A.K. High School & College

A.K. High School & College One of the best educational institutions of Bangladesh with the continuous effort to flourish a better learning to it's students.

The school was established, back in 1971,to disseminate knowledge and better learnings amongst the all classed students to improve the socio-economic scenario of this country through knowledge-ability. This school originated so many brilliant and exuberant scholars who already are contributing not only within Bangladesh but also even all over the world. At the beginning stage,back in 1971, there was one branch and primary schooling only; but after few years the high school as well as the college section started functioning. Later on,against the demand of guardian society the institution launched it's another branch. Mention-ably,the college section is only for the girls. Every year the school is ensuring it's merit position within the 1st ten in all the national examinations like PSC,JSC & SSC. Every year freshers are taken through a very rigorous and fair admission test in each classes,mostly in class 1.

02/11/2015

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত সব সিম পুনরায় নিবন্ধনের নির্দেশনা জানিয়েছে। তাই এখন মোবাইলে এসএমএস-এর মাধ্যমে সহজেই ঘরে বসে যে কেউ মোবাইল সিম নিবন্ধন করে নিতে পারবেন।

এয়ারটেল, বাংলালিংক, গ্রামীণফোন, রবি এবং টেলিটক গ্রাহকেরা- মোবাইলের এসএমএস অপশনে গিয়ে ইংরেজিতে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্ম তারিখ, পূর্ণ নাম লিখে ১৬০০ নম্বরে এসএমএস-এর মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন। সিটিসেল গ্রাহকেরা- মোবাইলের এসএমএস অপশনে গিয়ে U লিখে স্পেস দিয়ে, ইংরেজিতে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্ম তারিখ, পূর্ণ নাম লিখে ১৬০০ নম্বরে এসএমএস-এর মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন। ফিরতি এসএমএস (Your request has been accepted. Thank you for the information)-এর মাধ্যমে আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে যে আপনার তথ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

বিস্তারিত জেনে নিন এই লিংক থেকেঃ http://goo.gl/3DD1jX

For details: https://www.facebook.com/cscongress
28/05/2015

For details: https://www.facebook.com/cscongress

দেশের বিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানের প্রতি অনুরাগী ও বিজ্ঞানের মূল রীতিনীতির ওপর দক্ষ করে তোলা এবং বিশ্বখ্যাত সার্চইঞ্জিন গুগল আয়োজিত ‘গুগল সায়েন্স ফেয়ার’-এ বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আগ্রহী করে তুলতে দ্বিতীয়বারের মতো শুরু হচ্ছে ‘এফএসআইবি-শিশু-কিশোর বিজ্ঞান...

শিশু-কিশোর বিজ্ঞান কংগ্রেসে আপনার যারা অংশ নিতে পারেনি তো কি হয়েছে, যে সকল ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও কংগ্রেস...
25/08/2014

শিশু-কিশোর বিজ্ঞান কংগ্রেসে আপনার যারা অংশ নিতে পারেনি তো কি হয়েছে, যে সকল ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও কংগ্রেসে অংশ নিতে পারেনি তাদের জন্য আমরা রেখেছি কুইজ কম্পিটিশন। কুইজ খেলো,পুরষ্কার জেত।

কুইজে রেজিস্ট্রেশনঃ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনঃ http://www.cscongress.org/quiz-registration/

ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক শিশু কিশোর বিজ্ঞান কংগ্রেস ২০১৪ কুইজ প্রতিযোগিতা!২৯ এ আগস্ট শুরু হতে যাচ্ছে কংগ্রেস , কংগ্...
12/08/2014

ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক শিশু কিশোর বিজ্ঞান কংগ্রেস ২০১৪ কুইজ প্রতিযোগিতা!
২৯ এ আগস্ট শুরু হতে যাচ্ছে কংগ্রেস , কংগ্রেস এর দিন সকালে হবে একটি কুইজ প্রতিযোগিতা।
কুইজে বিজয়ী প্রথম তিন জনের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরস্কার । এছারা তারা অংশগ্রহণ করতে পারবে বিজ্ঞান ক্যাম্পে । সুতরাং যারা কংগ্রেসে প্রজেক্ট , পোস্টার , পেপার দিতে পারো নি সময় এর জন্য তাদের চিন্তা কি , আজকেই কুইজ এর জন্য রেজিস্ট্রেশন করে ফেলো ।
প্রথম ৩০০ জনকে সুযোগ দেয়া হবে
যারা কংগ্রেসের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছ এবং সিলেক্টেড হয়েছো তাদের পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করা লাগবে না। তাদের সবার রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেছে, তারা কংগ্রেস এর দিন কুইজে অংশ নিতে পারবে ।
ধন্যবাদ।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনঃ http://www.cscongress.org/quiz-registration/
ফেসবুকের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনঃ https://www.facebook.com/cscongress/app_684336108254110

ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক শিশু কিশোর বিজ্ঞান কংগ্রেস ২০১৪ কুইজ প্রতিযোগিতা!
২৯ এ আগস্ট শুরু হতে যাচ্ছে কংগ্রেস , কংগ্রেস এর দিন সকালে হবে একটি কুইজ প্রতিযোগিতা।
কুইজে বিজয়ী প্রথম তিন জনের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরস্কার । এছারা তারা অংশগ্রহণ করতে পারবে বিজ্ঞান ক্যাম্পে । সুতরাং যারা কংগ্রেসে প্রজেক্ট , পোস্টার , পেপার দিতে পারো নি সময় এর জন্য তাদের চিন্তা কি , আজকেই কুইজ এর জন্য রেজিস্ট্রেশন করে ফেলো ।
প্রথম ৩০০ জনকে সুযোগ দেয়া হবে
যারা কংগ্রেসের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছ এবং সিলেক্টেড হয়েছো তাদের পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করা লাগবে না। তাদের সবার রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেছে, তারা কংগ্রেস এর দিন কুইজে অংশ নিতে পারবে ।
ধন্যবাদ।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনঃ http://www.cscongress.org/quiz-registration/
ফেসবুকের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনঃ https://www.facebook.com/cscongress/app_684336108254110

তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর। শুরু হয়েছে শিশু কিশোর বিজ্ঞান কংগ্রেস ২০১৪ এর রেজিস্ট্রেশন। অংশ নেয়া যাবে তি...
19/06/2014

তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর। শুরু হয়েছে শিশু কিশোর বিজ্ঞান কংগ্রেস ২০১৪ এর রেজিস্ট্রেশন। অংশ নেয়া যাবে তিনটি বিষয়ে। বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ, বৈজ্ঞানিক প্রকল্প কিংবা বৈজ্ঞানিক পোস্টার। বিজয়ীদের জন্য থাকছে লক্ষ টাকার পুরষ্কার। তিনদিনের আবাসিক জগদীশ চন্দ্র বসু বিজ্ঞান ক্যাম্পে অংশগ্রহণের সুযোগ। ক্যাম্পে গুগল সায়েন্স ফেয়ার এবং ইন্টেল সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ফেয়ারের জন্য প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।
কংগ্রেসে নিজে একা কিংবা দুই বা তিনজনের দল নিয়েও অংশ নিতে পারবে। রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা ১ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত। রেজিস্ট্রেশন করা যাবে এই লিঙ্ক থেকে (http://www.cscongress.org/cscongress-registration/)।
তো বিজ্ঞানের এ মহাযজ্ঞে যোগ দিতে আজই রেজিস্ট্রেশন করে ফেল। প্রতি সপ্তাহেই আমরা বাছাই করে নির্বাচিতদের লিস্ট দিয়ে দিবো। সুতরাং শেষ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করা কিন্তু নিতান্তই বোকামি হবে। রেজিস্ট্রেশনের সময় তুমি কংগ্রেসে যে প্রকল্প, পোস্টার কিংবা পেপারের প্রেজেন্টেশন করবে তার একটা ধারণাপত্র সংযুক্ত করতে হবে। Concept Paper (ধারণাপত্র) ছাড়া রেজিস্ট্রেশন হবে না। উল্লেখ্য আগামি ২৯-৩০ আগষ্ট বাংলাদেশ বিজ্ঞান জাদুঘরে হবে শিশু কিশোর বিজ্ঞান কংগ্রেস ২০১৪। তো হয়ে যাক!

05/05/2014
05/03/2014

A. K. High School & College, Dania, Dhaka 1236

স্কুল-কলেজের ছোট ভাইবোনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।শৈশব-কৈশোরে মুহাম্মাদ জাফর ইকবাল স্যারের সায়েন্স ফিকশন পড়ে রোবটের কপোট্রনি...
23/01/2014

স্কুল-কলেজের ছোট ভাইবোনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

শৈশব-কৈশোরে মুহাম্মাদ জাফর ইকবাল স্যারের সায়েন্স ফিকশন পড়ে রোবটের কপোট্রনিক সুখ-দুঃখে আপ্লুত হয়নি, বর্তমান সময়ে এমন বাংলাদেশী খুঁজে পাওয়া একটু কঠিনই বৈকি ! কিম্ভুতকিমার চারকোণা বাক্সের মত গড়ন, মাথা থেকে বের হয়ে আসা অ্যান্টেনা কিম্বা পায়ের জায়গায় চাকা লাগিয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে চলা সেই সব রোবটের কাল্পনিক জগতে টারমিনেটর কিম্বা ট্রান্সফরমার টাইপ ম্যুভিগুলো ব্যাপক কন্সেপচ্যুয়াল পরিবর্তন এনেছে আর তারই ফলশ্রুতিতে আমাদের দেশের তরুন-তরুণীরা একটু একটু করে ঝুঁকে পড়ছে প্রিয় লেখকের লেখনীর আঁচরে গড়া কাল্পনিক রোবটগুলোকে বাস্তবে রুপ দেয়ার অদম্য অভিযানের দিকে !

তোমরা কি জানো, দেশের নাম করা ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটিগুলোতে পড়ুয়া তোমাদেরই বড় ভাইয়া আপুরা এখন নিজেদের প্রচেষ্টায় রোবট বানাচ্ছে ? তাদের বানানো রোবট এমনকি নাসার চন্দ্র অভিযানের পাঠানোর জন্যে ডেমো দিতে সুদূর অ্যামেরিকাতেও গিয়েছে ! পায়ের জায়গায় চাকা লাগিয়ে গড়িয়ে চলা রোবটগুলো এখন দুর্দান্ত গতিতে ছুটে চলতে পারে রঙ করা লাইন ট্র্যাক, বেয়ে উঠে যেতে পারে উঁচু দেয়াল ! কিছু রোবট আবার ঘরে ঢুকেই বানিয়ে ফেলতে পারে পুরো ঘরের 3D ম্যাপ ! কেউ কেউ অ্যাভাটারের কোয়াডকপ্টারের মতো উড়তেও পারে !

স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদের অনেকের কাছেই এই তথ্যগুলো অবিশ্বাস্য-ফিকশন মনে হলেও আসলেও এমনটাই ঘটছে এখন আমাদের দেশে। আমাদের মেধাবীরা নিজেদের প্রচেষ্টায় বানাচ্ছে দারুন দারুন সব রোবট ! প্রতি বছরের এই সময়টায় ঢাকায় বানিজ্য মেলা হয়, ফেব্রুয়ারিতে চলে বই মেলা। দেশের নানান স্থানে নানান সময়ে আরো কতো ধরনের মেলা হয়। সেখানে স্থান পায় আমাদের সভ্যতা, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক উন্নতির নানান উপকরণ।

মজার কথা হচ্ছে, এত এত মেলার মাঝে এবার দেশে রোবটেরও মেলা বসবে ! দেশের নানান প্রান্ত থেকে, বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্টদের বানানো নানান কিসিমের রোবট ভিড় করবে সেই মেলায় ! "ন্যাশনাল রোবটিক্স ফেস্ট-২০১৪ (NRF)" নামের জাতীয় পর্যায়ে রোবটের এই মিলনমেলার আয়োজন করেছে বাংলাদেশী প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের এক মাত্র জাতীয় সংগঠন "ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (এসাব)"। এই ফেস্টে ৪ টি ক্যাটেগরিতে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

♣ ফিক্সড টাস্ক সম্বলিত international autonomous robotic challange (iARC), যাতে বিজয়ী রোবট-দল সুযোগ পাবে আগামী মার্চে ইন্ডিয়ার কানপুরে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক রোবটিক্স কন্টেস্টে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার !

♣ ফিক্সড টাইমে ফিক্সড ডিস্ট্যান্স পাস করার প্রতিযোগিতামূলক ক্যাটেগরির নাম Battle of Speed (BoS) !

♣ Robots Got Freedom (RGF) ক্যাটেগরিতে আসা রোবটগুলো নানান ধরনের রবো-ট্রিক্স দেখাবে !!

♣ সেই সাথে রয়েছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের রাউন্ড "Exploring the Dreams"- যার জন্যেই মূলত এত কিছু লেখা ! তোমাদের কল্পনার চোখে দেখা রোবটগুলোর খানিকটা বর্ণনা আমরাও জানতে চাই ! হয়তো তোমাদেরই কারো দেয়া আইডিয়ার আদলে আমরা আমাদের পরবর্তী রোবটগুলোর ফিচার ডিজাইন করবো ! সিলেক্টেড আইডিয়া প্রদানকারীদের জন্যে থাকছে আকর্ষণীয় পুরস্কার। অদূর ভবিষ্যতে তোমাদের কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরে এলে এসাবের প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে নিজের সৃজনশীলতাকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতার আগাম আশ্বাস তো থাকছেই !

ন্যাশনাল রোবটিক্স ফেস্ট-২০১৪ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি।


তোমাদের অংশগ্রহণের ব্যাপারে আরো বিস্তারিত জানতে ঘুরে এসো - www.esab.org.bd/nrf ।
কোন তথ্য জানতে ইমেইল করতে পারো আমাদের - [email protected] অ্যাড্রেসে।
ভ্যেনু , সময় ও অন্যান্য আপডেটস জানতে টিউনড থাকতে হবে এসাবের ফেসবুক ফ্যানপেইজে -www.facebook.com/esab.bd

দেখা হবে ৭ ফেব্রুয়ারি, রোবটের মিলন মেলায় !

''Are you a student ranging from class 8 to 12 ?If yes, National Earth Olympiad(NEO) '13' is for you. NEO'13 is the Eart...
10/06/2013

''Are you a student ranging from class 8 to 12 ?
If yes, National Earth Olympiad(NEO) '13' is for you. NEO'13 is the Earth and Environmental Science Olympiad Organized by Bangladesh Youth Environmental Initiative(BYEI) with the Association of US Embassy. For registration and more details, please visit http://www.byei.org/neo
Hurry up. Clock is ticking... ''

National Earth Olympiad 2013 (NEO’13) is the second Earth and Environmental Science Olympiad in Bangladesh. NEO’13 is designed to challenge your knowledge on geology, meteorology, terrestrial astronomy, and environmental sciences. This will be the national level selection competition of Bangladesh T...

25/05/2013

aj amader mohan bidrohi kobi Kazi Nazrul Islam er Jonmo Joyonti shober pokkho theke shuvecca janano holo

Kazi Nazrul Islam Life story

১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ই জ্যৈষ্ঠ) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কাজী নজরুল ইসলাম। চুরুলিয়া গ্রামটি আসানসোল মহকুমার জামুরিয়া থানায় অবস্থিত। পিতামহ কাজী আমিনউল্লাহর পুত্র কাজী ফকির আহমদের দ্বিতীয়া পত্নী জাহেদা খাতুনের ষষ্ঠ সন্তান তিনি। তার বাবা ছিলেন স্থানীয় এক মসজিদের ইমাম। তারা ছিলেন তিন ভাই এবং বোন। তার সহোদর তিন ভাই ও দুই বোনের নাম হল: সবার বড় কাজী সাহেবজান, কনিষ্ঠ কাজী আলী হোসেন, বোন উম্মে কুলসুম। কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল দুখু মিয়া।

তিনি স্থানীয় মক্তবে (মসজিদ পরিচালিত মুসলিমদের ধর্মীয় স্কুল) কুরআন, ইসলাম ধর্ম , দর্শন এবং ইসলামী ধর্মতত্ত্ব অধ্যয়ন শুরু করেন। ১৯০৮ সালে যখন তার বাবা মারা যান তখন তার বয়স মাত্র নয় বছর।

মক্তব, মসজিদ ও মাজারের কাজে নজরুল বেশি দিন ছিলেননা। বাল্য বয়সেই লোকশিল্পের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে একটি লেটো (বাংলার রাঢ় অঞ্চলের কবিতা, গান ও নৃত্যের মিশ্র আঙ্গিক চর্চার ভ্রাম্যমান নাট্যদল) দলে যোগ দেন। তার চাচা কাজী বজলে করিম চুরুলিয়া অঞ্চলের লেটো দলের বিশিষ্ট ওস্তাদ ছিলেন এবং আরবি, ফারসি ও উর্দূ ভাষায় তার দখল ছিল। এছাড়া বজলে করিম মিশ্র ভাষায় গান রচনা করতেন।

১৯১৭ সালের শেষদিকে নজরুল সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। প্রথমে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে এবং পরবর্তীতে প্রশিক্ষণের জন্য সীমান্ত প্রদেশের নওশেরায় যান। প্রশিক্ষণ শেষে করাচি সেনানিবাসে সৈনিক জীবন কাটাতে শুরু করেন। তিনি সেনাবাহিনীতে ছিলেন ১৯১৭ সালের শেষভাগ থেকে ১৯২০ সালের মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রায় আড়াই বছর। সৈনিক থাকা অবস্থায় তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেন। এ সময় নজরুলের বাহিনীর ইরাক যাবার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধ থেমে যাওয়ায় আর যাননি। ১৯২০ সালে যুদ্ধ শেষ হলে ৪৯ বেঙ্গল রেজিমেন্ট ভেঙে দেয়া হয়। এর পর তিনি সৈনিক জীবন ত্যাগ করে কলকাতায় ফিরে আসেন।

১৯২২ সালে বিজলী কবিতায় প্রকাশিত হওয়ামাত্রই জাগরণ সৃষ্টি করে।দৃপ্ত বিদ্রোহী মানসিকতা এবং অসাধারণ শব্দবিন্যাস ও ছন্দের জন্য আজও বাঙালী মানসিকতায় কবিতাটি "চির উন্নত শির" বিরাজমান।

বল বীর -
বল উন্নত মম শির!
শির নেহারি আমারি, নত শির ওই শিখর হিমাদ্রির!
বল বীর -
বল মহা বিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি’
চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা ছাড়ি’
ভূলোক দ্যুলোক গোলোক ভেদিয়া,
খোদার আসন ‘আরশ’ ছেদিয়া,
উঠিয়াছি চির বিস্ময় আমি বিশ্ব বিধাত্রীর!
মম ললাটে রুদ্র ভগবান জ্বলে রাজ-রাজটীকা দীপ্ত জয়শ্রীর!
বল বীর-
আমি চির উন্নত শির।

আমি চিরদুর্দ্দম, দুর্বিনীত, নৃশংস,
মহা-প্রলয়ের আমি নটরাজ, আমি সাইক্লোন, আমি ধ্বংস,
আমি মহাভয়, আমি অভিশাপ পৃথ্বীর!
আমি দুর্বার,
আমি ভেঙ্গে করি সব চুরমার!
আমি অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খল,
আমি দলে যাই যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃঙ্খল!
আমি মানি না কো কোন আইন,
আমি ভরা-তরী করি ভরা-ডুবি, আমি টর্পেডো, আমি ভীম ভাসমান মাইন!
আমি ধুর্জ্জটী, আমি এলোকেশে ঝড় অকাল-বৈশাখীর!
আমি বিদ্রোহী, আমি বিদ্রোহী-সূত বিশ্ব-বিধাত্রীর!
বল বীর-
চির-উন্নত মম শির!

আমি বন্ধন-হারা কুমারীর বেণী, তন্বী-নয়নে বহ্নি,
আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম উদ্দাম, আমি ধন্যি!
আমি উন্মন মন উদাসীর,
আমি বিধবার বুকে ক্রন্দণ শ্বাস, হা-হুতাশ আমি হুতাশীর!
আমি বঞ্চিত ব্যথা পথবাসী চির-গৃহহারা যত পথিকের,
আমি অবমানিতের মরম-বেদনা, বিষ-জ্বালা, প্রিয়-লাঞ্ছিত বুকে গতি ফের!
আমি অভিমানী চির-ক্ষুব্ধ হিয়ার কাতরতা, ব্যথা সুনিবিড়,
চিত- চুম্বন-চোর-কম্পন আমি থর-থর-থর প্রথম পরশ কুমারীর!
আমি গোপন-প্রিয়ার চকিত চাহনি, ছল ক’রে দেখা অনুখণ,
আমি চপল মেয়ের ভালবাসা, তা'র কাঁকন চুড়ির কন্ কন্।
আমি চির-শিশু, চির-কিশোর
আমি যৌবন-ভীতু পল্লীবালার আঁচর কাঁচলি নিচোর!
আমি উত্তর-বায়ু, মলয়-অনিল, উদাস পূরবী হাওয়া,
আমি পথিক-কবির গভীর রাগিণী, বেনু-বীণে গান গাওয়া।
আমি আকুল নিদাঘ-তিয়াসা, আমি রৌদ্র-রুদ্র রবি,
আমি মরু-নির্ঝর ঝর-ঝর, আমি শ্যামলিমা ছায়া-ছবি।
আমি তুরীয়ানন্দে ছুটে চলি এ কি উন্মাদ, আমি উন্মাদ!
আমি সহসা আমারে চিনেছি, আমার খুলিয়া গিয়াছে সব বাঁধ!

আমি অর্ফিয়াসের বাঁশরী,
মহা- সিন্ধু উতলা ঘুম্-ঘুম্,
ঘুম্ চুমু দিয়ে করি নিখিল বিশ্বে নিঝ্‌ঝুম্
মম বাঁশরীর তানে পাশরি
আমি শ্যামের হাতের বাঁশরী।
আমি রুষে উঠে’ যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া,
ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া!
আমি বিদ্রোহ-বাহী নিখিল অখিল ব্যাপিয়া!

আমি শ্রাবণ-প্লাবন-বন্যা,
কভু ধরণীরে করি বরণীয়া, কভু বিপুল-ধ্বংস-ধন্যা-
আমি ছিনিয়া আনিব বিষ্ঞু-বক্ষ হইতে যুগল কন্যা!
আমি অন্যায়, আমি উল্কা, আমি শনি,
আমি ধূমকেতু-জ্বালা, বিষধর কলা-ফণী!
আমি ছিন্নমন্তা চণ্ডী, আমি রণদা সর্বনাশী,
আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি!

আমি মৃন্ময়, আমি চিন্ময়,
আমি অজয় অমর অক্ষয়, আমি অব্যয়!
আমি মানব দানব দেবতার ভয়,
বিশ্বের আমি চির-দুর্জয়,
জগদীশ্বর-ঈশ্বর আমি পুরুষোত্তম সত্য,
আমি তাথিয়া তাথিয়া মথিয়া ফিরি এ স্বর্গ পাতাল-মর্ত্য!
আমি উন্মাদ, আমি উন্মাদ!
আমি চিনেছি আমারে, আজিকে আমার খুলিয়া গিয়াছে সব বাঁধা!!-

আমি পরশুরামের কঠোর কুঠার,
নিঃক্ষত্রিয় করিব বিশ্ব, আনিব শান্তি শান্ত উদার!
আমি হল বলরাম-স্কন্ধে,
আমি উপাড়ি' ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নব সৃষ্টির মহানন্দে,

মহা- বিদ্রোহী রণ-কাল্ত,
আমি সেইদিন সব শান্ত,
যবে উত্পীড়িতের ক্রন্দণ-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না
অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না-
বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত।

আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন;
আমি স্রষ্টা-সুদন; শোক-তাপ হানা খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন।
আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দেবো পদ-চিহ্ন!
আমি খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন।

আমি চির-বিদ্রোহী-বীর-
আমি বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির উন্নত শির!

যুদ্ধ শেষে কলকাতায় এসে নজরুল ৩২ নং কলেজ স্ট্রিটে বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতির অফিসে বসবাস শুরু করেন। তার সাথে থাকতেন এই সমিতির অন্যতম কর্মকর্তা মুজফ্‌ফর আহমদ। এখান থেকেই তার সাহিত্য-সাংবাদিকতা জীবনের মূল কাজগুলো শুরু হয়। প্রথম দিকেই মোসলেম ভারত, বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা, উপাসনা প্রভৃতি পত্রিকায় তার কিছু লেখা প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে রয়েছে উপন্যাস বাঁধন হারা এবং কবিতা বোধন, শাত-ইল-আরব, বাদল প্রাতের শরাব, আগমনী, খেয়া-পারের তরণী, কোরবানি, মোহরর্‌ম, ফাতেহা-ই-দোয়াজ্‌দম্‌।

প্রমীলা দেবীর সাথে যার সাথে তার প্রথমে পরিণয় ও পরে বিয়ে হয়েছিল। তবে এর আগে নজরুলের বিয়ে ঠিক হয় আলী আকবর খানের ভগ্নী নার্গিস আসার খানমের সাথে। বিয়ের আখত সম্পন্ন হবার পরে কাবিনের নজরুলের ঘর জামাই থাকার শর্ত নিয়ে বিরোধ বাধে। নজরুল ঘর জামাই থাকতে অস্বীকার করেন এবং বাসর সম্পন্ন হবার আগেই নার্গিসকে রেখে কুমিল্লা শহরে বিরজাসুন্দরী দেবীর বাড়িতে চলে যান। তখন নজরুল খুব অসুস্থ ছিলেন এবং প্রমিলা দেবী নজরুলের পরিচর্যা করেন। এক পর্যায়ে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

১৯৪২ সালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েস। এতে তিনি বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন। তার অসুস্থতা সম্বন্ধে সুষ্পষ্টরুপে জানা যায় ১৯৪২ সালের জুলাই মাসে।১৯৪২ সালের শেষের দিকে তিনি মানসিক ভারসাম্যও হারিয়ে ফেলেন। এরপর নজরুল পরিবার ভারতে নিভৃত সময় কাটাতে থাকে। ১৯৫২ সাল পর্যন্ত তারা নিভৃতে ছিলেন। ১৯৫২ সালে কবি ও কবিপত্নীকে রাঁচির এক মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়।এরপর ১৯৫৩ সালের মে মাসে নজরুল ও প্রমীলা দেবীকে চিকিৎসার জন্য লন্ডন পাঠানো হয়। মে ১০ তারিখে লন্ডনের উদ্দেশ্যে হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন ছাড়েন। লন্ডন পৌঁছানোর পর বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তার রোগ নির্ণয়ের চেষ্টা করেন। অবশেষে ১৯৭৬ সালে নজরুলের স্বাস্থ্যেরও অবনতি হতে শুরু করে। জীবনের শেষ দিনগুলো কাটে ঢাকার পিজি হাসপাতালে। ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তারিখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
কবি তার একটি কবিতায় বলেছিলেন:
“মসজিদেরই পাশে আমায় কবর দিয়ো ভাই, যেন গোরের থেকে মুয়াজ্জিনের আযান শুনতে পাই”

এই কবিতায় তার অন্তিম ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে। তার এই ইচ্ছার বিষয়টি বিবেচনা করে কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং সে অনুযায়ী তার সমাধি রচিত হয়।

কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয় কবির মর্যাদা দেওয়া হয়। নজরুলের স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশালে (বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলায়) ২০০৫ সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় নামক সরকারী সরকারী প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে কবির জন্মস্থান চুরুলিয়ায় নজরুল অ্যাকাডেমি ও বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় কবির স্মৃতিতে নজরুল একাডেমী, বুলবুল ললিতকলা একাডেমী ও বাংলাদেশ নজরুল সেনা স্থাপিত হয়। কলকাতায় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও মূল শহরের সংযোগকারী প্রধান রাস্তাটি কবির নামে উৎসর্গ করে কাজী নজরুল ইসলাম সরণি করা হয়। এছাড়াও কলকাতা মেট্রোর গড়িয়া বাজার স্টেশনটিকে কবির সম্মানে কবি নজরুল নামে উৎসর্গিত করা হয়েছে।

09/05/2013

Address

Donia, Dhaka
Dhaka
1236

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A.K. High School & College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category