Pro Health Education

Pro Health Education

Share

সফলতার উক্তি আমার জানা নেই 😔
_তবে এটুকু বিশ্বাস করি_
_আল্লাহ চাইলে একদিন সব হবে --ইনশাআল্লাহ--

21/01/2025

ছবিটা আমার নজর কেড়েছে। সকলের জানা উচিৎ

০১. আপনার পাকস্থলী কখন ভীত; যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।

০২. আপনার কিডনি কখন আতঙ্কিত; যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

০৩. আপনার গলব্লাডার ভীত; যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।

০৪. আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।

০৫. বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ভাজা-পোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।

০৬. ফুসফুস তখন ভীত; যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।

০৭. লিভার ভীত; যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।

০৮. হৃদপিন্ড ভীত; যখন আপনি বেশি লবণ এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।

০৯. প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত; যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।

১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত; যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন।

১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত; যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।

সুতরাং আপনার শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গসমূহের যত্ন নিন।

20/01/2025

পড়ো! রেস্ট নাও,আবার পড়ো!
তুমি যে মা-বাবার হৃদপিণ্ড, হৃদপিণ্ড কখনো ক্লান্ত হয় না!

19/01/2025

থাইরয়েড থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

থাইরয়েড সমস্যা প্রধানত দেখা যায় স্ট্রেস, ডায়েটের সমস্যা। ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করলেই রেহাই পাবেন থাইরয়েড সমস্যা থেকে।

আয়োডিন ও খনিজসমৃদ্ধ খাবার থাইরয়েডের জন্য অনেক বেশি উপকারী। তাই যে খাবারে এই উপাদানগুলো বেশি থাকে যেমন, দুধ, পনির, দই এই ধরনের দুগ্ধজাতীয় খাবার থাইরয়েডের জন্য অনেক বেশি উপকারী। আয়োডিন সাপ্লিমেন্টও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

আপনার থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে কোনও ভাবেই চিনি খাবেন না। অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ফলে টি-৩ ও টি-৪ এই দুটি হরমোন উত্পন্ন হয়ে। যা স্বাস্থ্য়ের পক্ষে খারাপ।

যখন আমাদের দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়োডিন থাকে না তখন থাইরয়েড হরমোন তৈরি করতে পারে না। যা হাইপোথাইরয়েডিজম-এর দিকে পরিচালিত হয়ে। তাই আয়োডিন যুক্ত খাবার খান।

মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। থাইরয়েডের সমস্যা কম থাকে।

প্রতিদিনের খাবারে আয়রন কম পরিমাণে থাকলেও থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

হরমোন উৎপাদনের ভারসাম্যতা বজায় রাখতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অনেক উপকারী। এতে বিপাক ক্রিয়ার উন্নতি হয়। এ ছাড়া এটি শরীরের ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং শরীর থেকে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ বের করে পুষ্টি শোষণে সহায়তা করে।

আদায় বিভিন্ন রকম খনিজ যেমন- পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম থাকে। তাই এটি থাইরয়েডের সমস্যার জন্য অনেক কার্যকর। থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত আদা চা পান করা অনেক উপকারী।

থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে ভিটামিন বি খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে ভিটামিন বি১২ হাইপোথাইরয়েডিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই যেগুলো খাবারে এই ভিটামিন বেশি থাকে যেমন, ডিম, মাছ, মাংস, দুধ, বাদাম এগুলো প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অন্তভুক্ত করতে হবে যাতে এগুলি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন বি সরবরাহ করতে পারে।

ভিটামিন ডি এর অভাবেও অনেক সময় থাইরয়েডের সমস্যা হয়ে থাকে। আর একমাত্র সূর্যের আলোতেই শরীর ভিটামিন ডি প্রস্তুত করতে পারে। তাই দিনে অন্তত পক্ষে ১৫ মিনিট সূর্যের আলোয় থাকতে হবে। ভিটামিন ডি বেশি পরিমাণে থাকে এমন কিছু খাবার হচ্ছে- স্যালমন, ম্যাকারেল, দুগ্ধজাতীয় দ্রব্য, কমলালেবুর রস, ডিমের কুসুম ইত্যাদি।

যোগ ব্যয়াম ও ধ্যান থাইরয়েড গ্রন্থিতে রক্ত প্রবাহকে সঠিক রাখে।

Photos from Pro Health Education's post 18/01/2025

📍গর্ভনিরোধক পদ্ধতি ও পরিবার পরিকল্পনা (Birth Control Methods and Family Planning)

🔴গর্ভ নিরোধ (Contraception)

ক. অস্থায়ী পদ্ধতি (Temporary Methods)
১. শারীরিক পদ্ধতি :
🔹গর্ভনিরোধক এর শারীরিক পদ্ধতি হচ্ছে নিরাপদ সময় নির্বাচন ও শিশ্ন বহিষ্করণ।

◽নিরাপদ সময় নির্বাচন : মাসিক রজঃচক্রের প্রথম ও শেষ সপ্তাহের দিনগুলোতে ফেলোপিয়ান নালিতে কোনো পরিপক্ক ডিম্বাণু থাকেনা বলে ঐ সময়কে যৌন মিলনের নিরাপদ সময় বলে।
◽শিশ্ন বহিষ্করণ : সঙ্গমকালে শুক্রাণু স্খলনের মুহূর্তে যদি শিশ্নকে প্রত্যাহার করে দেহের বাইরে স্খলিত করা হয় তাহলে শুক্রাণু নিষেক ক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে না।
২. রাসায়নিক পদ্ধতি : শুক্রনাশক জেলি, ক্রিম, ফেনা বা ফোম বড়ি, জেল প্রভৃতি বিশেষ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যৌনমিলনের আগে স্থাপন করতে হয়। এটি ২০-৩০ মিনিট পর্যন্ত কার্যক্ষম থেকে স্থলিত শুক্রাণুকে বিনষ্ট করে দেয়।

৩. যান্ত্রিক পদ্ধতি : জন্মনিরোধক হিসেবে বেশ কয়েক ধরনের যান্ত্রিক পদ্ধতি রয়েছে :

🔻কনডম : এটি পুরুষের ব্যবহারের জন্য এক ধরনের পাতলা, লম্বাটে রাবারের থলি। সঙ্গমের পূর্বে শিশ্ন কনডমে আবৃত করে নিলে স্খলিত শুক্রাণু আর জরায়ুতে প্রবেশ করতে পারে না। কিছু ক্ষেত্রে মহিলাও কনডম ব্যবহার করতে পারে।
🔻ডায়াফ্রাম : এটি মিলনের পূর্বে জেলি বা ফোম সহযোগে স্বাস্থ্যকর্মী বা চিকিৎসকের সহায়তায় যোনিতে স্থাপন করতে হয় এবং যৌন মিলনের পর অন্ততঃ ৬ ঘন্টা সেখানেই রাখতে হয়। ডায়াফ্রাম ব্যবহারে কোন স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই, বরং জরায়ুর ক্যান্সার এবং কিছু যৌন রোগ প্রতিরোধ সহায়ক।
🔻স্পঞ্জ : এটি ভিজিয়ে যোনিতে স্থাপন করতে হয় এবং পর মুহূর্ত থেকেই কার্যক্ষম হলে ২৪ ঘন্টা অনবরত প্রতিরক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকে।
🔻অন্তর্জরায়ু গর্ভনিরোধক ব্যবস্থা : এ ব্যবস্থায় পলিথিন, তামা, রূপা বা স্টেনলেস স্টিল নির্মিত একটি ফাঁস (loop) জরায়ুর অভ্যন্তরে স্থাপন করলে তা জরায়ুর ভিতরে নিষিক্ত ডিম্বাণু রোপণে বাধা দান করে।
৪. শারীরবৃত্তীয় পদ্ধতি: এ ব্যবস্থার প্রধান উপকরণ জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ও ইনজেকশন।

🔻জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি : এটি বিভিন্ন অনুপাতে এস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মিশ্রণে তৈরি এবং মুখে গ্রহণযোগ্য বড়ি। রজঃচক্রের ৫-২৫ তম দিন পর্যন্ত প্রতিদিন একটি করে বড়ি গ্রহণ করতে হয়। এগুলো মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসের উপর কাজ করে ডিম্বপাতে বাধা দেয় এবং জরায়ুকন্ঠের মিউকাস ঝিল্লিকে শুক্রাণু প্রবেশের বিরোধী করে তোলে। এটি একটি বহুল প্রচলিত জন্মনিরোধক পদ্ধতি কিন্তু অনেক নারীর সাময়িক বমি বমি ভাব, ফোঁটা ফোঁটা স্রাব, উচ্চ রক্তচাপ বৃদ্ধির মত উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
🔻ইনজেকশন : বেশ কয়েকমাস যাতে গর্ভধারণ ঝুঁকি নিরাপদে এড়ানো যায় তার জন্য ইদানিং এক ধরনের ইনজেকশন আবিষ্কৃত হয়েছে। অনেক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকায় এর গুণগত মান উন্নয়নের চেষ্টা চলছে।
৫. গর্ভপাত : অস্ত্রোপচারের সাহায্যে ২-৩ মাস বয়সী ভ্রূণকে বিচ্যুত করিয়ে জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

খ. স্থায়ী পদ্ধতি (Permanent Methods)

🔴জন্মনিরোধের জন্য স্থায়ী পদ্ধতি অবলম্বন করাকে বন্ধ্যাকরণ (sterilisation) বলে। এটি নিচে বর্ণিত দুধরনের।

১. ভ্যাসেকটমি (Vasectomy): এ পদ্ধতিতে পুরুষের ক্ষেত্রে উভয় দিকের শুক্রনালির অংশকে কেটে বেঁধে দেয়া হয় যাতে শুক্রাণু বাইরে আসতে না পারে।

২. টিউবেকটমি (Tubectomy) বা লাইগেশন (Ligation): এ পদ্ধতিতে মহিলাদের ক্ষেত্রে উভয় দিকের ফেলোপিয়ান নালির (ডিম্বনালি) অংশ কেটে বেঁধে দেয়া হয় যাতে শুক্রাণু প্রবেশের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। অধিক সন্তানবতী বা যারা একেবারেই আর সন্তান চান না বা গর্ভধারণের জন্য শারীরিকভাবে অসুস্থ তাদের জন্য এ পদ্ধতি গ্রহণ করা প্রয়োজন।

Birth Control Methods and Family Planning-গর্ভনিরোধক পদ্ধতি

পরিবার পরিকল্পনা (Family Planning

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের উপায় (Ways to control the population)
প্রত্যেকটি দেশই অনন্য সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যে মন্ডিত। যে কোন বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের আগে এ দিকটি খতিয়ে দেখতে হয়। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিকেও প্রত্যেক দেশের আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা উচিত। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের উপায়গুলো নিম্নোক্ত ধরনের হতে পারে:

১. বিয়ের বয়স : নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে বিয়ের বয়স নির্ধারিত থাকবে এবং আইন লংঘনকারীদের উপযুক্ত শাস্তির বিধান থাকবে।

২. সন্তান সংখ্যা : দম্পতি পিছু “এক সন্তানই যথেষ্ট”এ শ্লোগান কার্যকর করতে হবে।

৩. বিবাহ বন্ধনের নিয়মকানুন : বিভিন্ন ধর্মমতের বিবাহ পদ্ধতিকে উৎসাহিত করতে হবে। কোথাও বহুবিবাহ সিদ্ধ থাকলে সেক্ষেত্রে সন্তানসংখ্যা সম্পর্কে কঠোর আইন এবং আইন লংঘনকারীর উপযুক্ত শাস্তির বিধান করতে হবে।

৪. শিক্ষা : প্রাথমিক পর্যায় থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কুফল সম্বন্ধে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করতে হবে এবং প্রত্যেক। দম্পতিকে জন্মনিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে। এজন্য দক্ষ মাঠকর্মী নিয়োগ ও অদক্ষদের ছাঁটাই করতে হবে।

৫. গর্ভনিরোধক ব্যবস্থা : কাঙ্ক্ষিত সন্তানসংখ্যা ও তা নির্দিষ্ট বয়স অর্জনের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সক্ষম। দম্পতিদের স্থায়ী গর্ভনিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য করাতে হবে। এ বিষয়ে গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও শহরের। ওয়ার্ড কমিশনারদের জবাবদিহিতার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৬. সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা : নির্ধারিত সময়ের পর বিয়ে এবং এক সন্তান / দুই সন্তানবিশিষ্ট পরিবারকে লেখাপড়া, ভ্রমণ ও চাকুরীতে বিশেষ সুযোগের ব্যবস্থা করতে হবে।

Nursing information & nurse life follow this page

Photos from Pro Health Education's post 17/01/2025

📌 Placenta Delivery Stage বা Third Stage of Labor । এটি গর্ভধারণের চূড়ান্ত ধাপ এবং ডেলিভারির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলা ভাষায় সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করা হলো :

🔴প্রসবের তৃতীয় ধাপ: প্লাসেন্টা ডেলিভারি

প্লাসেন্টা ডেলিভারি প্রসবের চূড়ান্ত পর্ব, যেখানে শিশুর জন্মের পর মায়ের গর্ভ থেকে প্লাসেন্টা বা অপরিপোষক যোনি দিয়ে বেরিয়ে আসে। এটি সাধারণত শিশুর জন্মের ৫-১৫ মিনিটের মধ্যে ঘটে। এই ধাপটি সফলভাবে সম্পন্ন করা মায়ের স্বাস্থ্যরক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তৃতীয় ধাপের প্রক্রিয়া:

১. শিশু জন্মের পর জরায়ুর সংকোচন

শিশু জন্মের পর জরায়ু পুনরায় সংকুচিত হয় এবং প্লাসেন্টা জরায়ুর দেয়াল থেকে আলাদা হতে শুরু করে।

এই সময়ে হালকা ব্যথা হতে পারে।

২. প্লাসেন্টা বের হয়ে আসা

প্লাসেন্টা আলাদা হওয়ার পর প্রসবপথ দিয়ে তা স্বাভাবিকভাবে বের হয়ে আসে।

এই প্রক্রিয়া কয়েক মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়।

প্লাসেন্টা ডেলিভারির দুটি পদ্ধতি:

১. নিয়মিত (Physiological Management):

এখানে কোনো ওষুধ বা চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। প্লাসেন্টা স্বাভাবিকভাবে বের হয়।

২. প্রশাসিত (Active Management):

জরায়ুর সংকোচন ত্বরান্বিত করার জন্য অক্সিটোসিন জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়।

এটি রক্তক্ষরণ কমাতে সাহায্য করে।

⭕তৃতীয় ধাপ সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

যদি প্লাসেন্টা সম্পূর্ণ বের না হয়, তাহলে পোস্টপারটাম হেমোরেজ (Postpartum Hemorrhage) বা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

এজন্য প্রসবের সময় চিকিৎসক বা মিডওয়াইফ এই ধাপটি বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।

🔸মায়ের যত্ন:

রক্তক্ষরণ কমানোর জন্য জরায়ুর উপরে হালকা চাপ প্রয়োগ করা হয়।

যদি প্লাসেন্টা স্বাভাবিকভাবে না বের হয়, তাহলে ম্যানুয়াল রিমুভাল করতে হতে পারে।

পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ খুব গুরুত্বপূর্ণ।

16/01/2025

হঠাৎ কেউ স্ট্রোক করলে কি করবেন ?

🔵১. প্রথম কাজ হবে ওই ব্যক্তির বিশ্রামের ব্যবস্থা করা।

🟢২. রোগীকে নড়াচড়া করা যাবে না। কারণ, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বিস্ফোরিত হতে পারে।

🛑৩. সেলাই সুই কয়েক সেকেন্ড আগুনের শিখার উপরে রেখে গরম করে নিয়ে সুঁচটি জীবানুমুক্ত করে সুচ দিয়ে রোগীর হাতের ১০টি আঙুলের ডগার নরম অংশে ছোট ক্ষত করতে হবে, এমনভাবে করুন যাতে প্রতিটি আঙুল থেকে রক্তপাত হয়। এরপর কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন, দেখবেন রোগী ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে।

🔵৪. যদি আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ বিকৃত হয় তাহলে তার কানে ম্যাসেজ করতে হবে। এমনভাবে ম্যাসেজ করতে হবে যাতে রোগীর কান লাল হয়ে যায়। লাল হলে বুঝতে হবে কানে রক্ত পৌঁছেছে।

🟢৫.এরপর দুই কান থেকে দুই ফোঁটা রক্ত পড়ার জন্য কানের নরম অংশে সুচ ফুটাতে হবে। কয়েক মিনিট পর দেখবেন মুখ আর বিকৃত হবে না।

🙏জনস্বার্থে প্রচারিত 🙏

16/01/2025

আইসিইউ রোগীর নিকটাত্মীয়দের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন , কিছু বিভ্রান্তি এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা :-

প্রশ্ন ১ :
‘ স্যার আমার রোগী লাইফ সাপোর্ট মেশিনে আছে ….. কিন্তু রোগীতো নড়াচড়া করেনা ! আমার তো মনে হয় রোগী আর বাঁইচা নাই ! ‘

উত্তর :
খুব সতর্কতার সাথে লক্ষ্য করুন -
একজন রোগী যখন নিজে নিজে আর কোন অবস্হাতেই শ্বাস নিতে পারেন না অথবা রোগীর ধমনীর রক্ত পরীক্ষা ( arterial blood gas analysis ) করে যখন দেখা যায় যে , রক্তে অক্সিজেনের ঘাটতির পরিমাণ এতোটাই বেশি যে অক্সিজেনের এই ঘাটতি জনিত কারণে রোগীর মস্তিষ্ক , হৃৎপিন্ড , কিডনী সহ সংবেদনশীল অংগগুলো যে কোন মুহূর্তেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে – তখন একজন আইসিইউ বিশেষজ্ঞ / চিকিৎসক রোগীর শ্বাসনালি দিয়ে একটি নল ঢুকিয়ে ( Endotracheal tube ) দেন এবং রোগীকে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস মেশিনের সাথে সংযুক্ত করেন l রোগীর শরীরের অক্সিজেনের এই ঘাটতি , ventilator নামক মেশিনটি পূরণ করার চেষ্টা করে । এক্ষেত্রে চিকিৎসকগণ রোগীর ফুসফুস সহ পুরো শরীর কে অবশ / paralyzed করে দেন এবং রোগী যাতে ঘুমন্ত অবস্হায় থাকেন এজন্য কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ প্রয়োগ করেন। এসব ওষুধ রোগীকে মানসিক চাপমুক্ত রাখে , রোগীকে নিস্তেজ রেখে ফুসফুসের অক্সিজেন প্রবাহ নিশ্চিত করে এবং রোগীকে ব্যাথামুক্ত রাখে l
এই সময় রোগী নড়াচড়া করতে পারেনা । ডাকলেও সহজে সাড়া দেয়না ।
কতক্ষণ রোগী এভাবে নিস্তেজ থাকবে তা রোগীর ফুসফুসের উন্নতি সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর নির্ভরশীল ।
এসময় রোগীর আত্মীয় স্বজনদের অনেকেরই ভুল ধারণা জন্মায় ‘ যেহেতু রোগী আর নড়ছে না , ডাকলেও শুনছে না , রোগী মৃত।

আশা করি বিষয়টা নিয়ে কিছুটা ধারণা দিতে পেরেছি ।
বাস্তবিক অর্থে ভেন্টিলেটর মেশিন বা কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস মেশিনের বিভিন্ন mode /প্রয়োগ কৌশল অনেক জটিল বিষয় ।

প্রশ্ন : ২

‘ আমার রোগীর হাত পা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে গেছে ,শরীর কালো হয়ে গেছে ।আর আপনারা ওনার গলায় ছিদ্র করেছেন / বগলে ছিদ্র করেছেন / বুকের উপরে ছিদ্র করেছেন ! আমি নিশ্চিত আমার রোগী মৃত !

উত্তর :
একজন রোগী যখন blood pressure / শরীরের রক্তচাপ নিজে নিজে আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, ( due to shock of any cause ) তখন রোগীর মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহও কমতে থাকে । রোগী আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে যায়, হৃৎপিণ্ডের রক্ত সঞ্চালন বা pumping ক্ষমতাও হ্রাস পেতে থাকে ,শরীরের শিরা উপশিরা সংকুচিত হয়ে আসে ( peripheral vesoconstriction ) । এমতাবস্থায় রোগীর হাত পায়ের শিরা উপশিরায় যদি ছিদ্র করা হয় ইনজেকশন বা জরুরী ওষুধ দেয়ার জন্য , অধিকাংশ সময়েই শিরায় রক্ত পাওয়া যায়না ( শিরার সংকোচনজনিত কারণে ) ।

একারণেই রোগীকে বাঁচানোর জন্য চিকিৎসকরা রোগীর বগলে , গলার ডান বা বাঁ পাশে , বুকের উপরাংশে , উরুতে ছিদ্র করেন । কারণ এখানকার শিরাগুলো রোগীর blood pressure অনেক কমে গেলেও সহজে সংকুচিত হয়না।
রোগীর প্রেসার বা রক্তচাপ কমে গেলে হাত পায়ের শিরার দ্রুত সংকোচন ( vesoconstriction ) জনিত কারণে রোগীর শরীর মৃতের শরীরের মতোই ঠান্ডা হয়ে যায় ।

অন্যদিকে রোগীর হৃৎপিন্ড , মস্তিষ্ক , কিডনী , লিভার সহ গুরুত্বপূর্ণ অংগের প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য চিকিৎসকরা dopamine , adrenaline, noradrenaline , vesopressine জাতীয় ওষুধ প্রয়োগ করেন ।

জীবনরক্ষাকারী এসব ওষুধ শরীরের হাত পায়ের রক্ত প্রবাহ কমিয়ে হৃৎপিণ্ড সহ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অংগকে বাঁচানোর প্রচেষ্টা করে । এক্ষেত্রে রোগীর গায়ে হাত দিলে খুবই শীতল মনে হয় , শরীর ফ্যাকাসে হয়ে যায় । রোগীর আত্মীয় স্বজন রোগীর শরীরের এই শীতলতা ও বর্ণহীনতাকে মৃতের শরীরের সাথে তুলনা করে ভুল করেন ।

আস্থা রাখুন –
মনের যে কোনো প্রশ্ন চিকিৎসককে বলুন।
( বি: দ্র:- আমি অত্যন্ত সহজ ও সাবলীলভাবে দুটি বিষয় বোঝানোর চেষ্টা করেছি এবং ব্যাখ্যা দিয়েছি । বাস্তবিকপক্ষে আইসিইউর চিকিৎসা প্রণালীর বিষয়গুলো অত্যন্ত জটিল । )

15/01/2025
Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka