20/08/2026
বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের ৫৫তম শাহাদতবার্ষিকী।
আজ ২০ আগস্ট বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের ৫৫তম শাহাদতবার্ষিকী। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশমাতৃকার জন্য জীবন উৎসর্গ করেন এই মহান বীর। তাঁর আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেম বাঙালি জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে বিএএফ শাহীন কলেজ ঢাকা-এর উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মতিউর রহমানের বীরত্ব, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের ওপর শিক্ষার্থীরা বক্তব্য প্রদান করেন। এছাড়াও সহকারী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহমান বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জীবন ও মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানের ওপর বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত কলেজের অধ্যক্ষ। এছাড়াও উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
19/08/2026
আজ ১৯শে আগস্ট ২০২৬, বিএএফ শাহীন কলেজ ঢাকা-এর শাহীন হলে চার দিনব্যাপী ‘আন্তঃশাহীন বিতর্ক, কুইজ, গণিত, বিজ্ঞান ও স্পেলিং প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এর সমাপনী এবং পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী পরিচালিত দেশের ১০টি শাহীন কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা ছিল মেধা, সৃজনশীলতা, যুক্তিবোধ ও মননের এক অনন্য মিলনমেলা।
সমাপনী ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল রুসাদ দীন আছাদ, বিবিপি, ওএসপি, বিপিপি, এনডিইউ, এওডব্লিউসি, পিএসসি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সভাপতি এয়ার ভাইস মার্শাল সৈয়দ সাঈদুর রহমান, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শাহীন কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
আন্তঃশাহীন প্রতিযোগিতার মোট ৮টি ইভেন্টের মধ্যে বিএএফ শাহীন কলেজ ঢাকা ৪টি ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ান (স্পেলিং— উচ্চমাধ্যমিক, গণিত— উচ্চমাধ্যমিক, বিজ্ঞান— মাধ্যমিক, বিজ্ঞান— উচ্চমাধ্যমিক) এবং ১টি ইভেন্টে রানার্সআপ (গণিত— মাধ্যমিক) হওয়ার অনন্য গৌরব অর্জন করেছে। সমাপনী দিনে আয়োজিত বিতর্কের ফাইনাল রাউন্ডে বিএএফ শাহীন কলেজ কুর্মিটোলা, বিএএফ শাহীন ইংলিশ মিডিয়াম কলেজকে হারিয়ে বিতর্কে চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
প্রধান অতিথি তাঁর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা ও সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি নিজেদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে ভবিষ্যতের যোগ্য নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
17/08/2026
**১৬ আগস্ট | আন্তঃশাহীন প্রতিযোগিতা ২০২৬**
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী পরিচালিত ১০টি শাহীন কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ১৬ আগস্ট শুরু হলো চার দিনব্যাপী **আন্তঃশাহীন বিতর্ক, কুইজ, গণিত, বিজ্ঞান ও স্পেলিং প্রতিযোগিতা ২০২৬**।
বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সভাপতি এয়ার ভাইস মার্শাল সৈয়দ সাঈদুর রহমান, ওএসপি, বিইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি।
বিতর্ক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে সূচনা হওয়া এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, যুক্তিবোধ, সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম। সহশিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতিবছর আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা শাহীন কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা, পারস্পরিক সম্প্রীতি, মেধার বিকাশ ও উৎকর্ষ সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
**যুক্তি, জ্ঞান ও মেধার সম্মিলনে— শাহীন শিক্ষার্থীদের এই প্রতিযোগিতামূলক অভিযাত্রা হোক সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচনের প্রত্যয়।**
11/08/2026
বিএএফ শাহীন কলেজ ঢাকা’র এসএসসি ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সাফল্যকে ঘিরে কলেজ প্রাঙ্গণ পরিণত হয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়। শিক্ষার্থীরা তাঁদের প্রিয় শিক্ষক ও সহপাঠীদের সঙ্গে একত্রিত হয়ে উদ্যাপন করেন এই স্মরণীয় সাফল্য।
শিক্ষার্থীদের এই গৌরবময় অর্জনে বিএএফ শাহীন কলেজ ঢাকা’র সম্মানিত অধ্যক্ষ তাঁদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেন এবং তাঁদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য, সমৃদ্ধি ও উজ্জ্বল পথচলার জন্য শুভকামনা ব্যক্ত করেন।
10/08/2026
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী শাহীন কলেজ ঢাকার ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অসাধারণ সাফল্যে
বিএএফ শাহীন কলেজ ঢাকা পরিবারের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
এই গৌরবময় অর্জন শুধু শিক্ষার্থীদের নয়; এর পেছনে রয়েছে সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দের নিরলস প্রচেষ্টা, অভিভাবকদের অকুণ্ঠ সমর্থন এবং শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় ও একাগ্র সাধনা। আমরা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি সেই সকল মানুষের অবদান, যাদের সহযোগিতায় এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে।
প্রিয় শিক্ষার্থীরা, তোমাদের উচ্চশিক্ষা ও আগামীর পথচলা হোক আরও উজ্জ্বল, সফল ও সমৃদ্ধ।
রইল তোমাদের জন্য অফুরন্ত শুভকামনা।
07/08/2026
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ও আইসিটি বিভাগ আয়োজিত "জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং কনটেস্ট -২০২৬" প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে সেকেন্ডারি ক্যাটেগরিতে চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বিএএফ শাহীন কলেজ ঢাকা সায়েন্স ক্লাবের স্কুল এক্সিকিউটিভ রায়ান ফেরদৌস। সে দশম শ্রেণির (সেকশন–সিগমা, রোল নং–১১) শিক্ষার্থী।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালেও সে এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ান হয়েছিল— ফলে টানা দুইবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ান হয়ে সে একটি অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।
এছাড়াও, রায়ান ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াড (IOI)-এ অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। এই প্রতিযোগিতাটি ৯–১৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে উজবেকিস্তানের তাশখন্দে অনুষ্ঠিত হবে।
তার কঠোর পরিশ্রম, একাগ্রতা এবং উৎকর্ষের প্রতি অদম্য আগ্রহ আমাদের সবার জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে আমরা তার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।
05/08/2026
আজ ৫ই আগস্ট, ঐতিহাসিক ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’। দীর্ঘদিনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো অকুতোভয় ছাত্রসমাজের অবিস্মরণীয় আত্মত্যাগকে স্মরণ করে আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় বিএএফ শাহীন কলেজ ঢাকা-তে দিবসটি পালিত হয়েছে।
এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের শ্রদ্ধেয় অধ্যক্ষ মহোদয়। এছাড়াও উপাধ্যক্ষবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকামণ্ডলী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
দিবসটি উপলক্ষ্যে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনান সহকারী প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদা আশেকা জেমি। পরবর্তীতে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব নিয়ে সারগর্ভ আলোচনা পেশ করেন সহকারী শিক্ষক সাবিনা জাহান। আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
পরিশেষে, জুলাই আন্দোলনে শাহাদত বরণকারী সকল শহিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
* জুলাই আন্দোলনে নিহত সকল শহিদের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।**
04/08/2026
“তারা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে, যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে...”
২৪-এর ছাত্র আন্দোলনে দেশ, মানুষ ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়ে আত্মোৎসর্গকারী অকুতোভয় বীর শহিদ শাফিক উদ্দিন আহম্মেদ আহনাফ (এইচএসসি ২০২৬ ব্যাচ)-কে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছে বিএএফ শাহীন কলেজ ঢাকা।
আজ সকালে ‘শহিদ আহনাফ মেমোরিয়াল’-এ শহিদের মা-বাবার সশ্রদ্ধ উপস্থিতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে স্মরণানুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরবর্তীতে শাহীন হলে স্মৃতিচারণ ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। শ্রেণিশিক্ষকের আবেগময় স্মৃতিচারণে উঠে আসে আহনাফের মানবিকতা, দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধের কথা। এ সময় শহিদের মা বলেন, “আমার ছেলে আহনাফ আমাদের ছেড়ে যায়নি, সে আজও শাহীনদের মাঝেই বেঁচে আছে।”
অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে শহিদ আহনাফের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করা হয়। তাঁর সাহস ও আদর্শ আমাদের পথ চলার চিরন্তন প্রেরণা হয়ে থাকবে।
গভীর শোক ও বিনম্র শ্রদ্ধা— আহনাফসহ সকল শহিদদের প্রতি।
30/07/2026
আজ ৩০শে জুলাই, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনকারী বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর শাহীন কলেজ ঢাকার বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪১ জন শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানাতে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে সম্মানিত কলেজ অধ্যক্ষ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যের জন্য প্রাণঢালা অভিনন্দন জানান। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের এই মেধাবীরা আগামী দিনে কী হতে চায়, তা সস্নেহে জানতে চাওয়ার পাশাপাশি তিনি তাদের বড়ো স্বপ্ন দেখতে ও তা পূরণে আত্মবিশ্বাসী হতে অনুপ্রেরণা জোগান।
শিক্ষার্থীদের এই কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানিত অধ্যক্ষ মহোদয় তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। সেই সাথে, এই সাফল্যের নেপথ্যে থাকা কারিগর— আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের হাতেও তুলে দেওয়া হয় 'অ্যাপ্রিসিয়েশন লেটার'।
এছাড়াও, অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক ও উৎসাহব্যঞ্জক বক্তব্য প্রদান করেন, উপাধ্যক্ষ (ইংরেজি ভার্শন) এবং উপাধ্যক্ষ (প্রাথমিক বাংলা ভার্শন।)
সব বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী, তাদের গর্বিত অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা। বাংলাদেশ বিমানবাহিনী শাহীন কলেজ ঢাকার এই মেধাবী মুখগুলো ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে আরও বৃহত্তর অবদান রাখবে— এটাই আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।
21/07/2026
বিএএফ শাহীন কলেজ ঢাকায় একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল-পরবর্তী শিক্ষক–অভিভাবক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক অগ্রগতি, নৈতিক বিকাশ এবং সার্বিক উন্নয়নকে আরো সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যেই এ সভার আয়োজন করা হয়।
সম্মানিত কলেজ অধ্যক্ষ তার স্বাগত বক্তব্যে শিক্ষক ও অভিভাবকের পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। উপাধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের আরো ভালো ফলাফল অর্জনের লক্ষ্যে করণীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে বিশ্বায়নের এই যুগে পরিবর্তিত শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলিয়ে কীভাবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরো উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করা যায়, সে বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত অভিভাবকরাও তাঁদের মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ প্রদান করেন।
আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সমন্বিত প্রচেষ্টা, পারস্পরিক আস্থা ও নিয়মিত যোগাযোগই শিক্ষার্থীদের সাফল্যের ভিত্তি রচনা করবে। সম্মিলিত উদ্যোগেই গড়ে উঠবে জ্ঞান, মূল্যবোধ ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ আগামী প্রজন্ম।