রাসুল (সা.) মানুষের যে আমলটি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করতেন, তা হলো সিজদা। যখনই তিনি ভালো কিছু দেখতে কিংবা ভালো কোনো খবর পেতেন, সঙ্গে সঙ্গেই রবের শুকরিয়া করার জন্য সিজদায় লুটিয়ে পড়তেন।
Bright Bangla Education
We are students and result oriented educational consultancy firm operating successfully since 2008.
“জন্মদিনের উৎসব পালন করাটা বোকামি। জীবন থেকে একটা বছর ঝরে গেল, সে জন্যে অনুতাপ করাই উচিত॥
পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আজ। বড় পীর হজরত আবদুল কাদের জিলানির (রহ:)-এ ওফাত দিবস বিশ্বের মুসলমানদের কাছে ‘ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম’ নামে পরিচিত। ৫৬১ হিজরির ১১ রবিউস সানি তিনি ইন্তেকাল করেন।
‘যে ব্যক্তি সকালে একশত বার ও সন্ধ্যায় একশত বার ‘সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহি’ পড়বে, কিয়ামতের দিন তার চেয়ে উৎকৃষ্ট কিছু কেউ নিয়ে আসতে পারবে না। তবে সে ব্যক্তি ছাড়া— যে তার মত বলবে বা তার চেয়ে বেশি আমল করবে।’ (মুসলিম, হাদিস ২৬৯২)
তোমরা নির্বোধদের হাতে তোমাদের সম্পদ অর্পণ করো না, যা আল্লাহ তোমাদের জন্যে টিকে থাকার মাধ্যম বানিয়েছেন; তা থেকে তাদের জীবিকা ও পোশাকের ব্যবস্থা করো এবং তাদের সঙ্গে সুন্দর কথা বলো। আর তোমরা এতিমদের পরীক্ষা করো, অবশেষে তারা যখন বিয়ের বয়সে পৌঁছে, তখন যদি তাদের মাঝে ভালো-মন্দ বিচারের জ্ঞান উপলব্ধি কর তাহলে তাদের সম্পদ তাদের হাতে অর্পণ করো। (সূরা নিসা : ৫-৬)।
তিন আমলে হায়াত বৃদ্ধি হতে পারে।
এক. মা-বাবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা। সালমান ফারসি (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘দোয়া ছাড়া অন্য কোনো কিছু ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারে না এবং মাতা-পিতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার ছাড়া অন্য কোনো কিছু হায়াত বাড়াতে পারে না।’ (তিরমিজি, হাদিস: ২১৩৯)
দুই. আত্মীয়তার বন্ধন ঠিক রাখা। আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক রাখা ইসলামের এক গুরুত্বপূর্ণ বিধান।
যারা আত্মীয়তার বন্ধন ঠিক রাখে তাদের জীবনে আল্লাহ তাআলা অদৃশ্য বরকত দান করবেন। আনাস ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি চায় যে তার রিজিক প্রশস্ত হোক এবং আয়ু বর্ধিত হোক, সে যেন তার আত্মীয়তার বন্ধন অক্ষুণ্ন রাখে।’ (বুখারি, হাদিস : ৫৯৮৬)
তিন. প্রতিবেশীর সঙ্গে সুন্দর আচরণ করা। ইসলামে প্রতিবেশীর দায়িত্ব অনেক বেশি। কারণ আমরা সামাজিক জীব।
আমাদের জীবনে প্রতিবেশীর ভালোবাসার প্রয়োজন অপরিহার্য। যে ব্যক্তি প্রতিবেশীর হক আদায় করবে, মহান আল্লাহ তার হায়াতে বরকত দান করবেন। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা, চরিত্র সুন্দর করা এবং প্রতিবেশীর সঙ্গে সদ্ব্যবহার রাখায় দেশ আবাদ থাকে এবং আয়ু বৃদ্ধি পায়। (মুসনাদ আহমাদ, হাদিস : ২৫২৫৯)
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশ হচ্ছে একটি স্বর্গরাজ্য। কারণ এদেশের ১৮ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ৯২ শতাংশ মানুষ মুসলমান।
নিশ্চয়ই আল্লাহর ওয়াদা সত্য। তিনি ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না। আমরা তাঁর প্রতি ঈমান আনয়ন করি।
‘যে ব্যক্তি নবী করিম (সা.)-এর পবিত্র নাম শোনার পর তাঁর ওপর দরুদ পড়ে না, সে ব্যক্তি সবচেয়ে বড় কৃপণ। তার ধ্বংসের জন্য জিবরাইল (আ.) দোয়া করেন।’
আবু হুরায়রা (রা.)–র বিবরণে আছে যে রাসুল (সা.) বলেন, তোমাদের কেউ যখন ঘুমিয়ে পড়ে তখন শয়তান তার ঘাড়ের পেছনের অংশে তিনটি গেরো দেয়। প্রতি গেরোতে সে এই বলে চাপড়ায়, তোমার সামনে রয়েছে দীর্ঘ রাত, অতএব তুমি শুয়ে থাকো। এর পর সে যদি জেগে উঠে আল্লাহকে স্মরণ করে তাহলে একটি গেরো খুলে যায়, এরপর অজু করলে আরেকটি গেরো খুলে যায়। তারপর নামাজ আদায় করলে আরও একটি গেরো খুলে যায়। তখন তার ভোর হয়, উৎফুল্ল মনে ও অনাবিল চিত্তে। নইলে সে সকালে জাগে কলুষ কালিমা ও আলস্য নিয়ে। (বুখারি, হাদিস: ১,১৪২; মুসলিম, হাদিস: ৭৬৩)
প্রত্যেক মুসলমানের ইমানি চেতনার দাবি হচ্ছে ক্ষমাগুণ অর্জন করা এবং সবার সঙ্গে ক্ষমাশীল আচরণ করা। এতে সুন্দর ও সমৃদ্ধ হবে আমাদের পার্থিব ও পরকালীন জীবন।
‘তোমরা যদি ওদের ক্ষমা কর, ওদের দোষ-ত্রুটি উপেক্ষা কর এবং তবে নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।’ (সূরা তাগাবুন : ১৪)।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka