Metaphor Academic Care - MAC

Metaphor Academic Care - MAC

Share

Igniting Knowledge

19/11/2025

আসসালামু আলাইকুম
সবাই কেমন আছেন?
☘️শুভ সকাল☘️

07/09/2021

দেড় বছর বন্ধ থাকার পরে আগামী ১২ই সেপ্টেম্বর ২০২১ থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

22/03/2020
06/02/2020

All kinds of fobia( ভয়)
A
• Achluophobia - Fear of darkness
• Acrophobia - Fear of heights
• Aerophobia - Fear of flying
• Algophobia - Fear of pain
• Agoraphobia - Fear of open spaces or crowds
• Aichmophobia - Fear of needles or pointed objects
• Amaxophobia - Fear of riding in a car
• Androphobia - Fear of men
• Anginophobia - Fear of angina or choking
• Anthrophobia - Fear of flowers
• Anthropophobia - Fear of people or society
• Aphenphosmphobia - Fear of being touched
• Arachibutyrophobia - Fear of peanut butter
• Arachnophobia - Fear of spiders
• Arithmophobia - Fear of numbers
• Astraphobia - Fear of thunder and lightning
• Ataxophobia - Fear of disorder or untidiness
• Atelophobia - Fear of imperfection
• Atychiphobia - Fear of failure
• Automatonophobia - Fear of Human-Like Figures
• Autophobia - Fear of being alone
B
• Bacteriophobia - Fear of bacteria
• Barophobia - Fear of gravity
• Bathmophobia - Fear of stairs or steep slopes
• Batrachophobia - Fear of amphibians
• Belonephobia - Fear of pins and needles
• Bibliophobia - Fear of books
• Botanophobia - Fear of plants
C
• Cacophobia - Fear of ugliness
• Catagelophobia - Fear of being ridiculed
• Catoptrophobia - Fear of mirrors
• Chionophobia - Fear of snow
• Chromophobia - Fear of colors
• Chronomentrophobia - Fear of clocks
• Chronophobia - Fear of Time
• Claustrophobia - Fear of confined spaces
• Coulrophobia - Fear of clowns
• Cyberphobia - Fear of computers
• Cynophobia - Fear of dogs
D
• Dendrophobia - Fear of trees
• Dentophobia - Fear of dentists
• Domatophobia - Fear of houses
• Dystychiphobia - Fear of accidents
E
• Ecophobia - Fear of the home
• Elurophobia - Fear of cats
• Entomophobia - Fear of insects
• Ephebiphobia - Fear of teenagers
• Equinophobia - Fear of horses
G
• Gamophobia - Fear of marriage
• Genuphobia - Fear of knees
• Glossophobia - Fear of speaking in public
• Gynophobia - Fear of women
H
• Haphephobia - Fear of touch
• Heliophobia - Fear of the sun
• Hemophobia - Fear of blood
• Herpetophobia - Fear of reptiles
• Hippopotomonstrosesquipedaliophobia - Fear of Long Words
• Hydrophobia - Fear of water
• Hypochondria - Fear of illness
I
• Iatrophobia - Fear of doctors
• Insectophobia - Fear of insects
K
• Koinoniphobia - Fear of rooms
• Koumpounophobia - Fear of buttons
L
• Leukophobia - Fear of the color white
• Lilapsophobia - Fear of tornadoes and hurricanes
• Lockiophobia - Fear of childbirth
M
• Mageirocophobia - Fear of cooking
• Megalophobia - Fear of large things
• Melanophobia - Fear of the color black
• Microphobia - Fear of small things
• Mysophobia - Fear of dirt and germs
N
• Necrophobia - Fear of death or dead things
• Noctiphobia - Fear of the night
• Nosocomephobia - Fear of hospitals
• Nyctophobia - Fear of the dark
O
• Obesophobia - Fear of gaining weight
• Octophobia - Fear of the figure 8
• Ombrophobia - Fear of rain
• Ophidiophobia - Fear of snakes
• Ornithophobia - Fear of birds
P
• Papyrophobia - Fear of paper
• Pathophobia - Fear of disease
• Pedophobia - Fear of children
• Philematophobia - Fear of Kissing
• Philophobia - Fear of love
• Phobophobia - Fear of phobias
• Podophobia - Fear of feet
• Porphyrophobia - Fear of the color purple
• Pteridophobia - Fear of ferns
• Pteromerhanophobia - Fear of flying
• Pyrophobia - Fear of fire
S
• Samhainophobia - Fear of Halloween
• Scolionophobia - Fear of school
• Scoptophobia - Fear of being stared at
• Selenophobia - Fear of the moon
• Sociophobia - Fear of social evaluation
• Somniphobia - Fear of sleep
T
• Tachophobia - Fear of speed
• Technophobia - Fear of technology
• Tonitrophobia - Fear of thunder
• Trypanophobia - Fear of needles/injections
• Trypophobia - Fear of Holes
V-Z
• Venustraphobia - Fear of beautiful women
• Verminophobia - Fear of germs
• Wiccaphobia - Fear of witches and witchcraft
• Xenophobia - Fear of strangers or foreigners
• Zoophobia - Fear of animals

23/01/2020

আমরা যেভাবে ই-পাসপোর্ট পাবোঃ

প্রথমে রাজধানীর আগারগাঁও, উত্তরা ও যাত্রবাড়ী পাসপোর্ট অফিসে ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে ২০২০ সালের মধ্যেই সারাদেশে চালু হবে এই পাসপোর্ট সেবা। প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে।

নতুন প্রযুক্তির এই পাসপোর্ট কিভাবে পাওয়া যাবে?

ই-পাসপোর্টের আবেদনঃ

অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করে সাবমিট করতে হবে নতুন পাসপোর্টের জন্য। সেক্ষেত্রে আগেই ব্যাংকের অনলাইন মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে ব্যাংক থেকে সরবরাহ করা রেফারেল নম্বর কোডটি ব্যবহার করতে হবে অনলাইন আবেদন ফরমে। আবার কেউ চাইলে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড দিয়েও পাসপোর্ট ফি জমা দিতে পারবেন। প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে সাবমিট করার পর প্রিন্ট কপি নিতে হবে। সেই কপি স্ব-শরীরে গিয়ে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে হবে। আবেদন ফরমে ছবি ও সত্যায়ন করা না লাগলেও পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে।

অনলাইনে পূরণ না করে PDF ফরম ডাউনলোড করে হাতেও পূরণ করা যাবে। ফরম পূরণের সময় ছবি সত্যায়ন করতে হবে না। তবে বয়স্কদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদ দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় ই-পাসপোর্টের জন্য ডেমোগ্রাফিক তথ্য, ১০ আঙুলের ছাপ, চোখের কর্নিয়ার ছবি ও ডিজিটাল সই সংগ্রহ করবে পাসপোর্ট অফিস। এসব তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ডাটা সেন্টার ও ডিজ্যাস্টার রিকভারি সেন্টারের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পাসপোর্টের আবেদনকারীদের পাসপোর্ট দেওয়ার জন্য পার্সোনালাইজেশন সেন্টারে পাসপোর্ট প্রিন্টিংয়ের পর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ও দূতাবাসগুলোয় পাসপোর্ট বিতরণ করা হবে। সব তথ্য চিপে যুক্ত থাকবে। ইমিগ্রেশন পুলিশ বিশেষ যন্ত্রের সামনে পাসপোর্টের পাতাটি ধরতেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে।

কত টাকা ও কত দিনে হাতে পাবো ই-পাসপোর্ট?

নিম্নোক্ত হারে পাসপোর্ট ফি প্রযোজ্য হবে (ভ্যাটসহ) :
৫ বছর মেয়াদী ৪৮ পাতার পাসপোর্ট বইঃ
সাধারণ (২১ কর্মদিবস), ৪০২৫/- টাকা
জরুরী (১০ কর্মদিবস) ৬৩২৫/- টাকা
অতি-জরুরী (২ কর্মদিবস) ৮৬২৫/- টাকা

১০ বছর মেয়াদী ৪৮ পাতার পাসপোর্ট বইঃ
সাধারণ (২১ কর্মদিবস), ৫,৭৫০/- টাকা
জরুরী (১০ কর্মদিবস) ৮,০৫০/- টাকা
অতি-জরুরী (২ কর্মদিবস) ১০,৩৫০/- টাকা

৫ বছর মেয়াদী ৬৪ পাতার পাসপোর্ট বইঃ
সাধারণ (২১ কর্মদিবস), ৬৩২৫/- টাকা
জরুরী (১০ কর্মদিবস) ৮৬২৫/- টাকা

অতি-জরুরী (২ কর্মদিবস) ১২০৭৫/- টাকা

১০ বছর মেয়াদী ৬৪ পাতার পাসপোর্ট বইঃ
সাধারণ (২১ কর্মদিবস), ৮,০৫০/- টাকা
জরুরী (১০ কর্মদিবস) ১০,৩৫০/- টাকা
অতি-জরুরী (২ কর্মদিবস) ১৩,৮০০/- টাকা

তবে পুরনো অথবা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রি-ইস্যু করার ক্ষেত্রে অতি জরুরি পাসপোর্ট দু’দিনে, জরুরি পাসপোর্ট তিন দিনে ও সাধারণ পাসপোর্ট সাত দিনের মধ্যে পাওয়া যাবে।
উল্লেখ্য যে, ছবিতে বর্ণিত টাকার পরিমান ভ্যাট ছাড়া এবং উপরে বর্ণিত টাকার পরিমান ভ্যাটসহ।

তথ্যসূত্রঃ WAB

21/01/2020

জনস্বার্থে ব্রেকিং নিউজ

10/11/2019

JSC schedule change again.

22/10/2019

বাংলাদেশে চার লাখের বেশি উচ্চশিক্ষিত তরুণ তরুণী এখন বেকার। কাঙ্খিত কর্মসংস্থান হিসেবে এদের প্রায় সবাই চায় সরকারি চাকুরি। কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে সবাই চাকরির বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হচ্ছে। যেখানে মোটামুটি সবার প্রথম পছন্দ বিসিএস এবং সরকারি চাকরি।

সর্বশেষ ৩৮তম বিসিএস পরীক্ষায় মাত্র ২ হাজার ২৪টি পদের বিপরীতে পরীক্ষা দিয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার চাকরিপ্রার্থী। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক, প্রায় চার লাখ আবেদন পড়ে ওই বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য।

সাধারণ শিক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, সমাজ, রাষ্ট্র বিজ্ঞানের মতো বিষয়ে পাশ করা ছাড়াও এখন বিবিএ, আইবিএ, বুয়েট থেকে বেরিয়েও অনেকে সরকারি কর্মকমিশনের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

বিসিএস তীব্র প্রতিযোগিতায় টিকতে অনেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা জীবনের শুরু থেকেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র কাদের মন্ডল প্রথম বর্ষ শেষ করেই বিসিএস প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।

তিনি বলেন, "আমাদের মতো সামাজিক বিজ্ঞান বা কলা অনুষদে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিসিএসই পারফেক্ট এবং যুগোপযোগী। বিবিএ ছাত্রদের জন্য বেসরকারি ব্যাংক এবং কর্পোরেট অনেক চাকরির সুযোগ আছে কিন্তু আমাদের সেটা নেই।"

বিসিএস পরীক্ষায় ভাল করলে তদবির ছাড়াও চাকরি হয় বলে শিক্ষার্থীরা মনে করছেন। সরকারি চাকুরির সুযোগ সুবিধা এবং নিরাপত্তা এখন অনেক বেশি বলেই সবার বিশ্বাস। নতুন যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে তাদেরও লক্ষ্য জীবনের লক্ষ্য- বিসিএস দিয়ে সরকারি চাকরি করা।

প্রথম বর্ষের ছাত্রী তানজিব ইসলাম বলেন, "বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কিন্তু ততটা নিরাপত্তা নেই। যেকোনো সময় চাকরি থাকতেও পারে, নাও থাকতে পারে। এজন্য আমাদের ফার্স্ট টার্গেটই হলো বিসিএস।"

আরেক ছাত্র তোফায়েল হক বলেন, "সরকারি চাকরিতে একটা সম্মান আছে। আবার বিবাহের ক্ষেত্রেও দেখা যায় সরকারি চাকরি থাকলে বেশি গুরুত্ব পায়।"

কিছুদিন আগেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের শিক্ষার্থীরা খুব একটা বিসিএস দিত না। কিন্ত এখন অনেকেই ঝুঁকছে সরকারি চাকুরির দিকে। বুয়েট এমনকি আইবিএ'র শিক্ষার্থীরাও এখন সরকারি চাকরির জন্য বিসিএস পরীক্ষা দিচ্ছে এবং সরকারি চাকরিতে যোগ দিচ্ছে।

বাণিজ্য অনুষদের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র জাকারিয়া বলেন, "আমি একজন উদ্যোক্তা হবো। এজন্য বিনিয়োগ দরকার। কিন্তু সেটা হয়তো আমি সময়মতো পাব না। ব্যবসার পরিবেশও একটা ব্যাপার। এসব কারণে অনেকেই উদ্যোক্তা হতে চায় না। বিসিএসের দিকে মুভ করে।"

মার্কেটিং বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র শোয়েব বলেন, "আমাদের অনেক বড় ভাইরা বিভিন্ন জায়গায় চাকরি বাকরি করছে। তারা প্রায়ই বলেন যে, প্রাইভেটে এসে কী করবি! এরচেয়ে সরকারিতে চেষ্টা কর, একবার হয়ে গেলে লাইফ সেটেল।"

বোঝা যাচ্ছে, বাংলাদেশে সিভিল সার্ভিসের চাকুরি এখন বেশ লোভনীয়। প্রতিযোগিতাও বেড়ে গেছে মারাত্মক। এখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও সরকারি চাকরির পেছনে ছুটছে।

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ'র ছাত্র জাহিদ হাসান বলেন, "সবাইতো আর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পায় না। বাধ্য হয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হচ্ছে। এখানে পড়েও অনেকে চেষ্টা করে বিসিএস দিয়ে সরকারি চাকরি করার। এখনতো সরকারি চাকরিতে সুযোগ সুবিধা অনেক বেশি। এজন্যই সবাই প্রথম চেষ্টা করে বিসিএস দিতে।"

বাংলাদেশে বাস্তবতা হলো উচ্চশিক্ষিত বেকার প্রতিনিয়ত বাড়ছে। কর্মসংস্থানের যে চিত্র তাতে উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে মাত্র চার শতাংশের সরকারি চাকুরির সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ বড় অংশেরই কর্মসংস্থান হতে হবে বেসরকারি ব্যক্তিমালিকানা খাতে। বেশিরভাগেরই যে সরকারি চাকরি হবে না এটা নিশ্চিত।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটে নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, "তিনটা জিনিস কাজ করে। একটা হলো প্রারম্ভিক বেতন আগে যেটা ভাল ছিল না এখন সেটা খুব ভাল। এখন শুরুতেই ৪০ হাজার টাকার ওপরে বেতন দেয়া হয়। সেই সাথে তাদের আরো অনেক রকম সুবিধা থাকে। বাইরে থাকলে বাড়ী ভাড়াটাড়া সব থাকে। তৃতীয়ত তাদের একটা ক্ষমতা থাকে। আর শেষ যেটা বলবো, ব্যক্তিখাতে গত দু'তিন বছর ধরে শিক্ষিত যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান খুব কমে গেছে।"

বিবিএ, এমবিএ করা বুয়েট বা আইবিএর শিক্ষার্থীদের নানা সুযোগ থাকা সত্বেও তারা সরকারি চাকরিতে আগ্রহী কেন এ প্রশ্নে মি. মনসুরের বিশ্লেষণ হলো বেসরকারি খাতে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অনেকে আসছেন লোভে পড়ে।

"তারা কাস্টমস ক্যাডার পছন্দ করে বা ইনকাম ট্যাক্স ক্যাডার পছন্দ করে। এটা শুধু লোভের জন্য, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। এটা দুঃখজনক। তাদের বিকল্প সুযোগ ছিল। একজন অসৎ অফিসার যতো অর্থ আয় করবে কোনো চাকরিতেই তার চাইতে বেশি বেতন দিতে পারবে না। কাস্টমসে একজন অসৎ অফিসার চাইলে বছরে কোটি আয় করতে পারবে। কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বছরে এক কোটি টাকা দিতে পারবে না।"

চাকরিপ্রার্থীদের অনেকের সঙ্গেই কথা হলো যারা চারবার পাঁচবার বিসিএস পরীক্ষা দিয়েছেন। তারা বলছেন, দুর্নীতি বা অনিয়মই সবার লক্ষ্য নয়। তরুণ প্রজন্ম চায় দেশের জন্য, মানুষের জন্য কিছু করতে। আর সেটা করা যায় সরকারি চাকরিতে ঢুকেই।

এদিকে সম্প্রতি কোটা সংস্কারের আন্দোলনের পর সরকারি চাকরিতে সব রকম কোটা বিলোপের ঘোষণা এসেছে। শিক্ষার্থীরা মনে করছেন এটি কার্যকর হলে ভবিষ্যতে বিসিএসের জন্য আগ্রহ, সেই সাথে প্রতিযোগিতাও আরো অনেক বাড়বে।

সূত্রঃ বিবিসি

18/09/2019

পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর সাপের কামড়ে হাতি মারা যায়, কিন্তু একটা প্রাণী মরে না।

#প্রাণীটির_নাম_ঘোড়া..!

সাপের কামড়ে কোনদিন ঘোড়া মরে না। তিনদিন অসুস্থ থাকে। তারপর সুস্থ হয়ে যায়। আর এই ঘোড়া থেকে আসে দুনিয়ার সব সাপের বিষের প্রতিষেধক "anti venom".

কোন একটি সাপ, ধরুন কিং কোবরা’র anti venom তৈরি করতে হলে যা করতে হয় তা হল, ওই সাপের বিষ ঘোড়ার শরীরে ঢুকিয়ে দিতে হয়। একটু বেশি পরিমাণ ঢোকালেও সমস্যা নেই। ঘোড়ার কিছু হবে না। কিছু হবে না বলতে, ঘোড়া মরবে না।

ঘোড়া তিনদিন অসুস্থ থাকবে। এরপর সুস্থ হয়ে যাবে। এই তিনদিনে ঘোড়ার রক্তে ওই সাপের বিষের anti venom তৈরি হয়ে যাবে।
এবার ঘোড়ার শরীর থেকে কিছু পরিমাণ রক্ত নিয়ে তার লাল অংশ আলাদা করা হয়। সাদা অংশ অর্থাৎ ম্যাট্রিক্স থেকে অ্যান্টি ভেনাম আলাদা করা হয়। এরপর তা প্রক্রিয়াজাত করে বাজারে পাঠানো হয়।

মানুষকে সাপে কামড়ালে সরাসরি ইনজেকশন দিয়ে পুশ করা হয়।

ভারতে গাদা গাদা অ্যান্টি ভেনাম প্রস্তুতকারক কোম্পানি আছে। পালের পর পাল ঘোড়া তাদের মূল সম্বল। ঘোড়া না থাকলে সাপের কামড় খেয়ে মানুষের বাঁচার সম্ভাবনা থাকতো না।

(সংগৃহীত)

12/04/2019

কৃষ্ণগহ্বরের প্রথম ছবি: অসম্ভব যখন বাস্তবতায় পরিণত হলো।

জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে আজকের দিনটি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। যা চিরকাল অদেখা থেকে যাবে বলে মানুষ ভেবেছে, সেই অদেখা আজ দেখা দিল। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কৃষ্ণগহ্বরের ছবিতোলা হয়েছে। আজ সেই ছবি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে সবার জন্য। বেঁচে থাকলে আজ সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন স্টিফেন হকিং। বিবিসিতে ব্ল্যাকহোল নিয়ে দুটো লেকচার দিয়েছিলেন তিনি। মজা করে বলেছিলেন,

কেউ যদি আসলেই কৃষ্ণগহ্বর শনাক্ত করতে পারে, তাহলে আমি নোবেল পেয়ে যাব!

হাতে হাতে পুরষ্কার হয়তো পাননি, কিন্তু নোবেলের চেয়ে বড় কিছু অর্জন করেছেন তিনি। ওপার থেকে কি দেখছেন তিনি? কে জানে!

ইভেন্ট হরাইজন নামের একটি টেলিস্কোপ কৃষ্ণগহ্বরের এই ছবিটি তুলেছে। গ্যালাক্সি মেসিয়ার ৮৭ এর কেন্দ্রে থাকা কৃষ্ণগহ্বরের ছবি তুলেছে এই নভোটেলিস্কোপটি। এই প্রকল্পের পরিচালক এবং কেমব্রিজের হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী শেপার্ড ডোলম্যান বলেছেন,

মানুষ জনমভর যাকে দেখা অসম্ভব বলে ভেবে এসেছে, আজ তা-ই দেখছি আমরা। শুধু দেখিইনি, এর ছবিও তুলেছি!

আসলে, কৃষ্ণগহ্বরের গল্পের শুরুতে সবার আগে আইনস্টাইনের কথা চলে আসে। চন্দ্রশেখরের গল্পটা চলে যায় আড়ালে। অথচ ১৯৩৯ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন একটি পেপার লিখেছিলেন, যার বিষয়বস্তু ছিল-

মহাকর্ষের টানে নক্ষত্র কখনো সংকুচিত হয়ে ধ্বসে পড়তে পারে না। কারণ, একটি নির্দিষ্ট সীমার নিচে পদার্থকে জোর করেও সংকুচিত করা সম্ভব নয়।

অনেক বিজ্ঞানীই আইনস্টাইনের এই মতামতের সঙ্গে একমত ছিলেন না। আর এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বিরোধী ছিলেন আমেরিকান বিজ্ঞানী জন হুইলার। অনেক দিক থেকেই যিনি আসলে ব্ল্যাক হোলের এই গল্পের নায়ক। ১৯৫০ থেকে '৬০ এর মধ্যকার গবেষণাগুলোতে তিনি বেশ জোর দিয়ে বলেছিলেন, একটা সময় এসে প্রায় সব নক্ষত্রই শেষ পর্যন্ত নিজের উপরেই ধ্বসে পড়বে। আর এই সম্ভাবনা সত্য হলে সেটা তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের জন্য কী ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে, সে ব্যাপারেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সেইসঙ্গে নক্ষত্রের এই ধ্বংসাবশেষ বা কৃষ্ণগহ্বরের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্যের ব্যাপারে অগ্রীম ধারণা করতে পেরেছিলেন তিনি। তবে এর শুরুটা করেছিলেন চন্দ্রশেখর।

একটি সাধারণ নক্ষত্রের জীবনকালের বেশিরভাগ সময় জুড়ে, বেশ কয়েক বিলিয়ন বছরব্যাপী নক্ষত্রটি তার নিজের মহাকর্ষীয় টানের বিরুদ্ধে নিজেকে ধরে রাখতে পারে। এক্ষেত্রে যে শক্তি লাগে, সেটা আসে নক্ষত্রের বুকে ঘটে চলা নিউক্লিয়ার ফিউশনের ফলে সৃষ্ট থার্মাল প্রেশার (Thermal Pressure) থেকে। আর, এই ফিউশন প্রক্রিয়ায় হাইড্রোজেন পরিণত হয় হিলিয়ামে।

নাসার ভাষ্যমতে, নক্ষত্ররা হলো প্রেশার কুকারের মতো। নক্ষত্রের বুকে যে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া ঘটে, তার ফলে যে বিস্ফোরক বল তৈরি হয়, সেটি একটি বহির্মুখী চাপ সৃষ্টি করে। এই বহির্মুখী চাপ মহাকর্ষকে বাধা দেয়। এ কারণে মহাকর্ষ তারার অভ্যন্তরীণ পদার্থগুলোকে টেনে ভেতরের দিকে আনতে চাইলেও পারে না।

ধীরে ধীরে একসময় নক্ষত্রের এই নিউক্লিয়ার জ্বালানী ফুরিয়ে যায়। তখনই নক্ষত্রটি সংকুচিত হতে শুরু করে। এ সময় কোনো কোনো নক্ষত্র নিজেদেরকে ধরে রাখার একটি উপায় বের করে নেয়। উপায়টি হলো, ‘সাদা বামন’ নক্ষত্রে পরিণত হওয়া। সুব্যহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর ১৯৩০ সালে প্রথমবারের মতো আমাদেরকে দেখিয়েছিলেন, সাদা বামন নক্ষত্রের ভর সূর্যের চেয়ে সর্বোচ্চ ১.৪ গুণ বেশি হতে পারে।

কথা হচ্ছে, কোনো নক্ষত্রের ভর তার চেয়েও বেশি হলে তখন কী হবে?

নক্ষত্রটি নিজের ভরের ফলে সৃষ্ট মহাকর্ষের টানে সংকুচিত হয়ে পরিণত হবে কৃষ্ণগহ্বরে। এই কৃষ্ণগহ্বরের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে মহাকর্ষ প্রচন্ড রকম শক্তিশালী। স্বয়ং আলোও এখান থেকে বের হয়ে আসতে পারে না। অথচ আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব স্বীকার করে নেয় যে, মহাবিশ্বের সবচেয়ে গতিশীল বস্তু হলো আলো।

তার মানে দাঁড়াচ্ছে, একবার কিছু কৃষ্ণগহ্বরের ভেতরে ঢুকে পড়লে আর বেরিয়ে আসতে পারবে না। আমাদের সৌভাগ্য, কৃষ্ণগহ্বরের এই রাক্ষুসে ক্ষুধার দৌরাত্ম্য আসলে তার চারপাশের ঘটনা দিগন্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। ঠিক এই সীমানা পর্যন্তই কৃষ্ণগহ্বরের প্রবল মহাকর্ষ আলোকে আটকে রাখতে পারে। তবে ঘটনা দিগন্তের বাইরেও এর কিছুটা প্রভাব তো পড়েই (আসলে অনেক বেশিই পড়ে। ভুলে গেলে চলবে না, সূর্য যেমন তার ভর দিয়ে সৌরজগতকে ধরে রেখেছে, তেমনি একটি গ্যালাক্সির সব কিছুকে নিজের সাথে ধরে রাখে কৃষ্ণগহ্বর)।

এই প্রভাবের ফলেই কিছু কৃষ্ণগহ্বরের ঘটনা দিগন্তের একটু বাইরে চারপাশ জুড়ে জমা হয় গ্যাসের দলা, ধুলোবালি এবং মহাকাশে ভেসে বেড়ানো মহাজাগতিক পদার্থ বা উল্কা। মথ যেমন আলোর বুকে আত্মাহুতি দেয়, তেমনি এরাও কৃষ্ণগহ্বরের বুকে আত্মবলি দেয়ার অপেক্ষায় থাকে।

কথা হচ্ছে, যে কৃষ্ণগহ্বর থেকে কিছুই বেরিয়ে আসতে পারে না, সেটার ছবি তোলা কীভাবে সম্ভব? এটা বোঝার জন্য চলে যেতে হবে হকিংয়ের কাছে। এই মানুষটি জীবনের বেশিরভাগ সময় চুপচাপ হইলচেয়ারে বসে ভেবেছেন। পুরো মুখে মাত্র একটি পেশী নাড়াতে পারতেন! অথচ তার ক্ষুরধার মস্তিষ্ক থেকে একের পর এক চমকে দেয়া ভাবনা-তত্ত্ব বেরিয়ে এসেছে। যেন অদ্ভুত এক জাদুকর ঝোলা থেকে একের পর এক খরগোশ বের করেই চলেছেন!

হকিং বললেন, ঘটনা দিগন্ত পেরিয়ে যারা আত্মবলি দেয়, তাদের ভর কৃষ্ণগহ্বরের ভরের সঙ্গে যুক্ত হয়। ফলে ঘটনা দিগন্তের আকার অর্থাৎ কৃষ্ণগহ্বরের সীমানা বেড়ে যায়। এর সঙ্গে আবার মহাবিশ্বের এনট্রপি বেড়ে যাওয়ার সম্পর্ক আছে। তার এই তত্ত্বের সূত্র ধরে জ্যাকব বেকেনস্টাইন নামের এক বিজ্ঞানী দেখালেন, এনট্রপি থেকে কৃষ্ণগহ্বরের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল বের করা সম্ভব। এ থেকে আবার এর আকার আকৃতি ও ভর সম্পর্কে জানা যাবে।

সমস্যা হলো, কোনো বস্তুর এনট্রপি থাকলে তার অবশ্যই তাপমাত্রা থাকতে হবে। কিন্তু তাপমাত্রা থাকলে সেখান থেকে অবশ্যই সেখান শক্তির বিকিরণ হতে হবে। কিন্তু কৃষ্ণগহ্বর তো কোনো বিকিরণ করে না! তাহলে উপায়?

বিজ্ঞানীরা পড়লেন বিপদে। উপায় বাতলে দিলেন হকিং। বললেন, অনেক তো আপেক্ষিকতা তত্ত্ব হলো। এবার একটু কোয়ান্টাম বলবিদ্যার দিকে তাকানো যাক। পল ডিরাক কোয়ান্টাম বলবিদ্যা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে দেখিয়েছিলেন, শূন্যস্থান বা ভ্যাকুয়াম আসলে শূন্য নয়। এটি আসলে শক্তির সাগর। সেই শক্তি ব্যবহার করে প্রতি মুহূর্তে জোড়ায় জোড়ায় জন্ম নিচ্ছে কণারা (Particles)। ভর-শক্তির এই রুপান্তরের পেছনের রেসিপি বাতলে দিয়ে গেছেন স্বয়ং আইনস্টাইন; E = mc2!

তবে, এই কণাদেরকে আমরা দেখতে পাই না। কারণ এরা একটু অন্যরকম। জোড়া কণার একটি আরেকটির প্রতিকণা বা এন্টিম্যাটার (Antimatter)। এদের বৈশিষ্ট্য হলো এরা জন্মের পরমুহূর্তেই পরস্পরের উপরে হামলে পড়ে এবং একে অন্যকে ধ্বংস করে দেয়। এ সময় ছোটখাটো বিস্ফোরণ বা শক্তির বিচ্ছুরণ ঘটে। এই বিস্ফোরণের ফলে যে শক্তি তৈরি হয়, তার কিছুটা ভ্যাকুয়াম থেকে বেরিয়ে আসে। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, মহাবিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে থাকা গুপ্তশক্তি বা ডার্ক এনার্জির উৎপত্তিও এর মাধ্যমেই হয়। যেহেতু এই কণাদেরকে আদৌ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম, তাই এদেরকে বলা হয় ভার্চুয়াল কণা।

বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং বললেন, এই ভার্চুয়াল কণারাই আমাদেরকে কৃষ্ণগহ্বর দেখার কাজে সাহায্য করবে। ভার্চুয়াল কণা-জোড়টি যদি কৃষ্ণগহ্বরের ঘটনা দিগন্তের একেবারে প্রান্তসীমায় তৈরি হয়, তাহলে জোড়ার একটিকে কৃষ্ণগহ্বর চট করে গিলে নিতে পারে। ফলে মুক্তি পেয়ে যেতে পারে আরেকটি কণা। কোনোভাবে এই কণা যদি মুক্তি পায়, তাহলে সে মহাকাশে প্রাণপণে ছুট দেবে।

এখানে পদার্থবিজ্ঞানের জটিল সব ব্যাপার কাজ করে। তবে, সহজ করে এর মধ্যকার 'কিন্তু'টা বুঝে নেওয়া যাক। ভার্চুয়াল কণাজোড় (Particle Pair) যেহেতু একে অন্যের বিপরীত বা প্রতিকণা, তাই একটি ধনাত্মক শক্তিধর হলে, আরেকটি হয় ঋণাত্মক শক্তিধর। এখন কোনোভাবে মুক্তি পাওয়া কণাটি যদি ধনাত্মক হয়, তার মানে কৃষ্ণগহ্বরের গিলে নেওয়া কণাটি ঋণাত্মক। এই ঋণাত্মক শক্তি কৃষ্ণগহ্বরের মোট শক্তির সঙ্গে যোগ হলে কী হবে, বলুন তো?

বাচ্চাকালের গণিত জানলেই বোঝা যায় এটি। প্লাসের সঙ্গে মাইনাস যোগ হলে মাইনাস হয়! হ্যাঁ, তার মানে এই কণাটি গিলে নেওয়ার ফলে কৃষ্ণগহ্বরের শক্তি কমে গেল। এদিকে, ধনাত্মক কণাটির শক্তি কিন্তু ঋণাত্মক কণাটির সমান (কেবল চিহ্নটাই বিপরীত)। তার মানে, কৃষ্ণগহ্বরের সেই শক্তি কিন্তু এই কণাটি বয়ে নিয়ে এসেছে।

কৃষ্ণগহ্বরের এই বিকিরণের নামই হলো হকিং বিকিরণ (Hawking Radiation)। অর্থাৎ কৃষ্ণগহ্বরকে দেখতে হলে হকিং বিকিরণ শনাক্ত করতে হবে!

ঠিক এই কাজটিই করেছে ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ। হকিং বিকিরণ শনাক্ত করার মাধ্যমে কৃষ্ণগহ্বরের ঘটনা দিগন্তের ছবি তুলেছে। সেইসঙ্গে এর মাধ্যমে কৃষ্ণগহ্বরটির ব্যাপারে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা গিয়েছে। যেমন, জানা গেছে, মেসিয়ার ৮৭ গ্যালাক্সির কেন্দ্রের কৃষ্ণগহ্বরটির ভর সূর্যের ৬.৫ বিলিয়ন গুণের মতো।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রের কৃষ্ণগহ্বরটির দিকেও চোখ রেখেছিল ইভেন্ট হরাইজন। কিন্তু মিল্কিওয়ের চেয়ে মেসিয়ার ৮৭ গ্যালাক্সির মহাকর্ষীয় টান অনেক বেশি। ফলে এর চারপাশে ঘুরতে থাকা ধুলো-বালি-পাথর-গ্যাস ইত্যাদির মেঘ অনেক ধীরে ধীরে ঘোরে। সেজন্যেই, পৃথিবী থেকে ৫৫ আলোকবর্ষ দূরের এই কৃষগহ্বরটিই ছবিই আগে তুলেছে ইভেন্ট হরাইজন। আপনি, আমি, আমরা যারা আজকের দিনটিতে বেঁচে আছি, আমরা নিঃসন্দেহে পরম সৌভাগ্যবান। স্বয়ং হকিং একটুর জন্যে তার সারা জীবনের মুগ্ধতার ছবিটি দেখে যেতে পারলেন না। অথচ আমরা সেই সুযোগ পেয়েছি।

বুড়ো বয়সে আপনি নিশ্চয়ই এই গল্পটা শোনাতে পারবেন নাতি-নাতনিকে। আইনস্টাইনকে যদিও পাইনি, কিন্তু আমরা বেঁচে ছিলাম হকিংয়ের সময়ে। আমরা দেখেছি, এই মানুষটি জীবনভর হুইল চেয়ারে বসে থেকেই যুগান্তকারী সব ভাবনা ভেবে গেছেন। এবং তার কথা সত্য প্রমাণিত করে, অদেখার বেড়াজাল ডিঙিয়ে জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানীরা ছবি তুলেছেন ৫৫ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরের এক কৃষ্ণগহ্বরের। আজকের দিনটি মানবসভ্যতার জন্য একটি মাইলফলক।

References:
[1] Black Holes: The Reith Lectures by Stephen Hawking
প্রতিবেদন ---- Uchsash Tousif
তথ্য সংগৃহিত রাজা সিং।
তথ্যসূত্রঃ এবং ছবি সংগ্রহ ---- রোর বাংলা।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


12/c, 1/13, Mirpur
Dhaka
1216