30/05/2025
জনগনের স্বার্থে নাকি নিজেদের স্বার্থে সেটা আগে ক্লিয়ার করেন। গত ১৫ বছর জনগনের স্বার্থ কোথায় ছিলো?
বর্তমান সরকারকে সংস্কার এবং অনান্য বিষয়ে কোন ধরনের সহযোগীতা করতে তো দেখতেছি না। সারাদিন শুধু নির্বাচন নির্বাচন জপতে থাকেন।
এতই যদি জনগণের স্বার্থ চিন্তা করেন তাহলে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিচার এবং সংস্কার এ সহযোগিতা করুন। কারন জনগন আপাতত এ দুইটাই চায় অন্যকিছু না।
26/05/2025
আগে ছাত্রলীগ এ কাজ করতো এখন নতুনের আগমন ঘটেছে তারাও একই কায়দায় নিপিড়ন নির্যাতন চালাচ্ছে। যতদিন আমূল পরিবর্তন না হবে ততোদিন এমন চলতে থাকবে।
এ যেন নতুন বোতলে পুরাতন জিনিস।
23/05/2025
ভারতের মদদে বিএনপি এবং সেনাবাহিনী ডক্টর ইউনুসকে বিপদে ফেলেছে। তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করতেছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভুমিকা রাখতেছে বিএনপি। যে ভারতকে জনগন বয়কট করতেছে তারা ক্ষমতার জন্য পাগল হয়ে সেই ভারতের প্রেসক্রিপশন গ্রহন করতেছে।
18/05/2025
আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার জন্য বিএনপি উঠে পড়ে লেগেছে কারণ বিএনপি আর আওয়ামী লীগ একই। আগামীতে বিএনপি যেন বিপদে না পড়ে তাই আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন জরুরি। প্রকৃত পক্ষে বিএনপির নির্দিষ্ট কোন নেতা কর্মী নাই যারা আগে আওয়ামী লীগ করতো গুটি কয়েক ছাড়া বাকিরা খোলস পাল্টে বিএনপি হয়ে গেছে।
17/05/2025
সিংগাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইও ১৯৭৩ সালে গিয়েছিলেন কানাডার অটোয়াতে। বৃটিশ কমনওয়েলথ এর সম্মেলনে।
নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানও সেই সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়েছিলেন।
নবগঠিত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বোয়িং ৭০৭ নিয়ে অটোয়াতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবর রহমান।
প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইও তার প্রকাশিত বইয়ের একটি প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন (শেখ মুজিবর রহমান সম্পর্কে),
”আমি অটোয়াতে ল্যান্ড করেই দেখতে পেলাম গায়ে ‘বাংলাদেশ বিমান’ লেখা বোয়িং ৭০৭ প্যাসেঞ্জার এয়ারক্রাফট পার্কিং লটে পার্ক করা অবস্থায় রয়েছে এবং ঠিক ৮ দিন বাদে আমার ফেরার সময়ও দেখলাম সেই ‘বাংলাদেশ বিমান’টি ঠিক সেই একই জায়গাটিতেই ওভাবেই পরে রয়েছে।
আটটি দিন এতবড় একটা বিমান কোন আয়-রোজগার করছে না। ফেরার দিন আমার চোখ এড়ায়নি যে দু’টি ভ্যানে করে শপিং করা মালামাল সেই বিমানে লোড হচ্ছে।”
প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইও তার অবজারভেশনের শেষটায় বলেছিলেন “the poorer the country, the bigger the Cadillac’s they hired for their leaders”.
এই সেই প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইও যার হাতে গড়া সিংগাপুরের চাংগি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টটি আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা এয়ারপোর্টের একটা। আর ওদিকে ফাইভ স্টার এয়ারলাইন্স হিসাবে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে ‘সিংগাপুর এয়ালাইন্স’। চাংগিতে ল্যান্ড করলে আপনি বুঝতে পারবেন - এটা অন্য পৃথিবী।
প্রায় একই সংগে যাত্রা শুরু করে আজ সিংগাপুরিয়ানদের বার্ষিক অয় ৯৪ হাজার মার্কিন ডলার যা আমেরিকার চেয়েও বেশী; আর বাংলাদেশীরা আয় করছে ‘শুধুই চেতনা’।
©
16/05/2025
নিজেরা বললে দোষ নাই আমরা বললে যত দোষ।
15/05/2025
সামান্য একটা বোতলের আঘাতে সিটি স্ক্যান করানো লাগতেছে জনগনের টাকার কি পরিমাণ অপচয় করতেছে। হাসিনা আর এদের মধ্যে পার্থক্য কি রইলো??
゚
14/05/2025
ঢাবি শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচার করতে হবে।
ঢাবি ভিসি যখন ঢাবিতে বহিরাগত প্রবেশ নিষেধ করেন তখন ছাত্রদল এটার বিরোধিতা করেন। আজকে আবার তারাই ভিসির পদত্যাগ দাবী করতেছেন। লাশের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে।
14/05/2025
আব্দুল হামিদ থাইল্যান্ডে, মির্জা ফখরুল সাহেবও থাইল্যান্ডে আজকে আবার শেখ হেলালের মেয়ে আন্দালিব রহমান পার্থের বউ শাইরা শারমিন থাইল্যান্ড যেতে চাইলে তাকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ফেরত পাঠিয়েছেন।
ঘটনা তো সুবিধার মনে হচ্ছে না।
05/05/2025
জাকিররা শীর্ষ সন্ত্রাসী হয়ে উঠে এসব নেতাদের কারণে। যত খুন তত প্রমোশন।
জাকিররা জানে যত অপরাধই করুক আইন আদালত কিছুই করতে পারবে না যতোদিন নেতাদের আশীর্বাদ আছে।
27/04/2025
ফ্রান্স ১৯১৭ সালে চাদ দখলের সময় ৪০০ মুসলিম আলেমকে একত্র করে গলা কে/টে হ/ত্যা করেছিল। ১৮৫২ সালে যখন তারা আলজেরিয়ার লগওয়াত শহরে প্রবেশ করে, তখন একটি রাতেই শহরের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে মে/রে ফেলেছিল।
১৯৬০ থেকে ১৯৬৬ সালের মধ্যে ফ্রান্স আলজেরিয়ায় ১৭টি পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়, যার ফলে কত মানুষ মারা গেছে তার সঠিক হিসাব আজও অজানা। আনুমানিক ২৭,০০০ থেকে ১ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে বলে ধারণা করা হয়। আজও এর প্রভাব সেখানে অনুভূত হচ্ছে।
১৯৬২ সালে যখন ফ্রান্স আলজেরিয়া ত্যাগ করে, তখন তারা পেছনে রেখে যায় ধ্বংসের বীজ। পুরো আলজেরিয়ার জনগণের সংখ্যার (১ কোটি) চেয়েও বেশি ভূমিমাইন তারা সেখানে পুঁতে রাখে।
ফ্রান্স আলজেরিয়াকে ১৩২ বছর ধরে শাসন করেছে। প্রথম ৭ বছরে তারা ১০ লাখ মুসলমানকে হ/ত্যা করে, আর শেষ ৭ বছরে বিদায়ের আগে মেরে ফেলে আরও ১৫ লাখ মানুষকে।
ফরাসি ইতিহাসবিদ জ্যাক গোরকি হিসেব করে দেখিয়েছেন—১৮৩০ সালে আগমনের পর থেকে ১৯৬২ সালে বিদায় পর্যন্ত, আলজেরিয়ায় ফ্রান্সের হাতে মোট ১ কোটি মুসলমান শহীদ হয়েছেন।
তারা তিউনিসিয়াকে শাসন করেছে ৭৫ বছর, আলজেরিয়াকে ১৩২ বছর, মরক্কোকে ৪৪ বছর এবং মৌরিতানিয়াকে ৬০ বছর।
এছাড়া, বিখ্যাত মিশর অভিযানকালে ফরাসি সৈন্যরা মসজিদে ঘোড়া নিয়ে ঢুকেছিল। তারা নারীদের পরিবারের সামনেই ধ/র্ষণ করেছিল, মসজিদে বসে মদ পান করেছিল, এমনকি কিছু মসজিদকে ঘোড়ার আস্তাবল বানিয়ে ফেলেছিল।
তারপর আজ তারা বলে ইসলাম সন্ত্রা/সের ধর্ম, আর আমাদের প্রিয়নবী (সা.) নাকি সন্ত্রা/সের নেতা! নাউযুবিল্লাহ।
অথচ এই ইতিহাস জানার পরও কিছু মুসলিমকে দেখা যায় ‘ফ্রান্সের সভ্যতা’ নিয়ে গর্ব করতে, তাদের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে!
©