22/05/2024
ঠিক আছে কি?
বাংলা শুদ্ধ বানান চর্চায় উৎসাহিত করাই এ পেজের মূল লক্ষ্য।
আজকাল যত্রতত্র বাংলা বানান ভুল লেখা হচ্ছে। আর আমরা ভুল বানান দেখতে দেখতে মনে করছি ভুলগুলোই শুদ্ধ। তাই বাংলা শুদ্ধ বানান চর্চায় উৎসাহিত করাই এ পেজের মূল লক্ষ্য।
22/05/2024
ঠিক আছে কি?
17/08/2023
বুধবার (১৫ আগস্ট) শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা স্বাক্ষরিত প্রেস রিলিজটিতে এ ভুল চোখে পড়ে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ‘শিক্ষকমণ্ডলী’-এর পরিবর্তে ‘শিক্ষক মন্ডলী’,
‘শিক্ষক সমিতি’-এর পরিবর্তে ‘শিক্ষকসমিতি’,
‘কালরাত্রি’-এর পরিবর্তে ‘কালরত্রী’,
দুবার ‘হত্যাকাণ্ড’-এর পরিবর্তে ‘হত্যাকান্ড’,
‘হিসেবে’-এর পরিবর্তে ‘হিসাবে’, ‘
যুদ্ধাপরাধী’-এর পরিবর্তে ‘যুদ্ধপরাধী’,
‘জাতির পিতা’-এর পরিবর্তে ‘জতির পিতা’,
‘অধ্যাদেশের’-এর পরিবর্তে ‘অধ্যাদেশেরে’, ‘
রাশেদ চৌধুরীসহ অন্যরা’-এর পরিবর্তে ‘রাশেদ চৌধুরীসহ ও অন্যান্যরা’,
‘বৈশ্বিক’-এর পরিবর্তে ‘বৈশিক’,
‘পুনর্বাসন’-এর পরিবর্তে ‘পূর্নবাসন’,
‘শোক দিবস’-এর পরিবর্তে ‘শোকদিবস’,
‘ঘণ্টাব্যাপী’-এর পরিবর্তে ‘ঘন্টা ব্যাপী’,
‘বিভিন্ন ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক ও সমাজতাত্ত্বিক কারণ’-এর পরিবর্তে ‘বিভিন্ন ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক ও সমাজতাত্বিক কারণসমূহ’,
‘শ্রেণি’-এর পরিবর্তে ‘শ্রেণী’,
‘দাবি’-এর পরিবর্তে ‘দাবী’,
‘প্রচারণা’-এর পরিবর্তে ‘প্রচারনা’,
‘বিচারপ্রক্রিয়া’-এর পরিবর্তে ‘বিচার প্রক্রিয়া’,
‘বিশ্ববিদ্যালয়সহ’-এর পরিবর্তে ‘বিশ্ববিদ্যালয় সহ’,
‘সরকারবিরোধী’-এর পরিবর্তে ‘সরকার বিরোধী’,
‘বাংলাদেশবিরোধী’-এর পরিবর্তে ‘বাংলাদেশ বিরোধী’ লেখা হয়েছে।
(সূত্র: আরটিভি নিউজ)
17/08/2023
‘দেওয়া’, না-কি ‘দেয়া’?
ক্রিয়া হিসেবে ‘দেওয়া’ ও ‘দেয়া’ দুটো বানানেরই ব্যবহার দেখা যায়। কিন্তু এর মধ্যে একটির ব্যবহার সঠিক, অপরটির ব্যবহার ভুল।
চলুন, সঠিক ব্যবহারটি শিখি:
নিয়ম: বাংলা ক্রিয়াপদের গঠনশৈলী অনুযায়ী, ধাতুর শেষে এ-কার বা আ-কার থাকলে এবং তারপরে ‘আ’ যুক্ত হলে তাদের মাঝে একটি ‘ও’ বসাতে হবে। এ পদ্ধতির ব্যাকরণিক নাম হচ্ছে ‘ব-শ্রুতি’।
বিশ্লেষণ:
১. দে + আ = দেওয়া।
এই ক্রিয়াটির ক্ষেত্রে ধাতু হলো ‘দে’ (দ্ + এ); এর শেষে একটি এ-কার আছে। সুতরাং এই ‘দে’ এবং ‘আ’-এর মাঝখানে একটি ‘ও’ বসবে।
অর্থাৎ ব্যাপারটি এমন: দে (ও) আ= দেওয়া (‘দেয়া’ নয়)।
২. যা + আ = যাওয়া।
এই ক্রিয়াটির ক্ষেত্রে ধাতু হলো ‘যা’ (য্ + আ); এর শেষে একটি আ-কার আছে। সুতরাং এই ‘যা’ এবং ‘আ’-এর মাঝখানে একটি ‘ও’ বসবে।
অর্থাৎ ব্যাপারটি এমন: যা (ও) আ = যাওয়া (‘যায়া’ নয়)।
আরও উদাহরণ: নেওয়া (‘নেয়া’ নয়), খাওয়া (‘খায়া’ নয়)।
নোট : ‘দেয়া’ বানানেও বাংলায় একটি স্বতন্ত্র শব্দ রয়েছে। এর অর্থ- মেঘ, জলধি বা আকাশ, গগন।
"পাশ ও পাস শব্দের সঠিক ব্যবহার"
চলুন আগে এই শব্দ দুটির সঠিক ব্যবহার নিয়ে একটি কবিতা শুনি, তারপরেও কারও বুঝতে সমস্যা হলে নিচে বিস্তারিত বলা আছে পড়ে নিন।
পাশে পাসেও ভিন্ন নাকি!
খুকুমণি পাস করেছে
আমরা লিখি পাশ,
পাশে পাসেও ভিন্ন নাকি
একই সর্বানাশ!
পাশ মানে তো ধার, কিনারা;
প্রান্ত এবং দিক,
পাস মানে তো সফল হওয়া
পাস করেছ ঠিক।
পাশ দিয়ে সে চলে গেল
মন করেছে ভার,
এ বছরেও আর হলো না
পাস করাটা তার।
পাশে পাসে ভিন্ন শিখে
করব এবার পাস,
তা না হলে বিদ্যা ছেড়ে
কাটতে হবে ঘাস।
আমরা অনেকেই ‘পাশ’ আর ‘পাস’ এর সঠিক অর্থ না জেনে ‘পাস’ এর জায়গায় ‘পাশ’ লিখে থাকি। যেমন: ‘রোকেয়া গত বছর এসএসসিতে পাশ করেছে।’ এটা সম্পূর্ণ ভুল। শুদ্ধরূপ হলো, ‘রোকেয়া গত বছর এসএসসিতে পাস করেছে।’ অথবা ‘ছেলেটি বিএ পাস করেছে।’
চলুন ‘পাশ’ ও ‘পাস’ এর অর্থ জেনে নিই...
পাশ:
ইংলিশে Side বুঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন: পার্শ্ব, দিক, প্রান্ত, ধার, কিনারা, সামিপ্য, নিকট, পক্ষ, পার্শ্বদেশ, ইত্যাদি।
পাস:
ইংলিশে Pass বা promoted বুঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন: সফল, কৃতকার্য, পরীক্ষায় সাফল্য লাভ, উত্তীর্ণ হওয়া।
-সংগৃহীত।
একটি সহজ নিয়ম জেনে নিন:
কোথায় স্থ (স +থ) লিখবেন,
আর কোথায় লিখবেন স্ত (স+ত) ?
বাংলা ভাষার অনেক শব্দ আছে যেখানে যুক্তবর্ণ
স্থ কিংবা স্ত ব্যবহৃত হয়।
কিন্তু আমরা অনেক সহজ বানান লিখতেও দ্বিধায় পড়ে যাই যে `স্থ ' হবে নাকি `স্ত' হবে।
যদি একটি সহজ নিয়ম মনে রাখতে পারেন তাহলে কোথায় ‘স্থ’ কিংবা কোথায় ‘স্ত’ লিখতে হবে তা নিয়ে কখনও আর দ্বিধায় পড়বেন
না।
* যে শব্দটি লিখতে চাচ্ছেন সে
শব্দটি থেকে স্ত কিংবা স্থ কে আলাদা
করলে যদি শব্দটির প্রথম অংশ
পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করে তাহলে লিখতে হবে
স্থ (স+থ) । যেমন : মুখস্থ শব্দটি থেকে যদি ‘স্থ’ আলাদা করা হয় তাহলে
মুখ পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করে। তাই লিখতে হবে স্থ।
* আর যদি যুক্ত বর্ণ আলাদা করলে কোনো অর্থ প্রকাশ না
করে তাহলে লিখতে হবে স্ত ( স+ত)।
যেমন : ঋণগ্রস্ত । শব্দটি থেকে যদি ‘স্ত ’ আলাদা করা হয় তবে শব্দটি দাঁড়ায় ‘ঋণগ্র’ যা কোনো পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করে না।
তাই এখানে লিখতে হবে স্ত ( স+ত)।
এবার নিজেকে যাচাই করে নিন: অভাবগ্রস্ত, গৃহস্থ,
ঢাকাস্থ, ঠোটস্থ, মস্ত, হস্ত, ব্যস্ত ইত্যাদি।
‘বিশ্বস্ত’ ও ‘সমস্ত’ শব্দ দুটির ‘স্ত’ বাদ দিলে অর্থ পাওয়া যাচ্ছে (বিশ্ব, সম)। তাহলে প্রশ্ন থেকে যায় ‘বিশ্বস্থ’ ও ‘সমস্থ’ কেন হবে না?
আসলে, উপরে দেয়া সূত্র বলেন বা টেকনিক সকল ক্ষেত্রে সুফল না-ও দিতে পারে। তাই ব্যাপারটিকে অন্যভাবে চিন্তা করা যাক। এখানে মনে রাখা উচিত - ‘স্থ’ শব্দাংশটি এসেছে ‘স্থা’ ধাতু থেকে, যার অর্থ ‘থাকা’। অর্থাৎ ‘থাকা’ অর্থে সব সময় ‘স্থ’ যুক্ত করতে হবে
যেমন: কণ্ঠে যা থাকে, তা-ই কণ্ঠস্থ। গৃহে যা থাকে, তা-ই গৃহস্থ। সু (ভালো) যে থাকে, সে-ই সুস্থ।
আর থাকা অর্থে ব্যবহৃত না হলেই ‘স্ত’।
যেমন: বিশ্বস্ত। এখানে ‘স্ত’ বাদ দিলে থাকে বিশ্ব। বিশ্বস্ত বলতে তো আর বিশ্বে থাকা বোঝায় না। অর্থাৎ এখানে ‘স্থ’ হবে না; ‘স্ত’-ই সঠিক। সে কারণেই এটি ‘বিশ্বস্ত’ (‘বিশ্বস্থ’ নয়)।
একইভাবে ‘সমস্ত’ বলতে ‘সম (সমান) থাকা’ বোঝায় না।
তাই এখানে ‘স্থ’ হবে না; ‘স্ত’-ই হবে।
ধন্যবাদ।
14/10/2021
ঢাবির নোটিশ ভুলে ভরা, ফেসবুকে ভাইরাল ।
(collected)
একটি সহজ নিয়ম জেনে নিন:
কোথায় স্থ (স +থ) লিখবেন,
আর কোথায় লিখবেন স্ত (স+ত) ?
বাংলা ভাষার অনেক শব্দ আছে যেখানে যুক্তবর্ণ
স্থ কিংবা স্ত ব্যবহৃত হয়।
কিন্তু আমরা অনেক সহজ বানান লিখতেও দ্বিধায় পড়ে যাই যে `স্থ ' হবে নাকি `স্ত' হবে।
যদি একটি সহজ নিয়ম মনে রাখতে পারেন তাহলে কোথায় ‘স্থ’ কিংবা কোথায় ‘স্ত’ লিখতে হবে তা নিয়ে কখনও আর দ্বিধায় পড়বেন
না।
* যে শব্দটি লিখতে চাচ্ছেন সে
শব্দটি থেকে স্ত কিংবা স্থ কে আলাদা
করলে যদি শব্দটির প্রথম অংশ
পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করে তাহলে লিখতে হবে
স্থ (স+থ) । যেমন : মুখস্থ শব্দটি থেকে যদি ‘স্থ’ আলাদা করা হয় তাহলে
মুখ পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করে। তাই লিখতে হবে স্থ।
* আর যদি যুক্ত বর্ণ আলাদা করলে কোনো অর্থ প্রকাশ না
করে তাহলে লিখতে হবে স্ত ( স+ত)।
যেমন : ঋণগ্রস্ত । শব্দটি থেকে যদি ‘স্ত ’ আলাদা করা হয় তবে শব্দটি দাঁড়ায় ‘ঋণগ্র’ যা কোনো পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করে না।
তাই এখানে লিখতে হবে স্ত ( স+ত)।
এবার নিজেকে যাচাই করে নিন: অভাবগ্রস্ত, গৃহস্থ,
ঢাকাস্থ, ঠোটস্থ, মস্ত, হস্ত, ব্যস্ত ইত্যাদি।
হাঁটার মতো হাঁটলে হেঁটেই কমে ওজন।
প্রতিদিন সকালে হাঁটাহাঁটি করুন।
#বাংলা_শুদ্ধ_বানান_চর্চা
-করণ, -কারক, কারী, -কালীন ,-গণ, গুলি/-গুলো, -জীবী, -জনিত, -জনক, -দায়ক, -পত্র, -পূর্বক, -ব্যাপী, -বাচক, -বাসী, -ভাবে, -ভিত্তিক, -মূলক, -সহ, -সমূহ, -হীন
সবসময় একসাথে ব্যবহার হবে।
যেমন: বর্ধিতকরণ, শীতকালীন, চাকুরিজীবী, জাতিরজনক, বেদনাদায়ক, অনুগ্রহপূর্বক, ব্যক্তিবাচক, বিষয়ভিত্তিক, গঠনমূলক, ভূমিহীন ইত্যাদি।