শাম্মার ৯.০ দেখিয়ে দেয়, সঠিক প্রস্তুতি, ধারাবাহিক অনুশীলন ও ভাষার ওপর গভীর নিয়ন্ত্রণ থাকলে সর্বোচ্চ স্তরও অর্জন করা সম্ভব।

একদিকে পরিসংখ্যান ও গবেষণার জগতে তাঁর একাডেমিক ও পেশাগত পথচলা, অন্যদিকে IELTS-এ নিখুঁত ৯—দুটি অর্জন মিলিয়ে রাইসা শাম্মার গল্পটি শুধু একটি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ স্কোর পাওয়ার গল্প নয়। এটি আন্তর্জাতিক একাডেমিক ও পেশাগত পরিসরে নিজেকে প্রস্তুত করে তোলার গল্পও। তাঁর IELTS Band 9.0 তাই বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার। একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে।
শুভকামনা রইল আপুর জন্য ❤️

21/08/2026

মায়েরা সব পারে। পারতে হয়।

কত মা নিজে না খেয়ে সন্তানের মুখে খাবার তুলে দেন।
কত মা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে সন্তানকে পড়াশোনা করান।
কত মা নিজের শখ-আহ্লাদ বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন।

এমনও শুনেছি--এক মা নিজের কানের স্বর্ণের দুল বিক্রি করে সন্তানকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়েছেন।

এরকম হাজারো গল্প ছড়িয়ে আছে আমাদের সমাজে।
কোনো মা সন্তানের জন্য নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়েছেন, কোনো মা নিজের সুখ; কেউবা নিজের শেষ সম্বলটুকুও।

মায়ের ভালোবাসার হিসাব হয় না।
কারণ মা শুধু সন্তানকে জন্ম দেন না--প্রয়োজনে নিজের জীবনটাকেও সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য উৎসর্গ করে দেন।

সত্যিই, মায়েরা সব পারে। পারতে হয়।

19/08/2026

কুমিল্লায় মাত্র ৮ মাসে সম্পূর্ণ পবিত্র কুরআন হাতে লিখলেন সুরাইয়া জান্নাত।
সুবহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ।

18/08/2026

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ থেকে শুরু। এরপর দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ACI Pharmaceuticals-এ চাকরি। ক্যারিয়ারের শুরুতেই ভালো বেতন ও প্রতিষ্ঠিত কর্মজীবন। কিন্তু সেখানেই থেমে থাকতে চাননি রাবিতা রহমান।

গবেষণার প্রতি অদম্য আগ্রহ আর আরও বড় পরিসরে শেখার আকাঙ্ক্ষা তাঁকে নিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রে। যুক্তরাষ্ট্রের University of Mississippi—যা Ole Miss নামে পরিচিত—এ পিএইচডি গবেষণার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যুক্তরাষ্ট্র—রাবিতার এই পথচলা যেন উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি নিজের স্বপ্নকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করার গল্প।

ফার্মেসিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করার পর রাবিতা যোগ দেন ACI Pharmaceuticals-এ। কর্মজীবনে ওষুধশিল্পের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি তাঁর মনে আরও গভীরভাবে জায়গা করে নেয় গবেষণার আকাঙ্ক্ষা। শেষ পর্যন্ত সেই আকাঙ্ক্ষার কাছেই হার মানে চাকরির নিশ্চয়তা।

লাখ টাকা বেতনের চাকরি ছেড়ে তিনি বেছে নেন পিএইচডির কঠিন পথ।

University of Mississippi-এর School of Pharmacy-তে Pharmaceutical Sciences-এর পিএইচডি গবেষণা মূলত ওষুধের আবিষ্কার, উন্নয়ন এবং মানুষের স্বাস্থ্যগত ফলাফল নিয়ে গবেষণার সুযোগ দেয়।

রাবিতার লক্ষ্যও মানুষের জীবন রক্ষায় কার্যকর এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ওষুধ গবেষণায় নিজেকে তৈরি করা। গবেষণার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার সঙ্গেও যুক্ত থাকার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

এই যাত্রায় তাঁর শিকড় অবশ্য বাংলাদেশেই। মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী—প্রতিটি ধাপ তাঁকে তৈরি করেছে পরবর্তী গন্তব্যের জন্য।

আর সেই গন্তব্য এখন যুক্তরাষ্ট্র।

তবে রাবিতার কাছে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া কোনো শেষ গন্তব্য নয়; বরং এটি আরও বড় একটি যাত্রার শুরু। আগামী প্রায় পাঁচ বছর গবেষণা, উচ্চশিক্ষা ও শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা অর্জন করে একদিন দেশে ফিরতে চান তিনি।

সঙ্গে থাকবে পিএইচডি ডিগ্রি, আন্তর্জাতিক গবেষণার অভিজ্ঞতা এবং দেশের ওষুধ গবেষণায় কিছু করার প্রত্যয়।

নোয়াখালীর বসুর হাটের যে মেয়েটির শিক্ষাজীবনের শুরু, তাঁর স্বপ্ন এখন আটলান্টিক পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু হৃদয়ে রয়ে গেছে জন্মভূমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা।

এই দীর্ঘ পথচলায় নিজের জন্মভূমি বসুর হাট, নোয়াখালীর মানুষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী, কর্মজীবনের সহকর্মী, স্বজন ও দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাবিতা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যুক্তরাষ্ট্র এই যাত্রার শেষটা তিনি দেখছেন আরও বড় একটি স্বপ্নে: জ্ঞান ও গবেষণা নিয়ে দেশে ফেরা, আর অর্জিত জ্ঞানকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো।
শুভকামনা রইল আপুর জন্য ❤️

18/08/2026

আজ রাজধানীতে চালু হয়েছে পিংক বাস। নারীরাই চালাবেন এবং নারীরাই সামলাবেন।
ড্রাইভার,কন্টাক্টের,পেসেন্জার সবাই মহিলা।
মহিলা নিরাপদ থাকুক এটাই মূল উদ্দেশ্য।
এই কাজটি কেমন হয়েছে আপনার মতামত কমেন্ট করুন।

17/08/2026

ফজরের নামাজের সেজদায় ইমামের মৃ'ত্যু

পটুয়াখালী সদর উপজেলার মৌকরন ইউনিয়নের শ্রীরামপুর বাজার মসজিদে ফজরের সুন্নত নামাজ আদায়রত অবস্থায় সেজদায় মৃ**ত্যুবরণ করেছেন হাফেজ মুহাম্মদ আতাউল্লাহ। সোমবার ভোরে দ্বিতীয় রাকাতে সেজদায় যাওয়ার পর তিনি আর উঠে দাঁড়াননি। পরে মুসল্লিরা কাছে গিয়ে তাঁকে মৃ*ত অবস্থায় পান।

ম*রহুম আতাউল্লাহ দুমকী উপজেলার মাওলানা আব্দুস সালামের একমাত্র পুত্র। গত দেড় বছর ধরে তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে এই মসজিদে ইমামতি করে আসছিলেন। শান্ত স্বভাব, নম্র আচরণ ও সুন্দর ব্যবহারের কারণে এলাকার মানুষের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রিয় একজন মানুষ।

দুই সন্তানের জনক এই হাফেজের আকস্মিক মৃ*ত্যুতে পরিবার ও এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

নামাজে দাঁড়িয়েছিলেন মহান আল্লাহর সামনে, আর সেজদায় থাকা অবস্থাতেই শেষ হলো দুনিয়ার সফর। আল্লাহ ম*রহুম হাফেজ মুহাম্মদ আতাউল্লাহকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে নূরে ভরে দিন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন সুম্মা আমিন । 🤲

16/08/2026

একদম বাস্তব কথা বলেছেন

12/08/2026

আমিও পাগল মনে করি।আপনার মতামত কি কমেন্ট করুন

01/08/2026

ইরানের পাশে আছি ইনশাআল্লাহ

আলহামদুলিল্লাহ
29/07/2026

আলহামদুলিল্লাহ

Address

Dhaka

Telephone

+8801757779643

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Easy English posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Easy English:

Shortcuts

Share