Fusion Academic Care

Fusion Academic Care

Share

An Academy of Quality Education this care academy is running from class VI to H.S.C. program.we have a vision to make it through university admission.

now it has Eight departments..........

Department of English

teachers : Asif Khan,SWE(Dhaka University)
: Miraz,BBA marketing(Jagannath University)
: Nadim,IHSC(Jogonnath University)

Department of Physics

teachers : Shohan,ChE(BUET)

Photos 11/06/2013

quality is our first commitment
we provide quality education
FUSION Academic Care
an academy of quality education
চিন্তার বিকাশে দূর্বার পথচলা . . .

admission going on in HSC academic session 2013-14

https://www.facebook.com/FusionAcademicCare

01/06/2013

১৮ মে শুরু হয়ে গেছে কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি কার্যক্রম। চলবে ৬ জুন পর্যন্ত। ঘরে বসেই টেলিটক মোবাইল থেকে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে অনেক কলেজে। এবারও কোনো পরীক্ষা হবে না, ভর্তি করা হবে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে। জেনে নাও ঢাকার এক ডজন সেরা কলেজের ভর্তিতথ্য

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা
আবেদনের যোগ্যতা : ন্যূনতম জিপিএ_বিজ্ঞান শাখা : ৫.০০, ব্যবসায় শিক্ষা শাখা : ৪.৫০, মানবিক শাখা : ৪.০০
কলেজের ইআইআইএন নম্বর : 108573
ওয়েবসাইট : www.rajukcollege.info

ঢাকা কলেজ, ঢাকা
আবেদনের যোগ্যতা : ন্যূনতম জিপিএ_বিজ্ঞান শাখা : ৫.০০, ব্যবসায় শিক্ষা শাখা : ৪.৫০, মানবিক শাখা : ৩.৫০।
শাখা পরিবর্তন করে আবেদনের জন্য ন্যূনতম জিপিএ বিজ্ঞান শাখা থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বা মানবিক শাখায় : ৪.৮৮, ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে মানবিক শাখায় : ৪.২৫, মানবিক থেকে ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় : ৪.২৫
কলেজের ইআইআইএন নম্বর : 107977
ওয়েবসাইট : www.dhakacollege.edu.bd

ঢাকা সিটি কলেজ
আবেদনের যোগ্যতা : ন্যূনতম জিপিএ_বিজ্ঞান শাখা : ৫.০০, ব্যবসায় শিক্ষা শাখা : ৪.৫০ (দিবা), ৪.২৫ (প্রভাতি), মানবিক শাখা : ৩.০০
শাখা পরিবর্তন করে আবেদনের জন্য ন্যূনতম জিপিএ বিজ্ঞান থেকে মানবিক শাখায় : ৩.৫০, ব্যবসায় শিক্ষা থেকে মানবিক : ৩.০০, বিজ্ঞান বা মানবিক থেকে ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় : ৪.৫০
কলেজের ইআইআইএন নম্বর : 107975
ওয়েবসাইট : www.dhakacitycollege.edu.bd

ঢাকা কমার্স কলেজ
আবেদনের যোগ্যতা : ন্যূনতম জিপিএ_৪.০০
(যেকোনো গ্রুপ থেকে)
কলেজের ইআইআইএন নম্বর : 108207
ওয়েবসাইট : www.dcc.edu.bd

শহীদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ
আবেদনের যোগ্যতা : ন্যূনতম জিপিএ_বিজ্ঞান (বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন) : ৪.৭৫, মানবিক শাখা (বাংলা মাধ্যম) : ২.০০ ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা (বাংলা মাধ্যম) ৩.৭৫
কলেজের ইআইআইএন নম্বর : 132143
ওয়েবসাইট : www.sagc.edu.bd

উত্তরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ
আবেদনের যোগ্যতা : ন্যূনতম জিপিএ_বিজ্ঞান শাখা : ৪.৫০, ব্যবসায় শিক্ষা : ৩.৫০, মানবিক শাখা : ২.৫০
ভর্তির আবেদন : এসএমএসের মাধ্যমে
কলেজের ইআইআইএন নম্বর : 108538
ওয়েবসাইট : www.uhsc-edu.org

মতিঝিল মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ
আবেদনের যোগ্যতা : ন্যূনতম জিপিএ_বিজ্ঞান শাখা : ৪.০০, ব্যবসায় শিক্ষা শাখা : ৩.০০,
মানবিক শাখা : ২.০০
কলেজের ইআইআইএন নম্বর : 130865
ই-মেইল : [email protected]

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ
আবেদনের যোগ্যতা : ন্যূনতম জিপিএ_বিজ্ঞান শাখা : ৫.০০, ব্যবসায় শিক্ষা : ৪.৩৮, মানবিক শাখা : ৩.০০
কলেজের ইআইআইএন নম্বর : 108161
ওয়েবসাইট : www.noormohammadcollege.ac.bd

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ পাবলিক কলেজ
আবেদনের যোগ্যতা : ন্যূনতম জিপিএ_বিজ্ঞান শাখা : ৫.০০, ব্যবসায় শিক্ষা শাখা : ৪.৩৮ (দিবা), ৪.০০ (প্রভাতি), মানবিক শাখা : ৩.০০ (দিবা), ২.৫০ (প্রভাতি)
কলেজের ইআইআইএন নম্বর : 108162
ওয়েবসাইট : www.abdurroufcollege.ac.bd

আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ
আবেদনের যোগ্যতা : ন্যূনতম জিপিএ_বিজ্ঞান শাখা : ৫.০০, ব্যবসায় শিক্ষা শাখা : ৪.৫০, মানবিক শাখা : ৩.০০
কলেজের ইআইআইএন নম্বর : 107855
ওয়েবসাইট : www.acc.edu.bd

বাংলাদেশ নৌবাহিনী কলেজ, ঢাকা
আবেদনের যোগ্যতা : ন্যূনতম জিপিএ_বিজ্ঞান শাখা : ৪.৫০, ব্যবসায় শাখা : ৩.৫০, মানবিক শাখা : ২.০০
কলেজের ইআইআইএন নম্বর : 107854
ওয়েবসাইট : www.bncd.edu.bd

বিসিআইসি কলেজ
আবেদনের যোগ্যতা : ন্যূনতম জিপিএ_বিজ্ঞান শাখা : ৪.০০, ব্যবসায় শাখা : ৩.০০, মানবিক শাখা : ২.৫০
কলেজের ইআইআইএন নম্বর : 108222
ওয়েবসাইট : www.bciccollege.edu.bd

08/05/2013

রাসায়নিক Love Story :
Na : তুমি কি আমার ইলেকট্রন গ্রহণ করবে ?
Cl : কি ??? [লজ্জায় লাল]
আমাকে ভেবে দেখতে হব একটু সময় দাও ।
#২ দিন পর _ #
Na : তুমি সেদিন Ca এর সাথে পার্কেকেন গিয়ে
লে??? :@
Cl : আরে না Ca
তো আমার বান্ধবী CO3এর বয়ফ্রেন্ড। আমার বান্ধবীর রাগ ভাঙাতে আমরা দুজন গিয়েছিলাম । ওকে নাকি H হুমকি দিয়েছিল ।
___
কিছুদিন পর
Cl : কি শুনলাম OH নাকি তোমার এক্স জিএফ ??
Na : আরে না । কে বলছে জান?
Cl : না তোমার সাথে আমার আর সম্পর্কনাই।
Na : তুমি H এর সাথে ঘুরলে দোষ
না আর আমি একটু OH এর সাথে গেলেই দোষ।
Cl : ও এই কথা । যা তুই তাইলে তোমার OH এর
কাছে ।:@
Na : তুই ও যা । তোর সাথে যুক্ত হয়েই আমি ভুল করছি । আমার ইলেকট্রন ফেরত
দে।
. . . . . .
Cl : এই নে তোর ইলেকট্রন । আমাকে H তোর চেয়েও ভালো ইলেকট্রন দিবে ।
অতঃপর বিচ্ছেদ . . . . . .
Cl তারপর H এর সাথে সুখে সংসার
করতে থাকল । আর Na পরপর দুইবার উস্টা খেয়ে এখন
তুখোড় নেশা করা শুরু করে দেয় । যাকে পায় তাকেই ধরতে চায় । তাই তাকে কেরোসিন
কারাগারে আটক করা হয় যাতে আর
এমননা করতে পারে ।
Moral : এভাবেই NaCl এর জলীয় দ্রবণের তড়িত্
বিশ্লেষণ করে বিশুদ্ধ Na ধাতুপৃথক করা হয়

08/05/2013

এস.এস.সি পরীক্ষার ফলাফল প্রত্যাশীদের জন্য শুভকামনা ও দোয়া রইলো ..........

21/03/2013

প্রথমে পড়লাম গ্রামীণফোনের খপ্পরে ।
আমারে কইলো"কাছে থাকুন।"কিছুক্ষণ পর কইলো "চলো বহুদূর।
"গ্রামীণ ফোনের সাথে বহুদূর যাইতে যাইতে সন্ধ্যা হয়ে গেল।
চারিদিকে অন্ধকার
হয়ে উঠল।
আমি কইলাম
আলো দরকার।
-এইবার
রবি আইসা কইলো ঐ মিয়া "জ্বলে ওঠো আপন শক্তিতে।
"আমি কইলাম ক্যামনে জ্বলুম। বেসম্ভব ব্যাপার।
--এই সুযোগে বাংলালিংক
আইয়া কইলো "দিন বদলাইছে"।
আলো এখন আর"বাংলালিংক
দামে" পাওয়া যায়না।
আমি কইলাম
তাইলে কি করুম আমি বাড়ি ফিরতে চাই।উল্টা ঘুরে দৌড়াচ্ছি।
--এমন সময় দেখি একখান বাধের
পাশে দাড়িয়ে রয়েছে 'টেলিটক'।
আমারে দেখামাত্রবলল
"বাধঁ ভেঙে দাও।"
রবির আবার কানে সমস্যা। সে শুনল"দাত ভেঙে দেও"।শুনামাত্রই
রবি গিয়ে টেলিটকের মুখ বরাবর সিরাম জোরে এক ভয়ানক ঘুসি মেরে দিল।
--
এদিকে আমি দৌড়াচ্ছি বাসার
কাছাকাছি এসে দেখি বাসায় দরজা বন্ধ করে সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে।
আমি খুবই হতাশহলাম।
--তখন বাংলালিংক কইলো"আপনার ফিরে আসার
মুল্য আর কেউ না বুঝলেও
আমরা বুঝি।"তারপর সে আমারে বাংলালিংক কেয়ার সেন্টারে লইয়া গেল।এভাবেই আমার বিজ্ঞাপণীয় দূস্বপ্নের সমাপ্তি ঘটিল।

21/03/2013

প্রথমে পড়লাম গ্রামীণফোনের খপ্পরে ।
আমারে কইলো"কাছে থাকুন।"কিছুক্ষণ পর কইলো "চলো বহুদূর।
"গ্রামীণ ফোনের সাথে বহুদূর যাইতে যাইতে সন্ধ্যা হয়ে গেল।
চারিদিকে অন্ধকার
হয়ে উঠল।
আমি কইলাম
আলো দরকার।
-এইবার
রবি আইসা কইলো ঐ মিয়া "জ্বলে ওঠো আপন শক্তিতে।
"আমি কইলাম ক্যামনে জ্বলুম। বেসম্ভব ব্যাপার।
--এই সুযোগে বাংলালিংক
আইয়া কইলো "দিন বদলাইছে"।
আলো এখন আর"বাংলালিংক
দামে" পাওয়া যায়না।
আমি কইলাম
তাইলে কি করুম আমি বাড়ি ফিরতে চাই।উল্টা ঘুরে দৌড়াচ্ছি।
--এমন সময় দেখি একখান বাধের
পাশে দাড়িয়ে রয়েছে 'টেলিটক'।
আমারে দেখামাত্রবলল
"বাধঁ ভেঙে দাও।"
রবির আবার কানে সমস্যা। সে শুনল"দাত ভেঙে দেও"।শুনামাত্রই
রবি গিয়ে টেলিটকের মুখ বরাবর সিরাম জোরে এক ভয়ানক ঘুসি মেরে দিল।
--
এদিকে আমি দৌড়াচ্ছি বাসার
কাছাকাছি এসে দেখি বাসায় দরজা বন্ধ করে সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে।
আমি খুবই হতাশহলাম।
--তখন বাংলালিংক কইলো"আপনার ফিরে আসার
মুল্য আর কেউ না বুঝলেও
আমরা বুঝি।"তারপর সে আমারে বাংলালিংক কেয়ার সেন্টারে লইয়া গেল।এভাবেই আমার বিজ্ঞাপণীয় দূস্বপ্নের সমাপ্তি ঘটিল।

কালেক্টেড

21/03/2013

যারা বাপের টাকায়
ফুটানি মারতে চায় তাদের জন্য:
“দোস্তওওও
ঘটনা ঘটায়া ফালাইছি।”
“কি করছস?কার বিয়া?তোর
না তোর বউর??”
“আরে ব্যাটা কি কস!আমার আর
আমার বউর বিয়া কি আলাদা নাকি?”
“তাইলে ক কি হইছে”
“দোস্ত বাইক কিনসি”
“কি কইলি! আর ইউ সিরিয়াস?”
“আরে হ। ইয়মাহা এফজে রেড।”
“কত নিল রে?” “২৪০০০০।সব মিলায়ে ৬০ এর মত
পড়বে।”
“আরে শালা। তুই
তাইলে কামটা কইরাই ফালাইলি!”
“আরে তুই ও কেন। বাসায় প্রেশার
দে,হয়ে যাবে। আব্বারা তো না করবোই।
খাওয়া ছেড়ে দিবি হয়ে যাবে।”
“হ দোস্ত। দেখি আব্বারে কমু।”
কথা হচ্ছিল আরিফ আর ইমন এর
মধ্যে। দুজন সদ্য
কলেজ শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হল।
সামনে অনেকটা পথ,অনেক স্বপ্ন।
বাইকের
প্রতি দুজনের ই নেশা সেই ক্লাস
এইট থেকে।ইমন
আজ বাইক কিনল।ইমনের বাবা অনেক বড়লোক।
ঢাকায় দুটা বাড়ি,সবার জন্য
আলাদা গাড়ি,সবই
আছে।উঁচুতলার মানুষ হলেও তাদের
ভেতরে কোনো অহংকার নেই।খুব
সাধারণ তারা।ইমন আজ বাইক কিনল আর কেনা মাত্রই
আরিফের
সাথে শেয়ার করতে চলে এল।
কথা শেষ করে বাইক
চালিয়ে ইমন চলে গেল।আরিফ
ভাবল মনে মনে “এবার একটা বাইক না হলেই না।”
সারাদিন অফিস করে আমজাদ
সাহেব বাসায় এলেন।
ফ্রেশ হয়ে টিভি দেখতে বসলেন।
এমন সময় আরিফ
আসল। “আব্বু কথা ছিল তোমার সাথে”
“বল বাবা কি কথা?”
“আব্বু আমার একটা বাইক লাগবে।”
“বাইক দিয়ে কি করবা?”
“বাইক চালাব।ভার্সিটিতে যাব।”
“বাইক কিনবা ভালো কথা।তেল কিনবা কি দিয়ে?তেল
কেনার টাকা আছে তোমার?
আমি তো বাবা খাল
কেটে কুমির আনতে পারব না।
কোনো পাবলিক
ভার্সিটিতে চান্স পাও নাই,গিয়া ভর্তি হইছ
প্রাইভেটে।তোমার সেমিষ্টার
ফি দিতে দিতে আমার
টাকা শেষ।এখন আবার বাইক!!ওইসব
বাদ
দিয়ে পড়ালেখা কর মন দিয়ে। যেদিন নিজের
যোগ্যতা হবে সেদিন বাইক
কিনবা।”
শেষের কথাগুলো আরিফের মনে খুব
লাগলো।
বাবা তার যোগ্যতার কথা বললেন!! মনে মনে সে প্রতিজ্ঞা করে ফেলল,
“আমি বাইক
কিনেই ছাড়ব।”
আরিফের বাবা সামান্য
চাকরী করেন।মাস
শেষে যা মাইনে পান তা দিয়ে বাসা ভাড়া,দুই ছেলের
পড়ার খরচ আর সংসার চালাতেই
হিমশিম খেতে হয়।
সেখানে বাইক কেনা তার জন্য
অসাধ্য ব্যাপার।
আরিফকে আজ আমজাদ সাহেব অনেক কথা বলেছেন
ঠিকই কিন্তু কথাগুলো তার বলার
কোনো ইচ্ছাই ছিল
না।বারান্দায়
এসে তিনি মনে ভাবছেন,
“ছেলে টা কি খুব বেশি কিছু চেয়েছিল,একটা বাইক ই
তো।কতই বা দাম ওটার।১
লাখ,২লাখ!কিন্তু এত
টাকা আমি কোথায়
পাবো?”আমজাদ সাহেবের
নিজেকে খুব অসহায় মনে হল,খুব অসহায়।
আকাশে কোনো মেঘ ছিল
না,বৃষ্টি তো হওয়ার
কথা না,তবু তার জামার বুকের
কাছটা ভেজা।বয়স
হয়ে গেছে,চোখ দুটো আর বাঁধা মানে না।
টিউশনি শেষ করে বাসায়
ফিরছে আরিফ।হঠাৎ বাইকের
শব্দ।পেছনে তাকিয়ে দেখে ইমন
আসছে।
“কি রে আরিফ বাইক নিবি কবে?” “এই তো দোস্ত আর কয়েকট দিন”
সাই করে ইমন চলে গেল।বাবার
কাছে ঝাড়ি খাবার
পরে আরিফ অনেক কষ্ট করে তিন
চারটা টিউশনি জোগাড় করে।
ছেলে হিসেবে আরিফ খুবই ভালো,পড়ালেখায় ও ভালো।
তাই ভালই
মাইনে পায়।মাস শেষে পনের
হাজারের মত পায়।এই
টাকাটা সে খরচ
করে না পুরোটা জমায়। জমিয়ে প্রায়
ষাট হাজার টাকা করে ফেলেছে।
মনে মনে খুব খুশি সে।
আর কয়েকটা দিন গেলেই
সে বাবা কে দেখিয়ে দিবে।
ঢাকা শহরের জ্যাম নিয়ে আরিফ অনেক বিরক্ত। ১
ঘন্টার রাস্তা সে পাকা আড়াই
ঘন্টা লাগিয়ে অবশেষে বাংলামোটর
আসল।
বাংলা মোটর এসেই তার অনেক
ভাল লাগতে শুরু করল।আর কয়েকদিন পরেই সে এখান
থেকে নিজের
বাইক কিনবে।
বাংলামোটরে ঘন্টাখানেক
ঘোরাঘুরি করে আরিফ
বাসায় যাচ্ছে।বিজয় স্মরণীতে জ্যামে বসে আছে।
হঠাৎ একটা পথশিশু
এসে ডাকাডাকি শুরু করল।
“ভাই,ও ভাই একটা ফুল নেন না”
এমনিতেই জ্যামে মহাবিরক্ত
আরিফ।এ সময়টা কারো সাথে কথা বলবে এমন
কেউই নেই ওর।
দিল ফুলওলাকে একটা ঝাড়ি।
“ওই যা এইখান থেকে।ফুল
লাগবে না”
"ফুল লাগবোনা ভালো কথা ওমনে কন
ক্যা?
ভালোভাবে কইতে পারেন না?”
আরিফ ভাবলো,ঠিকই
তো,ওমনভাবে বলা উচিৎ হয়নি।
তাই সে আবার বলল, “আমার ফুল দেবার মতো কেউ
নেই,ফুল লাগবে না।”
মেয়েটা গজ গজ
করতে করতে বললো “আইছে,ফুল
দেওনের মতো কেউ নাই! ক্যান বাপ
মা নাই?বাপ মার জন্য ভালোবাসা নাই আরেকজনের
জন্য
ভালোবাসা উতলাইয়া পড়ে”
মেয়েটার কথা শুনে আরিফ হতভম্ব
হয়ে গেল।কতই
বা বয়স মেয়েটার?আট বা দশ হবে। এইটুকু
একটা মেয়ে ও কে এভাবে বলে গেল!

তো কখনো এভাবে ভেবে দেখেনি।
কথাগুলো ওর
মনে গেঁথে রইল। জানালার
পাশেদাঁড়িয়ে আছে আরিফ।
ছোটবেলার
কথা ভাবছে।আজ ছেলেবেলার
কথাগুলো খুব
মনে পড়ছে।একদিন রাতেবেলা আরিফের
মনে হল,সে রুটির
সাথে নসিলা লাগিয়ে খাবে।তার
বাবা বাসায় আসলেন রাতে দশটার
দিকে।
সে সাথে সাথে বাবাকে গিয়ে বললো, “বাবা আমি নসিলা খাবো”।
আমজাদ সাহেব সেই
রাতেবেলা অনেকটা পথ
হেঁটে তাকে নসিলা এনে দিয়েছিলেন।
আমজাদ সাহেব
মাছের কোলের অংশটা খেতে পছন্দ করেন কিন্তু
আরিফ মাছের
কাঁটা বেছে খেতে পারে না।তাই
তিনি কোলের মাছ
খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন।
এগুলো কি শুধুই ছোটবেলায় হতো? এইতো সেদিন ও
আরিফ যখন কোনো পাবলিক
ভার্সিটিতে চান্স পেল
না তখন তার বাবা নিজে থেকেই
তাকে প্রাইভেটে পড়তে বলেছিল।
সেদিন তো বাবা না করেনি।সেই
বাবাকেই আরিফ ভুল
বুঝলো!!আরিফের খুব কান্না
পেল আজ।এক নিমেষেই সে বাইকের
কথা ভুলে গেল।
আজ ২৬ ফেব্রুয়ারী।আরিফের বাবা-মার চব্বিশতম
বিবাহ বার্ষিকী।বিজয়
স্মরণী গিয়ে আরিফ অনেক
কষ্ট করে সেই
মেয়েটি কে খুঁজে বের করল।
“কিরে কেমন আছিস?” “আমগো আর থাকন।
আপনে এনে কি করেন?”
“ফুল কিনতে আসছি।তোর কাছে যত
ফুল আছে সব
কিনব”
“এতো ফুল দিয়ে আপনে কি করবেন? আপনের
তো কেউ নাই”
“আমার বাবা-মা কে দিব।তোর সব
ফুল দে আর
এইনে তোর জন্য এক হাজার টাকা”
“ও আল্লা এত টাকা দিয়া আমি করব”
“তোর বাবা-মাকে নিয়ে ভাল কিছু
খাবি”
মেয়েটা কিছুখন আরিফের
দিকে তাকিয়ে থেকে দৌড়
দিয়ে চলে গেল। আরিফ বাবার জন্য একটা টাচ্ ফোন
কিনল দশ
হাজার টাকা দিয়ে।আরিফের
বাবার অনেকদিনের সখ
ছিল একটা মাল্টিমিডিয়া ফোন
কিনবেন।কিন্তু টাকার জন্য কেনা হয়নি।আরিফ
মনে ভাবলো,বাবা এটা পেলে নিশ্চয়ই
অনেক
খুশি হবে।মার জন্য আরিফ ফুল
কিনল,শাড়ি কিনল,জায়নামাজ
কিনল।অবশেষে আরিফ ভালো কিছু খাবার কিনে বাড়ির
দিকে রওনা দিল।আজ
প্রায় বিশ হাজার টাকার
শপিং করল আরিফ।সবই
নিজের পরিশ্রমের টাকা।
বাসার কাছাকাছি এসে আরিফ কিসের যেন শব্দ পেল।
কিছুখন যাবার পর বুঝতে পারল
ওটা বাইকের শব্দ।
পেছনে ফিরে দেখে ইমন আসছে।
“কিরে আরিফ তোর বাইক কই?”
“বুঝলি ইমন ভাইবা দেখলাম বাইক দিয়া কি হবে?
একবারে গাড়ি কিনব নিজে ইনকাম
করে।
সামনে আমি আর আমার সে আর
পেছনে বাবা-মা।
তারপর সারা শহর ঘুরবো” ইমন জোড়ে জোড়ে হাসল আর
বললো, “আরে বেকুব
বাইকে চড়ার মজা বুঝলি না”।বলেই
চলে গেল।
আরিফ ও হাসতে হাসতে বললো,“তুই
ও বুঝলি না,বাবা-মা কে নিজের
পরিশ্রমের টাকায়
উপহার দেবার মজা বুঝলি না”
অন্য দিনের মতো আমজাদ সাহেব
অফিস করে বাসায়
ফিরলেন।বাসায় ঢুকে দেখেন সব চুপচাপ।মনে মনে ভয়
পেতে লাগলেন, “কারো কিছু
হলো না তো!”হঠাৎ
চিৎকার……
“হ্যাপি অ্যানিভার্সারী আব্বু”
আমজাদ সাহেব অবাক হয়ে গেলেন। তার
সামনে অনেক সুন্দর
একটা কেক,সেখানে চব্বিশটা মোমবাতি জ্বলছে।
আরিফের মা এসে আমজাদ
সাহেবকে নতুন
ফোনটা দিলেন।দেখলেন আরিফের মা নতুন
শাড়ি পড়ে আছে।আমজাদ সাহেব
আরও অবাক
হলেন।খেয়াল করে দেখলেন তার
শার্টের বুকে পানি।
ভাবলেন,বাইরে তো বৃষ্টি ছিল না,পানি এল
কোথা থেকে?? নিজে নিজেই
বললেন,
“নাহ্ অনেক বয়স
হয়ে গেছে,চোখদুটো আর
বাঁধা মানে না”।
(collected)

21/03/2013

যারা বাপের টাকায়
ফুটানি মারতে চায় তাদের জন্য: “দোস্তওওও
ঘটনা ঘটায়া ফালাইছি।”
“কি করছস?কার বিয়া?তোর
না তোর বউর??”
“আরে ব্যাটা কি কস!আমার আর
আমার বউর বিয়া কি আলাদা নাকি?”
“তাইলে ক কি হইছে”
“দোস্ত বাইক কিনসি”
“কি কইলি! আর ইউ সিরিয়াস?”
“আরে হ। ইয়মাহা এফজে রেড।”
“কত নিল রে?” “২৪০০০০।সব মিলায়ে ৬০ এর মত
পড়বে।”
“আরে শালা। তুই
তাইলে কামটা কইরাই ফালাইলি!”
“আরে তুই ও কেন। বাসায় প্রেশার
দে,হয়ে যাবে। আব্বারা তো না করবোই।
খাওয়া ছেড়ে দিবি হয়ে যাবে।”
“হ দোস্ত। দেখি আব্বারে কমু।”
কথা হচ্ছিল আরিফ আর ইমন এর
মধ্যে। দুজন সদ্য
কলেজ শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হল।
সামনে অনেকটা পথ,অনেক স্বপ্ন।
বাইকের
প্রতি দুজনের ই নেশা সেই ক্লাস
এইট থেকে।ইমন
আজ বাইক কিনল।ইমনের বাবা অনেক বড়লোক।
ঢাকায় দুটা বাড়ি,সবার জন্য
আলাদা গাড়ি,সবই
আছে।উঁচুতলার মানুষ হলেও তাদের
ভেতরে কোনো অহংকার নেই।খুব
সাধারণ তারা।ইমন আজ বাইক কিনল আর কেনা মাত্রই
আরিফের
সাথে শেয়ার করতে চলে এল।
কথা শেষ করে বাইক
চালিয়ে ইমন চলে গেল।আরিফ
ভাবল মনে মনে “এবার একটা বাইক না হলেই না।”
সারাদিন অফিস করে আমজাদ
সাহেব বাসায় এলেন।
ফ্রেশ হয়ে টিভি দেখতে বসলেন।
এমন সময় আরিফ
আসল। “আব্বু কথা ছিল তোমার সাথে”
“বল বাবা কি কথা?”
“আব্বু আমার একটা বাইক লাগবে।”
“বাইক দিয়ে কি করবা?”
“বাইক চালাব।ভার্সিটিতে যাব।”
“বাইক কিনবা ভালো কথা।তেল কিনবা কি দিয়ে?তেল
কেনার টাকা আছে তোমার?
আমি তো বাবা খাল
কেটে কুমির আনতে পারব না।
কোনো পাবলিক
ভার্সিটিতে চান্স পাও নাই,গিয়া ভর্তি হইছ
প্রাইভেটে।তোমার সেমিষ্টার
ফি দিতে দিতে আমার
টাকা শেষ।এখন আবার বাইক!!ওইসব
বাদ
দিয়ে পড়ালেখা কর মন দিয়ে। যেদিন নিজের
যোগ্যতা হবে সেদিন বাইক
কিনবা।”
শেষের কথাগুলো আরিফের মনে খুব
লাগলো।
বাবা তার যোগ্যতার কথা বললেন!! মনে মনে সে প্রতিজ্ঞা করে ফেলল,
“আমি বাইক
কিনেই ছাড়ব।”
আরিফের বাবা সামান্য
চাকরী করেন।মাস
শেষে যা মাইনে পান তা দিয়ে বাসা ভাড়া,দুই ছেলের
পড়ার খরচ আর সংসার চালাতেই
হিমশিম খেতে হয়।
সেখানে বাইক কেনা তার জন্য
অসাধ্য ব্যাপার।
আরিফকে আজ আমজাদ সাহেব অনেক কথা বলেছেন
ঠিকই কিন্তু কথাগুলো তার বলার
কোনো ইচ্ছাই ছিল
না।বারান্দায়
এসে তিনি মনে ভাবছেন,
“ছেলে টা কি খুব বেশি কিছু চেয়েছিল,একটা বাইক ই
তো।কতই বা দাম ওটার।১
লাখ,২লাখ!কিন্তু এত
টাকা আমি কোথায়
পাবো?”আমজাদ সাহেবের
নিজেকে খুব অসহায় মনে হল,খুব অসহায়।
আকাশে কোনো মেঘ ছিল
না,বৃষ্টি তো হওয়ার
কথা না,তবু তার জামার বুকের
কাছটা ভেজা।বয়স
হয়ে গেছে,চোখ দুটো আর বাঁধা মানে না।
টিউশনি শেষ করে বাসায়
ফিরছে আরিফ।হঠাৎ বাইকের
শব্দ।পেছনে তাকিয়ে দেখে ইমন
আসছে।
“কি রে আরিফ বাইক নিবি কবে?” “এই তো দোস্ত আর কয়েকট দিন”
সাই করে ইমন চলে গেল।বাবার
কাছে ঝাড়ি খাবার
পরে আরিফ অনেক কষ্ট করে তিন
চারটা টিউশনি জোগাড় করে।
ছেলে হিসেবে আরিফ খুবই ভালো,পড়ালেখায় ও ভালো।
তাই ভালই
মাইনে পায়।মাস শেষে পনের
হাজারের মত পায়।এই
টাকাটা সে খরচ
করে না পুরোটা জমায়। জমিয়ে প্রায়
ষাট হাজার টাকা করে ফেলেছে।
মনে মনে খুব খুশি সে।
আর কয়েকটা দিন গেলেই
সে বাবা কে দেখিয়ে দিবে।
ঢাকা শহরের জ্যাম নিয়ে আরিফ অনেক বিরক্ত। ১
ঘন্টার রাস্তা সে পাকা আড়াই
ঘন্টা লাগিয়ে অবশেষে বাংলামোটর
আসল।
বাংলা মোটর এসেই তার অনেক
ভাল লাগতে শুরু করল।আর কয়েকদিন পরেই সে এখান
থেকে নিজের
বাইক কিনবে।
বাংলামোটরে ঘন্টাখানেক
ঘোরাঘুরি করে আরিফ
বাসায় যাচ্ছে।বিজয় স্মরণীতে জ্যামে বসে আছে।
হঠাৎ একটা পথশিশু
এসে ডাকাডাকি শুরু করল।
“ভাই,ও ভাই একটা ফুল নেন না”
এমনিতেই জ্যামে মহাবিরক্ত
আরিফ।এ সময়টা কারো সাথে কথা বলবে এমন
কেউই নেই ওর।
দিল ফুলওলাকে একটা ঝাড়ি।
“ওই যা এইখান থেকে।ফুল
লাগবে না”
"ফুল লাগবোনা ভালো কথা ওমনে কন
ক্যা?
ভালোভাবে কইতে পারেন না?”
আরিফ ভাবলো,ঠিকই
তো,ওমনভাবে বলা উচিৎ হয়নি।
তাই সে আবার বলল, “আমার ফুল দেবার মতো কেউ
নেই,ফুল লাগবে না।”
মেয়েটা গজ গজ
করতে করতে বললো “আইছে,ফুল
দেওনের মতো কেউ নাই! ক্যান বাপ
মা নাই?বাপ মার জন্য ভালোবাসা নাই আরেকজনের
জন্য
ভালোবাসা উতলাইয়া পড়ে”
মেয়েটার কথা শুনে আরিফ হতভম্ব
হয়ে গেল।কতই
বা বয়স মেয়েটার?আট বা দশ হবে। এইটুকু
একটা মেয়ে ও কে এভাবে বলে গেল!

তো কখনো এভাবে ভেবে দেখেনি।
কথাগুলো ওর
মনে গেঁথে রইল। জানালার
পাশেদাঁড়িয়ে আছে আরিফ।
ছোটবেলার
কথা ভাবছে।আজ ছেলেবেলার
কথাগুলো খুব
মনে পড়ছে।একদিন রাতেবেলা আরিফের
মনে হল,সে রুটির
সাথে নসিলা লাগিয়ে খাবে।তার
বাবা বাসায় আসলেন রাতে দশটার
দিকে।
সে সাথে সাথে বাবাকে গিয়ে বললো, “বাবা আমি নসিলা খাবো”।
আমজাদ সাহেব সেই
রাতেবেলা অনেকটা পথ
হেঁটে তাকে নসিলা এনে দিয়েছিলেন।
আমজাদ সাহেব
মাছের কোলের অংশটা খেতে পছন্দ করেন কিন্তু
আরিফ মাছের
কাঁটা বেছে খেতে পারে না।তাই
তিনি কোলের মাছ
খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন।
এগুলো কি শুধুই ছোটবেলায় হতো? এইতো সেদিন ও
আরিফ যখন কোনো পাবলিক
ভার্সিটিতে চান্স পেল
না তখন তার বাবা নিজে থেকেই
তাকে প্রাইভেটে পড়তে বলেছিল।
সেদিন তো বাবা না করেনি।সেই
বাবাকেই আরিফ ভুল
বুঝলো!!আরিফের খুব কান্না
পেল আজ।এক নিমেষেই সে বাইকের
কথা ভুলে গেল।
আজ ২৬ ফেব্রুয়ারী।আরিফের বাবা-মার চব্বিশতম
বিবাহ বার্ষিকী।বিজয়
স্মরণী গিয়ে আরিফ অনেক
কষ্ট করে সেই
মেয়েটি কে খুঁজে বের করল।
“কিরে কেমন আছিস?” “আমগো আর থাকন।
আপনে এনে কি করেন?”
“ফুল কিনতে আসছি।তোর কাছে যত
ফুল আছে সব
কিনব”
“এতো ফুল দিয়ে আপনে কি করবেন? আপনের
তো কেউ নাই”
“আমার বাবা-মা কে দিব।তোর সব
ফুল দে আর
এইনে তোর জন্য এক হাজার টাকা”
“ও আল্লা এত টাকা দিয়া আমি করব”
“তোর বাবা-মাকে নিয়ে ভাল কিছু
খাবি”
মেয়েটা কিছুখন আরিফের
দিকে তাকিয়ে থেকে দৌড়
দিয়ে চলে গেল। আরিফ বাবার জন্য একটা টাচ্ ফোন
কিনল দশ
হাজার টাকা দিয়ে।আরিফের
বাবার অনেকদিনের সখ
ছিল একটা মাল্টিমিডিয়া ফোন
কিনবেন।কিন্তু টাকার জন্য কেনা হয়নি।আরিফ
মনে ভাবলো,বাবা এটা পেলে নিশ্চয়ই
অনেক
খুশি হবে।মার জন্য আরিফ ফুল
কিনল,শাড়ি কিনল,জায়নামাজ
কিনল।অবশেষে আরিফ ভালো কিছু খাবার কিনে বাড়ির
দিকে রওনা দিল।আজ
প্রায় বিশ হাজার টাকার
শপিং করল আরিফ।সবই
নিজের পরিশ্রমের টাকা।
বাসার কাছাকাছি এসে আরিফ কিসের যেন শব্দ পেল।
কিছুখন যাবার পর বুঝতে পারল
ওটা বাইকের শব্দ।
পেছনে ফিরে দেখে ইমন আসছে।
“কিরে আরিফ তোর বাইক কই?”
“বুঝলি ইমন ভাইবা দেখলাম বাইক দিয়া কি হবে?
একবারে গাড়ি কিনব নিজে ইনকাম
করে।
সামনে আমি আর আমার সে আর
পেছনে বাবা-মা।
তারপর সারা শহর ঘুরবো” ইমন জোড়ে জোড়ে হাসল আর
বললো, “আরে বেকুব
বাইকে চড়ার মজা বুঝলি না”।বলেই
চলে গেল।
আরিফ ও হাসতে হাসতে বললো,“তুই
ও বুঝলি না,বাবা-মা কে নিজের
পরিশ্রমের টাকায়
উপহার দেবার মজা বুঝলি না”
অন্য দিনের মতো আমজাদ সাহেব
অফিস করে বাসায়
ফিরলেন।বাসায় ঢুকে দেখেন সব চুপচাপ।মনে মনে ভয়
পেতে লাগলেন, “কারো কিছু
হলো না তো!”হঠাৎ
চিৎকার……
“হ্যাপি অ্যানিভার্সারী আব্বু”
আমজাদ সাহেব অবাক হয়ে গেলেন। তার
সামনে অনেক সুন্দর
একটা কেক,সেখানে চব্বিশটা মোমবাতি জ্বলছে।
আরিফের মা এসে আমজাদ
সাহেবকে নতুন
ফোনটা দিলেন।দেখলেন আরিফের মা নতুন
শাড়ি পড়ে আছে।আমজাদ সাহেব
আরও অবাক
হলেন।খেয়াল করে দেখলেন তার
শার্টের বুকে পানি।
ভাবলেন,বাইরে তো বৃষ্টি ছিল না,পানি এল
কোথা থেকে?? নিজে নিজেই
বললেন,
“নাহ্ অনেক বয়স
হয়ে গেছে,চোখদুটো আর
বাঁধা মানে না”। (collected)

20/03/2013

আপনি যে কোন একটা মানুষ কে জিজ্ঞাস করুন তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া যে কোন একটা সুখের স্মৃতি বলতে,দেখবেন সে সহজে আপানকে উত্তর দিতে পারছে না।

কিন্তু এইবার তাঁকে জিজ্ঞাস করুন তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া যে কোন একটা দুঃখের স্মৃতি বলতে,দেখবেন সে খুব দ্রুত আপানকে উত্তর দিয়ে দিবে।
তার মানে কি সেই ব্যাক্তির জীবনে কোন সুখের ঘটনা ঘটে নি?

মানুষের মস্তিষ্ক সুখের স্মৃতি গুলো বেশি দিনের জন্য ধরে রাখে না,যতটা দুঃখের স্মৃতি ধরে রাখে।
মানুষ তাঁদের দুঃখের স্মৃতি গুলো নিয়ে বেঁচে থাকতে বেশি পছন্দ করে।
-------------------Humayun Ahmed

20/03/2013

আমার ধর্ম কতো মহান তা নির্ভর করবে অন্য ধর্মের মানুষের সাথে আমরা কেমন আচরণ করি তার উপর ...
- মহত্মা গান্ধী

20/03/2013

"চলে যায় বসন্তের দিন!"
কী অদ্ভুত কথা!বসন্তের দিন কেন চলে যাবে?কোন কিছুই তো চলে যায়না।এক বসন্ত যায়,আরেক বসন্ত আসে।স্বপ্ন চলে যায়,আবারো ফিরে আসে।
আমি হিমু!
আমি কেন বলব-'চলে যায় বসন্তের দিন।'আমার মধ্যে কি কোন সমস্যা হয়েছে?কী সেই সমস্যা?

- Humayun Ahmed

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


72, Golartek, Palpara, Mirpur/1
Dhaka
1216