Restart BCS With Zahid

Restart BCS With Zahid

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Restart BCS With Zahid, Educational consultant, Dhaka.

Zahid Ul Islam
৪৩তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার
৪৪তম বিসিএস পূণ. শিক্ষা ক্যাডার (সুপারিশপ্রাপ্ত)
৪৫তম বিসিএস ইন্সট্রাক্টর(সুপারিশপ্রাপ্ত)
৪১তম বিসিএস জু. ইন্সক্ট্রাক্টর

01/05/2026

গতকাল খালি পায়ে মাস্ক পড়া এক মহিলা এসে বললেন, “বাবা আমারে এক একজোড়া জুতা কিইন্না দেন।”..

আমি বললাম, খালা, আমি ১০০টাকা দিয়ে দিই, আপনে কিনে নিয়েন।কিন্তু, উনি টাকা নিবে না, জুতাই কিনে দিতে হবে।

পরে কাছেই এক বাটা দোকানে গেলাম। ভাবলাম ২০০টাকার মধ্যে সেন্ডেল কিনে দিব। দোকানে ঢুকার পর দোকানদারকে বললাম, খালার পায়ের সেন্ডেল দেখান।

খালা সাথে সাথে আমার কাছে এসে বলে, বাবা সেন্ডেল না।

আমার জুতার দিকে তাকিয়ে খালা বললেন, “এমন কিইন্না দেন।”

আমার চোখ আসমানে উঠে গেল।
পেট থেকে আত্মা বেরিয়ে সিলিংয়ে ঝুলতে লাগলো।

মাথার ভেতর এলার্ম বাজতেছে—
Mission Abort! Mission Abort!

খালার হাতে ১০০ টাকা গুঁজে দিয়ে রাস্তায় নামলাম।

পিছে থেকে খালার কণ্ঠ—
“বাবা শুইনা যাও!”
আমি: “খালা, আমি এখন দৌড় প্রতিযোগিতায় আছি!”

শিক্ষা:
মানুষকে সাহায্য করবেন কিন্তু, উনার উদ্যেশ্যটাও যাচাই করে নিবেন।অনেকেই বেশ লোভী। দামী জুতা কিনে সেটা অন্যখানে আবার বিক্রিও করে দেয়াটাই মূল উদ্দেশ্য ছিল। অনেকে খাবারের জন্য টাকা চায়, পারলে খাইয়ে দোকানে বিল দিয়ে দিবেন, টাকা দিবেন না। ভিক্ষাবৃত্তি এদেশের একটা ব্যাধি, একটা ব্যবসা। অথচ, যারা সত্যিকারের অভাবী, তারা লজ্জায় কোনো সাহায্যই চাইতে পারেনা।

01/05/2026

Do good and good will do you back..

জীবনে যাই করেন না কেন, অন্য কারো তরী ডুবাতে যাইয়েন না।

মনে রাখবেন, বিশাল সমুদ্র আমাদের সবাইকেই ডুবিয়ে দিতে পারে। কারো নৌকা ডুবানোর প্রয়োজন নেই, শুধু নিজের হাল ধরে রাখুন..

অন্যের পিছে লাগা, কুৎসা রটানো , বাজে কমেন্টস, বাজে পোস্ট, অন্যের সমালোচনা , অন্যের ক্ষতির চিন্তা এসব থেকে বের হোন। মন যত শান্ত রাখবেন, যত পজেটিভ রাখবেন, পড়া তত বেশি মনে থাকবে।

বিসিএসের বিশাল জগতে শুধু পড়লেই হবেনা।

নিজেকে আমূল পরিবর্তন করতে হবে। তবেই স্রষ্টা পথ সহজ করে দিবেন।

Do good in silence,
Let karma make the noise...

30/04/2026

দরকার হলে আবার শূন্য থেকে শুরু করুন।

কিন্তু এবার আবেগ দিয়ে না, প্ল্যানিং দিয়ে।

ইচ্ছা দিয়ে না, ডিসিপ্লিন দিয়ে।

দুইদিনের পরিশ্রম দিয়ে না, কনসিসট্যান্সি দিয়ে।

কারণ নতুন শুরু মানে ব্যর্থতা না,

নতুন শুরু মানে, আরো শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসা।

Photos from Restart BCS With Zahid's post 27/04/2026

হ্যান্ডনোট থেকে বাংলা সাহিত্যের সব গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র একসাথে...

24/04/2026

পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত কিন্তু অমোঘ সত্যটি কি জানেন?

এটা হলো— আপনি সারাদিন যা চিন্তা করেন, আপনি ঠিক তা-ই হয়ে ওঠেন।

আপনার চিন্তাই আসলে এক একটা বস্তু বা শক্তি।আপনি যদি ভাবেন যে, "পারবেন", তবে সেটা মনের মধ্যে নিজের অজান্তেই একটা পথ খুলে দেয়।

আপনি যদি ভাবেন, আমি ম্যাথ পারিনা- দেখবেন সারাদিন ম্যাথ করলেও - ম্যাথের ভীতি কাটবেনা।

যদি ভাবেন, আমার বিসিএস হবেনা, ১১-১২গ্রেডের একটা জব হলেই হবে.. দেখবেন, প্রাইমারি চাকরি পেতেই কেয়ামত হয়ে যাবে।

এজন্য থিউডোর রোজভেল্টে বলেছিলেন- "Believe you can and you’re halfway there.”

আমরা যা ভাবি, বাস্তবে আমরা তাই হই।

কয়জন মানুষ আছেন যে- বুকে হাত দিয়ে অনুভব করে বলতে পারবেন- আপনি ক্যাডার হবেন?

ক্যাডার হতে হলে ৩টা জিনিস লাগবে।
পরিশ্রম-ভাগ্য-সঠিক গাইডলাইন।

কিন্তু, যেটা প্রথমেই লাগবে- সেটা হলো "আত্নবিশ্বাস"..

একবার যদি মনে স্থিরভাবে মেনেই নেন-আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবেনা। আমি পারব না। তখনি স্বপ্ন অর্ধেক শেষ।

But the moment you say— “I can”,
everything starts to change..

পজেটিভ থাকুন। এই কথাটা হাজারবার বলি আমি ব্যাচের ক্লাসে। এই একটা জিনিসই আপনাকে ক্যাডার বানাবে। নিজে পজেটিভ হোন, চারপাশে একটা পজেটিভ বলয় তৈরি করুন। সেই বলয়ে অনায়াসেই দেখবেন জীবনের বহুদূর এগিয়ে গেছেন। শুধু চাকরি না, জীবনের সর্বক্ষেত্রে এই মাইন্ডসেট করুন।

এজন্য গৌতম বুদ্ধ বলেছেন- "The mind is everything. What you think you become.”

সর্বরোগ মনে।
সর্বশান্তি মনে।

পজেটিভিটি ছোঁয়াচে হোক,
ছড়িয়ে পড়ুক হৃদয় থেকে হৃদয়ে।

24/04/2026

শেষ কবে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে সিরিয়াসলি ৫ মিনিট ভেবেছো?

কালকে কী শার্ট পরবে,
ক্রাশের জন্মদিনে কী উইশ করবে,
আগামী মাসে বন্ধুদের সাথে কোথায় চিল করতে যাবে

এসবের প্ল্যান তো তোমার একের একশ।

কিন্তু যে জিনিসটা তোমার আগামী ৪০ বছরের রুটি-রুজি আর সম্মান ঠিক করবে, সেই 'ক্যারিয়ার' নিয়ে তোমার ভাবনা অনেকটা পরীক্ষার আগের রাতে সিলেবাস দেখার মতো।

এখন তো স্টুডেন্ট, চিল করি, পাস করার পর দেখা যাবে।

কিন্তু এই "দেখা যাবে" মেন্টালিটি তোমাকে এমন এক গভীর গর্তে ফেলবে, যেখান থেকে উঠে আসতে তোমার চোখের পানি আর গায়ের ঘাম এক হয়ে যাবে।

এই যে, সকালে উঠেই ফোন হাতে নিয়ে মানুষের মেসেজ চেক করছো, নটিফিকেশন দেখছো, পোস্ট দেখছো, রিপ্লাই দিচ্ছো-এভাবে চলবে জীবন?

23/04/2026

বিজ্ঞান প্রশ্ন এনালাইসিস।
বিসিএসের বিজ্ঞান নিয়ে অনেকের মাঝেই ভয় কাজ করে। বিশেষ করে নন-সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ড যারা,তাদের মাঝে। প্রিলি ও রিটেনের বিজ্ঞান মোটামুটি আলাদাই বলা যায়। প্রিলির জন্য যা শিখবেন, রিটেনে তা খুব বেশি কাজে আসবেও না। এটার জন্য mp3 বা ওরাকলের বিজ্ঞান বইটা চোখ বুলালেই হয়ে যায়।

আর রিটেনের জন্য অনেকেই ভয় পান যে- নন সাইন্সের আমি, কীভাবে বুঝব এসব? অনেকেই আপনাকে পরামর্শ দিবেন ক্লাস সিক্স থেকে ক্লাস টেন পর্যন্ত বিজ্ঞান বই পড়ুন, ফিজিক্স,ক্যামিস্ট্রি, বায়োলজি পড়ুন, ইন্টারের ফিজিক্স দেখুন, এটা ওটা শেষ করুন, কত কি!!! কিন্তু আদৌ কি একজন চাকরি প্রার্থীর এত সময় আছে? তাহলে তো ৪-৫ বছর লাগবে সব সাবজেক্ট গুছিয়ে আনতে।

প্রায় সময় একটা কথা বলি-
বিসিএস রিটেনের বিজ্ঞানের জন্য ৩৫তম থেকে লিখিত পরীক্ষায় যা এসেছে, সব প্রিভিয়াস প্রশ্ন পড়ে ফেলবেন। দেখবেন ৮০% পড়া শেষ। আর টপিক ধরে বাকি কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন পড়লেই হয়ে যায়। এখানে ভয়ের কিছুই নেই। ৩-৪টা টপিক কঠিন লাগতেই পারে, সেটা ইউটিউব দেখলেই হয়ে যায়।

লিখিত প্রিপারেশানের জন্য একটা সহজ ও সুন্দর বই হলো- সাইন্স আওয়ার। আর আরেকটু বিস্তারিত ও সময় নিয়ে বেশি পড়তে চাইলে ওরাকল দেখা যায়।

কঠিন কিছুইনা। এসবকে কঠিন আসলে আমরাই বানাই। ক্যাডার হই।এরপর আপনাদেরকে বুঝাই- এত অল্প পড়লে হবেনা। আমি হিমালয়ে বসে তপস্যা করেছি, আপনাদেরকেও করতে হবে।

রিটেনের জন্য প্রতিটা সাবজেক্টের বিগত ৩৫ থেকে পরের প্রশ্নগুলো ভালভাবে নোট করে পড়লেই ৬০% অন্তত পড়া গুছিয়ে যায়। বিলিভ না হলে মিলিয়ে দেখুন ৫০তম রিটেনের প্রশ্নটা হাতে নিয়ে।

23/04/2026

10 Rules🔥

যখন থেকে

১. আপনি পড়ার টেবিলে বসল ফোনটা দূরে রাখবেন
২. বন্ধুর সাফল্য দেখে নিজেকে ছোট ভাবা বন্ধ করবেন,
৩. কতটুকু পড়লেন, তা ফেসবুকে জাহির করা ছেড়ে দেবেন..
৪. অন্যে কোন বই পড়ছে , কোন কোচিংয়ে যাচ্ছে , কোন কোচিং ভাল-খারাপ , সেটা নিয়ে তর্ক করা বন্ধ করবেন

৫. ফেসবুকে জ্ঞান দেয়া বন্ধ করে নিজের চিন্তা করবেন,
৬. কমেন্টে-পোস্টে মানুষকে অপমান করা বন্ধ করবেন
৭. টক্সিক বন্ধু-বান্ধব/ রিলেশনশীপ থেকে দূরে থাকবেন

৮. পরিস্থিতি একটু ভাল হলে পড়ব- এই অজুহাতটা চিরতরে বাদ দেবেন,

৯. প্রতিটি ব্যর্থতাকে কান্নার উপকরণ না বানিয়ে শেখার সিঁড়ি বানাবেন —
১০. কম কথা বলা শুরু করবেন, নিজের ব্যাপারে ঢাকঢোল পেটানো বন্ধ করবেন, অপ্রয়োজনীয় কথা বলা কমিয়ে দিবেন..

ঠিক সেই দিন থেকেই আপনার ভেতরে এমন একটা মানুষ জেগে উঠবে, যাকে কোনো পরীক্ষা আর ভয় দেখাতে পারবে না।

“Success is not given. It is earned — on the track, in the gym, on the road, in the hours when everyone else is sleeping.” —

এই কথাটা শুধু খেলাধুলার জন্য না, এটা আপনার BCS যাত্রার জন্যও সমান সত্যি।

যে রাতে সবাই ঘুমায়, আপনি জাগেন — এই একটা অভ্যাসই একদিন আপনার ও আপনার বন্ধুর মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য তৈরি করে দেবে।

সফল মানুষেরা আলাদা কোনো গ্রহ থেকে আসেননি। তারা শুধু একটা কাজ করেছেন , বার বার করেছেন, যা বেশিরভাগ মানুষ করেনি।

Winston Churchill একবার বলেছিলেন — “Success is not final, failure is not fatal — it is the courage to continue that counts.”

যারা আজ ক্যাডার, তারাও একদিন ঠিক আপনার জায়গায় ছিলেন। তারাও হোঁচট খেয়েছেন, ব্যর্থ হয়েছেন — কিন্তু থামেননি। আর এই না থামাটাই তাদের আজকের পরিচয়।

“It’s not that I’m so smart, it’s just that I stay with problems longer.” আপনিও যদি একটু বেশি সময় ধরে লেগে থাকতে পারেন, একটু বেশি ধৈর্য ধরতে পারেন — তাহলে BCS আপনার জন্য অসম্ভব কিছু না।

BCS কিংবা যেকোনো পরীক্ষা — আসলে এত কঠিন না। কঠিন করি আমরাই। আমাদের অজুহাত দিয়ে, আমাদের তুলনা দিয়ে, আমাদের ভয় দিয়ে।

আজ থেকে শুধু একটাই সিদ্ধান্ত নিন —
“I will do today what others won’t, so I can have tomorrow what others don’t.”

যেদিন এই একটা সিদ্ধান্ত সত্যিকার অর্থে নিতে পারবেন — সেদিন থেকে আপনি আর শুধু পরীক্ষার্থী থাকবেন না। আপনি হয়ে উঠবেন এমন একজন, যাকে থামানো কারো পক্ষে সম্ভব না।Unstoppable......

উপরের ১০টা রুলসের কোনটা আপনার আছে.? খেয়াল করুন। সমাধান করুন।

Zahid Ul Islam
Restart BCS With Zahid

22/04/2026

১.আমি পারব।
২. আমাকে পারতেই হবে।

এই দুই বাক্যে অনেক পার্থক্য। একজন পারবে। অন্যজন না পারলে অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। আপনি কোনটা.?

Photos from Restart BCS With Zahid's post 22/04/2026

গতকালকেও ম্যাথ করানোর সময় বলেছিলাম- বোর্ড বইয়ের বিকল্প নাই। ক্লাসেও ম্যাথ বোর্ড বই থেকেই করাচ্ছি। নবম দশমের জেনারেল+হায়্যার ম্যাথ(সিলেক্টিভ অধ্যায়) যে পারবে, সে এমনিই ম্যাথে ভাল করবে।

22/04/2026

★নীরব যোদ্ধা
রাতের আঁধারে যখন পুরো পৃথিবী ঘুমিয়ে পড়ে, তখনও কোথাও একটা প্রদীপ জ্বলতে থাকে। নিঃশব্দে। নিভৃতে। কেউ দেখে না, কেউ জানে না — তবু সে জ্বলে। কারণ সে জানে, এই অন্ধকারই একদিন তার আলোর সাক্ষী হবে।

শক্ত পাথরে ফোঁটায় ফোঁটায় পানি পড়লে আপনার মনে হতেই পারে যে এতে পাথরের কিছুই হবে না।

কিন্তু কয়েক শত বছর পড়তে থাকা সেই ফোটা ফোটা পানিই কিন্তু শক্তিশালী পাথরটাকে ভেঙ্গে ফেলে!

পাহাড়ের বুকে একটি ঝরনা বহে চলে অনন্তকাল ধরে। তার জলের ধারা দেখে কেউ হাসে, কেউ উপহাস করে — “এই সামান্য জলে কী আর হবে!” কিন্তু সেই ঝরনা থামে না। চলতে চলতে একদিন সেই কঠিন পাথরও মাথা নত করে। কারণ অবিরাম প্রবাহকে পৃথিবীর কোনো শক্তিই চিরকাল রুখে রাখতে পারে না।
মানুষের জীবনও এই ঝরনার মতোই।

যে মানুষটি প্রতিদিন ভোরে উঠে একটি বই খোলে — সে হয়তো সেদিন মাত্র দশ পাতা পড়ে। পাশের মানুষটি ঘুমায়, স্বপ্ন দেখে রাতারাতি বড়লোক হওয়ার। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতে সেই দশ পাতার মানুষটি পড়ে ফেলেছে শত শত বই — আর তার ভেতরে গড়ে উঠেছে এক অদৃশ্য দুর্গ, যা সময়ের ঝড়েও কাঁপে না।

বিসিএস পরীক্ষার কথাই ভাবুন।
লক্ষ লক্ষ স্বপ্নের ভিড়ে যে প্রার্থী প্রতিটি রাতকে সাথী করে, যে বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতিটি অনুচ্ছেদ বোঝে, ইতিহাসের প্রতিটি মোড় অনুভব করে — সে কোনো জাদুবলে প্রস্তুত হয়নি।

সে প্রস্তুত হয়েছে প্রতিটি ভোরের আলোয়, প্রতিটি নিঃসঙ্গ রাতের নিবিষ্টতায়।

পৃথিবীর সবচেয়ে করুণ দৃশ্য কী জানেন?
একজন মানুষ বীজ বুনে, তার পরদিনই ফল খুঁজতে থাকে।

আমরা সবাই চাই বজ্রপাতের মতো সাফল্য — আকাশ থেকে হঠাৎ নেমে আসবে, পুরো পৃথিবী আলোকিত হয়ে যাবে। কিন্তু আমরা ভুলে যাই, সূর্যোদয় কখনো হঠাৎ হয় না। সে আসে ধীরে ধীরে — প্রথমে একটুখানি লাল আভা, তারপর কমলা, তারপর সোনালি — আর তখনই পুরো আকাশ রঙিন হয়ে ওঠে।

দুনিয়াতে সবচেয়ে ভয়ংকর মানু্ষ হচ্ছে তারা,

যারা প্রতিদিন একটু হলেও এগিয়ে যায়।

এই ধারাবাহিকতাই তার অস্ত্র।

কারণ একদিন সে জেগে উঠবে — আর পৃথিবী অবাক হয়ে দেখবে, এই মানুষটি কখন এত বড় হয়ে গেল!

সেদিন তারাই সবচেয়ে বেশি অবাক হবে, যারা একসময় তাকে দেখে হেসেছিল।

22/04/2026

"Eat That Frog" বিখ্যাত এই বইটি লিখেছেন আমেরিকান লেখক Brian Tracy.. পুরো বইয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো " দিনের সবচেয়ে কঠিন কাজটি আগে করে ফেলো.."

Brian Tracy বোঝাতে চেয়েছেন, আমরা যেসব কাজ ভয় পাই বা এড়িয়ে যাই, সেগুলিই আসলে আমাদের সাফল্যের জন্য সবচেয়ে জরুরি। তাই দেরি না করে সেই কাজ দিয়েই দিন শুরু করতে হবে।

কেন এই কথা বললাম.?

ব্যাচে প্রিলি ও লিখিতের জন্য সিলেক্টিভ ৪৯১ টা ভোকাবুলারি দিয়েছি। যেটার এক্সাম হবে আগামি সোমবার। তাদেরকে প্রতিদিনই বলি, সকালে উঠেই টানা একঘন্টা ভোকাব পড়বেন, এরপর ফোন হাতে নিবেন।

আমি জানি, বিসিএস জার্নিতে সবচেয়ে কঠিন কাজটাই হলো ভোকাব শিখে রাখা। একবার এটা শিখে ফেললে কনফিডেন্সে আকাশে উড়বেন। বাকি সব পড়া শিখতেও আনন্দ পাবেন। আমার মনে আছে, প্যান্ডামিকের সময় GRE ভোকাব শিখতে গিয়ে টানা ২০দিন কী অত্যাচারটা করেছি নিজের প্রতি। এইটুকু অত্যাচার না করলে ক্যাডার হবেন কীভাবে.??

আপনার কাছে বিসিএসের কোন সাবজেক্ট বা কোন পার্ট সবচেয়ে কঠিন মনে হয়.?

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dhaka