তাৎক্ষণিকভাবে সম্মান অর্জন করবেন যেভাবে!
•
আপনার কি মনে হয়, আপনি যে সম্মান ‘ডিজার্ভ’ করেন, অন্যরা সেটি আপনাকে দিচ্ছে না? আপনি কি সেই দলের লোক, যাঁরা মনে করেন, জগতে সম্মানের চেয়ে বড় অর্জন আর নেই? আপনি কি জীবনে আরও সম্মানিত হতে চান? এই তিন প্রশ্নের যেকোনো একটির উত্তর যদি হয় ‘হ্যাঁ’, তাহলে লেখাটি আপনার জন্য। চলুন, চট করে চোখ বুলিয়ে নেওয়া যায় অন্যের চোখে সমীহ আর সম্মান অর্জনের উপায়গুলোয়।
•
১. কথা কম বলুন। হুট করে কোনো মন্তব্য করে বসবেন না। বেশি শুনুন। অন্যের কথা মন দিয়ে শোনার অভ্যাস করুন।
২. একটা মানুষের সবচেয়ে প্রিয় শব্দ কী, জানেন? তাঁর নাম। মানুষ তাঁর নিজের নাম শুনতে ভালোবাসে। তাই মানুষের নাম মনে রাখুন। নাম ধরে ডাকুন।
৩. পেছনে প্রশংসা করুন। সামনে সমালোচনা করুন।
৪. কেউ যদি কোনো কথা গোপন রাখতে বলে, যেকোনো মূল্যে গোপনীয়তা রক্ষা করুন।
৫. অন্যকে বেড়ে উঠতে বা অন্যের উন্নতিতে সাহায্য করুন, অনুপ্রাণিত করুন। একজন নেতার সবচেয়ে বড় গুণ এটিই।
৬. অন্যরা আগে প্লেটে খাবার তুলে নিক। তারপর আপনি নিন অথবা অন্যদের সার্ভ করে সবার শেষে নিজের পাতে খাবার তুলুন।
৭. যেকোনো কথোপকথন বা মিটিংয়ের সময় মুঠোফোন চোখের আড়ালে রাখুন। চোখে চোখ রেখে কথা বলুন। মন দিয়ে কথা শুনুন। থেমে থেমে কথা বলুন।
৮. যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে ৩ সেকেন্ড সময় নিন।
৯. পার্টি বা খাওয়াদাওয়া শেষে টেবিল বা ঘর পরিষ্কার করতে সাহায্য করুন।
১০. কেউ ঘরে ঢুকতে চাইলে দরজা খুলে দাঁড়ান। সে ভেতরে ঢোকা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
১১. কথা দেওয়ার সময় কম করে বলুন। প্রত্যাশার চেয়ে বেশি দিন।
১২. যেকোনো জায়গায় সময়মতো উপস্থিত হোন।
১৩. জীবনসঙ্গী, বন্ধু, পরিবার ও কাজের প্রতি শতভাগ সৎ থাকুন।
১৪. একমত না হলেও অন্যের মতামতকে সম্মান করুন।
১৫. কেউ যখন দেখছে না, তখনো মন দিয়ে কাজ করুন।
১৬. ‘প্লিজ’, ‘সরি’, ‘থ্যাংক ইউ’—এই শব্দগুলোর অনেক ক্ষমতা, কাজে লাগান।
১৭. নিজের ভুল বুঝতে পারার সঙ্গে সঙ্গে স্বীকার করুন।
১৮. মনে রাখবেন, আপনার সঙ্গে কী ঘটেছে, তা দিয়ে মানুষ আপনাকে বিচার করবে না; বরং সেই ঘটনাগুলোতে আপনার প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল, সেটি আপনাকে ‘আপনি’ করে তোলে। তাই মানুষ কেমন, সে আপনার সঙ্গে কী আচরণ করেছে, সে হিসেবে তার সঙ্গে আচরণ করবেন না; বরং আপনি মানুষ হিসেবে কেমন, সে অনুযায়ী সামনের মানুষটার সঙ্গে আচরণ করুন।
১৯. ‘রিঅ্যাক্ট’ করবেন না; বরং ‘রেসপন্ড’ করুন। প্রতিক্রিয়া দেখাতে সময় নিন। ভুল থেকে শিখুন। রাগ, হতাশা ও দুশ্চিন্তার মতো নেতিবাচক বিষয়গুলো সামলাতে শিখুন।
২০. যেকোনো সম্পর্কে সীমানা টানুন। শেয়ার করার আগে ভাবুন, ‘ওভারশেয়ারিং’ করছেন না তো?
২১. যেকোনো পরিস্থিতি ইতিবাচকতা আর মনোবলের মাধ্যমে মোকাবিলা করুন।
২২. ‘লাস্ট বাট নট দ্য লিস্ট’, সবার আগে নিজেই নিজেকে সম্মান করুন। নিজের নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখুন। নিজেকে জানুন। নিজেকে প্রতিনিয়ত ‘বেটার ভার্সন’ করে তোলার যাত্রা অব্যাহত রাখুন।
অনুপ্রেরণা - Inspiration
নিজেকে শুধু বিশ্বাস করে দেখুন, আপনি অবিশ্বাস্য সব কাজও করে ফেলতে পারবেন।
এইচআর অভিজ্ঞতা:
আমি একজন প্রার্থীর সিভি বহুবার বাতিল করেছিলাম।
তবুও, তিনি আবার আবেদন করেন, আর শেষবার আমি তাকে ইন্টারভিউর জন্য ডাকলাম। আশ্চর্যের বিষয়, ইন্টারভিউর পরই আমরা তাকে চাকরির প্রস্তাব দিলাম।
এখন, এক বছর পর, তিনি শুধু দক্ষতার সাথে কাজ করছেন না, বরং টিম লিডার পদে উন্নীত হয়েছেন।
এই অভিজ্ঞতা আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছে: শুধুমাত্র সিভি দেখে কাউকে বিচার করা উচিত নয়।
একজন প্রার্থীর সম্ভাবনা কাগজে লেখা শব্দের বাইরেও থাকে। তাদের সুযোগ দিলে এমন প্রতিভা, নতুন ধারণা, আর উদ্দীপনা দেখতে পাবেন, যা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।(সংগ্রীহিত)
15/07/2024
ভিমরুলের মতো এক ধরনের পোকা ঘুরে বেড়ায় ঘরময়। অতি চঞ্চল। দ্রুত আসে, ঘরের এককোণের দেয়ালে কী যেন রেখে আবার পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর আবার ফিরে আসে। কয়েকদিন একটানা খেয়াল রাখলাম। এক তাল কাদার স্তূপ জড়ো হয়েছে দেয়ালের সেই কোণে। খুব ভালো করে তখন পোকাটাকে লক্ষ করলাম। মুখে খুব সামান্য একফোঁটা কাদা। বাইরে থেকে বার বার আনে।
সেই কাদাই এক সময় স্তূপে রূপ নেয়। কাদার সেই স্তূপটা হলো ওই ভিমরুলের বাসা।
গ্রামে একে কুমরে পোকা বলে, কাদা দিয়ে বাসা বানায় কী-না! আসলে এটাও একধরনের ভিমরুল। যে সে কাদা কিন্তু ঘর তৈরিতে ব্যবহার করে না। রীতিমতো চারপাশে ভালো করে দেখে উপযুক্ত কাদা খুঁজে বের করে। তারপর কাদার সঙ্গে নিজেদের লালা মিশিয়ে আঠালো করে বাসা তৈরি করে।
কাদার সেই স্তূপের ভেতরটা ফাঁপা। বাইরের দেয়ালগুলো যতটা এবড়ো-খেবড়ো, ভেতরটা ঠিক ততটাই মসৃণ। বাইরে থেকে দেখলে পোকাদের সেই ঘরের মুখ খুঁজে পাওয়া যায় না।
তাহলে পোকা ভেতরে ঢোকে কী করে? শ্বাসই বা নেয় কীভাবে?
তখন জানতাম না, বড় হয়ে জেনেছিলাম। এ ঘর পোকা নিজের জন্য বানায় না। বানায় তার সন্তান-সন্তানাদির জন্য।
ঘরের ভেতরটা যেমন মসৃণ, ঠিক ততটাই ঠাণ্ডা। দরজা না থেকেও ঠান্ডা।
কীভাবে?
কাদার সেই ঘর তৈরির সময় দেওয়ালে অসংখ্য ছিদ্র রাখে মা ভিমরুল। খালি চোখে সেই ছিদ্র আমাদের চোখে পড়ে না। সে সব ছিদ্র দিয়ে প্রচুর বাতাস ঢোকে। ভেতরের পরিবেশ রাখে ঠান্ডা। এর ফলে ভেতরে অক্সিজেনেরও অভাব হয় না।
বাসা তৈরি হয়ে গেলে এরা শুঁয়োপোাকা, মাকড়াশা জাতীয় পোকার খোঁজে বেরিয়ে যায়। কাউকে সুযোগ মতো পেলেই তার পিঠে ফুটিয়ে দেয় হুল, দক্ষ শিকারির মতো করে।
বোলতার হুলে বিষাক্ত পদার্থ থাকে। বিষ আক্রান্ত পোকাদের অবশ করে দেয়। প্যারালাইজড রোগীদের মতো করে। বেঁচে থাকে, কিন্তু নট নড়ন-চড়ন।
অবশ সেই পোকাদের ঘরের ভেতর সাজিয়ে রাখে সুন্দর করে। তারপর বাসার ভেতর ডিম পাড়ে মা কুমরে পোকা। সবশেষে মা পোকা বেরিয়ে এসে ঘরের মুখ বন্ধ করে দেয়।
কয়েক দিন বাদে ডিম ফুটে ছানা বেরোয়। ততোদিনে অবশ্য বাসা শুকিয়ে সম্পূর্ণ শক্ত হয়ে গেছে।
মা আশপাশে নেই। অথচ খাওয়ার, আরাম-আয়েশের জন্য কোনো চিন্তাই করতে হয় না ছানাদের। অবশ ও আস্ত কিছু জীবীত পোকা রয়েছে খাবার হিসেবে।
খাবারের সেই ভাণ্ডার শেষ হতে না হতেই ছানারা বড় হয়ে যায়। নিজেরাই তখন ঘরের দেয়াল ছিদ্র করে বেরিয়ে আসে। কিন্তু যে মা অত পরিশ্রম করল, তার দেখা ছানারা কখোনই পায় না। ততক্ষণে মা বেচারি হয়তো কোনো পোকাশিকারি পাখি কিংবা গিরগিটির পেটে চলে গেছে।
আর যদি বেঁচেও থাকে, নিজের সন্তানদের দেখলে সে-ও যেমন চিনবে না, সনন্তানেরাও মাকে চিনবে না। অথচ মা তাদের জন্য জীবনের শেষ পর্যায়ে কতটা কষ্ট করেছে! মায়েরো আসলে এমনই! জাতপাত, এমনকী প্রাণীভেদেও মায়ের রূপ বদলায় না।
(সংগৃহীত)
মুসলিম জাহানের খলিফা হযরত উমর (রাঃ) এর ঈদ শপিং!
ঈদের আগের দিন খলিফা উমরের (রা) স্ত্রী নিজ স্বামীকে বললেন, ‘আমাদের জন্য ঈদের নতুন কাপড় না হলেও চলবে, কিন্তু ছোট বাচ্চাটি ঈদের নতুন কাপড়ের জন্য কাঁদছে’।
আরব জাহানের শাসক খলিফা উমর (রা) বললেন, ‘আমার তো নতুন কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই’।
পরে খলিফা উমর (রা) তার অর্থমন্ত্রী আবু উবাইদা (রা) কে এক মাসের অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি পাঠালেন।
সমগ্র মুসলিম জাহানের খলিফা যিনি, যিনি সেই সময় প্রায় অর্ধেক পৃথিবী শাসন করছেন, তাঁর এ ধরণের চিঠি পেয়ে আবু উবাইদার (রা) চোখে পানি এসে গেল। উম্মতে আমীন আবু উবাইদা (রা) বাহককে টাকা না দিয়ে চিঠির উত্তরে লিখলেন, ‘আমীরুল মুমিনীন! অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য দুটি বিষয়ে আপনাকে ফয়সালা দিতে হবে।
প্রথমত, আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে থাকবেন কি না?
দ্বিতীয়ত, বেঁচে থাকলেও দেশের জনসাধারণ আপনাকে সেই মেয়াদ পর্যন্ত খিলাফতের দায়িত্বে বহাল রাখবে কিনা?
’
চিঠি পাঠ করে খলিফা উমর (রা) কোন প্রতি উত্তর তো করলেনই না, বরং এত কেঁদেছেন যে তাঁর চোখের পানিতে দাঁড়ি ভিজে গেলো। আর হাত তুলে আবু উবাইদার (রা) জন্য দোয়া করলেন- একজন যোগ্য অর্থমন্ত্রী নির্বাচিত করতে পেরেছেন ভেবে।
❝তোমরা অন্যের দোষ খোঁজাখুঁজি করো না, একে অন্যের অনুপস্থিতিতে দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করো না।❞
—আল কুরআন (সূরা হুজুরাত : ১২)
"বুদ্ধিমান লোক নিজে নত হয়ে বড় হয়, আর নির্বোধ ব্যক্তি নিজেকে বড় বলে অপদস্থ হয়।"
- হযরত আলী (রাঃ)
"মনে রাখবেন ‘আজই’ হলো সেই ‘আগামীকাল’, যাকে নিয়ে আপনি ‘গতকাল’ চিন্তিত ছিলেন। দিন আসবে দিন যাবে। যা ঘটার, তার নিয়মেই ঘটবে! সামনের যে দিন আসছে, তাকে স্বাগত জানান। দুশ্চিন্তা করে লাভ নেই।
14/11/2022
কোন রিকশা বা ঠেলা চালক কে দেখিয়ে নিজের বাচ্চা কে কখনো বলবেন না, যদি তুমি পড়ালিখা না কর তবে এমন হবে। বরং বুঝাবেন, ভাল করে পড়ালিখা কর, যাতে বড় হয়ে এনাদের জন্য কিছু করতে পার।
24/09/2022
বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ পুরুষ মানুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমাণ বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। তো, লজিক অনুযায়ী মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমাণ শুক্রাণু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি বাচ্চা তৈরি হতো, এই ৪০ কোটি শুক্রাণু মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুটতে থাকে, জীবিত থাকে মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু। আর বাকিরা? এই ছুটে চলার পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়। এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে, তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহা শক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে নিষিক্ত করে অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহণ করে। সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছে আপনি কিংবা আমি অথবা আমরা সবাই।
⭕ কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন?
-----------------------------------------------
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন ছিলোনা কোন চোঁখ হাত পা মাথা, তবুও আপনি জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌঁড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার ছিলোনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলোনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌঁড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার ছিলোনা কোন শিক্ষা, কেউ সাহায্য করেনি তবুও আপনি জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌঁড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিলো এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌঁড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবধি আপনিই জিতেছিলেন।
#এরপর-
----------
❒ বহু বাচ্চা মায়ের পেটেই নষ্ট হয়ে যায় কিন্তু আপনি মারা যাননি, পুরো ৯ বা ১০টি মাস পূর্ণ করতে পেরেছেন।
❒ বহু বাচ্চা জন্মের সময় মারা যায় কিন্তু আপনি টিকেছিলেন।
❒ বহু বাচ্চা জন্মের প্রথম ৫ বছরেই মারা যায় কিন্তু আপনি এখনো বেঁচে আছেন।
❒ অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যায় কিন্তু আপনার কিছুই হয়নি।
❒ বড় হওয়ার পথে অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে কিন্তু আপনি এখনো আছেন।
---------------
আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেন ভাবছেন আপনি হেরে গিয়েছেন? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন? এখন আপনার বন্ধু-বান্ধব, ভাই-বোন, সার্টিফিকেট সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলছেন! যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেননি। ৪০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে ক্রমাগত দৌঁড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়াই প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন।
22/09/2022
১. কেউ যন্ত্রণা দিচ্ছে ?
🤫 চুপ হয়ে যান।
২. কেউ অনেক ভালবাসার পরও প্রাপ্যটা দেয়নি ?
🤫 চুপ হয়ে যান।
৩. কোন মানুষ অনেক অপমান করছে?
🤫 চুপ হয়ে যান।
৪. কেউ ঠকিয়ে গেছে ?
🤫 চুপ হয়ে যান।
৪. কেউ আপনাকে নিয়ে তুমুল মিথ্যা দোষারোপ করছে ?
🤫 চুপ হয়ে যান।
৫. কেউ বিশ্বাস ঘাতকতা করছে ?
🤫 চুপ হয়ে যান।
এমন নিরব হয়ে যান সে মানুষগুলো যেনো আর কখনই আপনার শব্দ কিংবা ছায়া না দেখে। মৃত হয়ে যান তাদের কাছে।
প্রতিজ্ঞা করুন আর কখনই ঘুরে তাকাবেন না। শুধু এই প্রতিজ্ঞাটা করতে পারলে আপনি কষ্ট পাবেন না। এই যে নিরবতা আপনাকে দম বন্ধ করা আর্তনাদ দিবে কিন্তু অপরপক্ষকে দিবে আফসোস। আসলে আমরা হারাবার ভয়ে শব্দ দিয়ে প্রতিবাদ করি কিন্তু আপনি জানেন কি?
যে মানুষগুলো আপনাকে মানুষ বলে মূল্যায়ন করেনি, আপনাকে দমবন্ধ কান্নার অনুভূতি দিয়েছে তারা আপনার কেউ না। তাই শব্দ দিয়ে, কান্না দিয়ে দুনিয়ার সমস্ত প্রায়োরিটি দিলেও ওরা আপনার মূল্য বুঝবে না।
তাই নিজের স্বার্থে বাঁচুন
নিজেকে ভালোবাসুন,
আপনার একজন "রব" আছেন!
সেজদায় গিয়ে বলে দিন,
তিনি দুঃখ - মোছার উপশম বিলি করেন! ❤
আসুন রাগ জরিপ করি-
১) কথা বলা বন্ধ করেছেন - ০৫।
২) বই ছিড়েছেন - ০৫।
৩) আয়না ভেঙেছেন - ০৫।
৪) মারধোর করেছেন- ১০।
৫) খাওয়া অফ করেছেন- ১০।
৬) রিমোট ছুড়ে ফেলেছন - ০৫।
৭) ভাতের থালা ভেঙেছেন/ছুড়েছেন - ১৫।
৮) বই ছুড়েছেন - ০৫।
৯) কাপড়-চোপড় ছুড়েছেন - ০৫।
১০)ফুলদানি ভেঙেছেন - ০৫।
১১) মোবাইল ভেঙেছেন - ১০
১২) হাঁড়ি-পাতিল ভেঙেছেন/ছুড়েছেন - ০৫।
১৩) গালি দিয়েছেন -১৫।
*১-২৫ পেলে আপনি ধৈর্য্যশীল।
*২৬-৪০ পেলে আপনার রাগ আছে এবং তা প্রদর্শন করেন তবে মাত্রা অতিক্রম করেন না।
*৪১-৬৫ পেলে আপনি আপনি রাগী এবং রাগের বশে নিজেই নিজের ক্ষতি করেন যা অনুচিত।
*৬৬-৮০ পেলে আপনার রাগ আপনার এবং আপনার পরিবারে বেশ প্রভাব ফেলে, সংযত হতে হবে।
*৮১-১০০ পেলে আপনি যথেষ্ট বদমেজাজি ও তিরিক্ষি স্বভাবের। এতে আপনি ও আপনার পরিবার উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত ও অর্থনৈতিকভাবেও আপনি ক্ষতিগ্রস্ত। ফিরে আসতে হবে, সংশোধন হতে হবে।
🔴 বই নিয়ে কিছু মজার তথ্য —
▪️১.হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরীতে ৪ খানা বই আছে যা মানুষের চামড়া দিয়ে বাঁধাই করা।
▪️২.মাথা পিছু বই পাঠের দিকে শীর্ষে হলো আইসল্যান্ড।
▪️৩.বইপড়া মানুষের অ্যালজাইমার রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অপেক্ষাকৃত কম।
▪️৪.ব্রাজিলের কারাগারে প্রতি একটি বই পাঠের জন্য ৪ দিনের সাজা মাফ হয়।
▪️৫.ভার্জিনিয়া উলফ তাঁর সব বই দাঁড়িয়ে লিখেছিলেন।
▪️৬.সবচেয়ে চুরি হয় যে বইটি, সেটা হলো বাইবেল।
▪️৭.রুজভেল্ট প্রতিদিন গড়ে ১ টি বই পড়তেন।
▪️৮.শুধুমাত্র দাবা খেলার উপরই ২০০০০+ বই আছে।
▪️৯.ভিক্টর হুগোর লা মিজারেবল বইয়ে একটি বাক্য আছে যেখানে ৮২৩টি শব্দ।
▪️১০.হারি (Hurry), এডিকশন (Addiction) এসব শব্দ শেক্সপিয়ারের আবিস্কার।
▪️১১.নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরীর সব বই একসাথে লাইন করে রাখলে ৮ মাইল লম্বা হবে।
▪️১২.লেভ তলস্টয়ের বিশাল উপন্যাস ওয়ার এন্ড পিসের পান্ডুলিপি তাঁর স্ত্রী হাতে লিখে ৭ বার কপি করেছিলেন।
▪️১৩.নোয়াহ ওয়েবস্টার তাঁর প্রথম ডিকশনারী লিখতে সময় নিয়েছিলেন মাত্র ৩৬ বছর।
▪️১৪.আর 'বঙ্গীয় শব্দকোষ' নামক অভিধানটি তৈরি করতে হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কতদিন লেগেছিল? প্রায় গোটা জীবন। সেইসঙ্গে ছিল প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই।
( সংগ্রহ)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
9-10, Chittaranjan Avenue
Dhaka
1100