21/08/2020
এক নারীকে কিস করছেন একজন পুরুষ।
নির্মানাধীন ২০১ গম্বুজ মসজিদে গম্বুজের আড়ালে একটি দৃশ্য।
১. উক্ত নারী ও পুরুষ স্বামী-স্ত্রী হয়ে থাকলে এতে কোনো দন্ডনীয় অপরাধ হয়নি।
#রেফারেন্সঃ
‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেন যে, আল্লাহ্র রাসূল (স) মু’তাফিক অবস্থায় মসজিদ হতে তাঁর (‘আয়িশার) হুজরার দিকে তাঁর নিকট মাথাটা বাড়িয়ে দিতেন। তখন তিনি রাসুল (স) এর মাথা কোলে নিয়ে চুল আঁচড়াতেন অথচ তিনি ছিলেন ঋতুবতী।
(সহীহ বুখারী-তাওহীদ প্রকাশনী-হাদিস নং-২৯৬)
২. এই ছবি যারা তুলেছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছে তারা শরিয়াহ ও রাষ্ট্রীয় আইনে দন্ডনীয় অপরাধ করেছে।
#রেফারেন্সঃ
"যারা সাধ্বী, নিরীহ ও বিশ্বাসী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে, তারা ইহলোক ও পরলোকে অভিশপ্ত এবং তাদের জন্য আছে মহাশাস্তি।"
(সূরা আন নূরঃ০৪)
উমার ইবনুল খাত্তাব (রা), আবদুল্লাহ (রা) এবং হাফস ইবনু আসিম (রা) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, "কোন ব্যক্তির মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে তাই বলে বেড়ায়।"
(সহীহ মুসলিম-হামীম একাডেমি-হাদিস নং-৫)
যদি কোনো ব্যক্তি আইনগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচিতি তথ্য সংগ্রহ, বিক্রয়, দখল, সরবরাহ বা ব্যবহার করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ। যদি কোনো ব্যক্তি উক্ত অপরাধ করেন তাহলে তিনি অনধিক ৫ বৎসরের কারাদণ্ড, বা অনধিক ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা, বা উভয়দন্ডে দন্ডিত হইবেন।
(ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ঃ ধারা-২৬)
#মন্তব্যঃ উক্ত চুম্বনের ঘটনা একটি অপরাধ হতেও পারে, নাও পারে। কিন্তু এরকম দৃশ্যের ছবি তোলা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া ইসলামে এবং রাষ্ট্রীয় আইনে অবশ্যই একটি অপরাধ। অশ্লীলতার প্রতিবাদের জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ইনফর্ম করাই যথেষ্ট।