DCC Sarcasm

DCC Sarcasm

Share

Sarcasm

08/03/2025

পয়েন্টে দুধের দোকান দিলে কেমন হয়!! ইফতারের পরের জন্য

15/01/2025

কলেজে পড়াশোনার মান বাড়ানো ছাড়া সব কিছুই বাড়ানো হয়েছে।

01/10/2024
Photos from DCC Sarcasm's post 01/10/2024

চেনা চেনা লাগে

11/08/2024

আমি বিশ্বাস করি যে, জালিমের প্রতি সহানুভূতি দেখানো মানে হলো, মজলুমের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা।

তাই আমি চেষ্টা করবো আমার সাথে হওয়া ও আমার দেখা কিছু জুলুম তুলে ধরার, আশা করি যারা দ্বিধায় আছেন, আমার এই কথাগুলি আপনাকে প্রেরণা দিবে নিজের ঘটনা গুলো তুলে ধরতে। কারো প্রতি কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ আমার নেই। পুরনো ইতিহাস নিয়ে কথা বলা এজন্যেই জরুরি, যাতে এগুলো রিপিট না হয়।

আপনারা যারা পোস্টটা পড়ছেন, কমবেশি সবাই আমাকে চিনে থাকবেন, অবশ্যই আমার কোনো প্রভাবশালী ব্যাকগ্রাউন্ড নাই, আমি অত্যন্ত মডেস্ট ঘরানার মানুষ। কলেজে থাকাকালীন নিজের কাজের মাধ্যমে সকলের ভালবাসায় সিক্ত হয়েছি, ভাবতেই অবাক লাগছে গুরুজন যাঁদের কারণেই আজকে এতকিছু করতে পেরেছি, তাদের উদ্দেশ্য করেই পোস্ট লিখতে হচ্ছে, তবে আগেই বলেছি, আমি আমার নিপীড়িত ভাইবোনদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে চাইনা। আমি কলেজ লাইফে অনেক সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলাম, কলেজে ও বাহিরের বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কার্যক্রমে সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি আমার সিনিয়র জুনিয়র সবার অনুপ্রেরণায়। পদের দায়িত্ব পালন করতে কিংবা কোনো প্রকার প্রত্যক্ষ রিওয়ার্ড ছাড়াই কাজ করেছি, নিজেকে গড়ব, সবার থেকে নানান কিছু শিখতে পারবো এই আশায়। সব ধরনের বৈষম্য নিয়ে হয়তো বলতেও পারবো না তবে আমি চাই আমরা সবাই নিজেদের কথাগুলো যেন বলতে পারি।

সর্বপ্রথম আমার প্রথম জয়েন করা বিএনসিসি ঢাকা কমার্স কলেজ প্লাটুন নিয়ে বলি:

ভার্সিটিতে উঠার পর অন্য কলেজের এক্স ক্যাডেটদের থেকে জানতে পারলাম, এক প্লাটুনে নাকি ৩২ জনের বেশি ক্যাডেট রাখার নিয়ম নেই (সংখ্যা টা একুরেট কিনা জানিনা) কিন্তু তাহলে আমাদের যে প্রতি বছর ক্যান্ডিডেট প্রতি ২০০+ টাকা করে নিয়ে প্লাটুনে শতাধিক লোক ঢুকানো হয় কি শুধুই কলেজের বিভিন্ন প্রোগ্রামে ডিউটি দেওয়ার জন্যে? এখনো এমন ক্যাডেট খুঁজে পাবেন যাদের আইডি কার্ড দেওয়া হয়নি ( যদিও ভর্তির সময়ই আইডি কার্ডের টাকা নেওয়া হয়, কার্ড বানানোর সময় আবার নতুন করে ছবি ও আবার টাকা নেয়া হয়।) আমি নিজেও দেড় বছর পর আইডি কার্ড পেয়েছি, কারণ আমার ISSB তে যাওয়ার কথা ছিল, তখন যদি হেডকোয়ার্টার দেখতো যে এই প্লাটুনে আইডি কার্ড ছাড়া ক্যাডেট আছে তাহলে কী হতো কে জানে। তখন আমার থেকে আবারও টাকা নেওয়া হয়। এছাড়াও যেহেতু অনুমোদিত পরিমাণ থেকে এনরোল করা ক্যাডেট বেশি, অনেকের কেন্দ্রীয় ডাটাবেস এ এন্ট্রি নাই, অর্থাৎ সে কলেজে ভোরবেলা জেগে রোদে ডিউটি করছে কিন্তু তার ফরমটাই হয়তো প্লাটুন থেকে হেডকোয়ার্টারে যাচ্ছে না! এছাড়াও একই কারণে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেকে ক্যাম্প করার সুযোগ পায়নি। এ ব্যাপারে আমার চেয়ে অন্যরা ভালো বলতে পারবে যাদের নানান টালবাহানা করে কখনোই সিলেক্ট করা হয়নি।

এরপর আসি বহু বছর ফান্ডে টাকা দেওয়ার পরেও সদ্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া যুব রেড ক্রিসেন্ট দল নিয়ে, যার প্রতিষ্ঠাতা কলেজের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী(?) সামাজিক-সাংস্কৃতিক- সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব:

টিম শুরু করার আগে আমি, দ্বীন, অর্পা রাব্বি সহ অনেকে যুব রেড ক্রিসেন্ট কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের অধীনে ট্রেনিংপ্রাপ্ত হই, তারপর তাদের রেকমেন্ডেশন এ আমরা ওই দলের নেতৃত্ব লাভ করি, এক সিনিয়র ভাই বিদেশ যাবার কারণে দ্বীন কে টিম লিডার বানানো হয়। এরপর আমি জানিনা কী কারণে এইচএসসি এর পর আমাদের ব্যাচের কাউকে কোনো বিদায়ী সংবর্ধনা, প্রত্যয়নপত্র না দিয়েই আমাদের স্থলে পরবর্তী ব্যাচ ও অনার্স এর শিক্ষার্থীদের বসানো হয়, যাদের কেউকেউ কোনপ্রকার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত না। ঠিক কী কারণে এমন করা হলো আমি জানিনা, এ ব্যাপারে দ্বীন ভালো বলতে পারবে, শুনেছি আইডি কার্ড বাবদ টাকা নেওয়া হলেও পরবর্তীতে তা দেওয়া হয়নি।

এছাড়াও রেড ক্রিসেন্ট একটি দেয়ালিকতে কাজ করার পর স্যার আমার পেইন্টিং স্কিল সম্পর্কে জানতে পারেন, আমাকে একটি পদ্মা সেতু এঁকে দিতে বলেন। স্যার অনেক ভালো কথা বলতে পারেন, ক্লাব গুলোতে তার অংশগ্রহণ দেখে আমি ভাবি আমি ওনাকে হেল্প করতেই পারি, কিন্তু খটকা লাগালো যখন উনি আমাকে ড্রইং টা একটা রচনার কভার পেজের ছবির ফরম্যাটে আঁকতে বললেন, সাইডে বর্ডার ও উপরে জায়গা রেখে। এছাড়াও বললেন ড্রয়িং যাতে সাইন না করি এবং এটা যেন আমার ফেসবুকে পোস্ট না দেই ( অন্যান্য ড্রইং নিয়মিত পোস্ট করতাম)। পরবর্তীতে দেখি তার সন্তান এক রচনা প্রতিযোগিতায় পদ্মা সেতু নিয়ে রচনা লিখে পুরস্কার পায়। ( এমনিতেও কলেজের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ওনার আধিপত্য অনেকটাই প্রশ্নবিদ্ধ) আমি জানিনা যে আমার ড্রয়িং আমার অনুমতি ও ক্রেডিট ব্যতীত কোনো প্রতিযোগিতায় ব্যবহার হয়েছে কিনা, আমি আশা করছি তারা এইটা স্পষ্ট করবে সবার সামনে। তাদের সাথে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক খুবই ভালো, যদি আমাকে বলা হত এইজন্যে ড্রয়িং লাগবে আমি একটা কেন পাঁচটা ড্রয়িং দিয়ে দিতাম তবে আমি চাইনা কেউ ভবিষ্যতে এমন প্রতারণার শিকার হোক।

এক সম্প্রতি আলোচনায় আসা স্যারের সাথে আমার ঘটে যাওয়া আরেকটি কথার বিবরণ দিচ্ছি,
আমি চাইবো না কলেজের কোন শিক্ষক লাঞ্ছনা ও অহেতুক হয়রানির শিকার হোন , তাই একটি পোস্ট দেই যে আমরা সব যাতে যাচাই বাছাই করে শেয়ার করি, কিন্তু পোস্ট করার পর তিনি আমাকে ফোন করলেন। ফোন করে বললেন পোস্টটি পরিপূর্ণ হয়নি, আমি যাতে এটা যুক্ত করে দেই যে, “স্যার একজন শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষক, যিনি কলেজে নানান সামাজিক-সাংস্কৃতিক কাজে জড়িত, তিনি শিক্ষার্থীদের জন্যে অনেক ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন ( যদিও ওগুলোর উদ্দেশ্য আমার মনে হয় তার অনুসারী শিক্ষকদের ‘মাননীয় মডারেটর’ পদে বসানোর জন্যে, কারণ একটিমাত্র কালচারাল ক্লাবের পরিবর্তে নৃত্য, নাটক, গান, ফিল্ম, আবৃত্তি ইত্যাদি অনেকগুলো ক্লাব বানায় রাখার কোন যৌক্তিকতা নেই।), এবং কমার্স কলেজে শিক্ষার্থীদের পূর্বের আন্দোলনে যতজন শিক্ষক পাশে ছিলেন, উনি তাদের সাথে ছিলেন আন্দোলনে। এগুলো তুমি লিখে বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট করে দাও”।এখন আমি নিজেই কমার্স কলেজের স্টুডেন্টদের কোন প্রোটেস্ট এ যুক্ত হতে পারিনি (রাফিদ হত্যা ও অন্যান্য) , আমি যদি লিখি যে আমি ওনাকে থাকতে দেখেছি তাহলে সেটাতো মিথ্যা হবে, তাই অনেক জুনিয়রকে জিজ্ঞেস করি যে উনি ছিলেন কিনা, সবাই সাক্ষ দেয় যে উনি ছিলেন না। এখন উনি যদি কোনো অপরাধ না করেন তো শিরদাঁড়া উঁচু করে বলার কথা যে আমি এই কাজ করিনি। এমন না করে কাউকে সাশিয়ে কথা বললে পাবলিক ওপিনিয়ন অবশ্যই নেতিবাচক হবে।

আরেকটি কথা না বললেই নয়, কলেজে কাগজে কলমে একটি ক্লাব রুম রয়েছে, যেখানে ১৭ টি ক্লাবের মাসিক সভা হবার কথা, সেজন্যে বিভিন্ন বার ও সময় নির্ধারিত, কিন্তু রুম যখন ছিল, এর চাবি সকল মডারেটরদের কাছে ছিল না, শুধু মাত্র রোটারাক্ট ক্লাবের মডারেটর ওই রুমে মিটিং করতেন (উনিই কিন্তু উপরের ওই দলটির প্রতিষ্ঠাতা)। আমি রোটারাক্ট ক্লাবে আছি , বাকি আরও কয়েকটি ক্লাবে সদস্য হিসাবে ছিলাম। যখন সাইন্স ক্লাবের জুনিয়ররা তাদের জিনিসপাতি ( সেনসেটিভ, টিচার রুমে রাখলে ভাঙতে পারে) রাখতে রুম চাইলো, তাদের বলা হইলো যে রুম তো বরাদ্দ করা আছেই, রোটারাক্ট এর মডারেটর আবার সায়েন্স ক্লাব সহ আরও অনেক ক্লাবে উপদেষ্টা আছেন, তিনি তাদের ক্লাবের এই কাজে কখনও হেল্প করেছেন কিনা, নাকি শুধুই অন্য ক্লাবে অনুপ্রবেশ করে বসে থেকে নিজের ক্লাবের উন্নতির দিকে নজর রাখেন, এটা আমি জনিনা। অবশ্য কাজেকর্মে বাকি ক্লাবগুলো আগাবে কীভাবে, উনি তো সেখানে নিজের সন্তানদের গদি ফিক্স করতে ব্যস্ত( অন্যান্য যোগ্য ও ডেডিকেটেড সদস্য থাকার পরেও) অন্যান্য ক্লাব গুলোর নির্বাহী রোল এ না থাকায় তেমন ভেতরের কথা জানিনা, আশা করি কমেন্টে বা আলাদা পোস্ট আকারে তাদের থেকে আরও অনেক কিছু জানা যাবে।

আরেকটা ঘটনা, আমি নটর ডেম ইংলিশ ক্লাব হতে একটি ফেস্ট এর ক্যাম্পাস এম্বাসেডর হই, আমার জন্যে লেটার, পোস্টার, রেজিস্ট্রেশন ফর্ম পাঠায় নটর ডেম ইংলিশ ক্লাব কর্তৃপক্ষ, কিন্তু মাননীয় উপদেষ্টা আমার সেই লেটার জব্দ করেন, আমি তার কলেজ কোয়ার্টারের বাসা পর্যন্ত গিয়েছিলাম লেটারটার জন্যে, প্রায় আধা ঘণ্টা বসায় রাখার পর উনি লেটার ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং বলেন যে, “নটর ডেম তো অনেক দূর, এত দূর তোমরা কেন যাবা, মিরপুরের মধ্যে কোনো প্রোগ্রাম হলে সেখানে যাইও, আর এই লেটার তো কলেজের এটা তোমাকে কেন দিব” ( যেখানে স্পষ্টত খামটি অধ্যক্ষ বরাবর ছিল, আমার নাম লেখা ছিল এবং প্রিন্সিপালের সাইন করার জন্যে একটি লেটার যেটা আমাকে তার কাছে নিয়ে গিয়ে অনুমতি চাওয়া লাগতো। আমার প্রশ্ন হলো, উনি তো প্রিন্সিপাল না, আবার প্রিন্সিপালের পিয়ন বা অফিস সহকারীও না, তাহলে প্রিন্সিপাল কে অ্যাড্রেস করে লেখা চিঠিতে হাত দেওয়ার ক্ষমতা তাঁকে কে দিল?

দেয়ার ইস এ ব্রাইট সাইড, যেইসব ক্লাবগুলোতে মাননীয় মডারেটর অ্যাডভাইসর প্রফেসর স্যারের পদচারণা নাই, সেগুলো খুবই প্রশংসনীয় ভাবে তাদের কাজ করে যাচ্ছে, যেমন ডিবেট ক্লাব, এপিএস, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, বিজনেস ক্লাব, নেচার স্টাডি ক্লাব, এগুলোর কয়েকটার নির্বাহী পর্ষদে প্রত্যক্ষ কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি তারা যথেষ্ট ভালো আছে, আশা করি বাকি ক্লাবের ইসি যদি নিজ যোগ্যতায়, কোন চামচামি না করে তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করে, তারা নিজেদের দাগমুক্ত করে বিপ্লব ঘটাবে, উপরের একটা ক্লাব অলরেডি করেছে, এখন তাদের সব স্মুথলি চলছে।

আরেকটা ইন্টারেস্টিং কথা বলি, আমি দশটা ক্লাবের ফরম কিনেছিলাম, কিন্তু আমাকে ফোন দেয মাত্র ৩-৪ টা থেকে, পরবর্তীতে বিভিন্ন কম্পিটিশনে যাবার পর ওই বাকি ক্লাবগুলোর জুনিয়রদের সাথে দেখা হয়, তাদের সাথে পরবর্তীতে সরাসরি ক্লাবের অংশ হিসাবে কাজ করার সুযোগ হয়। তোমরাই আমার পোস্ট করার অনুপ্রেরণা, আমি একজন বড় ভাই হিসাবে কখনোই চাইবো না যে তোমাদের সম্ভাবনাকে কেউ নিজ স্বার্থে নষ্ট করুক। ঢাকা কমার্স কলেজে তোমরা যেসকল বৈষম্য দেখেছ, কমেন্টে জানাও, আওয়াজ উঠাও।

মোঃ আসিম হোসেন
এইচএসসি ২০২৩ ব্যাচ, ঢাকা কমার্স কলেজ।
অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

©MD Asim Hosain

29/07/2024

আমি জানি না কারো কবরে থুতু দেওয়া কতবড় পাপ,কিন্তু আমি দিবো- এটা তো সিনেমা নয়, যে অমরত্ব গাছের রস খেয়ে চেয়ারে বসে থাকবে চিরকাল।কবর তো এইদেশের মাটিতেই হবে, সব ক্ষোভ থুতুর সাথেই কবরে মাটিতে ফেলবো।

17/07/2024

চোখের সামনে বাংলাদেশ পু***👮‍♂️, দেখলেই - সশব্দে থুতু ফেলবেন মাটিতে।

***প্রতিবাদ হবে সকলভাবে******

16/07/2024

যদি আজ আমরা একত্রিত না হতে পারি,জীবনে কখনো আয়নায় নিজের মুখ দেখার সাহস পাবো নারে ভাই।

জুনিয়র সিনিয়র সকল ভাইদের বলতেছি আপনারা আসেন।
বোনরা বাসায় থেকে আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dhaka