25/05/2026
َاَللّٰهُمَّ مِنْكَ وَ لَك
FOR OPEN ISLAMIC EDUCATION
25/05/2026
َاَللّٰهُمَّ مِنْكَ وَ لَك
19/05/2026
প্রাচীন আরবে শিকারীদের দলে ‘হাবিল এবং নাবিল’ এ দুই শ্রেণীর লোক থাকতো। বড় শিকারের ক্ষেত্রে একজন পশুর গলায় ফাঁস পড়িয়ে দেয় অন্যজন তীর বা বর্ষা নিক্ষেপ করে পশুকে হত্যা করে।
তো একদিন হয়েছে কী। দুই শিকারী বের হয়েছে। কিন্তু শিকারের ঠিক মুহূর্তে দেখা গেলো, যার হাতে রশি থাকার কথা ছিলো তার হাতে তীর। আর তীরন্দাজের হাতে রশি। বিষয়টা এলোমেলো হয়ে যায়। তখন থেকে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি বোঝাতে আরবিতে বলা হয়-
اختلط الحابل بالنابل
শাব্দিক অর্থ: ফাঁস নিক্ষেপকারী ব্যক্তি তীর নিক্ষেপকারীর সাথে মিশে গিয়েছে। হাবিল (যে ফাঁস দিয়ে পশুকে আটকায়)
নাবিল (যে বর্শা বা তীর নিক্ষেপ করে পশুকে হত্যা করে)
ঈসা ইবনে মারইয়াম আ. এর পরিবর্তে যখন ক্রুশবহনকারী যুবককে ভুল করে শূলিতে চড়ানো হলো। সে পরিস্থিতিকে বোঝাতে ‘ইখতালাত্বল হা-বিল বিন্ না-বিল’ রূপকটি ব্যবহার করা হয়েছে।
-ক্বসাস ৪র্থ খন্ডের দারস থেকে।
13/05/2026
প্রচলিত একটি তা'বির—
❝يجتزئ بما يسد الرمق❞
يجتزئ بِ= সন্তুষ্ট হওয়া।
يسد= বাঁধা দেওয়া।
الرمق= শেষ নি:শ্বাস।
শাব্দিক অর্থ— যা শেষ নি:শ্বাস\মৃত্যুকে বাঁধা দেয় তাতে সন্তুষ্ট হওয়া।
যে অর্থে ব্যবহার হয়— জীবনধারণের উপযোগী আহারে সন্তুষ্ট থাকা।
-ক্বসাসুন নাবিয়্যিন ৪র্থ খণ্ডের সবক থেকে।
09/05/2026
Center For Shariah Studies- এর মিশকাতের দারস থেকে কিতাবটি সংকলন করা হয়েছিলো। প্রফেসর শহীদ নকীব ভূঁইয়া সাহেব বেশ পরিশ্রম করে যত্নের সাথে কাজটি করেছিলেন। (আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলা মুহতারামকে উত্তম জাযা দান করুন, আমীন)
শরীয়াহর এমপাওয়ারমেন্টের জন্য যারা স্বপ্ন দেখেন, মেহনত করছেন বা করবেন বিশেষত তাদের জন্য এবং সাধারণভাবে সকলের জন্য কিতাবটি অবশ্য পাঠ্য এবং অত্যন্ত উপকারী বিবেচিত হবে ইনশাআল্লাহ। [পিডিএফ কমেন্ট বক্সে]
কুরবানি ওয়াজিব কী না জেনে নেই। নেসাব, ঋণ, মৌলিক প্রয়োজন ইত্যাদি সংক্ষেপে—
#মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত (ঋণ বাদ দিয়ে) সাড়ে ৭ ভরি স্বর্ণ (৮৭.৪৫ গ্রাম), অথবা সাড়ে ৫২ ভরি রূপা (৬১২.১৫ গ্রাম), অথবা সমপরিমাণ নগদ অর্থ বা সম্পদ থাকলে কুরবানী ওয়াজিব হবে। ২১ ক্যারেট (মধ্যম মানের) রৌপ্যের হিসেবে নেসাবের পরিমাণ হলো- দুই লাখ একানব্বই হাজার টাকা। (বাজার দর হিসেবে সামান্য কম-বেশি হবে)
#যিলহজ মাসের ১০ তারিখ ফজর থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত তিনদিনের যে কোনো দিন উল্লিখিত পরিমাণ অর্থ\সম্পদ থাকলে কুরবানি ওয়াজিব হবে।
#মৌলিক প্রয়োজন বলতে বোঝানো হয়- নিজের বসবাসের বাড়ি। নিজের ব্যবহারের যানবাহন। নিজের উপার্জনের উপকরণ এবং ব্যবহারের কাপড়-চোপড় ইত্যাদি।
#প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্ক নারী ও পুরুষ উভয়ের উপর কুরবানী ওয়াজিব হয়। যদি তারা নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হোন।
#যিলহজ মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত যদি কেউ এতটুকু ঋণগ্রস্ত হন যে, ঋণ পরিশোধ করলে তার সম্পদ নেসাবের নিচে নেমে যায়, তাহলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে না। তবে এটা শুধু তাদের জন্য প্রযোজ্য হবে যারা মৌলিক প্রয়োজন পূরণের জন্য ঋণ গ্রহণ করেছেন। যারা ব্যবসা ইত্যাদির প্রসারের জন্য ঋণ গ্রহণ করেন তারা এর অন্তর্ভুক্ত হবেন না।
#কুরবানি ও জাকাতের নিসাবের মধ্যে দু'টি মৌলিক পার্থক্য আছে-
১. জাকাত ফরজ হওয়ার জন্য নিসাব পরিমাণ সম্পদ পূর্ণ এক বছর থাকতে হয়। কিন্তু কুরবানি ওয়াজিব হওয়ার জন্য জিলহজের ১০ তারিখ সূর্যোদয় থেকে থেকে জিলহজ্বের ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকাই যথেষ্ট।
২. জাকাত ফরজ হয় সাধারণত স্বর্ণ, রূপা, নগদ অর্থ ও ব্যবসায়িক পণ্যের ওপর। কিন্তু কুরবানি ওয়াজিব হওয়ার ক্ষেত্রে মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত সব ধরনের সম্পদ হিসাবের অন্তর্ভুক্ত হয়। যেমন— অতিরিক্ত জমি। অতিরিক্ত বাড়ি। অতিরিক্ত গাড়ি। অতিরিক্ত পোশাক। সৌন্দর্য্যবর্ধক আসবাবপত্র ইত্যাদি।
عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
يَتَوَضَّأُ بِإِنَاءٍ يَسَعُ رِطلين وَ يَغْتَسِلُ بِالصَّاعِ.
আনাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ওযু করতেন এমন পাত্রে
যে পাত্রে দুই রিতল পানি ধরত এবং গোসল করতেন এক
সা' পানি দিয়ে । [সুনান আবু দাউদ, হাদীস-৯৫]
২ রিতল = ১ মুদ্দ
১ মুদ্দ = ৭৫০\৮০০ মি.লি. (রাসূল ﷺ-এর ওজুতে ব্যবহৃত পানির পরিমাণ)
এক সা' = ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম। (নবীজি ﷺ-এর গোসলে ব্যবহৃত পানির পরিমাণ)
ভিন্ন একটি বর্ণনাতে অতিরিক্ত ৩৭৫\৪০০ মি.লি পাওয়া যায়।
—ফিকহুস সুনান ওয়াল আছারের দারস থেকে
06/05/2026
যারা (খ্রীস্টানরা) তোমার (ঈসা আ. এর) আনুগত্য করেছে তাদেরকে উপরে রাখবো তোমাকে যারা (ইহুদিরা) অবিশ্বাস করেছে তাদের— কিয়ামত পর্যন্ত।’
এ আয়াত থেকে বোঝা যায়, ইহুদি কর্তৃক খ্রীস্টানদের নিয়ন্ত্রিত হওয়ার জনপ্রিয় ধারণাটি সঠিক নয়। বরং ইহুদিরা এখনো খ্রীস্টান কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।
অথবা বর্তমান ইহুদি কর্তৃত্বের ধারণা বাস্তবেও সঠিক হতে পারে। সেক্ষেত্রে বুঝতে হবে এটা একটা অন্তর্বর্তীকালীন সময়। চূড়ান্ত কর্তৃত্ব খ্রীস্টানদের হাতেই চলে যাবে।
-ক্বসাস ৪র্থ খন্ডের দারস থেকে
04/05/2026
আন্ডার লাইন করা বাক্যটির শাব্দিক অর্থ হল- তারা সকলে একটি ধনুক থেকে তাকে নিক্ষেপ করলো। তবে বাক্যটি মূলত ঐক্যবদ্ধভাবে কোনো কাজ করা বুঝায়। তাহলে মূলত অর্থ দাঁড়াচ্ছে— ‘তারা ঐক্যবদ্ধ ভাবে তাকে আক্রমণ\নিক্ষেপ করলো’।
* ক্বওস শব্দটা ‘মুআন্নাছ সামায়ি’। অর্থাৎ এ শব্দটি মুআন্নাছ হবার জন্য কোনো আলামতের প্রয়োজন হয় না। কারণ শব্দটি নাহুর নিয়মে মুযাক্কার হলেও প্রচলন হয়েছে মুআন্নাছ হিসেবে। এখন গ্রামার দিয়ে তো ক্লাসিক আরব প্রচলনকে পাল্টে দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে গ্রামার নিজের সম্মান বাঁচাইতে নতুন আরেকটা পরিভাষা বের করেছে ’মুআন্নাছ সামায়ি’। সহজ কথায় এর অর্থ হলো নাহুর নিয়মের মধ্যে না পড়লেও এ ধরণের শব্দকে সম্মানের সাথে মুআন্নাছ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
-ক্বসাস ৪র্থ খন্ডের দারস থেকে।
প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ্।
মাছ ছাড়া সামুদ্রিক যে কোনো প্রাণী যেমন- কাকরা, স্কুইড, অক্টোপাস খাওয়া কি জায়েয আছে? নাকি এগুলো খাওয়া হারাম?
উত্তর: যে সকল প্রাণী শুধু সমুদ্রেই বসবাস করে, ডাঙ্গায় ওঠে না। সমুদ্রের সে সকল প্রাণী আহার করা বৈধ। (ফাতাওয়া আল লাজনাতিদ্ দা'ইমাহ্)
..أُحِلَّ لَكُمْ صَيْدُ الْبَحْرِ وَطَعَامُهُ
‘সমুদ্রের শিকার এবং আহার তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে’। (সূরা মায়েদা : ৯৬)
শর্ত: মানুষের জন্য ক্ষতিকর কিছু সে প্রাণীতে থাকা যাবে না।
তা'বির কী বা কেমন হয়? একটি উদাহরণ দেখুন
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°° °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
‘লা জাদি-দা ওলা মাযি-দা’ বাক্যাংশটি আরবি ভাষার একটি প্রকাশভঙ্গি বা তা'বির। তা'বিরটি দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে বলা হয় যে, সেখানে খুব অবাক করার মতো নতুন কিছু ঘটেনি। বরং তার উদাহরণ অতীতেও আছে বা কোনো বিষয়ে এক বিন্দুও বাড়িয়ে বলা হয়নি। যেমন নিচের প্যারায় বলা হচ্ছে—
فَيُعِيدُ بِكُل ذَلِكَ الثَّقَةَ بِمَا جَاءَ فِي التَّوْرَاةِ مِنْ خَبَرِ مُعْجِزَاتِ الرُّسُلِ، وَأَخْبَارِ الْقُدْرَةِ الْإِلَهِيَّةِ، وَقُوَّةَ الْإِرَادَة
الرَّبَّانِيَّةِ ، فَقَرَّرُوا أَنْ ’لا جَديدَ وَأَنْ لا مَزِيدَ‘ فيما عَلِمُوهُ وَشَاهَدُوهُ .
..রাসূলগণের মু'জিযা, আল্লাহর কুদরত এবং আল্লাহর ইরাদার শক্তিসংক্রান্ত যে সকল বর্ণনা তাওরাতে এসেছে সে সকল বিষয়ে তাদের আস্থাকে ফিরিয়ে আনলো। ফলে তারা এই সিদ্ধান্তে আসলো যে, তারা তাওরাতে যা জেনেছে এবং প্রত্যক্ষ করেছে সেখানে ‘লা জাদিদা ওলা মাযিদা’... অর্থাৎ তা অতীতেও ঘটে যাওয়া স্বত:সিদ্ধ সত্যের পুণরাবৃত্তি মাত্র। নতুন বা সংযোজিত কোনো বিষয় নয়।
— ক্বসাসুন নাবিয়্যিন ৪র্থ খণ্ডের দারস থেকে।
| Monday | 06:00 - 23:00 |
| Tuesday | 06:00 - 23:00 |
| Wednesday | 06:00 - 23:00 |
| Thursday | 06:00 - 23:00 |
| Friday | 06:00 - 07:30 |
| 21:00 - 22:30 | |
| Saturday | 06:00 - 23:00 |
| Sunday | 06:00 - 23:00 |