19/05/2026
Iqra Early Learning Center & Daycare
Urmi Bhuiyan
19/05/2026
18/05/2026
‼️ টডলারকে সামলাতে চিৎকার না, দরকার এই ৯টা টেকনিক
টডলার বাচ্চা “দুষ্ট” না।
ওর ব্রেইন এখনো পুরো develop হয়নি। 🧠
তাই এই বয়সে discipline মানে শাস্তি না,
বরং calm থেকে guide করা। ❤️
এই ৯টা brain-based টেকনিক follow করলে tantrum, চিৎকার আর power struggle অনেক কমে যাবে 👇
১. আগে Calm, পরে Rule
রাগ/কান্নার সময় চিৎকার না করে বলুন—
“আমি আছি, তুমি safe।”
শান্ত brain-ই কথা শিখে।
২. “না” কম, Direction বেশি
❌ “ওটা ধরো না”
✅ “এটা নিয়ে খেলো”
Toddler negative instruction কম বুঝে, action বেশি বুঝে।
৩. Routine রাখুন
খাওয়া → খেলা → ঘুম
একই pattern বাচ্চাকে calm রাখে।
৪. একসাথে বেশি Rule না
শুধু ২–৩টা নিয়ম:
• মারবো না
• খেলনা ছুড়বো না
• খেলার পর গুছাবো
৫. Punishment না, Consequence দিন
পানি ফেললে?
“চলো একসাথে মুছি।”
এভাবেই cause-effect শেখে।
৬. Connection আগে, Correction পরে
“আমি জানি তুমি খেলতে চাও, কিন্তু এখন ঘুমের সময়।” ❤️
Emotionally safe feel করলে বাচ্চা বেশি cooperate করে।
৭. আপনি যেমন, বাচ্চাও তেমন
আপনি calm থাকলে, ওও calm শিখবে।
আপনি চিৎকার করলে, সেটাই normal ভাববে।
৮. Choice দিন
“লাল কাপ নাকি নীল কাপ?” ☺️
ছোট ছোট choice tantrum কমায়।
৯. Tantrum মানেই Bad Behavior না
অনেক সময় এটা brain overload।
Tantrum-এর সময় lecture না,
শান্ত হলে ছোট করে বুঝান। 🌸
‼️যেগুলো Avoid করবেন
মারধর
ভয় দেখানো
বারবার চিৎকার
অন্য বাচ্চার সাথে compare
“তুমি খারাপ” বলা
✅ মনে রাখবেন ❤️
ছোটবেলায় calm parenting শিখলে, বড় হয়ে বাচ্চার behavior নিয়েও কম struggle করতে হয়।
12/05/2026
🌿 হাইপার একটিভ বেবিকে শান্ত রাখার কিছু কার্যকর উপায় 🌿
অনেক বাবা-মা অভিযোগ করেন—
“আমার বাচ্চা একদম বসে না!”
“সারাক্ষণ দৌড়ায়, লাফায়, জিনিস ছুড়ে ফেলে!”
“কথা শুনতে চায় না!”
আসলে ছোট বাচ্চাদের hyperactive behaviour সবসময় খারাপ কিছু নয়। অনেক সময় তাদের ছোট্ট মস্তিষ্ক খুব দ্রুত নতুন জিনিস গ্রহণ করতে চায়। তারা চারপাশ explore করতে ভালোবাসে। কিন্তু যখন এই অতিরিক্ত এনার্জি সঠিকভাবে guide করা যায় না, তখন শিশুকে খুব অস্থির মনে হয়।
তাই বকা বা মারধর নয়, দরকার ধৈর্য আর সঠিক পদ্ধতি। 💛
✨ ১. স্ক্রিন টাইম যত কম, তত ভালো
মোবাইল, টিভি বা অতিরিক্ত cartoon শিশুর ব্রেইনকে overstimulate করে।
দ্রুত changing colours, loud sound আর fast movement শিশুর nervous system-কে আরও উত্তেজিত করে তোলে।
ফলে— ▪️ মনোযোগ কমে যায়
▪️ অস্থিরতা বাড়ে
▪️ রাগ বেশি হয়
▪️ বাস্তব খেলায় আগ্রহ কমে যায়
তার বদলে শিশুকে দিন— ✔️ ব্লক খেলা
✔️ বই দেখা
✔️ পানি নিয়ে খেলা
✔️ বল খেলা
✔️ nature walk
বাস্তব পৃথিবীর activities শিশুর brain development অনেক বেশি improve করে।
✨ ২. Hyper বাচ্চাদের movement খুব প্রয়োজন
এ ধরনের বাচ্চাদের শরীরে যেন অতিরিক্ত battery থাকে।
তারা না দৌড়ালে, না খেললে আরও বিরক্ত ও অস্থির হয়ে পড়ে।
তাই প্রতিদিন কিছু physical activity খুব গুরুত্বপূর্ণ— 🏃♂️ দৌড়ানো
⚽ বল খেলা
💃 নাচ
🛏️ বালিশ jump
🌳 বাইরে হাঁটা
Movement শিশুর nervous system regulate করতে সাহায্য করে।
✨ ৩. নির্দিষ্ট রুটিন শিশুকে নিরাপত্তা দেয়
যখন প্রতিদিন একই সময়ে— 🍚 খাওয়া
🛁 গোসল
😴 ঘুম
📚 খেলা
হয়, তখন শিশুর brain predict করতে শেখে “এখন কী হবে”।
এতে anxiety কমে এবং behaviour ধীরে ধীরে শান্ত হয়।
✨ ৪. অতিরিক্ত শব্দ ও chaos কমান
অনেক সময় বাসার চিৎকার, টিভির শব্দ বা অনেক মানুষের ভিড় শিশুকে আরও hyper করে তোলে।
কারণ কিছু শিশু sensory stimulation খুব বেশি অনুভব করে।
তাই— 🌿 হালকা আলো
🌿 শান্ত পরিবেশ
🌿 কম শব্দ
শিশুকে calm হতে সাহায্য করে।
✨ ৫. Deep Pressure অনেক শিশুকে শান্ত করে
অনেক hyperactive শিশু deep pressure পছন্দ করে।
এতে তাদের শরীর নিরাপদ অনুভব করে।
যেমন— 🤍 জড়িয়ে ধরা
🤍 হালকা massage
🤍 কম্বল মুড়িয়ে রাখা
🤍 বালিশ চাপ দেওয়া
এসব nervous system calm করতে সাহায্য করতে পারে।
✨ ৬. একসাথে বেশি কথা বলবেন না
Hyperactive বাচ্চারা একবারে অনেক instruction process করতে পারে না।
তাই ছোট ছোট sentence ব্যবহার করুন— ✔️ “এখানে বসো”
✔️ “বলটা দাও”
✔️ “চলো খাই”
চোখে চোখ রেখে শান্তভাবে বলুন।
✨ ৭. পর্যাপ্ত ঘুম খুব গুরুত্বপূর্ণ
কম ঘুম হলে শিশুর brain আরও sensitive হয়ে যায়।
ফলে hyperactivity, কান্না আর tantrum বাড়তে পারে।
ঘুমের আগে— 🌙 screen বন্ধ করুন
🌙 light dim করুন
🌙 শান্ত rhyme বা গল্প বলুন
এগুলো শিশুর brain relax করতে সাহায্য করে।
✨ ৮. খাবারের প্রতিও নজর দিন
অতিরিক্ত sugar, chocolate, soft drinks বা junk food কিছু শিশুর hyper behaviour বাড়াতে পারে।
তাই healthy খাবার, পানি আর ফলমূল বেশি দিন।
সবশেষে একটা কথা—
হাইপার একটিভ শিশুরা “দুষ্ট” না।
তাদের ছোট্ট brain শুধু পৃথিবীটাকে একটু বেশি এনার্জি নিয়ে অনুভব করে। 🌸
ধৈর্য, ভালোবাসা আর সঠিক guidance-ই তাদের সবচেয়ে বড় support। 💛
03/05/2026
প্রিস্কুল একটিভিট❤️
29/04/2026
০–৫ বছর সময়কে বলা হয় Early Childhood Development এর “গোল্ডেন পিরিয়ড”।
এটা “গোল্ডেন পিরিয়ড” বলা হয় কারণ—
এই সময়েই শিশুর মস্তিষ্ক সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পায়। জন্মের পর প্রথম ৫ বছরে প্রায় ৮০–৯০% ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট হয়ে যায়। এই সময় যা শেখে, দেখে, শোনে—সবকিছু তার ভবিষ্যতের আচরণ, বুদ্ধি, ভাষা ও সামাজিক দক্ষতায় গভীর প্রভাব ফেলে।
এই বয়সে:
ভাষা শেখার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি থাকে
নতুন কিছু শেখা খুব সহজ হয়
অভ্যাস ও আচরণের ভিত্তি তৈরি হয়
ভালোবাসা, যত্ন ও নিরাপত্তা শিশুর মানসিক বিকাশে বড় ভূমিকা রাখে
তাই এই সময়টা শিশুর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—ঠিকভাবে যত্ন, খেলাধুলা, কথা বলা, এবং স্ক্রিন কমিয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা দেওয়া খুব দরকার।
28/04/2026
অটিজমে আক্রান্ত শিশুরা কেন একাকী হাসে :
১।অটিজম শিশুদের মস্তিষ্ক পরিবেশ থেকে আসা উদ্দীপনাগুলোকে ভিন্নভাবে গ্রহণ করে। অনেক সময় তাদের অভ্যন্তরীণ কোনো অনুভূতি (যেমন: ত্বকে কাপড়ের স্পর্শ বা বাতাসের ঝাপটা) তাদের কাছে খুব আনন্দদায়ক মনে হতে পারে।
২। অনেক শিশু তাদের প্রিয় কোনো দৃশ্য, কার্টুনের অংশ বা পুরনো কোনো মজার কথা মনে করে হাসে। যেহেতু তাদের মধ্যে Social Communication-এর ভিন্নতা থাকে, তাই তারা সেই হাসির কারণটি অন্যদের সাথে শেয়ার করার প্রয়োজন বোধ করে না।
৩। মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেম (Limbic System), যা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে, সেখানে উদ্দীপনার ভারসাম্যহীনতার কারণে অনেক সময় 'Inappropriate Affect' বা অপ্রাসঙ্গিক আবেগ প্রকাশ পেতে পারে।
৪. স্ব-উদ্দীপনা বা 'স্টিমিং' (Self-Stimulation/Stimming)
হাসি অনেক সময় একটি মৌখিক স্টিমিং হিসেবে কাজ করে। এটি তাদের স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করতে বা অতিরিক্ত উত্তেজনার সময় নিজেকে সামলাতে সাহায্য করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Aysha Palace
Dhaka
1203