Private Edu Care

Private Edu Care

Share

private Exam consulting firm,
Only for Private Exam college.

25/08/2021

বই পড়ার ১২ টি গোপন উপকারিতা!

জীবনে সফলতা অর্জন করতে হলে বেশ কিছু গুণাবলি বা দক্ষতার প্রয়োজন পড়ে, হোক সেটি ব্যক্তিগত জীবন কিংবা চাকুরীজীবন। এমন অনেক সফল ব্যক্তিত্বের উদাহরণ রয়েছে যাঁরা নিজের চেষ্টায় বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেছেন। Warren Buffett, Bill Gates, Mark Cuban, Elon Musk, Mark Zuckerberg তাদের কে না চেনে! তাঁরা রয়েছেন পৃথিবীর সবচেয়ে সফল ব্যক্তিদের তালিকায় শীর্ষ স্থানে।

তোমরা কি জানো তাদের সবার মধ্যে একটি সাধারণ গুণাবলি রয়েছে। অনেকেই অনেক উত্তর বলবে কিন্তু সঠিক উত্তর কি জানো? সঠিক উত্তর হচ্ছে তাঁরা সবাই নিয়মিত বই পড়েন। তাঁদের মধ্যে জ্ঞান এর প্রতি যে অসীম তৃষ্ণা রয়েছে তা মেটানোর জন্যই হচ্ছে বই পড়া। Warren Buffett তাঁর পেশা জীবনের শুরুতে প্রতিদিন ৬০০-১০০০ পৃষ্ঠা নিয়মিত পড়তেন। Bill Gates প্রতিবছর ৫০ টি বই শেষ করেন। Elon Mask রকেট সায়েন্স এর বিদ্যা বই পড়ার মাধ্যমেই অর্জন করেছেন। Mark Cuban প্রতিদিন ৩ ঘণ্টার বেশি বই পড়েন।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, তাঁরা সফল হওয়া সত্ত্বেও তাদের জানার প্রতি রয়েছে অসীম আগ্রহ। তাই তাঁদের কাছে বই পড়ার গুরুত্ব কমে যায় নি। কারণ তারা জানেন বই পড়েই হওয়া যায় অনেক গুণাবলির অধিকারী। আজকে আমরা দেখবো বই কীভাবে আমাদের বিভিন্ন দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করে।

1️⃣ মানসিক চাপ হ্রাস:

কিছু মানুষ তাদের মানসিক চাপ কমাতে ব্যায়ামের আশ্রয় নেয়, কেউ কেউ আবার যোগব্যায়ামের দ্বারস্থ হয় তাদের স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে। জীবনে এমন কোন মানসিক চাপ নেই সেটি যেই পরিমাণই হোক না কেন, যা একটি ভালো গল্প সমাধান করতে পারে না। বই পড়ার মজা হচ্ছে এটি তোমাকে মুহূর্তের মধ্যেই কোন এক অজানা জগতে নিয়ে যাবে কিংবা এমন কোন সময়ে তুমি ভ্রমণ করবে যা তুমি কখনো কল্পনাও করোনি। একটি ভালো অনুচ্ছেদ তোমাকে প্রতিদিনের বাস্তবতা থেকে একটু হলেও রেহাই দেবে। এমনিভাবে তোমার মানসিক চাপ কমিয়ে শেষে তোমার মানসিক প্রশান্তি ফিরিয়ে আনবে।

2️⃣ শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধি:

বই পড়া শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধিতে অনেক বেশি সাহায্য করে। যত বেশি বই পড়বে তত বেশি তোমার শব্দভাণ্ডারে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন শব্দ যোগ হতে থাকবে। এবং এক সময় লক্ষ্য করবে তুমি তোমার কথাবার্তায় প্রায়ই সেসব শব্দ ব্যবহার করছো। এসব শব্দ ব্যবহার করে তুমি খুব সহজেই এবং স্পষ্টভাবে নিজেকে অন্যের কাছে তুলে ধরতে পারছো। নিজেকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা তোমার চাকুরিজীবনে এমনকি বাক্তিগত জীবনেও কী পরিমাণ সহায়ক হবে তা অবশ্যই তোমার অজানা নয়। এমনকি তোমার আত্মবিশ্বাস জোগাতেও অনেক সাহায্য করবে।
নতুন কোন ভাষা শিখতেও বই পড়ার কোন বিকল্প নেই। এটি তোমাকে খুব দ্রুত নতুন কোন ভাষা আয়ত্ত করতে সহায়তা করবে।

3️⃣ স্মৃতিশক্তি উন্নত করে:

তুমি যখন একটি বই পড় সেখানে দেখবে বিভিন্ন তথ্য দেয়া থাকে যা তোমাকে গল্পের স্বার্থেই মনে রাখতে হয়। যেমন: বিভিন্ন চরিত্র, ইতিহাস, পটভূমি, গল্পের উদ্দেশ্য, উপ-খণ্ড ইত্যাদি। এসব তথ্য আমাদের কাছে অতিরিক্ত মনে হলেও মস্তিষ্কের অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে সবকিছু মনে রাখার। প্রত্যেকটি নতুন স্মৃতি একটি নতুন Synapse তৈরি করে এবং বিদ্যমান স্মৃতিকে আরও শক্তিশালী করে এবং স্বল্পমেয়াদী স্মৃতিকে আরও উন্নত করে।

4️⃣ কল্পনাশক্তি ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে:

বই যেন তোমাকে এক কল্পনার রাজ্যে নিয়ে যাবে, তোমাকে দেখাবে কোন কিছুই যেন অসম্ভব নয়। পড়ার মাধ্যমেই দেখবে তোমার অনেক জানা জিনিস বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে আবিষ্কার করতে পারছো। জানতে পারছো কীভাবে আচরণের ভিন্নতায় ফলাফলেরও পরিবর্তন আসে। বই যেন এক বিশাল মাকড়শার জাল, যা সবকিছুকেই এক সূত্রে গেঁথে দেয়, তোমার জানা বিষয়ের সঙ্গে নতুন আবিষ্কৃত বিষয়কে জোড়া লাগিয়ে নতুন এক উত্তর কিংবা সমাধান বের করা যেন বইয়ের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য।

“A book must be the ax for the frozen sea within us.”
-Franz Kafka

5️⃣ মনযোগ বৃদ্ধি করে:

তথ্যপ্রযুক্তির যুগের সাথে তাল মিলাতে গিয়ে মানুষ যেন প্রযুক্তির গতিই আগে গ্রহণ করেছে। মানুষ এখন যে সমস্যাটির সবচেয়ে বেশি সম্মুখীন হয় তা হল মনোযোগের অভাব। ৫ মিনিটের বিস্তারে একদিকে যেখানে কোন কাজের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, আরেকদিকে হয়ত ইমেইল চেক করা হচ্ছে, আবার সেই সংগে কারো সাথে হয়ত করা হচ্ছে চ্যাট কিংবা ব্যবহার করা হচ্ছে স্মার্টফোন। এই ধরনের আচরণ কার্যক্ষমতা কমিয়ে বাড়িয়ে দেয় স্ট্রেস।

6️⃣ Analytical thinking কে উন্নত করে:

বই পড়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হচ্ছে Analytical thinking কে উন্নত করা। অনেকের কাজের ক্ষেত্রে দেখা যায় Analytical thinking খুব দরকার পড়ে, সেই ক্ষেত্রে বই পড়া খুব কাজে লাগতে পারে। এমনকি কখনো হয়েছে যে তুমি কোন রহস্যমূলক বই পড়ছো এবং পুরো বই পড়ার আগেই তুমি রহস্যটি সমাধান করে ফেলেছো? তার মানে তোমার ভালো দক্ষতা রয়েছে। মানুষের জীবনেও এমন অনেক পরিস্থিতি তৈরি হয় যেখানে Analytical thinking দিয়েই সেসব পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হয়।

“If we encounter a man of rare intellect, we should ask him what books he reads.”
-Ralph Waldo Emerson

7️⃣ যোগাযোগ এর মন্ত্র:

যোগাযোগ আমাদের জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্র যা শুধু বই পড়ার মাধ্যমেই প্রেরণ করা যায়। যারা বই পড়ে তারা খুব সহজেই অন্যের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। তারা জানে কোন পরিস্থিতিতে কি কথা বলতে হয় এবং কার সাথে কীভাবে কথা বলতে হয়। যারা বই পড়ে না তারা অনেক বিষয়েই সচেতন নয়। যারা কিছুই জানে না তাদের আসলে অন্যকে বলারও কিছু থাকে না।

সমাজে চলতে গেলে যোগাযোগ এর কোন বিকল্প নেই। বই পড়া যেমন তোমার জ্ঞানের পরিধি বিস্তারে সাহায্য করবে, তেমনি তোমাকে ভালো সংবাদদাতা হতেও সহায়তা করবে। বই পারবে তোমাকে পৃথিবীর সংগে যুক্ত করতে।

8️⃣ আত্মন্নোতিতে সাহায্য করে:
বই পড়া নিজেকে এক উন্নত আমি গঠনে সহায়তা করে। বই পড়ার মাধ্যমেই তুমি এক নতুন পৃথিবী আবিষ্কার করবে। যেই বিষয় নিয়ে তোমার আগ্রহ রয়েছে সেই বিষয়ে তোমার জ্ঞান আরও বৃদ্ধি করতে পারবে। বই পড়ার মধ্য দিয়েই তুমি তোমার অন্তরদৃষ্টির একটি সুগঠিত পন্থা এবং ভবিষ্যতের উত্তম কর্ম নির্ণয় করতে সক্ষম হবে।

“Books are the quietest and most constant of friends, they are the most accessible and wisest of counselors and the most patient of teachers” – Charles W. Elio

“Reading is to the mind, what exercise is to the body” – এই কথাটির মধ্যেই বই পড়ার গুরুত্ব বোঝা যায়। ব্যায়াম যেমন আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখে তেমনি বই পড়ার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের মনকে সুস্থ এবং প্রফুল্ল রাখতে পারি। আসলে বই পড়ার আনন্দ কখনোই শব্দ দিয়ে প্রকাশ করা সম্ভব নয় এটি শুধু অনুভব করা যায় অভিজ্ঞতা দ্বারা।

How to Create a Screen Recorder in Python 18/08/2021

How to Create a Screen Recorder in Python In today's video we will show you How to Create Screen Recorder in Python. Screen recording enables you to create demonstration videos, record gaming achievements and create videos that can be shared online on social media.

Photos from Computer Science and Programming Language Academy's post 23/07/2021
29/06/2021

সাধারণ শিক্ষার্থী বনাম তুখোড় মেধাবী শিক্ষার্থী

অনলাইনে এবং অফলাইনে শিক্ষকতা করার সুবাদে অনেক শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলা ও পড়ানোর সুযোগ হয়েছে আমার। সেদিক বিবেচনা করে আমার কাছে শিক্ষার্থী মূলত দুই ধরণের।

এক হলো ভালো শিক্ষার্থী, অপরটি হলো খুবই ভালো শিক্ষার্থী। আমার কাছে সবাই ভালো শিক্ষার্থী আর কেউ কেউ আছে যারা হলো খুবই ভালো শিক্ষার্থী। একজন ভালো শিক্ষার্থী আর একজন খুবই ভালো অর্থাৎ তুখোড় শিক্ষার্থীর মধ্যে কিছু ছোট্ট ছোট্ট পার্থক্য রয়েছে। এই ছোট্ট ছোট্ট বিশেষত্বগুলোই একজন শিক্ষার্থীকে সাধারণ থেকে তুখোড় মেধাবী হিসেবে গড়ে তোলে।

চলো জেনে নেওয়া যাক একজন তুখোড় মেধাবীর বিশেষত্বগুলো সম্পর্কে!

১) লেকচার কী নিয়ে সে সম্পর্কে ধারণা রাখে আগে থেকেই –

একজন তুখোড় মেধাবী ক্লাস বা লেকচারে কী নিয়ে কথা বলা হবে সেটা নিয়ে বিস্তারিত ধারণা রাখে ক্লাসের আগে থেকেই। এবং তার পাশাপাশি ওই টপিক নিয়ে তার যাবতীয় কনফিউশন আর সমস্যাগুলোকে মার্ক করে নোট ডাউন করে রাখে। এবং সেগুলো ক্লাসেই সমাধান করিয়ে নেয়। ওরা ফ্লিপড ক্লাসরুম মডেল অনুসরণ করে। ক্লাসে সক্রিয় অংশগ্রহণ করা ওদের অভ্যাস।

যারা সাধারণ থেকে তুখোড় মেধাবী হতে ইচ্ছুক তাদের বলছি, এখন থেকেই প্রতিটি ক্লাস বা লেকচারে অংশ নেওয়ার আগে সেখানে কী নিয়ে কথা বলা বা আলোচনা করা হবে সেটা নিয়ে আগে থেকে ধারণা নাও। প্রবলেম আর কনফিউশনগুলোকে মার্ক করে রাখো আগেভাগেই।

২) আত্মবিশ্বাসী, উদ্যমী আর প্রত্যয়ী মনোভাববিশিষ্ট –

একজন সাধারণ আর একজন তুখোড় মেধাবীর আত্মবিশ্বাসের তফাত একদম আকাশ-পাতাল। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী নিজের যোগ্যতা আর অবস্থান নিয়ে সংশয়ে ভোগে। সবসময় শর্টকাট বা কম পরিশ্রমে সফলতা অর্জনের রাস্তা খোঁজে। তবে একজন মেধাবী শিক্ষার্থী তার অবস্থান নিয়ে সচেষ্ট এবং তার আত্মবিশ্বাস দৃঢ়। তারা সব সময় নতুন কিছু জানা আর শেখার জন্যে আগ্রহী। ওদের লক্ষ্য পূর্ব নির্ধারিত এবং ওরা এই লক্ষ্য অর্জনের নিমিত্তে প্রতিনিয়ত উদ্যমের সাথে কাজ করে যায়।

৩) জেদ থাকাটা জরুরি –

শিক্ষক হবার সুবাদে অনেক শিক্ষার্থীদের অনেক রকমের সমস্যা শোনার সুযোগ হয়েছে আমার। বেশ সাধারণ একটা অভিযোগের মধ্যে একটা হলো পড়াশোনা নিয়ে বাবা – মায়ের শাসন। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী থেকে একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হওয়ার যে জার্নি, সেখানে বাবা – মা কিন্তু কাউকে ঠেলে বা টেনে বেশি দূর নিয়ে যেতে পারবেন না। এই ক্ষেত্রে নিজের জেদ, ইচ্ছা, আগ্রহ আর প্রচেষ্টার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।

আর যারা বাবা – মায়ের শাসন নিয়ে কিঞ্চিত বিরক্ত তাদের জন্য বলি, বাবা – মা আর অভিভাবকেরা আমাদের ভালোই চান আর তাই তারা আমাদের ভুলগুলো শুধরে দেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত চেষ্টা করেন। সন্তান হিসেবে আমাদেরও কর্তব্য তাদেরকে এই নিশ্চয়তাটুকু দেওয়া যে আমরাও আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্ক।

৪) Be stronger than your strongest excuse –

কথায় বলে বাঙ্গালীর তিন হাত। ডান হাত, বাম হাত আর অজুহাত। অজুহাত দেখানোর সুযোগ পেলে সেটাকে হাতছাড়া করার মতো ভুল সচরাচর আমরা বাঙ্গালীরা সাধারণত করি না। এখানেও সাধারণ আর মেধাবী শিক্ষার্থীর মধ্যে তফাত। সাধারণ শিক্ষার্থীরা যেকোনো অজুহাত পাওয়া মাত্রই সেটার সদ্ব্যবহার করে ফেলে। অন্য দিকে অজুহাত তুখোড় মেধাবীদের কাছে তেমন একটা পাত্তা দেয় না।

হাজারটা অজুহাত থাকা সত্ত্বেও দিনশেষে পড়াটা শেষ করেই ফেলে ওরা। ওদের জেদ আর উদ্যমের কাছে হেরে যায় সব ধরণের অজুহাত। তাই তুখোড় মেধাবী হওয়ার অন্যতম পূর্বশর্ত হলো অজুহাতকে এড়িয়ে চলার ক্ষমতা রাখা।

৫) Be Proactive. Don’t be Reactive –

Proactive হলো সেসব শিক্ষার্থীরা যারা সকল কিছু নিয়েই আগে থেকেই ধারণা রাখে। তুখোড় মেধাবীরাই হলো proactive। পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যান্য অনেক কিছু নিয়ে ধারণা রাখে তারা। পড়াশোনার পাশাপাশি সহ-শিক্ষা কার্যক্রমেও ওদের সরব উপস্থিতি। এবং শেষ পর্যন্ত সফলতার সাক্ষাত পায় ওরাই।

অন্যদিকে Reactive হলো সেসব শিক্ষার্থীরা যাদেরকে তাড়া দিয়ে দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে হয়। বার বার মনে করিয়ে দিতে হয়। তাই,

Be Proactive. Don’t be Reactive.

আর Proactive হওয়ার পাশাপাশি অভ্যাস করো ফলো আপের। কোনো ফেস্টে অ্যাপ্লাই করেই থেমে যেও না। খোঁজ করো নতুন কোনো তথ্য এলো কিনা। একটা নতুন কিছু পড়লে বা শিখেই রেখে দিলে চলবে না। আমরা অনেকেই ভোকাবুলারি শিখি, রেখে দেই আর তারপর ভুলে যাই। এটা অনুচিত। নিয়ম করে ফলো আপ করো অর্থাৎ রিভিশন দাও।

৬) লক্ষ্য থাকা চাই পূর্ব নির্ধারিত –

“যদি লক্ষ্য থাকে অটুট
বিশ্বাস হৃদয়ে
হবেই হবে দেখা
দেখা হবে বিজয়ে।”

প্রথমত লক্ষ্য থাকা চাই পূর্ব নির্ধারিত এবং স্থির। তুখোড় মেধাবীরা এই লক্ষ্য সংক্রান্ত ব্যাপারে সবসময়ই সতর্ক থাকে। এরা এদের স্থির করা লক্ষ্য অর্জনের নিমিত্তে প্রতিনিয়ত কাজ করে যায়। অন্যদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই এই লক্ষ্যের ব্যাপারে কিছুটা উদাসীন

৭) শিক্ষককে সাহায্য করার মানসিকতাটাও থাকা চাই –

একজন শিক্ষক হিসেবে আমার অভিধানে খারাপ শিক্ষার্থী বলে কোনো শব্দ নেই। কোনো শিক্ষার্থী আমার পড়ানো বুঝতে না পারলে সেটা একান্তই আমার ব্যর্থতা। এই একই অনুভূতিটা শিক্ষার্থীদের মাঝেও জাগ্রত হওয়া উচিত। আর তাহলেই সাধারণ থেকে তুখোড় মেধাবী শিক্ষার্থী হওয়ার পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া যাবে।

সাধারণ শিক্ষার্থীরা আজ থেকেই শুরু করে দাও এই অভ্যাসগুলোর অনুশীলন, আশা করি আমাদের সবার সাধারণ থেকে তুখোড় মেধাবী হওয়ার রাস্তা আরও সহজ হয়ে যাবে! আর তুখোড় মেধাবীরা চালিয়ে যাও এই সুন্দরের চর্চা! সবার জন্য শুভকামনা রইল!

29/05/2021

‘Admission Notice’ for ACBA Batch-19
------------------------------------------
Application Deadline: June 13, 2021
Cell: 01726-885329 / 01766-993390
E-mail: [email protected]
Application Form and Brochure at our web site www.iba-du.edu

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00