Job/Career Tips & Preparation

Job/Career Tips & Preparation

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Job/Career Tips & Preparation, Education, Dhaka.

17/09/2025

#নিবন্ধন #আপডেট!
এনটিআরসির কর্তৃপক্ষের গতকালকের মিটিং এর সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের ইচ্ছা, শিক্ষক নিয়োগে নিবন্ধনে একত্রে ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এবং ২০ নম্বরের ভাইভা পরীক্ষা নেওয়ার! যেখানে প্রিলিমিনারি ২০০ মার্কের মধ্যে ( ১০০ জেনারেল এবং ১০০ সাব্জেক্টিভ ) মার্কের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এর পরেই ২০ মার্কের ভাইভা। আর, এবার থেকে সার্কুলারে আবেদন করে পাশ করতে পারলেই নিশ্চিত সরাসরি চাকরি হবে, কোন গণবিজ্ঞপ্তির ঝামেলা থাকবে না।

17/09/2025

#যমজ #বাচ্চার ধরণ, ঝুঁকি ও করণীয় 🤱
👶 ১. দুটি থলি ও দুটি প্লাসেন্টা
✅ সুবিধা: সবচেয়ে নিরাপদ ধরণ, ঝুঁকি তুলনামূলক কম।
⚠️ অসুবিধা: আলাদা থলি হলেও প্রিম্যাচিউর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
🔎 করণীয়: নিয়মিত চেকআপ ও আল্ট্রাসাউন্ড করলে সাধারণত কোনো সমস্যা ছাড়াই সুস্থভাবে প্রসব সম্ভব।

👶 ২. একটি থলি ও একটি প্লাসেন্টা
🌟 সুবিধা: বাচ্চারা একেবারে কাছাকাছি থাকে।
❌ অসুবিধা: সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ধরণ। নাভি জড়িয়ে যাওয়া বা খাবারের ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
🩺 করণীয়: ঘন ঘন ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে, অনেক সময় হাসপাতালে ভর্তি থেকে পর্যবেক্ষণ দরকার হয়।

👶 ৩. দুটি থলি কিন্তু একটি প্লাসেন্টা
🌿 সুবিধা: বাচ্চারা আলাদা থলিতে নিরাপদে থাকে।
⚡ অসুবিধা: প্লাসেন্টা এক হওয়ায় খাবার বণ্টনে সমস্যা হতে পারে।
📅 করণীয়: ডাক্তারের নিয়মিত নজরদারি ও গ্রোথ স্ক্যান করা জরুরি।

👶 ৪. দুটি থলি ও দুটি প্লাসেন্টা (একসাথে যুক্ত)
👍 সুবিধা: আলাদা উৎস থাকায় বাচ্চারা স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে।
🔻 অসুবিধা: প্লাসেন্টা জোড়া লাগায় ডেলিভারির সময় কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে।
#করণীয়: শেষের দিকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে এবং প্রসবের সময় অভিজ্ঞ ডাক্তারের অধীনে থাকতে হবে

27/07/2025

10 you can’t ignore!

1. ChatGPT.com – solves anything
2. RecCloud.com – converts speech to text
3. MidJourney.com – generates art
4. Replit.com – writes and runs code
5. Synthesia.ai – creates AI videos
6. Soundraw.io – produces music in seconds
7. Fliki.ai – turns text into TikToks
8. Starry.ai – creates AI avatars
9. SlidesAI.io – makes presentations for you
10. PicWish.com– edits photos fast

13/05/2025

গুগল ম্যাপে N1, N2, N8 এই ধরনের কোড দেখেছি বা শুনেছি। কিন্তু অনেকেই জানি না—এগুলো দ্বারা আসলে কী বোঝায়।

গুগল ম্যাপে লোকেশন সার্চ করে Direction বাটনে চাপ দিয়ে Start বাটনে চাপ দেওয়ার পরেই বিশেষ করে হাইওয়ে দেখানোর সময় N1, N2, N8 ধরনের কোড দেখতে পাই।

এই কোডগুলো আমাদের দেশের (বাংলাদেশ) জাতীয় মহাসড়কগুলোর (National Highways) জন্য নির্ধারিত সংক্ষিপ্ত রূপ। প্রতিটি মহাসড়কের একটি নির্দিষ্ট কোড নম্বর রয়েছে, যা দিয়ে সহজেই বোঝা যায়, কোন রুটটি কোন দিক বা কোন জেলার সাথে যুক্ত।

চলুন এক নজরে দেখে নিই আমাদের দেশের ৮টি জাতীয় মহাসড়ক ও তাদের কোড:

N1 : ঢাকা → চট্টগ্রাম → কক্সবাজার → টেকনাফ

N2 : ঢাকা → সিলেট → তামাবিল

N3 : ঢাকা → গাজীপুর → ময়মনসিংহ

N4 : ঢাকা → টাঙ্গাইল → জামালপুর

N5 : ঢাকা → আরিচা → রংপুর → বাংলাবান্ধা

N6 : ঢাকা → রাজশাহী → চাপাইনবাবগঞ্জ

N7 : দৌলতদিয়া → খুলনা → মোংলা

N8 : ঢাকা → ভাঙ্গা → বরিশাল → পটুয়াখালী

এভাবে এই নাম্বারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে মহাসড়কগুলোকে চিহ্নিত করা সহজ হয়। পথচলা হয় নিরাপদ ও সুবিধাজনক।


17/04/2025

নিচে ৫০টি #ফ্রি AI #টুলের তালিকা বাংলা সিরিয়াল নাম্বারসহ দেওয়া হলো, যেগুলো আপনার কাজকে ১০ গুণ দ্রুত করতে সাহায্য করবে —

১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।
৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।
৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।
৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।
৬. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
৭. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।
৮. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।
৯. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে।
১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।
১১. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।
১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।
১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।
১৪. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।
১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।
১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।
১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।
১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।
২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।
২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।
২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।
২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।
২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।
২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।
২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।
২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।
২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।
২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।
৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।
৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।
৩২. AI Dungeon – ইন্টার‍্যাকটিভ গল্প বানায়।
৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।
৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।
৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।
৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।
৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়।
৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে।
৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে।
৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়।
৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে।
৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে।
৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য।
৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে।
৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে।
৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়।
৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে।
৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে।
৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।

এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি সময় এবং খরচও বাঁচাতে পারবেন।

এই রকম আরো ভাল ভাল পোষ্ট পেতে আমাদের পেজে লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করতে ভুলবেন নাহ।

21/08/2024

চল আন্দোলন করি 😁
#কোটা

15/12/2023

কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকদের #বেতন ও সুযোগ সুবিধা #শিক্ষকনিবন্ধন
নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

NTRCA - Non-Government Teachers Registration & Certification Authority

🎯১. লেকচারারঃ কলেজ (নবম গ্রেড)

• মূল বেতনঃ ২২,০০০/=
• বাড়ি ভাড়াঃ ১,০০০/=
• চিকিৎসা ভাতাঃ ৫০০/=
সর্বমোটঃ ২৩,৫০০/=✅

🗣️১০ বছর পরে অ্যাসিসটেন্ট প্রফেসর হলে
• মূল বেতন ৩৫,০০০/=
• বাড়িভাড়া ১০০০/=
• চিকিৎসা ভাতা ৫০০/=
সর্বমোট ৩৬,৫০০/=✅

🗣️প্রিন্সিপাল হলে
• বেতন ৫০,০০০/=
• বাড়িভাড়াঃ ১,০০০/=
• চিকিৎসা ভাতাঃ ৫০০/=
সর্বমোটঃ ৫১,৫০০/= ✅

🎯২. সহকারী শিক্ষকঃ স্কুল (এগারো গ্রেড)

• মূল বেতনঃ ১২,৫০০/=
• বাড়ি ভাড়াঃ ১,০০০/=
• চিকিৎসা ভাতাঃ ৫০০/=
সর্বমোটঃ ১৪,০০০/=✅

🗣️যদি বিএড ডিগ্রি থাকে তাহলে দশম গ্রেড হবে তার, তখন বেতন হবে -
• মূল বেতন ১৬,০০০/=
• বাড়ি ভাড়াঃ ১,০০০/=
• চিকিৎসা ভাতাঃ ৫০০/=
সর্বমোটঃ ১৭,৫০০/=✅

🗣️নোটঃ শুরুর দিকে বিএড করার জন্য ৫ বছর সময় দেয়। এবং ১০ বছর দশম গ্রেডে চাকুরি করার পর সিনিয়র শিক্ষকে উন্নিত হবেন (নবম গ্রেড)। তখন বেতন পাবেন সর্বোমোটঃ ২৩,৫০০/=✅

🎯৩. জুনিয়র শিক্ষকঃ স্কুল-২ (ষোল গ্রেড)

• মূল বেতনঃ ৯,৩০০/=
• বাড়ি ভাড়াঃ ১,০০০/=
• চিকিৎসা ভাতাঃ ৫০০/=
সর্বমোটঃ ১০,৮০০/=✅

♐ উপরের ৩ ক্যাটেগরির সকলেই প্রতি বছর তার ব্যাসিক বেতনের ২৫% করে ২ টা উৎসব ভাতা পাবেন।

♐ মূল/বেসিক বেতনের ২০% বৈশাখি ভাতা পাবেন বছরে একবার।

♐ দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির জন্য জুলাই মাসে বেসিকের ৫% একটা ভাতা দেয়া হয়।

♐এছাড়া কিছু স্কুল-কলেজ (সংখ্যাটা খুবই সামান্য) ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে বাৎসরিক যে বেতন+ফিস নেয় তা খরচ করার পরেও যদি স্কুল/কলেজ ফান্ডে টাকা বেচে যায় তা শিক্ষকদের মধ্যে ভাগ করে দেন।

♐ উপরের ৩ ক্যাটেগরির সকলেই প্রতি বছর তার ব্যাসিক বেতনের ৫% ইনক্রিমেন্ট পান।

25/11/2023

গুরুত্বপূর্ণ ৩৭৬টি #বাগধারা...

👇
1) অকাল কুষ্মাণ্ড = (অপদার্থ, অকেজো)
2) অক্কা পাওয়া = (মারা যাওয়া)
3) অগস্ত্য যাত্রা = (চির দিনের জন্য প্রস্থান)
4) অগাধ জলের মাছ = (সুচতুর ব্যক্তি)
5) অর্ধচন্দ্র = (গলা ধাক্কা)
6) অন্ধের যষ্ঠি = (একমাত্র অবলম্বন)
7) অন্ধের নড়ি = (একমাত্র অবলম্বন)
8) অগ্নিশর্মা = (নিরতিশয় ক্রুদ্ধ)
9) অগ্নিপরীক্ষা =(কঠিন পরীক্ষা)
10) অগ্নিশর্মা = (ক্ষিপ্ত)
11) অগাধ জলের মাছ = (খুব চালাক)
12) অতি চালাকের গলায় দড়ি = (বেশি চাতুর্যর পরিণাম)
13) অতি লোভে তাঁতি নষ্ট = (লোভে ক্ষতি)
14) অদৃষ্টের পরিহাস = (বিধির বিড়ম্বনা)
15) অর্ধচন্দ্র দেওয়া = (গলা ধাক্কা দিয়ে দেয়া)
16) অষ্টরম্ভা = (ফাঁকি)
17) অথৈ জলে পড়া = (খুব বিপদে পড়া)
18) অন্ধকারে ঢিল মারা = (আন্দাজে কাজ করা)
19) অমৃতে অরুচি = (দামি জিনিসের প্রতি বিতৃষ্ণা)
20) অন্ধকারে ঢিল মারা = (আন্দাজে কাজ করা)
21) অকূল পাথার = (ভীষণ বিপদ)
22) অনুরোধে ঢেঁকি গেলা = (অনুরোধে দুরূহ কাজ সম্পন্ন করতে সম্মতি দেয়া)
23) অদৃষ্টের পরিহাস = (ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা)
24) অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী = (সামান্য বিদ্যার অহংকার)
25) অনধিকার চর্চা = (সীমার বাইরে পদক্ষেপ)
26) অরণ্যে রোদন = (নিষ্ফল আবেদন)
27) অহিনকুল সম্বন্ধ = (ভীষণ শত্রুতা)
28) অন্ধকার দেখা = (দিশেহারা হয়ে পড়া)
29) অমাবস্যার চাঁদ = (দুর্লভ বস্তু)
30) আকাশ কুসুম = (অসম্ভব কল্পনা)
31) আকাশ পাতাল =(প্রভেদ) (প্রচুর ব্যবধান)
32) আকাশ থেকে পড়া = (অপ্রত্যাশিত)
33) আকাশের চাঁদ = (আকাঙ্ক্ষিত বস্তু)
34) আগুন নিয়ে খেলা = (ভয়ঙ্কর বিপদ)
35) আগুনে ঘি ঢালা = (রাগ বাড়ানো)
36) আঙুল ফুলে কলাগাছ = (অপ্রত্যাশিত ধনলাভ)
37) আঠার আনা = (সমূহ সম্ভাবনা)
38) আদায় কাঁচকলায় = (তিক্ত সম্পর্ক)
39) আহ্লাদে আটখানা = (খুব খুশি)
40) আক্কেল সেলামি = (নির্বুদ্ধিতার দণ্ড)
41) আঙুল ফুলে কলাগাছ = (হঠাৎ বড়লোক)
42) আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া = (দুর্লভ বস্তু প্রাপ্তি)
43) আদায় কাঁচকলায় = (শত্রুতা)
44) আদা জল খেয়ে লাগা = (প্রাণপণ চেষ্টা করা)
45) আক্কেল গুড়ুম = (হতবুদ্ধি, স্তম্ভিত)
46) আমড়া কাঠের ঢেঁকি = (অপদার্থ)
47) আকাশ ভেঙে পড়া = (ভীষণ বিপদে পড়া)
48) আমতা আমতা করা = (ইতস্তত করা, দ্বিধা করা)
49) আটকপালে = (হতভাগ্য)
50) আঠার মাসের বছর = (দীর্ঘসূত্রিতা)
51) আলালের ঘরের দুলাল = (অতি আদরে নষ্ট পুত্র)
52) আকাশে তোলা = (অতিরিক্ত প্রশংসা করা)
53) আষাঢ়ে গল্প = (আজগুবি কেচ্ছা)
54) ইঁদুর কপালে = (নিতান্ত মন্দভাগ্য)
55) ইঁচড়ে পাকা = (অকালপক্ব)
56) ইলশে গুঁড়ি = (গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি)
57) ইতর বিশেষ = (পার্থক্য)
58) উত্তম মধ্যম = (প্রহার)
59) উড়নচন্ডী = (অমিতব্যয়ী)
60) উভয় সংকট = (দুই দিকেই বিপদ)
61) উলু বনে মুক্ত ছড়ানো = (অপাত্রে/অস্থানে মূল্যবান দ্রব্য প্রদান)
62) উড়ো চিঠি = (বেনামি পত্র)
63) উড়ে এসে জুড়ে বসা = (অনধিকারীর অধিকার)
64) উজানে কৈ = (সহজলভ্য)
65) উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে = (একের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো)
66) ঊনপাঁজুড়ে = (অপদার্থ)
67) ঊনপঞ্চাশ বায়ু = (পাগলামি)
68) এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো = (একই স্বভাবের)
69) এক চোখা = (পক্ষপাতিত্ব, পক্ষপাতদুষ্ট)
70) এক মাঘে শীত যায় না = (বিপদ এক বারই আসে না, বার বার আসে)
71) এলোপাতাড়ি = (বিশৃঙ্খলা)
72) এসপার ওসপার = (মীমাংসা)
73) একাদশে বৃহস্পতি = (সৌভাগ্যের বিষয়)
74) এক বনে দুই বাঘ = (প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী)
75) এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো = (একই দলভুক্ত)
76) এলাহি কাণ্ড = (বিরাট আয়োজন)
77) ওজন বুঝে চলা = (অবস্থা বুঝে চলা)
78) ওষুধে ধরা = (প্রার্থিত ফল পাওয়া)
79) কচুকাটা করা = (নির্মমভাবে ধ্বংস করা)
80) কচু পোড়া = (অখাদ্য)
81) কচ্ছপের কামড় = (যা সহজে ছাড়ে না)
82) কলম পেষা = (কেরানিগিরি)
83) কলুর বলদ = (এক টানা খাটুনি)
84) কথার কথা = (গুরুত্বহীন কথা)
85) কাঁঠালের আমসত্ত্ব = (অসম্ভব বস্তু)
86) কাকতাল = (আকস্মিক/দৈব যোগাযোগজাত ঘটনা)
87) কপাল ফেরা = (সৌভাগ্য লাভ)
88) কত ধানে কত চাল = (হিসেব করে চলা)
89) কড়ায় গণ্ডায় = (পুরোপুরি)
90) কান খাড়া করা =(মনোযোগী হওয়া)
91) কানকাটা (নির্লজ্জ)
92) কান ভাঙানো (কুপরামর্শ দান)
93) কান ভারি করা (কুপরামর্শ দান)
94) কাপুড়ে বাবু (বাহ্যিক সাজ)
95) কেউ কেটা (গণ্যমান্য)
96) কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
97) কেঁচো খুড়তে সাপ (বিপদজনক পরিস্থিতি)
98) কই মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
99) কুঁড়ের বাদশা (খুব অলস)
100) কাক ভূষণ্ডী (দীর্ঘজীবী)
101) কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
102) কাছা আলগা (অসাবধান)
103) কাঁচা পয়সা (নগদ উপার্জন)
104) কাঁঠালের আমসত্ত্ব (অসম্ভব বস্তু)
105) কূপমণ্ডুক (সীমাবদ্ধ জ্ঞান সম্পন্ন, ঘরকুনো)
106) কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
107) কাঠের পুতুল (নির্জীব, অসার)
108) কথায় চিঁড়ে ভেজা (ফাঁকা বুলিতে কার্যসাধন)
109) কান পাতলা (সহজেই বিশ্বাসপ্রবণ)
110) কাছা ঢিলা (অসাবধান)
111) কুল কাঠের আগুন (তীব্র জ্বালা)
112) কেঁচো খুড়তে সাপ (সামান্য থেকে অসামান্য পরিস্থিতি)
113) কেউ কেটা (সামান্য)
114) কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
115) কৈ মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
116) খয়ের খাঁ (চাটুকার)
117) খণ্ড প্রলয় (ভীষণ ব্যাপার)
118) খাল কেটে কুমির আনা (বিপদ ডেকে আনা)
119) গড্ডলিকা প্রবাহ (অন্ধ অনুকরণ)
120) গদাই লস্করি চাল (অতি ধীর গতি, আলসেমি)
121) গণেশ উল্টানো (উঠে যাওয়া, ফেল মারা)
122) গলগ্রহ (পরের বোঝা স্বরূপ থাকা)
123) গরজ বড় বালাই (প্রয়োজনে গুরুত্ব)
124) গরমা গরম (টাটকা)
125) গরিবের ঘোড়া রোগ (অবস্থার অতিরিক্ত অন্যায় ইচ্ছা)
126) গুর খোঁজা (তন্ন তন্ন করে খোঁজা)
127) গুরু মেরে জুতা দান (বড় ক্ষতি করে সামান্য ক্ষতিপূরণ)
128) গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল (প্রাপ্তির আগেই আয়োজন)
129) গা ঢাকা দেওয়া (আত্মগোপন)
130) গায়ে কাঁটা দেওয়া (রোমাঞ্চিত হওয়া)
131) গাছে তুলে মই কাড়া (সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা)
132) গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো (কোনো দায়িত্ব গ্রহণ না করা)
133) গুরু মারা বিদ্যা (যার কাছে শিক্ষা তারই উপর প্রয়োগ)
134) গোকুলের ষাঁড় (স্বেচ্ছাচারী লোক)
135) গোঁয়ার গোবিন্দ (নির্বোধ অথচ হঠকারী)
136) গোল্লায় যাওয়া (নষ্ট হওয়া, অধঃপাতে যাওয়া)
137) গোবর গণেশ (মূর্খ)
138) গোলক ধাঁধা (দিশেহারা)
139) গোঁফ খেজুরে (নিতান্ত অলস)
140) গোড়ায় গলদ (শুরুতে ভুল)
141) গৌরচন্দ্রিকা (ভূমিকা)
142) গৌরীসেনের টাকা (বেহিসাবী অর্থ)
143) গুড়ে বালি (আশায় নৈরাশ্য)
144) ঘর ভাঙানো (সংসার বিনষ্ট করা)
145) ঘাটের মরা (অতি বৃদ্ধ)
146) ঘোড়া রোগ (সাধ্যের অতিরিক্ত সাধ)
147) ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া (মধ্যবর্তীকে অতিক্রম করে কাজ করা)
148) ঘোড়ার ঘাস কাটা (অকাজে সময় নষ্ট করা)
149) ঘোড়ার ডিম (অবাস্তব)
150) ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো (নিজ খরচে পরের বেগার খাটা)
151) ঘাটের মড়া (অতি বৃদ্ধ)
152) ঘটিরাম (আনাড়ি হাকিম)
153) চক্ষুদান করা (চুরি করা)
154) চক্ষুলজ্জা (সংকোচ)
155) চর্বিত চর্বণ (পুনরাবৃত্তি)
156) চাঁদের হাট (আনন্দের প্রাচুর্য)
157) চিনির বলদ (ভারবাহী কিন্তু ফল লাভের অংশীদার নয়)
158) চোখের বালি (চক্ষুশূল)
159) চোখের পর্দা (লজ্জা)
160) চোখ কপালে তোলা (বিস্মিত হওয়া)
161) চোখ টাটানো (ঈর্ষা করা)
162) চোখে ধুলো দেওয়া (প্রতারণা করা)
163) চোখের চামড়া (লজ্জা)
164) চুনকালি দেওয়া (কলঙ্ক)
165) চশমখোর (চক্ষুলজ্জাহীন)
166) চোখের মণি (প্রিয়)
167) চামচিকের লাথি (নগণ্য ব্যক্তির কটূক্তি)
168) চিনির পুতুল (শ্রমকাতর)
169) চুঁনোপুটি (নগণ্য)
170) চুলোয় যাওয়া (ধ্বংস)
171) চিনে/ছিনে জোঁক (নাছোড়বান্দা)
172) ছ কড়া ন কড়া (সস্তা দর)
173) ছা পোষা (অত্যন্ত গরিব)
174) ছাই ফেলতে ভাঙা কুলা (সামান্য কাজের জন্য অপদার্থ ব্যক্তি)
175) ছেলের হাতের মোয়া (সামান্য বস্তু)
176) ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করা (নগণ্য স্বার্থে দুর্নাম অর্জন)
177) ছক্কা পাঞ্জা (বড় বড় কথা বলা)
178) ছিঁচ কাদুনে (অল্পই কাঁদে এমন)
179) ছিনিমিনি খেলা (নষ্ট করা)
180) ছেলের হাতের মোয়া (সহজলভ্য বস্তু)
181) জগাখিচুড়ি পাকানো (গোলমাল বাধানো)
182) জিলাপির প্যাঁচ (কুটিলতা)
183) জলে কুমির ডাঙায় বাঘ (উভয় সঙ্কট)
184) ঝড়ো কাক (বিপর্যস্ত)
185) ঝাঁকের কৈ (এক দলভুক্ত)
186) ঝিকে মেরে বউকে বোঝানো (একজনের মাধ্যমে দিয়ে অন্যজনকে শিক্ষাদান)
187) ঝোপ বুঝে কোপ মারা (সুযোগ মত কাজ করা)
188) টনক নড়া (চৈতন্যোদয় হওয়া)
189) টাকার কুমির (ধনী ব্যক্তি)
190) টেকে গোঁজা (আত্মসাৎ করা)
191) টুপভুজঙ্গ (নেশায় বিভোর)
192) ঠাঁট বজায় রাখা (অভাব চাপা রাখা)
193) ঠোঁট কাটা (বেহায়া)
194) ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় (আদর্শহীনতার প্রাচুর্য)
195) ঠুঁটো জগন্নাথ (অকর্মণ্য)
196) ঠেলার নাম বাবাজি (চাপে পড়ে কাবু)
197) ডুমুরের ফুল (দুর্লভ বস্তু)
198) ডাকের সুন্দরী (খুবই সুন্দরী)
199) ডুমুরের ফুল (দুর্লভ বস্তু)
200) ডান হাতের ব্যাপার (খাওয়া)
201) ডামাডোল (গণ্ডগোল)
202) ঢাক ঢাক গুড় গুড় (গোপন রাখার চেষ্টা)
203) ঢাকের কাঠি (মোসাহেব, চাটুকার)
204) ঢাকের বাঁয়া (অপ্রয়োজনীয়)
205) ঢেঁকির কচকচি (বিরক্তিকর কথা)
206) ঢি ঢি পড়া (কলঙ্ক প্রচার হওয়া)
207) ঢিমে তেতালা (মন্থর)
208) তালকানা (বেতাল হওয়া)
209) তাসের ঘর (ক্ষণস্থায়ী)
210) তামার বিষ (অর্থের কু প্রভাব)
211) তালপাতার সেপাই (ক্ষীণজীবী)
212) তিলকে তাল করা (বাড়িয়ে বলা)
213) তুলসী বনের বাঘ (ভণ্ড)
214) তুলা ধুনা করা (দুর্দশাগ্রস্ত করা)
215) তুষের আগুন (দীর্ঘস্থায়ী ও দুঃসহ যন্ত্রণা)
216) তীর্থের কাক (প্রতীক্ষারত)
217) থ বনে যাওয়া (স্তম্ভিত হওয়া)
218) থরহরি কম্প (ভীতির আতিশয্যে কাঁপা)
219) দা-কুমড়া (ভীষণ শত্রুতা)
220) দহরম মহরম (ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক)
221) দু মুখো সাপ (দু জনকে দু রকম কথা বলে পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টিকারী)
222) দিনকে রাত করা (সত্যকে মিথ্যা করা)
223) দুধে ভাতে থাকা (খেয়ে-পড়ে সুখে থাকা)
224) দেঁতো হাসি (কৃত্তিম হাসি)
225) দাদ নেওয়া (প্রতিশোধ নেয়া)
226) দুকান কাটা (বেহায়া)
227) দুধের মাছি (সু সময়ের বন্ধু)
228) ধরাকে সরা জ্ঞান করা (সকলকে তুচ্ছ ভাবা)
229) ধড়া-চূড়া (সাজপোশাক)
230) ধরাকে সরা জ্ঞান করা (অহঙ্কারে সবকিছু তুচ্ছ মনে করা)
231) ধর্মের ষাঁড় (যথেচ্ছাচারী)
232) ধর্মের কল বাতাসে নড়ে (সত্য গোপন থাকে না)
233) ধরি মাছ না ছুঁই পানি (কৌশলে কার্যাদ্ধার)
234) ননীর পুতুল (শ্রমবিমুখ)
235) নয় ছয় (অপচয়)
236) নাটের গুরু (মূল নায়ক)
237) নাড়ি নক্ষত্র (সব তথ্য)
238) নিমক হারাম (অকৃতজ্ঞ)
239) নিমরাজি (প্রায় রাজি)
240) নামকাটা সেপাই (কর্মচ্যূত ব্যক্তি)
241) নথ নাড়া (গর্ব করা)
242) নেই আঁকড়া (একগুঁয়ে)
243) নগদ নারায়ণ (কাঁচা টাকা/নগদ অর্থ)
244) নেপোয় মারে দই (ধূর্ত লোকের ফল প্রাপ্তি)
245) পটল তোলা (মারা যাওয়া)
246) পগার পার (আয়ত্তের বাইরে পালিয়ে যাওয়া)
247) পটের বিবি (সুসজ্জিত)
248) পত্রপাঠ (অবিলম্বে/সঙ্গে সঙ্গে)
249) পালের গোদা (দলপতি)
250) পাকা ধানে মই (অনিষ্ট করা)
251) পাখিপড়া করা (বার বার শেখানো)
252) পাততাড়ি গুটানো (জিনিসপত্র গোটানো)
253) পাথরে পাঁচ কিল (সৌভাগ্য)
254) পুঁটি মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে যায়)
255) পুকুর চুরি (বড় রকমের চুরি)
256) পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটা (পুরোনো প্রসঙ্গে কটাক্ষ করা)
257) পোঁ ধরা (অন্যকে দেখে একই কাজ করা)
258) পোয়া বারো (অতিরিক্ত সৌভাগ্য)
259) প্রমাদ গোণা (ভীত হওয়া)
260) পায়াভারি (অহঙ্কার)
261) পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা (অপরকে দিয়ে কাজ উদ্ধার)
262) পরের ধনে পোদ্দারি (অন্যের অর্থের যথেচ্ছ ব্যয়)
263) ফপর দালালি (অতিরিক্ত চালবাজি)
264) ফুলবাবু (বিলাসী)
265) ফেউ লাগা (আঠার মতো লেগে থাকা)
266) ফুলের ঘাঁয়ে মূর্ছা যাওয়া (অল্পে কাতর)
267) ফোড়ন দেওয়া (টিপ্পনী কাটা)
268) বক ধার্মিক (ভণ্ড সাধু)
269) বইয়ের পোকা (খুব পড়ুয়া)
270) বগল বাজানো (আনন্দ প্রকাশ করা)
271) বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো (সহজে খুলে যায় এমন)
272) বসন্তের কোকিল (সুদিনের বন্ধু)
273) বিড়াল তপস্বী (ভণ্ড সাধু)
274) বর্ণচোরা আম (কপট ব্যক্তি)
275) বরাক্ষরে (অলক্ষুণে)
276) বাজারে কাটা (বিক্রি হওয়া)
277) বালির বাঁধ (অস্থায়ী বস্তু)
278) বাঁ হাতের ব্যাপার (ঘুষ গ্রহণ)
279) বাঁধা গৎ (নির্দিষ্ট আচরণ)
280) বাজখাঁই গলা (অত্যন্ত কর্কশ ও উঁচু গলা)
281) বাড়া ভাতে ছাই (অনিষ্ট করা)
282) বায়াত্তরে ধরা (বার্ধক্যের কারণে কাণ্ডজ্ঞানহীন)
283) বিদ্যার জাহাজ (অতিশয় পণ্ডিত)
284) বিশ বাঁও জলে (সাফল্যের অতীত)
285) বিনা মেঘে বজ্রপাত (আকস্মিক বিপদ)
286) বাঘের দুধ/ চোখ (দুঃসাধ্য বস্তু)
287) বিসমিল্লায় গলদ (শুরুতেই ভুল)
288) বুদ্ধির ঢেঁকি (নিরেট মূর্খ)
289) ব্যাঙের আধুলি (সামান্য সম্পদ)
290) ব্যাঙের সর্দি (অসম্ভব ঘটনা)
291) ভরাডুবি (সর্বনাশ)
292) ভস্মে ঘি ঢালা (নিষ্ফল কাজ)
293) ভাদ্র মাসের তিল (প্রচণ্ড কিল)
294) ভানুমতীর খেল (অবিশ্বাস্য ব্যাপার)
295) ভাল্লুকের জ্বর (ক্ষণস্থায়ী জ্বর)
296) ভাঁড়ে ভবানী (নিঃস্ব অবস্থা)
297) ভূতের ব্যাগার (অযথা শ্রম)
298) ভূঁই ফোড় (হঠাৎ গজিয়ে ওঠা)
299) ভিজে বিড়াল (কপটাচারী)
300) ভূশন্ডির কাক (দীর্ঘজীবী)
301) মগের মুল্লুক (অরাজক দেশ)
302) মণিকাঞ্চন যোগ (উপযুক্ত মিলন)
303) মন না মতি (অস্থির মানব মন)
304) মড়াকান্না (উচ্চকণ্ঠে শোক প্রকাশ)
305) মাছের মায়ের পুত্রশোক (কপট বেদনাবোধ)
306) মিছরির ছুরি (মুখে মধু অন্তরে বিষ)
307) মুখ চুন হওয়া (লজ্জায় ম্লান হওয়া)
308) মুখে দুধের গন্ধ (অতি কম বয়স)
309) মুস্কিল আসান (নিষ্কৃতি)
310) মেনি মুখো (লাজুক)
311) মাকাল ফল (অন্তঃসারশূণ্য)
312) মশা মারতে কামান দাগা (সামান্য কাজে বিরাট আয়োজন)
313) মুখে ফুল চন্দন পড়া (শুভ সংবাদের জন্য ধন্যবাদ)
314) মেছো হাটা (তুচ্ছ বিষয়ে মুখরিত)
315) যক্ষের ধন (কৃপণের ধন)
316) যমের অরুচি (যে সহজে মরে না)
317) রত্নপ্রসবিনী (সুযোগ্য সন্তানের মা)
318) রাঘব বোয়াল (সর্বগ্রাসী ক্ষমতাবান ব্যক্তি)
319) রাবণের চিতা (চির অশান্তি)
320) রাশভারি (গম্ভীর প্রকৃতির)
321) রাই কুড়িয়ে বেল (ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে বৃহৎ)
322) রাজা উজির মারা (আড়ম্বরপূর্ণ গালগল্প)
323) রাবণের গুষ্টি (বড় পরিবার)
324) রায় বাঘিনী (উগ্র স্বভাবের নারী)
325) রাজ যোটক (উপযুক্ত মিলন)
326) রাহুর দশা (দুঃসময়)
327) রুই-কাতলা (পদস্থ বা নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি)
328) লেফাফা দুরস্ত (বাইরের ঠাট বজার রেখে চলেন যিনি)
329) লগন চাঁদ (ভাগ্যবান)
330) ললাটের লিখন (অমোঘ ভাগ্য)
331) লাল পানি (মদ)
332) লাল বাতি জ্বালা (দেউলিয়া হওয়া)
333) লাল হয়ে যাওয়া (ধনশালী হওয়া)
334) লেজে গোবরে (বিশৃঙ্খলা)
335) শকুনি মামা (কুটিল ব্যক্তি)
336) শাঁখের করাত (দুই দিকেই বিপদ)
337) শাপে বর (অনিষ্টে ইষ্ট লাভ)
338) শিকায় ওঠা (স্থগিত)
339) শিঙে ফোঁকা (মরা)
340) শিবরাত্রির সলতে (একমাত্র সন্তান)
341) শিরে সংক্রান্তি (বিপদ মাথার ওপর)
342) শুয়ে শুয়ে লেজ নাড়া (আলস্যে সময় নষ্ট করা)
343) শরতের শিশির (সুসময়ের বন্ধু)
344) শত্রুর মুখে ছাই (কুদৃষ্টি এড়ানো)
345) শ্রীঘর (কারাগার)
346) ষাঁড়ের গোবর (অযোগ্য)
347) ষোল আনা (পুরোপুরি)
348) ঘোল কলা (পুরোপুরি)
349) সবুরে মেওয়া ফলে (ধৈর্যসুফল মিলে)
350) সরফরাজি করা (অযোগ্য ব্যক্তির চালাকি)
351) সাত খুন মাফ (অত্যধিক প্রশ্রয়)
352) সাত সতের (নানা রকমের)
353) সাপের ছুঁচো গেলা (অনিচ্ছায় বাধ্য হয়ে কাজ করা)
354) সেয়ানে সেয়ানে (চালাকে চালাকে)
355) সবে ধন নীলমণি (একমাত্র অবলম্বন)
356) সাতেও নয়, পাঁচেও নয় (নির্লিপ্ত)
357) সাপের পাঁচ পা দেখা (অহঙ্কারী হওয়া)
358) সোনায় সোহাগা (উপযুক্ত মিলন)
359) সাক্ষী গোপাল (নিষ্ক্রিয় দর্শক)
360) সখাত সলিলে (ঘোর বিপদে পড়া)
361) সব শেয়ালের এক রা (ঐকমত্য)
362) হাটে হাঁড়ি ভাঙা (গোপন কথা প্রকাশ করা)
363) হাতটান (চুরির অভ্যাস)
364) হ য ব র ল (বিশৃঙ্খলা)
365) হরি ঘোষের গোয়াল (বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ)
366) হরিলুট (অপচয়)
367) হস্তীমূর্খ (বুদ্ধিতে স্থূল)
368) হাড়ে দুর্বা গজানো (অত্যন্ত অলস হওয়া)
369) হাতুড়ে বদ্যি (আনাড়ি চিকিৎসক)
370) হাতের পাঁচ (শেষ সম্বল)
371) হীরার ধার (অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি)
372) হোমরা চোমরা (গণ্যমান্য ব্যক্তি)
373) হিতে বিপরীত (উল্টো ফল)
374) হাড় হদ্দ (নাড়ি নক্ষত্র/সব তথ্য)
375) হাড় হাভাতে (হতভাগ্য)
376) হালে পানি পাওয়া (সুবিধা করা)

18/11/2023

েসরকারি_শিক্ষক_নিবন্ধন_পরীক্ষা #শিক্ষকনিবন্ধনসাজেশন
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছে।৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ২০২৪ সালের মার্চের মধ্যেই এই পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। অন্যান্য সরকারি চাকরির তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম প্রস্তুতিতে নিবন্ধনের প্রভাষক কিংবা সহকারি শিক্ষক পদে চাকরি পাওয়া যায়। এই চাকরির প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হওয়ার কৌশল ও প্রস্তুতির বিস্তারিত তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

👉পরীক্ষা পদ্ধতিঃ

প্রিলিমিনারিতে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। বাংলা, ইংরেজি ,গণিত, সাধারণ জ্ঞান প্রতিটিতে ২৫ করে সর্বমোট ১০০। পূর্বে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য •৫ মার্কস কাটা যেতো।তবে এবারের সার্কুলারে •২৫ মার্কস কাটার কথা বলা হয়েছে।পাশ মার্কস ৪০% বলা থাকলেও বাস্তবে আরো কিছু বেশি মার্কস লাগে। তবে ৫০+ মার্কস পেলে প্রিলি পাশের ব্যাপারে নিশ্চিত থাকা যাবে।

👉জব সলিউশনঃ👇

শিক্ষক নিবন্ধনের স্কুল পর্যায়, স্কুল পর্যায়-২ এবং কলেজ পর্যায়ের প্রশ্নে প্রচুর পরিমাণে বিগত সালের প্রশ্ন থেকে রিপিট হয়। তাই এই পরীক্ষায় প্রিলি পাশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জব সলিউশন ভালোভাবে আয়ত্ত করা। নিবন্ধনের সকল পর্যায়ের বিগত সালের সব প্রশ্ন, ৩৫-৪৫ তম বিসিএস প্রিলির সকল প্রশ্ন, প্রাইমারি ও সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া অন্যান্য জব সলিউশনের প্রশ্নসমূহ সলভ করা অপরিহার্য ।

👉বাংলার প্রস্তুতিঃ👇

বাংলায় বেশিরভাগ প্রশ্ন ব্যাকরণ থেকে হয়ে থাকে। সাহিত্য থেকেও অল্প কিছু প্রশ্ন থাকতে পারে। ব্যাকরণের জন্য ভাষারীতি ও বিরাম চিহ্নের ব্যবহার, বাগধারা ও বাগবিধি, ভুল সংশোধন বা শুদ্ধকরণ, যথার্থ অনুবাদ, সন্ধি বিচ্ছেদ, কারক ও বিভক্তি, সমাস ও প্রত্যয়, সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ, বাক্য সংকোচন ও লিঙ্গ পরিবর্তন পড়তে হবে। সাহিত্য অংশের জন্য প্রাচীন ও মধ্যযুগ সংক্রান্ত আগের প্রশ্ন, আধুনিক যুগের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম সমূহ, ছদ্মনাম, উপাধি, প্রবর্তক, পত্রিকা ও সাময়িকী সম্পর্কে জানতে হবে।

👉গণিতের প্রস্তুতিঃ👇

যেকোনো চাকরির পরীক্ষায় গণিতের দক্ষতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গণিতের মূল ভিত্তি শক্তিশালী করতে হলে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বোর্ড বইয়ের অংকগুলো চর্চার কোনো বিকল্প নেই। ইউটিউবে গণিতের অনেক ভালো ভালো টিউটোরিয়াল আছে, যেগুলো দেখে গণিতের ভিত্তি পাকাপোক্ত করা যায়। এছাড়া দৈনিক কিছু সময় গণিত চর্চা করলে আপনার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে। জব সলিউশনের গণিতের আগের প্রশ্নগুলো নিজে নিজে সমাধান করবেন। গণিতের মৌলিক ধারণার পাশাপাশি শর্ট টেকনিক ও শিখে যাবেন, যাতে পরীক্ষার কেন্দ্রে স্বল্প সময়ে সমাধান করতে পারেন। শতকরা, লাভক্ষতি, সুদকষা, ঐকিক নিয়ম, গড়, লসাগু, গসাগু, অনুপাত-সমানুপাত, সূচক, লগারিদম,উৎপাদকে বিশ্লেষণ, বাস্তব সংখ্যা, বর্গ ও ঘনের মান নির্ণয়, সমীকরণ, পরিমিতি, ত্রিকোণমিতি এবং জ্যামিতির মৌলিক বিষয়গুলো পড়তে হবে।

👉ইংরেজির প্রস্তুতিঃ

ইংরেজির মৌলিক বিষয়গুলো যেকোনো একটা গাইড বই থেকে ভালোমতো আত্ত্বস্হ করে নিতে হবে। এরপর জব সলিউশনের বিগত ২-৩ বছরের প্রশ্ন সমাধান করতে হবে। ফ্রেস ইডিয়মস, গ্রুপ ভার্বস, এ্যপ্রোপিয়েট প্রিপোজিশন, স্পেলিং নিয়মিত পড়তে হবে। ইংরেজি শব্দ ভান্ডার সমৃদ্ধ করার জন্য নিয়মিত যেকোনো একটা ভোকাবুলারির বই সিনোনিম এ্যান্টোনিম সহ পড়তে হবে। ইংরেজির জন্য গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহঃ

1. Completing Sentences.
2. Translation from Bengali to English.
3. Change of Parts of Speech.
4. Right forms of verb.
5. Fill in the blanks with appropriate word.
6. Transformation of sentences.
7. Synonyms & Antonyms.
8. Idioms & Phrases.

এছাড়াও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য Errors in composition, Identify appropriate title from story or article, Uses of article, appropriate preposition এর প্রস্তুতি নিতে হবে।

👉সাধারণ জ্ঞানের প্রস্তুতিঃ 👇

নিবন্ধনের সাধারণ জ্ঞান অংশে তিন ধরনের প্রশ্ন হয়ে থাকেঃ

১. বাংলাদেশ সম্পর্কিত বিষয়।
২. আন্তর্জাতিক বিষয় ও চলতি ঘটনাবলী।
৩. বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, পরিবেশ ও রোগব্যাধি সম্পর্কিত মৌলিক জ্ঞান।

বাংলাদেশ সম্পর্কিত বিষয়াবলির মধ্যে বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ু, শিক্ষা, ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ, সভ্যতা ও সংস্কৃতি, বিখ্যাত স্থান, বাংলাদেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, অর্থনীতি, বিভিন্ন সম্পদ (বন,শিল্প,কৃষি,পানি), জাতীয় দিবস ইত্যাদি থেকে প্রশ্ন হতে পারে।

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সংস্থা, বিভিন্ন দেশ পরিচিতি, মুদ্রা, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ, আন্তর্জাতিক দিবস, পুরস্কার ও সম্মাননা, খেলাধুলা ইত্যাদি থেকে প্রশ্ন থাকে।

এছাড়াও স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান (পদার্থ, রসায়ন ও জীব বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট), তথ্য-যোগাযোগ প্রযুক্তি, সাধারণ রোগ ব্যাধি, খাদ্য ও পুষ্টি, আবিষ্কার ও আবিস্কারক এবং জলবায়ু ও পরিবেশ বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন থাকে। এ সংক্রান্ত বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার আগের প্রশ্নগুলো রপ্ত করলেই হবে।

বর্তমান সময়ে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা চাকরি প্রার্থীদের অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্র। NTRCA এখন উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সরাসরি নিয়োগের সুপারিশ করে, যা পূর্বে ছিল না। স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষা খুব সহজ হলেও কলেজ পর্যায়ে মোটামুটি মানসম্মত প্রশ্ন হয়ে থাকে। তাই প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি না রেখে সর্বোচ্চ এ্যাফোর্ট দেয়া উচিত।

04/11/2023

#শিক্ষকনিবন্ধন ও এতদ্বিষয়ক পড়াশোনা #

বর্তমান শিক্ষক নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রায় ১০০% স্বচ্ছ নিয়োগ দিয়ে আসছে এনটিআরসিএ। সুতরাং আপনি যদি একটু পড়াশোনা করেন, তো সহজেই একটা মোটামুটি ভালো মানের জব পাবেন কোন টাকা-পয়সা/তদবির ছাড়াই। আমি মামা-খালু ছাড়াই নিবন্ধন দিয়ে দু পিস জব পেয়েছিলুম।😊

সোজা প্রস্তুতির বিষয়ে আসি-
তিনটি ধাপ প্রিলি>রিটেন>ভাইভা। প্রিলির জন্য আপনি টার্গেট করুন ৫০-৬০% মার্ক। এটা উঠানো আহামরি কিছু না। ৪ টা বিষয় আপনাকে কভার করতে হবে। বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণজ্ঞান (বাংলাদেশ+আন্তর্জাতিক+অন্যান্য)।

✅ প্রথমেই বিসিএস (১০-৪৫) প্রশ্ন ও বিগত নিবন্ধন প্রশ্ন ভালো করে একবার সমাধান করুন। (সাবজেক্ট ওয়াইজ পড়লে বোরিং একটু কম লাগে মে বি)
✅ গণিতের জন্য বাজার থেকে বিসিএস একটা ম্যাথ বই নিয়ে নিবন্ধন রিলেটেড অধ্যায়গুলি রোজ ২ ঘন্টা প্রাকটিস করুন।
✅ ইংরেজির জন্যও একই পদ্ধতি অবলম্বন করুন। ভোকাবুলারি জ্ঞান বাড়ানোর জন্য ইংরেজি পত্রিকা পড়তে পারেন। কারণ কোন ঘটনা, গল্প পড়লে শব্দার্থ বেশিদিন মনে থাকে।
✅ বাংলা বিষয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ১০-১৫ টা লেখকের পা থেকে মস্তক পর্যন্ত গলাধঃকরণ করুন। দেন, চাইলে আরও কিছু লেখকের প্রধান সাহিত্যকর্মে চোখ বুলান। ব্যাকারণ পার্ট হায়াৎ মামুদ বা যে কোন বই থেকে বুঝে বুঝে শেষ করুন।
✅ জিকে/সাধারণ-জ্ঞান অংশে দুটা পার্ট, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি। এই অংশ মহাসমুদ্রের মত। 'যতই পড়িবেন ততই জানিবেন, যতই জানিবেন ততই ভুলিবেন।' ভয়ের কিছু নেই, বিসিএস'র দুটা বই কিনে রিডিং দিন। আর আপডেট তথ্য ফেসবুকের কল্যানে প্রায় সবই পেয়ে যাবেন অনলাইনে। মনস্কামনা হলে অ্যাফেয়ার্স নিতে পারেন প্রতিমাসে।
✅ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, পরিবেশ অংশে নতুন করে কিছু না পড়ে বিসিএসসহ অনান্য পরীক্ষার প্রিভিয়াস প্রশ্নগুলির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পার্ট পড়লেই হবে আশা করি।

এভাবে ৩-৪ মাস পড়ুন। ২ বার এই ৪ টি বিষয় শেষ করতে পারলে ভালো হয়। এবার রিপনের মত নিজেকে যাচাই করুন। প্রতিদিন সকালে অনলাইন/অফলাইন মডেলটেস্ট দিন। বিগত নিবন্ধন প্রশ্নগুলিতেও পরীক্ষা দিতে পারেন। টাইম ধরে ধরে টেস্ট দিবেন। এতে টাইম বন্টন, পরীক্ষার অনুভূতি, ইত্যাদি অভিজ্ঞতা হবে। পরীক্ষার পর যে বিষয়গুলি/টপিকগুলি মনে হচ্ছে জং ধরেছে, আবার ঝালিয়ে নিন। দরকার হলে আরও ১/২ বার পুরো সাবজেক্ট/টপিক রিভিশন দিয়ে নিন। দেখবেন ধীরে ধীরে মস্তিষ্ক নামক মোবাইল ফোনের রিফ্রেস রেট বেড়ে যাবে। পরীক্ষা দিতে গিয়ে স্মুথ পারফর্ম করতে পারছেন।

যদি ঠিকমত পড়ালেখা করেন, এতেই প্রিলি পাশ করবেন আশা করি। হিসেব করে ৪০% মার্ক থাকলে রিটেনের জন্য নিজেকে তৈরী করা শুরু করবেন। যে কোন সাকজেক্ট মানেই পাহাড় সমান পড়া। নিবন্ধন রিটেন গাইড নিবেন। সিলেবাস অনুসারে পড়বেন। পড়া অনেক কমে যাবে। পড়বেন, নোট করবেন। (প্রয়োজনে না লিখে অনার্স-মাস্টার্স বই কেটে নোট করবেন, সময় বাঁচবে)। পরীক্ষার আগে রিটেন মডেল টেস্ট দিবেন।

ভাইভার জন্য আপনি নির্বাসিত হয়েছেন? ঠিকই পড়েছেন, নির্বাসনের মতই আপনি স্বাধীন হয়েও পরাধীন। কারণ ভাইভা মানেই হাফ জব। সো নিজেকে ভালো করে রুটিনে বন্দী করুন। নয়তো শেষ ধাপে এসে বাদ পড়তে হবে। নিজের নামে বিখ্যাত ব্যাক্তি, নিজ পঠিত বিষয়, নিজ জেলা, মুক্তিযুদ্ধ, সরকারের সাফল্য, আপডেট তথ্য, ভাইভার ডেট ও ওই মাসের স্বরণীয় ঘটনা, বাংলা তারিখ মাস্ট পড়ে/দেখে যাবেন। ডেমো ক্লাস নিতেও বলতে পারে। ফাইনালি, কেতাদুরস্ত হয়ে যমালয়ে প্রবেশ করুন। যমরাজদের বড় বড় দাঁতাল হাসি দেখে ডর্ পাইয়েন না ভাইগণ। যম হলেও তারা ভালো মানুষ।

উপরের লেপার্ট-২ টাঙ্কের মত বিশাল পোস্ট দেখে গলা শুকিয়ে গেছে? এসএমসি লেমন অর অরেন্স ফ্লেভারের একটা জুস খেয়ে রিলাক্সে চেয়ারে বসুন। এবার শুনুন, আগামী ৩০-৩৫ বছর শান্তিতে থাকতে এই ২/৩/৪/৫ টা বছর নিজের জন্য না হয় একটু কষ্ট করলেন। জানেন তো, নিজের ভালো পাগলও বোঝে।
আর হ্যাঁ, আমি কোন পিথাগোরাস নয়, যে আমার পদ্ধতি অনুযায়ীই আপনাকে প্রিপারেশন নিতে হবে। আপনার মত করে প্রিপারেশন নিলেও সফল হবেন আশা করি।
আজ এ পর্যন্তই। সকলের জীবনে সফল আগামী বয়ে আসুক।

12/09/2023

✅ কোনো কিছু তৈরির পর উপাদান দেখা গেলে---- Made of বসে

✅ কোনো কিছু তৈরির পর উপাদান না দেখা গেলে-----Made from বসে

✅ যে দেশের তৈরি, তার পূর্বে -------Made in বসে

✅ যে কোম্পানির তৈরি, তার নামের পূর্বে-----Made by বসে

✅ বুঝতে পারা অর্থে-----Make out বসে

✅ মনস্থির করা অর্থে ------- make up on বসে

10/09/2023

, & এর মধ্যে পার্থক্য:
✅ Photo: যেকোন ধরনের ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবিই হলো Photo। তবে যদি কোন প্রকার সঙ্গযোজন বা বিয়োজন করা হয় তাহলে সেটি আর Photo থাকবেনা।
✅ Image: ক্যামেরা, ডিজিটাল ক্যামেরা তথা যেকোন ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবিকে যখন কোন মোবাইল বা কম্পিউটার দিয়ে সম্পাদনা বা এডিট করা হয় তখন সেই ছবিকে বলে Image।
✅ Picture: অঙ্কন, পেইন্টিং বা কম্পিউটার বা মোবাইল দিয়ে তৈরি যেকোন ছবি এই ধারার অন্তর্ভুক্ত। আমরা মোবাইল দিয়ে যে ছবি গুলো বানাই সেগুলোও Picture.

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka