Ta'mirul Millat Kamil Madrasah, Mohila Campus - Fan Club

Ta'mirul Millat Kamil Madrasah, Mohila Campus - Fan Club

Share

Millat Female Campus is providing a high quality academic and Religious education for girls. In 2000 it started its journey at Golapbag, Dhaka.

Ta'mirul Millat Kamil Madrasah, Mohila Campus is a famous educational institution of Bangladesh. Now It is conducting its activities at Matuaile in its own campus. This institution is trying to give its all efforts to make an ideal nation. It is working to preserve its students from ideological penury and immorality.

11/03/2025

পেইজে থাকা তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা (সকল ক্যাম্পাস) থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত এবং সাবেক আপুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।

প্রিয় ঢাবিয়ান মিল্লাতিয়ান্স বোনেরা,
ঢাবিয়ান মিল্লাতিয়ান্স সাবেক এবং বর্তমান সকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল এবং সদ্য চান্সপ্রাপ্ত ও প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণের রেজিস্ট্রেশন আজকে রাত ১১.৫৯ এ শেষ হয়ে যাচ্ছে।

ইফতার মাহফিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি , আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, অধ্যক্ষ যাইনুল আবেদীন হাফি., মিল্লাতের চার কম্পাসের প্রিন্সিপাল হুজুর উপস্থিত থাকবেন।

তারিখ: ১৩ মার্চ (১২ রমজান)
রোজ : বৃহস্পতিবার
সময়: বিকাল ৩ টা
স্থান : মুহসিন হল মাঠ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

আগ্রহী আপুরা (যারা এখনো রেজিস্ট্রেশন করেননি) পেইজে ইনবক্স করুন।

20/07/2021
ঢাবি ঘ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম তামিরুল মিল্লাত মাদরাসা শিক্ষার্থী ! 24/10/2017

http://banglamail71.info/archives/5892

ঢাবি ঘ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম তামিরুল মিল্লাত মাদরাসা শিক্ষার্থী ! ওয়ালি খান রাজু ঢাবি প্রতিবেদক :ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ঘ ইউনিটে মানবিক শাখায় প্রথম হয়েছেন তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা টংগী শাখার শিক্ষার্থী শাহ মারুফ। …

এক মাদ্রাসা থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে ৮৪ জন 03/10/2017

অভিনন্দন সবাইকে।

এক মাদ্রাসা থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে ৮৪ জন ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একটি মাদরাসা থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৮৪ জন ছাত্র/ছাত্রী চান্স পেয়েছে। তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা থেকে চান্স পাওয়া ৮৪ জনের মধ্যে ৭৯জন ছাত্র এবং ৫ জন ছাত্রী। এদের একজন খ ইউনিটে

Photos 10/10/2016

যুগে যুগে উত্তরাধিকার সম্পত্তি নিয়ে ঝগড়া-মারামারি এমনকি খুনাখুনি হয়ে আসছে। সম্পদ জিনিসটাই এই জন্য আমার কাছে ভয়ংকর মনে হয়। কেউ যদি অনেক পরিশ্রম করে টাকা জমিয়ে বাড়ি করে তখন তার বাড়িতে আমাদের একটু থাকতে দেয়ার দাবীতো দূরের কথা এটাও বলতে পারি না সামনের খালি জায়গাটাতো তোমার কাজে লাগে না… এখন থেকে আমি এখানেই থাকবো। বড়জোর কোন কারণে আমরা তাকে অনুরোধ করে দেখতে পারি। তারপর সে যেই সিদ্ধান্ত নেয় তা তার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার।



ঠিক তেমনি ছাত্রজীবনে উত্তরাধিকার সম্পত্তি হলো বড় আপু-ভাইদের থেকে পাওয়া হ্যান্ড নোট। সেখানেও অন্যের অধিকার থাকে না! অন্যের সম্পত্তি বা নোট না পাওয়ার কারণে যে জ্বলে-পুড়ে সে নিজেরই ক্ষতি করে। নিজেদের মধ্যে পারস্পারিক সম্পর্ক নষ্ট করে আর এভাবে নিজেদেরকে মানসিকভাবে অস্থির বা অসুস্থ করে তুলে!

তবে হ্যাঁ! আপনি যখন কারো সাথে গ্রুপ স্টাডি করছেন। তখন শর্ত অনুযায়ী অন্যান্য পার্টনাররা আপনাকে তাদের নোট দিতে বাধ্য থাকবে। ওইটা আমাদের আলোচনার বিষয় না।



কেউ যদি তার নিজের করা বা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া নোট অন্যকে না দেয়। তখন আমরা হাউকাউ করে তার চরিত্র নিয়ে গো যোগ এষণা (পড়ুন গবেষণা) করতে বসি! খুঁজে পাই হিংসা আর স্বার্থপরতায় পূর্ণ একজন মানুষ। আমরা সেই উত্তরাধিকার বা সরাসরি আপু বা ভাইয়ের কাছে প্রয়োজনে তার নোটটা চাইতেই পারি। কিন্তু না দিলে তার সম্পর্কে রসিয়ে রসিয়ে আজেবাজে কথা ছড়ালে দিন শেষে নিজেরই ক্ষতি।

একবারও ভাবি না তার সম্পত্তি… তার ইচ্ছা… তার ব্যাপার সে দিবে কী দিবে না! সে যদি দেয় তার উদারতা! সে যদি কারো ভয়ংকর লেভেলের সমস্যার কারণে পড়তে না পারার কারণ আর অসহায়ত্বের কথা বুঝতে না পারে তাহলে এটা তার অমানবিকতা!



কেউ কষ্ট করে রাতের পর রাত জেগে নোট করছে আর আমি রাতের পর রাত নাক ডেকে ঘুমিয়ে বা ফেসবুকিং করে তার কাছে নোট দাবী করতে পারি না!

ঠিক তেমনি পরীক্ষা হলে কাউকে জিজ্ঞেস করে কান ঝালাপালা করে দিতেও পারি না। অন্যের ব্রেনে সেইভ করা জিনিস নিজের ব্রেনের বলে চালিয় দিবেন কেন!! তাহলেতো পরীক্ষার পরে যে রেজাল্ট বের হবে তাও মিথ্যা হয়ে যায়। রেজাল্টটা তাহলে আর আপনার বৈধ অর্জন থাকে না। এটি দুর্নীতি করে অর্জন করা সম্পদ হয়ে যায়।

পরীক্ষা হলে যারা অন্যের খাতা দেখে নকল করেন তাদের কাছে প্রশ্ন- সারা জীবন রেজাল্টে একটা মিথ্যা নিয়ে ঘুরে বেড়াবেন?

Photos 27/09/2016

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে মিল্লাতের ছাত্র আব্দুল্লাহ। আব্দুল্লাহ এবং ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পাওয়া মিল্লাতের প্রত্যেক স্টুডেন্টের জন্য রইলো দোয়া ও শুভকামনা।

আর যারা চান্স পাওনি তাদেরকে বলছি, বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত সবাই কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র না। সুতরাং চান্স পাও নাই মানে ক্যারিয়ার শেষ না! হয়তোবা একটা ভালো সুযোগকে নিজের গাফলতি বা অন্য কোনো কারণে কাজে লাগাতে পারো নাই। নিজের কাছে প্রতিজ্ঞা করো সামনে আর কোনো বড় সুযোগ হাত-ছাড়া হতে দিবা না। আর এখন মানুষ তোমাকে নিয়ে অনেক কথা বলতে পারে এগুলা পাত্তা দিয়ে সময় নষ্ট করবা না। নিজেকে সম্মান করতে শিখো। নিজের প্রতিটা মুহূর্ত কাজে লাগাতে শুরু করো।
যেখানেই ভর্তি হও মন দিয়ে পড়া-লেখা করবা... নিজের পরিচয় তৈরী করো। নিজেকে এমন অবস্থানে নিয়ে যাও যেন তোমাকে দিয়ে তোমার প্রতিষ্ঠান পরিচিত হতে পারে। তুমি যেমন ছাত্রই হও চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ সিজিপিএ পেতে পারবা। হয়তোবা কেউ কেউ টেকনিক দিয়ে... মেধার জোরে... কম চেষ্টায় কিছু পারবে... কিন্তু তুমি তার থেকে একটু বেশি চেষ্টা করো... দেখবা তুমিও অনেক কিছু পারো...
কিন্তু শুধু রেজাল্টের জন্য না... জানার জন্য পড়বা...
সবচেয়ে বড় কথা তুমি নিজেকে জানো! নিজের জীবনের লক্ষ নির্ধারণ করো। জীবনের বাকি সময়টায় তুমি নিজেকে এবং সমাজকে কী দিবা সেটা ঠিক করো। মাকাল ফল হইয়ো না! প্রতি মুহূর্তে ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টায় থাকবা। নিজের ভিতরের খারাপ মানুষটা যেন কখনো তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে সারাক্ষণ সেই যুদ্ধ করে যাও...
সকল মিল্লাতিয়ানদের জন্য অনেক শুভ কামনা...
–শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়... (প্রাক্তন শিক্ষার্থী, তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা, মহিলা ক্যাম্পাস)

Photos 29/10/2015

ক্লাস নাইনে উঠে অনেকটা জেদ ধরেই গার্লস স্কুলে চলে আসি, আমার এক কথা- আমি কো-এড এ আর পড়বো না। আমার বাসা থেকে গার্লস স্কুল অনেক দূরে ছিল, আর আমার কোন সাথীও ছিল না। একা আমি একটা মেয়ে এত দূর যাতায়াত করবো কেউই তাতে সায় দিচ্ছিল না। আকমল স্যার, মুজাহিদ স্যার, জিয়া হুযুর সবাই আমাকে অনেক বুঝালো, কিন্তু আমার ঐ একই কথা...
শেষে আম্মু বাধ্য হয়েই আমাকে দূরে পাঠালো।
শুরু হলো আমার নতুন জীবন। কষ্ট করলে কেষ্ট মিলে এই কথাটা যে কতোটা কষ্টকর তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিলাম আমি সে সময় গুলোতে। আজও ভাবতে অবাক লাগে কি করে পেরেছিলাম অতো সাহস দেখাতে!
তবে সব কষ্টই আমার শেষ হয়ে যেতো যখন মাদ্রাসায় এসে টিচারদের পেতাম, বান্ধবীদের কে পেতাম। দিলআফরোজ আপা, হালিমা আপা, দিলরুবা আপা... বলতে গেলে সব... সব আপারাই ছিলেন অসাধারণ। অনেক কিছুই শিখেছি তাদের কাছ থেকে... জীবনটাকে নতুন করে চিনেছি। একটা মেয়ে হিসেবে কিভাবে সমাজে টিকে থাকতে হয়, কি করে সব দিক ব্যালেন্স করতে হয়, এই সব কিছুই তাদের কাছে শেখা... আর আমাদের মেয়েদের জন্য তো মহিলা টিচার স্রেফ টিচারই না। বড় বোন, মায়ের মতো, শুভাকাঙ্খী সব কিছু... এখানে যেমন নাসরিন আপার মতো বড় বোন পেয়েছিলাম, তেমনি মায়ের মতো শাসন ও পেয়েছি দিলরুবা আপার কাছ থেকে। নিয়মানুবর্তিতা কাকে বলে তা শিখেছিলাম সেলিনা আপার কাছে যাকে আড়ালে আমরা এস.পি বলে ডাকতাম! একজন আদর্শ মুসলিম মেয়ে হিসেবে সমাজে নিজেকে দাড় করানো'' এই কথাটার মিনিং বুঝেছিলাম এই মানুষ গুলোর কাছে থেকে।
মাদ্রাসা শেষ করেছি সেই কবে, কিন্তু আজও আপাদের সাথে দেখা হলে পাই- সেই হাসি,সেই আদর ভরা কণ্ঠ, সেই মায়াময় শাসন...
-প্রাক্তন শিক্ষার্থী, তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা, মহিলা ক্যাম্পাস।

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ মোঃ ওমর ফারুক ভাই

Photos 28/07/2015

একজন মানুষের বড় হবার পেছনে তার ছোটবেলার আশে-পাশের মানুষ ও শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের প্রভাব থাকেই। মিল্লাতেও একটু একটু করে কিছু মেধাবী মুখ বড় হয়েছে। সেরকমই এক মেধাবী মুখের নাম শেখ সাফওয়ানা জেরিন। মিল্লাত মহিলা শাখার প্রতিষ্ঠার এক-দুই বছর পরই মিল্লাতের সাথে জেরিনের পথ চলা শুরু। এই মিল্লাত প্রাঙ্গনেই জেরিন খেলতে খেলতে বড় হয়েছে। তার মেধার পরিস্ফুটন ঘটেছে। লেখা-পড়া, কবিতা আবৃত্তি, রচনা প্রতিযোগিতা ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বাক্ষর রাখার কারণে জেরিন ছিল মিল্লাতের এক অতি পরিচিত মুখ। জেরিনের প্রথম বই যখন কিছুই লুকানোর থাকেনা জেরিনের মেধার অনন্য প্রকাশ। নারীর জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে লেখা এ বইটি যেকোন নারী বা পুরুষ পড়লেই উপকৃত হবে। সকলের সংগ্রহে রাখার মত এ বইয়ের লেখক মিল্লাতের গর্ব। মিল্লাত মহিলা শাখার পক্ষ থেকে জেরিনের জন্য রইলো অনেক শুভ কামনা ও দোয়া।

Photos 25/07/2015

মেয়েটা চুপ করে মাদ্রাসায় এক কোণে বসে আছে। মনের ভেতর উথাল-পাতাল ঢেউ। কান্নায় ভেতরটা দুমরে মুচরে যাচ্ছে। চেহারা দেখে মন খারাপ বুঝা গেলেও ভেতরের কষ্টের ঢেউটা বুঝা যায় না।
কিন্তু একজন ঠিকই বুঝে গেলেন। পাশে এসে আশ্বাস দিলেন। কি হয়েছে বলতে বললেন। যে মেয়েটা মিনিট দশেক আগেও ভাবছিলো পৃথিবীতে সবাই খুব খারাপ। কাউকে কষ্টের কথা বলবো না। কাউকে বিশ্বাস করি না। সেই মেয়েটা মাথায় পরম শ্রদ্ধেয় আপার(শিক্ষিকার) হাতের ছোঁয়া পেয়ে গড়গড় করে সব বলে দিল। আপার থেকে জানলো এত ছোট ব্যাপার নিয়ে মন খারাপ কেন ভাবতেও হয় না। তবুও সমস্যাটা কিভাবে এড়িয়ে যাবে তাও আপা শিখিয়ে দিলেন।

এখন চুপিচুপি একটা সত্যি কথা বলি- মেয়েটা আপার কথা অনুযায়ী সমস্যাটা দূর করতে পারলেও তখন একটু একটু ভয়ও পেয়েছিলো; আপা যদি সবাইকে বলে দেয়! সবাই কি ভাববে। মানুষের মন তো; সন্দেহ মাঝে মাঝে চলেই আসে। তারপর আবার সেই আপা একই সাথে চরম কঠোর এবং অন্নেক বেশী স্নেহময়ী।

এই ঘটনাটা বেশ আগের ২০০৫ কি ২০০৬ সালের... এখন সেই মেয়েটা অনেক বড় হয়েছে। সেই সময়ের ছেলেমানুষির কথা ভাবলে মেয়েটার মুখে এখনো এক চিলতে হাসি খেলা করে, সন্দেহের কথা ভাবলে লজ্জা পায়, স্নেহময়ী শিক্ষিকা ও বড়আপুদের কথা মনে পড়লে পরম স্রস্টার কাছে মিল্লাতের জন্য দোয়া চায়। মেয়েটা তার ছোট বেলার প্রত্যেক মমতাময়ী শিক্ষিকার কাছে কৃতজ্ঞ। মিল্লাতের কাছে কৃতজ্ঞ। মেয়েটা সারা জীবন প্রাণ ভরে মিল্লাতের জন্য দোয়া করবে।
আপনারাও আপনাদের দোয়ায় মিল্লাতকে ভুলবেন না আশা করি...

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Demra
Dhaka
1234