English Bird - Shohel Sir

English Bird - Shohel Sir

Share

This is an learning institution. We will teach here for the free of cost.....

23/01/2024

If protesting against trans is a crime or a proof of being unsocial and uncivilized, I am deeply interested to do it till my death. If I find any of them (the trans - extremely mentally sick), it won’t be an easy go for you (the children of multiple fathers) to avoid the collision.

Don't dare to meet me.

25/11/2023

I have reached 100 followers! Thank you for your continued support. I could not have done it without each of you. 🙏🤗🎉

22/06/2023

বাবার সাথে প্রায় ঘন্টাখানেক ধরে ব্যাংকে বসে আছি।
বিরক্ত হচ্ছি খুব। যতনা নিজের উপর। তার চেয়ে বেশি বাবার উপর। অনেকটা রাগ করেই বললাম- বাবা- কতবার বলেছি- অনলাইন ব্যাংকিংটা শিখো।
এটা শিখলে কি হবে?

ঘরে বসেই তুমি এই সামান্য কাজটা করতে পারতে। শুধু ব্যাংকিং না। শপিংটাও তুমি অনলাইনে করতে পারো। ঘরে বসে ডেলিভারি পেতে পারো। খুবই সহজ। কিন্তু এই সহজ জিনিসটাই করবেনা।

করলে আমাকে ঘরের বাইরে বের হতে হতোনা- তাই না?

জ্বি বাবা তাই। এখানে এসে ঘন্টা খানেক অনর্থক বসে থাকতে হতোনা!

এরপর বাবা যা বললেন- তাতে আমি নির্বাক হয়ে গেলাম!

বাবা বললেন- এতো সময় বাঁচিয়ে তোমরা কি করো। ফোনেইতো সারাক্ষণ টিপাটিপি করো। কবে শেষদিন তুমি তোমার ফুফুর সাথে কথা বলেছো?
দশ হাত দূরে প্রতিবেশী বৃদ্ধ জামিল চাচার খবর নিয়েছো! অথচ, আপন জনের সাথে দেখা করতে দশ মাইল পথ হেঁটেছি। সময় বাঁচানোর চিন্তা করিনি। মানুষ যদি মানুষের পাশেই না যায়- তবে এতো সময় বাঁচিয়ে কি হবে বলো।

বাবার কথা পাশ থেকে মানুষেরা শুনছেন।
আমি চুপচাপ বসে আছি।

বাবা বললেন- ব্যাংকে প্রবেশের পর থেকে চারজন বন্ধুর সাথে কোশল বিনিময় করেছি। তুমি জানো -আমি ঘরে একা। তাই ঘর থেকে বের হয়ে আসাটাই আমার আনন্দ। এইসব মানুষের সাহচর্যটাই আমার সঙ্গ। আমারতো এখন সময়ের কমতি নেই। মানুষের সাহচর্যেরই কমতি আছে। ডিভাইস হোম ডেলিভারি এনে দিবে। মানুষের সাহচর্যতো আমাকে এনে দিবেনা।

মনে পড়ে, দু বছর আগে আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম।
যে দোকান থেকে আমি দৈনন্দিন কেনাকাটা করি- তিনিই আমাকে দেখতে গিয়েছিলেন। আমার পাশে বসে থেকে মাথায় হাত রেখেছিলেন। চোখ অশ্রুসিক্ত হয়েছিলো।
তোমার ডিভাইস বড়জোড় একটা যান্ত্রিক ইমেইল পাঠাবে। কিন্তু আমার পাশে বসে থেকে চোখের অশ্রুতো মুছে দিবেনা। চোখের অশ্রু মুছে দেয়ার মতো কোনো ডিভাইস কি তৈরি হয়েছে।

সকালে হাঁটতে গিয়ে তোমার মা পড়ে গিয়েছিলেন। কে তাকে ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলো? অনলাইন মানুষের একাউন্ট চিনে। সেতো মানুষ চিনেনা। মানুষের ঠিকানা চিনে। রাস্তায় পড়ে থাকা মানুষের ঘরতো চিনেনা।
এই যে মানুষ আমার শয্যা পাশে ছিলো- তোমার মাকে ঘরে পৌঁছে দিলো। কারণ- দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে একজন আরেকজনকে চিনেছি।

সবকিছু অনলাইন হয়ে গেলে- মানুষ "হিউম্যান টাচটা" কোথায় পাবে বলো? আর পায়না বলেই- পাশের ঘরে মানুষ মরে গিয়ে লাশ হয়ে থাকে- দূর্গন্ধ না আসা পর্যন্ত কেউ কারো খবরও আর রাখেনা। বড় বড় এ্যাপার্টম্যান্টগুলো আমাদের এ্যাপার্টই করে দিয়েছে। পুরো গ্রামে একটা টেলিভিশনে কোনো অনুষ্ঠান একসাথে দেখে সবার আনন্দ আমরা একসাথে জড়ো করতাম। এখন আমরা রুমে রুমে নানা ডিভাইস জড়ো করেছি।
আনন্দ আর জড়ো করতে পারিনা।

এই যে ব্যাংকের ক্যাশিয়ার দেখছো। তুমি উনাকে ক্যাশিয়ার হিসাবেই দেখছো। সেলসম্যানকে সেলসম্যান হিসাবেই দেখছো। কিন্তু আমি সুখ দুঃখের অনুভূতির একজন মানুষকেই দেখছি। তার চোখ দেখছি। মুখের ভাষা দেখছি। হৃদয়ের কান্না দেখছি। ঘরে ফিরার আকুতি দেখছি। এই যে মানুষ মানুষকে দেখা এটা বন্ধন তৈরি করে। অনলাইন শুধু সার্ভিস দিতে পারে। এই বন্ধন দিতে পারেনা। পণ্য দিতে পারে, পূণ্য দিতে পারেনা। এই যে মানুষের সাথে হাসিমুখে কথা বলা- কোশলাদি জিগ্যেস করা। এখানে শুধু পণ্যের সম্পর্ক নাই। পূণ্যের সম্পর্কও আছে বাবা।

বাবা, তাহলে টেকনোলজি কি খারাপ?

টেকনোলজি খারাপ না। অনেক কিছু সহজ করেছে নিঃসন্দেহে সত্য। অনলাইনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লাখ লাখ ছেলেমেয়েরা পড়ছে, শিখছে। এটাতো টেকনোলজিরই উপহার। তবে, টেকনোলজির নেশাটাই খারাপ। স্ক্রিন এ্যাডিকশান ড্রাগ এ্যাডিকশানের চেয়ে কোনো অংশে কমনা!
দেখতে হবে- ডিভাইস যেন আমাদের মানবিক সত্তার মৃত্যু না ঘটায়। আমরা যেন টেকনোলজির দাসে পরিণত না হই। মানুষ ডিভাইস ব্যবহার করবে। মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করবে। কিন্ত ভয়ঙ্কর সত্য হলো -এখন আমরা মানুষকে ব্যবহার করি আর ডিভাইসের সাথে সম্পর্ক তৈরি করি।
মানুষ ঘুম থেকে ওঠে আপন সন্তানের মুখ দেখার আগে স্ক্রিন দেখে!
সায়েন্টিফিক রিসার্চ ইন্সটিউট এটাকে ভয়ঙ্কর মানসিক অসুখ বলে ঘোষনা করেছে!

কিছুদিন আগে আশা ভোসলে একটা ছবি পোস্ট করে ক্যাপশান লিখেছেন- "আমার চারপাশে মানুষ বসে আছে।
কিন্তু কথা বলার মানুষ নেই। কারণ সবার হাতে ডিভাইস।"

বাবা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন- জানিনা ভুল বলছি কিনা, তবে আমার মনে হয়- "তোমরা পণ্যের লগো যতো চিনো, স্বজনের চেহারা তত চিনোনা!"
তাই, যত পারো "মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করো। ডিভাইসের সাথে না। টেকনোলজি জীবন না।"
"Spend time with people, not with device."

বাবাকে, চাচা - বলে কে একজন ডাক দিলো । বাবা কাউন্টারের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন। এই প্রথম আমি বুঝতে পারলাম। বাবা ক্যাশিয়ারের দিকে যাচ্ছেন না। একজন মানুষ মানুষের কাছেই যাচ্ছেন। বাবাকে আমি অনলাইন শিখাতে চেয়েছিলাম।
বাবা আমাকে লাইফলাইন শিখিয়ে দিয়ে গেলেন।

(সংগৃহীত)

05/06/2023

বাংলা ভাষার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ::

ভাষার অগ্রগতি ঘটে বিবর্তন, রূপান্তর এবং ক্রমবিকাশের মধ্যে দিয়ে। এক্ষেত্রে ব্যাকরণের ভূমিকা হলো ভাষাকে নিয়মের শৃঙ্খলে বেঁধে না রেখে পরিবর্তনের ধারায় ভাষাকে সুশৃঙ্খল, গতিশীল ও জীবন্ত করে রাখা। অর্থাৎ ব্যাকরণ ভাষাকে নির্দেশ দেয় না, ভাষার বিষয়কে বর্ণনা করে মাত্র।

বাংলা ভাষায় ব্যাকরণের চর্চা খুব বেশি পুরনো নয়। খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠা লাভের জন্য ইউরোপীয় বণিক গোষ্ঠী ও মিশনারিরা বাংলা ভাষা শেখার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। এই বিদেশিরাই প্রথম বাংলা ভাষার লিখিত ব্যাকরণের সৃষ্টি করে। অষ্টাদশ শতাব্দীর চল্লিশের দশকে মানোএল দা আস্সুম্পসাঁও রচিত ‘ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বেনগল্লা, ই পর্তুগিজ: দিভিদিদো এম দুয়াস পার্তেস’ প্রথম বাংলা ব্যাকরণ। ১৭৪৩ খ্রিস্টাব্দে পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে এটি রোমান হরফে মুদ্রিত হয়।

এরপর হুগলি থেকে ১৭৭৮ সালে ন্যাথেনিয়েল ব্রাসি হ্যালহেডের ‘এ গ্রামার অফ দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ’ প্রকাশিত হয়। এটি ছিলো সম্পূর্ণ ইংরেজী ভাষায় রচিত, তবে এতে চার্লস উইলকিনসন এবং পঞ্চানন কর্মকারের যৌথ প্রচেষ্টায় ছাপাখানার জন্য প্রবর্তিত বাংলা হরফের সাহয্যে উদাহরণগুলো মুদ্রিত হয়। পরবর্তীতে উনিশ শতকে ইংরেজীতে এবং বাংলায় অনেক বাংলা ব্যাকরণ রচিত হয়। বিশ শতকের শুরুতে বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ চর্চার ব্যাপক প্রসার ঘটে।

এরপর ১৮০১ সালে উইলিয়াম কেরি-র ব্যাকরণ এবং ১৮১৬ সালে গঙ্গা কিশোর ভট্টাচার্যের ব্যাকরণ রচিত হয়। ১৮৩৩ সালে কলকাতার স্কুল বুক সোসাইটি ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ শীর্ষক রাজা রামমোহনের লেখা ব্যাকরণ প্রকাশ করে। পরবর্তীতে ড.সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ড. সুকুমার সেন, ড. এনামুল হক প্রমুখ বাংলা ব্যাকরণ লিখেছেন।

23/07/2022

১। Internet আবিষ্কৃত হয় 1969 সালে।
২। Email আবিষ্কৃত হয় 1971 সালে।
৩। Hotmail আবিষ্কৃত হয় 1996 সালে।
৪। Google আবিষ্কৃত হয় 1998 সালে।
৫। Facebook আবিষ্কৃত হয় 2004 সালে।
৬। Youtube আবিষ্কৃত হয় 2005 সালে।
৭। Twitter আবিষ্কৃত হয় 2006 সালে।
৮। বিশ্বে ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯সালে
৯। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু হয়
১৯৯৩ সালে।
১০। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার সবার
জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
১১। বাংলাদেশে 3g চালু হয় 14
OCTOBER,2012।
১২। বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম
কম্পিউটার "IBM-1620 ‘ যা স্থাপিত হয়
বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনে ১৯৬৪
সালে।
১৩। ২১মে ২০০৬ সালে কক্সবাজারের
ঝিলংজা-তে ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের
মাধ্যমে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে
যুক্ত হয়।
১৪। বাংলাদেশর বিজ্ঞানীরা
প্রথমাবারের মতো ‘জীবনরহস্য‘ উন্মোচন
করেছেন মহিষের।
১৫। ২০১৩সালে দেশি পাটের জীবন রহস্য
উন্মোচনে নেতৃত্ব দেন ড মাকসুদুল আলম।
১৬। ১৯৮১ এপসন কোম্পানি সর্বপ্রথম
ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রচলন করেন তার
নামঅসবর্ন-১।
১৭। বিশ্বের একমাত্র কম্পিউটার জাদুঘরটি
অবস্থিতযুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়।
১৮। বাংলা সামাজিক মাধ্যম ‘‘বেশত‘‘ চালু
হয় ২৮ ফ্রেব্রু ২০১৩।
১৯। বাংলাদেশের ‘টেলিফোন শিল্প
সংস্থা লিমিটেড(টেশিস) কর্তৃক তৈরী
প্রথম ল্যাপটপ --এর নামদোয়েল।
২০। জাতিসংঘ রেডিও বাংলা যাত্রা শুরু
করে ২১ ফ্রেব্রু:২০১৩।
২১। বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্চিন
‘‘পিপীলিকা‘‘ উদ্ধোধন করা হয় ১৩এপ্রিল,
২০১৩।
২২। বাংলাদেশে দ্রুত গতির ইন্টারনেট
‘‘ওয়াইম্যাক্স‘ চালু হয় >>June,2009, Banglalion।
২৩। বাংলাদেশে কবে , কোথায় সাইবার
ক্যাফে চালু হয় ১৯৯৯ সালে,বনানীতে।
২৪। বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন
কোম্পানীর সিটিসেল ডিজিটাল, ১৯৯৩
সাল।
২৫। বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল
টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয় ৪ জানুয়ারী,
১৯৯০।
২৬। বাংলাদেশে কখন থেকে কার্ড ফোন
চালূ হয় ১৯৯২ সালে।
২৭। প্রথম ডিজিটার জেলা যশোর।
২৮। প্রথম ওয়াই ফাই নগর সিলেট।
২৯। সাইবার সিটি সিলেট।
৩০। প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ
মিঠাপুকুর ,রংপুর।
=> GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
=> BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
=> JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic Expert
Group
=> PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
=> Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity
=> HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol
=> HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure
=> URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator
=> IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
=> VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized
=> UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication System
=> RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
=> AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
=> SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
=> AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate Codec
=> JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application Descriptor
=> JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
=> MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
=> 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
=> 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
=> MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
=> SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module
=> 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
=> GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication
=> CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access
=> AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
=> SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
=> WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
=> WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
=> WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
1) GOOGLE : Global Organization Of Oriented
Group Language Of Earth
2) YAHOO : Yet Another Hierarchical Officious
Oracle
3) WINDOW : Wide Interactive Network
Development for Office work Solution
4) COMPUTER : Common Oriented Machine
Particularly United and used under Technical and
Educational Research
5) VIRUS : Vital Information Resources Under
Siege
6) UMTS : Universal Mobile Telecommunications
System
7) AMOLED: Active-matrix organic light-emitting
diode

★OLED : Organic light-emitting diode
9) IMEI: International Mobile Equipment Identity
10) ESN: Electronic Serial Number
11) UPS: uninterrupted power supply
12) HDMI: High-Definition Multimedia Interface
13) VPN: virtual private network
14) APN: Access Point Name
15) SIM: Subscriber Identity Module
16) LED: Light emitting diode
17) DLNA: Digital Living Network Alliance
18) RAM: Random access memory
19) ROM: Read only memory
20) VGA: Video Graphics Array
21) QVGA: Quarter Video Graphics Array
22) WVGA: Wide video graphics array
23) WXGA: Wide screen Extended Graphics Array
24) USB: Universal serial Bus
25) WLAN: Wireless Local Area Network
26) PPI: Pixels Per Inch
27) LCD: Liquid Crystal Display
28) HSDPA: High speed down-link packet access
29) HSUPA: High-Speed Uplink Packet Access
30) HSPA: High Speed Packet Access.

23/07/2022

পুলিশের এসআই পদে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা নিচ্ছেন এসপি সাহেব।

শেষ প্রার্থীকে কয়েকটি প্রশ্ন করার পর এসপি জিজ্ঞেস করলেন, ‘বলুন তো গীতাঞ্জলি কে লিখেছে?’

লোকটি উত্তর দেয়ার আগেই এসপির ফোন বেজে উঠল। তিনি ফোন ধরে ‌'স্যার স্যার' বলে সম্বোধন করলেন। তারপর বললেন, 'স্যার আমি এখনই অ্যাকশন নিচ্ছি।'

ফোন রেখে তাড়াহুড়ো করে বাইরে বেরিয়ে এসে সামনে পেলেন এক ওসিকে। তাকে বললেন, ‘আমার রুমে একজনকে রেখে এসেছি, ওকে জিজ্ঞেস করবে গীতাঞ্জলি কে লিখেছে এবং উত্তরটা আমাকে জানাবে।’

ওসি বলল, ‘স্যার কোনো চিন্তা করবেন না, আমি এক্ষুনি জেনে নিচ্ছি।’

দুইঘন্টা পর এসপি ফিরে এসে তার রুমের ভেতর থেকে কান্নাকাটি, চিৎকার-চেঁচামেচি শুনতে পেলেন। অবাক হয়ে রুমে ঢুকে দেখেন চাকরিপ্রার্থী হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মেঝেতে শুয়ে কাতরাচ্ছে, নাক-মুখ থেকে ঝরছে রক্ত।

এসপি বিস্মিত হয়ে ওসিকে বললেন, ‘আমি তোমাকে একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে বলেছি, আর তুমি এর কী হাল করেছো!’

ওসি উত্তর দিল, ‘স্যার, এই ব্যাটা তো মহা বদমায়েশ। আমি বললাম গীতাঞ্জলি কে লিখেছে সত্যি করে বল। সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নামে একজনের নাম বলে। আমি তাকে সতর্ক করে বললাম, সত্য কথা বল নাহলে তোর খবর করে দেব। তাও সে কিছুতেই নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করে না। পরে বললাম, তোর বাসায় তল্লাশি করলে কিন্তু মদের বোতল ও ইয়াবা পাওয়া যাবে, তাও শয়তানটা ভয় পায় না। বারবার ওই একই নাম বলে। আর কী করার থাকে স্যার বলুন, দিলাম থার্ড ডিগ্রি। অবশেষে এইমাত্র ব্যাটা স্বীকার করছে যে, কোনো রবীন্দ্রনাথ না, ও নিজে গীতাঞ্জলি লিখেছে এবং ওর ছোটো ভাইও এর সাথে জড়িত ছিলো।

Photos from English Bird - Shohel Sir's post 23/07/2022

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আসলেই কি ৩০ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল; যেখানে সিরিয়ায় এতো বছর ধরে যুদ্ধ হচ্ছে, সেখানে তো মনে হয় ৭+ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারায়নি?

৩০ লক্ষ একটি মিথ।

ক্যাম্বডিয়াতে ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ত্রিশ লক্ষ লোক মারা হয়। নিচের ছবিটি ক্যাম্বডিয়ার খেমাররুজ গণহত্যার প্রমাণ।

বাংলাদেশের কোন যাদুঘরে এত বিপুল সংখ্যক কঙ্কাল এবং মাথার খুলি জমা নেই।



নিচের ছিবিটি ১৯১৫ সালে আর্মেনিয়ান গণহত্যার। ছবিতে দেখা যাচ্ছে অটোমান সৈন্যরা গণহত্যা চালানর জন্য আর্মেনিয়ানদেরকে তাড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছেঃ



নিচের ছবি দুটি ১৯৩৮ সালের নাঞ্জিং গণহত্যার ছবি। এখানে দেখা যাচ্ছে শত শত মৃতদেহ খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে।

ছবি গুলো থেকে গনহত্যার আকার বা বিস্তৃতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এরকম কোন অকাট্য প্রমাণ নেই।

পাকিস্তানীদের হাতে কোন যাদুমন্ত্র ছিলনা যার দ্বারা ৩০ লক্ষ লোকের মৃতদেহ এমন ভাবে গায়েব করে ফেলা যায় যে তার কোন চিহ্নই আর না থাকে। বিশেষ করে পশ্চিমা সাংবাদিকদের চোখ এড়িয়ে এই কাজ করা্‌ আমার মতে, একেবারেই অসম্ভব।

23/07/2022

হাঁপানির ওষুধ Blatta orientalis এর আবিষ্কারকর্তা পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর...!

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের হাঁপানি ছিল। শীতকালে বাড়ত। তাই শীতে দু’বেলা গরম চা খেতেন। এক দিন চা খাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাঁপের টান একদম কমে গেল। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর অবাক! গৃহভৃত্যকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন,

—‘আজ চায়ে কি আদার রস মিশিয়েছিলে?’

ভৃত্য না বললেন এবং স্বীকার করলেন যে, তাড়াহুড়োয় আজ কেটলি না-ধুয়েই চা করে ফেলেছিলেন। বিদ্যাসাগর তাঁকে কেটলি আনতে বললেন। আনার পর কেটলির ভিতর পরীক্ষা করে তিনি স্তম্ভিত হলেন! অবশিষ্ট চায়ে দু’টো আরশোলা পড়ে রয়েছে। মাথায় বিদ্যুৎ খেলে গেল। আরশোলা বেশি জলে সেদ্ধ করার পর, তাকে অ্যালকোহলে ফেলে ছেঁকে ডাইলিউট করে হোমিয়োপ্যাথির মতে ওষুধ বানিয়ে নিজে ও অন্যদের দিয়ে পরীক্ষা করে দেখলে কেমন হয়, তাতে হাঁপানি, সর্দি সারে কি না! লোককে না জানালেই হল ওষুধে কী আছে। ভাবনাকে কাজে পরিণত করতে দেরি করেননি। জানা যায়, সেই ওষুধে অনেকের রোগের উপশম করেছিলেন বিদ্যাসাগর!

সমাজ সংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম তো সবাই জানে, কিন্তু হাঁপানির ওষুধ Blatta orientalis এর আবিষ্কারকর্তা পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম কতজন জানে? নামিদামী ডিগ্রীধারী ডাক্তারদের পাশে “মেটিরিয়া মেডিকায়” এই ওষুধের প্রথম প্রয়োগকর্তা হিসেবে নাম আছে পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের।❤

23/07/2022

সত্যিকারের দায়িত্ববান দলনেতা বলতে কী বোঝায়?

সত্যিকারের লিডারশীপঃ

চলুন শিক্ষাটি প্রকৃতির নিয়ম মেনে শিখে নেই।

প্রথমের লাল বৃত্তের তিনটা নেকড়ে হলো সবচেয়ে বয়ষ্ক, অসুস্থ, দুর্বল।

কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতা বেশী। তাদের সামনে দেয়া হয়েছে কারন তাদের গতি অনুযায়ী বাকি দল চলবে।

তাদের ঠিক পিছনের হলুদ দাগের পাঁচজন যারা দলের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং যোদ্ধা নেকড়ে। তাদের কাজ অগ্রবর্তী দলকে সাপোর্ট দেয়া এবং যেকোন আক্রমণ এলে সামাল দেয়া।

তাদের ঠিক পিছনে,নবীন আর কম শক্তিশালীরা থাকে। কিন্তু মাঝের দলটাই সবচাইতে সুরক্ষিত ।

কারণ, তাদের পিছনে সবুজ চিহ্নিত দলটাও খুব শক্তিশালী এবং যোদ্ধা নেকড়েরা। তাদের কাজ পিছন থেকে কোন আক্রমণ এলে প্রতিরক্ষা দেয়া।

তাদের পিছনে নীল চিহ্নিত একাকী নেকড়েটাই দলনেতা। সবার পিছনে সে আসছে। তার দায়িত্ব হলো কেউ পিছনে পড়ে যাচ্ছে কিনা, কারো কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা তা খেয়াল রাখা।

সেই হচ্ছে দলনেতা (লিডার)।

নেতাদের সবসময় সামনেই থাকতে হবে এমন নয়, প্রয়োজনে সবার পেছনেও যেতে হয়। লিডারশীপ ব্যাপারটা এমনই।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka