13/04/2018
তরুণ এলিয়েন্স
It is a very simple page of friend's on facebook.
13/04/2018
প্রথমে জেনে নিন বিসিএস সিলেবাস ৷
* বিসিএস মৌলিক তিনটি ধাপ অর্জন করতে হবে ৷
*প্রিলিমিনারি পরীক্ষা
* রিটেন পরীক্ষা
* ভাইভা পরীক্ষা
প্রথম প্রিলিমিনারি সিলেবাস জেনে নিন ৷
প্রিলি পরীক্ষা ২০০ মার্ক
* বাংলা ভাষা ও সাহিত্য: ৩৫ মার্ক
* English Language and Literature : ৩৫ মার্ক
* বাংলাদেশ বিষয়াবলী : ৩০ মার্ক
* নৈতিকতা , মূল্যবোধ ও সুশাসন : ১০ মার্ক
* আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী : ২০ মার্ক
* ভূগোল ( বাংলাদেশ ও বিশ্ব ) , পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা : ১০ মার্ক
* সাধারন বিজ্ঞান : ১৫ মার্ক
* কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি : ১৫ মার্ক
* গাণিতিক যুক্তি : ১৫ মার্ক
* মানসিক দক্ষতা : ১৫ মার্ক
মোট ২০০ মার্ক প্রিলি সিলেবাস
* রিটেন ৯০০ মার্ক
* শিক্ষা ক্যাডারদের জন্য রিটেন ১১০০ মার্ক
বি: দ্র: প্রিলি পাস করার জন্য নির্দিষ্ট মার্ক উল্লেখ নেই , প্রশ্নের ধরন অনুযায়ী পাস করানো হয় , তবে প্রিলিতে যারা ১২০ পাবে তারা প্রিলি পাস করবে ৷
প্রিলিতে কোন বিষয় আলাদা আলাদা পাস করা বাধ্যতামুলক নয় , মোট ১২০ পেলে পাস ৷
* রিটেনে ৯০০ মার্কের মধ্যে ৪৫০ পেলে পাস , যারা আরো বেশি পাবে তারা ক্যাডার হবে , আর অন্যগুলো ননক্যাডার পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৷
* ভাইভা : ২০০ মার্ক
******************************************
আসুন জেনে নিন কি কি বই পড়বেন ৷
* mp3 , প্রফেসরস , ওরাকল যে কোন দুই সেট বই কিনবেন ৷
* গণিত : শাহীন ম্যাথ , mp3 , প্রফেসরস
ইংলিশ : Applied english grammar , English for competitive exams , A handbook literature, common mistakes in english
বাংলা : Mp3 , নবম দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরন ,প্রফেসরস বাংলা
* কম্পিউটার : প্রফেসরস ও mp3
* বিজ্ঞান : mp3 , প্রফেসরস
* মেন্টাল এবিলিটি : mp3
* প্রশ্ন ব্যাংক : প্রফেসরস
* জব সলুশন : প্রফেসরস
* নতুন বিশ্ব প্রফেসরস
* ওরাকল Vocabulary with mnemonic
* পত্রিকা : প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার
গুরুত্বপুর্ণ তথ্য নোট করবেন ৷
অতিরিক্ত পড়বেন :
* লাল নীল দিপাবলী
* রক্তাক্ত প্রান্তর
* কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও ওয়াল্ড
* বাংলা সাহিত্য ( শমিত্র শেখর )
* রিটেন ও ভাইভার জন্য আরাে কিছু বই পড়তে হবে ৷
সর্বোপুরি আল্লাহর উপর ভরসা রেখে পড়াশুনা শুরু করেন , দৈনিক ৮ ঘন্টা করে পড়াশুনা করার চেষ্টা করবেন, বিসিএস কোচিং করার চেষ্টা করবেন, জীবনে সফল না হলে পৃথিবীতে কোন মূল্য নেই , ১ টা বছর পড়াশুনার জন্য উৎসর্গ করুন , তাহলে আজীবন সুখ ভোগ করতে পারবেন , নিজেকে পরিবর্তন করার জন্য এখনি সময় , যখন সময় চলে যাবে তখন আফসোস করবেন , কেউ তখন মূল্য দিবেনা , আজীবন কষ্টকরতে হবে , সময় ও জলস্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করেনা , ওকে সবার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি ৷
প্রায় ৩১ বছর আগে ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিলে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত সোভিয়েত ইউক্রেন এর চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পারমাণবিক চুল্লী বিস্ফোরিত হয়ে এক প্রলয়ংকারী দুর্ঘটনা ঘটে। ইতিহাসে এটি পরিচিত চেরনোবিল বিপর্যয় হিসেবে। চেরনোবিলের এই ঘটনাটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী পারমাণবিক বিপর্যয় বলা হয়ে থাকে। সেই বিপর্যয়ের মধ্যেই এমন আরো একটি দুর্ঘটনা ঘটবার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল যেটি মানবজাতির ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ প্রাণসংহারী ঘটনা হতে পারত। কিন্তু নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেটা রুখে দিয়েছিলেন তিন অসমসাহসী মানুষ। দ্য চেরনোবিল ডাইভারস নামে খ্যাত চেরনোবিলের সেই বীরদের স্মরণে আজকের লেখা।
শিল্পীর তুলিতে দ্য চেরনোবিল ডাইভারস
দুর্ঘটনাটি ঘটে যখন চেরনোবিল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অপারেটররা বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যাকআপ বন্ধ হয়ে গেলে সে অবস্থায় কীভাবে পারমাণবিক চুল্লী চালানো যায় তা পরীক্ষার জন্য একটি ‘স্ট্রেস টেস্ট’ করছিলেন তখন। স্ট্রেস টেস্ট মানে হল কোনো সিস্টেমের মধ্যে কৃত্রিম জরুরী অবস্থা তৈরি করে ভবিষ্যতের এমন পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবেলা করা হবে সেটা পরীক্ষা করা। পরীক্ষা শুরুর সময়ে কিছু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কিছুক্ষণের মধ্যেই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারটি পারমাণবিক চুল্লীর মধ্যে একটি চুল্লীতে অনিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়া শুরু হয় যার কারণে দুটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এখনও পর্যন্ত পৃথিবীতে দুটি পারমাণবিক দুর্ঘটনাকে সর্বোচ্চ মাত্রার বিপর্যয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর একটি ঘটেছে চেরনোবিলে, আরেকটি ঘটেছে ২০১১ সালে জাপানের ফুকুশিমা দাইচির পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে। চেরনোবিলের দুর্ঘটনার পরপরই এর পারমাণবিক তেজস্ক্রিয়তার ফলে মারা যায় ৫৬ জন যাদের মধ্যে ছিল ৯ জন শিশু। পরবর্তীতে আরও চার হাজার মানুষ এই তেজস্ক্রিয়তার কারণে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।
বিস্ফোরণের পর চেরনোবিল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সাদাকালো ছবিকে পরবর্তীতে রঙিন করা হয়েছে
চেরনোবিল বিপর্যয়ের ভয়াবহতা ছিল অত্যন্ত মারাত্মক। দুর্ঘটনার কারণে ছড়িয়ে পড়া তেজস্ক্রিয়তার সংস্পর্শে অন্তত ছয় লক্ষ মানুষ জীবনঝুঁকিতে রয়েছে আজও। কিন্তু এই দুর্ঘটনা আরও ভয়ঙ্কর ভাবে মানব ইতিহাসের মহাপ্রলয়ংকারী বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারত। কিন্তু সেটা হয় নি তিন জন দুঃসাহসী মানুষের দুর্লভ বীরত্বের কারণে।
চেরনোবিল দুর্ঘটনা ঘটবার পাঁচ দিন পর ১৯৮৬ সালের মে’র ১ তারিখে সোভিয়েত কর্মকর্তারা আবিস্কার করল এক ভয়াবহ তথ্য। যে পারমাণবিক চুল্লীটি বিস্ফোরিত হয়েছে সেটার কোর অর্থ্যাৎ মূল অংশটি তখনও উত্তাপে গলে চলছিল! সেই কোরের মধ্যে তখন ছিল ১৮৫ টন পারমাণবিক জ্বালানী এবং সেখানে তখনও পারমাণবিক বিক্রিয়া হচ্ছিল!
বিস্ফোরণের তিন দিন পরেও বেরিয়ে আসছে তেজস্ক্রিয় ধোঁয়া
এই ১৮৫ টন পারমাণবিক জ্বালানীর ঠিক নিচেই ছিল ৫ মিলিয়ন গ্যালন ধারণ ক্ষমতার একটি পুল অর্থ্যাৎ জলাশয়। সেই পুলের পানি ব্যবহৃত হত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শীতলীকরণে কাজে। তো সেই পুল আর বিস্ফোরিত চুল্লীর কোরের মধ্যে ছিল কেবলমাত্র একটা কনক্রিট স্ল্যাব, মানে জমাটবাঁধা পাথরের তৈরি ঢাকনা । যদিও স্ল্যাবটি যথেষ্ট মোটা ছিল, কিন্তু কোরটির ভেতরে তো ছিল পারমাণবিক জ্বালানী! আগুন নেভানোর জন্য অগ্নিনির্বাপন কর্মীরা প্রচুর পানি ব্যবহার করছিল আর সেই সাথে হেলিকপ্টার থেকে ফেলা হচ্ছিল বালি, কাদামাটি ও বোরন পাউডার। আগুন তৎক্ষণাৎ নেভানো যায় নি এবং এই পানি আর হেলিকপ্টার থেকে ফেলা দ্রব্যগুলো জমা হচ্ছিল চুল্লীর কোরের নিচের অংশে। এগুলো একসাথে মিশে আগ্নেয়গিরির লাভার মত এক ধরণের মিশ্রণ তৈরি করে এবং স্থানটি উত্তপ্ত থাকায় ধীরে ধীরে মিশ্রণটি স্ল্যাবের মধ্যে ছিদ্র তৈরি করে এর মধ্য দিয়ে যেতে থাকে। এভাবে স্ল্যাবটি গলে গিয়ে নিচের পানিতে কোরের পারমাণবিক জ্বালানী মিশিয়ে দেবে, এমন কিছুই ঘটতে যাচ্ছিল তখন।
চুল্লী থেকে বেরিয়ে আসছে লাভা
আর যদি গলতে থাকা কোরটি নিচের পানি স্পর্শ করতে পারে তাহলেই ঘটবে এক মহাবিস্ফোরণ। এই বিস্ফোরণের তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়বে গোটা ইউরোপের অধিকাংশ এলাকায়। চেরনোবিল বিপর্যয়ের পঞ্চম দিনে এসে এমন এক দুর্ঘটনার সম্ভাবনার তথ্য পাওয়া গেল যেটার কাছে প্রথম দিনের বিস্ফোরণ কিছুই নয়।
বিজ্ঞানীদের হিসেব মতে, যদি সেই জ্বালানী সহ গলিত কোর পানি স্পর্শ করত তাহলে বিস্ফোরণের কারণে সৃষ্ট উত্তাপে অন্য তিনটি চুল্লীর পারমাণবিক জ্বালানীও বাষ্পীভূত হত। তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ত অন্তত তিন কোটি মানুষের ব্যবহার্য পানিতে। স্কুল অব রাশিয়ান এন্ড এশিয়ান স্টাডি’র গবেষকদের মতে, এই মহাবিস্ফোরণের ফলে গোটা ইউরোপের কমপক্ষে অর্ধেক অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হত এবং ইউরোপ, ইউক্রেন ও রাশিয়ার অনেক অংশ অন্তত পাঁচ লক্ষ বছরের জন্য বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ত।
যাদুঘরে সংরক্ষিত বিস্ফোরিত পারমাণবিক চুল্লীর মডেল, মাঝখানে চুল্লীর ঢাকনাটি উড়ে গেছে বিস্ফোরণে
যাই হোক, ঐ সময় সেখান
বঙ্গবন্ধুর" বড় মেয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী "শেখ হাসিনার" একমাত্র মেয়ে "সায়মা ওয়াজেদ"(পুতুল)। তার স্বামী "খন্দকার মাশরুর হোসেন" (মিতু) বর্তমান সরকারের এলজিআরডি মন্ত্রী ফরিদপুর-৩ আসনের এমপি "ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের" ছেলে।
ফলে 'শেখ হাসিনা' ও 'ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ' সম্পর্কে বেয়াই-বেয়াইন। আবার 'পুতুলের' দাদা শ্বশুর 'খন্দকার নুরুল হোসেন' ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ফুফাতো ভাই। খন্দকার মোশাররফের ছোট ভাই খন্দকার মোহতাশিম হোসেন হলেন ফরিদপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান।
শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ননদের স্বামী হলেন সিরাজগঞ্জ-২ আসন থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি ডা. হাবিব মিল্লাত মুন্না।
আবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী প্রখ্যাত পরমাণু বিজ্ঞানী প্রয়াত ড. ওয়াজেদ মিয়ার বড় বোনের নাতনি হলেন আওয়ামী লীগ সরকারের হুইপ গাইবান্ধা-২ আসনের এমপি মাহবুব আরা গিনি।
বঙ্গবন্ধু পরিবারের আরেক আত্মীয় হলেন প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান। জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভী রহমান হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানার খালা শাশুড়ি। সে হিসেবে জিল্লুর রহমান হলেন শেখ হাসিনার তালই।
আবার জিল্লুর রহমান ও আইভী রহমানের সন্তান হলেন ভৈরব-কুলিয়ারচর আসনের আওয়ামী লীগদলীয় এমপি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট 'নাজমুল হাসান পাপন'।
বঙ্গবন্ধুর বোন আছিয়া বেগমের দুই ছেলে হলেন শেখ ফজলুল হক মণি ও শেখ ফজলুল করিম সেলিম। সম্পর্কে তারা শেখ হাসিনার আপন ফুফাতো ভাই।
যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মণি ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট ঘাতকদের হাতে শহীদ হন। তার ছেলে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস ঢাকা-১০ আসন-এর এমপি। বঙ্গবন্ধুর আরেক ভাগনে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সেলিম হলেন সাবেক মন্ত্রী ও গোপালগঞ্জ-২ আসনের এমপি।
শেখ সেলিমের বোনের স্বামী হলেন বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা ও এরশাদ সরকারের সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত নাজিউর রহমান মঞ্জুর। যিনি পরে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটে যোগ দেন।
মঞ্জুর সম্পর্কে শেখ হাসিনার ফুফাতো বোনের স্বামী। আবার মঞ্জুর দুই ছেলে বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ ও ড. আশিকুর রহমান শান্ত। বর্তমানে তারা বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয়। শেখ হাসিনা সম্পর্কে তাদের খালা।
বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই শেখ নাসের। তার ছেলে হলেন বাগেরহাট-১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি শেখ হেলাল। তার মেয়ের জামাই হলেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।
শেখ সেলিম ব্যারিস্টার পার্থের মামা ও শেখ হেলাল পার্থের শ্বশুর। আবার শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই শেখ মণি ও শেখ সেলিমের আরেক ছোট বোনের জামাই হলেন যুবলীগের বর্তমান সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী। আর শেখ সেলিমের ভায়রা হলেন আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী জামালপুর-১ আসনের এমপি আবুল কালাম আজাদ।
আবার শেখ সেলিমের ছেলে বিয়ে করেছেন বিএনপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর মেয়েকে।
ইকবাল হাসান টুকু ছাত্র জীবনে বঙ্গবন্ধুর জেষ্ঠ্য পুত্র শেখ কামালের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহপাঠি ছিলেন।
শেখ সেলিমের আরেক ছেলে বিয়ে করেছেন আলোচিত ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসেরের মেয়েকে। এই মুসা বিন শমসেরের ছেলে ববি হাজ্জাজ হলেন এরশাদের সাবেক মুখপাত্র ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা।
বঙ্গবন্ধুর বড় বোনের জামাই হলেন আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম আবদুর রব সেরনিয়াবাত। সেরনিয়াবাতের ছেলে হলেন জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ বরিশাল-১ আসনের আওয়ামী লীগদলীয় এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ।
শেখ হাসিনা ও হাসানাত আবদুল্লাহ পরস্পরের মামাতো-ফুফাতো ভাই-বোন। আবার হাসানাত আবদুল্লাহর ছোট বোনের দেবর হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ। তিনি সম্পর্কে শেখ হাসিনার বেয়াই।
আবার হাসানাত আবদুল্লাহর সম্পর্কে চাচাতো ভাই হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।
শেখ হাসিনার আরেক ফুফাতো ভাই হলেন মাদারীপুরের সাবেক এমপি প্রয়াত ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী। ইলিয়াস চৌধুরীর বড় ছেলে নূর-ই-আলম চৌধুরী (লিটন চৌধুরী) আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক হুইপ ও মাদারীপুর-১ আসনের এমপি।
ইলিয়াস চৌধুরীর ছোট ছেলে মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন চৌধুরী) ফরিদপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র এমপি। সে হিসেবে লিটন ও নিক্সন চৌধুরী সম্পর্কে শেখ হাসিনার ভাতিজা।
শেখ হাসিনার সম্পর্কে আরেক ফুফাতো ভাই হলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাদারীপুর-৩ আসনের এমপি বাহাউদ্দিন নাছিম।
শেখ হাসিনার চাচা সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লি. এর চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেনের বেয়াই হলেন বিএনপির দীর্ঘ সময়ের মহাসচিব এবং ওয়ান ইলেভেনের সংস্কারপন্থি শীর্ষ নেতা প্রয়াত আবদুল মান্নান ভূঁইয়া। মান্নান ভূঁইয়ার ছেলের সঙ্গে পারিবারিকভাবেই বিয়ে হয়েছে শেখ কবিরের মেয়ের। সে হিসেব
16/12/2016
পুরোটা পড়লে ভালো লাগবে
সাল ২০৮১,,,
অনেক বৃদ্ধ হয়ে গেছি, ঠিক মত
চোখে দেখি না, চাশমাটা চোখে
দিয়ে
নাতির রুমে গিয়ে দেখি নাতি
ফেসবুক চালাচ্ছে,
:
আমাকে বললো
দাদু তুমি লেপটপ দেখ আমার
একটা
কাজ
আছে ১ঘন্টা পর আসতেছি, :
নাতির ফেসবুক চালানো দেখে
আমারও
ফেসবুকে চালাতে ইচ্ছা করলো,
সেই কবে ফেসবুকে লগ ইন
করেছিলাম মনে নাই, অনেক
কষ্টে পাসওয়ার্ডটা
মনে করে ফেসবুকে লগ ইন
করলাম,
লগ ইন করেই দেখি আমার নাতির
বয়সী কয়েকজন রিকুয়েস্ট
পাঠাইছে,
আবার
মেছেজ ও দিছে, মেছেজে
লেখা,
আমি সেলিব্রেটি এক্সেপ্ট
প্লিজ,,,
আমি লাইকার এক্সেপ্ট প্লিজ,,,
এই রকম আরও অনেক কিছু,
ফ্রেন্ড লিস্ট
এ ডুকে দেখি ফ্রেন্ড ৪২০২টা,
এই ফ্রেন্ডগুলো এড করতে প্রায়
৬বছর লাগছে, আর এখন ৬দিনেই
নাতিরা ৫হাজার ফ্রেন্ড করে
ফেলে, দিন
অনেক বদলিইছে, ফ্রেন্ড লিস্ট এ এত
ফ্রেন্ড কিন্তু চ্যাটে ছিলো মাএ
৩৩জন,
গিয়ে দেখি একটাও পরিচিত না,
তারপর ফ্রেন্ড লিস্ট এ ডুকালাম
:
আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড এর
আইডিতে ডুকে
দেখলাম অনেক দিন হলো লগ ইন
করে না, ব্যস্ততার জন্য আমি
তার খোজ খবর নেইনি, অই ও চেষ্টা
করেনি,
খবরনিয়ে যানতে পারলাম অনেক
আগেই
মারা গেছে, কিন্তু স্বযত্নে পরে
আছে তার ফেসবুক আইডি,
:
আমার যে বন্ধুটি সব সময়
লাইক
কমেন্টস নিয়ে ব্যস্ত থাকতো,
তার
লাস্ট স্ট্যাটাসে দেখি ৪হাজার
লাইক, অনেক বছর হলো সড়ক
দুর্ঘটনায়
বন্ধুটি
মারা গেছে, আইডিতে তার
ছিবিটা
দেখে তার রক্তাক্ত শরীলের
দৃশ্য
চোখে ভেসে উঠলো,
:
যে বন্ধুটি পেইজ নিয়ে বেস্ত
থাকতো,
আজ তার পেইজ পরে আছে,
কিন্তু সে
নেই, ব্লাড ক্যান্সারে অনেক
অগেই
মারা
গেছে,
:
যে বন্ধুটি দিন রাত ২৪ঘন্টা
ফেসবুক চালাতো, আজ সে
ফেসবুকেই আসতে
পারে
না, কারন সে প্যারালাইজড,
ফ্রেন্ড
লিস্ট এ এখনও আইডিটা চকমক
করছে, :
ফেসবুকের জনপ্রিয় লেখক ছিলো
যে
বন্ধুটি, তার লাস্ট স্ট্যাটাসে
এখনো
ভালো ভালো কমেন্টস পরতেছে,
কিন্তু সে কোন রিপ্লাই করতে
পারছে না,
কারন সে আর নেই,,,
:
যেসব বান্ধবীদের সারাদিন
জ্বালাতাম, আজ তারা আমার
মত
নাতি- নাতনী নিয়ে বেস্ত,
ফেসবুকে
আসার
সময়ই পাই না,
:
আরও চেনা অচেনা অনেকের
আইডি
নষ্ট হয়ে গেছে,
:
অনেকেই আমার মত বৃদ্ধ হয়ে
গেছে,
তাই
ফেসবুকে আসে না,
: জানা অজানা অনেকেই মারা
গেছে,
কিন্তু পরে আছে তাদের প্রিয়
ফেসবুক
আইডি,
: বন্ধুদের সাথে চ্যাট করা
মেছেজ
গুলো
দেখেই শব্দ করে হেসে উঠলাম,
যখন
মনে হলো তারা আর এই
পৃথিবীতে
নেই, মুহুর্তেই গা শিউরে উঠে
চোখের
জলে
দাড়ি ভিজে গেলো,
লেখাটি অবশ্যই পড়বেন ।শেয়ার করে হয়তো আপনিও
কারো জীবন বাঁচাতে পারবেন।
STROKE (স্ট্রোক): মনে রাখুন শব্দটির প্রথম
৩টি অক্ষরঃ S, T এবং R.
আমরা সবাই-ই যদি এই ছোট্ট সাধারণ
সণাক্তকরণ উপায়টা শিখে ফেলি, তবে
হয়তো আমরা স্ট্রোকের ভয়ংকর
অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের
প্রিয়জনদের রক্ষা করতে পারবো।
একটি সত্যি গল্পঃ
একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন
ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে
গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন,
সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে
তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায়
তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন
এম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি
তাতে রাজি হলেন না।
সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে
তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার
নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন
তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন।
অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি
উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে
ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে
জানালেন, তাকে হাসপাতালে
নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার
সময় তিনি মারা গেলেন।
মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো, তিনি
অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক
করেছিলেন। সেখানে যদি কেউ
জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত
করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা
আজও বেঁচে থাকতেন।
সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের
ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন,
ভরসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটা
মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।
একজন মস্তিষ্কবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি
একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে
স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে
হাসপাতালে নেয়া যায়, তবে তাকে
সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া
সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে
কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং
কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের
মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।
স্ট্রোককে চিনুন...
সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R...পড়ুন এবং
জানুন!
মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত
করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের
অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে
যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার
রোগীর মস্তিষ্কে যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি
হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো
প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না,
কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের
মানুষের জীবনে।
সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়,
সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ
S – Smile রোগীকে হাসতে বলুন।
T – Talk রোগীকে আপনার সাথে
সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন।
উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।
R – Raise hands. রোগীকে একসাথে
দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।
এর কোনো একটিতে যদি রোগীর
সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না
করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন।
(রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার
সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)
সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে,
রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে।
যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা
যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে
চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ।
তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে
যান।
একজন খ্যাতনামা হৃদবিশেষজ্ঞ
বলেছেন, যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ
ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে
আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে
পারবো।
সুতরাং, আপনি শিখলেন, আপনার বন্ধু ও
প্রিয়জনদেরও শেখান !!!!!
কলেজ চয়েসঃ
''২০১৫-১৬ বর্ষে ভর্তি প্রক্রিয়ায় কলেজ চয়েস খুবই গুরুত্বপূর্ন।''
আগে জিপিএ পয়েন্ট একটু কম থাকলেও নামিদামি কলেজে আবেদন করা হতো এই ধারনায় যে- এম.সি.কিউ পরীক্ষায় একটু ভালো নাম্বার পেলে চান্স পাওয়া সম্ভব।চেষ্টা করলে সম্ভব ছিলো।তখন ৫০% ছিলো কর্তৃপক্ষের সিস্টেমের হাতে আর ৫০% ছিলো নিজের হাতে।কিন্তু এবার ভর্তি পরীক্ষা না হওয়ায় আপনাদের হাতে কিছুই নেই।অনেকেরই ভালো কলেজে পড়ার স্বপ্ন পূরন হবে না এটাই বাস্তব সত্য।জিপিএ খারাপ মানেই সে ছাত্র খারাপ এমনটা নয়।আবার ১ঘন্টার পরীক্ষায় মেধা যাচাই হয় না কথা টা ভুল।যে পড়ালেখা করছে সে ১ঘন্টা ঠিকই কাজে লাগাতে পারে।ব্যতিক্রম কিছুটা হয়।তবে তার সংখ্যা খুবই কম। আমি আমার জায়গা থেকে এই ভর্তি প্রক্রিয়ার বিপক্ষে।এরকম একটা লেভেলে এভাবে ভর্তি করানো শুধুই বোকামি।ও বাচ্চামি।
যাই হোক, মূল কথায় আসি।আমি শুধু দিক-নির্দেশনা দিতে পারবো আমার জায়গা থেকে বা থিংকিং থেকে।বাকিটা আপনার উপর।আপনি আপনার জন্য যেটা ভালো মনে করবেন সেটাই করবেন। হু আই এম?? লাইফ ইজ ইওরস,চয়েস ইজ ইওরস। smile emoticon
১. এমন কোন কলেজ চয়েস দিবেন না যেখান থেকে আপনার দূরুত্ব অনেক।প্রতিদিন আসা যাওয়া করা সম্ভব হবে না।তারথেকে কাছের কোন কলেজে আবেদন করুন। (মেয়েদের জন্য)।আপনার দ্বারা সম্ভব হলে দূরেরটাতেই করবেন।
২. যাদের জিপিএ ৮.০০-১০.০০ এর ভেতরে তারা বিভাগীয় নামিদামি কলেজে আবেদন করতে পারেন চান্স পাওয়ার আশায়।যেমনঃ ঢাকা কলেজ,তিতুমীর কলেজ,ইডেন কলেজ,রাজশাহী কলেজ,বি.এম কলেজ,বি.এল কলেজ,এম.সি কলেজ,কার্মাইকেল কলেজ ইত্যাদি।এগুলো কলেজে সবাই ই ভর্তি হতে চায়।আসনের তুলনায় আবেদন করবে অনেক।চাপ থাকবে বেশি।যাদের পয়েন্ট ৭.৫০ তারা এধরনের সরকারি কলেজে চান্স পাওয়ার আশা না করাটাই ভালো।আবেদন করুন।চান্স হলে হলো না হলে নাই।রিলিজ স্লিপ নিয়ে অর্ধসরকারী কলেজে আবেদন করতে পারবেন।
৩. যাদের পয়েন্ট একটু কম ৭.০০- ৮.০০ তারা অন্যান্য সরকারি কলেজে আবেদন করুন।এবার আর জিদ করে লাভ হবে না।আপনি চাইলেই নামিদামি কলেজে পড়তে পারবেন না।কারন আপনার হাতে কিছু নেই।তাই পরিস্থিতি মেনে নিয়ে একটু নরমাল কলেজে আবেদন করুন।যদি চান্স পেতে চান।যাদের পয়েন্ট ৮.৫০ এর ভেতরে তারাও রিস্কে আছেন।নামিদামি কলেজে নাও হতে পারে।চাইলে একটু সাধারন কলেজে আবেদন করতে পারেন।
৪. যারা ৬:০০-৭:০০ পয়েন্টের ভেতর তারা শুধুমাত্র একটা ভাগ্য পরীক্ষা করতে পারেন।সাধারন সরকারী কলেজে (নামিদামি নয়) আবেদন করতে পারেন।যে কোন একটা সাবজেক্টে হয়ে গেলে সেটা আপনার গুড লাক।
৫. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় রেজাল্ট প্রকাশ করে-- ক) প্রথম মেরিট লিষ্ট। খ) দ্বিতীয় মেরিট লিষ্ট। গ) রিলিজ স্লিপ ঘ) রিলিজ স্লিপ-২ (আসন খালি থাকা সাপেক্ষে)
এই কয়েকটি ধাপে।এটা বলাই যায় সরকারি কলেজে আবেদন করলেন,চান্স পেলেন না,তারমানে এখানেই শেষ নয়।আপনার জন্য আরো সুযোগ আছে কোথাও ভর্তি হওয়ার।তবে সেটা বেসরকারী কলেজে।১ম ও ২য় মেরিটে ভর্তির পর সকল সরকারি কলেজের আসন পূর্ণ হয়ে যায়।তাই রিলিজ স্লিপ দেওয়া হয় অর্ধসরকারি/বেসরকারি কলেজে আবেদনের জন্য।সেখানে আপনি ৩ থেকে ৫ টি কলেজে আবেদনের সুযোগ পাবেন।
তাই আপনি যদি একটু রিস্ক নিতে চান বা ভাগ্য পরীক্ষা করতে চান তাহলে পয়েন্ট যতই কম থাকুক না কেনো প্রথম আবেদন টা সরকারি কলেজেই করতে পারেন।হলে হলো না হলে রিলিজস্লিপ।
আর যদি একদমই রিস্ক নিতে না চান তাহলে প্রথম আবেদন টা সরাসরি বেসরকারি কলেজেই করতে পারেনন।এর দ্বারা আপনি ১ম মেরিটেই চান্স পাবেন এটা মোটামুটি আশা করা যায়।এবং ভালো সাবজেক্ট ও পেতে পারেন।কারন সবাই ঝুকবে সরকারি কলেজের দিকে।যেগুলো সরকারি নয় সেগুলোতে চাপ কম থাকবে
আর রিলিজস্লিপ মানেই চান্স পেয়ে যাওয়া নয়।সেখানেও ডিপেন্ট করবে আপনার জিপিএ ও কলেজের আসন সংখ্যা।আসন যদি ১০০টা হয় আর আপনার থেকে যদি অন্য ১০০জনের জিপিএ বেশি থাকে সেক্ষেত্রে আপনি চান্স পাবেন না।অন্যরাই পাবে।
এখানে আরো একটি ব্যাপার আছে।শুধু ভর্তি হলেই হবে না।আপনাকে স্বামর্থের বিষয়টাও দেখতে হবে।একটা বেসরকারি কলেজে চান্স পেলেন, কিন্তু ভর্তি হতে পারলেন না সেটা দুঃখজনক।
(i) সরকারি কলেজ- এখানে চান্স পেলে ভর্তি ফি ৩০০০-৫০০০টাকার ভেতর।মাসিক বেতন নাই বললেই চলে।
(ii) অর্ধসরকারি কলেজ- এখানে চান্স পেলে ভর্তি ফি ৮০০০-১৫০০০টাকা।মাসিক বেতন ১০০০-১৫০০টাকা।যেমনঃ তেঁজগাও কলেজ,মিরপুর কলেজ,বোরহানউদ্দ
িন কলেজ।
(iii) সম্পূর্ন বেসরকারি কলেজ- এখানে চান্স পেলে ভর্তি ফি ২০০০০-৩০০০০টাকা।মাসিক বেতন ১৫০০-২০০০টাকা।যেমনঃ ঢাকা সিটি কলেজ,ঢাকা কমার্স কলেজ।
এখন আপনি সবকিছু চিন্তা ভাবনা করে আবেদন করুন।আপনার হাতে ২৫দিন সময় আছে আবেদন করার।খোজ খবর নিন সবকিছুর।তারপর নিজের জন্য যেটা ভালো হবে সেটাই করুন।আমি শুধু ধারনা দিলাম নিজের মত করে।সবকিছুর যাচাইবাছাই করার দায়িত্ব আপনার। BEST OF LUCK
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Dhaka
1206