একটা দেশের ভবিষ্যৎ কোথায় তৈরি হয় জানেন?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে না।
বুয়েটে না।
মেডিকেল কলেজেও না।
একটা দেশের ভবিষ্যৎ তৈরি হয়—
স্কুলের বেঞ্চে।
মাদ্রাসার ছোট্ট ক্লাসরুমে।
৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির সেই বয়সটাতে,
যখন একটা শিশু ঠিক করে সে স্বপ্ন দেখতে শিখবে, নাকি শুধু পরীক্ষার জন্য মুখস্থ করবে।
ভাবুন তো একটা দৃশ্য—
রাফি স্যার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করেছেন।
CGPA অসাধারণ।
বন্ধুরা কেউ বিসিএসের প্রস্তুতি নিচ্ছে, কেউ ব্যাংকে, কেউ কর্পোরেটে।
অনেকে বিদেশে স্কলারশিপের চেষ্টা করছে।
কিন্তু রাফি স্যার অন্যরকম একটা সিদ্ধান্ত নিলেন।
তিনি চাকরি নিলেন গ্রামের একটা স্কুলে।
বা একটা মাদ্রাসায়।
৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির ছাত্রদের পড়াবেন।
চারপাশে হাসাহাসি শুরু হলো—
“এত ভালো ছাত্র হয়ে স্কুলে পড়ায়?”
“কোথাও চাকরি পায় নাই?”
“এত পড়াশোনা করে শেষে মাস্টারি?”
কিন্তু রাফি স্যার জানতেন—
দেশ বদলাতে হলে শুরুটা নিচ থেকে করতে হয়।
তিনি ক্লাসে গিয়ে শুধু Grammar পড়ান না।
শুধু অঙ্কের সূত্র মুখস্থ করান না।
শুধু পরীক্ষার জন্য সাজেশন দেন না।
তিনি ছাত্রদের চিন্তা করতে শেখান।
প্রশ্ন করতে শেখান।
স্বপ্ন দেখতে শেখান।
তিনি ইংরেজি শেখান সিনেমা আর গল্প এবং বাস্তবতা (Real Life Example) দিয়ে।
বাংলা শেখান বই পড়ার আনন্দ দিয়ে।
বিজ্ঞান শেখান বাস্তব উদাহরণ দিয়ে।
ধর্ম শেখান মানবতা, সততা আর দায়িত্ববোধ দিয়ে।
স্কুলে একটা লাইব্রেরি বানানো হলো।
প্রতি সপ্তাহে বই পড়া প্রতিযোগিতা হয়।
প্রজেক্টর এনে ছাত্রদের documentary দেখানো হয়।
ইংরেজিতে কথা বলার ক্লাব খোলা হলো।
বিতর্ক হয়।
গল্প লেখা হয়।
ছাত্ররা প্রথমবার বুঝতে শুরু করল—
পড়াশোনা মানে শুধু GPA না।
পড়াশোনা মানে পৃথিবীকে বোঝা।
ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসতে লাগল।
যে ছেলেটা ক্লাসে চুপচাপ বসে থাকত,
সে এখন সবার সামনে ইংরেজিতে Presentation দেয়।
যে মেয়েটা ভাবত গ্রামের বাইরে তার কোনো ভবিষ্যৎ নেই,
সে এখন মেডিকেলে পড়ার স্বপ্ন দেখে।
যে ছাত্র আগে শুধু পরীক্ষার আগের রাতে বই খুলত,
সে এখন লাইব্রেরিতে বসে বিজ্ঞান নিয়ে পড়ে।
১০ বছর পর—
এই স্কুল/মাদ্রাসা থেকে
কেউ বুয়েটে,
কেউ ঢাবিতে,
কেউ মেডিকেলে,
কেউ বিদেশের স্কলারশিপে সুযোগ পেল।
কিন্তু সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটা রেজাল্টে না।
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো—
তারা ভালো মানুষ হয়েছে।
তারা আত্মবিশ্বাসী হয়েছে।
তারা নিজের গ্রামের জন্য কিছু করতে চায়।
আরও ১০ বছর পর—
কেউ শিক্ষক হয়েছে।
কেউ ডাক্তার।
কেউ উদ্যোক্তা।
কেউ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার।
কেউ গবেষক।
কেউ সমাজকর্মী।
কেউ দেশের প্রশাসনে কাজ করছে।
তাদের প্রত্যেকের গল্পের পেছনে একটা নাম—
“আমাদের স্কুলের স্যার।”
আমরা এই দেশে উচ্চশিক্ষা নিয়ে অনেক কথা বলি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ranking নিয়ে কথা বলি।
কিন্তু খুব কম মানুষই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার ভিত নিয়ে কথা বলে।
অথচ সত্যিটা খুব সহজ—
৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষা যদি দুর্বল হয়,
তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দুর্বল foundation-এর ওপর certificate দেবে।
একজন অসাধারণ স্কুল শিক্ষক
শুধু একটা subject পড়ান না।
তিনি একটা প্রজন্ম তৈরি করেন।
আমি সেই দিনের অপেক্ষায় আছি—
যেদিন ঢাবি, বুয়েট, মেডিকেলের সেরা ছাত্ররা গর্ব করে বলবে—
“আমি স্কুলে পড়াই।”
“আমি মাদ্রাসায় পড়াই।”
“আমি দেশের foundation তৈরি করি।”
আর মানুষ তখন অবাক হয়ে বলবে না—
“অন্য চাকরি পায় নাই?”
বরং সম্মান নিয়ে বলবে—
“দেশ গড়ার কাজ করছে।”
Savar Public School & College
"নৈতিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীল সৃষ্টির লক্ষ্যে"
03/05/2026
#এসএসসি_পরীক্ষা_২০২৬
20/04/2026
আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা—এস এস সি ২০২৬। প্রায় ১৮,৫৭,০০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে এই পরীক্ষায়, যা তাদের ভবিষ্যৎ গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
🌟 সাভার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ পরিবারের পক্ষ থেকে সকল পরীক্ষার্থীর জন্য রইলো আন্তরিক শুভেচ্ছা ও দোয়া।তোমাদের পরিশ্রম, ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাসই এনে দেবে সফলতা—এই প্রত্যাশা রইলো।
💐 সবার জন্য শুভকামনা—সফল হও, এগিয়ে যাও!
ঈদ মুবারাক
🌙
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!
রমজান শুরু—আলহামদুলিল্লাহ 🌙✨
সবাইকে পবিত্র রমজান মাসের শুভেচ্ছা।
এই মাস হোক আত্মশুদ্ধির, ক্ষমার, দোয়া কবুলের ও রহমতের মাস।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সিয়াম, কিয়াম ও আমলের তাওফিক দান করুন।
রমজান মোবারক 🤲🌙
14/02/2026
পড়তে বস ছাত্র সমাজ। 🙂
পড়া ছাড়া উপায় নেই।।
মোবাইল ছেড়ে পড়তে বস।।।
ডিয়ার বাংলাদেশি ছাত্র/সমাজ! এখন থেকেই ফজরের ওয়াক্তে ঘুম থেকে উঠে পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলো।🙂
সেই সাথে অটো পাস, হালকা পাস, প্রশ্ন ফাঁস, পরীক্ষা দিব না, পরীক্ষা পেছাতে হবে এই শব্দগুলো ভুলেও মুখে আনার চেষ্টা করা যাবে না।
এই শতাব্দীর সফল শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন এবারের শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন।🙂
তিনি কী জিনিস তা জানতে আপনার আশে পাশের বড়ো ভাই বা আপু কে জিজ্ঞাসা করুন যাঁরা ২০০১-২০০৫ এর মধ্যে এস এস সি বা এইচ এস সি পাশ করেছিলেন কিংবা ফেল করেছিলেন।🥲
হেলিকপ্টার দিয়ে হঠাৎ কেন্দ্রে হাজির হয়ে নকল ধরার সেই শিক্ষামন্ত্রী এসে গেছেন।🙂
পড়তে বস পড়তে বস ছাত্রসমাজ।🥰
15/01/2026
প্রত্যেক শিক্ষকের উচ্চাভিলাষী হওয়া উচিত।
কারণ যাঁর নিজের স্বপ্ন নেই, তিনি অন্যকে স্বপ্ন দেখাবেন কীভাবে?
26/08/2025
তোমার পড়তে ভালো লাগে না?
তোমার পড়তে ভালো লাগে না। খোঁজ নিয়ে দেখলে দেখতে পাবে, বেশিরভাগ স্টুডেন্টের পড়তে ভালো লাগে না।
মোবাইল চালাইতে, গেম খেলতে, ঘুরে বেড়াইতে ইত্যাদি ইত্যাদি ভালো লাগে।
খুব কম সংখ্যক শিক্ষার্থীর পড়তে ভালো লাগে।
হ্যাঁ, এটাই সত্য।
তোমার মন সাধারণত যেটা করতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করে, তুমি সেটাই করো। যেমন- ফোন চালানো। তোমার মন চায় যে, তুমি সারাক্ষণ ফোন চালাও।
তোমার মন চায় না, যে তুমি পড়াশোনা করো।এজন্য তোমার পড়তে ভালো লাগে না।
এটা আসলে তোমার দোষ না। এটা তোমার মনের দোষ বা মানসিকতার জন্য হয়।
এই পোস্টের ছবিতে কি দেখতে পাচ্ছো?
একজন শিক্ষার্থী টেবিল-চেয়ার মিলিয়ে মশারি টানিয়ে পড়ছে।
কি দরকার ছিল, বলো তো? এভাবে পড়তে ভালো লাগে?
কখনোই না। কিন্তু, সে ঠিকই পড়ছে।
কেন পড়ছে?
কারণ বলতে পারবা?
সে তো এভাবে কষ্ট করে না-ও পড়তে পারতো।
এভাবে পড়তে কারোর ভালো লাগে?
কখনোই না।
তাহলে, কেন পড়ছে?
কারণ, সে পড়াটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে। তার পরিক্ষা বা সামনে এমন কোনো পরিক্ষা যেটার জন্য পড়তেই হবে। তার মন চাইলেও সে মোবাইল চালাচ্ছে না বা সময় নষ্ট করছে না।
কারণ, সে তার মনকে বোঝাতে পেরেছে যে, তার কাছে পড়াটা জরুরি। যেভাবেই হোক তাকে পড়তে হবে। না পড়তে পারলে সে ফেইল করবে বা তার পরিক্ষা ভালো না হলে সে তার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে না। স্বপ্নের ইউনিভার্সিটি ধরতে পারবে না বা স্বপ্নের প্রফেশনে যেতে পারবে না।
এখন তোমার যদি পড়তে ভালো না লাগে, তাহলে এটা নিশ্চিত যে, পড়াশোনা করাটা তোমার কাছে জরুরি মনে হয় না। মোবাইল চালানোটাই জরুরি মনে হয়।
যদি পড়াশোনা করাটা জরুরি হতো, তাহলে তুমিও পড়তে। তুমিও এটা ভাবতে যে, যেভাবেই হোক আমাকে পড়তে হবে। আমার পরিক্ষায় ভালো রেজাল্ট করতে হবে, স্বপ্ন পূরণ করতে হবে। যেভাবেই হোক, আমাকে আমার স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেতেই হবে। আমাকে পড়তেই হবে। আমাকে পারতেই হবে।
এটা যদি তোমার মনকে বোঝাতে না পারো, তাহলে তোমার পড়াশোনা করাটা জরুরি মনে হবে না, পড়তেও ভালো লাগবে না।
সো, তোমার মনকে বোঝাও, কোনটা করা তোমার কাছে জরুরি?
পড়াশোনা?
স্বপ্নের ইউনিভার্সিটি?
নাকি, মোবাইল ?
যদি, স্বপ্নের ইউনিভার্সিটি হয়, তাহলে অবশ্যই পড়াশোনা। ভালো না লাগলেও পড়াশোনা।
কারণ, পড়াশোনা ছাড়া কখনোই স্বপ্ন পূরণ সম্ভব নয়।
বুঝতে পেরেছো?
কোনটা জরুরি?
পড়াশোনা।
ঠিক আছে।
তাহলে পড়াশোনা করো।
ঠিক আছে ভাইয়া!
আসসালামু আলাইকুম।
সকলের জন্য শুভকামনা রইলো!
শিশুদের জন্য যে ৬ টি জিনিস ঘরে আনবেন না-
ইন্সট্যান্ট নুডলস,
চিপস,
বিস্কিট/কুকিজ
চকোলেট/ক্যান্ডি,
জুস,
সস/ কেচাপ
প্যাকেটজাত সেরেলাক
তাহলে কি নিয়ে যাবেন বাচ্চার জন্য?
খাবারঃ মৌসুমি ফল, টকদই, চীজ , বাদাম
শিক্ষামূলক গিফট
• অক্ষর বা সংখ্যা শেখার বোর্ড
• ম্যাগনেটিক অ্যালফাবেট সেট
• পাজল গেম
• চিত্রাঙ্কন বই ও রঙ পেন্সিল
• ফ্ল্যাশ কার্ড (রঙ, পশুপাখি, ফল)
ক্রিয়েটিভ গিফট
• প্লে-ডো (মাটির খেলনা)
• আর্ট অ্যান্ড ক্রাফট কিট
• স্ট্যাম্প সেট
• স্টিকার বুক
• পাজল ব্লক বা লেগো
বই
• শিশুদের গল্পের বই
• ইন্টারঅ্যাকটিভ সাউন্ড বুক
অন্যান্য মজার গিফট
• বুদবুদ তৈরি করার সেট (Bubble Maker)
• পানির বোতল (কার্টুন প্রিন্টেড)
• ব্যাকপ্যাক (পছন্দের কার্টুন বা প্রাণীর ডিজাইন)
🎈 কম খরচে জনপ্রিয় গিফট আইডিয়া
• পেন্সিল বক্স সেট
• রঙিন জলরঙ
• ছোট স্টাফড টয়
• পাজল বা ব্লক
&_college
22/07/2025
আপনি শিক্ষক জাতির গর্ব!
আপনি প্রমাণ করলেন শিক্ষকরা শুধু পাঠদানই করেন না, শিক্ষার্থীদের জীবন বাঁচাতে নিজের জীবনকে উৎ'সর্গও করতে পারেন!🥲
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
কমিশনার রোড, শাহীবাগ, সাভার
Dhaka
1340
Opening Hours
| Monday | 08:30 - 16:30 |
| Tuesday | 08:30 - 16:30 |
| Wednesday | 08:30 - 16:30 |
| Thursday | 08:30 - 16:30 |
| Sunday | 08:30 - 16:30 |