13/07/2020
https://tinyurl.com/CCP-Foundation-form
CCP Foundation account form This form to be used by CCP Foundation coordinators, staff & management only
Here I write my fillings about social, cultural and economic anomaly.I share my loved ones and it may be music,cooking, painting what ever good,enjoyable
13/07/2020
https://tinyurl.com/CCP-Foundation-form
CCP Foundation account form This form to be used by CCP Foundation coordinators, staff & management only
পৃষ্ঠপোষক ঃ
বাড়ারচর:-
১। ফৌজিয়ান হার্ট অষ্ট্রেলিয়া ও ব্যাচ ২৯
২। এবিএস ফাউন্ডেশন
সন্ধ্যাকুড়া :-
১। সাহওয়ার জামাল নিজাম ৫ হাজার মাসে
২। সারওয়াত নাজ শম্পা ৫ হাজার মাসে
৩। ডঃ প্রফেসর মোস্তফা আলী ৫ হাজার মাসে।
৪। ফৌজিয়ান হার্ট ৫ হাজার মাসে মে থেকে।
৫।মাহমুদ টিপু বরিশাল ক্যাডেট কলেজ।প্রস্তাবিত। স্কুল তৈরীর জন্য অনুদান দিয়েছে দুই ধাপে ৩০ হাজার।আমি প্রস্তাব রেখেছি ডোনার হওয়ার জন্য।
এখানে আরো ক্যাডেট যোগ দিলে এটাকে অনেক বড় স্কুলে পরিণত করতে পারব।বর্তমানে এর ছাত্রছাত্রী ১৪৮ জন।
দক্ষিণ খান :-
১।নিকি কামরান মুক্তাদির
২। জিয়াউদ্দীন আহমেদ
৩। ওফান আনোয়ার
৪।মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীন চৌধুরী
৫।মনজুর উল আলম চৌধুরী
৬।মোহাম্মদ অালী
৭। ওফান তারেক হোসেন
৮। এম সিসি ব্যাচ ৩৩
এর বাইরেও আমাদের অনেক ডোনার আছে, যারা অনিয়মিত অনুদান দিয়ে থাকেন।
দক্ষিণ খানের সাথে আমরা বেড় গোবিন্দপুর স্কুলটাকে যুক্ত করেছি।ইহা বৈকালীন স্কুল।একই ভাবে মাঝড়াকুরা বৈকালীন স্কুল সন্ধ্যাকুড়ার সাথে যুক্ত।
আমরা রংপুরের একটি গ্রুপকে দক্ষিণ খানের সাথে যুক্ত করতে চাচ্ছি।
এছাড়া আমরা বেড়গোবিন্দ পুরে যেখানে আমাদের খামার আছে সেখানে একটি গ্রুপ গঠন করতে চাচ্ছি।তাহলে দক্ষিণ বঙ্গে সীমান্ত এলাকায় আমাদের একটি ভাল স্কুল হবে।
এছাড়া আমাদের সাথে কেন্দ্রীয় ভাবে যুক্ত আছে অনেকে।তাদের অনুদানের টাকা যখন যেভাবে প্রয়োজন ব্যয় করি।কিছু ফেসবুক বন্ধু আছেন তারাও মাঝে মাঝে দিয়ে থাকেন।
এবার সন্ধ্যা কুড়ার স্কুল ঘরটি সরাসরি বিকাশের মাধ্যমে অনুদান পাঠিয়ে তৈরী করতে সহায়তা করেছেন।
দক্ষিণ খানে আমাদের বার্ষিক প্রয়োজন তিনমক্ষ বায়াত্তর হাজার টাকা।আমাদের যারা ডোনার আছেন তালিকাভুক্ত তারা সবাই দিলে আর্থিক সমস্যা দুর হয়ে যাবে।
নিকি, আনোয়ার দুলক্ষ দিয়েছে।নিকির টাকা থেকে সন্ধ্যাকুড়া ও বাড়ার চরে উন্নয়ন কাজে ব্যয় হয়েছে।আশা ছিল রোজায় অনেকেই অনুদান দিয়ে থাকেন যাকাত বাবদ। এগুলো এলে ধার শোধ করা যেত।কিন্তু করোনা এসে সব ভন্ডুল করে দিল।
আমি স্বপ্ন দেখি ক্যাডেটদের পরিচালনায় আমাদের কমখরুচে স্কুল গুলি সারাদেশে জালের মত ছড়িয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোর সন্তানদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করবে।
জয় হোক ক্যাডেট কলেজ পরিবারের।
জয় হোক মানবতার।
বেশ অনেক দিন এখানে লেখা লেখি হয়না। এখানে আমি আমার নিজের কথা নিজের মত করেই লিখি।আমার স্বপ্ন আমার লড়াই এসবই মূল উপজীব্য।
আমার ভাবনাঃ ৯.১.২০
গত পাঁচ তারিখ মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে গিয়েছিলাম।মাঝে মাঝেইই যাই।পুরাতন সহকর্মীদের সাথে আলোচনা হয়।ভাল লাগে।
আমরা সেখানে একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল চালু করেছিলাম।পরবর্তীতে সেটা সরকারী করে ফেলে।
যদিও আমরা থাকতে তা চাইনি। সরকারী মানে ফ্রি।
তবে তারা প্লে এবং নার্সারী এই দুটো ক্লাশ আলাদা চালাচ্ছেন।মাসে ৫০০ টাকা নেয়।১৪ জন শিক্ষক।ওরা প্রাইমারীতেও পড়ায়। প্লে নার্সারীর বেতন দিয়ে শিক্ষকদের বেতন হয়ে যায়।
এবার ৩০ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে। জনাব আজিজ এর সাথে কথা হল। তিনি পাবনায় নিজ বাড়ীতে একটি স্কুল ও কোচিং ক্যাডেট সেন্টার চালান।প্লে এবং নার্সারীতে পাঁচশত টাকা করে নেন। তারা স্বামী স্ত্রী দুজনেই শ্রম দিচ্ছেন।নিজ বাড়ী হওয়ায় ভাড়া দিতে হয়না।
এই কথাগুলো বলার কারন আমাদের বাড়ারচর স্কুল থেকে প্লে নার্সারী পড়ে গ্রুমিং হয়ে কেউ কেউ প্রাইমারী স্কুলে চলে যায়। এ বছর একজন ক্লাশ ফোর থেকে চলে গিয়েছে যাকে আমরা গড়ে তুলেছি।আরেকজন ওয়ান থেকে।তারা নরসিংদীর নামী দামী স্কুলে পড়বে বেশী টাকা বেতন দিয়ে হলেও।
আমরা ভাবছি প্রথম শ্রেণী থেকে ফ্রি রাখব। আর আগামী বছর থেকে প্লে নার্সারী বেতন নিব। যারা একেবারে গরীব তারা দশ টাকা হলেও বেতন দিবে।ক্যাডেট কলেজের মতো।
আমি অপেক্ষা করেছিলাম এবারের সমাপনী রেজাল্ট এর জন্য।আমরা পারি যত দুর্বলই হোক তাকে সফলতা দিতে যদি সে চায়।
আমরা প্রমাণ করেছি আমরা পারি।২০২০ এ আমাদের বাড়ার চর স্কুলের সমস্যাগুলো সমাধান করতে যত কম খরছে সম্ভব।
এনিয়ে চিন্তা ভাবনা করেছি।
২০১২ সনে স্কুল এর চাল নির্মীত হয়। কিছু টিন শীট জং ধরে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। টিনের ছিদ্র দিয়ে পানি পরে দোতলার কিছু কাঠ পচে গিয়েছে।ভিতরে আলো পাখা অপ্রতুল। এবার গরমের আগেই পাখা লাগবে। আর ক্লাশ রূমে একটার জায়গায় চারটা ও ছোট ক্লাসে দুইটা করে লাইট লাগবে।এনার্জী ভাল্ব দুদিন পরেই নষ্ট হয়ে যায়।আমরা টিউব লাইট লাগাব।
স্কুল ভবনের বাহিরে রং করতে হবে।এতে করে স্কুলের সৌন্দর্য বাড়বে।মানুষ বাহিড়ের সৌন্দর্যটাই দেখে,যদিও আমরা আত্মীক সৌন্দর্যের উপর জোড় দেই।
গ্রাম গুলোতে দরিদ্র শ্রেণীর শুধু নয় নিম্ন মধ্যবিত্তদের ছেলেমেয়েরাও সংগদোষে লেখা পড়া থেকে দুরে সরে যাচ্ছে।ফলে বাল্যবয়সেই লেখাপড়া বাদ দিয়ে বাবার সাথে কাজে যোগ দিচ্ছে।
আমাদের এর বিরুদ্ধেও সংগ্রাম করতে হচ্ছে।
তাই আমরা এই সব ছেলে মেয়েদের দিকে লক্ষ রেখে তৃতীয় শ্রেণী থেকে কর্মমূখী শিক্ষা রাখব।যাতে পঞ্চম শ্রেণীর পর লেখাপড়া আগাতে না পারলেও নিজের পায়ে দাড়াতে পারে।এ জন্য রান্না বান্না, সেলাই,কার্পেন্ট্রী,রাজমিস্ত্রী,ইলেক্ট্রিক, নার্সারী,কৃষি এসব কাজ ক্লাব গুলোতে শেখাব।প্রয়োজনে ছুটিতে বিশেষ কোর্স করাব।
পর্যায়ক্রমে আমাদের সব স্কুলেই কর্মমূখী শিক্ষা চালু করব।
২০২০ হোক আমাদের সব স্বপ্ন পুরনের বছর।
আমাদের স্কুল এবং খামার #
আমাদের স্কুল গুলির সাথে আমাদের খামারগুলি প্রত্যক্ষ্য ভাবে জড়িত। খামার গুলি যাতে ভবিষ্যতে স্কুল্গুলিকে আর্থিক সহায়তা দিতে পারে সে জন্যই এগুলি স্থাপন করা হয়েছে। যেমন বাড়ারচর এর খামার বাড়ারচর স্কুলের জন্য, সন্ধ্যাকুড়া খামার সন্ধ্যাকুড়া স্কুলের জন্য, বেড় গোবিন্দ খামার বেড়্গোবিন্দ পূর স্কুলের জন্য।এ ছাড়া দক্ষিণ খানে আমাদের স্কুলে ২০১১ সনে যে কঞ্জুমার সার্ভিস চালু করেছিলাম সেটা আবার চালু হবে। এ ব্যাপারে টিচারদের সাথে কথা হয়েছে। টীম দক্ষিন খান এটা পরিচালনা করবে।
আর এর সমন্বয় করবে সিসিপি ফাউন্ডেশন ঢাকা অফিস।
আমরা এক সময় আমাদের বন্ধুদের দেওয়া ছাগল মানুষকে দিয়েছি। এখন কেউ আমাদের ছাগল সেলাই মেসিন দিলে আমাদের খামার ও স্কুলে দিব । সেলাই মেশিন দিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা সেলাই শিখবে। আর খাসি খামারে বড় হবে। ৫ হাজার টাকা দিলেই আমরা একটা খাসি কেনা যাবে। হালুয়া ঘাটে ৪৫০০ টকায় হলেই কেনা যাবে। তিন চার মাস পরে বিক্রয় করে যে লাভ হবে তা আবার বিনিয়োগ করে বাড়ানো হবে।
আর যদি কেউ বিনিয়োগ করে তাহলে সে অর্ধেক পাবে মুনাফার। এভাবে কোন বিনিয়োগ কারী নিজেও লাভবান হতে পারে আমাদের ও সহযোগিতা করতে পারে।
২০১৮ এর বিপর্যয়ে আমাদের ২০ টি খাসি ,ছাগল বাচ্চা সহ অসুস্থ হয়ে পরে। ৮টি খাসি জবাই করে দ্রিজে রেখে আমরা ঈদে আমাদের ছাত্রদের দেই। এখন আমাদের ছাগল পালনের জায়গা বড় হয়েছে।
হালুয়া ঘাট এ আমাদের লিজ নেওয়া জায়গা আছে ছাগল ও গরু পালনের জন্য। বাড়ার চর ছাড়া আর সব জায়গায় ই আমাদের ছাগল গরু নিরাপদ ছিল।
এবছর আমরা আমাদের শিক্ষকদের সঞ্চয় কৃত টাকায় খাসি কিনব প্রতি দুই মাসে। এতে আমাদের এবং ওদের উভয়ের ই লাভ হবে।
সাত সকালের প্যাচালিঃ
সেই কবে থেকে ভাবছি কিছু লিখব। কিন্তু আমিতো বিদ্যার সাগর নই যে ইচ্ছে করলেই লিখে ফেলব? আমি হলাম হালের কৃষক। আমি কি পারি অন্যদের মত কথা মালা গেথে সুন্দর লেখা উপস্থাপন করতে।হ্যাঁ! আমি একটা জিনিস পারি প্যাচাল পারতে। আর প্যাচালের সুবিধা হল এর বিষয় বস্তুর কোন আগামাথা থাকেনা। এই ঢাকার উত্তরা, পরক্ষনেই চলে যায় চট্টগ্রাম। এর পর চলতেই থাকে এক বিষয় থেকে আরেক বিষয়ে। কোন বিষয়ে যে লিখতে চেয়েছিলাম প্যাচাল পারতে পারতে সব গুলে যায়।
অনেক দিন ধরে পেটের ভিতর কথারা ভুটুর ভাটূর করছিল। আমি আবার কৃষকজাদা কিনা। পেটে বোমা মারলেও কথা বেড় হয়না। আজ মনে হয় পেটের ভিতর এটোম বোমা ফেটেছে। তাই কথারা বেড় হয়ে আস্তে চাচ্ছে। তাই কি আর করা।বসে গেলাম লিখতে। নইলে আবার পেটের ব্যামো হয়ে টাটকিকেই ঠিকানা বানাতে হবে।ও টাটকি কি বুঝলেন না? ওটা পিখানাগো পিখানা, ভদ্দর নোকের কথায় টইলেট। সেখানে ছুটতে পারবনা বাপু। তাই যা আছে কপালে লিখেই ফেলি। ভাষা নিয়ে মশকরা কইরোনা বাপু। যা মনে আসে তাই লিখছি। আমার মতো খেতের কাছ থেকে এর বেশী আশা করা যায়না।
যাকগে এবার আমার কথায় আসি।শুক্রবার রাত থেকে ঢাকায় বসে আছি। বাড়ীতে থাকতে টুক টাক কাজ করতাম। এখানে এসে গা মেজ মেজ করছে। মনে হয় কিছু ক্ষেতিবাড়ী করি। তা এখানে পাবো কোথায়। বসে বসে ভাবি আর ভাবি। আমাদের খামারের কথা ভাবি, আমাদের স্কুলের কথা ভাবি,আমদের সদাই পাতির কথা ভাবি।
এই সদাই পাতির কথাই ধরুন না। সুন্দর একটা নাম রেখেছিলাম বাজার সদাই, দেখা গেল একজন আগেই নিয়ে নিয়েছে। সদাই পাতিও দেখি আরেকজন নিয়ে নিয়েছে। হাট বাজার ? তাও কে জানি নিয়ে নিয়েছে। আর বাপু শহরে বইসা থাইকা গ্রামের নাম গুলি নিছ ক্যা? গেরামে তো পাও পরেনা। আমি গ্রামের মানুষ গ্রামে ফিরে গেছি, আমার ই তো অধিকার বেশী। আসলে ব্যাবসা ! গ্রামের প্রতিমানুষের আবেগ কে কাজে লাগিয়ে বযাবসা করা। কি আর করা শেষ সিসিপি সদাই পাতি লাগালাম। আমার খুব একটা পছন্দ নয়। দেখি যদি কখনো সুযোগ্মত ভাল নাম পাই বদলে নিব।
সদাই পাতইর যাত্রা শুরু হয় আমাদের ভাগে যোগে খামারের দুধ বিক্রয়ের মাধ্যমে। তার সাথে চাহিদা মত মুরগী,দেশী মুরগীর ডিম ইত্যাদি সরবরাহ। শুরুতে খুব গাল্ভরা বুলি নিয়ে শুরু করেছিলাম। অনেকের সাড়াও পেয়েছিলাম । আমাদের সম্পর্কে সবার উঁচু একটা ধারনা ছিল।কিন্তু আমরা যে দিন আনতে দিন খাই তা ধারনা ছিলনা। আমাদের উদ্দশ্যে ছিল খেয়ে দেয়েও সিসিপিকে সহায়তা করা। সিসিপিকে আরো জনগনের কাছে নিয়ে যাওয়া। আপনার অনুদান দেওয়ার দরকার নেই। আমরা আপনার দুধ, দেশী মুরগী, দেশী মুরগীর ডিম,খাটী সরিষার তেল,খাটি ঘি, দেশী পাঁচ মিশালী মাছ,খাসির মাংস ইত্যাদির চাহিদা পুরন করতে চাই।আমরা চেয়েছিলাম কয়েকটা যায়গায় পকেট করতে। ঊত্তরা তার মধ্যে একটি। মিরপুর ডিওএইচ এস এ চেয়েছিলাম একটা পকেট করতে।এছাড়া আরো এমন যায়গা থেকে চাহিদা এসেছে যেখানে খাজনার চেয়ে বাজনা বেশী। পিঙ্ক সিটী, ফিরোজাবাদ, ধানমন্ডী, শঙ্কর, মোহাম্মদ পূর, শেওড়া, সহ এমন সব এলাকায় যেখানে যাতায়াত খরচ ই বেশী। আমরা না করিনি। ভেবেছি ওখানে আরো গ্রাহক বাড়বে। কেউ কেউ এই দু বছরের কাছা কাছি শুধু দুধ নিয়েছেন। আমাদের দুধের সাথে মুরগীর মাংস, নিলে পোষায়। ডিমে এখন দাম বেড়ে যাওয়ায় পোষায় না। তবু আমরা দেই। সদাই পাতির মাসিক খরচ সরবরাহ এবং কর্মচারী বেতন সহ ১৬/১৭ হাজার টাকা। এ টাকাটা উঠে এলেও চলে। এর মাধ্যমে এক জন লোকের কর্ম সংস্থান হয়। সেটাই বা কম কিসে।আমাদের অভিজ্ঞতা ছিলনা এই ব্যাবসায়ে। ফলে মাছে, ডিমে ভেজাল দিয়েছে যাদের কাছ থেকে কিনেছি। আমাদের লক্ষ্য ছিল নিজেদের খামারে উতপাদিত ডিম, দুধ,শাক সব্জি দেওয়ার। ২০২০ এ আমরা সে চেষ্টাই করব।
আমরা উত্তরায় আমাদের অফিস টাকে আউটলেট হিসেবে ব্যাবহার করব। আসলে পুঁজি না নিয়ে আমাদের মতো কেউ নামেনা। আমাদের আস্থা আমাদের বন্ধুদের উপর ছিল, আছে।তারাই আমাদের সদাই পাতিকে টিকিয়ে রেখেছে।
২০২০ সালে সদাই পাতি আরো শক্তি শালী হবে এই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছি।
যাউকগা। অনেক পযাচাল পারছি। আর পযাচাল পারলে কেউ আমার প্যাচাল শোনা তো দুরের কথা, লাঠী নিয়ে আসবে। আমাদের খামার, স্কুল নিয়ে প্যাচাল অন্যসময় পারুম।
সবাই ভাল থাইকেন।সুন্দর একটী দিন যেন হয় আপনাগো হক্কলের।
30/11/2019
স্বপ্ন নিয়েঃ
আসলে স্বপ্ন না থকলে জীবনে এগিয়ে যাওয়া যায়না।কিন্তু সব স্বপ্নই কি বাস্তবায়িত হয়? স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য লাগে কঠোর নিষ্টা।কঠোর বললাম এজন্য ;স্বপ্ন বাস্তবায়নে নানা বিঘ্ন আসে সে গুলোকে কাটিয়ে উঠার জন্য দৃঢ় মনোবল চাই।
কৃষি নিয়ে আমার স্বপ্ন ছিল সেই ৭৬ থেকে।কিন্তু তা নিয়ে কাজ করতে পারিনি নানা প্রতিকুলতায়।এর পর চাকুরী জীবনেও চেষ্টা করেছি।কিন্তু সরাসরি নিজে সম্পৃক্ত না থাকলে তা বাস্তবায়ন করা কঠিন।সে আমি হাড়ে হাড়ে বুঝেছি।
চাকুরী থেকে অবসর নেওয়ার পর আবার চেষ্টা করেছি।কিন্তু এদেশে নিষ্ঠাবানও বিশ্বস্ত কর্মী পাওয়া মুশকিল।
তাই আমার ব্যাক্তিগত উদ্যোগ সফল হয়নি।
এরপর ভাগে যোগে খামার এর মাধ্যমে সামষ্টিক ভাবে উদ্যোগ নিলাম। বেশ সাড়া পেলাম। কিন্তু এক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা না থাকায় ধাক্কা খেলাম প্রথমেই।প্রায় সব ছাগল মরে গেল একটি ছাড়া।সেটি এখন সংখ্যা বৃদ্ধি করছে।একটা থেকে তিনটা হয়েছে।কিছিদিন পর আবার দুইটা আসবে।হবে পাঁচটা।ও দুটি যদি মাদি হয়, এক সময় চারটাই বাচ্চা দিবে।হবে নয়টা।
আমাদের একুশটা ছাগল টিকে থাকলে এ ভাবেই সংখ্যা বাড়ত।খামার শুধু দুধ বিক্রয়ের টাকায় চলা মুশকিল।যে সমস্ত গাভী পনেরো বিশ লিটার বা আরো বেশী দুধ দেয় সেগুলো পালনের জন্য সব দিক দিয়ে প্রস্তুতি নিতে হয়।এক একটা গাভীর দামও অনেক।আমাদের ইচ্ছা নিজেদের বাছুড় দিয়ে গাভীর সংখ্যা বাড়ানো।আমরা সেটিই করছি।একটি বাছুর পূর্ণবয়স্ক হতে সময় নেয় দুবছর।সেদিক দিয়ে ছাগল এ সুবিধা।
আরেকটি নিরাপদ চাষবাস হলো নার্সারী।আমাদের এলাকায় প্রচুর নার্সারী আছে।হাটে নিয়ে বা পাইকারদের কাছে বিক্রয় করে।এতে কম খরচে লাভ বেশী।গত দুবছর ধরে পরীক্ষা করার পর এবার জমি তৈরী করছি নার্সারীর জন্য।চারা ও ডাল পালা সংগ্রহ করছি।সেগুলো মাদার প্ল্যান্ট হিসেবে কাজ করবে।
উৎপাদনের সাথে মার্কেটিং জড়িত। আমরা ভোগ্যপণ্য সেবার মাধ্যমে একটা বাজার তৈরীর চেষ্টা করছি। একটা অাউটলেট থাকলে এবং এক দুজন কুরিয়ার থাকলে তা সহজ হত।আমরা আস্তে আস্তে সে দিকে এগোব।
আমাদের কৃষক পরিকল্পনাহীন ভাবে কৃষিকাজ করে।ফলে বাজারে চাহিদা এবং উৎপাদনের মধ্যে সমন্বয় থাকেনা।বাজারে এবছর কোন একটি জিনিসের দাম, সবাই ঝাপিয়ে পরে সেটা উৎপাদনে।ফলে উৎপাদন খরচের চেয়ে কম মূল্যে তাকে উৎপাদিত দ্রব্য বিক্রয় করতে হয়। পরের বছর সেই ফসল উৎপাদনে অনীহা থাকায় তার উৎপাদন কম হয়।বাজারে সেই কৃষিদ্রব্যের দাম বেড়ে যায়।
কাজেই আমাদের কৃষিতে বহুমুখিতা আনতে হবে।
অসমাপ্ত
জীবনের খেরো পাতাঃ
নাজমার মাঝে মাঝে আজকাল মরে যেতে ইচ্ছে করে।কিন্তু মেয়েটা ছোট আর ছেলেটা হাবাগোবা।বড় মেয়েটার বিয়ে হয়েছে।এদের জন্যই তার বেঁচে থাকা।সেই কবে স্বামী জহিরুদ্দি মারা গিয়েছে তিনটি সন্তান রেখে।এরপর তাকে একাই লড়াই করতে হয়েছে বাচ্চাগুলোকে মানুষ করতে।
এই দেশে মেয়েদের নিজের কোন পরিচয় নেই। ছোট থাকতে ওমুকের মাইয়া নয়তো বাপেমায়ের দেওয়া ফডু বা ফেলানি।না পারতে যেন মেয়েদের মেনে নেওয়া।মেয়েরা যেন বাপের বোঝা, শরম।তাই বার না হইতেই কোন রকমে বুইড়া দেইক্খা বেডার লগে বিয়া দিয়া হাপ ছাড়ে।পুরুষ পোলাপানের আবার বয়স কি? জামাইর পায়ের তলায় অইল গিয়া মাইয়াগ বেহেসত।
স্বামীর সংসারে পরিচয় জোটে সোনা বা জয়নার বউ হিসেবে।এরপর ছেলে মেয়ে হলে জমিনার মা ফজিলার মা।নিজের নামটা াহারিয়েই গিয়েছিল।বাপের বাড়ীর পরে স্বামীর ভিটা হল ঠিকানা।
নাজমা বসে বসে ভাবে।তিনটা বাচ্চা হবার পর জামাইটা মরে যায়।চারিদিক অন্ধকার দেখে।কচি বয়স।কাজেই পুরুষ মানুষের কুনজর পড়তে দেরী হলনা।এমনকি নিজের ভাসুরও এক রাতে ঘরে ঢুকেছিল।তার প্রবল বাধায় পারেনি।না পেরে তার নামে বদনাম তুলে দিল।তার নাকি চরিত্র খারাপ। পোলাপানে ঘরে টোকা দেয়।একদিন সেই ভাসুর তাকে নষ্টা মেয়ের তকমা দিয়ে চুলধরে ঘর থেকে বেড় করে দেয়।বাড়িটা দখল করে নেয়।তিনটা বাচ্চা নিয়ে বাপের বাড়ী ঠাই নিয়েছে।শত হলেও মেয়ে ফেলতে পারেনা একটা পাতার ঘরে থাকতে দিয়েছে।স্পষ্ট বলে দিয়েছে খাওয়াতে পারবেনা।নিজের যোগার নিজে করে নিতে হবে।সেই থেকে এবাড়ী ওবাড়ী ফুট়ফরমাস খেটে কোন রকমে দিন গুজরান।
সুখ
ধুর! এর কোন মানে হয়? মনে হল কত ঘুমিয়েছি।হুট করে ঘুম ভেঙ্গে গেল।ঘুম ভেঙ্গে দেখি রাত বারটা বেজে চার মিনিট।ভোর হতে অনেক দেরী।ঢাকায় অনেকে এই সময় ঘুমাতে যায় আবার কেউ পার্টি করে।এখানে সন্ধ্যায়ই রাত্রি নামে।চারি দিকে ঝিঝি পোকার ডাক।কেমন শুনশান চারিদিক।রাতের শেষ ট্রেনটা বোধ হয় গেল।কোন দিকে গন্তব্য বলতে পারবনা।তবে পুব দিকে গিয়েছে এটুকু নিশ্চিত। রাত তিনটার দিকে সিলেট মেল যায়।লোকজন স্টেশনে নেমে বাড়ী যায়।বেশীর ভাগই কলার ব্যাপারী।সন্ধ্যায় ঢাকায় কলা নিয়ে যায়।বেচাকেনা করে বারটার ট্রেনে বাড়ী ফেরে।দিনের বেলা ঘুমায়।হাটবার দিন সকালে কলা কিনে পুইন এ মালসার আগুনে পাকায়।কোন রাসায়নিক ব্যবহার করেনা।
মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গেই ক্ষুধা লাগে।এজন্য বিস্কুট আছে।সেদিন তুলিকা আমার জন্য বান্নি থেকে নিমকি এনেছিল।আমার আবার নিমকি খুব পছন্দ।সেদিন জান্নাত কে বলে নিমকি আনিয়েছিলাম।আড়াইশ গ্রাম মানে একপোয়া।চাখতে চাখতেই শেষ।আজ অবশ্য গাছ পাকা সবরি কলা আছে।বিনা যত্নেই হয়েছে।তাই কলাগুলোও ছোট।কিন্তি খেতে ভালই লাগল।নিজের গাছের কলা খাওয়ার মজাইই আলাদা।আমার খুব ইচ্ছা যত রকম কলা আছে সবগুলোর চারা লাগানো।
কলা দিয়ে টোস্ট আর চা খেলাম।ফ্লাক্সে করে রেখেছিল ইমার মা।তুলশী চা। চা খেলে নাকি ঘুম আসেনা।আমার আবার সে বালাই নেই।যখন তখন ঘুমিয়ে পড়ি।
ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখি সুন্দরের।
আমার আখড়ার আশেপাশেই অনেক বাড়ী।ঘরের উপর ঘর।কেউ রাস্তা দিতে চায়না।ছোটছোট ছেলেমেয়ে গুলো দেখলেই হাসি মুখে ছালাম দেয়।দুর থেকে ডাকে " ঐ স্যার" তার পর হেসে কুটি কুটি।ওদের সাথে আমার খুব ভাব।ওদের কাছে গেলেই আমি আমার ছেলেবেলায় ফিরে যাই।তখন নাগরিক যন্ত্রনাগুলো কোথায় চলে যায়।ওদের সাথে এক্কা দোক্কা খেলি।আমার খেলা দেখে হেসে কুটি কুটি।ওদের অনেক কিছু নেই কিন্তু অমলিন হাসিটা আছে, নিখাদ ভালবাসাটা আছে।
ওটাই আমার সুখ!!!!!
30/10/2019