09/04/2025
General Knowledge
This Page is General Knowledge.
09/04/2025
উত্তেজিত হওয়ার সময় ইংরেজিতে কী কী বলবেন? 😂
দাড়াও, ক্যাপ্টেন আশিক এখন বলবে।
"Hold on, Captain Ashik will speak now."
ওয়েট ওয়েট, সেনাবাহিনীকে শেষ করতে দাও।
Wait, wait, let the army finish first."
বাংলাদেশ আর্মি গত চার ঘন্টা কোই ছিল?
"Where has the Bangladesh Army been for the last four hours?"
তাহলে এবার আমি একটু বলি।
"Alright, now let me say something."
না এটা করিয়েন না।
"No, don't do that."
গেল গেল গেল
"It's gone, it's gone, it's gone!"
সারে চার ঘন্টা পর বাংলাদেশ আর্মি উদিত হল।
"After four and a half hours, the Bangladesh Army finally came up."
Wait, it’s my turn now!
এই এক মিনিট এক মিনিট
"Wait a minute, wait a minute."
শোনেন, উল্টা-পাল্টা কথা বলবেন না।
"Listen, don't talk nonsense."
সারা বাংলাদেশ বাংলাদেশ আর্মির খেলা দেখেন
"The whole of Bangladesh! watch the Bangladesh Army's game."
18/03/2024
সবার উদ্দেশ্যে ----যে সকল বাড়িতে প্রিপেইড মিটার আছে তারা এটা নিজ আইডিতে শেয়ার করে সঙ্গে রাখতে পারেন....যে কোনো সময় কাজে আসবে।
800 : মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমান।
801 :বর্তমান ব্যালেন্সের (টাকা) পরিমাণ।
802: বর্তমান তারিখ দেখা।
803
: বর্তমান সময় দেখা।
804 : মিটারের সিরিয়াল নাম্বার।
806 : রিলে সংযোগ বিচ্ছিন্নের কারণ
807 : মিটারের অবস্থা দেখা।
808 : বর্তমান সংযুক্ত লোড
809 : ট্যারিপের সূচক দেখা।
810 ইমার্জেন্সি ব্যালেন্সের পরিমাণ
811 ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স সচল (Activate) করতে
812 : সংকেত (Alarm) বন্ধ করা.
813 : কত দিনের বিদ্যুতের ব্যবহার
814 : বর্তমান মাসের বিদ্যুত ব্যবহারের পরিমান
815 : সর্বশেষ রিচার্জের তারিখ
816 : সর্বশেষ রিচার্জের সময়
817 : সর্বশেষ রিচার্জের পরিমাণ
819 : বিদ্যুত বন্ধের সময়
ধন্যবাদ।
14/03/2024
৭২টি বিষাক্ত সাপের সঙ্গে তিনদিন এক খাঁচায় সময় কাটিয়ে বিশ্ব রেকর্ড!
১৯৮৬ সালে ইন্ডিয়াতে এক ব্যক্তি ৭২ ঘণ্টা ৭২ টি বিষাক্ত সাপের সঙ্গে এক খাঁচায় আবদ্ধ থেকে বিশ্ব রেকর্ড করেন। তার মধ্যে ছিল ২৭ টি মনসেললেট কোবরা,২৪ টি রাসেল ভাইপার, নয়টি বিনোসলেট কোবরা, আটটি ব্যান্ডেড ক্রেট এবং চারটি সাধারণ সাপ। সাপের কোন কামড় ছাড়াই তিনি নিরাপদে খাঁচা থেকে বেরিয়ে আসেন। তিনি প্রমাণ করেন যে, সাপের কোনো ক্ষতি না করা পর্যন্ত সাপ কখনো কারো ক্ষতি করে না।
এই ব্যক্তির নাম ছিল নীলিমকুমার খায়ের। তখন তার বয়স মাত্র ২৮ বছর। সেসময় তিনি একটি একটি পাঁচতারা হোটেলে রিসেপশনিস্ট হিসেবে কাজ করতেন। মহারাষ্ট্র ট্যুরিজম বিভাগের সঙ্গে তার আগে থেকেই বেশ পরিচিতি ছিল। এর কারণ তার সরীসৃপদের প্রতি প্রেম। তিনি নয় বছর আগে বোম্বেয়ের নিকটবর্তী মাথেরানে একটি হলিডে হোমে কাজ করতেন।
নীলিমকুমার খায়ের সরীসৃপ প্রাণীদের খুবই ভালোবাসেন। এদের হত্যা করা তিনি একেবারেই পছন্দ করতেন না। দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে, এক ব্যক্তি একটি পার্কে ১৮ টি বিষাক্ত এবং ছয়টি আধা-বিষাক্ত সাপের সঙ্গে ৪০ ঘন্টা ছিলেন। এটি দেখেই নীলিমকুমারের মাথায় প্রথম বিশ্ব রেকর্ড করার ভাবনা আসে। তিনি ভেবেছিলেন যে কোনো ভারতীয় এই ক্ষেত্রে বিশ্ব রেকর্ড গড়ারযোগ্য। কেননা ভারত সাপের দেশ হিসেবে বিশ্বে পরিচিত। সেদিক থেকে এদেশের মানুষের সাপ ভীতি কম থাকবে।
তবে যখন কিনা তিনি এই কাজ করতে বের হন, লোকেরা ভাবতে শুরু করেন যে সে পাগল হয়ে গেছে। অনেক বাধা বিপত্তির পর অবশেষে ২০ শে জানুয়ারী, তিনি পুনের বিজে মেডিকেল কলেজের খেলার মাঠে একটি কাঁচের কেবিনে প্রবেশ করেছিলেন। ভেতরে রাখা হয়েছিল চেয়ার। সেখানে বসে বিশ্রাম নেয়ার সময় প্রায়শই তার কাছে আরোহণকারী সাপগুলোর সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছিল। সাপগুলো বারবার তার শরীরের উপর উঠে যাচ্ছিল। তখন তিনি সেগুলো আদর করছিলেন এবং মাটিতে নামিয়ে দিচ্ছিলেন।
৭২ ঘণ্টা কেটে যাওয়ার পর খায়ের খাঁচা থেকে বেরিয়ে আসেন। গড়েন এক অভিনব রেকর্ড। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের প্রকাশকরা খাইরকে লিখেছিলেন যে, তিনি প্রতিদিন কেবিনের বাইরে আধা ঘন্টা সময় নিয়ে গেলেও তিনি বিশ্ব রেকর্ড প্রতিষ্ঠা করবেন, তবে খায়ের তা করতে রাজি হননি। শেষ পর্যন্ত স্নায়ামারির ৯০০ পয়েন্টের বিপরীতে তিনি ১,৫১২ পয়েন্টে উঁচুতে রয়েছেন। তার প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে তিনি তৈরি করেন সাপের পার্ক এবং একটি গবেষণা কেন্দ্র। এই রেকর্ড করতে তার বিয়ে ভেঙে গিয়েছিল। পরে অবশ্য তার বিয়ে হয়েছিল।
👉বর্তমান_ভালবাসা👈
নরম স্ত/নে হাত রেখে কায়দা করে
ভালোবাসা
নামের কীটটা জাগিয়ে তুলা
আজকালকার
ফ্যাশন হয়ে গেছে।
,,
প্রেমিকার ব্রা/র
সাইজটা
জানেনা, এমন একজন সৎ প্রেমিক
পাওয়া
বর্তমান যুগের জন্য হাস্যকর ব্যাপার
একটা।
,
পার্কের চিপায় চিপায় যে পরিমাণ
ভালোবাসা লেনদেন হয় তার চাইতে
বহুগুণ
বেশি মে/সে/ঞ্জা/রে হয়ে থাকে।
,
খোলামেলা
পরিবেশের প/র্ণ সা-ই-ড-গুলির প্রতি
আসক্তি
বেড়েই চলছে অনবরত।
প্রেমিকার মনে
আজকাল ভালোবাসা খুঁজার চাইতে
প্রেমিকার কোমরে ভালোবাসা
খুঁজা হয় খুব
করে।
।
হুড তুলা রিক্সাগুলি আজকাল কারণ
হিসাবে
বাবা মা ভাই বোন অথবা ফ্যামেলির
কোনো
মেম্বারের প্রতি ভয়টা খুঁজে পাওয়া
যায়না।
।
প্রেমিকার তলপেটে হাত বুলিয়ে স্বর্গ
খুঁজে
দেওয়ার নিয়মটাই পাওয়া যায়।
।
আজকালকাল যুগে বাসর রাতের
গোপনীয়
কথাগুলো দুলাভাই অথবা ভাবীর
কাছে যেয়ে
শুনতে হয়না। এখন প্রতিটা ফিল্মেই
শিখিয়ে
দেওয়া হয় কীভাবে বিয়ের আগে মধু
খেয়ে
মৌমাছিকে তাড়িয়ে দিতে হয়।
।।
বইয়ের
পাতায় শিখানো হয়
বাচ্চা ড্রপের কাহিনী।
।
ক-ন-ড-মে-র উপকারিতার কথা স্পষ্টভাবে
ক্লাস
টেনের কৈশোর ছেলে মেয়ের
জানিয়ে
দেওয়া হয়।
হোটলে নিরিবিলি পরিবেশ তৈরি
করে
দেওয়া হয়। একজন প্রেমিক তার
প্রেমিকার
সাথে একান্ত নিরিবিলি কথা
চালিয়ে যায়
দিব্বি করে। হুড তুলা রিক্সার অসম্পূর্ণ
কাজগুলি সম্পূর্ণ হয় হোটলের রুমে।
বিয়ের
আগে সুখ দেওয়া নেওয়া হয় নিয়ম করে।
ডিজিটাল যুগে সে----ক্সে--র প্রতি
যেভাবে
ছেলেরা আসক্ত ঠিক তেমনি
মেয়েরাও
আসক্ত। সার্চ ই-ঞ্জি-ন চেক করলে
সবচেয়ে
বেশি প--র্ণ সাইডগুলিই হু-ম-ড়ি মে--রে
চোখের
সামনে ঝলমল করে।
।
পুরাতন যুগের
ভালোবাসার
কথা জানালে মেয়েটা বলে উঠে
তোমার
কাছে আমার ফিলিংসের কোনো মুল্য
নেই।
সে----ক্সু----য়া--ল চ্যাটিং করলে ফিলিংস
বুঝে। ভদ্র
ভাষায় চ্যাটিং করলে ভালোবাসাই
চিনেনা।
।
এটাই কি ভালবাসা?
,
এরকম ভালবাসার চাইতে
আমি একা আছি তাই ভালো ।
চাইনা অমন ভালবাসা
সবাই এক না সব ছেলে এক না সব মেয়ে ও এক না
আর কথা গুলো কাউকে উদ্দেশ্য করে না
শাক সবজির ইংরেজী নাম:
শাক সবজি (Vegetables)
গোল আলু – Potato (পটেটো)
টমেটো – Tomato (টম্যাটো)
গোল/তাল বেগুন – Brinjal (ব্রিনজাল)
লম্বা বেগুন – Eggplant (এগপ্লান্ট)
করলা – Balsam Apple (বোলসাম এ্যাপেল)
পটল – Pointed gourd (পয়েন্টেড গোর্ড)
লাউ/কদু – Bottle Gourd (বটল গোর্ড)
মটর শুঁটি – Green Pea(গ্রীন পী)
কাঁচা পেঁপে – Green Papaya (গ্রীন পাপ্যায়া)
কাঁকরোল – Sweet Bitter Gourd (সুইট বিটার গোর্ড)
শসা – Cucumber (কিউকাম্বার)
গাঁজর – Carrot (ক্যারট)
ফুলকপি – Cauliflower (কলি ফ্লাওয়ার)
মুলা – Radish (র্যাডিস)
ঝিংগে – Rige Gourd (রিজ গোর্ড)
চাল কুমড়া – Green Cucumber (গ্রীন কিউকাম্বার)
মিষ্টি আলু – Sweet Potato (সুইট পটেটো)
সাজনা – Drum Stick (ড্রাম স্টিক)
বরবটি – Asparagus Bean (অ্যাস্প্যারাগাস বিন)
চিচিংগা/চিচিংগা – Snake Gourd (স্নেক গোর্ড)
মিষ্টি কুমড়া – Pumpkin (পামকিন)
কাঁচা কলা – Green Banana (গ্রীন ব্যানানা)
পুঁই শাক – Basil (বেসিল)
পালং শাক – Spinach (স্পিনাজ)
কচু – Arum (অ্যারাম)
কচুর লতি – Arum (অ্যারাম)
Arum-lobe কচুর লতি।
সিম – Bean (বিন)
ঢেঁড়স – Lady’s Finger (লেডিস ফিংগার)
কচুর ছড়া – Arum (অ্যারাম)
কলার মোচা – Plantain Flower (প্লান্টেইন ফ্লাওয়ার)
কলমি শাক – Bindweed (বাইন্ডউইড)
শালগম – Turnip (টারনিপ)
লাল শাক – Read Leafy (রেড লিফি)
Cress হেলেঞ্চা শাক।
বাঁধাকপি – Cabbage (ক্যাবেজ)
মাশরুম – Mushroom (মাশরুম)
ভূট্টা – Maize (মেইজ)
শিমলা মরিচ – Capsicum (ক্যাপ্সিকাম)
পেঁয়াজ – Onion (অনিয়ন)
রসুন – Garlic (গার্লিক)
আদা – Zinger (জিনজার)
হলুদ – Turmeric (টার্মারিক)
মরিচ – Red Chili (রেড চিলি)
ধনে পাতা – Coriander (করিয়্যান্ডার)
পুদিনা পাতা – Mint (মিন্ট)
লেবু – Lemon (লেমন)
কাঁচা মরিচ – Green Chili (গ্রীন চিলি)
Zucchini ধুন্দুল।
Leek পেঁয়াজ পাতা।
Grum ছোলা।
Lentils মসুর ডাল।
Lettuce লেটুসপাতা।
Drum-stick সজনে।
Eggplant সাদা বেগুন।
একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে একটি ব্যাঙ রেখে পানি গরম করা শুরু করা হল । পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ব্যাঙটিও তার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে সহনীয় পর্যায়ে নিতে শুরু করল যদিও সে চাইলেই লাফ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারত কিন্তু সে লাফ দেয় না। সে সহ্য করতে থাকে,,।
আস্তে আস্তে তাপমাত্রা যখন আরও বাড়িয়ে ফুটন্ত গরম করা হয় তখন ব্যাঙটি আর সহ্য করতে না পেরে সে সিদ্ধান্ত নেয় লাফ দেওয়ার কিন্তু তখন আর তার লাফ দেওয়ার মত শক্তি তার ছিল না।
পানি আরও গরম হতে থাকে যার ফলে সে গরম পানিতে ফুটে একটা সময় মারা যায়।
এখন যদি প্রশ্ন করা হয় ব্যাঙটি কিভাবে মারা গেছে ??
তাহলে অধিকাংশ মানুষই বলবেন গরম পানির কারনে মারা গেছে। কিন্তু না সে গরম পানির জন্য মারা যায়নি,
সে মারা গেছে লাফ দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেরিতে নেওয়ার কারনে।
ঠিক তেমনি প্রতিটি মানুষের স্থান কাল পাত্র ভেদে
একেকটা বিষয়ে সহ্য করার ক্ষমতা থাকে। আমাদের বুঝতে হবে ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কখন সরে যাওয়া উচিত।
সঠিক সময়ের সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়াটাই হবে একটা স্মার্ট সিদ্ধান্ত।
যার প্রচেষ্টায় বাংলায় মুসলিমদের আগমন!
এখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মাদ বিন বখতিয়ার খিলজির সমাধি... (দিনাজপুর- গঙ্গারামপুর- পশ্চিমবঙ্গ- ইন্ডিয়া)
General Knowledge
যিনি বাংলার লক্ষণ সেনকে পরাস্ত করে প্রথম বাংলা দখল করেন।
বাংলা ও বিহার অঞ্চলে প্রথম মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন তুর্কি সেনাপতি ও বীর যোদ্ধা ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি। তিনি ছিলেন তুর্কি জাতিভুক্ত খিলজি বংশের সন্তান। বখতিয়ার খিলজির পূর্বপুরুষ আফগানিস্তানের গরমশির অঞ্চলে বাস করতেন। অল্প বয়সে তিনি ভাগ্যান্বেষণে বের হন এবং বহু দরবার ঘুরে অযোধ্যার শাসক হুসামুদ্দিনের সেনাবাহিনীতে থিতু হন।
হুসামুদ্দিন তাঁকে ‘ভগবত’ ও ‘ভিউলা’ নামক দুটি পরগনার জায়গির দান করেন। এর পরই তাঁর জীবনধারা বদলে যায় এবং নিজেকে একজন শাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠার সুযোগ পান।
একজন যোগ্য শাসক ও সেনাপতি হিসেবে বখতিয়ার খিলজির সুনাম ছড়িয়ে পড়লে দিল্লির শাসক কুতুবুদ্দিন আইবেকের সুদৃষ্টি লাভ করেন এবং তাঁর আনুগত্য স্বীকারের বিনিময়ে বিহার অভিযানের অনুমতি পান। বিহার বিজয়ের পর বখতিয়ার খিলজির ক্ষমতা ও সামর্থ্য আরো সংহত হয়।
তিনি বিশাল এক বাহিনী গঠন করেন এবং ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে রাজা লক্ষ্মণ সেনের শাসনাধীন বাংলার নদীয়া জয় করেন। আকস্মিক আক্রমণে রাজা লক্ষ্মণ সেন প্রধান রাজধানী বিক্রমপুর পালিয়ে যান। এভাবেই বাংলার মাটিতে মুসলিম শাসনের সূচনা হয়।
এরপর তিনি ধীরে ধীরে লক্ষ্মণাবতী, গৌড়সহ সমগ্র উত্তরবঙ্গ বিজয় করেন।
লক্ষ্মণাবতীর নাম পরিবর্তন করে লখনৌতি করে তাকে রাজধানী ঘোষণা করেন। ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খিলজি তিব্বত অভিযানে বের হন। কিন্তু উপজাতিদের বিশ্বাসঘাতকতা ও কূটকৌশলের কাছে পরাস্ত হন। এতে তাঁর সেনাদলের বৃহদাংশ ধ্বংস হয়ে যায়। তিব্বত বিপর্যয়ের পর ব্যর্থতার গ্লানি ও শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং দেবকোটে (বর্তমান দিনাজপুর) ফিরে আসেন।
এখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। তবে কেউ কেউ বলেন মীর মর্দানের হাতে নিহত হন।
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি ইতিহাসের পাতায় যতটা উচ্চারিত, যতটা চর্চিত, যতটা স্মরিত; ঠিক ততটাই অবহেলিত ও অজ্ঞাত বখতিয়ারের সমাধিস্থল। বখতিয়ার খিলজির কবর যে এখনো চিহ্নিত আছে তা-ও হয়তো বহু মানুষের জানা নেই। বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা বখতিয়ার খিলজি বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ঘুমিয়ে আছেন। জেলার গঙ্গারামপুর থানায় পীরপালে এখনো টিকে আছে তাঁর সমাধিসৌধ।
অযত্নে-অবহেলায় ধ্বংসের মুখে বখতিয়ার খিলজির সমাধিসৌধও। সমাধিস্থলে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে বারো দুয়ারি ও দীঘির ঘাট এরই মধ্যে বিলীন হয়ে গেছে। ধসে গেছে সমাধিসৌধের দেয়ালের একাংশ। ধারণা করা হয়, বারো দুয়ারি নামে চিহ্নিত স্থাপনাটি মূলত একটি মসজিদ ছিল। মসজিদের মুসল্লি ও কবর জিয়ারতকারীদের অজুর জন্য পাথর বাঁধানো ঘাট তৈরি করা হয়েছিল। সমাধি ও বারো দুয়ারি পাথরের দেয়াল দিয়ে ঘেরা ছিল। তবে ব্রিটিশ সার্ভেয়ার স্যার ফ্রান্সিস বুকানন হামিল্টন, যিনি ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে উত্তরবঙ্গ ও বিহারের জরিপকাজে নিযুক্ত হন। তিনি বখতিয়ার খিলজির সমাধির বিবরণ দেওয়ার সময় বারো দুয়ারির ভেতরে একটি কবর আছে বলে উল্লেখ করেছেন। স্যার হামিল্টনের ধারণা বারো দুয়ারির কবরটিই বখতিয়ার খিলজির এবং এখনো টিকে থাকা কবরটি বখতিয়ারের সহচর পীর বাহাউদ্দিনের। অবশ্য সমাধিসৌধের সামনে টানানো বতর্মান নামফলকে স্যার হামিল্টনের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এবং টিকে থাকা সৌধটিকেই বখতিয়ারের বলে দাবি করা হয়েছে।
বর্তমানে কালের নিয়মে বখতিয়ার খিলজির সমাধি অবহেলার পাত্র হলেও স্থানীয় সাধারণ মানুষের কাছে তিনি ‘দেবতুল্য’। কথিত আছে বখতিয়ার খিলজি মাটিতে শুয়ে আছেন বলে পীরপালের মানুষরা খাট বা চৌকিতে ঘুমায় না। তারা অনেকাংশে শত শত বছর ধরে মাটিতেই ঘুমিয়ে আসছে।
24/08/2023
- কি গো বুড়িমা আজ হঠাৎ পিটুলি বানাচ্ছ যে? কেউ আসবে নাকি?
- হ্যাঁ রে বিল্লু! ওই আরেকটু হলেই তার আসার শব্দ পাওয়া যাবে। আজ ঠিক বিকেল ছটায় সে নিজের পা রাখবে চাঁদে
- হ্যাঁ গো বুড়িমা! চাঁদ মামাও আজ ভীষণ খুশি। কিন্তু ব্যাপারটা কি বলোতো? কে আসবে?
- বিক্রম আসবে রে বিল্লু! সে ভারতের মাটি থেকে আকাশের বুক ফুঁড়ে বিজয়ীর মতো এসে দাঁড়াবে এখানে।
- বিক্রম? সে আবার কে গো? ভীন গ্রহের কোনো অতিথি নাকি? কৈ আমি তো কিছু জানি না
- আরে সে যে বীর বিক্রম। পৃথিবীর মানুষেরা কঠোর দিনের পর দিন পরিশ্রম করার পর তাকে অস্ত্র আর বর্ম দিয়ে বীরের বেশে পাঠিয়েছে, আমাদের চাঁদবাসীদের খবর নিতে
- আরে বুড়িমা! তোমার কথা শুনে তো মনে হচ্ছে সে ভীষণ সাহসী। সে কি করবে চাঁদে এসে বুড়িমা?
- আরে বিল্লু সে চাঁদের সাথে অনেক স্মৃতি নিয়ে যাবে। সে পৃথিবীর মানুষকে নতুন ভাবে আমার মানে চাঁদের বুড়ির আর চাঁদ মামার গল্প শোনাবে রে...
- বাবা! সে তো খুব কঠিন কাজ। তাই এতো তোড়জোড় চলছে? আজ সেই জন্যই চরকা কাটা বন্ধ?
- আরে বোকা এই তো চরকা কাটতে কাটতেই বিক্রমের জন্য পিটুলি বানিয়েছি... ওর নিশ্চই ভালো লাগবে
- হ্যাঁ বুড়িমা! তোমার হাতের পিটুলির স্বাদই আলাদা। তুমি চাঁদ মামার মা বলে কথা। উফ! কি দারুন যে বানাও..
- নে নে আর ওতো প্রশংসা করতে হবে নি বাপু। তোর জন্য ও তুলে রেখেছি। মিষ্টি মুখ তো সবাইকেই করতে হবে নাকি? এতো সুখবর
- তাই? আমার জন্যও রেখেছো?
- হ্যাঁ রে বাবা হ্যাঁ! ওই যে ওই দেখ বিক্রম এয়ে পড়ছে। ওই যে সে উড়ে আসছে দূর থেকে...
চন্দ্রযান উড়ে আসছে চাঁদে। ওদিকে ভারতে ইসরোর চন্দ্রাযান কন্ট্রোল টিমের বুক টিপ টিপ করছে। কখন কি হয়? সে উড়ে আসতে আসতে চাঁদের বুড়ির দিকে তাকিয়ে বললো..
- ও বুড়িমা আমি এসে পড়েছি গো আমি । তোমাদের সাথে মজা করে কাটিয়ে দেবো কয়েকটা মুহূর্ত।
- হ্যাঁ হ্যাঁ বাবা। তুই এয়ে পড়েছিস। নে আগে ভালো করে দাঁড়া দেখি। আগে একটু জিরিয়ে নে।
- হ্যাঁ গো বুড়িমা, অনেক মজা হবে।
- তুই এয়ে পড়েছিস বিক্রম এই অনেক। নে পিটুলি করেছি। আগে খেয়ে যা দেখি...
চাঁদের ওপর সফ্ট ল্যান্ডিং করল চন্দ্রযান-3, বিক্রম।❤️🇮🇳
কলমে : ডাঃ তানিশা কুন্ডু
অঙ্কনে : Bhottobabur page - ভট্টবাবুর Page
: বাংলাদেশে করােনার টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয় কত তারিখে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Motijheel
Dhaka
1000