07/12/2022
বাংলা বানান
বাংলা গুরুত্বপূর্ণ কিছু শব্দের বানান: (ই-কার/ঈ-কার)
১। ই’কার বসে যে সকল শব্দে--
উপযোগিতা, শ্রদ্ধাঞ্জলি, দরিদ্রতা, কুম্ভিলক, অদ্যাপি, উদগিরণ, পরিপক্ব, প্রকৃতি, শিরশ্ছেদ ,আনুষঙ্গিক, প্রজ্বলিত, সমভিব্যাহারে, অভিশাপ, অঞ্জলি, ভদ্রোচিত, কটূক্তি, আসক্তি, আবির্ভাব, কনিষ্ঠ, শশিভূষণ, ন্যূনাধিক, ত্রিহায়ণ, ভবিষ্যৎ, ত্রিভুজ, অত্যধিক, আশিস, ঊর্মি, ইন্দ্রিয়।
২। শুধু ঈ’কার বসে যে সকল শব্দে--
সরস্বতী, মৃত্যুত্তীর্ণ, অভ্যন্তরীণ, গলীল, ব্যতীত, জ্বালাময়ী, সুশ্রী, সমাধী, ভীতু, সংকীর্ণমনা, ক্ষীণ, অবর্ণনীয়, নীরস, দূরবীক্ষণ, সর্বাঙ্গীণ, সন্ন্যাসী, ব্যতীত, অধীন, সুধীগণ, সরীসৃপ
৩। প্রথমে ঈ’কার পরে ই’কার--
গীতাঞ্জলি, শারীরিক, দধীচি, কনীনিকা, মরীচিকা, বাল্মীকি, নিপীড়িত, ক্ষুৎপীড়িত, গীতালি
৪। প্রথমে ই’কার পরে ঈ’কার--
অগ্নিবীণা, নিরীহ, কৃষিজীবী, বুদ্ধিজীবী, নিরীক্ষণ, গৃহিণী, নিশীথ, মনোহারিণী, বিদারী, বিবাদী, সহপাঠিনী
৫। ডাবল ঈ’ কার বসে যে সকল শব্দে--
উদীচী, প্রতীচী, সমীচীন, অসমীচীন, মনীষী, ভাগীরথী
ক্ষীণজীবী( সকল জীবীতে), হরীতকী, জীবনী
৬। প্রথমে ই’কার পরে ঈ’কার আবার ই’কার ….
নিশীথিনী, পিপীলিকা, বিভীষিকা, নিমীলিত, নিপীড়িত
৭। দেশ , ভাষা , জাতি , অপ্রাণী , ইতর প্রাণীর নামে ই - কার হয় ।যেমন : গ্রিস , হিন্দি , বাড়ি , হাতি ।
৮। কোন শব্দের শেষে ঈ - কার থাকলে সেই শব্দের সাথে জগত , বাচক , বিদ্যা , তা , ত্ব , নী , ণী যুক্ত হলে ঈ - কার টি ই- কার হয় ।যেমন :
প্রাণী + বিদ্যা = প্রাণিবিদ্যা
প্রাণী + বাচক = প্রাণিবাচক
প্রাণী + জগত = প্রাণিজগত
মন্ত্রী + পরিষদ = মন্ত্রিপরিষদ , মন্ত্রিসভা
স্থায়ী + ত্ব = স্থায়িত্ব
প্রতিদ্বন্দ্বী + তা = প্রতিদ্বন্দ্বিতা
সঙ্গী + নী = সঙ্গিনী
৯। তৎসম শব্দগুলো সংস্কৃতের মতোই লিখতে । তবে বাংলা ই কার গৃহীত ।
যেমন : শ্রেনি , খন্জনি , চিৎকার , ধমনি , ধূলি , লহরি ইত্যাদি ।
১০। আলি প্রত্যয় যুক্ত শব্দে ই - কার হবে । যেমন
মিতালি , সোনালি , রূপালি , খেয়ালি , হেঁয়ালি।
১১। বিদেশি শব্দ বাংলায় লিখতে ই- কার দিতে হবে । যেমন : একাডেমি , ইমান , তরকারি