Shikkha For All

Shikkha For All

Share

A powerful, integrated solution connects administration, the classroom, and the home.

17/11/2019

সকল প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী পরিক্ষার্থীদের জন্য শুভ কামনা।

11/11/2019

বিষয়ঃ এসএসসি পরীক্ষা 2020 ফরম পূরণ।

কেউ অতিরিক্ত অর্থ চেয়ে থাকলেঃ

🔷 দুদক হটলাইন : ১০৬ তে অভিযোগ করুন।

★ বিজ্ঞান বিভাগ: মোট ১৯৭০ টাকা
★ ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ: ১৮৫০ টাকা
★ মানবিক বিভাগ: ১৮৫০ টাকা

Photos from Shikkha For All's post 31/10/2019

JSC/JDC সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য কিছু পরামর্শ -

#পরীক্ষার_আগের_দিন

**প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড খুব যত্ন করে তোমার হাতের কাছেই রাখবে।

** ফাইনাল পরীক্ষার রুটিন অনুযায়ী আগের দিন প্রথম পরীক্ষার পড়া রিভিশন দেবে।

** পরীক্ষার সকল উপকরণ তোমার কাছে আছে কি না তা দেখে নাও।

** একাধিক কালো বল পয়েন্ট, স্কেল, জ্যামিতি বক্স, বোর্ড, হাতঘড়ি, পেন্সিল সবই তুমি গুছিয়ে রাখো।

** খাওয়া-দাওয়া ও বিশ্রাম ঠিকভাবে করবে। সকাল সকাল ঘুমিয়ে পড়বে।

** পরীক্ষা শেষ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত টিভি, খেলা দেখা একেবারেই ছেড়ে দেবে।

#পরীক্ষার_দিন

** পরীক্ষার দিন অন্যান্য দিনের মতই স্বাভাবিকভাবে ঘুম থেকে ফজরের সালাত আদায় করে আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করবে।

**হালকা নাস্তা করে পড়তে বসবে। প্রথম পরীক্ষার দিন অন্তত ১ ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে পৌঁছাবে।

** ফাইল ব্যাগে প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড, কলম, স্কেল, বোর্ড নিয়েছ তো? হাতঘড়ি অবশ্যই নেবে। কিন্তু কেন্দ্রে মোবাইল নেওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ।

**কলমগুলো ঠিক আছে কি না চেক করে নাও। লাল কলমের ব্যবহার একেবারেই নিষেধ। কেন্দ্র দূরে হলে পরীক্ষার হলে ঢোকার পূর্ব পর্যন্ত একজনকে সাহায্যকারী হিসেবে সঙ্গে রাখবে।

** পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতরে যাওয়ার পর সিট পেতে সমস্যা হলে কর্তৃপক্ষের সহায়তা নেবে।

>> পরীক্ষার খাতা
** প্রথম পাতায় রোল নম্বর, রেজি. নম্বর, বিষয় কোডের বৃত্ত সঠিকভাবে ভরাট করবে।

** নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষায় সেট কোডের বৃত্ত অবশ্যই সঠিকভাবে ভরাট করতে হবে।

** সৃজনশীল লেখায় সুন্দর উপস্থাপনা, খাতার সার্বিক পরিচ্ছন্নতা, নির্ভুল, মানসম্মত ও যথাযথ উত্তরই তোমার নাম্বার বাড়াবে।
মার্জিন করার ক্ষেত্রে কালার কলম ব্যবহার না করে পেন্সিল দিয়ে মার্জিন করবে।

** পরীক্ষায় তোমার লেখা শেষ হলেও শেষ ঘণ্টা পড়ার আগে বের হবে না। প্রয়োজনে বারবার রিভিশন দেবে। পরিদর্শককে ভয় পাবে না। মনে রাখবে, তোমাকে সাহায্য করার জন্যই তিনি কক্ষে ডিউটি দিচ্ছেন।

** অনেকে লিখা শেষে টাটা, বাইবাই, বিদায় এই ধরনের মন্তব্য করে, এটা ভুলেও করা যাবে না।

>> প্রশ্ন নির্বাচন ও উত্তর
প্রশ্নপত্র হাতে পেলে তা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখে নেবে। এতগুলো প্রশ্নের মধ্যে দু-একটা তোমার অজানা থাকতেই পারে। এ নিয়ে মন খারাপ করবে না। লিখতে লিখতে বিষয়গুলো মনে পড়বে। আবার প্রশ্ন সহজ হয়েছে অথবা কমন পড়েছে ভেবে খুব উত্ফুল্ল হওয়ারও প্রয়োজন নেই। এতে প্রশ্ন ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
প্রশ্ন পাওয়ার পর বাছাইয়ের কাজটি গুরুত্বপূর্ণ। যে প্রশ্নটার উত্তর তুমি ভালো পার সেটা দিয়ে শুরু করবে। যেসব প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর পাওয়া যায়, জানা থাকলে সে ধরনের প্রশ্ন নির্বাচন করা উচিত। একই ধরনের প্রশ্ন হলে, যেটি ভালো জানা সেটি প্রথমে লিখবে।
প্রাসঙ্গিক উদ্ধৃতি উত্তরের মানকে সমৃদ্ধ করে। আর সব সময় চেষ্টা করবে উত্তরগুলো যাতে ধারাবাহিকভাবে হয়। যে প্রশ্নের উত্তরগুলো উচ্চমানসম্পন্ন এবং সবচেয়ে ভালো মনে আছে, সেগুলোই আগে লিখতে শুরু করবে। আর উত্তরগুলো অনুচ্ছেদ করে লিখতে হবে। এতে করে পরীক্ষকের মূল্যায়ন ভালো হবে।

>> সময়ের দাম
** সময়ের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। পূর্বেই তোমার সময় বন্টন করে নেয়া উচিত।

>> সঠিকভাবে প্রশ্নের নম্বর দেওয়া
প্রশ্নের নম্বরটি বাঁ দিকে নির্ভুলভাবে অবশ্যই বসাবে। পৃথক প্রশ্নের উত্তর পৃথক অনুচ্ছেদে লেখা উচিত।
** ১ নং প্রশ্নের উত্তর এইভাবে লিখবে।

**১নং প্রঃ উঃ এইভাবে লিখবে না।

>> হাতের লেখা
সুন্দর হাতের লেখা একটি সম্পদ। সুন্দর হাতের লেখা বলতে স্পষ্ট ও পরিচ্ছন্ন লেখাকেই বুঝায়।কোনো লিখা কাটতে হলে, এবড়ো, থেবড়ো নো কেটে বাম থেকে ডানে এক টান দেয়ে কাটবে।

>> ঠিক বানান
বানান যাতে ভুল না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবে। বিখ্যাত আর পরিচিত নামের বানান ভুল করলে পরীক্ষক বিরক্ত হবেন। এতে তোমার নম্বরও কমে যেতে পারে।

>>রিভিশন
পরীক্ষা শেষে রিভিশন দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। পরীক্ষা কমপক্ষে ১৫ মিনিট পূর্বে শেষ করতে হবে। বাকি ১৫ মিনিট রিভিশন দিতে হবে। রিভিশনের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল:
**প্রশ্নপত্রের সঙ্গে উত্তরপত্রের মিল আছে কিনা,
**যতগুলো প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হয়েছে তার সবগুলোর উত্তর দেওয়া হয়েছে কিনা,
অতিরিক্ত কাগজ সেলাই বা স্ট্যাপল করার পূর্বে্ই পৃষ্ঠা নম্বরের ক্রম ঠিক আছে কিনা তা খেয়াল করতে হবে।

সবার জন্য রইল শুভ কামনা।

24/08/2019

সতর্কীকরণ পোস্টঃ
ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও করণীয়:

ডেঙ্গু জ্বরের কিছু লক্ষণ আছে যা দেখলে বোঝা যায় রোগীটি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে রোগীকে অতি দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।
চলুন জেনে নিই ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণগুলো।

১। তীব্র মাথা ব্যথা:
ডেঙ্গু জ্বরের প্রধান লক্ষণ হল তীব্র মাথা ব্যথা করা। মাথা ব্যথা এতটাই তীব্র হতে পারে যে এটি ব্রেন হেমোরেজের মতো সমস্যাও হতে পারে।

২। পানি শূন্যতা:
শরীরে পানির মাত্রা কমিয়ে দেয়।

৩।রক্তক্ষরণ:
ডেঙ্গু হলে শরীরের নানা জায়গায় রক্তরণ হতে দেখা যায়। বাইরের অঙ্গের পাশাপাশি শরীরের ভেতরের অঙ্গ যেমন মস্তিষ্কেও রক্তরণ হতে পারে।

৪। স্নায়ুর সমস্যা:
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী অনেক সময় স্নায়ুর সমস্যায় ভোগেন। যা মস্তিষ্কে চাপ সৃষ্টি করে থাকে।

৫। ত্বকের সমস্যা:
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর ত্বকে লাল লাল ছোপ ছোপ দাগ পড়ে। সাধারণত ডেঙ্গু হওয়ার দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম দিনের মধ্যে ত্বকে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৬। বমি ভাব:
ডেঙ্গু জ্বরের আরেকটি অন্যতম ও প্রধান লক্ষণ হল বমি হওয়া বা বমি বমি ভাব অনুভব হওয়া। অনেক সময় বমি তেমন না হলেও প্রচন্ড বমি ভাব হয়ে থাকে।
ডেঙ্গু জ্বরের এই লক্ষণগুলো দেখা দেওয়ার সাথে সাথে অতিসত্বর চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

করণীয়:
১। এই জ্বর সাধারণত ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ভাল হয়ে যায়।

২। রোগীকে প্রচুর পানি, লেবু এবং পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি।

৩। সারা শরীর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুছে ফেলতে হবে।

৪। মাথায় স্বাভাবিক পানি দেওয়া যাবে এবং তারপর শুকনো কাপড় দিয়ে ভাল করে মাথা মুছে ফেলতে হবে।

ঔষধ: ঔষধের মধ্যে শুধু প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ খাওয়াবেন। অন্যান্য ঔষধ যেমন এন্টিবায়োটিক চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাওয়াবেন না।

#সতর্কীকরণ: ভাইরাস জ্বরের পাশাপাশি ডেঙ্গু ও টাইফয়েড জ্বরও হচ্ছে। সুতরাং কারো জ্বর যদি ৩/৪ দিনের বেশি থাকে তাহলে আপনারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

"আপনাদের সুস্বাস্থ্যই আমাদের কাম্য।"

Photos from Shikkha For All's post 08/08/2019

মিরসরাই উপজেলায় একমাত্র পরিপূর্নভাবে ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান জোরারগঞ্জ আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়।

শিক্ষার্থীদের মাঝে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল হাতে তুলে দেওয়া হল।

এই স্কুলের ডিজিটাল পদ্ধতিতে বায়োমেট্রিক হাজিরা ও অনলাইন স্কুল ম্যানজমেন্ট সফটওয়্যার সিস্টেম চালু করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে উপজেলার মধ্যে একমাত্র পরিপূর্ণ ভাবে ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান হিসেবে রূপান্তর হল।

বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর মাধ্যমে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারী, উপস্থিত নিশ্চিত করা সহজিকরণ করা হয়েছে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারীর আগমনের সময় এবং প্রস্থান এর সময় রেকর্ড ভুক্ত থাকছে।

আর ‍শিক্ষা ফর অল (Shikkha For All) সফটওয়্যার এর মাধ্যমে বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তত করা শুরু হয়েছে। বিষয় ভিত্তিক সংশ্লিষ্ট স্ব-স্ব প্যানেলে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর ইনপুট দিচ্ছেন। সকল বিষয়ে নম্বর ইনপুট হয়ে গেলে সুনিদিষ্ট প্রোগ্রাম অনুযায়ী অটো ফলাফলা প্রস্তুত করা যাচ্ছে। ফলাফল ওয়েব সাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করার ফলে শিক্ষার্থীর অভিবাবক বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে তার সন্তানের পরীক্ষার ফলাফল উপস্থিতি, অনুস্থিতির তথ্য একসাথে একটি পেইজে দেখতে পারছেন ও পরীক্ষার মার্কশীট প্রিন্ট করেও নিতে পারছেন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বায়োমেট্রিক হাজিরা অনলাইন স্কুল ম্যাজেনমেন্ট সিস্টেম চালু করতে যোগাযোগ করুন-
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ www.shikkhaforall.com
Abul Bashar
IT Officer
Mirsarai Zone
Mobile: 01830-105300
01979-969696
E-Mail: [email protected]
# স্কুল ম্যানেজমেন্ট-সফটওয়্যার,
# ডিজিটাল-হাজিরা-খাতা,
# প্রাতিষ্ঠানিক-ওয়েব-সাইট,
# সিসিটিভি, # সাউন্ড সিস্টেম,
# মোবাইল-এপস এবং,
# এটেন্ডটস-ডিভাইজ।

Photos from Shikkha For All's post 30/07/2019

সোনাগাজী উপজেলার একমাত্র পরিপূর্ণভাবে ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান আল হেলাল একাডেমী

স্কুলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বায়োমেট্রিক হাজিরা ও অনলাইন স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালু হয়েছে। এই ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে স্কুলটি উপজেলার মধ্যে একমাত্র পরিপূর্ণভাবে ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান হিসেবে রূপান্তর হলো।

বায়োমেট্রিক হাজিরা পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারীর উপস্থিত নিশ্চিত করা সহজিকরণ করা হয়েছে। এ পদ্ধতিরি মাধ্যমে স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারীর আগমনের সময় এবং প্রস্তানের সময় রেকর্ডভুক্ত থাকছে।

আর শিক্ষা ফর অল সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত করা শুরু হয়েছে। বিষয়ভিত্তিক সংশ্লিষ্ট শিক্ষক স্ব-স্ব প্যানেলে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর ইনপুট দিচ্ছেন। সকল বিষয়ে নম্বর ইনপুট হয়ে গেলে সুনিদিষ্ট প্রোগ্রাম অনুযায়ী অটো ফলাফল প্রস্তুত হয়ে যাচ্ছে। ফলাফল ওয়েব সাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করার ফলে শিক্ষার্থীর অভিভাবক বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে তার সন্তানের বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল, উপস্থিতি, অনুপস্থিতির তথ্য একসাথে একটি পেইজে দেখতে পারছেন। পরীক্ষার মার্কশীট প্রিন্ট করেও নিতে পারছেন।

এই ব্যবস্থা চালুর পূর্বে ফলাফল প্রস্তুত করতে শিক্ষকদের অনেক সময় নষ্ট হয়ে যেত এবং ফলাফল প্রকাশ করার পরেও অনেক ভুল ভ্রান্তি দেখা যেত। এতে শ্রম ও সময় দুটোরই অবচয় হতো যা পাঠদানে ক্ষতিগ্রস্থ করতো মারাত্বকভাবে।

বিঃদ্র- আপনার প্রতিষ্ঠানের বায়োমেট্রিক হাজিরা ও অনলাইন স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালু করতে যোগাযোগ করুন- কারিগরি সহযোগিতায়ঃ www.shikkhaforall.com

#স্কুল_ম্যানেজমেন্ট_সফটওয়্যার,
#ডিজিটাল_হাজিরা_খাতা,
#প্রাতিষ্ঠানিক_ওয়েবসাইট,
#সিসিটিভি, #সাউন্ড_সিস্টেম,
#মোবাইল_এপস এবং
#এটেন্ডেন্টস_ডিভাইস এর জন্য যোগাযোগ করুন।

WWW.shikkhaforall.com
01999958708

Photos from Shikkha For All's post 16/07/2019

দক্ষিণ চর জব্বর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর ডিজিটাল কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন নোয়াখালী জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব তন্ময় দাস । এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সুবর্ণচর উপজেলার ইউএনও আবু ওয়াদুদ ।

এ সময় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক লেভেল থেকে প্রযুক্তির ছোঁয়া পেতে সুযোগ করে দেয়ায় জেলা প্রশাসক ইউএনও আবু ওয়াদুদ কে ধন্যবাদ জানান । এবং শিক্ষা ফর অল টিম কে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন ।

কারিগরি সহযোগিতায়ঃ www.shikkhaforall.com

#স্কুল_ম্যানেজমেন্ট_সফটওয়্যার,
#ডিজিটাল_হাজিরা_খাতা,
#প্রাতিষ্ঠানিক_ওয়েবসাইট,
#সিসিটিভি, #সাউন্ড_সিস্টেম,
#মোবাইল_এপস এবং
#এটেন্ডেন্টস_ডিভাইস এর জন্য যোগাযোগ করুন।

WWW.shikkhaforall.com
+8801799664858
+8801685168677
নোয়াখালী জেলা

16/07/2019
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় 12/07/2019

কেমন হবে নতুন নিয়মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা?

২০১৮ সালের ভর্তি পরীক্ষা নোটিশে বলে দেয়া হয় ২০১৯ সাল থেকে বহু নির্বাচনী প্রশ্নের পাশাপাশি লিখিত প্রশ্নও থাকবে। অর্থাৎ কেবল বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উপর ভিত্তি করে পরীক্ষা না নিয়ে, এবার বহু নির্বাচনীর পাশাপাশি উত্তর করতে হবে লিখিত প্রশ্নের। কীভাবে হবে এই পরীক্ষার প্রশ্নের মানবন্টন? বহু নির্বাচনী ও লিখিত পরীক্ষার জন্য আলাদা আলাদা সময় কীভাবে ভাগ করা হবে? জেনে নেয়া যাক সেই সকল তথ্য।

নতুন ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির মান বন্টন:

প্রথমেই জেনে নেয়া যাক মান বন্টনের ব্যাপারে। পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী মোট ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় ১২০ নম্বর আসতো সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা থেকে এবং বাকি ৮০ নম্বর আসতো পরীক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা এর সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ থেকে। এবার নতুন নিয়মেও মোট নম্বর ২০০ থাকলেও পরিবর্তন হয়েছে নম্বর বিভাজন। ২০০ নম্বরের মধ্যে ১০০ নম্বর আসবে পরীক্ষার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা এর সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ থেকে এবং বাকি ১০০ নম্বর আসবে ভর্তি পরীক্ষায় বহু নির্বাচনী এবং লিখিত পরীক্ষা থেকে।

মাধ্যমিক বা এর সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-কে গুণ করা হবে ৮ দিয়ে এবং উচ্চ মাধ্যমিক বা এর সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-কে গুণ করা হবে ১২ দিয়ে।

যদি তুমি মাধ্যমিকে জিপিএ ৫.০০ পাও, তাহলে এখান থেকে তুমি পাবে ৫*৮ = ৪০ নম্বর। যদি তুমি উচ্চ মাধ্যমিকে জিপিএ ৫.০০ পাও, তাহলে তুমি পাবে ৫*১২ = ৬০ নম্বর। এভাবে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক বা এর সমমানের পরীক্ষার জিপিএ মিলিয়ে তুমি পাবে ৪০+৬০ = ১০০ নম্বর।

মূল ভর্তি পরীক্ষা ও এর মানবন্টন:

এবার নজর দেয়া যাক মূল পরীক্ষার মান বন্টনের দিকে।

১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ৬০ নম্বর আসবে বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর থেকে এবং ৪০ নম্বর আসবে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর থেকে।
৬০ নম্বরের বহু নির্বাচনী অংশে মোটি কয়টি প্রশ্ন হবে এবং প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তরের জন্য কতো মার্ক্স যোগ হবে ও প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কতো মার্ক্স করে কাটা যাবে, তার উত্তর পেয়ে যাবে ভর্তি পরীক্ষার সার্কুলার প্রকাশিত হবার পর।
সেই সাথে ৪০ নম্বরের লিখত পরীক্ষায় কয়টি প্রশ্ন থাকবে সেটির উত্তরও পাবে তোমরা সার্কুলার থেকে।

তবে এখানে বলে রাখা ভালো, লিখিত পরীক্ষায় বড় আকারে উত্তর করতে হয় এমন কোনো প্রশ্ন থাকবে না। সংক্ষিপ্ত আকারে উত্তর দেয়া যায় এমন প্রশ্ন সেখানে করা হবে।

সময় বন্টন:
সময় বন্টনের ক্ষেত্রে আগের মতোই ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট রাখা হয়েছে। তবে এবার যেহেতু দুই ভাগে পরীক্ষা হবে, তাই সময়ের হিসাবে থাকছে কিছু ভিন্নতা।

বহু নির্বাচনী পরীক্ষার জন্য সময় রাখা হয়েছে ৪০ মিনিট। অর্থাৎ ৪০ মিনিট সময়ের মাঝে তোমার ৬০ নম্বরের বহু নির্বাচনী দাগাতে হবে।
আর লিখিত পরীক্ষার জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৫০ মিনিট। লিখিত পরীক্ষার জন্য আলাদা কোনো উত্তরপত্র দেয়া হবে না। প্রশ্নের মাঝেই উত্তর লেখার জায়গা থাকবে।

অর্থাৎ প্রশ্ন থাকবে সকল সংক্ষিপ্ত উত্তরের জন্য। বহু নির্বাচনী এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য আলাদা আলাদা উত্তরপত্র সরবরাহ করা হবে। একটি পরীক্ষা শেষ হলে, তার উত্তরপত্র সংগ্রহ করে পরবর্তী পরীক্ষার জন্য প্রশ্ন ও উত্তরপত্র দেয়া হবে। তবে বহু নির্বাচনী পরীক্ষা আগে হবে নাকি লিখিত পরীক্ষা আগে হবে সেটি জানা যাবে ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ সার্কুলার প্রকাশের পর।

ইউনিটকথন:
প্রতিবারের মতো এবারো ৫টি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ক-ইউনিটে সকল বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিবে। মানবিক বিভাগে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিবে খ-ইউনিটে এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিবে গ-ইউনিটে। ঘ-ইউনিট হলো বিভাগ পরিবর্তনের জন্য। তুমি যদি নিজের বিভাগ বদল করতে চাও, তাহলে এই ইউনিটে পরীক্ষা দিতে পারো। তবে এর জন্য রয়েছে কিছু নীতিমালা যা ভর্তির সার্কুলার থেকে দেখে নিতে হবে।

আর সর্বশেষ চ-ইউনিটে পরীক্ষা দিতে পারো যদি চারুকলা অনুষদে পড়ার ইচ্ছা থাকে। ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে হবে http://admission.eis.du.ac.bd/ এই ওয়েবসাইট থেকে। ভর্তি আবেদনের কার্যক্রম শুরু হলেই এই সাইটটি খুলে দেয়া হবে। এখানেই ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য তোমরা পেয়ে যাবে।

অনলাইনে কাঙ্ক্ষিত ইউনিটে আবেদনের পর টাকা জমা দিতে হবে সোনালি ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, অগ্রনী ব্যাংক এবং জনতা ব্যাংকের যেকোনো একটিতে। ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫০/= টাকা। অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে ৫ আগস্ট থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত এবং আবেদন ফি জমা দেয়ার শেষ দিন ২৮ আগস্ট। আর ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৫টি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

১৩ সেপ্টেম্বর – গ-ইউনিট
১৪ সেপ্টেম্বর – চ-ইউনিট (সাধারণ জ্ঞান অংশ)
২০ সেপ্টেম্বর – ক-ইউনিট
২১ সেপ্টেম্বর – খ-ইউনিট
২৭ সেপ্টেম্বর – ঘ-ইউনিট
২৮ সেপ্টেম্বর – চ-ইউনিট (অঙ্কন অংশ)

সময় মেনে ঠিকঠাক প্রস্তুতি নিলে অবশ্যই স্বপ্নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অংশ হতে পারবে তুমি। মনে রাখবে, স্বপ্নের কখনও মৃত্যু হয় না।

(তথ্যসূত্র – দৈনিক প্রথম আলো)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় Website for Online Admission in University of Dhaka for 2018. Applicants can Apply, download pay-in slip, download admit card, view their seat plan and exam results from this site. All the notices regarding the admission procedure will be posted in this site accordingly.

10/07/2019

।। ঢাবিতে নতুন নিয়মে ভর্তি পরীক্ষা।।

★SSC & HSC total জিপিএ থেকে ১০০ নাম্বার।

★পরীক্ষার মোট সময় ৯০ মিনিট।

★৬০ নাম্বার MCQ এর জন্য সময় থাকবে ৪০ মিনিট,
★৪০ নাম্বাত লিখিত অংশের জন্য সময় ৫০ মিনিট।

★সংক্ষিপ্ত আকারে লিখিত প্রশ্ন উত্তর পত্রের মধ্যেই থাকবে।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Road 6 House 2 Mohammadia Housing Society
Dhaka
1200

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00