Nutrition School

Nutrition School

Share

To Create Awareness of Safe Food, Food Adulteration, Balance Diet and Build up Nutritional Knowledge among Mass People for Better Health.

Photos from Nutrition School's post 28/08/2021

পুদিনা পাতার ভেষজ গুণাগুণ:
আমাদের সকলের কাছে পুদিনা অত্যন্ত পরিচিত। সাধারণত এটি খাবারের সুগন্ধ বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও কেউ কেউ সালাদে এটি ব্যবহার করেন। কিন্তু এর রয়েছে অসাধারণ কিছু ভেষজ গুণাগুণ।

১. বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, পুদিনা হজমে সহায়তা করে। এছাড়া এটি পরিপাক নালীর পেশী সংকোচন নিয়ন্ত্রনে সহায়তা করে। ফলে এটি আইবিএস এর চিকিৎসায় কার্যকরী।

২. পুদিনাতে বিদ্যমান রোজমেরিক এসিড হাঁপানি প্রতিরোধ করে। এটি প্রোইনফ্লামেটরি হিসেবে কাজ করে, ফলে শ্বাসনালীতে প্রদাহ হ্রাস পায় এবং মিউকাস নিঃসরণ কমিয়ে দেয়।

৩. পুদিনা পাতার রস মুখে লাগালে ব্রণ ওঠা বন্ধ হয়ে যায় এবং ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়।

৪. পুদিনা পাতার রসের সাথে লেবুর রস মিশ্রিত করে খেলে দেহের ক্লান্তি ভাব কেটে যায়।

৫. পুদিনা পাতার সাথে গোলমরিচ পিসে ছেঁকে রস খেলে হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়ে যায়।

৬. যাদের মাথায় উকুন আছে তারা নিয়মিত পুদিনা পাতার রস লাগালে উকুন ধীরে ধীরে দূর হয়ে যাবে।

৭. পুদিনা পাতায় রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফাইটোকেমিক্যাল যেমন: ইউজেনল, সিট্রোনেল্যাল, ভিটামিন-ই, আলফা- রেসরসাইক্লামাইড, মনোটারপিন ইত্যাদি। যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

আমি মোঃ শাহাব উদ্দিন হাওলাদার
কাজ করছি-
হারবাল এন্টিহেয়ারফল ও এন্টিড্যানডার্ফ হেয়ার অয়েল এবং বিভিন্ন ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট নিয়ে।
আরও আছে-
১.পেইনকিলার অয়েল
২. স্কিন কেয়ার অয়েল
৩. ভিনেগার
৪. এন্টিডায়াবেটিস সাপ্লিমেন্ট
৬. এন্টিওবেসিটি সাপ্লিমেন্ট
৭. এন্টিহাইপারটেনসিভ সাপ্লিমেন্ট
৮. খাঁটি ঘি
৯. খাঁটি সরিষার তেল

Photos from Nutrition School's post 26/03/2021

আমলকির স্বাস্থ্য ভূমিকা(পর্ব-১):
আমলকি আমাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি ভেষজ। আমরা সবাই জানি যে, আমলকি ভিটামিন সি এর উত্তম উৎস। এটি আমাদের দেহে নানাবিধ উপকার করে থাকে। এর কোন প্বার্শপ্রতিক্রিয়া নাই।

১. আমলকি চুলের জন্য অত্যন্ত ভাল টনিক। এটি চুলের গোড়া মজবুত করে ও চুল পড়া রোধ করে। খুশকি দূর করে এবং চুল পাকা প্রতিরোধ করে।

২. কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করে এবং বদহজম ও পেটের অন্যান্য সমস্যায় কার্যকরী।

৩. একগ্লাস পানিতে এক চা চামচ আমলকির গুড়া ভিজিয়ে পানি খেলে এসিডিটি দূর হয়।

৪. প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেলে ত্বকের দাগ দূর হয় ও উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।

৫. নিয়মিত আমলকি খেলে দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পায়। চোখের পানি পড়া ও চুলকানি বন্ধ হয়।

18/03/2021

আম আদার স্বাস্থ্য ভূমিকা(পর্ব-১):
আম আদা বা সাদা হলুদ হলো হলুদের একই ফ্যামিলিভূক্ত এবং একই বর্গের অন্তর্ভুক্ত মসলা জাতীয় উদ্ভিদ।
এতে বিভিন্ন ধরনের ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকে। যেমন: ফ্লাভোন, রেজিন, স্যাপোনিন, কারকিউমিন, এসেন্সিয়াল অয়েল, সাইটোটক্সিক প্রোটিন ইত্যাদি‌। এছাড়াও এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্টার্চ থাকে।
আয়ুর্বেদিক ফর্মুলা মতে এটি বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

১. পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতা- আম আদা পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। যেমন: কৃমি সংক্রমণ প্রতিরোধ, হজমে সহায়তা, ইরেগুলার বাওয়েল মুভমেন্ট, ক্ষুধামন্দা, অরুচি ইত্যাদি।

২. শ্বাসনালীর বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায়- এটি শ্বাসনালীর বিভিন্ন সমস্যা যেমন: ঠান্ডা, সর্দি, কাশি, হাঁপানি ইত্যাদি চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

৩. ইনফ্লামেশনের চিকিৎসা- আম আদা বিভিন্ন ধরনের ইনফ্লামেশনের বিরুদ্ধে কাজ করে। তাই হাঁপানি থেকে শুরু করে আর্থাইটিসের চিকিৎসায় এটি অত্যন্ত কার্যকর। আম আদা ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়ায় রক্ত বিশুদ্ধকরণে সহায়তা করে।

৪. এন্টিব্যাকটেরিয়াল এক্টিভিটি- এটি বিভিন্ন ধরণের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর। যেমন ই. কোলাই, ক্যানডিডা, এসপারজিলাস ইত্যাদি। এছাড়া অ্যামিবা সংক্রমণের বিরুদ্ধেও এটি কার্যকর।

৫. ব্যথানাশক- বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, আম আদা তে বিদ্যমান বিভিন্ন উপাদান যেমন কারকিউমিন ও কারকিউমিনল ব্যথানাশক হিসেবে অত্যন্ত কার্যকর। এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে এটি এসপিরিন অপেক্ষা অধিক কার্যকরী।

কাজ করছি-
হারবাল এন্টিহেয়ারফল ও এন্টিড্যানডার্ফ হেয়ার অয়েল এবং হারবাল রিমেডি নিয়ে।
আরও আছে-
১.পেইনকিলার অয়েল,
২. স্কিন কেয়ার অয়েল,
৩. ভিনেগার
৪. এন্টিডায়াবেটিস সাপ্লিমেন্ট
৬. এন্টিওবেসিটি সাপ্লিমেন্ট
৭. এন্টিহাইপারটেনসিভ সাপ্লিমেন্ট।

12/02/2021

মধুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ভূমিকা (পর্ব-১):

মধু চিনে না এমন লোক পৃথিবীতে নাই বললেই চলে এবং মধুর পুষ্টিগুণ কিংবা ঔষধি গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই মোটামুটি অবগত। ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি পর্বে আলোচনা করব মধুর বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান, গুনাগুন এবং ব্যবহার সম্পর্কে।

প্রথম পর্বে থাকছে মধুর উপাদানগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা। ফুলের ভিন্নতার কারণে মধুর উপাদানগত পার্থক্য দেখা দেয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, এতে প্রায় 181 টি রাসায়নিক উপাদান আছে।

১. মধুর প্রধান শর্করা হলো- ফ্রুক্টোজ ও গ্লূকোজ। মধুতে গড়ে ৩৮% ফ্রুক্টোজ এবং ৩১% গ্লুকোজ থাকে। যা মধুর মিষ্টতার জন্য দায়ী। এছাড়াও অন্যান্য উল্লেখযোগ্য শর্করা হলো- মল্টোজ, সুক্রোজ, বিটা-ট্রিহ্যালোজ, সুক্রোজ, টুরানোজ, নাইজেরোজ, মল্টুলোজ, আইসোমল্টোজ, ইরলোজ, মল্টোট্রাইয়োজ ও প্যানোজ ইত্যাদি।

২. মধুতে আছে বিভিন্ন ধরনের এনজাইম যেমন- গ্লুকোজ অক্সিডেজ, সুক্রেজ, মল্টেজ, ডায়াস্টেজ, ক্যাটালেজ, এসিড ফসফাটেজ।

৩. মধুর মধ্যে প্রায় ২৬ ধরনের এমাইনো এসিড থাকে। তবে প্রধান এসিড হল প্রোলিন, যা মোট এমাইনো এসিডের ৫০ থেকে ৮৫ ভাগ পর্যন্ত হয়ে থাকে।

৪. প্রধান প্রধান ভিটামিন হলো- রাইবোফ্লাভিন, নায়াসিন, ফলিক এসিড, ভিটামিন বি৬, প্যানটোথেনিক এসিড, এসকরবিক এসিড ইত্যাদি।

৫. খনিজ উপাদানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ, সেলেনিয়াম, ক্রোমিয়াম ইত্যাদি।

৬. জৈব এসিডের মধ্যে প্রধান প্রধান হলো এসিটিক এসিড, ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, সাক্সিনিক এসিড, গ্লুকোনিক এসিড, ল্যাকটিক অ্যাসিড ও অন্যান্য এরোমেটিক এসিড।

৭. ফ্লাভোনয়েডস্ ও অন্যান্য ফেনলিক যৌগ হলো- ক্যামফেরল, এপিজেনিন, পিনোবাসকিন, জেনিসটিন, গ্যালিক এসিড, হেসপেরিটিন, প্যারা-কমেরিক এসিড, ক্যাফেইক এসিড, ভ্যানিলিক এসিড ইত্যাদি।

আমি ড. মোঃ শাহাব উদ্দিন হাওলাদার
কাজ করছি-
হারবাল এন্টিহেয়ারফল ও এন্টিড্যানডার্ফ হেয়ার অয়েল এবং হারবাল রিমেডি নিয়ে।
আরও আছে-
১.পেইনকিলার অয়েল,
২. স্কিন কেয়ার অয়েল,
৩. ভিনেগার
৪. এন্টিডায়াবেটিস সাপ্লিমেন্ট
৬. এন্টিওবেসিটি সাপ্লিমেন্ট
৭. এন্টিহাইপারটেনসিভ সাপ্লিমেন্ট।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ডায়াবেটিস, ওবেসিটি ও উচ্চরক্তচাপসহ বিভিন্ন রোগের ডায়েটারি সাপোর্ট প্রদান করা হয়।

29/11/2020

দেহের অভ্যন্তরীণ নির্বিষকরণে খাদ্যের ভূমিকা পর্ব-২
✓ফলমূল- ফলমূলে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের এন্টি-অক্সিডেন্ট, ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট, ফাইবার ও ভিটামিন যা সহজে নির্বিষকরণে সহায়তা করে।
✓বিভিন্ন সবুজ সবজি- যেমন কেইল, পালংশাক, মূলা, স্পিরুলিনা, আলফালফা, এরুগুলা এবং অন্যান্য অর্গানিক সবুজ শাকসবজি। সবুজ খাদ্যে বিদ্যমান ক্লোরোফিল পরিবেশ থেকে আগত বিভিন্ন টক্সিন, মেটাল, হার্বিসাইড, পেস্টিসাইড, ক্লিনজিং এজেন্টস ইত্যাদি নির্বিষকরণে অংশগ্রহণ করে। সবুজ সবজি- যেমন পিয়াজ, গাজর, আর্টিচোক, অ্যাসপারাগাস, ব্রকলি, বাঁধাকপি, ব্রুসেল, ফুলকপি, বিট, হলুদ, অরিগানো ইত্যাদি নির্বিষকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

✓সাইট্রাস ফ্রুটস- লেবু, কমলা বা এই জাতীয় খাবারের মধ্যে বিভিন্ন এনজাইম থাকে যা পরিপাকে সহায়তা করে। লেবুর রস লিভার এবং কিডনির পরিষ্কারকরণে অংশগ্রহণ করে।

✓রসুন- রসুন হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম ডিটক্সিফায়ার। এটি লিভারে বিভিন্ন নির্বিষকারী এনজাইম নিঃসরণ উদ্দীপ্ত করে।

✓ব্রকলি- এতে উচ্চমাত্রায় এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে ও কোষে নির্বিষকারী এনজাইম নিঃসরণে এটিই সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করে।

✓গ্রিন টি- গ্রিন টি এন্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর থাকে। যেমন: ক্যাটেসিন লিভারের কার্যক্রমকে বৃদ্ধি করে।

✓মুগ ডাল- আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে প্রায় হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে মুগ ডাল বা এ জাতীয় অন্যান্য ডাল ব্যবহার হয়ে আসছে। এটি খুব সহজে পরিপাক যোগ্য এবং এতে বিদ্যমান বিভিন্ন উপাদান পরিপাকনালীতে নির্বিষকরণ তরান্বিত করে।

✓সিডস ও নাটস- বিভিন্ন ধরনের বাদাম এবং তেলবীজ যেমন তিসি, কুমড়ার বিচি, কালোজিরা, চিনবাদাম, কাঠবাদাম, তিল, চিয়া সিডস, সূর্যমুখী বীজ ইত্যাদি খুবই উপকারী খাদ্য।

✓ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড- অলিভ অয়েল, অ্যাভোকাডো ইত্যাদিতে বিদ্যমান ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড দেহ থেকে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে সহায়তা করে।

✓এছাড়াও জাম্বুরা, জবা চা, সাদা চা, কোলার্ড গ্রীন, শতমূলী, মিষ্টি আলু, সরিষা, কলা, টমেটো, পালংশাক, বিট, টমেটো, কিউয়ি, গোল আলু, বিভিন্ন সিমজাতীয় বীজ, ওটস ও সূর্যমূখী ইত্যাদি নির্বিষকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

11/10/2020

ইনসুলিন ও ডায়াবেটিস: পর্ব-১
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আজ আমরা জানবো অতি পরিচিত রোগ ডায়াবেটিস ও এর বহুল প্রচলিত ঔষধ ইনসুলিন সম্পর্কে।
ইনসুলিন হলো একটি হরমোন যা প্যানক্রিয়াস বা অগ্নাশয় হতে নিঃসৃত হয়। আর এই অগ্নাশয় হলো আমাদের পরিপাকতন্ত্রের একটি অঙ্গ।এটি আমাদের হজমে সহয়তার পাশাপাশি ইনসুলিন ও গ্লুকাগন নামক দুটি হরমোন তৈরি করে। এই দুটি হরমোন আমাদের দেহে গৃহীত খাদ্য হতে শক্তি উৎপাদনসহ নানান রকমের কাজ করে।
তবে শক্তি উৎপাদনের ক্ষেত্রে ইনসুলিন ও গ্লুকাগন বিপরীত ভাবে কাজ করে।
এবার আসি ইনসুলিনের ক্রিয়াকৌশল সম্বন্ধে। খাদ্য গ্রহণের পর অগ্নাশয় হতে ইনসুলিন নিঃসৃত হয় এবং রক্তের মাধ্যমে সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি আমাদের পরিপাকতন্ত্র ভাত, রুটি ও এজাতীয় খাবার ভেঙ্গে গ্লুকোজ; মাছ, মাংস, ডিম ও প্রোটিন জাতীয় খাবার ভেঙ্গে এমাইনো এসিড; এবং তেল ও চর্বি ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিড তৈরি করে।
ইনসুলিন এই গ্লুকোজ, এমাইনো এসিড ও ফ্যাটি এসিড গুলোকে আমাদের দেহের প্রতিটি কোষে প্রবেশ করতে ও ব্যবহার উপযোগী করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
দেহের প্রতিটি কোষে ইনসুলিনের জন্য নির্দিষ্ট রিসেপ্টর আছে। ইনসুলিন এই রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয় এবং কতগুলো ট্রান্সপোর্টার বা বাহককে সক্রিয় করে ও গ্লুকোজ, এমাইনো এসিড ও ফ্যাটি এসিডকে কোষের ভিতরে পাঠায়। এবং আমাদের দেহের জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে।

এবার জেনে নিই ডায়াবেটিস কি???
বিজ্ঞানীরা ডায়াবেটিসকে বিভিন্নভাবে ভাগ করেছেন। তবে আমরা জানবো প্রধান দুটি ভাগ সম্পর্কে যা ইনসুলিনের সাথে সম্পর্কিত।
১. টাইপ-১ ডায়াবেটিস: এক্ষেত্রে রোগীর দেহে বিভিন্ন কারণে ইনসুলিন তৈরি হয় না। এবং এটি সাধারণত পঁচিশ বছর বা তার কম বয়সে হয়ে থাকে।
২. টাইপ-২ ডায়াবেটিস: এক্ষেত্রে রোগীর দেহে ইনসুলিন তৈরি হয় কিন্তু কোষে গিয়ে ইনসুলিন কাজ করতে পারে না। আর এই না পারার পিছনে অনেক গুলো কারণ বিদ্যমান। আর আমাদের দেশে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই টাইপ বেশি দেখা যায়।
পরবর্তী পর্বে আমরা ইনসুলিনের কাজ ও ডায়াবেটিসের লক্ষণ এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করবো ইন-শা-আল্লাহ।

10/09/2020

অর্গানিক ফুড ও কনভেনশনাল ফুড: পর্ব-৩

পুষ্টি উপাদান বিবেচনায় অর্গানিক ফুড ও কনভেনশনাল ফুডের মধ্যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে যথেষ্ট মিল আছে। যেমন ম্যাগনেশিয়াম, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, জিংক, আয়রন, পটাশিয়াম ও ভিটামিন-সি এর পরিমাণ উভয় ধরনের খাদ্যে প্রায় সমপরিমাণ থাকে।
তবে অর্গানিক খাদ্যে টোটাল মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের পরিমাণ বেশি থাকে। এছাড়াও এতে ফসফরাসের পরিমাণ অপেক্ষাকৃত বেশি পাওয়া যায়।
অর্গানিক মাংসে ও দুধে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড বেশি এবং সম্পৃক্ত চর্বি কম থাকে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, অর্গানিক খাদ্যে আর্সেনিকসহ অন্যান্য হেভীমেটাল কনভেনশনাল ফুডের চেয়ে কম। উদ্ভিজ্জ অর্গানিক খাদ্যে পলিফেনল ও ভিটামিন-ই বেশি পাওয়া যায় এবং মোট এন্টিঅক্সিডেন্ট ৬৯% বেশি। উভয় ধরনের খাদ্যে ই.কোলাই ব্যাকটেরিয়া (অর্গানিক খাদ্যে ৭% ও কনভেনশনাল খাদ্যে ৬%) থাকে।
কনভেনশনাল খাদ্যের সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো এতে কীটনাশকের পরিমাণ অর্গানিক পাঁচগুণ বেশি এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ক্যানসারের ঝুঁকি চারগুণ বেশি।
ইউ এস ডি এ- র সার্টিফিকেশন অনুযায়ী অর্গানিক খাদ্যে তিন ধরনের লেবেল অনুমোদন দেয়া হয়:
১. "১০০% অর্গানিক"- যার উৎপাদন প্রক্রিয়া ও সব উপাদানই অর্গানিক হতে হবে।
২. "অর্গানিক"- কমপক্ষে ৯৫% উপাদান অর্গানিক হতে হবে।
৩. "মেইড উইথ অর্গানিক"- নূন্যতম ৭০% অর্গানিক উপাদান থাকতে হবে।
৭০% এর নীচে অর্গানিক উপাদান থাকলে তা কোনো ভাবেই অর্গানিক খাদ্য বলে বিবেচিত হবে না।
বিগত দুই পর্ব ও আজকের পর্বে আমরা সংক্ষেপে জানলাম অর্গানিক ফুড কি এবং এর সাথে কনভেনশনাল ফুডের পুষ্টিগত মিল ও অমিল, অর্গানিক ফার্মিংয়ের শর্তাবলী ও অর্গানিক লেবেলিং সম্পর্কে।
অর্গানিক পদ্ধতিতে পশুপাখি পালন ও আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে অর্গানিক খাদ্য উৎপাদন কতটুকু সম্ভব তা নিয়ে আলোচনা করবো আগামী পর্বে।

01/09/2020

অর্গানিক ফুড ও কনভেনশনাল ফুড: পর্ব-২
অর্গানিক ফার্মিংয়ের জন্য নিম্নোক্ত শর্তগুলো মেনে চলা আবশ্যক-
১. প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদন।
২ . কোন ভাবেই প্রকৃতির বিরোধী হবে না।
৩. পরিবেশ সংরক্ষণ করতে হবে।
৪. উদ্ভিদ, প্রাণীর বাসস্থান ও ইকোসিস্টেমকে ব্যহত করবে না।
৫. জেনেটিক্যালি মডিফাইড হবে না।
৬. পশু পাখি পালনের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রাকৃতিক চারণভূমি থাকতে হবে।
উপরোক্ত শর্তগুলো বিবেচনা সাপেক্ষে কিছু বিষয় আলোচনা করবো।
১. হাইব্রিড বা জি এম ও বীজ প্রাকৃতিক ভাবে লাগিয়ে ফসল উৎপাদন করলেও তা অর্গানিক খাদ্য হবেনা।
২. বিপরীত ভাবে প্রাকৃতিক বীজ লাগিয়ে সার, কীটনাশক ব্যবহার; যেটা আমাদের কৃষকরা ও আমরা সবাই হরহামেশাই করে থাকি। এছাড়াও একজন কৃষক হয়তো কীটনাশক, কৃত্রিম সার বা হরমোন ব্যবহার করছেন না। কিন্তু পার্শ্ববর্তী সবাই ব্যবহার করছেন যা সহজেই চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে। এসব ক্ষেত্রেও খাদ্য তার অর্গানিক বৈশিষ্ট্য হারাবে।
৩. হাইব্রিড পশু পাখিকে প্রাকৃতিক খাদ্য প্রদান অথবা প্রাকৃতিক পরিবেশে লালন পালন।
৪. দেশীয় প্রজাতির প্রাণীদের কৃত্রিম ও ভেজাল খাদ্য খাওয়ানো।যেমন অনেকেই দ্রুত বৃদ্ধির জন্য দেশীয় হাঁস মুরগিকে বিভিন্ন ফিড দিয়ে থাকেন; তা ও আবার শিল্প বর্জ্য মিশ্রিত।
মাছের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।
৫. শিল্পবর্জ্য ও পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অপ্রতুলতা ও উদাসীন মনোভাব। অপরিকল্পিত নগরায়নের ও শিল্পায়নের ফলে বর্জ্য সহজেই প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রবেশ করছে। যা বন্যার সময়ে পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।

উপরোক্ত শর্তগুলো ও বাস্তবতা বিবেচনায় আমাদের দেশে আদৌ অর্গানিক খাদ্য উৎপাদনের কোনো সুযোগ আছে কিনা তা গভীরভাবে ভাববার বিষয়।
আগামী পর্বে থাকছে অর্গানিক খাদ্যের পুষ্টিমান ও সুবিধা অসুবিধা নিয়ে আলোচনা।

29/08/2020

অর্গানিক ফুড ও কনভেনশনাল ফুড: পর্ব-১

খাদ্যের ভেজাল নিয়ে বর্তমানে আমরা মোটামুটি সবাই সচেতন। তেমনি অনেকেই আজকাল অর্গানিক ফুডের প্রতি খুবই আগ্রহী। কিন্তু অর্গানিক ফুড সম্পর্কে আমরা কতটুকু জানি বা আমাদের ধারণ যথাযথ কিনা সেটাই সংক্ষেপে আলোচনা করবো আজ।

অর্গানিক ফুড কি?
যে সকল খাদ্য উৎপাদনের সময় কোন ধরনের পেস্টিসাইড, ইনসেক্টিসাইড, রাসায়নিক সার, সুয়েরেজ বর্জ্য, শিল্প বর্জ্য ব্যবহার করা হয়না; জৈব সার ও জৈব কীটনাশক ব্যবহার, শস্যাবর্তন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয় সেসব খাদ্য অর্গানিক ফুড নামে পরিচিত। এমনকি উক্ত শস্য বা প্রাণীটি জেনেটিক্যালি মডিফাইড হবে না। এছাড়াও প্রক্রিয়াজাতকরণের সময়ে কোন এডেটিভ, প্রিজারভেটিভ, কালার, ফ্লেভার, টেষ্টিং সল্ট ইত্যাদি যুক্ত করা যাবে না।
প্রাণীদের ক্ষেত্রে কোন হরমোন, এন্টিবায়োটিক, গ্রোথ প্রোমোটার ও তেজস্ক্রিয়করণ প্রক্রিয়া ব্যবহার করা যাবে না। সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত অর্গানিক খাদ্য হলো ফলমূল, শাকসবজি, ডেইরি প্রোডাক্টস ও মাংস।
পক্ষান্তরে কনভেনশনাল ফুড হলো প্রচলিত সকল প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, যেমন কৃত্রিম সার, কীটনাশক, হরমোন, এন্টিবায়োটিক, গ্রোথ প্রোমোটার, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, হার্বিসাইড, পেস্টিসাইড ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদন।

পুষ্টিমান ও স্বাস্থ্য রক্ষায় এই দুই ধরনের খাদ্যের মধ্যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু অর্গানিক খাদ্য উৎপাদনের জন্য যেসকল শর্ত পূরণ দরকার তা যথাযথ অনুসরণ না করে শুধু অর্গানিক লেবেল দেখে কিংবা শুনে হুজুগে ক্রয় ও গ্রহণ করে কোন উপকার পাওয়া যাবে না। বরং অর্থ ও স্বাস্থ্য দুটোই নষ্ট হবে।

28/08/2020

ত্বকের যত্নে দেশীয় হার্বস ও স্পাইস:

১. গাঁদা ফুল- সানবার্ন থেকে শুরু করে ত্বকের ক্ষত সারাতে এর জুড়ি নাই।
২. চামেলি পাতা- ত্বকের অয়েল কন্ট্রোলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৩. চন্দন- এর ব্যবহার সম্পর্কে সবাই জানেন।
৪. নিম পাতা- এটি এন্টিফাঙ্গাল ও এন্টিব্যাকটেরিয়াল গুন সম্পন্ন।
৫. সজনে পাতা- এটি ব্রন ও বলিরেখা দূর করে।৬. এলোভেরা-ত্বকের যত্নে এলোভেরার ভূমিকা আমরা সবাই জানি।
৭. হলুদ- ত্বকের যত্নে ভারতীয় উপমহাদেশের মা বোনরা হলুদ ব্যবহার করছেন হাজার বছর আগে থেকে।এটি এন্টিসেপটিক, এন্টিইনফ্লামেটরি এবং কারকিউমিন নামক এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ।

27/08/2020

স্বাস্থ্য রক্ষায় মেথির গুরুত্ব:
মেথি হলো ফেবেসি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি হার্বস। সারা বিশ্বের মধ্যে ভারতের রাজস্থানে সব থেকে বেশি (৮০%) মেথি উৎপাদিত হয়।এটি সাধারণত মসলা হিসেবে পরিচিত। এছাড়াও চুলের যত্নে ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার হয়। কিন্তু এর বাহিরেও মেথির নানান ঔষধি গুণ রয়েছে।

১. ওজন হ্রাস: মেথি দেহের চর্বির পরিমাণ হ্রাস করার মাধ্যমে ওজন বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে।
২. খুশকি হ্রাস: এন্টিব্যাকটেরিয়াল ও এন্টিফাঙ্গাল এক্টিভিটি থাকার কারণে এটি খুশকি দূর করে।
৩. ব্রণের প্রতিকার: মেথির পাতার পেষ্ট ব্রণ দূর করে।
৪. ত্বকের যত্ন: মেথিতে বিদ্যমান পটাশিয়াম, ক্যারোটিন ও ভিটামিন-সি ত্বকের আর্দ্রতা, মসৃণতা ও নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।
৫. পলি সিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম চিকিৎসা: যে সকল মহিলাদের পিসিওএস আছে তাঁরা মেথি গ্রহণ করলে যথেষ্ট উন্নতি পরিলক্ষিত হয়।
৬. কোষ্ঠকাঠিন্য চিকিৎসা: মেথিতে থাকা ফাইবার পানি শোষণ করে স্ফীত হয় ও পরিপাকতন্ত্রের পেশীর রিফ্লেক্স ঘটায়।
৭. হৃদস্বাস্থ্য রক্ষা: রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে ও হার্টবার্ণ হ্রাস করে ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
৮. মাতৃদুগ্ধ উৎপাদন: মেথি প্রসূতি মায়ের দেহে ল্যাকটোজেনেসিস প্রক্রিয়াকে বাড়িয়ে দেয় ও নবজাতকের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে মাতৃদুগ্ধ নিশ্চিত হয়।
৯.স্পার্ম উৎপাদন: পুরুষের দেহে স্পার্মাটোজেনেসিস বৃদ্ধি করে। এবং ১০.এলুমিনিয়ামের বিষক্রিয়া হ্রাসে মেথির গুঁড়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ও মস্তিষ্ক, হাঁড় ও কিডনীকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।

01/09/2019

"Anti-dandruff and Anti-hairfall Herbal Coconut Oil" is coming soon!!!

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Indira Road
Dhaka